Friday, June 5, 2026







মেঘের কোলে রোদ

না চাইতেও বিয়েটা আমার হয়েই গেলো। এখন আমি মিসেস শ্রাবণ আহসান।এখন আমি কারো স্ত্রী, কারো মা।বাসরঘরে বাচ্চা কোলে বসে আছি স্বামীর অপেক্ষায়।রাত বাজে ২টা। উনার এখনও আসার সময় হয়নি।কানাঘুষো শুনলাম উনি নাকি ব্যাবসার জরুরি কাজে বাইরে গেছেন।
বাচ্চাটা অনেক্ষন ঘুমিয়ে আছে।এর মধ্যে একবার আমার শাড়ীও ভিজিয়েছে।কত আর বয়স হবে ৪-৫ মাস।খুব সুন্দর দেখতে।ভাবতেই ভাল লাগছে এই কিউট পিচ্চির মা আমি।
সত্যিই জীবনটা বড় অদ্ভুত। আমরা যা ভাবি তা হয় না বরং যা কল্পনাতেই আসে না তাই ঘটে যায়।১ মাস আগেও আমি নিজের মনের মানুষকে নিয়ে নতুন সংসারের স্বপ্ন সাজাচ্ছিলাম আর আজ সে আমার জন্য পর পুরুষ। আমি তো একজন মুসলিম নারী
স্বামী ছাড়া পরপুরুষকে নিয়ে ভাবা আমার হারাম।তবু জানতে ইচ্ছা করছে কেমন আছে আমার সলোক।সে কি পারবে তার মেঘকে ক্ষমা করতে।
ওহ আমার পরিচয়টা দেওয়া হয়নি
আমি মিফতাহুল জান্নাত। ডাক নাম মেঘ।আমি মায়ের একমাত্র সন্তান আর বাবার ৩মাত্র।অবাক হচ্ছেন তো??আমার মা এর মৃত্যুর পর বাবা ২য় বিয়ে করেন।বাবার ২য় স্ত্রীর দুই ছেলে।যদিও সে পরিবারে আমি ছিলাম অবাঞ্ছিত তবুও অনেক কষ্ট সহ্য করে ছিলাম আমার সলোকের জন্য।আজ সেও আমার পর।
এসব ভাবতে ভাবতে অতীতে ডুব দিয়েছিলাম।হুস ফিরলো ননদের ডাকে।
-ভাবী
-হ্যা তনয়া বলো।
-আর কতক্ষন এভাবে বসে থাকবে।উঠে ফ্রেস হও।কিছু মুখে দাও।
-তোমার ভাইয়া আসুক।
-এত পতিভক্তি দেখানো লাগবে না।ছাড়ো তো ভাইয়ার কথা।
-আচ্ছা চলো। তার আগে বাবুকে শোয়াতে হবে।
-আমার কাছে দাও।
-আচ্ছা নাও তাইলে।একটু ওয়াশরুমে যাব
তনয়া আমার ছোট ননদ।বড় ননদ তিয়াসা।ওনারা ৩ভাই বোন।
আর আমি ওনার ২য় স্ত্রী ও না।এটা ২জন এর ই ১ম বিয়ে।ভাবছেন তো বাচ্চাটা তাইলে কার।পরে কখনও না হয় বলবো।আপাতত গাড়ীর আওয়াজ পাচ্ছি।মনে হয় উনি এলেন।

