Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"তুমি এসেছিলে বলেতুমি এসেছিলে বলে পর্ব-১৯+২০+২১

তুমি এসেছিলে বলে পর্ব-১৯+২০+২১

#তুমি_এসেছিলে_বলে
পর্ব : ১৯
#নাদিয়া_আক্তার_সিয়া

সবাই একসাথে গোল টেবিলে বসে আছে । সিয়াম , রৌফ , সামির মুখ কালো করে বসে আছে । তাদের হজম করতে কষ্ট হচ্ছে মেয়েগুলো তাদের ইজ্জতে আলপিন ফুটিয়েছে তাও আবার অধুনিক পদ্ধতিতে । সৌরভের সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই সে বিন্দাসভাবে বসে কফি খাচ্ছে । মেঘ , মেহতাব , আহতাব আর অহনা চেয়ারে বসে আছে তাদের দিকেই তাকিয়ে আছে । মেহসানের ধ্যান ফোনে সে ফোনে গেমস খেলছে । মিথিলা , শাম্মী , সৌম আর সিমরান দাড়িয়ে সামিরদের দিকে তাকিয়ে আছে । নিরবতা ভেঙে শাম্মী বলে উঠলো ,

শাম্মী : হজম করতে কষ্ট হচ্ছে নাকি ? হজমের গুলি এনে দিই ? ( মজা করে )

সিয়াম : কচু গাছ এনে দে ফাঁস দিয়া মইরা যাই ।

রৌফ : দোস্ত আমার তো সন্দেহ হচ্ছে আমি কি আমার আব্বা – আম্মার ছেলে না ? যদি হই তাইলে আমার আব্বার মতো গোঁফ কই ? ( বেদনার সুরে )

সামির : দোস্ত আগের জন্মে ছিলাম আমি বাদশা আমির এই জন্মে আমি গরীবের সামির ।

সিমরান : কথা সত্য । ( মুখ টিপে হেসে )

সামির : ভালো মানুষের কদর নাই ।

মেহসান : কেমন ছ্যাঁকা ছ্যাঁকা গন্ধ পাচ্ছি ।

রৌফ : চুপ থাক নইলে তোর ১ দিন কি আমাগো ৩৬৫ দিন ।

সৌরভ : ছ্যাঁকা ছ্যাঁকা লাগে , লাগে অন্তরে । ( সুর দিয়ে )

সামির : দোস্ত তুই ও । এই রাজাকারনীদের দলে যোগ দিলি ।

শাম্মী : ভাইয়া মুখ সামলাও । নইলে বিয়া করার আগেই বিধবা হয়ে যাবে তোমার স্ত্রী ।

সামির : ভাই আর বোন একরকম । পুরাই টাস্কি মার্কা ।

মেহতাব : তোরা থামবি শুধু আজেবাজে কথা ।

সৌরভ : চল দোস্ত উপরে গিয়া ঠান্ডা বাতাস খেয়ে ঝাক্কাস হয়ে আসি । প্লান তো করতে হবে নাকি চল । ( নিচু কণ্ঠে )

হুল্লোড় পার্টির সবাই সৌরভকে ফলো করে উপরে চলে গেলো । আহতাব আর অহনা নিজের রুমের উদ্দেশ্যে আর মেঘ আর মেহতাব নিজের রুমের উদ্দেশ্যে চলে গেলো ।

.

.

মেঘ আর মেহতাব রুমে ঢুকতেই অবাক হয়ে গেলো । খুব সুন্দর করে রুমের ডেকোরেশন করা হয়েছে । বারান্দায় সুন্দর করে ডিনারের ব্যাবস্থা করা । তারা বিছানায় দুটো প্যাকেটও দেখতে পেলো । একটা প্যাকেটের উপর মেঘের নাম আরেকটা প্যাকেটের উপর মেহতাবের নাম । প্যাকেট খুলতে তারা আরেকদফা অবাক হলো মেঘের প্যাকেট এ খুব সুন্দর একটা রেড আর ব্ল্যাক কম্বিনেশনের শাড়ি আর মেহতাবের প্যাকেটে ব্ল্যাক ব্লেজার , প্যান্ট আর রেড শার্ট । তাদের বুঝতে বাকি নেই এইসব চক্রান্ত কাদের । মেহতাব বলে উঠলো ,

মেহতাব : ওরা এতো পরিশ্রম করে যেহুতু এইসব করেছে । আমাদের ওদের পরিশ্রমের মান রাখা উচিত নয় কি ?

