Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"গল্পের নাম প্রেমের শুরুগল্পের নাম প্রেমের শুরু পর্ব-২২

গল্পের নাম প্রেমের শুরু পর্ব-২২

#গল্পের_নাম_প্রেমের_শুরু
#লেখনীতে_Alisha_Rahman_Fiza
পর্বঃ২২
ইলহাম বাসায় এসে যে এমন একটা পরিস্থিতির স্বীকার হবে তা জানা ছিল না রাহেলা খাতুন স্বয়ং এসেছেন কেয়া আর তানভীরের সাথে এটা অনেকই অবাকের ব্যাপার।ইলহামকে দেখে রাহেলা খাতুন অতি নম্রভাবে বললেন,
~বাবা,আমি ভুল করেছি তার জন্য ক্ষমা চাইতে এসেছি আমাকে কী মাফ করা যায়?
ইলহাম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~আন্টি আপনি আমাদের গুরুজন অবশ্যই আমাদের ভুল দেখলে আপনারা শাসন করবেন কিন্তু যে জিনিসটা হয়নি সেটা না জেনে আপনার এভাবে কথা বলাটা ঠিক হয়নি।আপনার মাফ চাইতে হবে না আন্টি আপনি আমাদের পরিবারের সদস্য আর আপন মানুষ ভুল করলে মাফ করে যেতে হয় এটা আমার বাবা সর্বদা বলতো।
হিয়া ইলহামের কথা শুনে অনেক খুশী হলো সে মনে মনে বললো,
~ইলহাম এখন বড় হয়ে গেছে।
হেমন্তি বললো,
~টেবিলে নাস্তা দিয়েছি আপনারা আসুন।
রাহেলা খাতুন চোখের পানি মুছে বললেন,
~তোমাদের মন অনেক বড় আমার ছেলের অনেক ভাগ্য যে তোমাদের মতো একটা পরিবার পেয়েছে।
হিয়া মুচকি হেসে বললো,
~এখন এসব ভুলে যান আমার অনেক ক্ষুধা লেগেছে নাস্তা করাটা জরুরি।
রাহেলা খাতুন বললেন,
~এই সময় ক্ষুধা নিয়ে থাকতে নেই চলো খেয়ে নেও।
অতঃপর তারা সবাই একসাথে নাস্তা করে নিলো হেমন্তি ফারুকের জন্য নাস্তা প্লেটে করে রেখে দিলো।
তানভীর বললো,
~এখন তাহলে আমরা আসি।
কেয়া বললো,
~আপু ভালো থেকো আবার দেখা হবে।
ইলহাম বললো,
~কালকে আমরা কিছু কাজে গ্রামে যাচ্ছি তোমরা যেতে চাইলে আসতে পারো।
তানভীর মন খারাপ করে বললো,
~নাহ ভাইয়া আসলে অফিসের কাজটা অনেক বেশি নাহলে অবশ্যই আপনাদের সাথে জয়েন করতাম।
ইলহাম বললো,
~কোনো সমস্যা নেই।
তানভীররা বিদায় নিয়ে চলে গেলো হেমন্তি রান্নাঘরে চলে গেলো রাতের খাবার তৈরি করতে।ইলহাম রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে দেখলো হেমন্তি কাজে ব্যস্ত সে ধীর পায়ে রান্নাঘরে গিয়ে হেমন্তিকে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরে বললো,
~এতো কাজ করে কী হবে?স্বামী যে একা একা বিরহতে ভুগছে।
হেমন্তি কনুই দিয়ে ইলহামের পেটে গুতা দিয়ে বললো,
~আর খাবার না রান্না করলে ক্ষুধার বিরহে ভুগবেন।
ইলহাম হেমন্তিকে ছেড়ে দিয়ে বললো,
~তুমি খাওয়ার কথাই ভাবলে আর আমার কথা ভুলে গেলে।
