Friday, June 5, 2026







একটুখানি সুখ পর্ব-০৪

#একটুখানি_সুখ
#আনিশা_সাবিহা
পর্ব ৪

মুখ গোমড়া করে বাড়ির সদর দরজা দিয়ে বের হবার সময় মোহের সামনে বাঁধে আরেক বিপত্তি। সদর দরজা আগলে দাঁড়িয়ে আছে স্বচ্ছ। এমনিতেই বড্ড অভিমান করে চলে যাচ্ছিল সে যেই মানুষটার জন্য এ বাড়িতে এলো সেই মানুষটা যদি সঙ্গ না দেয় তার চেয়ে বিরহের আর কিছু নেই। তবে সামনে এই স্বচ্ছ নামক পুরুষটিকে খেয়ালে এলো না মোহের। আনমনে অন্যদিকে তাকিয়ে বেখেয়ালে হাঁটছে সে। সদর দরজার বেশ কাছাকাছি যাওয়ার পর একজোড়া বট জুতো পড়া পা দেখে চোখজোড়া সরু হয় তার। সচেতন হয়ে পা জোড়ার মালিক কে দেখতে মাথা উঁচু করে তাকায় সে। পা তখন পুরোপুরি থেমে যায় মোহের। এই মানুষটা কি তার পিছু ছাড়বে না?

সদর দরজায় ঠেস লাগিয়ে দাঁড়িয়ে কালো রঙের শার্টের হাতা ফোল্ড করছে স্বচ্ছ। মোহ না পারছে এগোতে না পারছে পিছুতে। স্বচ্ছের রুমে সেই লজ্জাজনক ঘটনা মনে পড়তেই মাথা নিচু হয়ে গেল মোহের। মাথা ঝাঁকিয়ে আবারও শিথিল চোখে তাকালো স্বচ্ছের দিকে। কালো রঙের শার্ট পড়েছে স্বচ্ছ। হলুদ ফর্সা চেহারায় গোলাপি আভা বহমান। গোলাপি ও ফ্যাকাশে রঙের সংমিশ্রণে মোটা ঠোঁটজোড়া দেখে বোঝা যাচ্ছে সে কিছু একটা চিবিয়ে যাচ্ছে। খাড়া ও সরু নাকের ডগায় বিন্দু বিন্দু ঘাম, প্রশস্ত কপালের বাম দিকে চুল এলিয়ে দিয়ে রাখা। যা মৃদু হাওয়া হালকা উড়ছে। ছোট ছোট চোখজোড়ার মাঝে ধূসর বর্ণের মণিতে যেন আটকা পড়ে আছে মোহ নিজেই। তবে চোখের নিচে কালো সূক্ষ্ম দাগ দেখতে পায় মোহ। যাকে বলা হয় ডার্ক সার্কেল। গালের চাপ আর ছোট ছোট দাড়িতে প্রায় অর্ধেক গাল আবৃত। মানুষটাকে দূর থেকে এতোটা সুদর্শন এক ছেলে মনে হলেও কাছ থেকে দেখলে জীবনেও তার সাক্ষাৎ পেতে চাইবে না নিশ্চিত।

স্বচ্ছকে এগোতে দেখে বোকা বনে গেল মোহ। গলা শুঁকিয়ে এলো তার। লজ্জা আর অস্বস্তিতে মুখ থেকে কোনো কথা বের হলো না তার। মোহ পিছিয়ে পায়ের সাথে সোফা লেগে সোফাতেই পড়ে গেল। ভীতি নিয়ে তাকাল স্বচ্ছের দিকে। ও স্বচ্ছের সবকিছু দেখে ফেলেছে এর ফলস্বরূপ কি মোহকেও স্বচ্ছ একই শাস্তি দেবে? এসব আজগুবি কথা ভাবতেই চোখ বড় বড় হয়ে আসে মোহের। সে চোখমুখ খিঁচে বন্ধ করে নিজের ব্যাগ সামনে ধরে দ্রুততার সাথে বলল,
“আমি আপনার কিছু দেখিনি বিলিভ মি!”