মেঘ মেহতাবের কথায় সম্মতি জানালো । মেহতাব ওয়াশরুমে ডুকতে ডুকতে বললো ,

মেহতাব : আমি রেডি হচ্ছি তোমার শাড়ী চেঞ্জ করা হয়ে গেলে ডোরে নক করো ।

মেঘ : হুম ঠিকাছে ।

এই বলে মেহতাব ওয়াশরুমে ডুকে পড়লো আর মেঘ রুমে শাড়ি চেঞ্জ করতে লাগলো । শাড়ি চেঞ্জ করে মেঘ মেকআপ করতে বসে পড়লো । সে বেশি গর্জিয়াস মেকআপ করতে পছন্দ করে না । সে চোখে হালকা কাজল আর ঠোঁটে গাঢ় করে লাল রঙের লিপস্টিক লাগিয়েছে। তাতেই যেনো তাকে ভীষণ সুন্দর লাগছে । মেঘ রেডি হয়ে ওয়াশরুমে নক করে দিলো । কিছুক্ষণ পর মেহতাব ওয়াশরুম থেকে বের হলো । বের হতেই মেঘের দিকে চোখ পড়লো সে পা থেকে মাথা অব্দি স্ক্যান করলো মেঘকে । তাকে এতো অল্প সাজে কোনো পরীর থেকে কম লাগছে না চোখ ফেরানো দায় । মেহতাবকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেঘ মেহতাবের দিকে একটা তুরি মারলো । মেহতাবের হুশ ফিরতেই সে ভীষণ লজ্জা পেলো । ব্লেজার পড়তে পড়তে মেহতাব বলে উঠলো ,

মেহতাব : You’re looking beautiful .

মেঘ : ধন্যবাদ । আপনাকেও অনেক সুন্দর লাগছে। ( হাল্কা হেসে )

মেঘের কথায় মেহতাব ছোট একটা হাসি দিলো । আর তারা দুজনেই একসাথে বারান্দায় প্রবেশ করলো । খুব সুন্দর করে গোল টেবিলটি সাজানো হয়েছে । টেবিলের চারপাশে বেলুন ভর্তি । মেহতাব একটা চেয়ার টেনে মেঘকে বসিয়ে দিয়ে নিজেও বসে পড়লো । টেবিলে অনেক রকমের খাবার সুন্দর করে সাজানো হয়েছে । তারা হালকা খাবার নিয়ে দুজনেই কিছু কথা বলে খেতে লাগলো ।

অন্যদিকে সৌরভ,সিয়াম,সামির, রৌফ,মেহসান,সৌম আর মিথিলারা ঝোঁপঝারে দাড়িয়ে দূরবীন দিয়ে মেহতাব আর মেঘকে দেখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে । সৌরভ বলে উঠলো ,

সৌরভ : বাহ! মেঘ আর মেহতাব কে অনেক সুন্দর লাগছে ।

মিথিলা : হুম সত্যিই অনেক সুন্দর!

মেহসান : তারা খাচ্ছে পোলাও বিরিয়ানি কোরমা আমরা খাচ্ছি মশার কামোড় ওহ মা !

