গল্প – গোপন সংসার
লেখক : রিহান অরণ্য
পর্ব – ১
কুমারী হয়েও প্রতিদিন বুকের দুধ খাওয়ানো অভিনয় করতে হয় সিনহা পরিবারের ছোট ছেলে আফরান খান তূর্যের ৩ মাসের শিশু সন্তান সিফিন সিনহা কে,
সিফিন সিনহা জন্মের সময় তার মা, মা-রা যায়, তূর্যের বিয়ের কথা সিনহা পরিবারের কেউ জানতো না, তাই গোপনে তূর্য সিনহা এক জন বেবি দেখাশোনা করার জন্য নার্স নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়, আমি সেই বিজ্ঞপ্তি দেখে WhatsApp মেসেজ দেই, তুর্য সিনহা আমার মেসেজ রিপ্লাই দিয়ে আমার এড্রেস জানতে চাইলো, পূর্বে অভিজ্ঞতা আছে কি না ঢাকার ভিতরে থাকতে পারবো কি না, আমি মেসেজ আমার এড্রেস, কলেজের নাম, বর্তমান ঠিকানা সব কিছু ওনাকে পাঠিয়ে দিলাম, ওনি বার বার জিজ্ঞেস করলো আমি চাকরি টা করবো কিনা, আমি বললাম হা করবো,তখন তূর্য বললো যদি চাকরি করি, ৪ বছরের কন্টাক্ট পেপারে সাক্ষর করতে হবে, সেলারি নিয়ে কোন সমস্যা হবে না, এখন আমি কোন রিপ্লাই দিচ্ছি না, কারণ ৪ বছর অনেক টা সময়, আমার পরিক্ষা আছে তা ছাড়া মেয়ে মানুষ বিয়েসাদী ব্যাপার আছে,
যখন আমি রিপ্লাই দিচ্ছি না তখন ওনি ফোন দিছে,
আমি ফোন রিসিভ করে বললাম ৪ বছর না করে ১/২ বছর করা যায় না, তূর্য সিনহা উত্তর দিলো এটা কোন খেলনা না যে কয়দিন পর পর পরিবর্তন করবো এটা আমার সন্তানের ভালোর জন্য সিদ্ধান্ত, কয়দিন পর পর তো আর ওর জন্য মা পরিবর্তন করতে পারবো না,
মানে বাচ্চা যার কাছে মানুষ হবে তাকেই তো মা মনে করবে,১/২ বছর পর তুমি চলে গেলে আমার সন্তান তোমাকে খুজবে, নতুন কাউকে আনলে ও কাজ হবে না, তাই আমি চাই ৪ বছর, আর চার বছর পর আমি বিয়ে করবো তখন সমস্যা হবে না, ( আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনার ছেলের আম্মু কই, ওনি বললো এখন এসব বলার সময় নেই,)
আমি বললাম ৪ বছর আমার পরিক্ষা তার পর যদি বাড়ি থেকে বিয়ে দিতে চায়, তূর্য সিনহা বললো বিয়ে হলে হবে জামাই নিয়ে আমার বাসায় থাকবে, আর তোমার লেখাপড়া, বিয়ে সব কিছুর দ্বায়িত্ব আমার,
এখন ওনার কথা শুনে ফেক মনে হলো তাই বললাম
ঠিক আছে তা হলে ৪ মাসের সেলারি অগ্রিম দিতে হবে, ওনি তাতেও রাজি, আমি বললাম ঠিক আছে বি*কাশ
প্রেমেন্ট করতে হবে, ওনি রাজি হলো, বললাম কাল সকালে দিয়ে দিবো, এখন একটু ঘুমাই অনেক রাত হয়েছে, ( আমি মনে মনে বলি ওনি সত্যি ফেক না হলে কি এখন দিনের বেলা কে অনেক রাত বলে নাকি,মনে হয় নেশা করে, তাই ভাবছি ব্লক করে দিবো, আজকের দিনটা অপেক্ষা করেই কাল ব্লক করবো,
