Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"অনুভূতি পর্ব ১০

অনুভূতি পর্ব ১০

“অনুভূতি”
পর্ব ১০
লিখা: মিশু মনি
.
১৫.
মিশু মেঘালয়ের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে। ট্রেন চলেছে ঝিকঝিক শব্দে। হাওয়ায় চুল উড়ছে মিশুর। মাঝেমাঝে চুল উড়ে এসে মেঘালয়ের মুখের উপর পড়ছে। মনটা কেমন কেমন যেন করছে মেঘালয়ের। জীবনে প্রথমবার কেউ এভাবে ওর কাঁধে মাথা রেখেছে। মিশুই প্রথম সেদিন রাতে ওর পিঠে মাথা রেখেছিল, আজ কাঁধে। সম্পূর্ণ অচেনা একজন মেয়ে ধীরেধীরে কিভাবে যেন বড্ড কাছে এসে যাচ্ছে, আপন হয়ে যাচ্ছে। অন্যরকম কোনো ব্যাপার যে ঘটছে সেটা বুঝতে অসুবিধা হলো না মেঘালয়ের। সামনে থেকে একজন যাত্রী ছবি তুলে নিলো ওদের দুজনের। মেঘালয়ের অন্যদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ ই নেই।
একবার আড়চোখে মিশুর ঘুমন্ত মুখটার দিকে তাকিয়ে বুকটা কেমন যেন করে উঠলো ওর। চোখ বুজে ভাবতে লাগলো, কি অদ্ভুত ব্যাপার! এরকম কখনো হয়না ওর সাথে। ইদানীং কিসব কান্ড যে ঘটে বুঝতে পারেনা ও। রাতে ঘুমালেই স্বপ্নে একটা মেয়েকে দেখতে পায়। মেয়েটা খোলাচুলে হেঁটে যায় সমুদ্রের তীর ঘেষে। বিশাল ঢেউ এসে ওর উপর দিয়ে আছড়ে পড়ে তীরে। ভয় হয় মেঘালয়ের। এই বুঝি মেয়েটাকে সমুদ্র তার ভিতরে টেনে নিয়েছে। কিন্তু ঢেউ নেমে যেতেই আবারো দেখা যায় মেয়েটি দিব্যি হেঁটে যাচ্ছে। ওর মুখ স্পষ্ট বুঝতে পারেনা মেঘালয়। শুধু চুলগুলো দেখতে পারে, কত চেনা সেই চুল আর চুলের গন্ধ!
চমকে উঠলো মেঘালয়। স্বপ্নে তো চুলের গন্ধ বুঝতে পারার কথা নয়। কিন্তু কারো চুলের গন্ধ যে নাকে লাগছে! চোখ মেলে দেখলো মিশুর এক গোছা চুল উড়ে এসে মুখের উপর পড়েছে। সেই গন্ধই নাকে লাগছিলো। মিশু যে কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে স্বপ্নের কথা ভাবতে গিয়ে সেটা ভূলেই গিয়েছিলো ও। আরেকবার মিশুর মুখের দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো মেঘালয়। মিশু গভীর ঘুমে মগ্ন যেন কত রাত ভালোমত ঘুমায় না মেয়েটা! বড্ড মায়া লাগছে ওর জন্য।
একজন যাত্রী এসে মেঘালয় ও মিশুর দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বললো, “আরে মেঘ না?”
মেঘালয় ছেলেটির দিকে তাকিয়ে বললো, “হিরণ ভাই? আমাদের ভার্সিটির বড় ভাই ছিলেন?”
– “হ্যা হ্যা।”
খুশিতে মাথা ঝাঁকাচ্ছে হিরণ। মেঘালয় হাত বাড়িয়ে হ্যান্ডশেক করতে যেতেই মিশুর মাথাটা ওর বুকে ঢলে পড়ে যেতে লাগলো। হাত দিয়ে মিশুকে ধরে ফেললো ও।
হিরণ হেসে বললো, “ইটস ওকে। তোমার গার্ল ফ্রেন্ড?”
