Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"ভদ্র স্যার রাগী বরভদ্র স্যার♥রাগী বর-পর্ব ১৩

ভদ্র স্যার♥রাগী বর-পর্ব ১৩

#ভদ্র স্যার♥রাগী বর-১৩
Writer: ইশরাত জাহান সুপ্তি

একদিন সকালে শুভ্র স্যার আর আমি আবার জগিংয়ে গেলাম।দৌড়াতে দৌড়াতে আমি ক্লান্ত।
তাছাড়াও আজ একটু বেশিই গরম পড়েছে।ঘাম ঝরছে মুখ থেকে।
আমি থেমে কোমড়ে হাত দিয়ে হাপাতে লাগলাম।
স্যার পাশ থেকে তার রুমাল দিয়ে আমার মুখের ঘাম মুছে দিতে লাগল।
আমি তার দিকে তাকালাম আর সাথে সাথে
দুজনেই একটা লাজুক হাসি দিলাম।
কারণ আমাদের দুজনেরই সেই মূহুর্তের কথা মনে আসছে যখন আমি একদিন স্যারের ঘাম মুছে দিয়েছিলাম ওড়না দিয়ে। 

বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে সবাই নাস্তার টেবিলে গেলাম।আমি মাকে সাহায্য করছি।সবাই খেতে বসে পড়েছে।ডাল ভুনা আনা হয় নি তাই আমি উঠে আবার আনতে গেলাম।
কিন্তু আনার সময় ভুলবশত ডালের চামিচটা নিচে পড়ে গেল আর খানিকটা ডালও ছিটিয়ে পড়েছে স্যারের ফুফুর পায়ের কাছে।
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



আমি তাড়াতাড়ি মাফ চেতে নিলাম কিন্তু তার আগেই ফুফু চেঁচিয়ে উঠলো,একটি সামান্য চামচ টাও সামলাতে পারে না এই মেয়ে সংসার সামলাবে কিভাবে?
আমার শ্বাশুড়ি মা তাড়াতাড়ি বলে উঠল,আপা ভুল করে পরে গেছে।
ফুফু আবার চেঁচিয়ে বলা শুরু করল,শ্বশুর শ্বাশুরীর সামনে ভুল হবে কেন!চামচ টা পড়ে কিভাবে শুনি।বেশি লাই দিয়েছো বলেই এমন ভুল করার সাহস পায়।আমার বাড়ি গিয়ে দেখো ছেলের বউকে কিভাবে টাইট দিতে হয়।
আমার হাত পা কাপঁতে লাগল।তার কথা শুনে।এভাবে কখনো কেউ আমাকে বলে নি।চোখ ভরে উঠছে পানিতে।
আর ফুফু বলেই যাচ্ছে,এই মেয়ে পারে টা কি শুনি?
সেদিন যে পায়েসের এত গুনগান হলো সেই পায়েস এই মেয়ে শুভ্রকে দিয়ে রাঁধিয়েছে।আমাকে তোমাদের কাজের বুয়া বলেছে।
ছি!ছি!শুভ্র তোকেও বলি,লজ্জা করে না বউর কাজ করে দিস।পুরুষ মানুষ হয়ে রান্নাঘরে ঢুকোস।আর আমার ছেলেকে দেখ পানির গ্লাসটাও তুলে খেতে হয় না।
স্যার চুপচাপ বসে তীক্ষ্ণ চোখে ফুফুর দিকে তাকিয়ে আছে।
এবার ফুফু মার দিকে তাকিয়ে আবার বলতে লাগল,এত সুন্দর দুধে আলতা গায়ের রং ছেলের জন্য কোথায় তার থেকেও বেশি ফর্সা বউ আনবে তা না শ্যামলা রঙের মেয়ে নিয়ে এসেছো তা চেহারা যতই ভালো হোক গায়ের রং তো ফকফকা হতে হবে।