স্বচ্ছের কোনো উত্তর পেল না মোহ। সেকেন্ড কয়েক পর একচোখ খুলে দেখল স্বচ্ছ তার সামনে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তার কর্মকান্ড দেখছে। ঢোক গিলে নড়চড়ে শিরদাঁড়া সোজা করে বসতেই স্বচ্ছ রাগে কিড়মিড় করে মোহের দিকে ঝুঁকে সোফার হ্যান্ডেলে এক বাড়ি দিল স্বচ্ছ। ভড়কে গিয়ে আলতো কেঁপে উঠল মোহ। ঘন ঘন চোখের পলক ফেলে স্বচ্ছের দিকে তাকালো সে। স্বচ্ছ ধমক দিয়ে বলে ওঠে,
“ইউ স্টুপিড গার্ল! তু…তুমি আমার…”

কথাটা শেষ করতে পারল না স্বচ্ছ। কথাটা কি বলার মতো যে শেষ করা যাবে? কথাটা মুখেই আনার মতো নয়। ঘন ঘন শ্বাস ফেলে স্বচ্ছ শাসিয়ে বলে,
“ইউ নো হোয়াট? ইউ আর অ্যা ডেঞ্জারাস গার্ল। নয়ত যেখানে আজকাল ছেলেরা মেয়েদের ইজ্জত হরণ করে শোনা যায় সেখানে তুমি আমার মতো একটা ছেলের ইজ্জত সম্মান শেষ করে দিয়েছো। আমি জাস্ট…”

আবারও কথাটুকু পূর্ণ না করেই দাঁত কিড়মিড় করতে শুরু করল স্বচ্ছ। মোহ দম ফেলে সাহস জুগিয়ে আগ বাড়িয়ে বলল,
“দোষ আপনার। আমার ভিডিও করেছেন। আর বাথরোব পড়ে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। আর ফিতাটাও ঠিকঠাক বাঁধেন নি। এখানে আমার দোষ কোথায় স্বচ্ছ ভাই?

“কোথায় মানে? তোমার দোষ আমার ওপর চাপিয়ে দিচ্ছো? কাল থেকে আজ পর্যন্ত সব তোমার দোষে হয়েছে। আমি অযথা কথা বলতে পছন্দ করি না। স্ট্রেটকাট কথা হয় আগের কথা ভুলে যাও আদারওয়াইজ ইউ উইল পানিশড।”

“হ্যাঁ হ্যাঁ আমি সব ভুলে গেছি।”

আপাতত এই ঝামেলা কাটিয়ে ওঠার জন্য বলে দিল মোহ। আবার পরক্ষণেই বলে উঠল,
“ওই ভিডিওটা আপনি ডিলেট করেছেন?”

চোয়াল শক্ত করে তাকালো স্বচ্ছ। কপালে কয়েকটা প্রগাঢ় ভাঁজ। দাঁতে দাঁত চেপে বলল,
“এই না বললে তুমি সব ভুলে গেছো? তাহলে ভিডিওটার কথা মনে থাকে কি করে?”

অসহায় নয়নে চেয়ে রইল মোহ। সে পড়েছে বিপাকে। বিরক্ত হয়ে বড় শ্বাস নিতেই স্বচ্ছ সোজা হয়ে দাঁড়াল। নিজের বুকে হাত গুটিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে ফট করে বলে উঠল,
“আচ্ছা, আমার সঙ্গে যেই ব্যাপারটা ঘটেছে তোমার সঙ্গেও একই ব্যাপার ঘটলে কি হবে বলো তো? আমি ভাবছি তোমার পানিশমেন্ট হিসেবে তোমায় বাথরোব পড়িয়ে আচমকা ফিতা খুলে দেওয়া হবে। তারপর শোধবোধ! বিষয়টা ইন্টারেস্টিং না?”

