Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"প্রাক্তন পর্ব-১৫

প্রাক্তন পর্ব-১৫

#প্রাক্তন
#লেখিকা- শারমিন আঁচল নিপা
#পর্ব- ১৫

এমন সময় ফোনে অচেনা নম্বর থেকে কল আসলো আমি কলটা ধরতেই একটু বিস্মিত হলাম। কারণ কলটা দিয়েছে নাফিসা। নাফিসা কলটা ধরতেই জিজ্ঞেস করলো

– অরন্য কোথায়? অরন্যকে কোথায় গুম করেছো বলো।

বেশ রাগী গলায় জবাব দিলাম

– আমি কী করে জানব অরন্য কোথায়। আর এভাবে কথা বলছেন কেন? আমি কী কোনো চুর ডাকাত নাকি যে, জলজ্যান্ত একটা মানুষকে গুম করে দিব?

– তোমার সাথে কথা বলার পর থেকেই অরন্যের ফোন বন্ধ। যখনই শুনেছো আমি অরন্যের জীবনে ফিরতে চাই তখনই আমার জীবন থেকে অরন্যকে দূরে সরাতে তাকে গুম করে দিয়েছো?

– আপনার জীবনে আপদ টা চলে গেলে আরও খুশি হতাম। দুঃখের বিষয় আপদটা এখন আমার ঘাড়ে চেপে ধরতে বসেছে। আমিও হাফ ছেড়ে বাঁচি আপনি আর অরন্য এক হলে। তাড়াতাড়ি দেশে এসে আপদ নিয়ে যান। আপদকে খুঁজে বের করে নিজের করে নেন। শুধু শুধু আমাকে কল দিয়ে আপনার মূল্যমান সময় নষ্ট করবেন না। কারণ আমি অরন্যের খুঁজ জানি না। আর আমার কোনো ঠেকাও পড়ে নি অরন্যকে লুকিয়ে রাখা। আর অরন্য কোনো বাচ্চা না যে চকলেটের লোভ দেখিয়ে লুকিয়ে রাখব।

নাফিসা আমার কথা শুনে হালকা হেসে বলল

– তোমাদের মতো মেয়েদের চকলেটের লোভ দেখাতে হয় নাকি, শরীর আছে কী করতে। কীভাবে একটা বিবাহিত ছেলে পটিয়ে নিজের করতে হয় সেটা তো ভালোই জানো। লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা।

নাফিসার কথা শুনে শরীরটা রাগে কাঁপছিল। তবুও একটা হাসি দিয়ে বললাম

– আমিও দেখেছি কীভাবে স্বামী রেখে বিদেশ চলে যেতে হয়। আর বাকি রইল আপনার স্বামী। তার চরিত্রের উপর এটুকু ভরসাও আপনার নেই। অরন্যের চরিত্র এতই নড়বড়ে যে একটা মেয়ের সামান্য লোভ দেখানোতে নষ্ট হয়ে যাবে। এমন স্বামী বাঁধাই করে রাখেন। আপনার স্বামীর চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র। আর আপনার চরিত্রের ব্যখা নাহয় নাই দিলাম। কারণ সেটা আপনিই ভালো জানেন। আপনাকে তুলনা করার কোনো উপমা পাচ্ছি না তাই চুপ রইলাম।

নাফিসা রেগে কঠোর গলায় বলল

– একদম উল্টা পাল্টা কথা বলো না। মুখ সামলে কথা বলো।

– আমি বললেই দোষ আর আপনি যখন বললেন? আর আপনাকে তুমি বলার অধিকার বা পারমিশন কে দিছে। আমাকে আপনি করে বলবেন। আর দ্বিতীয় বার কথা বললে ভেবে বলবেন। আপনি বলে যাবেন আর আমি ছেড়ে দিব এটা একদম ভাববেন না। অবলা নারী আমি না। নিজের সাথে লড়াই করে সংগ্রাম করে বড় হয়েছি। কীভাবে কোনটা সামলাতে হয় সেটার যথেষ্ঠ জ্ঞান আমার আছে। অরন্যকে পাচ্ছেন না দেশে এসে থানায় যান। থানায় জিডি করুন,মামলা করুন। আমাকে কল দিয়েছেন কেন? আমি তো হারানো মানুষ ফিরিয়ে দেওয়ার এজেন্সি খুলে বসে নি। আর একবার যদি কল দিয়ে বিরক্ত করা হয় সরাসরি থানায় গিয়ে হ্যারেসমেন্টের মামলা করব। মাথায় রাখবেন বিষয়টা।

