Saturday, June 6, 2026







ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল পর্ব_২৪

ঝরে_যাওয়া_বেলীফুল
পর্ব_২৪
লেখিকা : আফরোজা আক্তার

বেলীর চাওয়া জিনিস গুলো বড় অদ্ভুত লাগছিল ইরফানের কাছে । ইরফান ভেবেই পাচ্ছিলো না বেলী কেন এইসব চেয়ে বসলো । আবার পরে ভাবে দেখে সবারই তো পছন্দের রঙ আছে । হয়তো বেলীরও পছন্দের রঙ সাদা । আর নিজের নাম বেলী তাই হয়তো ফুলের মাঝে বেলীফুলটাই তার বেশি পছন্দের । কিন্তু পরক্ষনেই তার আবার মন অন্য কিছু ভাবতে থাকে । বেলীর কাছে যাওয়াটা , বেলীকে খুব কাছ থেকে ছোয়া , বেলীর চুপচাপ থাকাটা বড্ড বেশি তাকে টানে । এ যেনো এক ধরনের অন্যরকম টান । বেলীর মায়াভরা চাহনিটা তাকে বার বার ঘায়েল করে দিচ্ছে । মন চায় বেলীকে ঘিরেই থাকতে সারাক্ষণ । ইরফানের সারারাত কেটে যায় বেলীকে ভেবে ভেবে ।

সকালের দিকে ইরফান অফিস যাওয়ার আগে বেলীর সাথে দেখা করার জন্যে তার রুমে যায় । বেলী তখন জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে । আকাশের বুকে হাজারো সাদা মেঘের ছোটাছুটি দেখে নিজের ঠোঁটের কোণায় এক টুকরো মিষ্টি হাসি আসে তার । মাঝে মাঝে এই অকারণের হাসি গুলোও তার ভালো লাগে অনেক । ইরফান পিছন থেকে বেলীর আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকাটা দেখছিল । বেলী বড্ড উদাসীন থাকে । ইরফান নিজের মনে মনে ভাবে , কাল তো শুক্রবার অফডে । বেলীকে নিয়ে বের হবে কাল সে । এতে বেলীর মন মানষিকতাও ঠিক হবে কিছুটা । তারপর কি যেনো ভেবে বেলীকে কিছু না বলেই চলে গেলো সে । বেলীর রুম থেকে বেরিয়ে অফিস চলে যায় সে ।

অন্যদিকে , বেলী আকাশের দিকে তাকিয়ে আকাশের রঙ বদল দেখছিল । সবার থেকে হয়তো ওই আকাশটাই ভালো আছে । আকাশ সবার জন্যে ভাবে । আকাশের মনটা বড্ড বেশি বিশাল । সে তার এক বক্ষে কত কিছু ধারণ করে রেখেছে । এক বুকেই সূর্য , এক বুকে চন্দ্র , আবার এক গ্রুপেই গ্রহ নক্ষত্র । আর যখন মন খারাপ থাকে তখন নিজে কেঁদে অন্যদের সুখ দেয় । সব মিলিয়ে দিন শেষে আকাশটাই হয়তো অনেক বেশি ভালো থাকে । হঠাৎ করেই চারপাশ থেকে একটা ঘ্রাণ আসতে থাকে । ঘ্রাণটা বেলীর নাকে আসতেই এক অন্যরকম অনুভূতি জাগে তার মনে । বেলী চারপাশে খুজেও ঘ্রাণের সন্ধ্যান পায় না । ঘ্রানটার পরিধি এতই প্রখর ছিল যে নাক থেকে সরছেই না । বেলী ড্রইংরুমে এসে দেখে ড্রইংরুমেও ঘ্রাণটা । পুরো বাসা মনে হচ্ছিলো ঘ্রাণে মম করছে । সে মিনুকে ডেকে দেয় ,

– মিনু,,,,,,,,,,,,?
– জ্বে ভাবী ,
– মিনু , ঘ্রাণ পাচ্ছো ?
– কই , কিয়ের ঘেরান আবার ?
– হ্যাঁ , একটা ঘ্রাণ আসছে , আমি পাচ্ছি তো ।
– কি জানি ভাবী আমি তো পাই না , তয় আমার আবার নাক বন্ধ , এল্লাই মনে হয় আমি পাই না ।
– তোমার ভাই কি চলে গেছে ?
– হ , গেছে গা । ভাবী দুফুরে কি রানবেন কইয়া দেন , আমি ব্যবস্থা করি ।
– আমিই আসতেছি তুমি বরং প্লেটবাটি ধুয়ে দাও ।
– আইচ্ছা ভাবী ,
– হু ,

