Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ডেভিল বর পর্ব- ২+৩

ডেভিল বর পর্ব- ২+৩

ডেভিল বর
পর্ব- ২+৩
শিফা_আফরিন
.
.
?
আঁচলের শরীর থেকে শাড়ি টা সরে যায়.. আঁচল তারাতারি করে শাড়িটা দিয়ে নিজের শরীর ঢেকে ফেলে।

রেহান – আমিই তো..এভাবে প্যাকেট হওয়ার কি আছে। (মুচকি হেসে)

আঁচল – ছাড়ুন আমায়। আরো কিছু করার বাকি আছে আপনার? (রেগে)

রেহান – না তা না। তবে তুমি চাইলে করতেই পারি।

আঁচল বিরক্তির সাথে রেহানের কাছ থেকে সরে যেতে নিলেই রেহান আবার আঁচল কে নিজের বুকে ফেলে দেয়।

রেহান – জানো… ওহো তোমার নামটাই তো জানা হলো না। বাই দ্য ওয়ে… তোমার নাম কী?

আঁচল রেহানের কথা শুনে রাগে গজগজ করছে। (কেমন লোক রে বাবা! বিয়ে করেছে এতো কিছু হয়ে গেলো এখনো নাকি আমার নামটাই জানে না। ইচ্ছে করে পানিতে চুবিয়ে মারি.. মনে মনে)

রেহান – কি হলো বলো?

আঁচল – জানিনা।

রেহান – আমি জানি। (মুচকি হেসে)

আঁচল রাগি ভাব নিয়ে রেহানের দিকে তাকায়।

রেহান – তুমি কি মনে করেছো কিছু না জেনেই তোমাকে বিয়ে করেছি?
আমি সব শুনেছি এবং সব জেনেই তোমাকে বিয়ে করেছি। (শান্ত গলায়)

আঁচল অবাক হয়ে রেহানের দিকে তাকায়

রেহান – হুম জিসানের কথা আমিও জানি। আচ্ছা আঁচল সব কিছু ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারো না?
আমি কি এতোটাই খারাপ? তুমি জিসানের জন্যে আমাকে কষ্ট দিচ্ছো!

আঁচল – কষ্ট দিলাম কখন? কষ্ট দেয়ার সুযোগ দিয়েছেন আপনি? আমার কোনো কথাই তো শুনেন নি। নিজের ইচ্ছে হলো ব্যাস পূরণ করে নিলেন।

আর হ্যা জিসানের কথা যখন শুনেইছেন তবে আমাকে বিয়ে করলেন কেনো? কিশের জন্য?
আমি এখনো জিসান কেই ভালোবাসি। আর আপনি আমার সাথে জোর করে শুধু আপনার কামনা মেটাতে পারবেন।
আমি মন থেকে কখনো আপনাকে মেনে নিবো না। নেভার।

রেহান – আঁচল তুমি এখন আমার ওয়াইফ। তুমি আমার সামনে অন্য ছেলের নাম মুখে আনছো কিভাবে?

আঁচল – অন্য ছেলে না জিসানকে আমি ভালোবাসি বুঝেছেন!

রেহান রেগে একহাতে আঁচলের দু গাল চেপে ধরে বলে…

রেহান – ভালোবাসা মাই ফুট… তোর এই সব ন্যাকামি ভুলে যা। আজকের পর থেকে আমার সামনে আর কোনো দিনও কোনো ছেলের নাম নিবি না। আর রইলো তোর মনে জায়গা!!!
সেটা না পেলেও আমার কোনো আপত্তি নেই শুধু তোর শরীর পেলেই চলবে। মাইন্ড ইট। (রেগে)

আঁচলের চোখ বেয়ে পানি পড়তে থাকে। তার মানে রেহান ও শুধু তার শরীর চায়? রেহান ও ভালোবাসে নি? একটু আগেও আঁচল ভেবেছিলো রেহানের প্রতিটা স্পর্শ শুধু ভালোবাসার! কিন্তু না।
ভাবতেই আঁচলের গাল বেয়ে কয়েক ফোটা পানি পরে।

রেহান – কাঁদছো কেনো আজিব? যাই হোক.. জানো আঁচল আমার খুব ইচ্ছে ছিলো বিয়ের পর বউ এর সাথে প্রেম করবো, প্রতিদিন রাতে আমার বুকে ঘুমুতে দিবো। এখন তো দেখছি তোমার দ্বারা এসব কিছুই সম্ভব নাহ।

আঁচল অবাক হয়ে যায় রেহানের কথায়। একটু আগেই তো কত কথা বললো। এখন আবার বলছে বুকে ঘুমুতে দিবে। এই লোক টার মাঝে অনেক রহস্য!

