অসময়ের বৃষ্টি পর্ব-০৫

#অসময়ের_বৃষ্টি
#পর্ব_৫
#তাসমিয়া_তাসনিন_প্রিয়া

ধানমন্ডির একটা নিরিবিলি ক্যাফে। দুপুরের পর থেকেই বাইরে আকাশ মেঘলা করে ছিল, এখন ঝুম বৃষ্টি নেমেছে। ক্যাফের জানালার পাশের একটা টেবিলে রাহি আগে থেকেই বসে আছে। তার সামনে রাখা কফির কাপটা ততক্ষণে ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। দুদিন ধরে আফ্রিদির কোনো খোঁজ না পেয়ে এবং আজ ফোনে তার ওমন অদ্ভুত কথা শুনে রাহির ভেতরে ভয়ের চেয়ে রাগটাই বেশি চড়ছিল। সে বারবার ঘড়ির দিকে তাকাচ্ছে আর পায়ের পাতা নাচাচ্ছে বিরতিতে।

এমন সময় ক্যাফের কাচের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকল আফ্রিদি। বৃষ্টির হালকা ছাঁটে তার টি-শার্টের একাংশ ভিজে গেছে, চুলগুলো কপালে লেপ্টে আছে। তবে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ছিল তার চোখে-মুখে। তার চোখেমুখে ডানপিটে মাস্তানির বদলে এক ধরনের অপরাধবোধ আর তীব্র ক্লান্তি স্পষ্ট বোঝা যায় এখন।

আফ্রিদি এসে রাহির ঠিক সামনের চেয়ারটায় বসল। রাহি অগ্নিদৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে দাঁত কিড়মিড় করে বলল,

“কী ব্যাপার? বসের আসার সময় হলো তাহলে?”

আফ্রিদি ম্লান হাসল।

“ যেভাবে বললে, না এসে উপায় ছিল না। তবে এমনিতেই আমি দেখা করতাম তোমার সাথে। গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। “

“ কীসের গুরুত্বপূর্ণ কথা? তোর চাকরি হয়েছে? “

আফ্রিদি বিরক্তি নিয়ে বলল,

“ চাকরি ছাড়া আরকিছু গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না? “

“ তাহলে?”

“ আমি বিয়ে করে ফেলেছি। “

এক নিঃশ্বাসে কথাগুলো বলল আফ্রিদি। রাহি হেসে ফেলল। বলল,

“কী নাটক শুরু করেছিস তুই?”

আফ্রিদি রাহির চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না। সে টেবিলের ওপর রাখা ন্যাপকিন হোল্ডারটার দিকে তাকিয়ে একটা শুকনো ঢোক গিলল। তারপর খুব নিচু আর ভারী গলায় আবার বলল,

“রাহি… আমি কোনো নাটক করছি না। আর ফোনে যেটা বলেছি, ওটাই সত্যি। আমার বিয়ে হয়ে গেছে।”

রাহি প্রথমে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল, কিন্তু আফ্রিদির কণ্ঠের গম্ভীরতা আর ভেঙে পড়া চেহারা দেখে তার হাসির রেখা মিলিয়ে গেল। ক্যাফের ভেতরের মৃদু আলোতেও সে দেখতে পেল আফ্রিদির হাত দুটো সামান্য কাঁপছে।

“তুই ইয়ার্কি করছিস, তাই না আফ্রিদি?”

রাহির গলাটা এবার একটু কেঁপে উঠল।

“না রাহি,”

আফ্রিদি এবার রাহির চোখের দিকে তাকাল, তার চোখ দুটো লাল হয়ে আছে।

“দাদাবাড়িতে একটা মারাত্মক ঝামেলা হয়েছিল। ফুপাতো ভাইটা বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে যায়। কনেপক্ষের কান্নাকাটি, পরিবারের ইজ্জত… সবকিছুর মাঝে বাবা আমাকে ত্যাজ্যপুত্র করার হুমকি দেয়। আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিয়েটা করতে বাধ্য হয়েছি।”

রাহির মনে হলো চারপাশের সব শব্দ যেন এক নিমেষে স্তব্ধ হয়ে গেল। দুই বছরের প্রেম, এত স্বপ্ন –সব এক মুহূর্তে কাচের মতো ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। তার চোখ ছলছল করছে। চোখের পানি বাইরে চলে আসতে চাইল, কিন্তু সে নিজেকে সামলে নিল। টেবিলে রাখা কফির কাপটা শক্ত করে ধরে সে কান্না চেপে বলল,

“তাহলে তুই এখন কী করতে চাস? ওই মেয়েটাকে ডিভোর্স দিয়ে দিবি?”