মিনু চলে যাওয়ার পর বেলী একবার ইরফানের রুমে যায় । ঘ্রাণটা সেইখান থেকেই আসছিল । রুমের মধ্যে ঢুকে এদিক ওদিক তাকায় বেলী । ইরফানের রুমের ড্রেসিং টেবিলের উপর রাখা পারফিউম এর বোতলের দিকে বেলীর নজর যায় । বেলী তখন পারফিউম এর বোতল থেকে নিজের হাতে একটু পারফিউম মেখে নাকের কাছে নেয় । হ্যাঁ এটা সেই ঘ্রাণটা যা এতক্ষন বেলীর নাকে লাগছিল । তার মানে এটা ইরফান দিয়ে গেছে ।
তার পর পরই তার মাথায় আসে এই ঘ্রাণ তাহলে তার রুমে গেল কিভাবে । বেলী নিজে নিজেই বলতে থাকে ,

– তার মানে কি তিনি আমার রুমে গেছিলেন ? গিয়ে থাকলে কথা বললেন না কেন ? আর কখন গেল আমি যে দেখলাম না ?

এইসব ভেবে ভেবে বেলীর মনটা উদ্বিগ্ন হয়ে যায় । তার মনটা এখন এই মুহুর্তে ইরফানের সাথে কথা বলতে চাইছে । ইরফানের গলার স্বরটা একবার নিজ কানে শুনতে খুব ইচ্ছে হচ্ছে তার । তার অন্তরটা একবার হলেও এই মুহুর্তে ইরফানের সাথে কথা বলতে চাইছে । কিন্তু কথা কিভাবে বলবে তার কাছে তো ফোন নেই । আর ইরফানের নাম্বারও তো জানা নেই তার । কিন্তু সব কিছুর কথা বাদ দিয়েও তার এখন ইরফানের সাথে কথা বলতে মন চাইছে ।

হঠাৎ করেই কোথাও থেকে একটা মোবাইলের আওয়াজ বেলীর কানে আসতে থাকে । রুমের এদিক সেদিক বেলী তার নজর ঘুরায় । কিন্তু কোথাও মোবাইল দেখতে পায় না সে । তাই মোবাইল খুজতে ড্রইংরুমে যায় সে । বেলী চারদিকে চোখ ঘুরাচ্ছে কিন্তু কিছুই দেখতে পাচ্ছে না । মিনুও মোবাইলের আওয়াজ পেয়ে রান্নাঘর থেকে চলে আসে ।

– ভাবী , মোবাইলের আওয়াজ আইয়ে কইত্তে ?
– বুঝতেছিনা তো ,
– ভাইয়ে কি মোবাইল রাইখা গেছে নাকি ?
– কি জানি হতেও পারে কিন্তু মোবাইলটাই তো দেখছি না ।
– ও ভাবী ,
– হু বলো ,
– মোবাইলের আওয়াজ দেহি আপনের রুমেরতে আইয়ে ।
– কি বলছো ?
– হ ভাবী , কান পাতেন , তাইলেই বুঝবার পারবেন ।

মিনুর কথায় কিছুক্ষন চুপ থাকার পর বেলী বুঝতে পারে মোবাইলের আওয়াজ তার ঘর থেকেই আসছে । তাড়াতাড়ি দৌড়ে নিজের ঘরে যায় সে , মিনুও তার পিছন পিছন যায় । সেখানে আশেপাশে তাকানোর পর ড্রেসিং টেবিলের এক কোণায় সাদা কাগজে মোড়া একটা ছোট প্যাকেট দেখতে পায় তারা ।

– ভাবী এইডার থিকাই আওয়াজ আইতাছে , খুইলা দেহেন তো ।

বেলী তখন কাগজে মোড়ানো প্যাকেট টা খুলে । আর খুলেই চরমভাবে অবাক হয় সে , সাথে মিনুও । একটা মোবাইল আর যার ফোন বাজছে তার নাম টাও সেভ করা আছে । বেলী মোবাইলের স্ক্রিনে ইরফান নামটা অতি সহজেই ধরে ফেলে ।

– ও মাগো মা , ভাইয়ের মোবাইল এইদিকে নি থুইয়া গেছে ।

কিন্তু বেলী জানে যে এটা ইরফানের মোবাইল না । সে ইরফানের মোবাইল দেখেছে আর এই মোবাইলটা ইরফানের মোবাইল না । এটা একদম নতুন , বেলী মিনুকে রান্নাঘরে পাঠিয়ে দেয় । তখন দরজাটা হালকা টেনে দিয়ে সে মোবাইলটা রিসিভ করে । বেলীর পড়াশোনা যদিও কম কিন্তু সে একেবারেই মূর্খ নয় যে ফোন রিসিভ করতে পারবে না । আর ইংলিশ মোটামুটি যা পারে তা যথেষ্ট তার জন্যে । তাই ইরফানের নামটা ধরতে তার সময় বেশি লাগে নি । মোবাইলে তখনও রিং হচ্ছে । বেলী ফোন রিসিভ করে নেয় ।