রেহান আঁচলকে চুপ থাকতে দেখে আঁচলের দিকে তাকিয়ে দেখে আঁচল এক দৃষ্টিতে রেহানের দিকে তাকিয়ে আছে।
আঁচল কিছুক্ষন আগে রেহানের কাছ থেকে সরতে ছুটাছুটি করায় আঁচলের শরীরের অনেক টা অংশ থেকেই কাপড় সরে গেছে।
আঁচল কে এই অবস্থায় দেখে রেহানকে অদ্ভুত নেশা গ্রাস করে। রেহান নেশাসক্ত দৃষ্টিতে আঁচলের সারা শরীর দেখছে।

আঁচলের সেদিকে কোনো হুশ নেই। সে একদৃষ্টিতে রেহান কে দেখে যাচ্ছে।

রেহান – আঁচল তুমি তো দেখছি আমাকে পাগল করেই ছাড়বে। (নেশা ধরা কন্ঠে)

আঁচল রেহানের কথার কিছুই বুঝতে পারে নি। সে রেহানের চোখের দিকে তাকাতেই দেখে রেহান তাকে ঘোরগালা দৃষ্টিতে দেখছে।

আঁচল নিজের দিকে তাকাতেই চোখ দু’টো বড় বড় হয়ে যায়। আঁচল নিজের শরীর টা শাড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে রেখেছিলো। রেহানের সাথে মুচরামুচরি করে কখন যে শাড়ি সরে গেছে বেচারি টের ও পায়নি।

আঁচল – এই জন্যই খচ্চর টা এভাবে তাকিয়ে আছে… মনে মনে।
আঁচল তারাতারি করে শাড়িটা শরীরে দিতে গেলেই রেহান আটকে ফেলে।

রেহান – আমাকে পাগল করে দিয়ে এখন কি পালানোর ধান্দা করেছো নাকি?

আঁচল – মা…মানে.. (রেহানের কাছ থেকে সরতে সরতে)

রেহান – মানে টা দেখাচ্ছি…. বলেই আঁচল কে এক টানে নিজের কাছে নিয়ে আসে।
রেহান আঁচলের ঠোঁটে চুমু দিতে থাকে। একসময় কামড় দেয়া শুরু করে। আঁচলের শরীর থেকে শাড়িটা সরিয়ে ফেলে।………..
.
.
সকালে..
রেহান এখনো ঘুমাচ্ছে। আঁচলের ঘুম ভেঙে যেতেই দেখে সে রেহানের বুকে।
রেহান তাকে এমন ভাবে জড়িয়ে ধরে আছে আঁচলের ছোটার কোনো উপক্রম নেই।
আঁচল অনেক চেষ্টা করেও রেহানের কাছ থেকে ছুটতে পারছে না।

আঁচল রেহানের দিকে তাকাতেই আঁচলের চোখ আটকে যায়।
রেহান এমনি তেই সুন্দর ঘুমের মধ্যে রেহান কে আরও সুন্দর লাগছে।
আঁচল রেহান কে একদৃষ্টিতে দেখে যাচ্ছে।

এদিকে রেহান ঘুম থেকে উঠে আঁচলের কান্ড দেখে মিটিমিটি হাসছে। সেদিকে আঁচলের হুশ নেই।

রেহান – আমি জানি তোহ আমি সুন্দর। তাই বলে এভাবে তাকিয়ে থাকবে? আমার ওত লজ্জা করে নাকি,,(চোখ মেরে)

আঁচল অসস্থিতে পরে যায় ,,,

আঁচল- সরুন আপনি…. আমি উঠবো।

রেহান – কেনো বউ?

আঁচল – কেনো মানে! আমি কি আপনার সাথে সারা দিন থেকে সিনেমার অভিনয় করবো নাকি?

রেহান – উহুম… রোমান্স করবে। (মুচকি হেসে)

আঁচল – অসহ্য….. বলেই উঠে যেতে নেয়। রেহান আঁচলের হাত ধরে টান দিতেই আঁচল রেহানের বুকে এসে পরে..