ইলহামের কথায় হেমন্তি বললো,
~জ্বী ভাবলাম এখন রুমে গিয়ে চুপচাপ বসুন আমার কাজে একদম ডিস্টার্ব করবেন না।
ইলহাম মুখ ফুলিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে যেতে যেতে বললো,
~আমি আর কোনো কথা বলতে আসবোনা।
হেমন্তি ইলহামের অভিমান মাখা কথা শুনে মুখ টিপে হেসে আবার কাজ শুরু করলো।ফারুক রাত ৮টার দিকে বাসায় ফিরে আসলো হিয়া ফারুকে আজকের সব ঘটনা খুলে বললো ফারুক সব কথা শুনে হালকা হেসে বললো,
~ভালোই হয়েছে সব মিটমাট হয়ে গেলো।
হিয়া বললো,
~ইলহাম কালকের জন্য প্রাইভেট বুক করে ফেলেছে।
ফারুক শার্ট খুলতে খুলতে বললো,
~হিয়া,তোমার শরীরের অবস্থা ভালো না কিন্তু চাচার কথা ভেবে আমরা যাচ্ছি তোমার কিন্তু নিজের খেয়াল রাখতে হবে।
হিয়া বললো,
~অবশ্যই খেয়াল রাখবো আমি রুম থেকেই বের হবো না আর আমরা তো চলেই আসবো।
ফারুক আলতো হেসে ওয়াশরুমে চলে গেলো ফ্রেশ হতে। হেমন্তি সকল কাজ শেষ করে রুমে ডুকেই দেখতে পেলো ইলহাম বিছানায় উপুর হয়ে শুয়ে আছে।হেমন্তির মাথায় একটা দুষ্ট বুদ্ধি এলো।সে ধীর পায়ে হেটে ইলহামের শার্টের ভিতর হাত ডুকিয়ে দিলো ইলহামের পিঠে ঠান্ডা হাত পরতেই সে চিৎকার করে উঠে বসলো।
তা দেখে হেমন্তি হো হো করে হেসে উঠলো তা দেখে ইলহাম নাক ফুলিয়ে বললো,
~এতো ঠান্ডা হাত কেউ পিঠে রাখে?
হেমন্তি হাসি বন্ধ করে বললো,
~আরে আমি তো মনে করেছি আপনি ঘুম তাই আরকি।
ইলহাম বললো,
~এখন আমি তোমাকে নিয়ে ঝর্ণার নিচো দাড়িয়ে পরি?
ইলহামের কথায় হেমন্তও ঢোক গিলে বললো,
~এই না না আমার ভুল হয়ে গেছে এই যে কান ধরছি।
বলেই হেমন্তি দুই কান ধরে ফেললো তা দেখে ইলহাম মুড নিয়ে বললো,
~এখন উঠবস করো।
হেমন্তি চোখ ছোট ছোট করে বললো,
~এতো বড় শাস্তি এতটুকু ভুলের জন্য নিষ্ঠুর মানুষ।
ইলহাম চোখ বড় বড় করে বললো,
~তাহলে চলো ঝর্ণার নিচে দাড়িয়ে পরি?
হেমন্তি বললো,
~না না আমি উঠবস করছি।
বলেই সে উঠবস করতে লাগলো তা দেখে ইলহাম মুখ টিপে হেসে বললো,
~থাক আর করতে হবে না।
হেমন্তি কান ছেড়ে বুকে হাত রেখে বললো,
~যাক বাবা বাঁচা গেলো।
ইলহাম বিছানা ছেড়ে উঠে হেমন্তির কাছে গিয়ে তার কোমড় জড়িয়ে ধরে তাকে কাছে টেনে বললো,
~এখন পর্যন্ত তোমার বাঁচার সময় হয়নি।
বলেই সে হেমন্তির ঘাড়ে মুখ গুজলো তখনই হিয়া হেমন্তি বলে ডেকে উঠলো।এতে ইলহাম হেমন্তিকে ছেড়ে দিলো তা দেখে হেমন্তি হেসে বললো,
~আহারে বেচারার কী কষ্ট?
বলেই সে রুম থেকে চলে যায় ইলহাম মনে মনে হিয়াকে অনেক গুলো গালি দিয়ে থাকে।

