Saturday, June 6, 2026







গোপন সংসার পর্ব-০৮

গল্প – গোপন সংসার
পর্ব -৮
লেখক : রিহান অরণ্য

ভাবির রুমে রাতে থেকে সকালে উঠে গিয়ে নাস্তা রেডি করলাম।কাকি ওরা সকালে নাস্তা খেয়ে হাসপাতালে চলে যায়,আর আজকে তো আরো ২ জন আছে।সিফিন কে রেখে আমি সকালের নাস্তা রেডি করলাম, সকালে কাকিরা নাস্তা খেয়ে হাসপাতালে চলে গেছে আমি ভাবির থেকে সিফিন কে নিয়ে এসে শুয়ে আছি, ওরা এখন ও উঠে নি, বললো সকালে চলে যাবে কিন্তু কোন খবর নেই, ওরা এক রুমে কেমনে শুইলো? একবারের জন্য মেয়ে টা না করলো না, তাদের মধ্যে আগে থেকে কোন সম্পর্ক আছে মনে হয় তা না হলে এক সাথে থাকতো না। সকাল ১০ টা বেজে গেছে এখন ও কোন খবর নেই। একটু পর তূর্য উঠছে, আমাকে জিজ্ঞেস করলো তুমি তো ডাক দিলেনা আমাকে, আমি বললাম কি দরকার আপনাদের বিরক্ত করার,আপনারা যা করতেছেন করেন, আমি কেন আপনাদের রুমে যাবো।

তূর্য বললো,আরে ওয় তো চলে গেছে, রাত ৪ টা বাঝে, ওর বাসা থেকে গাড়ি পাঠিয়েছে, আমি নিয়ে দিয়ে আসলাম এয়ারপোর্ট গেইটে, আমি সত্যি না মি’থ্যা জানার জন্য রুম গুছানোর নাম করে রুমে গেলাম, দেখি মেয়ে নাই।

আমি তূর্য কে বললাম সিফিন কে নিয়ে একটু বাহির থেকে ঘুরে আসেন। ওর জন্য কিছু জামা কাপড়, কিছু খেলনা নিয়ে আসেন, তূর্য নাস্তা করে সিফিন কে নিয়ে বাহিরে গেলো সে ফাঁকে আমি দুপুরের খাবার রেডি করতে লাগলাম। তানজিলা কে ফোন দিলাম বললাম তর দুলাভাই বাসায় আছে তরা কখন আসবি।ওয় বললো ওর মামি আসলে ওয় আর ওর মা চলে আসবে। তূর্য বাহির থেকে আসার পর সিফিন কে কোলে নিতে গেছি কিন্তু সে আমার কোলে আসে না,আজকে বাবার কাছে নতুন নতুন খেলনা পাইছে তাই বাবা আপন হয়ে গেছে, তূর্য বললো থাকুক না তুমি রান্না করো,আমি বললাম আপনার সাথে আমার কথা আছে।ওনি বললো বলো কি কথা, আমি ওনাকে সব টা বললাম যে আমার কাকি মা, আমার চাচাতো বোন এসেছে, ওদের সাথে একটু কথা বইলেন, ওরা এখন বাহিরে, আসবে একটু পর, তূর্য বললো ওনারা কবে আসলো, আমি বললাম কয়েক দিন হলো। কিছু দিন থেকে চলে যাবে।

তূর্য বললো ঠিক আছে ওনারা আসলে আমাকে ডাক দিয়ো।

কাকি রা আসার পর ওদের খাবার দিয়ে আমি কাকি কে বললাম আপনাদের জামাই লজ্জা পায় তাই সামনে আসে না আমি নিয়ে আসবো, আপনি কথা বলবেন,আর বাড়িতে কি হয়েছে না হয়েছে এসব বলবেন না পরে আমার সমস্যা হবে,কাকি বললো ঠিক আছে।

আমি রুমে গিয়ে তূর্য কে নিয়ে আসলাম, ওনি কাকির সাথে কথা বললো, অনেক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে, লাস্টে কাকি শুধু বললো বাচ্চা টার দিকে খেয়াল রাখবা ওয় যেন ওর মার মতো কষ্ট না পায়, তূর্য বুঝতে পারে নি কাকি কি বলছে আমি যে বাড়ি ছাড়লাম এটাই বুঝাইলো,আর তূর্য মনে করছে ওর মার কথা আমি ওদের কাছে বলছি।

ওদের সাথে কথা শেষ করে তূর্য রুমে চলে গেছে আমি তানজিলা কে সাথে নিয়ে আমার রুমে গেলাম, ওরে বলে দিছি আগেই তুই ছবি তুলবি আমাদের বাড়িতে সবাই কে দেখাবি।
তূর্য সিফিন কে নিয়ে শুয়ে আছে আমি গিয়ে সিফিনের পাশে শুয়ে মাথা টা তূর্যের বুকে নিয়ে রাখছি তানজিলা ছবি তুলছে ফোন টিপার নাম করে।