চলবে…

#ডেভিল বর
#পর্ব- ৩
#শিফা_আফরিন
.
.
?
রেহান- উহুম… রোমান্স করবে। (মুচকি হেসে)

আঁচল – অসহ্য বলেই চলে যেতে নেয়। রেহান আঁচলের হাত ধরে টান দিতেই আঁচল রেহানের বুকে এসে পড়ে।

রেহান- এতো পালাই পালাই করো কেনো বলো তো? আমার মতো এতো হ্যান্ডসাম বর পেয়েছো.. কোথায় সারা দিন আদরে রাখবে তা না..

আঁচল – শুনুন আপনার বকবকানি শুনার বিন্দু মাত্র আগ্রহ আমার নেই। আমাকে ছাড়ুন প্লিজ।

রেহান – কেনো কোথায় যাবা?

আঁচল – আজিব! আমি শাওয়ার নিবো না?

রেহান – অহহ এই কথা। ভালো এখন যাও শাওয়ার নিতে। পরে আবার নিতে হবে বলে দিলাম তখন কিন্তু আমার উপর রাগ করতে পারবে না বলে দিলাম (চোখ মেরে)

রেহানের কথা শুনে আঁচলের চোখ বড় বড় হয়ে যায়। মনে হচ্ছে এখনি বুঝি চোখ দুইখানা বেরিয়ে আসবে।
(এই অসভ্য বলে কি!! সারা রাত তো ঘুমুতে দেয়ই নি আবার এখন…… নাআআআ আমি তোহ মরেই যাবো মনে হচ্ছে.. মনে মনে)

রেহান – কি হলো বেইবি? কি ভাবছো? দুইবার শাওয়ার নিবে নাকি এখনি…. (মুচকি হেসে)

আঁচল কি বলবে বুঝতে পারছে না। কিন্তু সে এখন কোনো ভাবেই রেহানের চক্করে পরতে চায় না।
(ধুর বাবা এখন বরং শাওয়ার নিতে যাই। পরের টা পরে দেখা যাবে। মনে মনে)

রেহান – বেইবিইইই…. আঁচল কে ঝাকুনি দিয়ে।

আঁচল – হ্যা হ্যা…

রেহান – কি এতো ভাবছো বলো তো?

আঁচল – বলছিলাম যে আমি শাওয়ার নিতে যাবো এখন।

রেহান – তার মানে তুমি দুবার শাওয়ার নিতে চাও তাই তো? (ভ্রু কুচকে)

আঁচল – হ্যা। (দু’বার না ছাই… পরের টা পরে দেখে নিবো। দেখি কিভাবে আমার নাগাল পাও হুহহ। মনে মনে)

রেহান – ঠিক বলছো তো? পরে আমার দুষ দিবে না কিন্তু। (মুচকি হেসে)

আঁচল – ওকে বাবা এখন ছাড়ুন তো।

রেহান – ছাড়তে পারি। তবে একটা শর্তে!

আঁচল – আবার কি শর্ত? আপনার কথা মতো তো দু’বার শাওয়ার নিতে রাজি হয়েছি। (অবাক হয়ে)

রেহান – হ্যা সেটা তো হবেই। কিন্তু এখন আমার মিষ্টি চাই।

আঁচল – কিহহহহ! আপনি ঘুম থেকে উঠে এখনো মুখ ধুতে যাননি আর বলছেন মিষ্টি খাবেন!! এই আপনি কি সকালে মুখ না ধুয়েই খাবার খান নাকি? ইয়াককক ছিহহ।
আপনি দেখছি আস্ত একটা খাটাস।

রেহান আঁচলের কথা শুনে হাসবে না কাঁদবে বুঝতে পারছেনা।

রেহান – এই চুপপপ। কি সব আবল তাবল বকছো? আমি কি ঐ মিষ্টির কথা বলেছি নাকি?

আঁচল – আপনিই তো বললেন।

রেহান – ওকে বুঝেছি মুখে বলে কাজ হবেনা। আমাকেই নিতে হবে।

আঁচল – হ্যা তো আপনিই নিন না। (আমাকে দিয়ে মিষ্টি আনাবে হুহহ.. কাজের মেয়ে নাকি আমি। মনে মনে)

আঁচলের ভাবনায় জল ঢেলে দিয়ে রেহান আঁচলের কোমড় জড়িয়ে ধরে কাছে এনে আঁচলের ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয়।

আঁচল রেহান কে ছাড়াতে ছুটাছুটি শুরু
করে দেয়। রেহান আঁচলে আরও শক্ত করে ধরে চুমু খেতে থাকে।