গাড়ির আওয়াজ পেয়েছি অনেক্ষন হয়েছে।উনি এখনও আসেননি।বুঝতে পারছি না উনি আমাকে এড়িয়ে যেতে চাইছেন কিনা।না হলে কোন পুরুষ বাসরঘরে স্ত্রীকে রেখে দূরে দূরে থাকবে না।আচ্ছা আমি কি এখানেও সুখ পাব না? আমার কপালে কি একটু ও শান্তি নেই!!আমার ভাবনার অবসান ঘটিয়ে উনি দরজায় কড়া নাড়লেন।
-আসসালামু আসাইকুম।আসবো?
-ওয়ালাইকুম আসসালাম।আসেন।নিজের ঘরে আসবেন অনুমতি কিসের।
-আজ থেকে তোমারও ঘর এটা। তাই প্রথম আলাপে এইটুকু ভদ্রতা দেখানোই যায়।অবশ্য তুমি বললাম বলে কিছু মনে করো না।তুমি আমার স্ত্রী। তাছাড়া বয়সে অনেক ছোট।
-জ্বি ঠিক আছে।আপনি খাবেন তো?ফ্রেশ হয়ে নেন।
-আমি খেয়ে এসেছি।তুমি খাওনি?
-হ্যা খেয়েছি মাত্র।
-বাবু কোথায়?
-তনয়া নিয়ে গেছে।আমি রাখতে চেয়েছিলাম।কিন্তু নিয়ে গেল।
-যাক ভাল।তাইলে ওয়াশরুমে চলো।
-কেন??
-ওযু করতে। আগে ২রাকাত নফল নামায পড়বো একসাথে।
-জ্বি চলেন।
নামায শেষ করে মনটা কেমন চা চা করছে।বিয়ের চক্করে কতদিন চা খাইনি।উনাকে বলতে খুব লজ্জা করছে আবার না বলেও পারছি না।
-এই যে শুনেন।
-হ্যা বলো
-আপনাদের বাড়িতে কি কেউ চা খায়?
-কেন বলো তো?
-না মানে চা খাওয়া একদম ঠিক না।স্বাস্থের পক্ষে ক্ষতিকর।চা খেলে দাতের ক্ষতি হয়,ত্বকের ক্ষতি হয়।তাইনা বলেন?
-মেঘ?
-হুম
-চা খেতে মন চাচ্ছে?
-হুম অনেক।
-সেটা তো বলতে হবে।ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বললে হবে!!আচ্ছা এক কাজ কর।ছাদে যাও।গিয়ে দেখবে একটা দোলনা আছে মাঝ বরাবর।গিয়ে বসো।আমি চা বানিয়ে আনছি।
-কত্ত কিউট জামাই আমার(আস্তে)
-কিছু বললে?
-উহু আমি যাচ্ছি আপনি আসেন।
ছাদে গিয়ে অবাক হলাম।এত সুন্দর ছাদ আমি আগে দেখিনি।পুরা ছাদে ফুলের বাগান।মাঝে একটা দোলনা।এরমধ্যে উনি চা নিয়ে এলেন।

-কি দেখ?
-এত্ত সুন্দর ছাদ!!
-আমার নিজের করা বাগান এটা।
-দারুন।আচ্ছাএকটা কথা জানতে ইচ্ছে করছে।বলবেন?
-কি?
-ওই কিউট পিচ্চিটার বাবা মা কারা?
-কেন তুমি আমি।
-আমি আসল বাবা মায়ের ব্যাপারে জানতে চাই।এমন কিউট বাচ্চা কেউ কেন অন্যকে দিবে?
-হ্যা জানি অনেক প্রশ্ন তোমার মনে।আজ আমি সব বলবো।তার আগে বলো পারবে তো ওর মা হতে?

জানো মেঘ,আমার বাবা মা এর প্রেমের বিয়ে ছিল।নানুবাড়ি,দাদুবাড়ির কেউ মেনে নেয়নি।বাবা খুব অল্প পুঁজি দিয়ে ব্যাবসা শুরু করে এবং কয়েক বছরে অনেক সফল হয়ে যায়।এরপর আমি,তিয়াসা,তনয়া হয়েছি।যেহেতু অল্পকিছুদিনেই বাবা অনেক উন্নতি করে মার্কেটে প্রচুর শত্রু তৈরি হয় বাবার।তাই বাবা চেয়েছিল আমি যেন ব্যাবসায় বাবার পাশে দারাই।কিন্তু আমি লেখাপড়া করতে চাইতাম।তাই বাবাকে অমান্য করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিই আর চান্সও পেয়ে যাই।আমি যখন অনার্স ২য় বর্ষে বাবা গাড়ি এক্সিডেন্ট এ মারা যান।তিয়াসা,তনয়া অনেক ছোট তখন।বাধ্য হয়ে ফিরে এসে ব্যাবসা আর সংসারের দ্বায়িত্ব নিতে হয় আমাকে।সেই থেকে আমার বোনদের নিজের মত মানুষ করতে চেয়েছি কিন্তু আমার তিয়াসা অল্প বয়সে এক বখাটের পাল্লায় পড়ে যায়।তাকে বিয়ে করে বসে।