বিকাল বেলা রান্না করার সময় ফোনে মেসেজ আসলো, বিকাশে ২৫:০০০ টা,কা , ব্যলেন্স চেক করে দেখি সত্যি ২৫ হাজার টাকা এসেছে, মনে মনে ভাবতে লাগলাম চাকরি টা তাইলে সত্যি করা লাগবে,
ফোন টা রেখে আবার রান্না করে গেলাম ৫ মিনিট পর আবার সেম মেসেজ ২৫০০০, তখন ভাবলাম এক মেসেজই বার বার আসতে লাগলো এই ভাবে ৪ টা মেসেজ আসলো ২৫ হাজার করে , তার কিছুখন পর তূর্য ফোন দিছে বললো চেজ দিতে ১ লাক টাকা পাঠানো হয়েছে, আমি চেক দিয়ে দেখি সত্যি ১ লাক টাকা, আমি রান্না রেখে বিছানায় বসে গেলাম, লোকটা আমাকে চিনে না জানে না এতোগুলা টাকা কেমনে দিলো,
আমি আবার ফোন দিয়ে বললাম কবে থেকে জয়েন্ট করবো কোথায় যেতে হবে, তূর্য সিনহা আমাকে কিছু দিন অপেক্ষা করতে বললো ওনি দেশে আসলে তার পর, আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি এখন বাংলাদেশ নাই ওনি বললো না, বিস্তারিত তোমাকে পরে বলবো
এখন টাকা পেয়েছো, তুমি সব কিছু গুছিয়ে রাখো, আর তোমার কলেজে আসেপাশে সব কিছু ব্যবস্থা করবো, আমি বললাম ঠিক আছে আমি রেডি আছি,
চলবে।
গল্প – গোপন সংসার
পর্ব – ২
লেখক : রিহান অরণ্য
যেহুতো আমার কলেজে আসেপাশে ব্যবস্তা করবে তাইলে আমার জন্য ভালো হবে, আমি বর্তমান নার্সিং ইনস্টিটিউট, দ্বিতীয় সেমিস্টারে, ঢাকা মহাখালীতে ৪ জন মিলে একটা বাসা নিয়ে থাকি, আমার নাম রেশি হাওলাদার, আমার বাড়ি দিনাজপুর, আমরা ২ বোন, আমি বড়, বাবা সরকারি অফিসে চাকরি করে, ইচ্ছে আছে জীবনে কিছু একটা করে বাবা কে সাহায্য করা,
এখন যেহুতো একটা চাকরি পেয়েছি দেখি কেমন, আর এতোগুলা টাকা আমার বয়সে এক সাথে কখনো দেখিনি, বিষয় টা নিয়ে মাকে বলবো দেখি কি বলে,
মাকে ফোন দিয়ে বলতে যাবো তখনই মা ছোট বোনের বিষয় নিয়ে কথা বলতে লাগলো, ক্লাস ৮ পড়ে এখনি নাকি রাতে গেমিং গ্রুপে আড্ডা দেয়, তাই ফোন নিয়ে নিবে ছোট বোনের আর আমাকে ও সাবধান করে দিছে কোন ছেলেদের চকরে যেন না পরি,এসব শুনে আর বলার সাহস হয়নি আম্মু কে আমার চাকরি বিষয় টা,
এখন অপেক্ষায় আছি কবে ওনি ডাক দিবে আর কবে থেকে জয়েন্ট করবো, প্রতিদিন ২ বার করে ওনি ফোন দেয়, আজকে ও ফোন দিয়ে তূর্য আমার নাম্বার নাকি কারে দিছে ওনি ফোন দিলে আমি যেন বাসার চাবি নিয়ে রাখি, আমি বললাম ঠিক আছে,
