Friday, June 5, 2026







প্রেমময় আসক্তি পর্ব-২০

#প্রেমময়_আসক্তি
#পর্ব_২০
#নন্দিনী_চৌধুরী

২০.
মাটিতে বসে সোফায় মাথা দিয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সামনে তাকা ইকুরিয়ামটার দিকে রোদেলা। দুচোখ তার ফুলে গেছে কান্না করতে করতে। এখন আর কাঁদার মতো শক্তিটাও সে পাচ্ছেনা। রোদেলা পাশে সোফায় বসা মুন। মুনের সামনের সোফায় বসা রুবা আর কাশু বসা ওর পাশে সোফায়। সবার চোখ মুখ ফোলা। একটা ঝর এসে সব এলোমেলো করে দিয়েগেছে ওদের।

আদ্রিয়ান, আরাভ, রাফসান মাত্র বাসায় ঢুকলো রাফসানের মা-বাবার জানাজা দিয়ে। হ্যাঁ, চলে গেছে রাফসান আর রোদেলাকে অনাথ করে ওদের মা-বাবা না ফেরার দেশে। সারাজীবনের মতো চলে গেছে ওরা। আর কোনোদিন ফিরে আসবেনা তারা। রাফসান বাসায় এসে বসে পরলো চেয়ারে। রাফসানকে এতোটা ভেংগে পরতে দেখে মুন ভিতরর ভিতরে খুব কষ্ট পাচ্ছে। আদ্রিয়ান রোদেলার মাথার পাশে বসলো। রোদেলার কোনো রেসপন্স নেই। আরাভ এসে রুবার পাশে বসলো। সবাই এই শোকটা মানতে পারছেনা সব কেমন এলোমেলো হয়ে গেলো তাদের।

রাফসান সকালে যখন ফোন রিসিভ করে তখন ওদের পাশের বাসার লোকেরা জানায় ওদের মা-বাবা ঘরে পরে আছে মৃত অবস্থায়। রাফসান সেটা শুনে যত তাড়াতাড়ি পেরেছে সবাইকে নিয়ে ইমার্জেন্সি ফ্লাইটে সিলেট গেছে। বাসায় পৌছে ওরা ওদের মা-বাবার লাশ ছাড়া কিছুই পায়না। রোদেলা ওর বাবার নীথর দেহট ধরে একটা গগণ ফাটানো চিৎকার দিয়ে ওখানেই জ্ঞান হারায়। রাফসানের চোখ দিয়ে পানি পরছে। তারা আসতে বোড্ড দেড়ি করে ফেলেছে। বিকালে তাদের জানাজা সম্পুর্ন হয়। রোদেলার জ্ঞান ফিরে বিকালের আগেই শেষবারের মতো মা-বাবাকে দেখিয়ে আনা হয় ওকে। তারপর থেকে এই মাটিতেই বসে আছে ও।

মুন উঠে রাফসানের কাছে যায়। রাফসানের কাঁধে হাত রেখে বলে,

মুন: শুনো, সেই সকাল থেকে তোমরা না খাওয়া কিছু একটু খেয়ে নেও।
রাফসান: আমার ইচ্ছে নেই। তুমি রোদেলা, আদ্রিয়ান আর বাকিদের খাবার দেও।
মুন: ওরাও কেউ খাবেনা বলছে।
রাফসান: তাহলে রোদেলা আর আদ্রিয়ানকে দেও।
মুন: আচ্ছা।

মুন কিচেনে যেতে নিলে আদ্রিয়ান বলে,

আদ্রিয়ান: কোথায় যাচ্ছেন ভাবি।
মুন: আপনাদের জন্য কিছু খাবার বানাতে। সেই সকাল থেকে না খাওয়া আপনারা।
আদ্রিয়ান: তার কোনো দরকার নেই। আমি বাহিরে অর্ডার দিছি। হয়তো কিছু সময়ের মাঝে চলে আসবে। আপনি রাফসানের কাছে থাকুন। আমি রোদেলাকে নিয়ে রুমে যাচ্ছি।
মুন: আচ্ছা ঠিক আছে ভাইয়া।

