Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"দুই বধূ এক স্বামীগল্প:-দুই_বধূ_এক_স্বামী পর্ব:-(০৫)

গল্প:-দুই_বধূ_এক_স্বামী পর্ব:-(০৫)

গল্প:-দুই_বধূ_এক_স্বামী পর্ব:-(০৫)
লেখা:- AL Mohammad Sourav
!!
মীম তুমি এত রাতে কোথায় গেছিলে নিশ্চয় তোমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে সময় কাটিয়ে এসেছো! তোমার লজ্জা সরম বলতে কিছুই নেই। নিজেকে একজনের বউ বলে পরিচয় দিয়ে আরেক জনের সাথে ঘুরা ঘুরি করতে খুব ভালো লাগে তাইনা? কি হলো চুপ করে দাঁড়িয়ে আছো কেনো? বলো তুমি এত রাতে কোথায় গেছিলে আর তোমার হাতে কি এইটা?

মীম:- কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলে! তা যেনে তুমি কি করবে আমি তোমাকে কয়ফত দিতে বাধ্য নয়। আর তোমরা এত রাতে কোথায় ছিলে তসিবার এই অবস্থা হলো কি করে?

আমি:- সেইটা নিয়ে তোমার মাথা না ঘামালে হবে! কিন্তু তোমার হাতে ওঠা কি একটু দেখার দরকার তুমি দেখাবে নাকী আমি নিজেই জোর করে দেখে নেবো?

মীম:- বলছিনা আমি তোমাকে আমার নিজের কোনো কিছু দেখাবোনা। দেখি রাস্থা থেকে সরে দ্বাড়াও আমি রুমে যাবো।

আমি:- এই বাড়ীতে থাকতে হলে আমার সব কথা শুনতে হবে। তুমি রুমে পরে যাবে আগে তোমার হাতে ওটা কি দেখাও।

মীম:- তুমি তো আমাকে স্ত্রী হিসাবে মানতে চাওনা তাহলে তোমার কথা শুনতে যাবো কেনো? আমার খারাপ লাগছে আমি রুমে গিয়ে ঘুমাবো প্লিজ আমাকে যেতে দাও।

আমি:- সকালে ডির্ভোসের জন্য এপ্লিকেশন করবো অল্প কিছু দিনের মধ্যে তোমাকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবো। এখন তোমার ভাগ্যটা ভালো তসিবা আমার কুলে তানা হলে জোর করে হলেও দেখতাম তোমার হাতে ঐ গুলা কি?

মীম:- ডির্ভোস দিলে তো হবেনা সেইটাতে আমার মত থাকতে হবে। তবে সব সময় আমার ভাগ্যটা ভালো। কিন্তু মনে হচ্ছে তসিবাকে একটু বেশি মাথায় তুলে নিয়েছে?

আমি:- তসিবা অনেক ভালো মেয়ে আমাকে নিজের চাইতে বেশি ভালোবাসে। আর তুমি আমাকে বিয়ের পর থেকে কতটুকু ভালবেসেছো?

মীম:- তোমাকে আমার থেকে কেও বেশি ভালবাসবে না। আর আমার মত তুমি জীবনে কাওকে পাবে বলে মনে হয়না?

আমি:- হাসালে মীম তা তো দেখলাম। যদি কিছুটা ভালবাসতে তাহলে আমাকে এতটা কষ্ট দিতে না। তুমি তো চলে গেছিলে তাও আবার এসেছো কারন তুমি আমার সূখ সহ্য করতে পারোনা তাই।

মীম:- হ্যা তাই তোমাকে সূখে দেখলে আমার অনেক হিংসা হয়।

আমি:- তোমার যাই হোক আমি তসিবাকে নিয়ে অনেক সূখে সংসার করবো তুমি চেয়ে চেয়ে দেখবে। আর তোমাকে দেখিয়ে দিব একজন স্বামী স্ত্রী কি করে সংসার করে। তসিবা ঠিকই বলছে ওকে যদি একটু ভালোবাসি তাহলে আমার জন্য জীবন দিয়ে দিবে। সকালে আমি তসিবাকে নিয়ে ঘুরতে যাবো ওর বাপের বাড়ীতে। আমি জানি তুমিও এখানে থাকবে না তুমিও তোমার কত গুলা বয়ফ্রন্ডের সাথে ঘুরতে যাবে।