আফ্রিদি খানিকক্ষণ চুপ করে রইল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে মাথা নাড়ল সে,

“না রাহি, আমি বিয়েটা ভাঙতে পারব না। মেয়েটার বয়স অনেক কম, মাত্র পনেরো বছর। কিন্তু আল্লাহর কালাম সাক্ষী রেখে, কবুল বলে তাকে আমি ঘরে এনেছি। বিয়ে তো কোনো ছেলেখেলা না যে মন চাইল আর ভেঙে দিলাম। এই পবিত্র জিনিসটাকে অসম্মান করার সাধ্য আমার নেই।”

আফ্রিদির মুখে এমন কথা শুনে রাহির চোখ দিয়ে দুই ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। বুকটা তার কষ্টে ফেটে যাচ্ছে, কিন্তু একই সাথে আফ্রিদির সততা আর বিয়ের প্রতি সম্মান দেখে তার ভেতরের রাগটা যেন জল হয়ে গেল। সে খুব ভালো করেই জানে, আফ্রিদি মুখে যতই রুড হোক, ভেতরটা অন্যায়ের পক্ষে নয়। তাছাড়া পরিস্থিতিটাই এমন ছিল যে না মেনে কোনো উপায় নেই। এখন যত যা-ই করুক সে আফ্রিদি তার হবে না।

রাহি নিজের চোখের জল মুছে একটা লম্বা নিশ্বাস নিল। আফ্রিদির হাতটা টেবিলের ওপর আলতো করে ছুঁয়ে বলল,

“আমি তোকে কতটা ভালোবাসতাম তা তুই জানিস, আফ্রিদি। কিন্তু আজ তুই যা বললি, তারপর তোকে জোর করার বা এই বিয়ে ভাঙার অধিকার আমারও নেই। ভাগ্যের ওপর তো কারো হাত থাকে না। তুই তোর স্ত্রীর সাথেই ভালো থাক। এমনিতেই আমার বাড়িতে তোকে কেউ পছন্দ করে না। সেজন্য চাকরি নিয়ে সবসময় ঘ্যানঘ্যান করতাম। এখন আর কিছু বলতে হবে না। বিয়ে করেছিস, চাকরিও করবি একসময়। “

দীর্ঘশ্বাস ফেলল আফ্রিদি। সত্যি বলতে রাহির সাথে সম্পর্ক থাকলেও হয়তো সে কখনো তাকে মন থেকে ভালোবাসেনি। কারণ কোনো ছেলে মন থেকে কোনো মেয়েকে ভালোবাসলে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে। সেখানে আফ্রিদি শুধু চাকরি করলেই হতো। যেকোনো একটা চাকরি হলেই রাহি তার হাত ধরে চলে আসতো কিংবা বাড়ির সবাইকে মানাতো। কিন্তু সেসবের কিছু হলোনা। পরিস্থিতি মানুষকে বাধ্য করতে পারে কিন্তু সিন্ধান্ত মানুষই নেয়।

“ আমাকে ক্ষমা করে দিও, রাহি। “

রাহি কিছু বলল না। কেবল ম্লান হাসল। একে অপরকে শেষবারের মতো বিদায় জানিয়ে ক্যাফে থেকে বেরিয়ে আলাদা পথে চলে গেল।

রাহির চলে যাওয়ার দিকে আফ্রিদি স্তব্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল। তার চোখের শেষ জলটুকু আফ্রিদির বুকে তীরের মতো বিঁধেছে। বুকটা যেন চিরে যাচ্ছে তীব্র কষ্টে। কিন্তু আসলেই তো তার কিছু করার নেই! নিয়তি তাকে এমন এক মোড়ে এনে দাঁড় করিয়েছে যেখানে একটা পথ বেছে নিলে অন্য পথটা রক্তাক্ত হয়।

রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আফ্রিদি নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করল–কী করত সে? অতটুকু একটা নিষ্পাপ মেয়েকে ডিভোর্স দিলে তার জীবনটা কি এক নিমেষে শেষ হয়ে যেত না? এই সমাজ তাকে ‘ডিভোর্সী’ বলে আজীবন খোঁটা দিত। স্মৃতির মামা-মামি, যারা এমনিতেই মেয়েটাকে বোঝা ভাবত, তারা তো তাকে আর কোনোদিন ভালো চোখে দেখত না। এত ছোট একটা মেয়ের মানসিক অবস্থা পুরো ভেঙে পড়ত। আর সবচেয়ে বড় কথা বিয়ে তো কোনো পুতুলখেলা না যে ভাঙলাম আর গড়লাম। দীর্ঘ একটা নিশ্বাস ফেলে আফ্রিদি আশেপাশে তাকিয়ে রিকশা খুঁজতে লাগল। বাইকটা নষ্ট হয়ে পড়ে আছে কয়েকদিন হলো। কিছুক্ষণের মধ্যেই রিকশায় চড়ে বসে বাড়ির দিকে রওনা দিল সে। তবে মনের ভেতরের ঝড়টা এখনো পুরোপুরি থামেনি।