নাফিসার রাগটা আরও প্রবল হলো। রাগে আর জোরে চেঁচিয়ে বলল

– তোমার সাহস তো কম না যা’ তা বলছো।

আমি কথা আটকে দিয়ে বললাম

– এখনও তো বলা শুরু করি নি। ভালোভাবে বলা শুরু করলে টিকতে পারবেন না। রাতের ঘুমও হারাম হয়ে যাবে। এর চেয়ে বরং ফোনটা কেটে শান্ত হয়ে বসে সমাধান বের করুন। অরন্যকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। ভালো থাকবেন।

বলেই কলটা কেটে দিলাম। জানি না তারপর নাফিসার কী হয়েছিল। কল কাটার আগে রাগী রাগী নিঃশ্বাস নেওয়ার শব্দ পাচ্ছিলাম শুধু। কিন্তু অরন্য কোথায় আছে সেটাও ভাববার বিষয়। হুট করেই বা সে কোথায় গেল। আজকাল সবকিছুতে অদ্ভুত রহস্য খুঁজে পাই। না চাইতেও যেন রহস্যে জড়িয়ে যাই। নাকফুলটা হাতে নিলাম আবার। যতবারেই নাকফুলটা এপিট ওপিট করে দেখছিলাম ততবারেই মনে হচ্ছিল এটা অরন্যের সেই নাকফুলটা যেটা ও আমাকে ওর সাথে এনগেজমেন্ট হওয়ার পর দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী তে বিয়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় আমার পরিবার তা ফেরত দিয়েছিল। একই ডিজাইনের দুটো নাকফুলের এতটা মিল মানতে পারছি না। কেন জানি না মনে হচ্ছে আমি কোনো ভুল পদক্ষেপ নিচ্ছি। নাক ফুলটা ধরেই হাজারটা কথা ভাবছিলাম। এমন সময় ভাবি এসে ধাক্কা দিয়ে বলল

– কী ব্যপার ননদীনি নাক ফুল হাতে নিয়ে কোন জগতে হারালে। এত কী ভাবছো? নাকি আবিরের সাথে কল্পনায় রোমান্স করছো?

ভাবির কথা শুনে ভাবনার জগত থেকে বের হলাম। হালকা হেসে বললাম

– আরে কী বলো না ভাবি। তেমন কিছু না। নাকফুলটা দেখছিলাম।

ভাবি আমার হাত থেকে টেনে নাকফুলটা ভাবির হাতে নিয়ে দেখে বলল

– এটা তো ডায়মন্ডের নাকফুল। তবে নাকফুলের নীচের দিকে ডাটায় এত এলোমেলো দাগ কেন?

ভাবির কথাটা শুনেই আমার বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল। আমি ভাবির হাত থেকে নাকফুলটা নিয়ে নাকফুলের নীচের দিকে তাকালাম। আর বুঝতে পারলাম এটা অরন্যের নাকফুলেই। কারণ অরন্য নাকফুল দেওয়ার পর, ডাটা টা বড় হওয়ায় আমি ছুরি দিয়ে কেটে ছোট করতে চেয়েছিলাম তাই ডাটার নীচের দিকটায় বেশ কয়েকটা দাগ পড়েছিল তবে কাটতে ব্যর্থ হয়েছিলাম। বুঝতে আর বাকি রইল না এটা সেই নাকফুল। আর আমার সাথে যা হচ্ছে সেটা একটা খেলা। এ খেলার মূখ্য গুটি আমি যাকে বারবার চেক দিচ্ছে সবাই। আমার মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। আমার আঁধারে নিমজ্জিত মুখটা দেখে ভাবি বলল

– কী হলো তোমার? কথায় কথায় কোন জগতে চলে যাও। তোমাকে বড্ড অচেনা লাগে। বিয়ের পর থেকে কখনও তোমাকে এভাবে দেখে নি। কী হয়েছে বলো তো অপ্সরা। কিছু নিয়ে কী চিন্তা করছো?

আমি নিজেকে স্বাভাবিক করে বললাম

– না তেমন কিছু না। এটা আবিরের মায়ের নাকফুল তাই হয়তো এমন দাগ পড়েছে। এখন তৈরী হয়ে আবিরদের বাসায় যাব। এসে তোমার সাথে কফি খেয়ে আড্ডা দিব কেমন?

– আচ্ছা যাও আর সাবধানে। আর নাকফুলটা দাও তো।

– কেন?