সিয়াম : চুপ থাক । তোর কবিতার চেয়ে নর্দমার ময়লা গুলা বেশি সুন্দর ।

রৌফ : খাঁটি কথা শুনতেও ভালো লাগে ।

মেহসান : হুমম । তাহলে বিয়ের পর ওই নর্দমায় বাসর ঘর সাজিয়ে দিবো ওকে ? ( মজা করে )

সৌম : সহমত আমি । ( মুচকি হেসে )

এই কথা শুনে রৌফ আর সিয়াম মেহসান আর সৌমের মাথায় চাটি মারলো ।

সিমরান : সবারটাই ঠিক আছে । শুধু মিথিলা আপুর হবু বরের পোড়া কপাল ।

শাম্মী : হুমম ঠিক আপু ।

সৌরভ মিথিলার দিকে আড় চোখে তাকিয়ে প্রশ্ন তুলে বললো ,

সৌরভ : কেনো বোনেরা আমার ?

সিমরান : কেনো আবার । মিথিলা আপু যেইরকমের আনরোমান্টিক তা আমরা সবাই জানি । নয় কি ?

সিমরানের কথায় সবাই মাথা নেরে সম্মতি জানালো । সৌরভ বলে উঠলো ,

সৌরভ : হুম ঠিক । বেচারা জামাইটার কথা ভাবলে আমার বুকটার ভিতরে ধুকপুক ধুকপুক করে ।

মিথিলা : ভাইয়া আপনাকে এতো ভাবতে হবে না । আমার জামাই তো রোমান্টিকের বাজার সে আমায় শিখিয়ে দিবে ।

সৌরভ : তাই নাকি । ( লজ্জা পেয়ে )

শাম্মী : তুমি কেনো লজ্জা পাচ্ছ । মিথিলা আপুতো তার হবু জামাইয়ের কথা বলেছে তোমার না । ঠিক বললাম কিনা ?

সবাই শাম্মীর কথায় একমত পোষণ করলো । সামির পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বলে উঠলো ,

সামির : থাম সবাই । এই জায়গা থেইকা ওগো কথা ভালো কইরা শুনা যাইতাসে না উপরে গিয়া কান পাইতা শুনতে হবে চল ।

সামির এর কথায় কেউ আর কথা বাড়ালো না । সবাই সামিরের পিছু পিছু উপরে চলে গেলো । রুমের সামনে আসতে তারা রীতিমতো অবাক সেখানে আগে থেকেই অহনা আর আহতাব কান পেতে দাড়িয়ে আছে । তা দেখে কেউ আর হাসি থামাতে পারলো না সবাই একসাথে উচ্চস্বরে হেসে ফেললো । হাসির শব্দ শুনে আহতাব আর অহনা চমকে উঠলো।

আহতাব : উফফ তোরা তো আমাদের ভয় পাইয়ে দিলি ।

সিয়াম : আজকের তাজা খবর নতুন দম্পতির ঘরে কান পেতে কথা শুনছে আরেক নতুন দম্পতি । এরকম আরো নিউজ পেতে চোখ রাখুন অসময় টিভিতে ।

সিয়ামের কথায় সবাই আরেকদফা হেসে নিলো ।

সিমরান : চলো আমরাও শুনি ।

সিমরানের কথামতো সবাই সিরিয়ালভাবে কথা শুনতে আহতাব আর অহনার পিছনে দাড়িয়ে পড়লো । আশেপাশের সবাই তাদের কান্ড দেখে মুখ টিপে হাসতে লাগলো । তাদের ওইদিকে কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই । তারা সবাই কথা শুনতে ব্যাস্ত ।

অন্যদিকে হালকা খাওয়া দাওয়া শেষ করে মেঘ আর মেহতাব দোলনায় বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে । মেহতাব মেঘের দিকে তাকিয়ে লক্ষ্য করলো তার ঠান্ডা লাগছে । তাই সে তার ব্লেজার খুলে মেঘকে পরিয়ে দিলো আর বললো ,

মেহতাব : এখন ঠান্ডা লাগছে ?