রোদেলা সোফায় ওভাবে মাথা ঠেকিয়ে ঘুমিয়ে গেছে। আদ্রিয়ান ওকে কোলে করে রুমের দিকে অগ্রসর হয়। রুবা উঠে ওর রুমে যায় যাওয়ার আগে আরাভকে একটা রুমে দিয়ে আসে। কাশুও উঠে রুমে চলে যায়। মুন আবার আসতে করে রাফসানের পাশে চেয়ার টেনে বসে। রাফসানের কাঁধে আবার হাত রাখতেই রাফসান মুনকে জরিয়ে ধরে হাউমাউ করে কান্না করতে থাকে। এতোটা সময় খুব কষ্টে কান্না দমিয়ে রেখেছে রাফসান। এখন যেনো আর পারছেনা আটকাতে। তাইতো তার প্রেয়শীর বাহুডোরে হাউমাউ করে কাঁদছে। রাফসান খুব ভালোবাসে তার বাবা-মাকে। তাদের এই অকাল মৃত্যু মানতে পারছেনা রাফসান। রাফসান পুলিশের কাছে গিয়েছিলো জানাজা করে আসার সময়। কিন্তু পুলিশ জানিয়েছে বীনা কোনো প্রমানে তারা কোনো কেস লেখবেনা। কারন রাফসানের মা বাবার শরীলে কোনো ক্ষতবিক্ষত হবার চিহ্ন ছিলোনা। তাই এটা যে মার্ডার নাকি নরমাল ড্যাথ বুঝা যাচ্ছেনা। রাফসানের প্রতিবেশি যারা ফোন করেছিলো তারা জানায়। রোজ কারের মতো সে রাফসানের বাবার সাথে বাজারে যাবে বলে এসেছিলো। কিন্তু অনেকক্ষন দরজায় বেল দেওয়ার পরেও যখন তারা দরজা খুলছিলোনা। তখন সে তার ছেলেদের দিয়ে দরজা ভাংগায় আর দেখে রোদেলা বাবা সোফায় পরে আছে, আর রোদেলার মা মাটিতে। তারা এটা দেখার সজ্ঞে সজ্ঞে তাদের পার্লস চেক করে দেখে তারা আর নেই। তার পরেই তারা রাফসানকে কল করে।

রাফসানের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে মুন। চোখের পানিতে তার চোখ আটকে আসছে। কিন্তু সবাই এক সাথে কাঁদলে। শান্তনা দেবে কে কাকে। মুন রাফসানকে শান্ত করার চেষ্টা করছে। অনেকটা সময় পর রাফসান শান্ত হলো। এভার একদম চুপ করে মুনকে জরিয়ে ধরে বসে আছে সে।

আদ্রিয়ান রোদেলাকে রুমে এনে বিছানায় শুইয়ে দেয়। তারপর গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে রোদেলার পাশে বসে। পকেট থেকে ফোন বের করে কল লাগায় সায়মনকে। ওদের সব জানায় তারপর ওদের ওদিকে খেয়াল রাখতে বলে কল কাঁটে। আদ্রিয়ান রোদেলার হাত ধরে বসে আছে। কিছু সময়ের ব্যবধানে মেয়েটা একদম নেতিয়ে গেছে।

মুন হাতে করে দুই প্লেট খাবার এনে আদ্রিয়ান রোদেলার রুমে দিয়ে যায়। আর এক জগ পানি আর গ্লাস। তারপর আরাভ, রুবা,আর কাশুর রুমেও দিয়ে আসে খাবার। তারপর রাফসানের জন্য খাবার নিয়ে ওর রুমে যায়। জানে নিজেতো খাবেনা। তাই ও খাইয়ে দেবে।

আদ্রিয়ান রোদেলাকে আসতে করে ডাকতে লাগলো।

আদ্রিয়ান: রোদেলা, রোদেলা উঠো। একটু কিছু খেয়ে নেও রোদেলা।
রোদেলা কপাল কুঁচকে বলে,

রোদেলা: উফফ মা ডেকোনাতো। এই সকাল সকাল। আমি এখন আরেকটু ঘুমাবো।
আদ্রিয়ান বুঝতে পারে রোদেলা ঘুমের ঘোরে ওর মাকে স্বপ্নে দেখছে।

আদ্রিয়ান তাই আর ওকে উঠালোনা। আদ্রিয়ান হালকা একটু খেয়েনিলো। তারপর রোদেলার পাশে শুয়ে ওকে বুকে টেনে এনে শুইয়ে ওকে জরিয়ে ধরে ঘুমিয়ে গেলো।