আমার চোখ দিয়ে এবার পানি বেড়িয়ে গেল।
তখনই স্যার উঠে দাড়িয়ে রেগে তার হাতের কাঁচের গ্লাসটা জোরে ফ্লোরে ছুড়ে মারল।ভাঙা কাঁচের শব্দে সবাই স্যারের দিকে তাকাল।
স্যার রাগটাকে চেপে শান্ত ভাবে বলল,দেখো ফুফু আমার হাত থেকে একটা কাঁচের গ্লাস পড়ে ভেঙে গেল এখন আমাকে এর জন্য কি করবে কারণ সুপ্তির হাত থেকে সামান্য একটা চামচ পড়ে যাওয়ার জন্য তুমি যা করলে তাতে তো আমাকে তোমার ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেওয়ার কথা।
কিন্তু আমাকে তুমি কিছু বলবে না,কেনো! কারণ আমি এই বাড়ির ছেলে বলে আর সুপ্তি বউ বলে ও একটা সামান্য ভুলও করতে পারবে না।
কেনো?আমাকে একটু বোঝাও তো।
আর কি যেন বললে,আমার লজ্জা পাওয়া উচিত…পুরুষ মানুষ হয়ে রান্নাঘরে যাই…।
স্ত্রীর কাজে সাহায্য করায় লজ্জা না,লজ্জা সেসব পুরুষদের পাওয়া উচিত যারা স্ত্রীর কাজে সাহায্য করে না।
একচুয়েলি,তারা পুরুষই না তারা কাপুরুষ। যেমন তোমার ছেলে।আর আমি বিয়ে করেছি একজন জীবন সঙ্গিনী পাওয়ার জন্য, কোনো শোপিজের জন্য না, যে তাকে ধবধবা ফকফকা হতে হবে।আমার জন্য আমার স্ত্রী এই পৃথিবীর সবথেকে সুন্দরী নারী যার জন্য আমি সামান্য সাহায্য করা কি,চাইলে সারা জীবন বসিয়েও খাওয়াতে পারি।

তারপর রেগে গিয়ে হাত মুঠি করে টেবিলে বাড়ি দিয়ে বলল,সুপ্তিকে আমি বিয়ে করে এই বাড়িতে নিয়ে এসেছি।এই বাড়ি ততটাই ওর যতটা আমার।আমার বউয়ের সম্মান আমার সম্মান আর শুভ্র আহমেদকে যে অপমান করবে তাকে সে ছেড়ে কথা বলবে না।বলেই চেয়ার হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে হনহন করে অফিসে চলে গেল।

ফুফু তো হা হয়ে গেছে কিছুই মনে হয় বুঝতে পারছে না।সামিয়া তার দিকে তাকিয়ে মুখ টিপে টিপে হাসছে।আমার শ্বশুর শ্বাশুরীর মুখেও গর্বের হাসি।আর আমার চোখ দিয়ে এখনো পানি পড়ছে
তবে এই অশ্রু খুশির।আজ সে আবার আমার মন ছুঁয়ে দিল সেই প্রথম দিনের মতো।

বিকেলে ছাদের দোলনায় বসে স্যারের বলা
কথাগুলো ভাবছি।অদ্ভুত এক ভালো লাগা কাজ করছে।স্যারের ফুফু একটু আগেই চলে গেছে মুখ ফুলিয়ে কেউই তাকে আটকানোর চেষ্টা করে নি।
তবুও আমি আটকাতে গিয়েছিলাম ফুফু আমার দিকে তাকিয়ে কিছু না বলেই যেতে থাকে আরেকবার আটকাতে যাব কিন্তু সামিয়া আমার হাত ধরে আটকিয়ে রাখে।
স্যার আজ খুব রেগে গিয়েছিল।সকালের নাস্তাটাও করে নি আর আমি নিশ্চিত দুপুরেও কিছু খায় নি।স্যারের মাথা ঠান্ডা করার আমার মাথায় একটা আইডিয়া আসলো।

স্যার বাসায় আসলো রাত নয় টা বাজে।দেখেই বুঝা যাচ্ছে এখনো মেজাজ খারাপ আর খাবারও খায় নি।সে ফ্রেস হয়ে বের হতেই আমি তার হাত টেনে তাকে ছাদে নিয়ে আসলাম।
স্যার বারবার বলছিল তার ভালো লাগছে না ছাদে কেনো নিয়ে যাচ্ছি?কিন্তু ছাদে এসেই চুপ হয়ে গেল।কারণ আকাশে বিশাল বড় একটা চাঁদ উঠেছে।তার আলোয় সবকিছু খুব সুন্দর লাগছে।
আমি গিয়ে ছাদের সুইমিংপুলে পা ডুবিয়ে বসলাম তারপর স্যারকেও ইশারা করলাম এসে বসার জন্য।স্যার কোমড়ে দু হাত দিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে একটি মুচকি হাসি দিয়ে ঠিক আমার পাশে এসে বসলো পা ডুবিয়ে।
চাঁদের বিশাল প্রতিবিম্ব সুইমিংপুলের পানিতে পড়েছে।ঠান্ডা পানিতে আমরা পা ডুবিয়ে বসে আছি।ছাদের খোলা বাতাসে আমাদের চুল উড়তে লাগল।