– আসসালামু আলাইকুম ,
– ওয়ালাইকুম আসসালাম , অবশেষে খুজে পেয়েছো ?
– হু ,
– এইজন্যই আমি বার বার ফোন দিচ্ছিলাম যাতে আওয়াজ পেয়ে অন্তত খুজে পাও ফোনটা ।
– হু পাইছি , কিন্তু এইটা কার ফোন আর এই রুমে এইভাবে রেখে গেছেন যে ?
– ফোনটা তোমার জন্যে , গতকাল রাতেই কিনেছিলাম আজ দিলাম । সব কিছু সেভ করা আছে । এখন যখন ইচ্ছে তোমার মায়ের সাথে কথা বলতে পারবে ।
– এইটা আমার ফোন ?
– হু ,
– আমার রুমে এসে আমার সাথে দেখা না করে চলে গেলেন সে ?
– ওইটা তো তোমার রুম যেদিন থেকে ওইটা আমাদের রুম হবে সেইদিন থেকে আমি তোমার সামনে থেকেই বিদায় নিবো ।

ইরফানের কথার ধাচ বুঝতে বেলীর সময় লাগে নি । সে বুঝে যায় ইরফান কি বোঝাতে চেয়েছে তাকে । তবে বেলী আর সেই কথা না বাড়িয়ে ইরফানকে আবারও সাদা শাড়ি আর বেলীফুলের মালার কথা মনে করিয়ে দেয় ।

– আজকে আসার সময় নিয়ে আসবেন তো ?
– কি ?
– সাদা শাড়ি আর বেলীফুলের মালা ।
– আচ্ছা নিয়ে আসবো ।
– কি করেন এখন ?
– এইতো কেবিনেই বসে আছি ।
– ওহ ,
– আমায় এত ভালোবাসো অথচ কাছে আসতে দেও না কেন বেলী ?

ইরফানের কথায় বেলী একদম চুপ হয়ে যায় । কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে লাইন কেটে দেয় । ইরফান বুঝে যায় তার কথার জন্যে বেলী লাইন কেটে দিছে । ইরফান আবারও ফোন দেয় । এইবারও ফোন রিসিভ করে সে ।

– ফোন কেটে দিয়ে কি হলো ?
– কিছু না ,
– বেলীফুলকে ভালোবাসার মাঝে আলাদা মজা আছে । এর কারণ কি জানো ?
– কি ?
বেলীর ঘ্রাণে মাতাল হয়ে গিয়ে
সেই মাতালের মাঝে নিজেকে
বিলীন করে তোমায় আঁকড়ে ধরে
নিজের শরীরের ছাপ ফেলে দিবো

এর মাঝে অন্যরকম মজা আছে কিন্তু । এইবার বেলীর লজ্জা আরও দ্বিগুণ বেড়ে যায় ।

– এইসব কঠিন শব্দ আমি বুঝি না আল্লাহ হাফেজ ।

এটা বলেই লাইন কেটে দেয় বেলী । ইরফানের রোমান্টিক কথাগুলো তার উপর প্রভাব ফেলে দিচ্ছিল তাই সে লাইন কেটে দেয় ।
আর অন্যদিকে বেলীর কথা ভেবেই ইরফান মুচকি হাসি দেয় ।

সারাদিন পরে সন্ধ্যার কিছুক্ষণ পর ইরফান বাসায় আসে । এখনও সে আলাদা রুমেই থাকে । বেলীর কাছে যেতে অনেক ইচ্ছে করে তার কিন্তু বেলী রেসপন্স করে না তাই আর যেতে ততটা ভালো লাগে না । অফিস থেকে আসার সময় বেলীর জন্যে সাদা শাড়ি কিনে আনে ইরফান । সেই শাড়িটা দিতেই কেবল বেলীর রুমে যায় সে ।

– বেলী,,,,,,,,,,,,?
– জ্বি ,
– এই নাও তোমার শাড়ি ,
– আর মালা ?
– সেটা কাল এনে দিবো ,
– ওহ ,

বেলী ইরফানের সামনেই শাড়ির প্যাকেটটা ড্রয়ারে দেখে দেয় ।

– খুলে দেখলে না ?
– উহু , তার দরকার পড়বে না ।
– তোমার না-ও পছন্দ হতে পারে ।
– আপনি এনেছেন তো , শাড়িটা বেশ সুন্দরই হবে ।
– কাল শাড়িটা পরবে ?
– কাল ?
– হু , কাল বিকেলে তোমায় নিয়ে বের হবো ।

কিন্তু বেলী যে ভেবেছিল শাড়িটা আজকে পরবে সে । আর এখন ইরফান চাইছে কাল পরতে । বেলীও না ভেবে বলে দিয়েছে ,