প্রশ্নটা করেই হিরণ হাসলো। মেঘলয় কি বলবে বুঝতে না পেরে মিশুর দিকে তাকালো। সত্যিই কি বলা উচিৎ বুঝতে পারছে না। ওর বোনকে তো হিরণ চেনে। কাজিন বললে উলটা পালটা কিছু ভেবে বসবে। কিছু বলার আগেই হিরণ বললো,, “আমি ওই যে ওই সিটে বসেছি।”
মিশুর ঘুম ভেঙে গেলো। চোখ মেলে তাকিয়ে দেখলো একজন লোক সামনে দাঁড়িয়ে আছে, মেঘালয়ের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে। আর তারই সামনে ওর কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছিলো ও? ভাবতেই লজ্জায় লাল হয়ে গেলো মিশু।
হিরণ মিশুকে বলল, “কি ভাবি,ঘুম হলো?”
মিশু আচমকা ভাবি শব্দটা শুনে ভড়কে গেলো। সে কি মিশুকে মেঘালয়ের বউ ভেবেছে নাকি? ওর মত বাচ্চা মেয়েটাকে বউ বউ লাগে? আজকালকার লোকজনের আইডিয়া দেখলে হাসি পায়।
মিশু মনেমনে এসব ভাবছে। এদিকে সে যে মেঘালয়ের কাঁধে মাথা রাখলে এটা ভাবাটাই স্বাভাবিক সেটা ওর মাথাতেও এলো না। বড্ড সরল একটা মেয়ে।
হিরণ গিয়ে তিনকাপ চা নিয়ে এসে দিলো। চায়ে চুমুক দিয়ে মিশু বললো, “আমার না খিদে পেয়েছে।”
হিরণ তাকালো মিশুর দিকে। বাচ্চা স্বভাবের মেয়ে কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে। মেঘালয় হাসি চেপে রেখে বললো, “আচ্ছা বসো, আমি খাবার নিয়ে আসছি।”
– “চা শেষ করে যান।”
– “কি খাবা বলো?”
মিশু একটু ভেবে বলল, “আপনি কি চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে খাবার আনতে যাবেন?”
মেঘালয় হেসে বলল, “গাড়ির ভিতরেই রেস্টুরেন্ট আছে। আমি অর্ডার দিয়ে আসি। ভাত খাবে? মুরগির মাংস দিয়ে?”
– “আমি হাসের গোশত দিয়ে ভাত খাবো। ঝাল ঝাল করে যেন রান্না করে।”
মেঘালয় এবার আর হাসি চেপে রাখতে পারলো না। মেয়েটা এখনো বোধহয় ঘুমের ঘোরেই আছে। ঘুম জড়ানো গলায় এভাবে কিছু বললে একদিকে ভালো লাগে, অন্যদিকে হাসি পায়। হিরণ ভাইও রীতিমত অবাক হয়ে চেয়ে আছেন।
মেঘালয় বলল, “আমি দেখছি পাওয়া যায় কিনা। না পাওয়া গেলে ঢাকায় গিয়ে হাস কিনে ঝাল ঝাল করে রান্না করে খাওয়াবো।”
বলেই উঠে দাঁড়ালো। চা শেষ করে কাপ নিয়ে হিরণের সাথে কোথায় যেন আড়াল হয়ে গেলো। মিশু উঠে গিয়ে রৌদ্রময়ীর পাশে বসলো। নতুন বউটাকে খুব মনমরা দেখাচ্ছে। একটু গল্প করা যাক, যদি বউটার মনটা ভালো হয়!
১৬.
আজ বৌভাত।
ঘুম থেকে উঠতে বড্ড দেরি হয়ে গেলো দুপুরের। উঠে আড়মোড়া ভেঙে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো সাড়ে নয়টা বেজে গেছে। নতুন বউ সাধারণত এত বেলা অব্দি ঘুমায় না। বাসার লোকজন কি যে ভাবছে কে জানে!
তাড়াহুড়ো করে উঠে বিছানা থেকে নামতে গিয়ে হুরমুর করে পড়ে গেলো দুপুর। অরণ্য ঘরেই ছিলো। ব্যস্ত হয়ে ছুটে এসে দুপুরের পাশে বসে বলল, “আরে পড়ে গেলে কিভাবে? ব্যথা পেয়েছো?”
দুপুর মাথা দুপাশে নাড়িয়ে বলল, “না। আমি ঠিক আছি।”
আস্তে আস্তে উঠে দাঁড়ালো দুপুর। অরণ্য অবাক হয়ে খেয়াল করলো দুপুরের চোখ লাল হয়ে আছে, একদম ফুলে গেছে চোখ দুটো। রাত্রে সে কান্না করেছে বুঝতে অসুবিধা হলো না অরণ্য’র। কিন্তু কান্না করার মত কোনো কারণ কি ছিলো?