কিছুক্ষণ পর আমি স্যারকে জিগ্যসা করলাম, আজকে আপনি সারাদিন কিছু খান নি তাই না।
আমার কথা শুনে স্যার আবার গম্ভীর হয়ে গিয়ে অন্য দিকে তাকলো।আর আমি স্যারের মুখের সামনে তুলে ধরলাম এক বাটি নুডুলস।
স্যারের বাটির দিকে নজর যেতেই আবেগী চোখে আমার দিকে তাকালো।আমি চোখ দিয়ে ধরার ইশারা করতেই স্যার বাটি হাতে নিয়ে খুশিতে আপ্লুত হয়ে গেল।
তারপর ডান হাতে বাটি ধরে বাম হাত দিয়ে আমার একটি হাত তার কোলে টেনে বলল,জানো সুপ্তি তোমার এই নুডুলস আমি কত মিস করেছি।
সেদিনের পর থেকে আমি আর কারোর হাতের নুডুলস খাই নি।নুডুলস দেখলেই আমার শুধু তোমার কথা মনে পড়ত।
আমি তাকে বললাম,এখন কি শুধু কথাই বলবেন নাকি খাবেনও।স্যার একটা মিষ্টি দিয়ে আমার হাতে বাটি দিয়ে বলল, তুমি খাইয়ে দাও না।
আমিও একটা লাজুক হাসি দিয়ে স্যারকে খাইয়ে দিতে লাগলাম।আর স্যার আমার দিকে তাকিয়ে রইল।খাওয়ার মাঝখানে আমি তার মুখের সামনে নুডুলস সহ চামচ নিতেই স্যার আমার হাত খপ করে ধরে ঘুড়িয়ে আমার মুখে খাইয়ে দিল।এভাবে চলতে লাগল আমাদের নুডুলস খাওয়া।

খাওয়া শেষে আমি বাটি টা সাইডে রাখতে নিলাম আর স্যার আমার ওড়না দিয়ে মুখ মুছতে লাগল।
আমি ঘুড়ে অবাক চোকে তাকাতেই আমার দিকে ভুরু নাচিয়ে ইশারা করল কি? তারপর মুচকি হেসে অন্য দিকে তাকাল।

আমরা অনেকক্ষণ গল্প করলাম।হঠাৎ স্যার আমার কাঁধে মাথা রাখল।আমি সাথে সাথে কেঁপে উঠলাম।কিছুক্ষণ পর স্যার আমার একটি হাত তার হাতের মুঠিতে নিয়ে বলল,জানো সুপ্তি,আমার না চাঁদ খুব ভালো লাগে।আগে প্রতিদিন চাঁদ উঠলে আমি একবার না একবার ছাদে এসে দেখতামই।
আমি বললাম,এখন প্রতিদিন দেখেন না?
স্যার মাথা তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বলল,না। এখন আমার কাছে এর থেকেও সুন্দর চাঁদ আছে।যাকে আমি প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর পর  মন ভরে দেখি।
আমি লজ্জা পেয়ে তার চোখের দিকে তাকাতেই আটকে গেলাম।খোলা আকাশের নিচে জ্যোৎস্না রাতে শীতল হাওয়ায় আবারো আমাদের চোখে চোখে যেন কথা হতে লাগল।কোনো এক অব্যক্ত কথা।।।

একদিন বিকেলে আমার বড় বোনের মেয়ে  আসলো।এইবার তিন বছরে পড়েছে।অনেক কিউট।কেমন ভাঙা ভাঙা কথা বলে।খালামণি খালামণি করে নাকি পাগল হয়ে যাচ্ছিল তাই ভাইয়া নিয়ে এসেছে।
কিন্তু এখানে এসে সে খালুর জন্যই বেশি পাগল হয়ে গেছে খালামণির কথা আর মনে নেই।আর শুভ্র স্যারও একদম যেন মিশে গেছে ওর সাথে খেলায়।এত এত আদর করছে।স্যারও খুব খুশি ওকে পেয়ে।
স্যার যে এত বাচ্চা পছন্দ করে তা তো আমি জানতামই না।

আমি হলের সোফায় বসে বসে দূর থেকে তাদের খেলা দেখছিলাম।এমন সময় আমার শ্বাশুরী মা এসে আমার পাশে বসে শুভ্র স্যারের দিকে দেখিয়ে বলল,এই শুভ্রটা না বাচ্চা দেখলে একেবারে পাগল হয়ে যায়।খুব পছন্দ করে বাচ্চা পোলাপান।
তারপর আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল,বউ মা,এবার আমার শুভ্রকে ওর নিজের একটা বাচ্চা এনে দাও।আমরাও এখন নাতি নাতনির মুখ দেখি।
মার কথা শুনে আমি বেশ লজ্জা পেলাম।স্যারও তখন এখানেই আসছিলো।মার শেষের কথাগুলো শুনে আমার সাথে চোখে চোখ পড়তেই সেও লজ্জা পেয়ে আর আগালো না, চলে গেল।