– আরে দাও তো।

বলেই হাত থেকে নাকফুলটা নিয়ে আমার নাকে পরিয়ে দিয়ে বলল

– হবু শ্বাশুড়ি নাক ফুল দিয়ে গেছে তাদের বাসায় নাকফুল না পড়ে গেলে কেমন দেখাবে বলো। এখন সুন্দর লাগছে। পরীর মতো সুন্দরী তুমি।

– একটু বেশি বেশি বলছো না।

বলেই হাসতে হাসতে ওয়াশরুমের দিকে এগুলাম। ওয়াশ রুমে গিয়ে আয়নায় নিজের মুখ দেখে কেন জানি না ভয় পাচ্ছিলাম। এ নাক ফুলটা পড়েছিলাম চার বছর আগে। নাকফুলটা পড়ার ১৫ দিন পরেই অরন্যের সাথে আমার বিয়ে ভেঙ্গে যায় সে সাথে জীবনে নেমে আসে কালো অধ্যায়। শুরু হয় অকৃত্রিম যন্ত্রণা। সেদিন নাকফুলটা পড়ে যতটা খুশি হয়েছিলাম আজ ঠিক ততটাই ভয় পাচ্ছি। অন্য কোনো অঘটন আমার জন্য অপেক্ষা করছে না তো? এ নাকফুলটা আবার আমার জীবনকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিবে না তো। এসব ভাবতে ভাবতেই চোখ বেয়ে পানি পড়ছিল। চোখের পানিটা মুছে নিজেকে একটু শান্ত করে নিলাম। আামাকে আরও শক্ত হতে হবে। সবকিছু শক্ত হাতে মোকাবেলা করতে হবে। আবিরের কাছে গিয়ে অবশ্যই নাকফুলের রহস্য বের করতে হবে। এ বিয়েটা তো আমার প্রয়োজন না। তবে আবির নিজের ভুল স্বীকার করেছে বলেই আমি মেনে নিয়েছি। কিন্তু এর পেছনে যদি কোনো অজ্ঞাত কারণ থাকে আমি তাকে ছেড়ে দিয়ে কথা বলব না।

নিজেকে বুঝ দিয়ে মুখে পানির ঝাঁপটা দিয়ে ওয়াশ রুম থেকে বের হলাম। সোনালী পাড়ের বেগুনী রঙের একটা শাড়ি আর সোনালী ব্লাউজ পড়লাম। মাথায় একটা খোঁপা করে বারান্দার টবে ফুটে উঠা চন্দ্রমল্লিকা ফুল এনে এক পাশে গুজে দিলাম। ঠোঁটে হালকা লিপস্টিক আর মুখে পাউডারের প্রলেপ দিলাম। চোখে গাঢ় কাজল। কানে বড় ঝুমকা। দু হাত ভর্তি করলাম কাচের চুড়ি দিয়ে। আজকে নিজেকে বেশি প্রাধান্য দিলাম। তারপর রুম থেকে বের হলাম। রুম থেকে বের হতেই মা আমার দিকে তাকিয়ে হালকা হাসি দিল। মায়ের মনটা আমার এ সাজ প্রশান্ত করেছে বুঝতে পারছিলাম। আমি মায়ের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার সময় ভাবি এসে কানের কাছে বলে গেল আবির তো তোমায় দেখে চোখ ফেরাতে পারবে না। কথাটা শুনে আমি মৃদু হেসে বাসা থেকে বের হলাম।

সি এন জি নিয়ে আবিরের বাসায় চলে গেলাম। আবিরের বাসায় গিয়ে দেখলাম মা বাসায় নেই। বাসাটা পুরো ফাঁকা। আবিরের রুমে ঢুকলাম। আবির শুয়ে শুয়ে মোবাইল চাপছে। আবিরের পাশে বসতেই মোবাইলটা তাড়াহুড়ো করে সরিয়ে নিল। মনে হচ্ছিল চুরি করে ধরা পড়তে নিয়েছিল সে। আমি কিছুটা রহস্যের আভাস পেয়ে আবিরের হাত থেকে মোবাইলটা টেনে নিতে চাইলে সে দিতে চাইল না। এক পর্যায়ে বেশ জোর করেই মোবাইলটা টেনে নিই। মোবাইলটা নিয়ে আবিরের পাশ থেকে একটু দূরে যাই। মোবাইলে তেমন কোনো লক নেই। মোবাইল খুলতেই আমার চোখ কপালে উঠল। কারণ….

(চলবে)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