উৎসুক চোখে দুপুরের দিকে তাকিয়ে রইলো অরণ্য। দুপুর বাথরুমের দিকে চলে গেলো। অরণ্য বিছানার উপর বসে বসে ভাবতে লাগলো। মেয়েটাকে হুট করে বিয়ে দিয়ে দেয়ায় কষ্ট পেয়েছে বোধহয়। আগে যেভাবে কথা বলতো, বিয়ের পর আর সেভাবে বলতে পারছে না।
দুপুর গোসল করে এসে মোবাইল হাতে নিয়ে দেখলো কোনো কল এসেছে কিনা। রোজ সকালে নিখিলের ফোনকলে ঘুম ভাঙত ওর। ছেলেটা বড্ড খেয়াল রাখতো দুপুরের। আজ সে কেমন আছে? খুব জানতে ইচ্ছে করছে দুপুরের।
অরণ্য বেশ কিছুক্ষণ ধরে চেয়ে আছে দুপুরের দিকে। দুপুর ঠিকমত চুল ও মুছতে পারেনা। চুল বেয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। চুলের পানিতে জামা ভিজে যাচ্ছে,মেঝেতেও টপটপ করছে পানি। অরণ্য তোয়ালে নিয়ে এগিয়ে এসে দুপুরের পিছনে দাঁড়িয়ে বললো, “একটু চুলও মুছতে পারোনা ঠিকমত? একটু নিজের খেয়াল রাখা কবে শিখবে বলোতো?”
চমকে উঠলো দুপুর। অরণ্য এমন ভাবে বলছে, ওর কথার সাথে কণ্ঠের আবেশ মিশে একদম অন্যরকম সুন্দর শোনাচ্ছে। যে কারো ভালো লাগতো শুনলে। দুপুর কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। চোখের পাপড়ি ও নড়ল না ওর। অরণ্য তোয়ালে দিয়ে ভালোভাবে চুল মুছিয়ে দিতে লাগলো দুপুরের। এরকম যত্ন পেয়ে আবেশে চোখ বুজে ফেললো দুপুর। অরণ্য খুব মনোযোগ সহকারে দুপুরের চুল মুছে দিচ্ছে। এই কাজটা করতে অরণ্য’র সে খুবই ভালো লাগছে সেটা ওর চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। মুখে প্রসন্ন হাসি।
চুল মুছে দেয়ার পর অরণ্য বললো, “একি হাল করেছো নিজের? মাত্র একদিনেই এই অবস্থা? শোনো, আমার রুমে থাকতে হলে এরকম মনমরা হয়ে থাকা যাবেনা। বুঝলে?”
দুপুর চুপ করে রইলো। মনমরা হয়ে থাকলে কি সে রুম থেকে বের করে দিবে? যদি দিতো তাহলে সারাক্ষণ মন খারাপ করে থাকতো ও। কিন্তু বের করে দেয়ার পথটা এতটা সহজ না। আর বের হওয়ার জন্য সে এ বাড়িতে আসেও নি। একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো দুপুর।
অরণ্য বললো, “মুখে ক্রিম ব্যবহার করো তুমি?”
দুপুর এক পলক তাকিয়ে আবার চোখ নামিয়ে নিয়ে মাথা ঝাঁকাল। অরণ্য আয়নার সামনে রাখা ক্রিমের দিকে তাকিয়ে বললো, “ফেয়ার এন্ড লাভলী মেনস ক্রিমে হবে তোমার?”
এরকম আজগুবি প্রশ্নের উত্তরে কেমন রিয়েকশন দেয়া দরকার বুঝতে পারলো না দুপুর। দাঁতে দাঁত চেপে দাঁড়িয়ে রইলো। অরণ্য মুখ টিপে হেসে বললো, “ওহ সরি। তুমি উইমেন্স ভূলেই গিয়েছিলাম। দেখেছো তোমার বরটা কেমন আত্মভোলা? তার বউ মেন নাকি ওমেন সেটাই মনে রাখতে পারেনা আর বউয়ের কেয়ার কিভাবে নিবে বলোতো?”
