অসময়ের বৃষ্টি পর্ব-০৬

#অসময়ের_বৃষ্টি
#পর্ব_৬
#তাসমিয়া_তাসনিন_প্রিয়া

বাইরে রিনিঝিনি শব্দে ঝরছে শ্রাবণের বৃষ্টি। ইট-পাথরের ধূসর শহরের বুকে এই বৃষ্টি যেন স্বস্তির সংবাদ নিয়ে এসেছে। বহুতল দালানকোঠার ছাদ ছুঁয়ে বৃষ্টির জলধারা যখন নিচের পিচঢালা রাস্তায় আছড়ে পড়ছে, তখন তৈরি হচ্ছে এক অদ্ভুত মাদকতা। বাতাসে ভাসছে ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধ আর বৃষ্টির হিমেল ছোঁয়া।

স্মৃতি বারান্দার রেলিং ঘেঁষে দাঁড়িয়ে মুগ্ধ চোখে শহরের এই রূপ দেখছিল। গ্রামের মেয়ে হওয়ার সুবাদে বৃষ্টির সাথে তার সখ্যটা একটু বেশিই গভীর। গ্রামে বৃষ্টি মানেই ছিল টিনের চালে তুমুল নূপুরনিক্কন, উঠোনে জমে থাকা হাঁটু জল আর কাদামাটি মেখে চলাচল করা। কিন্তু শহরের চারকোণা ছোট্ট বারান্দা থেকে বৃষ্টির রূপ একদম আলাদা। এখানে কোনো গাছপালার পাতায় বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ নেই, নেই মেঠো পথের কর্দমাক্ত সুবাস। তবুও, এই যান্ত্রিক শহরের বুক চিরে আকাশ থেকে নেমে আসা জলের প্রতিটি কণা স্মৃতির মনকে আনন্দিত করে দিয়েছে। সে চোখ বুজে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বৃষ্টির ঠান্ডা জলের স্পর্শ নিচ্ছে।

প্রকৃতির সাথে স্মৃতির সময় কাটানোর মাঝেই আফ্রিদি এসে দাঁড়াল। সে কখন যে ঘর থেকে বের হয়ে স্মৃতির ঠিক পেছনে এসে চুপচাপ দাঁড়িয়েছে, স্মৃতি টেরই পায়নি। আফ্রিদি পকেটে হাত দিয়ে কিছুক্ষণ শান্ত চোখে চেয়ে রইল বৃষ্টির জল ছোঁয়া কলাপাতা রঙের শাড়ি পরা মেয়েটার দিকে। তারপর মৃদু কণ্ঠে বলল,

“বৃষ্টি ভালো লাগে তোমার?”

হঠাৎ পেছনে বরের কণ্ঠস্বর শুনে স্মৃতি ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল। আফ্রিদিকে দেখেই তার ঠোঁটের কোণে ফুটে উঠল এক চিলতে প্রাণখোলা, সুন্দর হাসি।

“হ্যাঁ! আপনার পছন্দ না?”

আফ্রিদি বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে কাঁধ উঁচিয়ে বলল, “উমমম… মোটামুটি।”

স্মৃতি অবাক হওয়ার ভান করে বলল,

“সে আবার কেমন?”

“ধরো ভালো আর মন্দের মাঝামাঝি।”

স্মৃতি এবার শব্দ করে হেসে উঠল। ইদানীং তার কথা বলার ধরনে আগের আড়ষ্টতা আর আঞ্চলিকতার টান অনেকটাই কেটে গেছে। শহরের মানুষগুলোর সাথে মিশে সে এখন বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারে। স্মৃতির হাসিমুখের রেশ ধরেই চট করে বলে উঠল,

“তাহলে তো ভালোই, একদিন একসাথে ভিজব।”

স্মৃতির আবদার শুনে আফ্রিদির ভেতরের গম্ভীর ভাবটা এক পলকে মিলিয়ে গেল। সে স্মৃতির চোখের দিকে তাকিয়ে আলতো হেসে বলল,

“ওকে।”

বৃষ্টির হিমেল হাওয়া এসে স্মৃতির ভেজা চুলে দোলা দিয়ে গেল। আফ্রিদি অপলক চোখে চেয়ে রইল ওর শান্ত, মায়াবী মুখের দিকে। এই ক’দিনে মেয়েটা কীভাবে যেন তার মন জুড়ে একটু একটু করে জায়গা করে নিয়েছে। মাঝেমধ্যে আফ্রিদির তীব্র ইচ্ছে করে ওই ছোট্ট মেয়েটাকে একবার আলতো করে ছুঁয়ে দেখতে, গভীর আবেগে নিজের বুকের ভেতর জড়িয়ে নিতে। কিন্তু অবুঝ মেয়েটার সামনে এগোতে তার সাহস হয় না। এতটুকু একটা মেয়ে, সম্পর্কের এই গভীরতা ও স্পর্শকে কীভাবে নেবে, তা ভেবেই সে নিজেকে বারবার গুটিয়ে নেয়। এক অদ্ভুত দ্বিধাদ্বন্দ্ব আর মায়ার জালে জড়িয়ে আফ্রিদি শুধু চেয়েই থাকে।

“কবে ভিজবেন?”