মেঘ : উহুম ।

কিছুক্ষণ পর মেহতাব মেঘের দিকে একটা প্যাকেট এগিয়ে দিলো । মেঘ অবাক দৃষ্টিতে মেহতাব এর দিকে তাকিয়ে প্যাকেট টি হাতে নিল । প্যাকেট খুলতেই সে হতভম্ব হয়ে গেলো ।

মেঘ : এটা তো অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার স্কুলের শিক্ষিকা পদে নিয়োগ হওয়ার ।

মেহতাব : হুম । অহনা আপু আর তোমার দুজনের জন্যেই ।

মেঘ : আপনি কি করে জানলেন আমাদের দুজনের সপ্ন শিক্ষিকা হওয়ার ?

মেহতাব : এটা কোনো কঠিন কাজ ছিলো না । আর এমনিতেও আমি লন্ডনে ব্যাক করবো তুমি যাতে তোমার হাজব্যান্ডকে বেশি মিস না করো সেই প্রস্তুতি । তাই ভাবলাম তোমায় একটু ব্যাস্ত করে যাই । কেনো তুমি খুশি নোও ?

মেঘ : খুশি ভীষণ খুশি । থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ । ( হেসে )

মেহতাব : আমি তো ভেবছিলাম ওইদিনের মতো আবার আই লাভ ইউ বলে না ফেলো । ( মেঘের দিকে চোখ মেরে )

মেহতাবের কথায় মেঘ ভীষণ লজ্জা পায় । লোকটা লজ্জায় ফেলতে ওস্তাদ । লজ্জা পেতে দেখে মেহতাব বলে উঠলো ,

মেহতাব : তোমায় লজ্জা পেতে দেখলে ভীষণ ভালো লাগে । জানি না কেনো ? ( মুচকি হেসে )

মেহতাবের কথায় মেঘ এই নিয়ে আরেকদফা লজ্জা পায় । দরজায় কিছু শব্দ শুনে মেহতাব আর মেঘ দোলনা থেকে উঠে পড়ে । মেহতাব দরজা খুলতেই আহতাব অহনা সহ সবাই একসাথে হুমড়ি খেয়ে পড়ে । সবাইকে এভাবে একসাথে দেখে মেঘ আর মেহতাব অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে । আহতাব মুচকি হেসে ইতস্তত করে বলে উঠে ,

আহতাব : আতা গাছে তোতা পাখি ডালিম গাছে মৌ , তুমি থাকো আমি যাই বউ । ( ইতস্তত করে )

বলতে দেরি কিন্তু আহতাবের দৌড় দিতে দেরী না । আহতাবের কান্ড দেখে সবাই হা করে তাকিয়ে রইলো ।

#তুমি_এসেছিলে_বলে
পর্ব : ২০
#নাদিয়া_আক্তার_সিয়া

সবাই মেহতাবের রুমে চুপচাপ বসে আছে । সৌরভ , রৌফ , সামির , সিয়াম সোফায় বসে নিজেদের দিকে চাওয়া চাওয়ি করছে । সৌম আর মেহসান বিছানায় আধশোয়া হয়ে আছে । শাম্মী , সিমরান , মিথিলা বেতের টুলে বসে আছে । অহনা মেঘের পাশে বসে আছে । নিরব পরিবেশ সবাইকে এভাবে দেখে মেহতাব বলে উঠলো ,

মেহতাব : তোরা সবাই একসাথে দরজায় কান পেতে ছিলি কেনো ? আর ভাবী শেষমেষ তুমি আর ভাইয়াও ওদের দলে যোগ দিলে । I can’t believe it .