**

স্মৃতি খাটের ওপর দুই পা গুটিয়ে বসে মন্ত্রমুগ্ধের মতো টিভির স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে আছে। জীবনে মাত্র একবার কার বাড়ি যেন দূর থেকে একটুখানি টিভি দেখেছিল সে, দেখার সুযোগও হয়নি আর কেউ দেখতেও দেয়নি। আজ এই ঘরের দেয়ালে মস্ত বড় টিভিটা পেয়ে সে একেবারে ডুবে গেছে বাইরের দুনিয়া ভুলে। এতটুকু সময়ের মধ্যে জারাকে বলে সে টিভি চালানো শিখে নিয়েছে। এরমধ্যে আফ্রিদি ধীর পায়ে রুমে ঢুকল। মনের ভেতর একরাশ বিষণ্ণতা নিয়ে ঘরে পা রাখলেও, সামনের দৃশ্যটা দেখে তার থমথমে মুখটা হুট করেই হালকা হয়ে গেল। খাটে কলাপাতা রঙের শাড়ি পরা কিশোরী মেয়েটি এককোনায় বসে হা করে ‘মোটু পাতলু’ কার্টুন দেখছে!

স্মৃতি যে আসলেই কতটা বাচ্চা আর নিষ্পাপ, সেটা ভেবে আফ্রিদির ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসি ফুটে উঠল।

টিভির দিক থেকে চোখ না সরিয়েই স্মৃতি ঘরের দরজায় পায়ের শব্দ পেয়ে জিজ্ঞেস করল,

“আপনি আসছেন?”

“না, আমি আসিনি।” আফ্রিদি নিজের স্বভাবসুলভ ত্যাড়া জবাবটা দিল। সোজা কথা সোজাভাবে বলা তো তার ডিকশনারিতেই নেই।

স্মৃতি এবার টিভি থেকে চোখ সরিয়ে আফ্রিদির দিকে তাকাল। তারপর বড় বড় চোখ করে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “

তাহলে আমার সামনে এটা কে দাঁড়িয়ে আছে?”

আফ্রিদি গম্ভীর মুখে রসিকতা করে বলল,

“আমার আত্মা!”

“ও বাবা গো!”

স্মৃতি চমকে উঠে এক মুহূর্তও দেরি না করে নিজের শাড়ির আঁচলটা টেনে এক ঝটকায় পুরো মুখটা ঢেকে ফেলল। যেন সত্যি সত্যি তার সামনে কোনো ভূত এসে দাঁড়িয়েছে! স্মৃতির ছেলেমানুষি আর ভূতের ভয় পাওয়া দেখে আফ্রিদি আর নিজের গাম্ভীর্য ধরে রাখতে পারল না। এতক্ষণের সব কষ্ট আর মানসিক চাপ ভুলে সে শব্দ করে হো হো করে হেসে উঠল। স্মৃতি ভ্রু কুঁচকে ফেলল।

“ আপনি ওমন করে হাসেন কেন?”

“ হাসা নিষিদ্ধ না-কি? “

“ তা না কিন্তু মনে হয় আমার কথা হুনে হাসলেন।”

আফ্রিদি স্মৃতির দিকে এগিয়ে এসে দাঁড়াল। আড়মোড়া ভাঙার মতো ভঙ্গি করে বলতে লাগল,

“ হুনে নয়, শুনে বলবা। “

স্মৃতি ফোঁস করে উঠে দাঁড়াল।

“ উফ! কী জ্বালা…. সবাই এক কথা বলে– স্মৃতি এটা না ওটা, এমন না ওমন৷ আমি না হয় একটু ওমন করে কথা বলি, তাতে কী অয়েছে?”

“ হয়েছে *”

স্মৃতি অন্য দিকে তাকাল। আবারও সেই ভুল ধরাধরি!

“ আচ্ছা শোনো, ডিনার করবে চলো। আমার খিদে পেয়েছে। “

স্মৃতি টিভির দিকে তাকিয়ে জানাল,

“ কাটোন শেষ না হলে যাব না৷ “

আফ্রিদি লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বলে,

“ কার্টুন বলে এটাকে। “

“ ওই হইল–কাটেন কার্টুন এককথা। ওহ কাটেন না কাটোন! “

আফ্রিদি ঠোঁট টিপে হাসছে ওর কথায়।

“ এরকম অনেক কার্টুন আছে আমার ফোনে। রাতে দেখতে দেব তোমাকে, এখন চলো। “

সহসাই খুশি হয়ে গেল স্মৃতি। তার বরটা কত ভালো!