না বুঝে মাথা নাড়ালেও স্তম্ভিত হয়ে গেল মোহ। হা হয়ে গেল সে। শ্বাস টুকু নিতেও ভুলে গেছে। একটা ছেলে তাও আবার সম্পর্কে কাজিন কি করে এতোটা বেহায়া কথাবার্তা বলতে পারে ভেবেই মাটির নিচে ঢুকে যেতে ইচ্ছে করল মোহের। লজ্জায় কান্না এসে গেল তার। চোখে টলটল করছে পানি। টুপ করে যেকোনো সময় গড়িয়ে পড়বে যেন। এমন সময় মিসেস. রেবার কন্ঠস্বরে দুজনেই কিছুটা সামলে নিল নিজেদের। ঘাড় ঘুড়িয়ে পিছু ফিরে তাকাল মোহ।

“স্বচ্ছ, এই সময় কোথায় যাচ্ছিস তুই তো কিছু না খেয়ে?”

“বাড়িতে থেকে থেকে বোরিং হয়ে গেছি মা। এখানে বিদেশের মতো তো লং ড্রাইভে সুযোগও নেই। যেখানে-সেখানে জ্যাম এমনকি বাড়িতেও নিরাপত্তা নেই। যেকোনো সময় সম্মানহানি হওয়ার সম্ভবনা থেকে যায়।”

মোহের দিকে আঁড়চোখে তাকিয়ে বলে স্বচ্ছ। মোহ মাথা নিচু করে বসে থাকে। এখন কি সেকেন্ডে সেকেন্ডে একই কথা বলে তাকে ঠেস দেওয়া হবে? ভেবেই চরম বিরক্তিতে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে মোহ। তৎক্ষনাৎ মিসেস. রেবা মুখ বাঁকিয়ে বলেন,
“তুমি এখনো এখানে আছো মোহ? আমি ভাবলাম চলে গেছো।”

“আমি তো চলেই যাচ্ছিলাম মামি। কিন্তু আপনারা কাজটা ঠিক করেননি। আপনি জানেন নানিমা কখনো নিজের ছেলের বদনাম দেখতে চাইবে না। সেকারণেই আজ আপনাদের সঙ্গে রয়ে গেল। আর মি. আহিয়ান স্বচ্ছ, আপনারা অনেক বড়লোক। আপনার নিজের দাদিমার জন্য নিশ্চয় একটা সার্ভেন্ট সবসময় কাছে রাখলে বিশাল বড় ক্ষতি হয়ে যাবে না! এই কথাটা বুঝিয়ে দেবেন।”

শক্ত কন্ঠে কথাগুলো বলে উঠে দাঁড়ায় মোহ। মিসেস. রেবা চোখ বড় বড় করে উচ্চস্বরে বলেন,
“এখন কি তুমি আমায় বোঝাবে আমি কোনটা করব আর কোনটা করব না? ছোট হয়ে এতো বড় বড় কথা বলছো! সাহসটা কমাও মোহ। অচিরেই ভেঙে পড়বে।”

“ভেঙে তো আমি অনেক আগেই পড়েছি। মা-বাবাকে হারিয়ে। তাই আমাকে ভেঙে পড়ার কথা শোনাবেন না। আর আমি নানিমার অবস্থা দেখে এটা বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এর পরের বার যদি উনার যত্নের কমতি হয় তাহলে আইনের ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। মামাকেও কথাটা জানিয়ে দেবেন। আর আপনার ছেলেকে বলে দেবেন নিজের ঘরের দরজা লক রাখতে বা বাথরোবের ফিতা ভালোভাবে লাগাতে। নয়ত নিজের দোষে নিজের সম্মান হাজারো নারীর সামনে হারাতে পারে।”