৫ মিনিট পর রেহান আঁচলকে ছেড়ে দেয়।

রেহান – ব্যাস… আমার মিষ্টি খাওয়া শেষ। এবার তুমি শাওয়ার নিতে যেতে পারো। আর হ্যা সেকেন্ড টাইম শাওয়ার নিতে হবে ভুলো না কিন্তু। (চোখ মেরে)

আঁচল হা করে দাঁড়িয়ে আছে। কি বলছে রেহান। চুমু দিয়ে বলে মিষ্টি খাওয়া শেষ। তার মানে এতো খন ঐ মিষ্টির কথা বলেনি… মনে মনে।

আঁচল রেগে ওয়াশরুমে ঢুকে পরে। রেহান আঁচলের রাগ দেখে হাসতে হাসতে শেষ।

অনেক খন হয়ে গেলো আঁচলের বেরুনোর নাম গন্ধও নেই। রেহান আঁচলের জন্য ওয়েট করতে করতে হাঁপিয়ে যায়।

রেহান – এই মেয়েটা কি আজ ওয়াশরুমে থাকবে বলে ডিসাইড করলো নাকি। এতো খন লাগে ওর শাওয়ার নিতে। (রেগে)

রেহান আঁচলকে ডাকতে শুরু করে….

রেহান – আঁচল… এই আঁচল…. হলো তোমার? এতো খন ধরে কেও শাওয়ার নেয়? ঠান্ডা লেগে যাবে তো।

আঁচলের কোনো রেসপন্স নেই। রেহানের রাগ টা আরও বেরে যায়।

রেহান – আঁচল তুমি যদি এখনি না বের হও আমি কিন্তু দরজা ভেঙে ফেলবো। (দাঁতে দাঁত চেপে)

রেহান আবার আঁচলকে ডাক দিতে নিলেই দরজা খুলে যায়।
রেহান সামনে থাকা আঁচলকে দেখে থমকে যায়।
খয়েরী রং এর জামদানি শাড়ি, ভেজা চুল গুলো কোমড় অব্দি ছাড়া, শাড়ি টা পাতলা হওয়ায় আঁচলের পেট টা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে রেহান।

রেহানের কেমন জেনো ঘোর লেগে যাচ্ছে। সে আঁচলের মাথা থেকে পা পর্যন্ত পর্যবেক্ষন করে যাচ্ছে।

আঁচল রেহান কে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে ভয়ে ঢোক গিলে।

আঁচল – (এই লুচু ব্যাটা এমন ভাবে তাকিয়ে আছে কেনো? ও কি আবার কিছু করার প্লান করছে নাকি? না বাবা এই লুচু কে বিশ্বাস করা যায় না। আমি বরং কেটে পরি এখান থেকে। মনে মনে)

আঁচল রেহানের কাছ থেকে চলে যেতে নিলেই রেহান আঁচলের হাত ধরে আটকে ফেলে।

আঁচল – এই রে যা ভেবেছিলাম ঠিক তাই হলো।

রেহান আঁচলের হাত ধরে আঁচলকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে..

রেহান – কোথায় পালাচ্ছো তুমি?

আঁচল – মা.. মানে?

রেহান আঁচলের গলায় মুখ গুঁজে ঘোর লাগা কন্ঠে বলে…..

রেহান – আমাকে পাগল করে দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছো? তা তো হতে দিবো না।

আঁচল যেনো বরফ হয়ে যাচ্ছে রেহানের এতোটা কাছে আসায়।

আঁচল – আমার ক্ষিধে পেয়েছে। প্লিজ আমায় নিচে যেতে দিন। (কাঁপা কন্ঠে)

আঁচলের এমন কাঁপা কন্ঠে রেহানের নেশা টা আরও বেরে যায়।

রেহান – উহুম…. আগে আমাকে খেতে দাও। (ফিসফিস করে)

আঁচল – খাবেন তো ভালো কথা। যান ফ্রেশ হয়ে নিচে যান।

রেহান – খাবো তো তোমার দেয়া মিষ্টি বেইবি।(মুচকি হেসে)

রেহানের কথা শুনে আঁচলের বুঝতে বাকি রইলো না যে সে কি চাচ্ছে।

আঁচল – দেখুন কোনো অসভ্যতামি করবেন না। আমাকে নিচে যেতে দিন প্লিজ।

রেহান আঁচলের কথা কানে না নিয়ে এক হাতে আঁচলের কোমড় ধরে নিজের সাথে মিশিয়ে নেয়। আরেক হাতে আঁচলের ঠোঁটে স্লাইভ করতে থাকে।

চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