Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"এ কেমন ভালোবাসাএ কেমন ভালোবাসা পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

এ কেমন ভালোবাসা পর্ব-০২ এবং শেষ পর্ব

,,পর্ব-২ শেষ পর্ব
#এ_কেমন_ভালোবাসা?
,,জিনাত আফরোজ

পরের দিন সকালে আমাকে আর অভিকে স্বাভাবিক আচরণ করতে দেখে আমার শাশুড়ি মা একটু হতাশই হলেন। উনি হইতো ভাবছিলেন অভি আমাকে মেরেছে এটা নিয়ে অনেক কিছু হবে।
আগের মতো হলে হইতো কিছুই হতো না কিন্তু কালকে ওদের আড্ডায় যা শুনছি তারপর না হয়ে পারে না।
নাস্তা দেওয়ার সময় অভির সামনে নিজেকে শান্ত রাখলেও মনকে শান্ত রাখতে পারছি না।

তারপরও অতি কষ্টে মুখে হাসি এনে বলি
– অভি একটা কথা জিজ্ঞেস করবো মাইন্ড করবে না তো?
অভি আমার কথা শুনে একটু চমকে উঠে আমার দিকে তাকায় কিন্তু আমার চোখ মুখের সরলতা দেখে বলে
– হ্যাঁ বলো তুমি কিছু বলবে আর আমি মাইন্ড করবো ভাবলে কি করে।
– সত্যি সত্যি বলবে কিন্তু,
– আরে হ্যারে সত্যি বলবো, বলো।
– তুমি কি বিয়ের আগে কাউকে পছন্দ করতে?

অভি এবারও চমকে উঠে আমার দিকে তাকায় আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে রাখি।
এবারও আমার চোখে মুখে কিছু না দেখে ও হেসে ওঠে বলে।
– হঠাৎ ২ বছর পর এই প্রশ্ন?
– এ প্রশ্ন তো অনেক আগের, যেদিন মা আমাকে খোঁচা দিয়ে কথা বলে সেদিন আরও বেশি করে মনে পড়ে। তুমি এতো হ্যান্ডসাম, সুন্দর তুমি কাউকে পছন্দ করো না বা মেয়েরা তোমার জন্য পাগল না এটা আমাকে বিশ্বাস করতে বলো?

এবার অভি হো হো করে হেসে উঠে বলে
– তাহলে এ ব্যাপার, শুনো মা কি বলছে না বলছে মন খারাপ করো না আর হ্যাঁ কালকের জন্য সরি। আর কখনো এরকম হবে না জান।
আমি বিড় বিড় করে বলি
,,আর কখনো এরকম হওয়ার জন্য তুমি থাকবেও না অভি।
অভি ভ্রু কুঁচকে বলে
– কি বিড় বিড় করছো?
– না, সব ঠিক আছে কিন্তু তুমি কাউকে পছন্দ করো কি-না এটা তো বললে না।

অভি প্রথমে খুব কৌশলে কথা ঘুরানোর চেষ্টা করে কিন্তু আমিও নাছোড় বান্দা আজকে কথা আদায় করেই নিবো। অনেকবার জিজ্ঞেস করার পর বলে

– একজনকে খুব পছন্দ করতাম তবে সেটা একতরফা ছিলো। মেয়েটা ওর ফুফুর বাড়িতে বেড়াতে আসতো। আমি দূর থেকে ওকে দেখতাম ওর গ্রামের আসপাশে ঘুরতাম। হঠাৎ একটা কাজে বাবা ঢাকায় পাঠায় এসে শুনি ওর বিয়ে হয়ে গেছে। ভাবছিলাম সব শেষ করে দিই কিন্তু পরে নিজেকে সামলে নিই। তারপরও মাঝে মাঝে দূর থেকে দেখে চলে আসতাম। কিন্তু বিশ্বাস করো বিয়ের ১ বছর আগে থেকে ওকে ভুলে নতুন করে সংসার করার কথা ভাবি। তাই আর কখনো ওর কাছে যেতাম না। বিয়ের পর আর কখনো ওর কথা একবারও মনে পড়েনি। কারণ আমি তখন তোমাকে পেয়ে গেছি আমার আর কাউকে দরকার নেই।
অভির কথার ধরণে যে কেউ ওকে বিশ্বাস করে নিবে। কিন্তু সত্যিটা কি সেটা তো আমি জানি। অভির দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলি
– কত সহজে সত্যি মিথ্যা এক করে বলে ফেললে। তোমার তাকে কেন মনে পড়বে যে তোমার সব সময় সামনেই থাকে।
– কি হলো নাস্তা করছো না যে? মন খারাপ হয়ে গেছে তোমার স্বামী আগে অন্য কাউকে ভালোবাসতো শুনে?
– আরে না কি যে বলো না আমি তো জানি তুমি আমায় কতোটা চাও কতোটা ভালোবাসো।
– হুম, আমি তাহলে যাই নিজের খেয়াল রেখো।