স্মৃতির হুট করে করা প্রশ্নে আফ্রিদির মনের গভীর ঘোরটা এক নিমেষে কেটে গেল। সে স্মৃতির চকচকে চোখ দুটোর দিকে তাকাল। সেখানে বৃষ্টির জলে ভেজার জন্য আকুতি আর চঞ্চলতা খেলা করছে। আফ্রিদির ঠোঁটের কোণে এবার আর কোনো লুকোছাপা রইল না, এক চিলতে প্রশ্রয়ের হাসি ফুটে উঠল।

সে স্মৃতির দিকে এক পা এগিয়ে এসে বলল,

“এখনই চলো ছাদে। তোমার ইচ্ছে আজই পূর্ণ করি।”

আফ্রিদির মুখে এমন অপ্রত্যাশিত সম্মতি পেয়ে স্মৃতি তো মহাখুশি! তার চোখ দুটো আনন্দে জ্বলজ্বল করে উঠল। সে খুশিতে মাথা দুলিয়ে বলল,

“সত্যি বলছেন? চলুন!”

আর কোনো দ্বিধা না রেখে, দুই জন মন এবার বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে ছাদের দিকে পা বাড়াল। বাইরের রিনিঝিনি বৃষ্টি যেন তাদের স্বাগত জানানোর জন্যই আরও একটু বেগ বাড়িয়ে ঝরে পড়তে লাগল। ছাদের দরজাটা খুলতেই বাতাসের ঝাপটার সাথে বৃষ্টির জল এসে ওদের গায়ে লাগল। স্মৃতি মুঠো আনন্দ খুঁজে পেল। সে ছাদের রেলিংয়ের কাছাকাছি গিয়ে দুই হাত মেলে দিয়ে বৃষ্টির পানি ধরতে লাগল। কলাপাতা রঙের শাড়িটা কিছুক্ষণের মধ্যেই ভিজে গায়ের সাথে লেপ্টে গেল, কিন্তু সেদিকে তার বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই। সে বৃষ্টির ছন্দে ছাদজুড়ে প্রায় নেচে-কুঁদে লাফাতে লাগল। তার চোখে-মুখে উপচে পড়ছে বাঁধভাঙা খুশি।

আফ্রিদি কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে পকেটে হাত দিয়ে শুধু একদৃষ্টে তাকিয়ে দেখছিল ওকে। বৃষ্টির জলছাপ স্মৃতিকে যেন আরও বেশি রূপবতী আর মায়াবী করে তুলেছে। ঠিক তখনই ঘটে গেল বিপত্তি। ভেজা ছাদটা বেশ পিছল ছিল। স্মৃতি ঘুরতে গিয়ে হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যেতে নিল।

“স্মৃতি!”

আফ্রিদি বিদ্যুৎ গতিতে এগিয়ে গিয়ে এক ঝটকায় ওকে জড়িয়ে ধরে নিচে পড়ে যাওয়া থেকে বাঁচাল। স্মৃতির ভেজা শরীরটা পুরোপুরি এসে আছড়ে পড়ল আফ্রিদির চওড়া বুকের ওপর। বৃষ্টির পানিতে ভিজে শাড়িটা স্মৃতির শরীরের সাথে লেপ্টে রয়েছে। আফ্রিদি যখন শক্ত করে ওকে ধরে রাখতে ওর কোমরে হাত রাখল, তখন হুট করেই তার বুকের ভেতর এক তীব্র ঝড় বয়ে গেল। ভেজা শরীরে স্মৃতির উষ্ণতা আর এত কাছাকাছি থাকাটা আফ্রিদির ভেতরের পুরুষালি সত্তাকে জাগিয়ে তুলল। বিবাহিত স্ত্রীর সান্নিধ্য আর স্পর্শ পাওয়ার স্বাভাবিক তাড়না অনুভব করল সে।

স্মৃতি ভয় পেয়ে চোখ গোল গোল করে সোজা হয়ে দাঁড়াল। আফ্রিদির হাত এখনো ওর কোমরে। আফ্রিদি যেন ঘোরে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে, তীব্র নেশাগ্রস্তের মতো সে হুট করেই স্মৃতিকে নিজের বুকের সাথে শক্ত করে চেপে ধরল। কোনো কিছু ভাবার আগেই সে স্মৃতির ভেজা কাঁধ আর ঘাড়ের সন্ধিস্থলে নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল। হঠাৎ তীব্র শিহরণে চমকে উঠল স্মৃতি।