অহনা : মেহতাব কী বলোতো আমি আসতে চাইনি তোমার ভাইয়া দেখতে মানে শুনতে চাইছিলো তোমাদের মধ্যে সম্পর্ক নরমাল কিনা । এ ছাড়া আমরা নির্দোষ ।

সৌরভ : ভাবী দোষ নির্দোষ প্রমান করছো কেনো ? এইডা কী কোর্ট । কারো ঘরে কান পাইতা কথা শুনা কোন দণ্ডনীয় অপরাধ থুরি ।

সৌরভ কথা শেষে মেহতাবের দিকে তাকাতেই মেহতাবের দৃষ্টি দেখেই চুপসে গেলো । রৌফ বলে উঠলো ,

রৌফ : আসল কথা আমরা বেশি কিছু শুনি নাই দোস্ত । আজকে সবার কানের নেটওয়ার্ক এ প্রবলেম ছিলো । এই রিসোর্টে খুব দূর্বল নেট দেয় শুনতেই পাই নাই । দরজাগুলো ভালো মানের এই রিসর্টের মালিকের নামে কেস করা উচিত ।

সিমরান : নাম মেহতাব চৌধুরী ৬ ফুট উচ্চতা গাঁয়ের রঙ ফর্সা , জিম করা বডি , সিল্ক চুল । এই তার বর্ণনার সার্টিফিকেট যান খুঁজুন আর কেস ঠুকে দিন ।

সিয়াম : ভাইয়ের প্রশংসার বেলায় কোনো ত্রুটিই থাকে না । আই অ্যাম তো বিস্মিত ।

সিয়ামের কথা শুনে সবাই মুচকি একটা হাসি দিলো ।

পরক্ষণে রৌফের মনে পড়ে যায় এই রিসোর্ট তো মেহতাবদের নিজেরই । মার কাছে মাসির বাড়ির গল্প আরকি ।

সামির : আমার মনে হয় ফার্নিচার গুলা কাকলী ফার্নিচার । দামে কম মানে ভালো । তাই না দোস্ত ? ( মজা করে )

সৌরভ : এই সামিরের মাথায় কেউ শিলা পাথর ঘোষ তো তবুও যদি ধার হয়ে একটু বুদ্ধি হয় ।

শাম্মী : তবুও বুদ্ধি হবার নয় । মরিচা পড়ে গেছে কী করার বলো ?। ( মুচকি হেসে )

সিয়াম : চুপ থাক তোরা । আসল কথা আমরা নিতান্তই ভদ্র ছেলে দোস্ত । মেয়েগুলার সাথে মিশে আমরা নষ্ট হয়ে গেছি । আগে আমরা ছিলাম ভালো এখন আমাদের কী হলো ? ( সুর দিয়ে )

মিথিলা : ভাইয়া আমাদের নামে কী আজেবাজে কথা বলছো । এইসব তোমাদের দোষ ।

শাম্মী : ঠিক আমাদের নামে আজেবাজে কথা বলে ভাইয়ার কান ভাঙাচ্ছো ।

সিমরান : এই সব প্লান তো তোমাদের ছিলো আমাদের নয় । আমাদের মিস ইউজ করেছো‌ ।

সিয়াম : তোমরা কি পুকুরে ধোঁয়া তুলসী পাতা । মীরজাফর সবগুলো ।

মেয়েরা আর কিছু বলতে যাবে মেহতাব তাদের থামিয়ে বলে উঠলো ,

মেহতাব : ফর গড সেইক তোরা থাম সবাই ।

অহনা : চলো সবাই আজ থেকে আমরা মেয়েরা আলাদা ছেলেরা আলাদা দেখা যাক আমাদের হেল্প ছাড়া ওদের ক্ষমতা কতো ।

সৌরভ : ভাবী তুমি ওদের দলে যোগ দিলে শেষমেষ ।

অহনা : তোমাদের দলে আহতাব আছে । ওই দলে আমি নেই ।

এই বলে অহনা সহ বাকি মেয়েরা চলে গেলো । সৌম আর মেহসান হাই তুলতে তুলতে যেতে লাগলো । এই দেখে সৌরভ সহ বাকি সবাই ওদের মাথায় একটা একটা চাটি মেরে চলে গেলো । তা দেখে মেহসান বলে উঠলো ,

