Friday, June 5, 2026







শুভ্র বর্ষণ পর্ব-২২

#শুভ্র_বর্ষণ
#প্রভা_আফরিন
#পর্ব_২২

বিকেলের অলসতা কাটিয়ে শোভা যখন বাড়ির বাইরে বের হলো রিয়াদ তখন টফির পিঠ চুলকাতে ব্যস্ত। অফিস থেকে এসে ফ্রেস হয়েই টফিকে নিয়ে বের হয়েছে সে। শোভাকে দেখে উঠে দাঁড়িয়ে হাতের ইশারায় ডাকলো। শোভার ইচ্ছে করলো উপেক্ষা করতে। এমনিতেই সকালের ঘটনায় সে বেশ লজ্জা পেয়েছে। রিয়াদকে সাপ বলার পর হুট করে ওর আগমনে শোভা হতচকিত হয়ে পড়ে। জানতে পারে রিয়াদ কিছু ডকুমেন্টস ফেলে গিয়েছিলো বলে ফিরে এসেছিলো। তারপর আর সামনে দাড়ায়নি। কি জন্য ডাকছে সেই আগ্রহ থেকেই শোভা রিয়াদের কাছে গেলো। রিয়াদ দুইটা টব সহ গোলাপের চারাগাছের দিকে আঙুল দেখিয়ে বললো,

“তোমার গাছ এনে দিলাম। কালই আনতাম কিন্তু সময় হয়নি।”

শোভা মুখ ভার করে থাকলেও গাছগুলো দেখে মনে মনে খুশিই হয়েছে। টফি একটা ভাঙার বদলে ও দুইটা পেয়েছে। বেশি সময় নিলো না টব দুইটা স্থানান্তর করতে। নিজের বাড়ির গেইটে ঢুকিয়ে হাত ঝাড়া দিয়ে বের হলো আবার। রিয়াদকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় রিয়াদ বললো,

“মায়ের নতুন রেসিপি লেমনিশ বিস্কুট নাকি খেয়েছিলে? কেমন হয়েছে জানাওনি কেনো? মা তোমার রিভিউ পাওয়ার আশায় আছে।”

“বলে দিয়েন অনন্য স্বাদ পেয়েছি সেই রেসিপি থেকে। আন্টি চাইলে রান্না ভালো পারে না ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মেয়েদের বাড়িতে এগুলো বানিয়ে সাপ্লাই দিতে পারে। এতে সেই মেয়েদের ডিপ্রেশন বাপ বাপ করে পালাবে।”

রিয়াদ ভ্রু কুচকে জিজ্ঞেস করলো,
“কেনো?”

শোভার বলতে ইচ্ছে করলো,
“কারণ তারাও জানবে যে একা তাদেরই রান্না খারাপ হয় না। তাদের চেয়েও জঘন্য রান্নার অস্তিত্ব পৃথিবীতে আছে।”
কিন্তু মুখে সেই কথাটা আনলো না। ইংলিশ আন্টির এক্সপেরিমেন্ট করা খাবার মুখে তোলার যোগ্য না হলেও তার বাঙালি রান্নাগুলো খারাপ না। আর ছেলের সামনে মায়ের বদনাম করার জন্য ওকে যে পারলে গিলে ফেলবে রিয়াদ তা ওর বেশ জানা আছে। প্রসঙ্গ বদলাতে বললো,

“টফি আবার পালিয়েছে। আশেপাশে নেই। ওকে খুজুন আগে।”