আর এক মূহুর্ত দাঁড়ায় না মোহ। বড় বড় পায়ের ধাপ ফেলে বেরিয়ে আসে সে। ওই বাড়িটাই তার কাছে বিষাক্ত লাগে। সে শুনেছে ওই বাড়িতে ঢুকতেও তার মায়ের ঘৃণা করত। কারণটা মোহের মামি। মোহের নানিমা অসুস্থ থাকায় মিসেস. নিশাতের এই বাড়িতে আসাযাওয়া বেড়ে গিয়েছিল কিছুটা। যেটা মিসেস. রেবা অর্থাৎ মোহের মামি সহ্য করতেন না। বার বার চিল্লাপাল্লা করে বাড়ি মাথায় তুলতেন উনি। তবুও শত অপমান সহ্য করে এই বাড়িতে আসতেন মিসেস. নিশাত একবার নিজের মাকে দেখার জন্য। আর মোহের বাবা ছিলেন অত্যন্ত মর্যাদা সম্পন্ন মানুষ। এসবের কারণে এই বাড়িতে আসাযাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন উনি। মোহেরও ইচ্ছে নেই এই বাড়িতে আসার। কিন্তু দায়ে পড়া যাকে বলে! এই দায়ে ছুটে আসতে হয়।

মোহ বেরিয়ে যাওয়ার পর রোবটের মতো একস্থানে ঠাঁই দাঁড়িয়ে আছে স্বচ্ছ। মোহের বলা শেষ কথাগুলো শুনে তার মায়ের কি রিয়েকশন সেটাই বুঝতে চাইছে সে। অতঃপর তার মনে হলো এখান থেকে দ্রুত কেটে পড়াই উত্তম। বিলম্ব না করে সে ঝটপট বলল,
“আমি যাচ্ছি বাইরে। আজকে আর অফিস যাওয়া হলো না। যাই হোক বাবা তো গেছে। আমি কাল থেকে আবার যাব।”

বলেই হাঁটা ধরে স্বচ্ছ। কিন্তু বাহিরে পা রাখার আগেই মিসেস. রেবা কনফিউজড হয়ে বলে ওঠেন,
“মোহের বলা শেষ কথাগুলো কি বুঝতে পারলি স্বচ্ছ? আমি তো বুঝলাম না। কি বলল ওই মেয়েটা?”

“আমি কি করে জানব অদ্ভুত! ওই মেয়েটা তো এমনিতেই একটু আজব আর জটিল। কথায় বলে, মেয়েদের মন বোঝা নয় রে নয় সোজা। আমার মতো সহজসরল ছেলেকে মেয়েদের মন বুঝতে না বলাই ভালো।”

“কিন্তু আমার মনে হলো তোর উদ্দেশ্যেই কথাগুলো বলল ওই মেয়েটা। সত্যি করে বল তো? মোহের সাথে তোর কি কিছু হয়েছে?”

কিছুক্ষণের জন্য থমথমে হয়ে এলো স্বচ্ছের চোখমুখ। উজ্জ্বলতা হারিয়ে মূহুর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে গেল তার মুখশ্রী। সে থেমে থেমে জবাব দিল,
“কি হবে আমাদের মধ্যে? কি হওয়ার আছে?”

“হুমম সেটাই বলছি। তোদের মধ্যে কিছু হওয়া উচিত না। কারণ তুই জানিস মোহের সাথে ভবিষ্যতে কি হতে চলেছে!”

“কাউকে ঠকানো কি খুব জরুরি মা? এমনিতে মোহ বুদ্ধিসম্পন্ন মেয়ে। আমার মনে হয় না এই কাজটা করা উচিত।”

“আমায় ঠিক ভুল শেখাতে আসিস না। আমি তোর মা। আশা করছি তুই আমার কথাটা রাখবি। আর তুই জানিস আমি এই কাজটা কি কারণে করছি।”

