Friday, June 5, 2026







রোমান্টিক_অত্যাচার_৫

রোমান্টিক_অত্যাচার_৫ লেখিকাঃ #Israt_Jahan ধারনাঃ #Kashnir_Mahi আমিঃ না আর এভাবে সহ্য করা যায়না। উনি ওনার লিমিট ক্রস করে ফেলেছে। আজকেই আমি চাকরি ছেরে দিবো।(কান্না করতে করতে) আশফিঃ কি ব্যাপার ও কি রেজিগলেশন লেটার লিখছে? সেরকমি তো মনে হচ্ছে। কিন্তু ওকে তো এখান থেকে যেতে দেওয়া যাবেনা। কিভাবে ওকে আটকানো যায়? বুঝতে পারছিনা। আচ্ছা আগে আসুক। আমিঃ দরজায় নক করলাম। যখন ই ওনাকে বলতে যাবো তখন উনি বললো….. আশফিঃ এখনকার সময় যখন তখন ভালো জব পাওয়া খুবই টাফ। তার ওপর বছরের মাঝামাঝি সময়।(ল্যাপটপের দিকে তাকিয়ে)। By the way তুমি বাসায় তোমার মা কে কি বলবে কি জন্য চাকরি টা ছেরেছো?(মাহির দিকে তাকিয়ে) আমিঃ সত্যিই তো। যে কোম্পানি তে ২বছর ধরে চাকরি করছি সেটা আজ আমি কেনো ছাড়লাম। প্রশ্ন করলে কি বলবো তখন। আর মিথ্যও বলতে পারবোনা। চাকরিটা ছাড়লে কোনো problem ছিলোনা কারন নানু এমনিতেই আমাদের দায়িত্ব নিতে চাই কিন্তু মা সেটা চাইনা। তাই আমাকে চাকরি করে মাকে নিয়ে আলাদা থাকতে হয়। আর কিছুই করার নেই। চাকরিটা করতেই হবে। ওনাকে কিছু না বলে রুম থেকে বেরিয়ে আসলাম।
আশফিঃ উহহহ… যাক তাহলে আটকাতে পারলাম।আহারে কাঁদতে কাঁদতে বাচ্চাটা চোখ,মুখ একদম ফুলিয়ে ফেলেছে ??। ওকে এখন একটু ইজি করতে হলে বাইরে নিয়ে যেতে হবে। আর এমনিতেও বাইরে একটা কাজ আছে সেখানে যেতে হবে ওকে সাথে নিয়ে যাবো। আমিঃ এখন আমার সত্যি মরে যেতে ইচ্ছে করছে। এরকমটা হবে আমি কখনো কল্পনাও করতে পারিনি। ফোন আসলো। চোখ,মুখ মুছে ফোন পিক করলাম। -হ্যালো, মাহি স্পিকিং। – আমার চেম্বারে এসো।(আশফি) কিছু না বলে ফোনটা রেখে দিলাম। তারপর নিজেকে কিছুটা কনট্রোল করে ওনার রুমে গেলাম। আশফিঃ বাইরে থেকে দুজন ক্লাইন্ট আসবে একটা হোটেলে মিট করতে যাবো জরুরি মিটিং আছে। সেখানে তোমাকে আমার সাথে যেতে হবে। আমিঃ হুম। আশফিঃ ওখানে একটা ফাইল আছে ওটা নাও। আর আমাকে স্যুটটা পরিয়ে দাও।(উঠে শার্টের হাতা ঠিক করতে করতে বললো) আমিঃ এবার পায়ের রক্ত মাথায় উঠে যাচ্ছে। কিন্তু কিছু বলতে পারছিনা। রাগে চোখ গরম করে ওনার দিকে তাকিয়ে আছি। আশফিঃ কি হলো?( ধমকের সুরে) আমিঃ কিছু না বলে স্যুটটা পরিয়ে দিলাম। তারপর ওনার সাথে বেরিয়ে পরলাম। আশফিঃ রহিম তোমাকে এখন ড্রাইভ করতে হবে না আমি নিজেই করবো তুমি থাকো। আমি সিটে গিয়ে বসলাম। মাহি অন্যমনস্ক হয়ে দাড়িয়ে আছে তাই জোরে হর্ণ দিলাম। ও চমকে উঠলো। আমিঃ গাড়ির হর্ণের আওয়াজ পেয়ে পেছন সিটে বসতে গেলাম হঠাৎ করে উনি গাড়ি টান দিয়ে চলে গেলো। এবার আমর মেজাজ আবারও চরমে উঠে গেলো। -কি হলো এটা? উনি বারবার এভাবে আমাকে কেনো হ্যারাস করছে।ওনার এসব কার্যকলাপে আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে।বলতে বলতে উনি গাড়ি নিয়ে ব্যাক করে আমার সামনে আসলো। তারপর সামনের দরজা খুলে দিয়ে বললো। _আমি কোনো ড্রাইভার না যে পেছনের সিটে গিয়ে বসতে হবে। এটা একটা কমনসেন্স। রাগের কারনে ইচ্ছে করে পেছনে বসতে চেয়েছিলাম। তাই বলে এরকম করবে? রাগে গজ গজ করতে করতে ওনার পাশে গিয়ে বসলাম। গাড়ি চালানোর সময় উনি এমনভাবে ব্রেক করলো যে আর একটু হলে…………… চিল্লায় বললাম, – এভাবে কেউ গাড়ি চালায়।