শোভা আর দাড়ালো না। পড়ন্ত সোনালি আভা ঠেলে চপল পায়ে এগিয়ে গেলো সামনের রাস্তায়। রিয়াদ সেদিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে তপ্ত শ্বাস ফেললো। অল্প বয়স থেকেই পড়াশোনার বাইরে রিয়াদের পৃথিবী ছিলো খুব ছোট। বন্ধুবান্ধবদের সাথে খুব একটা মিশতো না। সারাদিন পড়াশোনা, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনাই ঠাই পেতো মস্তিষ্কে। সেই ভাবনায় মাঝে মাঝে হয়তো দু’একটা সুন্দরী ঢুকে যেত। তবে ওর গাম্ভীর্যতা কোথাও যেন মনকে আটকে দিতো বসন্তের স্পর্শ পেতে। নিজের ধরে রাখা ব্যাক্তিত্ব কে ঠেলে সেদিকে পা বাড়ানো হয়ে উঠতো না। তবে অন্যদের মনোযোগ পাওয়াটা ওকে খুব আনন্দ দিতো মনে মনে। আনন্দ দিতো শোভার ওর প্রতি আকর্ষন অনুভব করাটাও।
মেয়েটা যে আগে ওকে ভীষণ পছন্দ করতো এইটুকু সে বুঝতো। কিন্তু ওর উড়নচণ্ডী আচরণ এবং কেয়ারলেস লাইফ রিয়াদের একদমই পছন্দ ছিলো না। মেয়েটা একটু বেশিই চঞ্চল। যার ফলে শোভা তেমন একটা পাত্তাও পেত না ওর থেকে।

রিয়াদের এই মনোভাব ওর প্রতি শোভার আকর্ষন কমিয়ে সেখানে ঢেলে দেয় উপেক্ষা। সেই উপেক্ষাটাই রিয়াদের অন্তরে খোচায় এবং শোভার প্রতি না চাইতেও মনোযোগী করে ফেলে। ফলস্বরূপ, তার গাম্ভীর্যপূর্ণ মনোভাবে ফাটল ধরে। বরাবর সবথেকে চার্মিং বয় হয়ে থাকা ছেলেটা কিভাবে যে একটা উড়নচণ্ডীরতে ফেসে গেলো বুঝতেই পারলো না। নিজের স্বভাবের বাইরে গিয়ে ওই চঞ্চল হরিণীর সাথে ঝগড়া করতেই বরং এখন ভালো লাগে। মানব মন বড়ই অদ্ভুত। যেই মানুষটাকে একসময় উপেক্ষা করে আনন্দ পেতো, সেই মানুষটার উপেক্ষাই একসময় নতুন অনুভূতির সাথে সাক্ষাৎ ঘটায়।

মিমদের আম বাগানের কাছাকাছি এসে শোভা সুচালো কন্ঠের চিৎকার শুনতে পেলো। আওয়াজটা ওর চেনা। টফি চিৎকার করছে। অন্যসব কুকুরদের থেকে টফির গলা আলাদা ও চিকন। শোভা ছুটে গেলো বাগানের ভেতর। ধুলোয় মাখামাখি হয়ে শুয়ে গোঙাচ্ছে টফি। ওকে এভাবে দেখে শোভার বুকের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠলো। দৌড়ে গিয়ে টফির কাছে বসে ওকে কোলে নেওয়ার চেষ্টা করলো। টফি তখনো গোঙাচ্ছে। নেতিয়ে পড়ছে সে। শোভার কান্না পেয়ে গেলো।কি হয়েছে জানার জন্য আশেপাশে চোখ বুলাতেই লাল রঙের স্কচটেপ প্যাচানো বল নজরে এলো।
একটা নয়-দশ বছরের ছেলে সেই বল নিতে এসে জানায় খেলায় সময় ছক্কা মারায় বল টফির ওপর পড়েছে। বাগানের দক্ষিণ পার্শ্বে একটা ছোটখাটো খেলার মাঠ আছে। বিকেল হওয়ার আগেই সেখানে ক্রিকেট খেলা শুরু হয়ে যায়। সেখান থেকেই বল এসে লেগেছে টফির গায়ে।বাকি ছেলেরা শোভাকে দেখেই দৌড়ে পালিয়েছে। তারা টফিকে ভালো করেই চেনে। আর কুকুর বিড়ালকে আঘাত করা শোভা পছন্দ করে না সেটাও জানে।

শোভা টফির নিস্তেজ গোঙাতে থাকা মুখ দেখে কেদেই ফেললো এবার। বোঝার চেষ্টা করলো কোথায় বলটা লেগেছে। কিন্তু ওর এলোমেলো হয়ে যাওয়া মস্তিষ্ক কিছুই ধরতে পারলো না। কান্না করতে করতে ঘোলাটে চোখে টফিকে কোলে নিয়ে ছুটলো বাড়ির দিকে।
বাড়ির কাছাকাছি এসেই রিয়াদের দেখা পেলো সে। রিয়াদ মূলত টফিকেই খুজছিলো। শোভার কোলে ওকে দেখে ব্যস্ত পায়ে এগিয়ে এলো। শোভার চোখে জল দেখে উদ্বিগ্ন হয়ে জিজ্ঞেস করলো,

“তুমি কাদছো কেনো? কি হয়েছে টফির? দেখি দাও আমার কোলে।”

শোভা গর্জে উঠলো,
“আপনাকে বলেছিলাম না ওকে দেখে রাখতে? বলেছিলাম না বাড়ির বাইরে একা একা ছুটতে দেবেন না? কেনো শুনলেন না?”