___________________________

কয়েকদিন পর,,,,,,

দেখতে দেখতে রোদেলাদের মা বাবা মারা গেছে ১সপ্তাহ হয়ে গেছে। রাফসান যতটা পারছে নিজেকে স্ট্রং রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু রোদেলা একদম ভেঙে গেছে। মাঝে মাঝেই মা বাবার জন্য পাগলামি করে। জোরে জোরে কাঁদতে থাকে। চিৎকার করে। আদ্রিয়ান একজন সাইক্রেটিস দেখায়। আর সে জানায়। রোদেলা যতটা পারে হ্যাপি রাখতে। তাই আদ্রিয়ান ভেবেছে রোদেলাকে নিয়ে ঘুরে আসবে কিছুদিন। আগামীকাল তারা চট্টগ্রাম যাবে।

যথারীতি আজকে আদ্রিয়ান রোদেলা বান্দরবন যাবে। এয়ারপোর্টে এসে সব ফর্মালিটি পূরন করে তারা এখন অপেক্ষা করছে ফ্লাইটের জন্য। বেশ কিছু সময় পর তারা প্লেনে উঠলো। রোদেলা জানালার সাইডে বসেছে। প্লেন চলা শুরু হলো।

৪০ মিনিট জার্নি শেষ করে

আদ্রিয়ান রোদেলা এসে পৌছালো চট্টগ্রাম । ঠান্ডা শীতল বাতাস খোলা আকাশ আশে পাশের সবুজ প্রকৃতি দেখে রোদেলার এখন অনেকটা ভালো লাগছে। আদ্রিয়ান রোদেলাকে নিয়ে একটা হোটেলে উঠলো। ওদের রুমে এসে দুজনে ফ্রেশ হয়ে নিলো। তারপর দুজনে খাবার খেতে নিচে গেলো।
খাবার খেয়ে আদ্রিয়ান রোদেলাকে নিয়ে আশে পাশের জায়গায় গুলো ঘুরে ঘুরে দেখছে।

________________

কাশফিয়া আর কাউসার বসে আছে রেস্টুরেন্টে। কাউসার সব জানে রোদেলার মা বাবা যে মারা গেছে। কাউসার কাশুকে বলে,

কাউসার: তোমাকে একটা কথা বলার ছিলো।
কাশু: হুম বলো।
কাউসার: আমাকে আগামি মাসের দেশের বাহিরে চলে যেতে হবে।
কাশু: কেনো।
কাউসার: আমি দেশের বাহিরে গিয়ে আমার ডাক্তারি পড়াশুনা সম্পূর্ন করতে চাই।
কাশু: ওহ আচ্ছা। তাহলে যাও।
কাউসার: তুমি কি রাগ করবা? আমাকে ভুলে যাবা এই কয়েক বছরে?
কাশু: জানিনা।
কাউসার: আচ্ছা ঠিক আছে। চলো তোমাকে বাসায় দিয়ে আসি।
কাশু: হুম।

আরাভ আর রুবা বাসার সোফায় বসে আছে। তুর্য জুঁইকে বিয়ে করার প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এখন আরাভ জুঁইয়ের বিয়ের ব্যাপারে ভাবছে।

আরাভ: ভাবছি আদ্রিয়ান বান্দরবন থেকে আসলেই জুঁইয়ের বিয়েটা দিয়ে দেবো।
রুবা: হ্যাঁ, সেটাই ভালো হবে।
আরাভ: হ্যা তারপর নিজেও বিয়ে করে বউ ঘরে নিয়ে আসবো।
রুবা: হুহ😒।
আরাভ: 😁।

দুইদিন পর,,,,
রোদেলা চট্টগ্রাম এসে এখন অনেকটা ভালো আছে। এখানে ঘুরে ফিরে ওর ভালোই লাগছে। সকালে রোদেলা রুমে বসে আছে আদ্রিয়ান কি কাজের জন্য বাহিরে গেছে। রোদেলা বসে ছিলো রুমে তখন হোটেলের একটা স্টাফ ওর রুমে নোক করলো। রোদেলা উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেখে হোটেলের একটা স্টাফ। স্টাফটা রোদেলার দিকে একটা পার্সেল এগিয়ে দিয়ে বলে,

স্টাফ: ম্যাম, এই পার্সেলটা আপনার জন্য এসেছে।
রোদেলা: কে দিয়েছে এটা?
স্টাফ: জানিনা ম্যাম। সকালে আসছে এটা। আপনার নাম লেখা। স্যারকে দিতে চাইছিলাম। কিন্তু স্যার তো বাহিরে গেলেন দেখলাম। তাই আমিই দিয়ে গেলাম আপনাকে।
রোদেলা: আচ্ছা ঠিক আছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