স্বচ্ছ চোখ বন্ধ করে ফেলে। কিছু ঠিক লাগছে না তার। অস্থির অস্থির লাগছে। তার বুকে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই তোলপাড় কি কখনো থামবে নাকি আরো বাড়বে? থামবে না হয়ত। বেশ কিছুক্ষণ চুপ থেকে সে তিরিক্ষি হয়ে বলে,
“মা, সব মানলাম। কিন্তু দাদিমার জন্য কেন আলাদা কাউকে রাখা হয়নি। আমি তোমায় সেবা করতে বলছি না। কিন্তু মানুষটা অসুস্থ। নিজ পায়ে হেঁটে ওয়াশরুম অবধি যেতে পারেন না। উনার প্রতি কিন্তু তোমার এই আচরণ মেনে নেব না। একজন এক্সট্রা লোক রাখো ইমিডিয়েটলি। আমি বাহিরে যাচ্ছি। এসে যেন শুনি তুমি এক্সট্রা সেবা করার মানুষকে হাজির করেছো।”

মিসেস. রেবাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে প্যান্টের পকেটে হাত গুঁজে চুইংগাম চিবোতে চিবোতে গাড়িতে গিয়ে বসে স্বচ্ছ।

বিকেল গড়িয়ে এসেছে। সন্ধ্যা নামতে কিছুক্ষণ দেরি। বেতের দোলনায় বসে আছে মোহ। হাতে মস্ত বড় অ্যালবাম। পাশের সাদা রঙের টেবিলে রাখা কফির মগ ও ফোন। তবে কফিতে একবারের জন্যেও চুমুক দেয়নি মোহ। তার মনোযোগ অ্যালবামে। সে ডুবেছে ছোট বেলার স্মৃতিতে। যেখানে তার সঙ্গে ছিল মা-বাবা। একেকটা ছবিতে হাত বুলিয়ে মুচকি হাসছে মোহ। আবার পরক্ষণেই মুখ কালো হয়ে আসছে তার। চোখের কোণে থাকা চিকচিক করা পানি মাঝে মাঝে হাত লাগিয়ে মুছে ফেলছে সে।

“আমাকে ছেড়ে যাওয়ার খুব তাড়া ছিল না তোমাদের? আগে তো খুব বলতে তোমাদের মেয়ের বিয়ের না দেখে তোমরা যাচ্ছো না কোথাও! এখন সেই কথার কি হলো? কোথায় তোমরা? আমার জীবন শূন্য করে দিয়ে চলে গেলে।”

দুর্বল কন্ঠে আনমনে কথাটা বলল মোহ। তার এই যন্ত্রণা দেখার মতো কেউ নেই। আজ একটা ভাই বা বোনের কমতি অনুভব করছে মোহ। আবার তার মনে হয় যদি ভাই থাকত সেও যদি তার মামার মতো হয়? এসব ভাবতে ভাবতে ফোনে টুং করে শব্দ হয়। পাশ ফিরে তাকায় মোহ। আয়মান হয়ত মেসেজ করেছে নেটওয়ার্ক না থাকাতে। এই ভেবে অ্যালবাম রেখে নিজের ফোন হাতে নিল মোহ। ফোনের লক খোলার পর ভুল প্রমাণিত হলো সে। একটা প্রাইভেট নম্বর থেকে মেসেজ এসেছে। মেসেজ দেখে চোখ ছোট হয়ে আসে তার।

“আমার জ্বালে ধরা পড়েছো তবে মোহরানী! তোমার মা-বাবা তো চলেই গেল। এখন তোমার কি হবে? তোমার রূপের যে মোহ তা থেকে নিজেকে আটকানো খুব মুশকিল। আই এম ওয়েটিং ফর ইউ। খুব তাড়াতাড়ি দেখা হচ্ছে আমাদের।”

এমন অদ্ভুত মেসেজের কোনো কূল কিনারা পেল না মোহ। তবে সে কিছুটা ভীত হলো। সেই সঙ্গে হতবাক হয়ে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল মেসেজটার দিকে।

চলবে…

[বি.দ্র. ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।]

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