“কান্না থামিয়ে আগে বলো কি হয়েছে?”

“ওর গায়ে বল লেগেছে। আপনাদের কান্ড জ্ঞানহীনতার কারনে ও একা একাই আম বাগানে চলে গিয়েছিলো। পাশের মাঠ থেকে ক্রিকেট বল এসে ওর গায়ে পড়েছে।”

বলতে বলতে শোভা আবার কেদে ফেললো। রিয়াদ টফিকে নিজের কোলে নিয়ে নিলো। ভালো করে পশমের ভেতর পরখ করতেই দেখলো পেছনের পায়ের ওপর নীল হয়ে আছে অনেকটা যায়গা। শোভা কাদতে কাদতেই টফির মাথায় হাত বুলাচ্ছে। টফি সামনের দুইপা দিয়ে রিয়াদের একহাত আকড়ে গোঙাচ্ছে। ব্যথাটা টফির কোমল শরীর নিতে পারেনি। রিয়াদ বললো,

“আমি ওকে পশু হাসপাতালে নিচ্ছি। তুমি কেদোনা। বাড়ি যাও আর আমার মাকে কিছু জানিয়ো না।”

রিয়াদ অস্থির পায়ে ওকে নিয়ে ছুটলো বড় রাস্তার দিকে। পেছন পেছন আসলো শোভা। একটা সিএনজি নিয়ে সেটায় উঠে পড়তেই শোভাও সাথে উঠলো।রিয়াদ তা দেখে বললো,

“তোমাকে তো বললাম বাড়ি যেতে। সাথে আসছো কেনো?”

শোভা টফির এক পা ধরে ক্রন্দনরত গলায় বললো,
“আমি যাবো আপনার সাথে।”

“জেদ করো না শোভা।”

” প্লিজ!”

রিয়াদ আর কথা বাড়িয়ে দেরি করতে চাইলো না। ওকে নিয়েই সিএনজিতে চড়ে বসলো। চারিদিকে আধারের পশরা বসছে। রাস্তার সব ল্যাম্পপোস্ট আলো ছড়াতে শুরু করে দিয়েছে। গাড়িতে বসা থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অবধি পুরোটা সময় শোভা কেদেই গেলো। ছোট থেকে পশু-পাখি নিয়ে মেতে থাকে মেয়েটা। কাপড়ে অবধি কুকুর, বিড়ালের গন্ধ লেগে থাকে। মায়ের কাছে কম বকা খায়নি এই নিয়ে, তবুও অদৃশ্য কোনো টানে আবার ছুটে যায় রাস্তায়। একমাত্র টফিকেই শোভা অকারণে দেখতে পারে না। পারেনা টফিও। আর আজ তারই জন্য কেদে বুক ভাসাচ্ছে মেয়েটা।

ডাক্তার জানালো টফির পেছনের ডান পা অনেকটা ফ্রাকচার হয়েছে। সে ঠিক মতো হাটতে পারবে না। সুস্থ হতে বেশ অনেকটা সময় ধৈর্য ধরতে হবে। আর সেই সময়টুকু ওকে না হাটানোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। টফিকে যখন ইনজেকশন পুশ করা হলো শোভা ঠোঁট চেপে রিয়াদের হাত খামচে ধরলো। রিয়াদ ওর দিকে তাকালো। লাল বর্ণ ধারন করা চোখ স্ফিত হয়ে উঠেছে। জল গড়াচ্ছে অবিরত। রিয়াদ ইচ্ছে করেই শোভার চোখের জল মুছে দিলো। শোভা কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না। বরং মুছে দেওয়া গাল পুনরায় ভিজে উঠলো। রিয়াদ ওকে নিয়ে চেম্বারের বসে রইলো।