সে পুরোপুরি জমে বরফ হয়ে গেল। এসব শারীরিক স্পর্শ, ভালোবাসা বা দাম্পত্যের গভীরতা সম্পর্কে তার বিন্দুমাত্র কোনো ধারণা নেই। বয়স পনেরো পেরিয়ে ষোলতে পড়লেও, খুব ছোটবেলা থেকেই সে অনাদরে-অবহেলায় বড় হয়েছে। কোনো বান্ধবী কিংবা কোনো অভিভাবক পাশে না থাকায় কৈশোরের স্বাভাবিক অনুভূতিগুলো তার সম্পূর্ণ অজানা, অস্পৃশ্য রয়ে গেছে। তাই আফ্রিদির এমন আকস্মিক ও তীব্র ঘনিষ্ঠতা তাকে রোমাঞ্চিত করার বদলে অজানা ভয়ে কুঁকড়ে দিল। তার মনে হলো সে কোনো এক বিপদে পড়েছে।

আফ্রিদির বুকের ভেতর ছটফট করতে করতে ভয়ার্ত চোখে কেঁদে ফেলল স্মৃতি। কান্নাভেজা কণ্ঠে আর্তনাদ করে বলল,

“কী করছেন আপনি? ছাড়ুন আমাকে! ছাড়ুন!”

স্মৃতির অপ্রত্যাশিত প্রতিক্রিয়া দেখে আফ্রিদি যেন সপাটে একটা ধাক্কা খেল। তার ঘোর এক নিমেষে কেটে গেল। সে একদম বোকা বনে গেল। স্মৃতি যে এই স্বাভাবিক স্পর্শেও এভাবে কেঁদে উঠবে আর ভয় পাবে, তা সে স্বপ্নেও ভাবেনি। আফ্রিদি অপরাধীর মতো হাত দুটো সরিয়ে নিয়ে ব্যাকুল গলায় ডাকল,

“স্মৃতি! আমি আসলে…”

কিন্তু আফ্রিদি কথা শেষ করার আগেই স্মৃতি তার চোখের জল মুছতে মুছতে এক ছুটে ছাদের দরজা দিয়ে সিঁড়ির দিকে দৌড়ে চলে গেল। ভেজা ছাদে একা দাঁড়িয়ে রইল আফ্রিদি, তার বুকের ভেতর অপরাধবোধ আর এক আকাশ শূন্যতা হু হু করে ডাকছে।

রুমে ঢুকেই সোজা ওয়াশরুমে গিয়ে দরজাটা আটকে দিল স্মৃতি। তার পুরো শরীর এখনো কাঁপছে। বুকের ভেতরটা ধড়ফড় করছে দুরুদুরু শব্দে। সে ঠিক বুঝতে পারছে না আসলে কী ঘটে গেল তার সাথে!

আফ্রিদি কেন ওরকম করল? তবে কি সে খারাপ মানুষ? কিন্তু আফ্রিদি তো অনেক ভালো। এই ক’দিনে সে তো স্মৃতির সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করেনি। তবে আজ কেন ওভাবে এত শক্ত করে জড়িয়ে ধরে অমন করল? প্রশ্নের পর প্রশ্ন স্মৃতির ছোট্ট মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল, যার কোনো সঠিক উত্তর তার জানা নেই। কান্না লুকিয়ে সে তাড়াতাড়ি গায়ে পানি ঢেলে গোসলটা সেরে নিল।

ঠিক তখনই জারার কন্ঠস্বর শুনতে পেল। জারা রুমে ঢুকে স্মৃতিকে না পেয়ে ওয়াশরুমের দরজার সামনে এসে ডাকতে লাগল,

“স্মৃতি! ও স্মৃতি! ভেতরে নাকি তুমি?”

স্মৃতি তাড়াহুড়ো করে ভেজা কাপড় ছেড়ে শাড়ি পেঁচিয়ে ওয়াশরুমের দরজাটা খুলল। জারাকে দেখেই সে নিজের মনের ভেতরের তোলপাড়টা ঢাকার চেষ্টা করল।

জারা স্মৃতির ভেজা চুলের দিকে তাকিয়ে এক গাল হেসে বলল,

“কী গো ভাবি! এই অসময়ে গোসল? তা ভালো। আচ্ছা, তোমার না নতুন কাচের চুড়ি লাগবে বলছিলে? চলো চলো, অর্ডার করা চুড়িগুলো চলে এসেছে, দেখবে চলো!”