মীম:- হ্যা তা তো যাবোই! তুমি চিন্তা করোনা আমি খুব তারা তারি তোমাকে ছেরে চলে যাবো। যেদিন তুমি আমাকে ভুলে যাবে সেদিনই এই বাড়ী ছেরে চিরকালের জন্য চলে যাবো।

আমি:- তুমি নিশ্চন্তে যেতে পারো তোমার কথা এখন তো আমার মনে পরেনা! আর কোনো দিন মনে পড়বেনা। দেখি সরো এখন অনেক রাত হয়ছে তসিবার কষ্ট হচ্ছে ওকে নিয়ে শুয়াতে হবে। মীমকে দেখিয়ে তসিবাকে কপালে চুমু দিয়ে কুলে করে রুমে চলে এসেছি। তসিবাকে খাঠের উপর শুয়ে দিয়ে ওর কপালে একটু আদর করে দিয়ে আমি চলে যেতে ছিলাম তখনি তসিবা আমার হাত ধরে নিয়েছে।

তসিবা:- কোথায় যাচ্ছেন?

আমি:- তুমি ঘুমাওনি?

তসিবা:- কানের সামনে এত কথা বললে ঘুমানো যায়? আসেন আমার পাশে শুয়ে পড়েন।

আমি:- কিন্তু তুমি তো আমাকে ভালবাসো না?

তসিবা:- তাতে কি আপনি তো আমার বর তাইনা?

আমি:- হ্যা কিন্তু তুমি তো বলছো আমাকে ছেরে চলে যাবে তাহলে কেনো পাশে ঘুমাতে বলছো?

তসিবা:- যখন যাবো তখন দেখা যাবে, এখন পাশে শুয়ে পড়েন। আমি আর কোনো কথা বলিনি শুয়ে পড়েছি তসিবার সাথে। তসিবা আমার বুকের উপর শুয়ে আছে আমি চুপ চাপ হয়ে শুয়ে আছি। তসিবার চুল গুলা দেখতে দেখতে ঘুমায় গেছি, সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি তসিবা আমার চুল গুলা এলো মেলো করতেছে।

আমি:- তসিবা কি করছো তুমি?

তসিবা:- কি করছি আমি তো আমার স্বামীর চুল গুলা দেখতেছি। উঠেন এখন অনেক কাজ আছে তারা তারি করে রেডি হতে হবে।

আমি:- ঠিক আছে! শুয়া থেকে উঠে ফ্রেশ হতে চলে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে কিছুক্ষণ পর বের হলাম! দেখি তসিবা সাজ গুজ করতেছে আমি তসিবার দিকে তাকিয়ে আছি তসিবা অনেক সুন্দর করে সাজ গুজ করেছে।

তসিবা:- আমি রেডি হয়ে গেছি। আপনি রেডি হয়ে নিচে আসেন আমি সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসি!

আমি:- কি নিয়ে আসবে বিদায় কিন্তু কেনো?

তসিবা:- বা, রে আমি তো আজকেই এই বাড়ী ছেরে চলে যাবো আপনি যানেন না?

আমি:- মানে কোথায় যাবে তুমি?

তসিবা:- যেখানে যাই আপনাকে সাথে নিয়ে যাবো। আর তখন দেখে নিয়েন কোথায় যাচ্ছি কেমন?

আমি:- তাহলে ঠিক আছে! আমি তোমাকে সাথে নিয়ে যাবো আবার নিয়ে আসবো তুমি না চাইলেও আমি জোর করে নিয়ে আসবো?

তসিবা:- জোর করে কোনো কিছু হয়না তবে আপনার সাথে কাটানো কিছু মুহূর্ত গুলোকে সারা জীবন মনে থাকবে।

আমি:- কাল রাতে তো কত সুন্দর কথা বলছো এখন আবার এমন কথা বলছো কেনো তসিবা?