আশফিঃ তার জন্য সিট বেল্টটা বাঁধতে হয়। আমিঃ ওহহো…আমি সিট বেল্ট বাঁধিনি। নিজেই লজ্জা পেলাম। তারপর নামি দামী একটা হোটেলে ঢুকলাম। আগে থেকেই টেবিল বুক করা ছিল সেখানে গিয়ে বসলাম। ওয়েটার কে ডেকে একটা কোল্ড কফি আর একটা হট কফি অর্ডার করলো। আজব ব্যাপার উনি কি কোল্ড কফি টা আমার জন্য অর্ডার করলেন? আমি তো কোল্ড কফিই খাই আর কোথাও গেলে তাড়াতাড়ি করে গরম চা কফি খেতে পারিনা। খেতে দিলেও সেটাকে ঠান্ডা শরবত করে এক চুমুক দিয়ে গিলে খায়। ওয়েটার কফি নিয়ে আসলো। আমি দেখতে চাচ্ছিলাম উনি আমাকে কোন কফিটা দেই। আরে উনি তো আমাকে কোল্ড কফিটাই দিলেন। অদ্ভুত তো উনি কিভাবে জানলো? আমি প্রশ্ন করলাম ওনাকে, -আপনি কি করে জানলেন আমি কোল্ড কফি খায় আশফিঃ কিভাবে আবার, সবসময় দেখি তুমি অফিসে এটাই আনতে বলো। বাচ্চা মানুষ তো তাই তাড়াতাড়ি গরম কিছু খেতে পারোনা। আমিঃ কি? বাচ্চা মানে? আশফিঃ কিছুনা খাও। আমিঃ তারমানে অফিসে বসে উনি আমাকে সবসময় খেয়াল করে। কিন্তু কেনো? শুধু আমার সাথেই কেনো উনি এরকম করেন।ওনার ভাব গতি, উদ্দেশ্য আমি কিছুই বুঝতে পারছিনা। কিছুক্ষণ পর দুজন জাপানিজ আসলো বুঝতে পারলাম ওরাই আমাদের ক্লাইন্ট। আমরা কথা বলছি ওদের সাথে(ইংরেজিতে)। আজকে আমাদের অনেক বড় একটা অর্ডার এসেছে ওদের থেকে। তাই ওরা আমাদের সাথে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়ালো। আমার দিকে যখন একজন ব্যক্তি হাত বাড়ালো আমি হাত মেলানোর আগেই উনি তার হাতটা ধরে হ্যান্ডশেক করলো। তারপর আমার দিকে চোখ বড় করে রাগী চোখে তাকালো।আমি জাস্ট অবাক হলাম। ওনারা চলে যাওয়ার পর আমার দিকে উনি এগিয়ে এসে দাতে দাত চেপে বললো, -আমি ছাড়া তুমি অন্য কোনো ছেলেদের হাত ধরবেনা। না হলে খুব খারাপ হবে বলে দিলাম।??। আমি বুঝলামনা উনি কেনো আমার সাথে এমন করছে। কেনো আমাকে নিয়ে উনি এত possessive হচ্ছেন। আর নিজে যেটা করলো আজ তার জন্য একটাবার sorry পর্যন্ত বললোনা উল্টে আমাকেই এসে শাসাচ্ছে। How strange!!??. তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠলাম। গাড়ি চালিয়ে উনি একটা পার্কের সামনে গিয়ে থামলো। গাড়ি থেকে নেমে সোজা পার্কের ভেতর ঢুকে গেলো। আমি আর না দাড়িয়ে থেকে ওনার পেছন পেছন চলে আসলাম। তারপর উনি একটা ফাঁকা জায়গা দেখে একটা বেঞ্চে গিয়ে বসে পরলো। আমাকে একবার বসতেও বললোনা। উনি বসে স্যুটটা খুলে আমাকে ধরিয়ে দিলেন।