২ দিন পর এক মহিলা আমাকে ফোন দিয়ে ফ্ল্যাটের চাবি নিতে বললো,ঠিকানা দিলো আমাকে, আমি ঠিকানা মতো গিয়ে মহিলা কে ফোন দিলাম ওনি আমাকে বাসার চাবি বুঝিয়ে দিলো, বড় একটা ফ্ল্যাট, ৩ রুমের, আমার কলেজে থেকে বেশি দূরে না, পাশে বেলকনিতে গেলে সব দেখা যায়, আমি তূর্য সিনহা কে ফোন দিলাম বললাম চাবি দিছে এখন কি করবো, ওনি বললো তোমার সব কিছু নিয়ে এই বাসায় চলে আসো সামনের সপ্তাহে আমি আসবো, আর ফ্ল্যাট টা ও ৪ বছরের জন্য অগ্রিম টাকা দিয়ে নিয়ে নিছি, তুমি বাসায় অপেক্ষা করো তোমার কাছে কাগজ পত্র বুঝিয়ে দিবে,
একটু পরে মহিলা কাগজ নিয়ে দরজার কলিং বেল বাজালো,আমি দরজা খুলে দিলাম ওনি আমার সাক্ষর নিয়ে কয়েকটি পেপার আমাকে দিয়ে দিলো, তখন মহিলার সাথে কলে তূর্য কথা বলতেছিলো, আমাকে মহিলা বললো কিছু জিনিস পত্র নিয়ে আসবে,বিকালে দিকে বাসায় থেকো,আমি বললাম ঠিক আছে আন্টি,
এখন বাসায় আমি একা চার পাশটা ভালো করে
দেখতে লাগলাম, আর ভাবতে লাগলাম এতো টাকা দিয়ে কেন ওনি ফ্ল্যাট নিলো, এতো টাকা কই পায় ওনি কি এমন করে,, সব প্রশ্নের উত্তর কবে পাবো,
রুম লক করে মেসে চলে গেলাম,ওখানে গিয়ে এখন কি বলবো বুঝতে পারছি না এতোদিন ওদের সাথে ছিলাম এখন এখান থেকে চলে গেছে সবাই কি বলবে,তা ছাড়া বাড়িওয়ালা সাথে আব্বু আম্মু ফোনে কথা বলে কিছু দিন পর পর, ওদের কাছে কি জবাব দিবো,চিন্তায় মাথা ঘুরতে লাগলো,
এই দিকে নতুন বাসায় চলে যেতে হবে, সব কিছু মিলিয়ে এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে, মেসে সবাই কে বললাম আমি নতুন বাসা নিছি এখান থেকে কলেজ একটু দূরে হয়ে যায় তাই,
ওরা বিষয় টা সাভাবিক ভাবে নেয় নি, তার পর ও রুম ভাড়া দিয়ে চলে আসলাম, বাড়িতে আম্মু কে বললাম কলেজের কাছেই একটা বাসা পাইছি তাই আগের টা ছেড়ে দিবো, আম্মু বললো এখন ছাড়ার দরকার নেই তর আব্বু গিয়ে সব ঠিক করে দিবে, আমি কিছু না বলে ফোন কেটে দিলাম,
নতুন বাসায় গিয়ে, সব কিছু গুছিয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম ।
তূর্য কখন ফোন দিবে, ওনি রাতে ফোন দিয়ে ভিডিও কলে রুম কমনে গুছিয়েছি সেটা দেখলো, কিছু দিন পর ওনি দেশে আসবে, সময় তারিখ ঠিক করে আমাকে জানাবে, তার আগে আমি চাইলে যেন বাড়ি থেকে ঘুরে আসতে পারি, আমি বললাম না এখন যাবো না সামনে আমার এক্সাম আছে,।
ওনি বললো ঠিল আছে তাহলে সব ঠিক করে তোমাকে মেসেজ দিবো,আমি বললাম ওকে, ।
ওনার সাথে কথা বলে নতুন বাসায় রান্না করলাম নিজে খাবার জন্য, সব কিছু ঠিক আছে কিন্তু আমার একা ভয় লাগে, কেমন জানি লাগে,
অপরিচিত জায়গা তা ও ৩ টা রুমে আমি শুধু একা।
রুমে এসি লাগানো আছে, ।পড়তে বসলে ও পড়ার মন বসে না কারন একা একা ভয় লাগে, এখন সাথে কারে নিতে পারি, আগে যাদের সাথে থাকতাম তাদের বললে কেউ আসবে মা কারন ওরা অন্য রকম,