এ বলে অভি আমার কপালে চুমু দিয়ে চলে যায়। ওর এ ভালোবাসা গুলো আগে শরীরে শিহরিত বয়ে আনলেও। আজকে ঘৃণায় রি রি করে ওঠে। তারপরও শান্ত হয়ে বসে থাকি যা করার দ্রুত এবং সাবধানে করতে হবে। এখানে আর এক মুহূর্তও না।
কার কাছে কথা গুলো শেয়ার করবো বুঝতে পারছি না। ছোট ভাইকে বলবো, ও খুব ইমোশনাল যদি কাউকে বলে দেয়। না-কি বড়ো ভাইয়াকে বলবো। পরে সিদ্ধান্ত নিই কাউকে বলবো না আমার অবর্তমানে ওরা বিপদে পড়ুক তা আমি চাই না।

আম্মাকে কল দিয়ে কান্না করতে করতে বলি
– আম্মা বাবাকে খুব মনে পড়ছে, বাবার অসুস্থতার কথা বলে শ্বাশুড়ি মাকে বলেন আমি আজকে আমাদের বাড়িতে যাবো।
– তোর বাবা তো সারা বছরেই অসুস্থ থাকে, এভাবে আসার দরকার নেই অভিকে নিয়ে আসিস।
আম্মা প্রথমে রাজি হচ্ছিলো না যদি অভি রাগ করে। কিন্তু আমাকে তো আজকে বের হতেই হবে তাই আরও কান্না করতে থাকি। পরে আম্মা শ্বাশুড়ি মাকে বলে রাজি করায়। আমিও অভির কাছে কল করে কান্না কাটি করি। ও বাবার অসুস্থতা সিওর হয়ে রাজি হয়।

শ্বাশুড়ি মায়ের ঘর থেকে উনার ডাক্তারের দেওয়া প্রেসক্রিপশনটা লুকিয়ে ব্যাগে রেখে দিই। যা যোগাড় করার আজকে মধ্যে করতে হবে এই সুযোগ আর আসবে না।
প্রথমে বাবার বাড়ি যাই ওখানে দুপুর বেলা খাওয়া-দাওয়া করে সবাইর থেকে বিদায় নিয়ে ইসমাঈলের বাড়িতে যাই। আমার শাশুড়ি থেকে শুরু করে সবার সাথে দেখা করি।
তারপর দূরে একটা ফার্মেসি থেকে শাশুড়ি মায়ের কথা বলে প্রেসক্রিপশনের দেওয়া ঘুমের ওষুধ কিনে আনি। আর একটা ধারালো ছু*রি দূর থেকে কিনি। যাতে কেউ আমার কাজ শেষ হওয়ার আগে জানতে না পারে।

সন্ধ্যার আগে অভিদের বাড়িতে ফিরে আসি। ও আমি আজকে ফিরে আসবো ভাবেনি। আমাকে দেখে অনেক খুশি হয়। আমিও হাসি খুশিতে রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ করে শ্বাশুড়ির রুমে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নিই। শ্বাশুড়ি মা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। উনি যদি জানতেন কি কারণে আমি উনার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি তাহলে এখনি আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়তেন। কোন মায়েই চাইবে না তার সন্তানকে কেউ খু*ন করুক। সে যতো বড়োই অপরাধ করুক।

অভি আর আমার জন্য কফি বানিয়ে আনি। ও খুব খুশি হয়ে বলে
– বাহ আজ কাল তো দেখি আমার বউ আমি কিছু বলার আগেই বুঝে যায়। প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছিলো কফি এনে অনেক উপকার করছো।

আমি কিছু না বলে মুচকি হেসে ওর হাতে ঘুমের ঔষধের ওভার ডোজ দেওয়া কফি দিই। নিজেও নিই তবে ওর থেকে অল্প। একবার ভাবছি এ পাপ কাজ করবো না কিন্তু আমি আর নিতে পারছি না ইসমাঈল আর ইশানা (আমার মেয়ে) ওরা আমায় আকুল হয়ে ডাকছে আর বলছে মা একে ছেড়ে দিও না ও আমাদেরকে তোমার কাছ থেকে আলাদা করে দিছে। আর তুমি আমাদের কাছে চলে আসো। আমিও সিদ্ধান্ত নিয়েছি বেঁচে থাকলে এমনিতেই জেলে যেতে হবে। তার চেয়েও ওদের কাছে চলে যাবো।

