Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"দু মুঠো বিকেল পর্ব-০২

দু মুঠো বিকেল পর্ব-০২

দু মুঠো বিকেল⛅♥
#পর্ব_২
Writer-Afnan লারা

রিমঝিম রুমে এসে বিছানায় বসে গায়ের থেকে ওড়নাটা নিয়ে একপাশে রেখে চুপ করে আছে
এই ছেলেটাকে এত ভয় পাই আমি অথচ ছেলেটা আজ পর্যন্ত একটা টোকাও দেয়নি যেটাতে আমার কষ্ট হবে কিন্তু সে আমাকে যে বন্দি জীবন দিয়েছে সেটার চেয়ে কষ্ট আর কিছু হতে পারে না
সে কি বুঝে না আমি তাকে পছন্দ করি না,তাকে ভালোবাসি না??
আমাকে কেন সে এত বছর ধরে ভালোবেসে আসছে,আমাকে পাবে না জেনেও সে বারবার আমাকেই কেন চায়?
তার এরকম আচরণের জন্যই তাকে আমি পছন্দ করি না
আবার এভাবে কষ্টও দিতে পারি না
পারতাম আজ সন্ধ্যায় তার সামনে গিয়ে না দাঁড়াতে কিন্তু তাও আমার বিবেক আমাকে দিলো না এতটা নিষ্ঠুর হতে
.
আমি আজ বারান্দায় না দাঁড়ালে সে এখান থেকে যেতোই না
তার এসব পাগলামিতে সাঁই দিতে দিতে আমার এখন অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে সবটা
ছেলেটা কেন বোঝে না আমাকে,কেন আমাকে এরকম কষ্ট দেয় সে,নিজের রুমেও আমি নিরাপদ ফিল করি না
উত্তরের জানালাটা দিয়ে সোজা তার রুম দেখা যায়,জানালাটায় পর্দা টানানো কড়া নিষেধ,টানালেই তার সামনে জবাবদিহি দিতে হয় আমাকে
৩টা বছর আগে এই ফাঁদে পা দিয়ে আমি এমন ফাঁসছি একেবারে আজীবনের জন্য,আমি আর নিতে পারবো না এসব

ভাই নেন তোয়ালে,এটা দিয়ে মাথাটা মুছে নেন
.
এটা পেলি কই?
.
খালা থুরি ম্যাডাম পাঠিয়েছে
.
হাহা,মা বুঝি তোকে বলেছিলো ম্যাডাম ডাকতে?
.