___♥___

সকাল ৭টায় তারা চারজন গাড়িতে উঠে বসে পাক্কা ৪ঘন্টা লাগবে তাদের যেতে ইলহাম ড্রাইভারকে আগেই সচেতন করে দিয়েছে যাতে সে গাড়ি ধীর গতিতে চালায় যাতে হিয়ার কোনো প্রবলেম না হয়।ইলহাম মিরর দিয়ে বার বার হেমন্তিকে দেখছে আর মনে মনে বলছে,
~কী দরকার ছিল টপস পরার একদম বাচ্চা লাগছে আমি কী বাচ্চা বউ বিয়ে করেছি?
হেমন্তি টপস পরতে চায়নি কিন্তু হিয়া বললো এতো ঘন্টার জার্নি শাড়ি পরে কীভাবে বসে থাকবে?তাই হেমন্তিকে জোর করে টপস পরিয়ে দিলো গ্রামে গিয়ে শাড়ি পরে নিবে।
হেমন্তি হিয়ার সাথে বসে আড্ডা দিচ্ছে ফারুক আর ইলহাম মোবাইল টিপতে ব্যস্ত আছে।হিয়া ফারুককে বললো,
~মোবাইলে বাচ্চাদের মতো গেইম খেলছেন কেন?
ফারুক বললো,
~এতে সময় কাটছে তোমাদের মেয়েলি আলাপ চালিয়ে যাও।
হিয়া ফারুকের হাত থেকে ফোন ছিনিয়ে নিয়ে বললো,
~এখন আমাদের মেয়েলি আলাপ আপনিও শুনবেন।
ফারুক অসহায় চোখে হিয়ার দিকে তাকালো হিয়া৷ মোবাইলটা নিজ ব্যাগে রেখে দিলো।
সময়ের গতি চলতে লাগলো গাড়িও সেই সময়ের তালে তালে চলছে এক পর্যায়ে তারা গ্রামের মোড়ের রাস্তায় এসে পরলো।ইলহাম চারপাশ চোখ বুলিয়ে দেখছে কতো স্মৃতি রয়েছে এই গ্রাম জুড়ে সেই ছোটবেলার কথামনে পরে গেলো কিন্তু অনেক কিছু বদলেছে যেমন এই রাস্তাটাই তো আগের থেকে কতোটা উন্নতি হয়েছে
আগে তো হেঁটে যেতে হতো বাবা তাকে ঘাড়ে বসিয়ে এই রাস্তা থেকে বাসা পর্যন্ত নিয়ে যেতো ইশশ কতো সুন্দর ছিল সেই দিনগুলো।ইলহামের চোখের কোণে পানি তাই সে দেরি না করে সানগ্লাসটা চোখে পরে নিলো।বাসার সামনে আসতেই গাড়িটা থেমে গেলো সবাই গাড়ি থেকে নেমে পরলো হিয়া বাড়িটার দিকে চোখ বুলিয়ে দেখলো অনেল পরিবর্তন এসেছে এই বাসায়।হিয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে হেমন্তির হাত ধরে বললো,
~চলো ভিতরে।
ফারুক আর ইলহাম তাদের লাগেজ আর কিছু শপিং ব্যাগ করতে লাগলো সবার জন্যই তারা কিছু উপহার নিয়ে এসেছে।হিয়া আর হেমন্তি বাসার ভিতরে ডুকতেই একজন যুবক এগিয়ে আসলো হিয়া তাকে চিনতে পেরে হালকা হাসলো তার দিকে তাকিয়ে সেই যুবকটি হিয়া আর হেমন্তির সামনে দাড়িয়ে সালাম দিয়ে বললো,
~হিয়া আপু কেমন আছো?
হিয়া আলতো হেসে বললো,
~ভালো আছি ইশরাক।বাসার সবাই কোথায়?
ইশরাক বললো,
~মা রান্নাঘরে জান্নাত কলেজে গেছে।
হিয়া বললো,
~জান্নাত কলেজে এখন?
ইশরাক বললো,
~আপু সবাই বড় হয়ে গেছে।
হিয়া হাসলো ইশরাক হেমন্তির দিকে তাকিয়ে বললো,
~উনি কে আপু?
হিয়া বললো,
~উনি তোমার ভাবী ইলহাম ভাইয়ের বউ।
ইশরাক হেমন্তির দিকে তাকিয়ে বললো,
~কেমন আছেন ভাবী?আসলে শুনেছিলাম যে ইলহাম ভাই বিয়ে করেছেন কিন্তু কখনো আপনাকে দেখিনি।
হেমন্তি বললো,
~সমস্যা নেই বুঝতে পেরেছি।
ততক্ষনে ইলহাম আর ফারুকও চলে আসলো তাদের দেখে ইশরাক এগিয়ে গেলো ইলহাম ইশরাককে দেখে বললো,
~বেশ বড় হয়ে গেছিস তুই?
ইশরাক হেসে বললো,
~ভার্সিটির শেষের দিকে আছি আমি।
ইলহামের চাচী রান্নাঘর থেকে বের হয়ে তাদের দেখে তাড়াহুড়া করে তাদের কাছে এসে বললেন,
~তোমরা এসে পরেছো?এই ইশরাক যাও রান্নাঘরে শরবত করে রেখেছি নিয়ে আসো।
ইলহামের চাচী হিয়াকে জড়িয়ে ধরে বললো,
~কতদিন পর তোকে সামনাসামনি দেখলাম।
তারপর হেমন্তির দিকে তাকিয়ে বললো,
~এই কী আমার ইলহামের বউ?
হিয়া মাথা দুলায় ইলহামের চাচী হেমন্তির দিকে তাকাতেই হেমন্তি সালাম দেয়।ইলহামের চাচী বলে,
~অনেক সুন্দর তো ওকে দ্বার করিয়ে রেখেছো কেন?
ভিতরে আসো।
ইলহামের চাচী তাদের ভিতরে নিয়ে এসে চেয়ারে বসতে দিলো ইলহামের এসব সহ্য হচ্ছেনা তবুও সে কোনো সিনক্রিয়েট করতে চায় না বলে চুপ আছে।ইলহাম চারপাশে চোখ বুলিয়ে সেই ঘরটি খোঁজার চেষ্টা করলো সেই ঘরটির দেখা না পেয়ে জিজ্ঞেস করলো,
~ওই জায়গায় তো একটা ঘর ছিল সেটা কোথায়?
ইলহামের চাচী মাথা নিচু করে বললেন,
~সেটা তো কবেই ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে।
ইলহাম আর কিছুই বললো না চুপ করে বসে রইলো হিয়া বললো,
~এসব কথা ছাড়ো চাচার অবস্থা কেমন?
ইলহামের চাচী বললো,
~আছে কোনোরকম আসো তোমরা ফ্রেশ হয়ে নেও আমি খাবার দিচ্ছি।