আমি আমার বোনের সুখের জন্য তাও মেনে নিয়েছিলাম।ওদের সংসার সাজিয়ে দিয়েছিলাম।অল্পদিনের মধ্যে আমার বোনটা গর্ভবতী হয়।ওর শাশুড়ি ওকে দিয়ে অনেক কাজ করাতো। বোনটাকে আমার একটু ও শান্তি দেয়নি।ডেলিভারির সময় অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণ এ আমার কলিজাটা পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল।আমি ভাই হয়ে ওকে বাঁচাতে পারিনি।
এখানেই শেষ না। ওই শয়তান বাচ্চার দ্বায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে।আমিও পারিনি তিয়াসার শেষ স্মৃতিকে ফেলে দিতে।তাই তিয়াসার সন্তানকে আমি নিজের ছেলে হিসেবে মানুষ করার সিদ্ধান্ত নিই।আর ও যাতে একটা মা পায় সেই জন্যই মা তোমাকে নিয়ে এল।(উনি)
এইটুকু বলেই উনি বাচ্চাদের মত হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলেন।আমি মনের অজান্তেই ওনাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ওনার মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরি।উনিও পরম নিশ্চিন্তে বুকে মাথা রাখেন যেন আমরা কতদিনের চেনা।বৈধ সম্পর্ক বুঝি এমনি হয়।
-জানেন আমিও না একজনকে ভালবাসতাম।এত ভালবাসার পরেও তাকে দেখেছি অন্য মেয়েদের সাথে মেলামেশা করতে।তবুও তার হাত ছাড়ি নি।মেয়েরা এমনি হয়।তিয়াসাও তাই ভুল করেছে।(আমি)
-তাহলে তুমি আমাকে বিয়ে করলে কেন।(উনি)
-আমি সৎ মায়ের সংসারের আগাছা।তারা আমাকে পার করে বেচে গেছেন।সলোক মানে আমার ভালবাসার মানুষের চাকুরী পেতে অনেক দেরি।তবুও সব সহ্য করে পড়ে ছিলাম কিন্তু এই বিয়েটার জন্য আপনার মা আমার মাকে ১০ লাখ টাকা দিয়েছে।ওদের জন্য তো কিছু করতে পারিনি তাই এইটুকু না হয় করলাম।মেয়েরা এমনি হয় জানেন।(আমি)
-তাহলে তুমি মন থেকে বিয়ে করোনি আমাকে??সমস্যা নাই আমি স্বামীর অধিকার চাইবো না শুধু আমার ছেলেটার মা হলেই হবে।

নবী করীম (স) বলেছেন,”স্ত্রী যদি তার স্বামীর শয্যা ত্যাগ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে, তবে যতক্ষনে সে তার স্বামীরর কাছে ফিরে না আসবে,ফেরেশতাগন তার উপর অভিশাপ বর্ষণ করতে থাকে।”
আপনি আমার স্বামী। সুতরাং আপনার হক সবার আগে।বিয়ের আগে যা ছিল ৩ কবুল বলে মুছে দিয়েছি।এখন আপনি আমার সব।তাছাড়া বিয়ের আগে যখন জানতে পারলাম আপনার একটা ছেলে আছে কিন্তু আপনার নিজের ছেলে না তখনি ঠিক করেছিলাম ওর মা হবো।ছোটমা যখন অত্যাচার করতো আমি ভাবতাম সুযোগ পেলে দেখিয়ে দেব জন্ম না দিয়েও মা হওয়া যায়।আজ সে সুযোগ পেয়েছি।ইনশাল্লাহ কাজে লাগাবো। (আমি)
-প্রায় ভোর হয়ে এলো চলো ফজরের নামায পড়ে শুয়ে পড়ি।(উনি)
-চলুন।(আমি)
পরদিন আমার জীবনে এক নতুন সকাল শুরু হল।ঘুম থেকে উঠে গোসল সেরে রান্নাঘরে গেলাম।সবার জন্য চা আর বাবুর জন্য দুধ গরম করে মা এর ঘরে এলাম।
-মা আসব?
-এসো বউমা।
-আপনার চা।
-তুমি বানিয়েছো?
-জ্বি।মা বাবু কখন উঠবে?ওর দুধ গরম করে এনেছি।
-বউমা এখনি এত দ্বায়িত্ব তোমাকে নিতে হবে না।সবে বিয়ে হয়েছে।কিছুদিম এঞ্জয় করো। তারপর এসব।
-ও আমার নিজের সন্তান হলে এসব বলতে পারতেন?আমি আজ থেকেই মা হয়ে উঠতে চায়।না বলবেন না মা।
-খুব খুশি হলাম মা। আল্লাহ তোমার ভাল করবে।
-ওর নাম রেখেছেন?
-তোমার ছেলে তুমিই রাখো।
-ওর নাম দিলাম রোদ।সারাটা জীবন ও মেঘের কোলে একফালি রোদ হয়ে থাকবে।
রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ এ আলমারিতে কাপড় তুলছিলাম।হঠাৎ কোমরে হাতের স্পর্শ পেলাম।কিছু বুঝে উঠার আগেই উনি আমাকে পেছন থেকে জরিয়ে ধরলেন।তারপর চুমুতে চুমুতে আমার ঘাড়, পিঠ ভরিয়ে তুললেন।আমিও আর স্থির থাকতে পারলাম না জরিয়ে ধরে ওনার বুকে মাথা রাখলাম।উনি আমাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেলেন।তারপর দুজনে ডুব দিলাম দুজনের মাঝে।