তসিবা:- কখন রাতে কি বলছি আমার মনে নেই। এখন যদি যেতে চান তারা তারি রেডি হয়ে আসেন। আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে?

আমি:- তোমাদের মেয়েদের মন বুঝা অনেক দায়। ঠিক আছে যাও তুমি যা চাইবে তাই হবে। তসিবা চলে গেছে আমি রেডি হয়ে নিচে গেছি। দেখি সবাই আছে মীম দাঁড়িয়ে আছে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। মীম মনে হয় অনেক কথা বলতে চাই আমার কাছে কিন্তু আমি শুনতে চাইনা।

আম্মু:- সৌরভ আজকে তসিবাকে নিয়ে যাবি রাতটা থেকে আগামী কাল তসিবাকে নিয়ে বাড়ীতে চলে আসবি কেমন?

আমি:- ঠিক আছে! তাহলে আমরা বের হলাম। তসিবাকে নিয়ে বের হয়েছি আমাদের গাড়ী করে রওনা দিলাম। আমি গাড়ী চালাচ্ছি তসিবা বক বক করছে।

তসিবা:- আপনি অনেক ভালো কেনো জানি আপনার সাথে আমার আরো আগে দেখা হলো না?

আমি:- আসলে কিছু সময় ভুল মানুষ গুলার সাথে বেশির ভাগ আগে দেখা হয়। তানা হলে জীবনের কষ্ট গুলা কাছ থেকে পাওয়া যায়না। আচ্ছা দেরিতে দেখা হলে কি হয়ছে এখন তো তুমি আমাকে চাইলে আপন করে নিতে পারো?

তসিবা:- চাইলেও কিছু জিনিস আপন করে পাওয়া যায়না। আর এখন তো আপনার বড় বউ আর ভালবাসার মানুষ দুইটা পায়ছেন আমি কেনো আপনাদের মাঝে কষ্টের কারন হবো।

আমি:- তোমাকে তো বলিনি তুমি আমার কষ্টের কারন হবে। আচ্ছা তুমি এখন চুপ থাকো তোমাকে তো আম্মু বলছে সাথে নিয়ে যেতে আমি তোমাকে সাথে নিয়ে যাবো।

তসিবা:- সেইটা সময় বলে দিবে, এখন গাড়ী চালান মন দিয়ে।

আমি:- ঠিক আছে! আমি গাড়ী চালাচ্ছি তসিবার চুল গুলা বার বার চোখের দিকে এসে পড়ছে আর তসিবা সরিয়ে দিতেছে দেখতে ভালোই লাগছে। ঘন্টা খানেক পড় তসিবার বাড়ীতে গেলাম। আমাদের দেখে তসিবার আব্বু আম্মু দুজনে এসেছে। আমার শ্বশুর শ্বাশুড়িকে সালাম দিয়ে ভালো মন্দ জিগেস করেছি!

শ্বশুড়:- বাবা হ্যা ভালো তোমার বাবা মা কেমন আছে?

আমি:- হ্যা ভালো আছে! ওনাদের সাথে কথা বলা শেষ হয়েছে। তসিবা আমাকে ওর রুমে নিয়ে গেলো।

তসিবা:- আপনি ফ্রেশ হয়ে নেন আমি একটু খাবার রেডি করতেছি আপনার জন্য।

আমি:- ঠিক আছে! তসিবা আমাকে উয়াশ রুমটা দেখিয়ে দিয়েছে। তসিবা চলে যেতে ছিলো আমি তসিবার হাত ধরেছি।

তসিবা:- কি হচ্ছে আমার হাত ধরেছেন কেনো?

আমি:- মন চাইছে তাই।

তসিবা:- ছারেন আমার কাজ আছে বলে তসিবা নিজেকে ছাড়িয়ে চলে গেছে।

আমি:- বাপের বাড়ীতে আসতেই নিজের মত করে চলতে শুরু করেছো তুমি?