টফিকে প্রথম যেদিন আনা হয় তখন ওর বয়স মাত্র দুইমাস। গায়ের কাঠালি রঙ এবং মোটা লেজের কুকুর ছানাকে টফি নামটা রিয়াদই দিয়েছিলো। এখন টফির দুই বছর। একটা দিনের জন্যও টফিকে ছাড়া ঘুমায়নি রিয়াদ। ছোট্ট কোমল শরীরটা একটু উষ্ণতা পেলেই গলে গিয়ে মিশে থাকে গায়ের সাথে। সেই ছানাটা আজ ব্যাথায় নীল হতে দেখে রিয়াদের ভেতরটা পুড়ে যাচ্ছে।
শোভার ফোপাঁতে থাকা শরীর এখনো মৃদু কাপছে৷ হয়তো এতক্ষণ কান্নার ফলে মাথাও ধরে গেছে। শোভা একহাতে মাথা চেপে ধরছে মাঝে মাঝে। রিয়াদ বিষয়টা লক্ষ্য করে ওর মাথাটা আলতো নিজের কাধে রাখলো। আশ্বাস দিয়ে বললো,

“আর কান্না নয় শোভা। টফি ঠিক হয়ে যাবে।”

শোভা রিয়াদের হাতটা ধরে চোখ বুজে রইলো। রিয়াদের সাথে ঝগড়া বা অন্য কোনো ভাবনাই মনে ঠাই পেলো না। বরং মনে হলো কাধটা প্রশান্তির। একটা দুর্ঘটনায় কয়েকঘন্টার মাঝেই দুজন মানুষ মনের কতটা কাছাকাছি এসে গেলো সেটা দুজনের মনই হয়তো বুঝলো। হয়তো না। তবে একে অপরকে আকড়ে রইলো পরম ভরসায়।

রিয়াদ মিহাকে আগেই সব জানিয়ে দিয়েছিলো যেন শোভাকে নিয়ে চিন্তা না করে। মিহা তবুও চিন্তায় নিশান্তকে সব জানিয়ে দেয়। নিশান্তের অফিস থেকে পশু হাসপাতাল স্থানটা খুব বেশি দূরে না হওয়ায় অফিস থেকে বেড়িয়ে পড়ে সে। তবে এসে কিছুটা দূরেই ওকে থামতে হলো। চেম্বারের দরজায় থেকেই দেখতে পেলো শোভা রিয়াদের কাধে মাথা রেখে বসে আছে। এমন সময় হুট করে ওদের সামনে গেলে বিষয়টা ওদের দুজনের জন্য হয়তো বিব্রতকর হবে, হবে নিশান্তের জন্যও।

তাই কিছুক্ষণ চুপ থেকে একটু দূরে গিয়ে পকেট থেকে ফোন বের করে জোরে জোরে কথা বলতে বলতে পুনরায় চেম্বারের দরজায় শব্দ করে ভেতরে ঢুকলো। নিশান্তের গলার আওয়াজে শোভা সোজা হয়ে বসে পড়ে। হুট করেই যেন বোধগম্য হলো এতোক্ষণ সে কিভাবে বসে ছিলো। না চাইতেও একটা জড়তা ভড় করলো ওর মাঝে। পুরোটা সময় আর রিয়াদের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারলো না।নিশান্ত কিছুই দেখেনি এমন ভাবে দুজনের কাছে হাজির হয়। টুকটাক কথা বলে ওদের সাথেই বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সে।
টফিকে কোলে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় শোভা জেদ ধরলো টফিকে সে কোলে নিয়ে বসবে। রিয়াদ দিতে চাইলো না। কিন্তু নেতিয়ে পড়া টফিও শোভার কোলে যাওয়ার জন্য এক পা দিয়ে ইশারা করলো। রিয়াদ ক্লান্ত মুখে হেসে বললো,

“কে বলবে এরা দুজন দুজনকে একদমই সহ্য করতে পারে না! দেখে মনে হচ্ছে দুইজন জনম জনমের বন্ধু।”

নিশান্ত হেসে শোভার কানের কাছে এসে ফিসফিস করে বললো,
“শুধু টফি না, টফির মালিকও বোধহয় আর অসহ্যকরের তালিকায় নেই। তাইনা শোভা!”

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