(অন্যদিকে তাকিয়ে) আমিও চাকরানির মত সেটা ধরলাম। খেয়াল করলাম উনি একটা family এর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। সেখানে বাবা মা বাচ্চা ছেলেটাকে নিয়ে খেলছে। আর আমি আমার মত চারপাশ টা ঘুরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য উপভোগ করছিলাম। মন টা এখন একটু হালকা লাগছে।কিছুক্ষণ পর পেছনে তাকিয়ে দেখলাম উনি নেই। -আরে কোথাই গেলো? চারপাশ তাকিয়ে খুঁজলাম কোথাও দেখমানা। আবার আমাকে রেখে চলে গেলো না তো। আমি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেলাম। বাইরে গিয়ে যেটা দেখলাম সেটা দেখে আমার রাগ হচ্ছে নাকি হাসি পাচ্ছে বুঝতে পারছিনা। উনি গাড়ির সাথে হেলান দিয়ে ললিপপ খাচ্ছে। আমি ওনার সামনে গেলাম। উনি আমাকে দেখে ললিপপ যে হাতে সেই হাত আমার দিকে বারিয়ে দিল। ছিঃ ইয়াক উনি ললিপপটা চেটে এখন আমাকে দিচ্ছে? ? কি জঘন্য একটা মানুষ। -আপনি ভাবলেন কি করে আপনার খাওয়া ললিপপ আমি খাবো? আশফিঃ what?? আমি আমার স্যুটটা চাচ্ছি ললিপপ দিচ্ছিনা। আমার স্যুটটা তোমার কাছে। আমিঃ opps… তাই তো। আর আমি কি ভাবলাম।ছিঃ কি একটা লজ্জার বিষয়। -এই নিন। যাক তাও ভালো রাস্তার মাঝে আর পরিয়ে দিতে বলেনি। এইটুকু কমনসেন্স আছে।তারপর আমরা গাড়িতে উঠলাম। উনি আমার দিকে একটা kitkat এগিয়ে দিলেন। বাহ্ এটা যে আমার ফেভারিট সেটাও জেনে গেছেন? ভালো। আমি kitkat টা আর না নিয়ে পারলামনা। সেটা দেখে উনি মুচকি হাসলেন….হুহ্?। আশফিঃ এতক্ষন পর মহারাণীর মুড ঠিক হলো। -অলরেডি অফিস টাইম শেষ।
আমিঃ হুম। আমাকে সামনে নামিয়ে দিন আমি চলে যাবো। আশফিঃ আমি কি তোমাকে একবারও নেমে যেতে বলেছি? আমিঃ আমি একাই যেতে পারবো। গাড়ি থামান। কি হলো গাড়ি থামাননা কেনো??(চিৎকার করে)। উনি হঠাৎ করে এমন ভাবে গাড়ি থামালো আমরা সিটে বসেই অনেক জোড়ে ঝাঁকি খেলাম। বুঝতে পারলাম সেইরকম ভাবে রেগে গেছেন। আমার দিকে কিরকম রাক্ষশের মতো করে তাকিয়ে আছে। আমি তো ভয়ে পুরো ঠান্ডা। আবারো কি জোর করে? করে বসবে নাকি। আমি তাড়াতাড়ি মুখ চেপে ধরলাম। উনি আমার দিকে সত্যিই এগিয়ে আসছেন। এবার আমি ভয়ে চোখ বন্ধ করলাম। না উনি তো কিছুই করছেনা। আমি চোখ খুললাম। উনি আমার দিকে সেই রাক্ষসের মত করেই তাকিয়ে আছে। আর গাড়ির দরজাটা খোলা।তারপর উনি বললেন, -নামো,(চিৎকার করে)। আমাকে নামিয়ে দিয়ে চলে গেলো। আর এমন জায়গায় নামিয়ে দিয়ে গেলো যে রাস্তাই একটা কোনো রিক্সাও পাওয়া যায়না। এখন আমাকে এতখানি রাস্তা হেঁটে যেতে হবে? অসভ্য লোক একটা। আমি হাটছিলাম তখন ২/৩ টা বখাটে ছেলে আমাকে একা দেখে আমার পিছু নিলো। আমি ওদের দেখে এক দৌড়ে আমার বাড়ির সামনে এসে পড়লাম এত জোরে দৌড় দিয়েছি মনে এখানেই শুয়ে পরি। অবশ্য একটা উপকার তো হয়েছে তাড়াতাড়ি পৌছাতে পারলাম না হলে কচ্ছপের মত হাঁটতে হাঁটতে আসতাম কত দেরি হতো কে জানে। হাপাতে হাপাতে ঘরে ঢুকলাম। মা আমার এইরকম অবস্থা দেখে দৌড়ে আসলো।
পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