তসিবা:- হ্যা তাই মনে করেন বলে চলে গেছে। আমি ফ্রেশ হয়ে বের হয়েছি রুমে গেছি দেখি তসিবা নেয়। আমি রুম থেকে বের হয়ে একটু বাহিরে গিয়ে দেখি বাড়ীর একটু দূরে তসিবা একটা ছেলের সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলছে। আমি একটু কাছে যাবো কি যাবোনা ভাবতে ভাবতে পা সামনে বারিয়েছি তখনি দেখি তসিবা ছেলেটার সাথে হেটে যাচ্ছে অন্য দিকে।

আমি:- আরে তসিবা ঐ দিকে কোথায় যাচ্ছে? আমি তারা তারি করে ওদের দিকে যেতে লাগলাম। তসিবা আর ঐ ছেলেটা হেটে যাচ্ছে পাশা পাশি আমি খুব তারা তারি গিয়ে পেছন থেকে তসিবার হাত ধরেছি।

তসিবা:- কেরে আমার হাত ধরেছে বলে ঘুরে এক থাপ্পড় দিতে ছিলো আমি তসিবার হাত ধরে নিয়েছি
তসিবা আমাকে দেখে নিজেই বোকা হয়ে গেছে এক হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে নিয়েছে। কি করবে কি বলবে ভেবে পাচ্ছেনা একমদ চুপ হয়ে আছে।

আমি:- তসিবা কি হয়ছে এমন করছো কেনো? তুমি আমাকে থাপ্পড় দিতে চাইছো?

তসিবা:- সরি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দিন প্লিজ বলে দুই কান ধরে উঠ বস শুরু করেছে। আমি তসিবার দিকে তাকিয়ে সোজা তসিবার বাড়ীর দিকে হাটা দিয়েছি। তসিবা আমার পিছু পিছু আসতে লাগলো কিন্তু আমি এসে রুমে ঢুকে আমার ব্যাগ নিয়ে নিয়েছি।

আমি:- তসিবা তোমার যা মন চাই করো আমি আর তোমাকে কোনো কিছু বলবো না। এমনিতেই তোমাকে অনেক হার্ট করেছি আর করতে চাইনা। আর হ্যা হাত ধরার জন্য সরি আর থাপ্পড়টা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

তসিবা:- হাত তো ধরে নিয়েছেন তাহলে থাপ্পড় হলো কি করে?

আমি:- থাপ্পড় দেওয়ার জন্য তো হাত তুলেছো?

তসিবা:- বলছি তো আমার ভুল হয়ে গেছে আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। প্লিজ এমন ভাবে রাগ করে চলে যাবেন না। আব্বু আম্মু অনেক কষ্ট পাবে ওনারা যদি বুঝে যে আপনি রাগ করে চলে যাচ্ছেন তাহলে অনেক কষ্ট পাবে প্লিজ।

আমি:- তুমি এখন এখান থেকে সরো আমাকে যেতে দাও বলছি?

তসিবা:- আপনি চাইলে আমাকে একটা থাপ্পড় দিতে পারেন নেন আমি চোখ বন্ধ করে নিয়েছি। কি হলো দেন! দিন’না যত জুড়ে পারেন দিয়ে দিন থাপ্পড়! একটা মাত্র তো থাপ্পড় তাইনা। তাও আপনি আমাকে একা রেখে যাবেন না প্লিজ।

আমি:- মানে তোমাকে একা রেখে যেতে মানা করছো আবার অন্য ছেলের সাথে কথা বলে ওর সাথে হেটে চলে যাচ্ছো?

তসিবা:- আরে আমি তো ওনার সাথে গেছিলাম যাতে করে ওনি তারা তারি আসে।

আমি:- মানে?

তসিবা:- আমাদের রুমে বিদুৎ নেই লাইন নষ্ট হয়ে গেছে। রাতে তো বিদুৎ ছাড়া অন্ধকার দেখাবে তাই মিস্ত্রী আনতে গেছিলাম ওনার সাথে।

আমি:- তাই বলে অপিরিচিত কারো সামনে আমার সাথে এমনটা করবে?

তসিবা:- আপনি বিশ্বাস করেন আমি তো মনে করেছি ঐ শাজাহান হবে ও আমাকে অনেক ডিস্টার্ব করতো। আর আমি আসছি যেনে দৌরে এসে বুঝি আমার হাত ধরেছে তাই তো না দেখেই থাপ্পড় দিয়েছি। সরি আমাকে ক্ষমা করে দেন প্লিজ।

আমি:- ঠিক আছে! চলো আগে দেখি লাইনে কি হয়ছে?