আজকের রাত টা থাকি কাল একটা ব্যবস্থা করবো,
পরের দিন তূর্য় সিনহা ফোন দিলাম বললাম এতো বড়ো বাড়িতে আমি একলা একটা মেয়ে কমনে থাকবো,আমার ভয় করে, ওনি বললো তাইলে সাথে কারে নিবা, তোমার বয়ফেন্ড থাকলে ওরে নিয়ে আসো বাসায়, আর ২৩ তারিখ আমরা আসবো, ওর পাসপোর্ট হয়ে গেছে,
এাটা বলেই ওনি ফোন রেখে দিলো, কথা বলার সুযোগ দিলো না,
বলালম ভয় লাগে একটা বান্ধবী কে সাথে নেই সেইটা শুনার আগেই বলে দিলো বয়ফ্রেন্ড থাকলে আনতে, ওনি মনে হয় এসব চিন্তা নিয়েই থাকে। ওনার কথা শুনে ভয় লাগে ওনাকে আমার, ভিডিও কলে দেখলাম নে,শাগ্রস্ত মনে হলো,।
যাই হোক ২৩ তারিক আসতে আরো ৭ দিন বাকি, কিন্তুু ওনি বললো কার পাসপোর্ট হয়ে গেছে ওনার সাথে তো ছোট বাবু থাকার কথা নাকি অন্য কেউ ও আসবে, দূর আজাইরা চিন্তা বাদ দিয়ে এখন একটা বান্ধবী কে নিয়ে যাই বাসায়,
যার বয়ফ্রেন্ড নাই এমন একজন কে সাথে নিলাম, বাসায় নিয়ে বললাম তর আর অন্য জায়গায় থাকতে হবে না যতেদিন আমি আছি ততোদিনে তুই আমার সাথেই থাকবি, ওট নাম রেশমি,
রেশমি কে নিয়ে ২ জনে এক সাথে থাকতে লাগলাম, আর সব কিছু ওরে বকলাম রেশমি বললো আমার নাকি কপাল ভালো তাই এমন চাকরি পাইলাম, ২২ তারিক রাতের বেলা সব গুছিয়ে রাখলাম, কাল সকাল ৬ টায় ওনি দেশে আসবে,ওনাকে আনার জন্য বলছে এয়ারপোর্ট থেকে ভোর ৫ টায় যেন গাড়ি নিয়ে আমি যাই, সাথে বাবুর জন্য খাবার রেডি করে।
আমি সকাল ৪ টায় ঘুম থেকে উঠে গাড়ি ঠিক করে রউনা দিলাম।
ওনি মাথায় কেপ পরে বের হয়েছে সাথে ওনার ছেলে বেবি স্ট্রলারে আমি হাত বাড়িয়ে বাবু টাকে বেবি স্ট্রলার কোলে নিয়ে গাড়ি তে উঠে বসলাম ওনি ওনার সব জিনিস পত্র নিয়ে গাড়ি সামনে সিটে বসলো, আমি রেশমি কে ফোন দিয়ে বললাম, রুমের এসি বন্ধ করে রাখতে কারণ বিমানের মধ্যে থেকে সিফিনের সরিল ঠান্ডা হয়ে গেছে,
বাসায় গিয়ে আমি সিফিনের জামা কাপড় পরিবর্তন করে দিয়ে ওরে খাবার খাওলাম, সিফিন শুধু আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে, একটু পর কান্না শুরু করে দিছে, কান্না থামানোর অনেক চেষ্টা করতেছিলাম, সিফিনের আব্বু রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখছে, ওনাকে ও ডাক দিতে পারছি না, অনেক চেষ্টার পর সিফিনের কান্না থামলো,
ওর খেলনা গুলো লাগিস থেকে বের করে ওর সামনে রাখলাম । সিফিন কে দেখে অনেক মায়া লাগলো,এতোটুকু বয়সে ওর মা কে হারালো।