নিতান্তই বাচ্চাদের মত করে নরম কণ্ঠে কথাগুলো বললো অরণ্য। দুপুরের ঠোঁটের কোণে সামান্য হাসির আভাস ফুটে উঠলো। সেটুকু বুঝতে পেরে ভালো লাগলো অরণ্য’র। আসলে দুপুরকে একটু হাসানোর জন্যই এভাবে বলছে ও। আরেকটু চেষ্টা করতে হবে।
অরণ্য বললো, “এরকম খাম্বার মত দাঁড়িয়ে আছো যে? পা পুরনো হয়ে ভেঙে যাবে বাবা।”
দুপুর একবার তাকালো অরণ্য’র দিকে। চোখে প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে, “পা কিভাবে পুরনো হয় আবার?”
অরণ্য বললো, “কি ভাবছো? পা কিভাবে পুরনো হয় তাইতো? দেখো বিদ্যুতের খুটি পুরনো হয়ে গেলে ভেঙে যায়। যায়না?”
দুপুর এবার কথা না বলে পারলো না, “আমাকে আপনার বিদ্যুতের খুঁটি মনে হচ্ছে কোন দুঃখে?”
– “নাহ, তোমাকে বিদ্যুতের খাম্বা মনে হওয়ার কোনো কারণ ই নেই। তুমি মোটেও লম্বা নও,তুমি তো শর্ট।”
– “আমি শর্ট?”
– “আমার তুলনায় অনেক শর্ট। আমার পাশে তুমি দাঁড়ালে মনে হয় বিদ্যুতের খুটির পাশে বনমানুষ দাঁড়িয়ে।”
কথাটা শুনে ক্ষেপে গেলো দুপুর -“কিহ! এভাবে বলা হচ্ছে? আমাকে কোন এঙ্গেল থেকে খাটো মনেহয় আপনার শুনি?”
অরণ্য আপাদমস্তক তাকিয়ে বললো, “সবদিক থেকেই। যে পরিমাণ শর্ট তুমি, না জানি আমার বাচ্চাকাচ্চাদের তেলাপোকার বাচ্চা মনে হয় কিনা।”
এবারে আরো ক্ষেপে গেলো দুপুর। রেগে বললো, “আমাকে বিয়ে করতে কে বলেছে আপনাকে? কেন করলেন?”
– “একি! দুপুরবেলা ক্ষেপে গেছে দেখছি। আরে বাবা আমি তোমাকে একটু সহজ হওয়ার জন্য কথাগুলো বললাম। বুঝোনা তুমি?”
দুপুর মাথা নিচু করে ফেললো। সত্যিই তো! মাত্র দুটো কথা বলেই অনেকটা স্বাভাবিক লাগছিলো নিজেকে। মনটাও ভালো হতে শুরু করেছিলাও। মুহুর্তের জন্য নিখিলকে ভূলে গিয়েছিলো ও।
অরণ্য বললো, “তুমি কি কোনোকিছু নিয়ে আপসেট? দুপুর?”
দুপুর দুদিকে মাথা নাড়ালো।
– “বাবা মায়ের জন্য খারাপ লাগছে? নাকি বোনের জন্য?”
– “না।”
– “হঠাৎ বিয়ে দিয়ে দেয়ায় তুমি কষ্ট পেয়েছো?”
– “না।”
– “তাহলে?”
দুপুর একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। কিভাবে বলবে ওকে যে ওর নিখিলের জন্য বুকটা হাহাকার করছে? রৌদ্রময়ী তো পালিয়ে গিয়ে বেঁচেছে, বাবা মা তো দুপুরের সাথে অরণ্য’র বিয়ে দিয়ে বেঁচেছে, অরণ্য ও একজনের পরিবর্তে আরেকজন কে পেয়ে বেঁচেছে, আর দুপুর? দুপুরের ভেতরে কি পরিমাণ ঝড় চলছে কে বুঝবে সেটা? কাউকে বলাও যায়না, সহ্য করাও যায়না। কি নিদারুণ যন্ত্রণা সে শুধু দুপুর ই জানে।
এমন সময় অরণ্য’র ছোট বোনের গলা শুনতে পাওয়া গেলো, “এই ভাইয়া, ভাবি তোরা উঠবি না? দশটা বাজে তো।”
অরণ্য উঠে দরজা খুলতে চলতে গেলো। নিরবে বসে রইলো দুপুর। আজ তাকে কেউ ভাবি বলে ডাকছে! অথচ গতকাল ই তো তার জীবন টা অন্যরকম ছিলো। মাত্র কয়েক মুহুর্তের ব্যবধানে কি থেকে কি হয়ে যায়! জীবন অদ্ভুত!
চলবে..

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