.
স্পর্শ তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছে চায়ে চুমুক দিলো,তারপর রিমদের বাসার ছাদের দিকে তাকিয়ে রইলো এক দৃষ্টিতে,১০সেকেন্ড ধরে তাকিয়ে হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে গেলো সে,চায়ের কাপটা টেবিলে রেখেই!
তারপর রিপন থেকে ছাতাটা নিয়ে সে ছুটলো রিমদের বাসার ছাদের দিকে
.
৩মিনিট লাগে রিমদের বাসার ছাদে উঠতে কিন্তু স্পর্শ ১মিনিটেই দৌড়ে উঠে গেছে
ছাদের শেষ কোণায় রিম বসে আছে গুটিশুটি দিয়ে, চোখ তার আকাশের দিকে
সারা গা ভিজে একাকার হয়ে গেছে তার
স্পর্শ নিচে থাকতে রিমের ওড়না দেখছিল বলেই সে বুঝেছে রিম ওখানেই আছে
.
রিমের চোখ দিয়ে পানি পড়তেছে,বৃষ্টির কারণে বোঝা যায় না
তবে স্পর্শ বুঝেছে কারণ সে যতবারই রিমকে কোনো কিছুতে জোর করে ততবারই রিম কাঁদে এটা তার জানা আছে
কি এমন জোর করলাম?বিকেলবেলা বারান্দায় এসে দাঁড়াতে হয় ওকে চুল ছেড়ে দিয়ে এটাতে আবার কাঁদতে হয়?
আবার এই বৃষ্টির মধ্যে বসেও আছে
ভাবতে ভাবতে স্পর্শ কাছে এসে রিমের মাথার উপর ছাতাটা ধরলো,রিম মাথা নিচু করে বসে আছে
.
গায়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে না দেখে রিম উপরের দিকে তাকালো,স্পর্শ আরেকদিকে ফিরে তাকিয়ে আছে,বাম হাত পকেটের ভেতরে,আরেকহাতে ছাতা ধরে আছে,নিজে ভিজে শেষ হয়ে যচ্ছে সেদিকে তার খবর নেই,মাঝে মাঝে পকেট থেকে হাতটা বের করে চুলগলো থেকে টেনে হিঁচড়ে পানি ফেলতেছে সে
.
রিমঝিম কপাল কুঁচকে আরেকটু পিছিয়ে গিয়ে বললো”আপনার সাহস হয় কি করে আমার এত কাছে আসার?”
.
স্পর্শ যেন কথাটা শুনলোই না,সামনেই তাদের বাসা,সে তাদের বাসার ছাদে থাকা গাঁদা ফুলের গাছগুলো দেখছে মনযোগ দিয়ে
এই বাসার মালিক স্পর্শের বাবা,৫তলার একটি বাড়ি,তারা থাকে দোতলায়,বাকি সব গুলো ভাড়া দেওয়া
.
স্পর্শের কথার উত্তর না পেয়ে রিমঝিম উঠে পড়লো তারপর চোখ রাঙিয়ে নিজের বাসার দিকে চললো সে
তার এসব ছোটখাটো প্রশ্নের জবাব স্পর্শ কখনও দেয়না তা জানা আছে তার
.
রিম চলে যেতেই স্পর্শ ওর দিকে তাকালো তারপর ঠোঁটের কোণায় হাসি ফুটিয়ে ছাতাটা বন্ধ করে নিজেও চললো সেদিকে
রিমঝিম স্পর্শকে মনে মনে গালি দিতে দিতে বাসার সামনে এসে কলিংবেলে চাপ দিলো
.
তামিম রিমঝিমের একটা ওড়না গলার পিছনে নিয়ে গিট্টু দিয়ে সোফার উপর দাঁড়িয়ে সেখান থেকে লাফ দিয়ে সুপারম্যান সাজছে
এত এক কাতারে কলিংবেলের আওয়াজ পেয়ে সে চোখের চশমাটা ঠিক করে বললো”জনগণকে আমাকে বাঁচাতেই হবে,বাসার বাইরে নিশ্চয় কোনো অহসায় জনগন এসেছে?তাকে আমি বাঁচাবোই
ইয়া!!!!!!”
.
তামিম দৌড়ে এসে দরজা খুলে দেখলো রিমঝিম কোমড়ে হাত দিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে আছে তারপর এক ধমক দিয়ে বললো”এত দেরি হয় কেন দরজা খুলতে?”
.
ওহ তুমি?আমি তো ভাবলাম অসহায় জনগন
.
স্পর্শ পাশেই সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে একবার তাকালো ওদের দিকে
.
আপু এরকম ভিজছো কি করে?
.
রিম স্পর্শের দিকে তাকিয়ে দরজা ঠাস করে লাগিয়ে দিয়ে বললো”পাড়া প্রতিবেশীর অত্যাচারে!”
.
কথাটা বলে রিমঝিম সোজা নিজের রুমে এসে দরজাটা লাগিয়ে ফেললো,তারপর ফ্লোরে বসে পড়লো সে,,
সন্ধ্যা গড়িয়ে এখন বাজে সাড়ে সাতটা
বাবা আসার সময় হয়ে গেছে
ভাইয়া আসতে আরও কয়েক ঘন্টা বাকি,তাড়াতাড়ি চুল শুকাতে হবে তা নাহলে মা হাজারটা প্রশ্ন করবে
.
রিম আবারও উঠে তোয়ালে নিয়ে চুল মুছতে লাগলো হেঁটে হেঁটে

আঁখি!দরজা খুলো,মনে হয় স্পর্শ এসেছে
.
আচ্ছা আম্মু!!
.
আঁখি পড়ার টেবিল থেকে উঠে গিয়ে দরজা খুললো
স্পর্শর সারা শরীর ভিজে টইটুম্বুর হয়েছে দেখে আঁখি এক চিৎকার করতে নিতেই স্পর্শ মুখে আঙ্গুল দিয়ে চুপ থাকতে বললো ওকে
.
তারপর আঁখি ফিসফিস করে বললো” কিন্তু ভাইয়া এরকম ভিজলে কি করে?আম্মু যদি জানে এক গাদা বকবে”
.
মা জানলে তো বকবে,আর তুই মাকে জানাবি না,আমি আমার রুমে যাচ্ছি,ছেলেদের চুল শুকাতে বেশি সময় লাগে না,এক কাজ কর কড়া লিকারের একটা দুধ চা বানিয়ে আমারে রুমে পাঠা
মাথা ধরে আছে প্রচন্ড,চিনি এক চামচ দিবি,বেশি দিবি না,তোর তো আবার চিনি বেশি দেওয়ার অভ্যাস
.
আঁখি মাথা নাড়িয়ে দরজা লাগিয়ে রান্নাঘরের দিকে চললো,মা নিজের রুমে বসে টিভিতে সিরিয়াল দেখতেছিলেন,ওখানে বসেই বললেন”আঁখি কে এসেছে রে?”
.
কথাটা শুনে স্পর্শ এক দৌড়ে নিজের রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে ফেলেছে
আঁখি রান্নাঘরে গিয়ে চা বসাতে বসাতে বললো”পাশের বাসার আন্টি চিনির জন্য এসেছিলো আম্মু”
.
স্পর্শ এখনও ফেরেনি?
.
ভাইয়া তো এত তাড়াতাড়ি ফেরে না আম্মু,
আরও রাত হবে
.
ওহ,ঠিক আছে