তসিবা:- থাক আপনাকে যেতে হবেনা আমি তো ঐ রাব্বিকে বলে এসেছি ও মিস্ত্রী নিয়ে চলে আসবে।

আমি:- কথা কম বলে আমার সাথে আসো! তসিবা আমাকে নিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। আমি লাইনটা ঠিক করে দিয়েছি।

তসিবা:- আপনি তো অনেক কিছু জানেন? আচ্ছা আমারা কি রাতে মেলায় যেতে পারি?

আমি:- কিসের মেলা?

তসিবা:- গ্রামে আজকে রাতে মেলা হবে! প্রতি মাসে হয় আজকেও হবে রাতে আপনি আমার সাথে যাবেন।

আমি:- ঠিক আছে তখনি শ্বাশুড়ি এসে বলে।

শ্বাশুড়ি:- মা তসিবা সৌরভকে নিয়ে খেতে আয়।

তসিবা:- হ্যা আসছি! চলেন খাবেন আমি তসিবা দুজনে খেতে আসলাম। খাওয়া শেষ করে রুমে এসেছি তসিবা একটু পর এসেছে।

আমি:- তসিবা আমার ঘুম পাচ্ছে এখন আমি ঘুমাবো। তুমি কোনো ডিস্টার্ব করবে না আমাকে।

তসিবা:- ঠিক আছে ঘুমান আর আমি একটু বন্ধুদের সাথে দেখা করে আসি।

আমি:- মানে তোমার বন্ধু আছে নাকী?

তসিবা:- হ্যা আছে তো কেনো কোনো সমস্যা?

আমি:- না! আচ্ছা যাও আমি ঘুমায়! তখনি তসিবা কান্না শুরু করেছে। কি হলো কান্না করছো কেনো?

তসিবা:- আমি একা গেলে ঐ শাজাহান যদি আমাকে দেখে কিছু বলে বা করে?

আমি:- তাহলে এখন আমি কি করবো?

তসিবা:- আমার সাথে একটু যাবেন গেলে আমার অনেক ভালো লাগতো। প্লিজ চলেন আমার সাথে?

আমি:- ঠিক আছে চলো! রেডি হয়ে বিকালে তসিবার সাথে বের হলাম। বাহা গ্রামটা অনেক সুন্দর তসিবা আমার বাম হাতটা জড়িয়ে ধরে হাটতেছে।

তসিবা:- জানেন আমার এই প্রথম কারো হাত ধরে এমন ভাবে রাস্থায় হাটা।

আমি:- কেনো তোমার বয়ফ্রন্ডের হাত ধরে এর আগে হাটোনি?

তসিবা:- আরে আমার তো মনে নেয় হ্যা হেটেছি তবে এতটা জড়িয়ে ধরিনি। আপনাকে কেনো জানি ধরতে ইচ্ছে করে। নেন আমার হাতটা ছেরে দিন সামনে মানুষজন আছে গ্রামের মানুষ এই গুলাা পছন্দ করে না। ওরা বর বউকে এমন ভাবে হাটলে মাইন্ড করবে।

আমি:- তুমি তো আমার হাত ধরে রাখছো আমি ছারবো কেনো?

তসিবা:- আরে দেখেন আমি কি বোকা তাইনা? আচ্ছা আসেন আমার সাথে বলে আমাকে একটা বাড়ীতে নিয়ে গেছে। ঢুকে দেখি অনেক গুলা মানুষ ছোট বড় মাঝারি বয়সের। সবাই আমাকে দেখে তাকিয়ে আছে।

আমি:- তসিবা এখানে নিয়ে আসলে কেনো?

তসিবা:- এরাই তো আমার বন্ধু! চলেন সবার সাথে আপনার পরিচয় করিয়ে দেয়। তসিবা সবাইকে বলে দিয়েছে আমি ওর বর। আমাকে ওনি অনেক ভালবাসে আর অনেক সূখে রাখছে।

আমি:- তসিবা কি হচ্ছে এসব বলছো কেনো?