স্যার সেদিনের পর থেকে কয়দিন পরপরই বায়না ধরে আমার হাতের নুডুলস খাওয়ার।যখন তখন বলবে,সুপ্তি নুডুলস বানিয়ে নিয়ে এসো না,প্লিজ।আমার আর কি করার! আমাকেও বানিয়ে আনতে হয়।কিন্তু এখন অ্যাডভান্স যোগ হয়েছে,
আমাকে খাইয়েও দিতে হয়।

স্যার আমাকে একটি কমলার খোসা ছাড়িয়ে দিতে বলে বিছানায় হেলান দিয়ে ফোন টিপছিলো।
আমার একটু দুষ্টুমি করতে মন চাইলো।আমি চুপিচুপি তার চোখের সামনে একটি কমলা ধরে রস ছিটিয়ে দিলাম।
স্যার ধরফরিয়ে বসে পড়ে হাত দিয়ে চোখ কচলাতে লাগল আর আমি হাসতে হাসতে পালানোর জন্য এক পা বাড়াতেই পেছন থেকে হাতে একটা হেচকা টান অনুভব করে গিয়ে পড়লাম স্যারের উপর।
আমি উঠার চেষ্টা করছি কিন্তু স্যারও শয়তানি হাসি দিয়ে আমাকে হাত দিয়ে শক্ত করে আকড়ে ধরে ঘুরে তার নিচে আমাকে ফেলে আমার হাত বিছানার সাথে চেপে ধরল।আমি ছোটার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি।আর স্যার আমাকে দেখে যাচ্ছে একদৃষ্টিতে।

আর আমি বলছি,আর করবো না।এই কানে ধরছি।প্লিজ ছাড়ুন,আমি ভর্তা হয়ে গেলাম।
নাহ্! আমার কোনো কথা মনে হয় তার কানে ঢুকছে না।কিরে বাবা!চোখ খুলেই ঘুমিয়ে গেলো না তো।

স্যার এবার আস্তে আস্তে তার মুখ আমার খোলা চুলের কাছে এনে ঘ্রাণ নিতে লাগল।
আমার বুকের ভেতর যেন কেউ হাতুরি দিয়ে পেটাচ্ছে।ধ্বক ধ্বক করেই যাচ্ছে।
কি করে নিজেকে ছুটাই?
হাত এখন কিছুট আলগা হয়ে গেছে সেই সুযোগে আমিও হাত ছাড়িয়ে হেসে হেসে স্যারকে সুড়সুড়ি দিতে লাগলাম।স্যার আমার উপর থেকে সরে যেতেই খিলখিলিয়ে হেসে উঠে দিলাম দৌড় কিন্তু দরজা পর্যন্ত যেতেই স্যার আবার আমার হাত ধরে ফেলল পেছন থেকে।
এক টান দিয়ে আমাকে তার বুকে এনে ফেলে আমার পেছনে তার দু হাত দিয়ে আমাকে আঁকড়ে ধরল।আমি আমার হাত দিয়ে তার বুকে ধাক্কা দিয়ে তাকে সমানে সরানোর চেষ্টা করছি।
তাতে শুধু একটা জিনিস হল।আমি হয়রান হলাম আর কিছুই না।
হয়রান হয়ে মুখ ফুলিয়ে নিচে তাকিয়ে রইলাম।
স্যার একটা বাঁকা হাসি দিয়ে বলল,শক্তি খাটানো হয়ে গেছে?
স্যার তার হাতের এক আঙ্গুল দিয়ে আমার কপাল থেকে শুরু করে আলতো ছুঁয়ে নিচে যেতে লাগল।
আমি ফট করে বলে উঠলাম,মা আপনি?
স্যার সাথে সাথে আমাকে ছেড়ে পিছনে তাকালো।
কিন্তু দেখলো কেউ নেই।আমি তাকে জিহ্বা দিয়ে মুখে ভেংচি দিয়ে এক দৌড় দিয়ে হাওয়া হয়ে গেলাম।আর স্যার কোমড়ে হাত দিয়ে হাসতে লাগল।

একদিন বিকেলে সপিংমলে গেলাম।কিছু টুকটাক কেনাকাটা করতে।আমি একাই এসেছি।সেখানে হঠাৎ তমার সাথে দেখা।তারপর……….

চলবে,,

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