আমি যেই তূর্যের বুকে মাথা রাখছি তখনি তূর্য বললো কি করছো তোমার বোন এখানে, আমি সিফিনের গাল টানার নাম করে আরেকটু কাছে চলে আসলাম তূর্যের মানে ওর পায়ের উপর পা আর বুকে মাথা, তানজিলা তখন ইশারা দিলো তখন নেমে গেলাম, নেমে তূর্য কে বললাম ওরে কি দেওয়া যায় বলেন তো ওয় এই প্রথম আমাদের বাসায় আসলো, তূর্য ওর ব্যাগ থেকে কি জানি বের করে ওর হাতে দিছে, আমি বললাম চল তানজিলা তর ভাইয়া ঘুমাক।
তানজিলা কে বাহিরে এনে বললাম কি দিলোরে তরে ওয়? হাতের মুট খুলে দেখালো অনেক গুলো টাকা আমি বললাম রেখে দে আর ছবি গুলো আমাকে পাঠিয়ে দে,তর মা যেন টাকা না দেখে তাইলে নিয়ে যাবে এই বলে তানজিলা কে ওই রুমে দিয়ে, আমি সিফিনের কাছে চলে গেলাম।

তূর্য আমাকে বললো লাইট অফ করে সিফিন কে ঘুম পাড়িয়ে দাও, আমি বললাম না থাক, তূর্য বললো ওয় না ঘুমালে হবে না, আমার ল্যাপটপে কাজ করতে পারবো না।আমি বললাম আপনি কাজ করেন ওরে আমার কাছে রাখি, ওরে এখন ঘুম পারালে রাতে ঘুমাবে না,আর রাতে না ঘুমালে আমার ও ঘুম হবে না,আমার সকালে ক্লাস আছে।
তূর্য বললো ঠিক আছে তাইলে রাতেই করবো, বললাম কি করবেন রাতে, তূর্য বললো ল্যাপটপের কাজ,আমি বললাম ও আচ্ছা 😷।

সিফিন আজকে আমার কাছে থাকে না কোলে নিলে ও ওর বাবা দিকে ঝুকে পরে, তূর্য বুঝতে পারছে সিফিন আজকে ওনারে ছাড়া কারো কাছে থাকবে না,তাই ওরে নিয়ে শুয়ে পরছে তূর্য, আমি তূর্য কে বললাম ক্যামেরা টা ঠিক আছে তো, তূর্য বললো কেন ঠিকই তো আছে, আমি বললাম আমার ফোনে সেট করে দেন যাতে কলেজে গেলে সিফিন কি করে দেখেতে পারি, আমার ফোন হাতে নিয়ে সেটাপ করে দিছে।
আমি বললাম সব কিছু শিখিয়ে দেন কেমনে কি করে ওনি সব কিছু শিখিয়ে দিছে, আমি এইবার মনে মনে বলতে লাগলাম কাল রাতের মুভি টা দেখবো, ফ্রী হয়ে নেই, ( মানে ওই মেয়ের সাথে রুমে কি করছে কখন গেছে মেয়েটা)

তূর্য শুয়ে শুয়ে সিফিনের সাথে খেলছে আর বার বার আমাকে জিজ্ঞেস করছে রেশি তুমি কি করছো, আমি বললাম কিছু না তো, তূর্য বার বার এই কথা বলার মানে আমি বুঝতে পারছি, একটু আগে যে ওর বুকে শুয়ে সিফিনকে আদর করলাম এখন সেই টাই চাচ্ছে।আহারে বেচারা তখন তো ছোট বোনকে দেখানোর জন্য ছিলো এখন কাজ হবে না।আমি খাঠের এক পাশে বসে আছি সিফিন তার বাবার বুক থেকে নেমে আমার কাছে চলে এসেছে, আমার জামা ধরে আছে।
একটু পর আবার তার বাবার কাছে চলে গেছে একটু পর আবার আসলো আবার জামা ধরে আছে, আমি বুঝতে পারছি সে চাচ্ছে আমি যেন তার সাথে তার বাবার কাছে যাই,আর এইদিকে তূর্য বললো তোমার জামা ধরে টানছে কেন,আমি বললাম জানি না,তূর্য বললো মনে হয় সে তোমাকে শাড়ি পরতে বলছে জামা খুলে, আমি বললাম এইটুকু বাচ্চা জামা আর শাড়ি কি বুঝে, নাকি আপনি চান আমি শাড়ি পরি, এইবার সে লজ্জা পেয়ে বললো না,তবে মনে হলো তাই বললাম, তখন আমি আর কিছু না বলে সিফিন কে কোলে নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম কাকির কাছে,তূর্য কে বললাম আপনি আপনার কাজ করেন।