অভি আস্তে আস্তে ঘুমের দেশে চলে যাচ্ছে। ওকে বলতেও ঘৃণা হচ্ছে আমি ওকে কেনো কীভাবে মা*র*বো। তবে আমি ডায়েরিতে লিখে যাচ্ছি কেনো আমি ওকে মেরেছি।
অভি পুরোপুরি ঘুমের দেশে চলো গেছে আমি একের পর এক ছু*রি চালিয়ে যাচ্ছি। ওকে যতবার ছুরি মারছি ততবার আমার মেয়ের আর্তনাদ দেখতে পাচ্ছি । কি করে পারলো ও এমনটা করতে আমার সুখের সংসার ছারখার করতে? এ কেমন ভালোবাসা ওর?
,, আমাকে যখন ও ফুফুর বাড়িতে দেখে তারপর থেকে আমাকে ফলো করতো। আমি একটু আধটু অনুমান করলেও তেমন গুরুত্ব দিইনি। কেননা অনেকেই প্রেমের প্রস্তাব দিতো। আমি ভাবছিলাম তাদের মধ্যে কেউ। তারপরের ঘটনা তো ও বলছেই সকালে। আমার আর ওর বিয়ের এক বছর আগে থেকে আমাকে ফলো করা বন্ধ করে কারণ ওর পথের কাটা ইসমাঈলকে ও সরিয়ে দিয়েছে।
ইসমাঈলরা যেদিন এক্সিডেন্ট করে তার দুইদিন আগে আমরা অনেক দূরে একটা প্রজোক্ট এলাকায় ঘুরতে যাই। যেহেতু ও আমায় ফলো করতো তাই জানতো আমরা কোথায় যাচ্ছি। ও আমাদের পিছু পিছু যায়। ইসমাঈলরা এক্সিডেন্ট করার পরে আমার একবারও মনে হয়নি ওদেরকে কেউ প্ল্যান করে মারতে পারে। তাই আমার মনে ছিলো না ওইদিন একটা ছেলে আমায় কিছু একটা বলে সেটা আর কেউ না অভি ছিলো। যেটা ইসমাঈল শুনে আমি ভালো করে শুনেনি। ইসমাঈল রাগের মাথায় অভিকে থা*প্প*ড় মা*রে। অভি আমার পিছন ফিরে ছিলো তাই ওকে দেখতে পাইনি। তারপর ইসমাঈল আমাদের নিয়ে বাড়িতে চলে আসে।
অভি এটা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এক তো আমাকে পায়নি, তার উপর ইসমাঈলকে নিয়ে আমি সুখে ছিলাম। এখন আবার ইসমাঈল এতো গুলো মানুষের সামনে ওকে থা*প্প*ড় মারছে ওর ইগোতে লাগে। সব মিলিয়ে রাগের পাহাড় তৈরী করে আর সে রাগের পাহাড় গিয়ে পড়ে আমার ভালোবাসা আর আদরের সন্তানের উপর।
সেদিন যখন অভির বন্ধুদের আড্ডায় আমি যাই। সেদিন অভি ওদেরকে বলতেছে আমাকে থা*প্প*ড় মেরে ওর খারাপ লাগছে। তখন ওর অন্য একটা বন্ধু বলে এরকম একটা থা*প্প*ড়ের জন্য তুই ওর পরিবারকে ট্রাক ছাপা দিয়ে মেরে ফেলছিস। এখন খারাপ লাগার কী আছে?
তখন অভি রেগে গিয়ে বলে
– ওকে আমি ভালোবাসি। কিন্তু ওই ইসমাঈল কী করলো আমার ভালবাসা কেড়ে নিলো আবার আমাকে অপমান করলো? এটাই হওয়ার ছিলো ওর সাথে। আমি জিতে গেছি এখন দীপ্তিও আমার কাছে।
কথা গুলো শুনার পর মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি এরকম সাইকো ভালোবাসা আমার কোন দরকার নেই। যে ভালোবাসায় ত্যাগ নেই শুধুই ভোগ আর হিং*সা অতঃপর খু*ন।

ডায়েরিতে আর কিছু লিখা নেই। যে লিখতো সেও না ফেরার দেশে চলে গেছে। এতোক্ষণ পযর্ন্ত পুলিশ অফিসার শামীম আহসান ডায়েরিটা পড়ে সবাইকে শুনাচ্ছে। একদিকে মেয়েকে ধরে দীপ্তির বাবা-মা আত্মীয় স্বজনরা কান্না করছে।
অন্য দিকে অভির রক্তাক্ত দেহ জড়িয়ে ধরে ওর মা কান্না করছে। পুরো গ্রামের মানুষ এক হয়ে গেছে। কেউ ভাবতেই পারেনি অভি এমন বা ওর সাথে এমন কিছু হবে।

ভালোবাসলেই যে পেতে হবে কেমন কোন নিয়ম নেই। ভালোবাসায় হার জিত থাকেই তাই বলে জোর করে তো আর ভালোবাসা আদায় করা যায় না। আর যদিও যায় তার পরিনীতি খুবই করুণ হয়। ভোগে নয় ত্যাগেই সুখ।

~সমাপ্ত ~

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