দিনগুলো ভালোই কাটছিল।আমার আর ওনার সম্পর্ক ধিরে ধিরে মজবুত হয়ে উঠছিল।ওদিকে আমার রোদ বড় হয়ে উঠছিল।নিজের সবটুকু স্নেহ দিয়ে বড় করছিলাম ওকে।সৎ মায়ের সংসারে আমার যা যা অপুর্নতা ছিল সব ছিল ওকে উজার করে দিচ্ছিলাম।দেখতে দেখতে ৮মাস গেল।আমার রোদ নতুন নতুন হাটতে শিখেছে।আধো আধো মুখে মা ডাকে।মনে হয় আমি পৃথিবীর সবথেকে সুখী মানুষ।
হঠাৎ করে একদিন দুপুরে খাইতে গিয়ে বমি করে বসলাম।অনেক ভেবে চিনতে যা বুঝার বুঝে গেলাম।দোকান থেকে প্রেগনেন্সি টেস্ট কিটস আনিয়ে নিশ্চিত হলাম আমি মা হতে চলেছি।রাতে উনি ফিরতেই উনাকে ডাকলাম।
-শুনছেন?
-হ্যা বলো।
-আমি মা হতে চলেছি।
-কি বলছো!!!আমি বাবা হবো???!!!বলো কি চাও।যা চাইবে সব পাবে।
-আমার কিছু চাইনা।সারাজীবন এভাবে ভালবাসবেন।
না বাঁচাতে পারিনি আমার অনাগত সন্তানকে।সৃষ্টিকর্তা হয়তো চাননি আমি আর কারো মা হই।একদিন বাথরুমে অসতর্কতাবশত পিছলে পড়ে গিয়ে হারিয়ে ফেললাম আমার বুকের ধন কে।সেই সাথে হারিয়ে ফেললাম মা হওয়ার ক্ষমতা।
এত কান্না আগে কখনো আসেনি হাজার কষ্টেও।বাথরুম এ গিয়ে পানির কল ছেড়ে খুব কেঁদেছিলাম।রাতে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম কেউ কেঁদে কেঁদে বলছে,আমাকে মেরে ফেললে মা!!!
তারপর পিছু ফিরে তাকাই নি।বড় করে তুলেছি আমার রোদকে।
ওর প্রথম স্কুল এ যাওয়ার দিন,ওর প্রত্যেক খুশির দিন,ওর কান্নার দিনগুলি আমি ছিলাম ওর ছায়া হয়ে।ওর শরীর খারাপের দিনগুলা,পরিক্ষার আগের রাতগুলা জেগেছি ওর সাথেই।ধীরে ধীরে হয়েছি ওর সেরা মা।
২৫ বছর পর,আমার রোদকে মনের মত করে মানুষ করেছি।আমার ইচ্ছাতেই ও ডাক্তার হয়েছে।আজ ওর বিয়ে।সকাল থেকেই মনটা অস্থির লাগছে।মনে হচ্ছে তিয়াসার সাথে অন্যায় করেছি।ওর জন্যই তো রোদকে পেয়েছি আর ওর পরিচয়ই কিনা লুকিয়েছি।আমায় এখনি রোদকে ডাকতে হবে।
-রোদ
-হ্যা মা বলো।
_চল আমার সাথে এক জায়গায়।
-কোথায় মা?
-গেলেই দেখতে পাবি
রোদকে নিয়ে দাড়িয়ে আছি তিয়াসার কবরের সামনে।
-ঐ যে তোর মা এর কবর। যা জিয়ারত করে আয়।
-মজা করছো মা?কার না কার কবর।আমার মা তো তুমি।
-হ্যা আমি তোর মা আর ও তোর জন্মদাত্রী।
-ঠিক আছে যাচ্ছি কিন্তু শুধু তুমি বললে তাই
।কারন মা এর আদেশ আমার কাছে সব।

রোদ এগিয়ে যাচ্ছে তিয়াসার কবরের দিকে।আমার চোখদুটো জলে ভরে উঠেছে।বুকটা ফেটে যাচ্ছে ঠিক যেমনটা হয়েছিল ২৫ বছর আগে আমার অনাগত সন্তানকে হারিয়ে।মায়েরা হয়তো এমনি স্বার্থপর হয়।বেচে থাক সন্তানের প্রতি প্রত্যেক মায়ের এ অসীম ভালবাসা।মায়ের চরণযুগলেই তো লুকিয়ে আছে সন্তানের বেহেশত।
(সমাপ্ত)

#তামান্না_ইসলাম

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