– আচ্ছা কাল পরবো ।
– বের হওয়ার আগে তোমার বেলীফুলের মালা পেয়ে যাবে তুমি ।
– আচ্ছা ।

ইরফান বের হতে নিলে বেলী আবার ডেকে দেয় তাকে ,

– কোথায় যান ?
– রুমে , চেঞ্জ করবো ।
– এখানেই করে নেন ?
– জামা কাপড় ওই রুমে ,
– জামা কাপড় সব এখানেই রাখা আছে ,
– মানে ?
– মানে আজ থেকে এটা আমাদের রুম ।

এটা বলে বেলী রুম থেকে বের হতে নেয় আর ওমনি ইরফান বেলীর হাতটা ধরে নেয় । তারপর একদম নিজের কাছে নিয়ে আসে সে বেলীকে । নিজের বুকের সাথে মিশিয়ে ধরে বেলীকে ইরফান । বেলীকে তখন অনেকটা পুতুলের মত লাগছিল । মাথায় ওড়নাটা দুই পেচ করে পরা তার ।

– এইদিকে তাকাও আমার দিকে ,,,

ইরফানের কথায় মাথা তুলে তাকায় বেলী । ইরফানকে বেশ সুন্দর লাগছিল । একদম সুদর্শন পুরুষের মত । বেলীর চোখে ঘোর লেগে যায় । বেলীর চোখের ভাষার মাঝে হারিয়ে যায় ইরফানের দৃষ্টি ।
নিরবতা ভেঙে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বেলীকে প্রশ্ন করে সে ,

– আমাদের রুম মানে ?
– হ্যাঁ , এটা আজ থেকে আমাদের রুম । এই রুমে আজ থেকে আমি আর আপনি এক সাথে থাকবো ।
– ভেবে বলছো তো ?
– হু ,
– সহ্য করতে পারবে তো ?
– কি ?
– আমার ভালোবাসার যন্ত্রণা গুলো সহ্য করতে পারবে ?
– আপনার মা’রের যন্ত্রণা গুলো সহ্য করে গেলাম তো , এখন না হয় এই যন্ত্রণাটাও সহ্য করে দেখি ।
– এই যন্ত্রণার ব্যাথা আরও প্রখর , ভেবে দেখো আরেকবার ।
– ভাবা শেষ , এখন শুধু,,,,,,,,,,
– কি ?
– ধরা দেবার পালা ।

বেলীর কথায় ইরফানের পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায় মনে হচ্ছিল । ইরফানের মাথায় তখন অন্য কিছুই আসে নি । বেলীর দু’গালে ইরফান তার দু’হাত দিয়ে ধরে বেলীর আরও কাছে চলে যায় । ঠিক তখনই বেলী আবার সেই ঘ্রাণটা পায় । যা ইরফানের শার্ট থেকে আসছিল । ঘ্রাণটার মাদকতা এতই তীব্র ছিল যে , বেলীর ভেতরের সব কিছু নড়বড়ে করে দিচ্ছে । বেলীর চিকন ঠোঁট জোড়ার দিকে এগিয়ে যাওয়া ইরফান তখন যেন সব কিছু ভুলে গেছে । দু’জোড়া ঠোঁটের মাঝে হয়তো সর্বোচ্চ এক ইঞ্চি ফারাক ছিল । আর ঠিক তখনই ,

– ভাবীইইইই , ও ভাবীইইইই , আইজ্জা কি রুমের ভিত্রেই থাকবেন নি । মাগো মা , ভাইয়ের লাই কফি বানাইতেন না ?

মিনুর এমন চিল্লানিতে বেলী আর ইরফান উভয়েরই হুশ আসে । বেলী তখনই ইরফান থেকে একটু সরে আসে ,

– আপনি হাত মুখ ধুয়ে নেন , আমি কফি বানিয়ে আনছি ।
– ভয়ে দূরে সরে যাচ্ছো ?
– উহু ভালোবাসার মাঝে আরও শক্ত করে আঁকড়ে ধরার জন্য এই সরে যাওয়া । আর হ্যাঁ পারফিউমের ঘ্রাণটা অনেক সুন্দর , অনেক বেশিই সুন্দর ।

বেলী এইটা বলেই রুম থেকে বের হয়ে যায় । এর ইরফান তখন সেখানেই দাঁড়িয়ে মুচকি হেসে দেয় ।

– ভিষণ প্রেম প্রেম পাচ্ছে রে বেলী ,
ভিষণ প্রেম প্রেম পাচ্ছে আমার । প্রেম করতে ইচ্ছে হয় তোর সাথে । বেলীফুলের সাথে নতুন প্রেমের অধ্যায় টা এইবার না হয়ে যাক

.
.

চলবে,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