___♥____

সবাই একেবারে শাওয়ার নিয়ে খাবার ঘরে বসে পরলো হেমন্তি এবার শাড়ি পরেছে তা দেখে ইলহামের চাচী বললেন,
~বাহ তোমাকে তো শাড়িতেও অনেক মানায়।
হেমন্তি বললো,
~আসলে আমি শাড়িই পরও আজ গাড়ি দিয়ে আসবো বলে টপস পরেছি।
ইলহামের চাচী বললো,
~কোনো সমস্যা নেই এখন এসব পরাই যায়।
হেমন্তি মুচকি হেসে খাবারে মনোযোগ দিলো ইলহামের চাচী ফারুকে প্লেটে আস্তো মাছের মাথা রেখে বললো,
~খাও জামাই তুমি প্রথম আমাদের বাসায় এসেছো তাই ইশরাক পুকুর থেকে মাছ নিয়ে এসেছে।
ফারুক বললো,
~তাই বলে কী এতো বড় মাথা আমও খেতে পারবোনা।
ইলহাম বললো,
~আরে খান ভাইয়া গ্রামে এসে যদি খাবারই ঠিক মতো না খান সেই গ্রামে এসে লাভ কী?
ফারুক ইলহামের দিকে তাকাতেই ইলহাম একটা দুষ্ট হাসি দিলো।খাওয়া শেষ হতেই সবাই হাত ধুয়ে বাড়ির উঠানে বসে পরলো গ্রামের দৃশ্য দেখতে ভালোই লাগছে হেমন্তির হঠাৎ একটা মেয়ে বাসার ভেতর প্রবেশ করলো।হিয়া তাকে দেখে বললো,
~কীরে কেমন আছিস?
জান্নাত হিয়াকে দেখে দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে বললো,
~আপু কেমন আছো?
হিয়া বললো,
~এই তো ভালো।
জান্নাত হেমন্তিকে দেখে বললো,
~এই কী আমার ভাবী?
হিয়া বললো,
~হ্যা পছন্দ হয়েছে?
জান্নাত হিয়াকে ছেড়ে দিয়ে হেমন্তিকে জড়িয়ে ধরে বললো,
~অনেক পছন্দ হয়েছে।
হিয়া জান্নাতকে দেখে বুঝলো মেয়েটা অনেক বাচ্চামো স্বভাবের।ইলহামের চাচী এসে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বললো,
~তোমাদের চাচা তোমাদের ডাকছে।
ইলহাম তার কথা শুনে হিয়ার দিকে তাকিয়ে বললো,
~তুই যা দেখা করে আয়।
হিয়া ইলহামের কাছে গিয়ে বললো,
~এতো রাগ ভালো না ইলহাম এই পর্যন্ত এসে পরেছিস তো একটা দরজা ঠেলে ভিতরে যেতে কী সমস্যা?
ইলহাম দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~চল ভিতরে।
হিয়া মুচকি হেসে ইলহামের হাত ধরে সেই রুমের দিকে পা বাড়ালো।

চলবে

(বিদ্রঃকেমন হয়েছে জানাবেন। ভুলগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো🥰🥰। Happy Reading 🤗🤗)

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