স্পর্শ জলদি করে আলমারি থেকে একটা টিশার্ট নিয়ে গায়ের শার্ট আর গেঞ্জি খুলে সেটা পরতেছে আর এদিক ওদিক তাকিয়ে তোয়ালে খুঁজতেছে,রিপন যে তোয়ালে নিয়েছিলো ওটা কোথায় ফেলে এসেছি এখন চুল মুছবো কি দিয়ে
ভাবতে ভাবতেই স্পর্শ ডান পাশে থাকা জানালায় চোখ রাখলো, রিমঝিমের রুমের দিকে
রিমঝিম পায়চারি করতে করতে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতেছে আর কিসব ভাবতেছে
স্পর্শ মুচকি হেসে জানালার গ্রিলে মাথা রেখে মুগ্ধ চোখে ওর দিকে তাকিয়ে রইলো
রিমঝিমের মনে হলো কেউ ওর দিকে তাকিয়ে আছে সাথে সাথে মনের সন্দেহটা দূর করতে সে বাম পাশে তাকালো,সাথে সাথে স্পর্শ ব্রু নাচিয়ে হাত উঠিয়ে হাই জানালো ওকে
রিমঝিমের রাগ এবার শেষ সীমানায়,জানালার কাছে এসে এক টান দিয়ে পর্দা টেনে দিলো সে
যা হবে হোক,এই জানালার পর্দা আর সরবে না
.
স্পর্শ আর কি করবে ফেরত এসে নিজের আরেকটা জামা দিয়ে মাথা মুছে চুল শুকিয়ে নিলো তারপর বিছানায় একটু শুয়ে জিরিয়ে নিয়ে আঁখির বানানো চা টা খেলো পর্দা টাঙানো জানালাটার দিকে চেয়ে,ওপাশের মানুষটা কি করছে বোঝা যাচ্ছে না একটুও
চা খাওয়া শেষে আবারও লুকিয়ে লুকিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো স্পর্শ,একেবারে রাত করে ফিরবে,বৃষ্টি থেমে গেছে এতক্ষনে