একটু পর সিফিনের আব্বু আসলো আমার রুমের দরজার সামনে এসে পারমিশন চাইলো রুমে আসবে কি না, আমি বললাম আসেন স্যার, ওনি এসে দেখে আমি আর সিফিন ২ জনই শুয়ে আছি, রুম টা একটু গরম কারন এসি বন্ধ ছিলো, ওনি জানতে চাইলো এসি বন্ধ কেন আমি বললাম বাবুর সরিল টা ঠান্ডা তাই,। ওনি বললো তুমি তো গরমে ঘেমে যাচ্ছো,
আমি বললাম এতে সমস্যা নাই,
সিফিনের আব্বু বললো আমি একটু ঘুমাই, অনেক টা পথ জার্নি করে আসলাম, ।
ঘুম থেকে উঠে তোমার সাথে কথা বলবো।
আমি বললাম ঠিক আছে,সিফিনের আব্বু ওনার রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দিলো, আমি রেশমি কে বসিয়ে রেখে দুপুরে খাবার রেডি করলাম, তার মধ্যেই সিফিন ঘুমিয়ে গেছে, রান্না শেষ করে সব কিছু গুছিয়ে আমি ও সিফিনের পাশে শুয়ে ঘুমিয়ে গেছি, এমন ঘুম ঘুমাইলাম,সিফিন উঠে গেছে টের পাইনি ওর বাবা কখন রুমে আসলো সেটা ও টের পাইনি,
ঘুম থেকে উঠে সিফিন কে পাইনা খুজতে লাগলাম৷ ওর বাবার রুমে দরজা লাগানো কেমনে দরজা ধাক্কা দেই,
কিছুখন দাড়িয়ে থেকে দরজা টুকা দিলাম ওনি দরজা খুললো
দেখি সিফিন বিছানায় শুয়ে আছে আমি ওরে কোলে নিয়ে স্যার কে বললাম আপনি খেতে আসেন, ওনি বললো ঘুম শেষ হয়েছে, আমি লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে রাখলাম ওনি বললাে লজ্জা পাবার কিছু নেই, তোমার বিয়ে হয়নি বেবি হয়নি তাই সব ভুলে গিয়ে তুমি ও বাচ্চাদের মতো ঘুমাইছো,
আমি মনে মনে বলতে লাগলাম আমার যে কেমন ঘুমের স্টাইল সেই ও এই বেডা দেখে ফেললো, হা করে ঘুমাইছি নাকি মুখ বন্ধ করে ঘুমাইছি কেডা জানে কিছু তো মনে নাই,
সিফিনের আব্বু কে খাবার দিয়ে সব গুছিয়ে সিফিন কে শুয়িয়ে রেখে গোসলখানা গেলাম,যেখানে গোসল করতে ৩০/৪০ মিনিট লাগে সেখানে আজকে ৫/৭ মিনিট মধ্যে গোসল করা শেষ,,
আসলেই বাচ্চা হলে মানুষ কেন পরিবর্তন হয় সেটা বুঝতে পারালাম, এখন আমার সব পরিবর্তন হচ্ছে যদিও আমার নিজের বাচ্চা না তার পর ও ওর মা ওভাব দূর করার জন্য আমি আছি,
অনেক আগ্রহ জাগতে লাগলো ওর মার বিষয়ে জানার তাই ওর বাবার কাছে গেলাম, ওনি লেপটপ নিয়ে বসে আছে আমাকাকে দেখে বললো বসো, আমি বললাম একটা কথা বলার জন্য আসলাম ওনি বললো কি কথা বলো,
আমি সাহস নিয়ে বললাম সিফিনের আম্মু কই,
ওনি বললো কথা টা তুমি জানতে না চাইলে ও আজকে তোমাকে বলাতাম,, যেহুতো তুমি শুনতে চাইছো তাইলে বলবো, তবে এখন না সিফিন ঘুমালে এখন বললে হয়তো সিফিন বুঝতে পারবে না কিছু আমার আবেগ ওর উপরে চলে আসবে তখন নিজেকে সামলানোর কষ্ট হবে,।
চলবে