তসিবা:- ওরা সবাই আমাকে অনেক ভালবাসে তাই। আচ্ছা এবার সন্ধা হয়ে আসছে চলেন মেলাম যাই। সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তসিবা আমার হাত ধরে বেরিয়ে এসেছে।

আমি:- মেলা কত দূর?

তসিবা:- ঐ তো বাতি গুলা দেখা যাচ্ছে ঐ খানে চলেন। তসিবা আমাকে টেনে নিয়ে গেছে মেলায় গিয়ে নাগর দৌলায় আমাকে টেনে তুলছে।

আমি:- তসিবা আমার একদম ভয় করে আমি উঠবো না তুমি গিয়ে উঠো কেমন?

তসিবা:- তাহলে আমাকে ধরে রাখবে কে? আপনি জানেন আমার কত স্বপ্ন ছিল আমার বরের সাথে সব কিছু করবো। কিন্তু কিছুই করতে পারিনি এখন আসেন আমার সাথে বলে টেনে নিয়ে বসিয়ে দিয়েছে। যখনি নাগর দৌলা উপরে উঠে তখন তো ভালোই লাগে কিন্তু যখন নিচে নামে আমার বুকের ভিতর দুকবুকনি বাড়তে থাকে।

আমি:- তোমার কি কি ইচ্ছা আছে তসিবা আগে বলতে তাহলে আমি তোমার সাথে গ্রামে আসতাম না। আমার দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে থামাতে বলো তানা হলে আমি নিজেই যাপ দিবো মাটিতে। ভয়ে আমার অবস্থা বারোটা বেজে গেছে তসিবা আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে। নাগর দৌলা থামছে নেমেই আমি এক বোতল পানি এক চুমুকে সাবার দিয়েছি।

তসিবা:- আরে এত পানি কেনো খাচ্ছেন?

আমি:- তুমি কোনো কথা বলবেনা আমি এসবে কোনো সময় উঠিনি জানো?

তসিবা:- তাতে কি এখন উঠেছেন ভালোই লাগছে তাইনা?

আমি:- বলছে তোমাকে অনেক হয়ছে মেলা এবার চলো বাড়ীতে যাবো।

তসিবা:- আপনি কি কিপটুস?

আমি:- মানে তুমি কি বলতে চাচ্ছো?

তসিবা:- মানে মেলা এসেছি আর কিছু কিনবোনা তা কি করে হয়? আপনি তো কিছু না কিনে দিয়ে ২০ টাকার নাগর দৌলা খাইয়ি কাজ শেষ করে দিয়েছেন?

আমি:- ও এই কথা ঠিক আছে বলো তোমার কি লাগবে?

তসিবা:- এখন কিছুই লাগবে না।

আমি:- তা হয় নাকী চলো তোমাকে লাল চুড়ি কিনে দিব! তসিবাকে সাথে নিয়ে এসে দুই হাতে লাল চুড়ি আমি পড়িয়ে দিয়েছি। বাহা সত্যি তসিবার হাতে চুড়ি গুলা মানিয়েছে। আরো অনেক কিছু কিনে দিলাম তসিবাকে।

তসিবা:- আঁখের রস খাবো।

আমি:- কি খাবে?

তসিবা:- আঁখের রস আর ভুট্টা নিয়ে আসেন আমি এখানে বসে আছি। তসিবা বসে আছে আমি গিয়ে আঁখের রস আর ভুট্টা নিয়ে আসছি।

আমি:- তসিবা নাও তোমার আঁখের রস আর ভুট্টা।

তসিবা:- হ্যা দেন!

আমি:- এবার বাড়ীতে চলো রাত হয়ে গেছে। তসিবাকে নিয়ে বাসায় এসেছি। রাতের খাবার খেয়ে রুমে এসেছি হঠাত কারেন্ট চলে গেছে আমি বাহিরে যেতেছি তখনি আমার শ্বশুড় আর শ্বাশুড়ি তসিবার সাথে কথা বলছে । কিন্তু হঠাত থমকে গেলাম শ্বাশুড়ির কথা গুলি শুনে! To be continue,,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