____________________________________

রাতে সবার খাওয়া শেষ করে সব গুছিয়ে রুমে গিয়ে তূর্য কে বললাম সিফিন কে নিয়ে বাহির যান একটু, আমি রুম ঝাড়ু দিবো,ওনি সিফিন কে নিয়ে বাহিরে গেলো, সেই ফাকে আমি শাড়ি পরে নিলাম, একটু পর ওনি আসলো বললো কাজ শেষ হয়েছে, আমি বললাম হ্যা। তখন ওনি আমার দিকে তাকিয়ে আছে, সিফিন ও মুখে আঙ্গুল দিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে আছে, ওর চোখে ঘুম,আমি ওনার কোল থেকে সিফিন কে নিয়ে গেলাম ঘুম পাড়ানোর জন্য, একটু পর সিফিন ঘুমিয়ে গেছে, আমি বললাম আপনি উপরে শুয়ে থাকেন আমি নিচে ঘুমাবো।তবে এখন না ৪ ঘন্টার একটা মুভি আছে ওটা দেখবো, তূর্য বললো ৪ ঘন্টা আবার কিসের মুভি,আমি বললাম আছে আগে দেখি।

শুয়ে থেকে সিসিটিভির ফুটেজ রেকর্ড করে কাল ওরা যখন থেকে ২ জনে একা ছিলো তখন থেকে দেখা শুরু করলাম।
১ ঘন্টা বেশি দেখা শেষ টেনেটুনে, কোথাও কিছু দেখলাম না
মেয়েটা তার ব্যগ খুলে সব বার করে আবার গুছাইয়া রাখছে।
আর ওনি চিত হয়ে শুয়ে ফোন টিপছে, কিন্তুু কথা রেকর্ড হয়নি কি কথা হয়েছে বুঝতে পারিনি, তার পরের ১ ঘন্টা ওখানে ও তেমন কিছু ছিলো না, তার পরের ঘন্টায়, মেয়েটি কার সাথে জানি ফোনে কথা বলছে, আর ওনি সেই ফোনই টিপলো,মনে হয় গেইম খেলছে, মেয়েটি ফোনে কথা বলার সময় তূর্য কি যেন বললো মেয়েটা কে তার পর ২ জনই হাসাহাসি করলো, রাত ৩ টা পরযন্ত ওরা কেউ কারো কাছে যায় নি, এখন লাস্ট ফুটেজ টা চেক করবো অনেক সময় হয়ে গেছে তূর্য কাল যেমনে শুয়ে ছিলো আজকে ও তেমনই শুয়ে আছে, ৩:২৫ মিনিটে মেয়েটা গোসল করতে গেছে, বের হয়েছে ২০ মিনিট পর তার পর সে রেডি হয়েছে, ৩:৫৭ মিনিট মেয়ে কে নিয়ে বের হয়ে গেছে।

তারা মূলত রাতে ঘুমায় নি এই জন্য ৩ ঘন্টা পর মেয়েটা চলে যাবে তাই,, মেয়েটা চলে যাবার ১ঘন্টা ২৩ মিনিট পর তূর্য রুমে এসেছে, রুমে এসে শুয়ে পরছে,, যাক যে চিন্তা করলাম সেটা ভুল ছিলো।

তূর্য শুয়ে আছে আমি ও নিচে বিছানায় শুয়ে আছি, রুমে ডিম লাইট ছিলো তূর্য বললো সেই আলোতে আমার শাড়ির কালার টা সুন্দর ফুটেছে, আমি বললাম তাই, আপনার দেওয়া শাড়ি একটু তো সুন্দর হবেই, তখন ওনি বিছানা থেকে নেমে আমার কাছে চলে আসলো। বললো ছেলে কে রেখে নিছে কেন ঘুমাবা, আমি বললাম না এমনি। ওনি বললো যাও সিফিনের কাছে গিয়ে শুয়ে থাকো, আমি উপরে চলে গেলাম এখন ওনি নিচে শুয়ে আছে, শাড়ি পরে আমি ঘুমাতে পারছি না কেমন জানি লাগছে, কিন্তু খুলা ও যাবে না এখন।

শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম ওর বাবা তো ওর লগে থাকে না ছুটিতে এসেছে এখন ওনার সিফিনের সাথে ঘুমানোর দরকার আমার সাথে তো সে প্রতিদিন ই থাকে।