রোদেলা পার্সেলটা নিয়ে বিছানায় বসলো। পার্সেলটা ওপেন করবে এমন সময় মুনের কল আসলো। রোদেলা পার্সেলটা টেবিলের কোনায় রেখে ফোন রিসিভ করলো। তারপর মুনের সাথে কথা বলতে লাগলো।

রাতে,,,,,

আদ্রিয়ান আর রোদেলা হোটেলের গার্ডেনে দোলনায় বসে চাঁদ দেখছে। রোদেলা আদ্রিয়ানের কাঁধে মাথা রেখে চাঁদ দেখছে। আদ্রিয়ান রোদেলা মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলছে,

আদ্রিয়ান: কাল তোমাকে নিয়ে পাহাড় দেখতে যাবো তুমি যাবা?
রোদেলা: হ্যাঁ, যাবো যাবো।
আদ্রিয়ান: আচ্ছা। তাহলে আমাকে একটা জিনিস দিতে হবে পাহাড় দেখতে যেতে হলে।
রোদেলা: কি?
আদ্রিয়ান: আমাকে আজকে তোমাকে ভালোবাসতে দিতে হবে।
রোদেলা: 🙈🙈।

আদ্রিয়ান রোদেলার চুপ করে থাকাটা সম্মতি বুঝলো। আদ্রিয়ান রোদেলাকে কোলে তুলে নিলো। রোদেলা কোলে করে রুমে এনে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে ওর ঠোঁটের মাঝে নিজের ঠোঁট বসিয়ে দিলো। তারপর আস্তে আস্তে মিসে যেতে লাগলো রোদেলার মাঝে। আসক্ত হয়ে যেতে থাকে আবার আজকের রাতে তারা দুজন।

_______________

মুন, রুবা নাস্তা বানাচ্ছে। রুবার মুনকে কেমন চিন্তিত লাগছে। রুবা মুনকে বলে,

রুবা: কিরে তোকে এমন চিন্তিত লাগছে কেন?
মুন: জানিনারে আজ সকাল থেকে মনটা কেমন কুঁ ডাকছে। মনে হচ্ছে খারাপ কিছু হতে চলেছে।
রুবা: আমারো আজ কেমন জানি করছে মনটা। বড় কোনো বিপদ আসছে সামনে এমন মনে হচ্ছে। আল্লাহ করুক এমন কিছু না হয়।
মুন: হুম সেটাই যেনো হয়।

আদৃতা অনেক কষ্টে ওর চাচার খোঁজ পেয়েছে। এক মাত্র ওর চাচা বলতে পারবে ওর ভাই কোথায় আছে। বেঁচে আছে নাকি নেই। আদৃতা সকাল হতেই আদনানকে নিয়ে বেরিয়ে পরেছে ওর চাচার হাবিবের বাসায় যাওয়ার জন্য। আজ ও সব প্রশ্নের উত্তর ও পাবে এই আশা আজ ওর মনে।

রোদেলা আর আদ্রিয়ান বান্দরবনে যাচ্ছে পাহাড় দেখতে। রোদেলার মনটা আজ কেন জানি খুব বিষন্নতাময়। আদ্রিয়ান জিনিশটা খেয়াল করেছে। আদ্রিয়ান রোদেলার হাতের উপর হাত রেখে জিজ্ঞেশ করে,

আদ্রিয়ান: কি হয়েছে তোমার?

রোদেলা আদ্রিয়ানের প্রশ্নের কোনো জবাব দেয়না। উল্টা আদ্রিয়ানকে খুব শক্ত করে জরিয়ে ধরে যেনো ছেড়ে দিলেই আদ্রিয়ান চলে যাবে।
আদ্রিয়ান ও রোদেলাকে শক্ত করে জরিয়ে ধরে। গাড়ি চলছে আপন গতীতে। রোদেলা আদ্রিয়ানকে জরিয়ে ধরে কিছু একটা ভাবছে ভাবতেই চোখের কোণে পানি এসে গেছে। রোদেলা আপন মনেই বলতে থাকে,

“কিছু জিনিশ আমাদের না চাইতেও হারাতে হয়। কিছু মানুষকে না চাইতেও সরিয়ে দিতে হয়।”

#চলবে

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