তামিম গলা থেকে রিমের ওড়না খুলে ওর রুমের কাছে এসে বললো”আপু আমি তোমার হলুদ রঙের ওড়নাটা দিয়ে সুপারম্যান খেলছি নাও ওটা ফেরত নাও আমার খেলা শেষ
.
রিম জামা পরতে পরতে বললো”সেই ওড়নাটা পারলে ছিঁড়ে ফেলো,ওটার আর প্রয়োজন নেই”
.
আপু তুমি তো এই নিয়ে আমাকে দিয়ে কত ওড়না ছিঁড়াইসো তোমার
মা তোমাকে বকে না এটা নিয়ে?ঐদিন আমি পড়ে গিয়ে আমার জিন্স একটু ফাটিয়েছে বলে মা কত বকলো আবার আমার চকলেট খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে শাস্তি হিসেবে,আমি মাকে বলবো তুমি ইচ্ছে করে তোমার ওড়না নষ্ট করো সবসময়
.
রিম আর কিছু বললো না,ওয়ারড্রোবের কাছে এসে একটা এ্যাশ কালারের ওড়না নিয়ে সেটা পরে বসে থাকলো চুপচাপ
.
মা মা!!রিম আপু সবসময় তার ওড়নাগুলো আমাকে ছিঁড়তে বলে,তুমি আপুকে বকবা না?আমি জিন্স ফাটিয়েছি বলে আমাকে কত বকেছিলা
.
মা তরকারিতে লবণ দিয়ে নাড়তে নাড়তে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললেন তারপর বললেন”এই ওড়নাগুলো তো আমরা কিনে দিই নাই রে,দিয়েছে সেই ছেলেটা তাই তো রিম তোকে ওড়নাগুলো ছিঁড়তে দেয় সবসময়”
.
তামিম ওড়নাটার দিকে তাকিয়ে বললো”ওড়নাটা কিন্তু সুন্দর”
.
ওড়না যে কিনে দিয়েছে সে নিজেও সুন্দর,তার দেওয়া সকল উপহার সুন্দর শুধু সুন্দর না তার স্বভাব,আমার রিমের মন জয় করার একটা বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তার স্বভাবটা
কলিংবেল বাজতেছে, যা যা দরজা খুল,তোর বাবা এসেছে মনে হয়
.
তামিম দৌড়ে গেলো দরজা খুলতে,দরজা খুলে দেখলো রিহাব ভাইয়া দাঁড়িয়ে আছে,হাতে অফিস ব্যাগ,পরনে
হালকা নীল রঙের শার্ট আর ব্ল্যাক জিন্স
টাই টানতে টানতে ভিতরে ঢুকে রিহাব বললো”রিম!!এক গ্লাস পানি দে”
.
রিহাবের আওয়াজ পেয়ে রিমঝিম জলদি করে দরজা খুলে বের হয়ে ডাইনিং থেকে পানি এক গ্লাস নিয়ে রিহাবের দিকে বাড়িয়ে ধরলো
.
রিহাব পানি খেয়ে সোফায় হেলান দিয়ে বসে আছে,প্রচুর কাজ ইদানীং
এই অফিসের বসটা বেতন দেয় ২০হাজার আর কাজ করায় ৪০হাজারের খাটনির
এদের বস কে বানায় কে জানে,ঘাড় ব্যাথা হয়ে গেছে
আব্বা এসেছে?
.
না ভাইয়া,আজ বাবার আসতে দেরি হবে মনে হয়
.
আচ্ছা আমি আমার রুমে যাচ্ছি,তামিম একদম ডিস্টার্ব করবা না আমাকে
.
তামিম মাথা নাড়িয়ে চোরের মত দাঁড়িয়ে আছে রিমের পিছনে
.
রিহাব মুচকি হেসে ব্যাগ থেকে একটা কিটকাট চকলেট বের করে তামিমের হাতে দিয়ে যেতে যেতে বললো”আজ হাতে টাকা কম ছিল বলে একটা এনেছি,অর্ধেক রিমকে দিবা ঠিক আছে?”
.
আচ্ছা
.
রিহাব নিজের রুমে এসে শার্টটা খুলে ফেলে ফোনটা নিলো চার্জ দেওয়ার জন্য,দেখলো ১২টা মিসড কল
আবারও কল আসতেছে দেখে রিহাব রিসিভ করলো
.
ওপাশ থেকে ছোট্ট আওয়াজে ভেসে আসলো”বাসায় ঢুকছেন বুঝি?”
.
জি ঢুকছি,নিজের চোখেই তো দেখোস তাহলে জিজ্ঞেস করস কেন?তোকে বলছি না আমায় ফোন দিবি না?
.
আমি ফোন দিলে আপনার ভালো লাগে না বুঝি?
.
জি না,ভালো লাগে না বুঝি
.
আমাকে কপি করছেন?
.
চুপ থাক,তোর হিটলার মায়ের কাছে বিচার দিব তুই যে আমাকে এত জ্বালাস
.
রিহাব!
.
কি?কি বললি?
.
সরি,রিহাব ভাইয়া
.
হুম,কি হয়েছে?
.
না কিছু না,বাই
.
বাই,আমাকে আর ফোন দিবি না,বেয়াদব একটা,মেয়ে হয়ে ছেলেদের জ্বালাস আসলে তোর বিবেক কেমন??
.
পাথর মনের কাউকে পটাতে পারলে সে শুধু তোমার তোমার তোমার!!
.
পড়াশুনা বাদ দিয়ে এসব শেখা হচ্ছে??আমি আঙ্কেলের কাছে বিচার দেবো
.
প্লিস জানালাটা খুলুন না
.
রাত বিরাতে আমি জানালা খুলি না
.
মিথ্যা বলেন কেন?আমি রাতের ১২টায় টর্চ দিয়ে আমাদের রান্নাঘরে এসে একদিন চেক করেছি,আপনি তখন জানালা খুলে ল্যাপটপে ইউটিউব দেখছিলেন
.
রাতে ঘুম না যেয়ে এসব করো তুমি?
.
আপনি তো করেন না,এখন চুপচাপ যেটা বলছি সেটা করেন,জানা খুলেন,আমি সেই কখন থেকে চা বানানোর ভান ধরে রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে আছি
চলবে♥

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