আমি তূর্য কে বললাম আপনি উপরে আসেন, আমি নিচে যাই, ৩ বার বলার পর ও সে আমার কথায় কান দেয়না।তখন আমি উঠে নিচে নামলাম তূর্য কে হাত ধরে উপরে নিয়ে আসলাম, সে আমাকে বললো তোমার যদি কোন ক্ষ’তি করে ফেলি তখন কি করবা, আমি বললাম কি ক্ষ’তি করবেন, ওনি বললো যদি করি,( আমি মনে মনে বলতে লাগলাম আমার জীবনের সব থেকে ক্ষ’তি তো হলো কুমারী হয়ে বাচ্চার মা হওয়া তে বাড়ির লোকের সাথে সম্পর্ক ন’ষ্ট হলো, কেউ আমাকে বিয়ে ও করবে না,)

আমি বললাম আপনি যদি কিছু করেন তাইলে সেটা কে ক্ষ’তি হিসেবে ধরবো না, এখন বলেন কি করবেন,
তূর্য কোন কথা না বলে আমার কপালে কিস করে নিলো, আমাকে কিছু বলার সুযোগ ও দিলো না,শুধু বললো সরি, পারমিশন ছাড়া করে ফেলছি, আসলে তোমাকে এতো সুন্দর লাগছিলো যে আমি কেমন হয়ে গেছি জানি না,

আমি বললাম শাড়িতে সমস্যা হলে খুলে ফেলি, ওনি না,খুলবা না, কিন্তুু আমি ওর কথা না শুনে শাড়ি খুলতে লাগলাম তখনই সে আমার ২ হাত পিছনে নিয়ে শাড়ির আচল দিয়ে বেধে দিয়ে খাঠে শুয়িয়ে দিলো আমাকে একটু পর চোখ বেধে দিলো, আমি জিজ্ঞেস করলাম কি করছেন আপনি এসব,আমি আপনার ছেলের জন্য এখানে আছি, আমি আপনার কাছে আমানত,আপনি চাইলে আমাকে যা খুশি করতে পারবেন আমি বাধা দিয়ে পারবো না, কিন্তু আমি চাই না আপনি আমাকে কিছু করেন,আমি এখনো।কুমারী
এই দেহে আপনার স্প’র্শ ছাড়া কারো স্প’র্শ পরেনি, আমি হালাল সম্পর্ক চাই,

তার পর ও যদি আপনি কিছু করতে চান আমি বাঁধা দিবো না করেন, তবে হাত পা বাঁধা লাগবে না, আমি এক ঘরে আপনার সাথে শুয়ে আছি আপনি চাই লে সব নিয়ে নিতে পারেন,

তূর্য আমার কথা শুনে হাতের বাঁধন খুলে দিছে, চোখ খুলে দিয়ে বললো, যাও তুমি মুক্ত, শাড়ি খুলে ফেলো, এই বলে সে নিজেই শাড়ি খুলে ফেললো টেনে, শাড়ি খুলে সে শাড়িটা ছিড়ে ফেলছে,আর কোন দিন ওর সামনে শাড়ি বলতে না করছে, আমার এই রুমে পরার মতো জামা ছিলো না, তাই বিছানার চাদর গায়ে ঝরিয়ে নিলাম, তূর্য বালিশ নিয়ে নিছে শুয়ে পরছে,
আমি শুধু ওর রাগ টা দেখলাম শাড়িটা খুলে ছিঁড়েই ফেললো, আমি কোন কথা বলি না, ওয় একটু পর চুপচাপ হয়ে গেছে, আমি ঘুমাচ্ছিনা ভাবতে লাগলাম
কি করে এমন পাগ’লামি বন্ধ করবো।
মাঝে মধ্যেে ওয় কাশতে লাগলো, এসি অফ করে দিলে যদি কিছু বলে তাই চাদর টা ওনাকে দিয়ে দিলাম, ওনিও ঘুমানি চাদর টা গায়ে থেকে ফেলে দিছে, আমি আবার চাদর নিয়ে ওর গায়ে দিলাম এইবার সে চাঁদর টা ও ছিঁড়ে ফেলছে,, আমি বললাম চাদরে কি দোষ করলো,ওটা কেন ছিঁড়লেন, ওনি কোন কথা বলে না, তখন বললাম ফুটকা মাছের মতো না ফুলে কথা বলেন
ওনি এইবার বললো আমার গায়ে যেটা দিবে সেটাই ছিঁড়ে ফেলবো, আমি চাইনা কে দরদ দেখাক।

যখন বললো সব ছিঁড়ে ফেলবে তখন বললাম সত্যি তো তূর্য বললো হ্যা সত্যি বিশ্বাস হয়না এই বলে ওর গায়ে থাকা টি-শার্ট টা ও ছিঁড়ে ফেললো মূহুর্তের মধ্যে।
আমি বললাম এতো রাগ আচ্ছা দেখি এখন ছিঁড়তে পারেন কি না এই বলে আমি ওর উপরে উঠে গেলাম।

চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