চুড়ির কথা শুনে স্মৃতির মনটা একটু হালকা হলো। সে ধীর অবয়বে মাথা নেড়ে সায় দিল। জারা আর দেরি না করে স্মৃতির হাত ধরে টেনে একপ্রকার হাসিমুখে নিয়ে গেল।

ওরা ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক পর মুহূর্তেই রুমে ঢুকল আফ্রিদি। আফ্রিদির চুলগুলো আধাভেজা, চোখের কোণে একরাশ অপরাধবোধ আর আফসোস স্পষ্ট। সে খাটের দিকে তাকাল, স্মৃতি নেই। ঘরটা একদম খালি। ওয়াশরুম চেক করে বুঝতে পারল মেয়েটা সেখানে ছিল, চেঞ্জ করেছে।

আফ্রিদি বিছানার এক কোণে বসে হাত দিয়ে মুখ ঢাকল। স্মৃতির কান্নাভেজা চেহারাটা তার চোখের সামনে ভাসছে। সে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করতে লাগল–

স্মৃতি তো এতটা ছোট নয় যে সামান্য একটু ভালোবাসার ছোঁয়ায় এমন পাগলের মতো আচরণ করবে! তার বয়স তো এখন ষোলো। এই বয়সের মেয়েরা তো এসব বোঝে। তাহলে কি স্মৃতি তাকে ঘৃণা করে? আফ্রিদিকে নিজের স্বামী হিসেবে সে এখনো মেনে নিতে পারেনি বলেই কি তার স্পর্শে ওভাবে ভয় পেয়ে দূরে সরে গেল? নাকি আফ্রিদিকে আসলেই সে কোনো অপরাধী বা খারাপ মানুষ ভাবছে?

এক বুক সংশয় আর অস্থিরতা নিয়ে আফ্রিদি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে নিজের ভেজা শরীর আর মনের অস্থিরতা দূর করার জন্য সে ধীর পায়ে ওয়াশরুমের দিকে এগিয়ে গেল। এখন একটু মাথায় পানি ঢালা খুব দরকার।

এদিকে জারার হাত ধরে স্মৃতি ওর রুমে এসে ঢুকল। সেখানে আগে থেকেই সারা বসে ছিল। বিছানার ওপর ছড়ানো হরেক রঙের কাশ্মীরি আর সুতোর কারুকাজ করা হাতের তৈরি চুড়ি। অনলাইনে এই কাশ্মীরি চুড়িগুলো তিনজনের জন্যই অর্ডার করেছিল জারা। পার্সেলটা একটু আগেই এসেছে।

স্মৃতিকে দেখে সারা ওর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। বিছানা থেকে এক গোছা উজ্জ্বল লাল আর সোনালি রঙের চুড়ি হাতে তুলে নিয়ে বলল,

“দেখো তো, কত সুন্দর চুড়ি! পছন্দ হয়েছে তোমার?”

সবসময় যেকোনো সুন্দর জিনিস দেখলে যে মেয়েটা খুশিতে ডানা কাটা পাখির মতো ছটফট করে উঠত, আজ সে একদম শান্ত। স্মৃতি কেবল আলতো করে দুদিকে মাথা নেড়ে জানাল,তার পছন্দ হয়েছে। মুখে কোনো কথা বলল না, এমনকি তার ঠোঁটের কোণে চিরাচরিত মিষ্টি হাসির রেখাটুকুও ফুটল না। চোখ দুটো কেমন যেন আনমনা, মেঝেতে স্থির হয়ে আছে।

স্মৃতির অস্বাভাবিক নীরবতা আর নিষ্প্রাণ ভাব দেখে সারা আর জারা দুজনার মনেই বেশ বড়সড় খটকা লাগল। যে মেয়ে সারাক্ষণ কথার খৈ ফোটায়, সে হুট করে এত নিস্তেজ হয়ে গেল কেন?

জারা স্মৃতির কাঁধে হাত রেখে একটু ঝুঁকে ওর মুখটা দেখার চেষ্টা করে জিজ্ঞেস করল,

“কী হয়েছে ভাবী? শরীর খারাপ লাগছে তোমার? মুখটা এমন শুকিয়ে আছে কেন?”

স্মৃতি চট করে নিজের ভেজা চোখের পাতা দুটো আড়াল করার জন্য মাথা নিচু করে নিল। আমতা আমতা করে বলল,

“না আপা… শরীর ঠিক আছে। এমনেই…”

সারা আর জারা একে অপরের দিকে তাকাল। দুজনের চোখেই এখন স্পষ্ট সংশয়। কিছু একটা তো নিশ্চয়ই ঘটেছে, যা স্মৃতি লুকাতে চাইছে।

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