“ ঠিক আছে। চলুন। “

আফ্রিদি কোনো জবাব না দিয়ে চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। কিন্তু স্মৃতি এক লাফে ততক্ষণে রুম থেকে বেরিয়ে গেছে। আফ্রিদি চোখ বড় বড় করে সেটাই দেখছে এখনৃ বিয়ে করে বউ আনল ঘরে না-কি হরিণের ছানা সে বিষয় সন্দিহান সে৷

*

দেখতে দেখতে কেটে গেল বেশ কিছুদিন।

সময়ের নিয়মে আফ্রিদি নিজের ভেতরের ঝড়টা অনেকটাই সামলে উঠেছে। সম্পর্ক ভাঙার কষ্টটা এখন একটা চাপা দীর্ঘশ্বাসে রূপ নিয়েছে, যা সে বুকের কোনো এক কোণে সযতনে লুকিয়ে রেখেছে। এখন আর সে রাত জেগে বন্ধুদের সাথে ফোনালাপ করে না, কিংবা উদাসীন হয়ে বারান্দায় সিগারেট ফুঁকে না। কারণ, খন্দকার বাড়িতে উদাস হয়ে থাকার মতো শান্ত পরিবেশ আর নেই।

সবটাই স্মৃতির জন্য। এই ক’দিনে মেয়েটা পুরো বাড়িটাকে যেন নিজের হাতের মুঠোয় নিয়ে নিয়েছে। তার সারাদিনের অদ্ভুত সব কাণ্ডকারখানা আর বাচালতায় শুধু আফ্রিদি একাই নয়, বরং বাড়ির সব সদস্য সারাক্ষণ মেতে থাকেন। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে শাশুড়ি শারমিনের পিছু পিছু রান্নাঘরে ঘোরাঘুরি করা, সারাকে জোর করে নিজের মামার বাড়ির বানরের গল্প শোনানো, আর জারাকে পেলেই দুজনে মিলে সারা বাড়ি মাথায় তোলা– এই এখন স্মৃতির রুটিন। জয়নাল খন্দকার তো অফিসে যাওয়ার আগে স্মৃতির শুদ্ধ ভাষা শেখার চেষ্টা না শুনলে দিনটাই শুরু করতে পারেন না। হাসি আনন্দে পুরো বাড়িটাকে সারাক্ষণ মুখর করে রাখে ছোট্ট মেয়েটা।

আফ্রিদি অবশ্য বাইরে নিজের গাম্ভীর্যের খোলসটা এখনো ধরে রেখেছে। স্মৃতি রুমে এসে অনর্গল বকবক শুরু করলে সে কপাল কুঁচকে ফেলে, ত্যাড়া ত্যাড়া কথা বলে ধমক দেওয়ার ভান করে। কিন্তু মনে মনে সে-ও স্মৃতির চঞ্চলতা ভীষণ উপভোগ করে। মাঝে মধ্যে শব্দ করে হেসে ফেলে। তখন স্মৃতিও হাসে।

বিকেলে বেলা। বাইরে ঝুম বৃষ্টি নামতেই স্মৃতি বারান্দায় গিয়ে হাত বাড়িয়ে পানি ছুঁইয়ে আনন্দ করতে লাগল। আফ্রিদি রুমের ভেতর ল্যাপটপে মুখ গুঁজে থাকতেই আড়চোখে জানালার ওপাশে থাকা হালকা গোলাপি রঙের শাড়ি পরা মেয়েটার দিকে তাকাল। তার ঠোঁটের কোণে অবচেতনভাবেই হাসি ফুটে উঠল। মনে মনে সে স্বীকার করতে বাধ্য হলো এই অসময়ের বৃষ্টিটা এসে তার রুক্ষ জীবনটাকে সত্যিই একটু একটু করে বদলে দিচ্ছে। আজকাল আফ্রিদির মনে হয় তার কিছু করা উচিত। স্মৃতির ভরণপোষণের জন্য বাবা-মার কাছে হাত পাততে লজ্জা লাগে ওর। লাগবারই কথা। নিজের জন্য হলে আলাদা কথা ছিল, এখন স্মৃতি আছে। সে তার দায়িত্ব। তাই আফ্রিদি অনেক ভেবেছে। ত্যাড়ামি আর টো টো কোম্পানির ম্যানেজারি বাদ দিয়ে একটা চাকরি করবে সে।

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