মেহসান : আমরা কী করেছি আমরা তো আম্পায়্যার ।

রৌফ পিছনে ফিরে মুচকি হেসে বলে উঠলো ,

রৌফ : এখানে কী কোনো খেলা চলছে যে তোরা আম্পায়্যার ।

সৌরভ , সামির আর সিয়াম রৌফের এমন কথা বার্তায় হেসে দিলো ।

মেহসান মাথা চুলকিয়ে যেতে লাগলো । সৌম বলে উঠলো ,

সৌম : So unfair . ( মুচকি হেসে )

মেহসান : হুমম । আমি আজ থেকে সন্ন্যাসী হয়ে যাবো । কোনো দলে থাকবো না যেখানে যাই সবাই শুধু ফ্রি ভেবে যা ইচ্ছা তাই করে ।

.

.

মিথিলা , শাম্মী আর সিমরান রুমে ঢুকতেই অবাক হয়ে গেলো । বেড এ টিনা শুয়ে আছে । টিনার কথা তো তারা ভুলেই গেছিল। যে কিনা হেল্প করবে বলে প্রমিজ করেছে সে আরামসে চাদর মুড়ি দিয়ে ঘুমাচ্ছে । শাম্মী বলে উঠলো ,

শাম্মী : বাহ্ এতো সুন্দর দৃশ্য দেখার পর আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছি না।

সিমরান : হুম মজা দেখাই চল ।

মিথিলা : তোরা আজেবাজে কিছু করবি না ।

মিথিলার কথায় তারা কোনরকম গুরত্বরোপ করলো না । টিনাকে বিছানা থেকে হাত আর পা ধরে তুলে ওয়াশরুমে শুইয়ে দিলো । টিনার কোনো হুশ নেই সে আরামছে ঘুমাচ্ছে । মিথিলা আর কিছু বললো না । সবাই হাসাহাসি করে শুয়ে পড়লো ।

.

.

সৌরভদের রুমে সবাই রেগে বেশ আগুন হয়ে আছে । মেহসান সন্ন্যাসীদের মতো পোশাক পরিধান করে ধ্যাঁন করার ভঙ্গিতে বসে আছে । সৌম বিছানায় আধশোয়া অবস্থায় চিপস খাচ্ছে । সামির সৌমের থেকে প্যাকেট কেড়ে নিয়ে নিজে খেতে শুরু করেছে । সৌরভ , সিয়াম , রৌফ সিরিয়াস ভঙ্গিতে সোফায় বসে আছে । তাদের উপর সব দোষ চাপিয়ে দিলো । সিয়াম বলে উঠলো ,

সিয়াম : দোস্ত এটা কি ছিলো, যত দোষ নন্দ ঘোষ।

রৌফ : ওই যে কয় না , গু খায় সব মাছে দোষ পড়ে পাঙ্গাস মাছের ।

সৌরভ : তুই কি ইন্ডিরেক্টলি আমাদের পাঙ্গাস মাছ বললি । তুই জানিস না আমার পাঙ্গাস মাছে এলার্জি ।

এই কথা শুনে মেহসান ধ্যানরত অবস্থায় ঠোঁট কামড়ে নিজের হাসি থামাতে লাগলো । সামির বিষম খেয়ে উঠলো । সৌম পানি দিতে গিয়ে সব পানি সামিরের গাঁয়ে ঢেলে দিলো । সৌম ইতোস্ত করে বলে উঠলো ,

সৌম : পানির অপর নাম জীবন । আমি তোমাকে আরেকটা জীবন দিয়েছি তাও আবার ঢেলে । ( মুচকি হেসে )

সামির রাগে গজগজ করে বললো ,

সামির : সৌম তোরে আজ বানামু আমি মমো । ( রাগ দেখিয়ে )

সৌম : ভালো লাগেনা সব সময় এতো খাই খাই করো কেনো ।

সামির : তোকে পরে দেখছি ।

এই বলে সামির ওয়াশরুমে ডুকে পড়লো । সৌম পরান যায় জ্বলিয়া গান ছেড়ে গলা ছেড়ে জোড়ে চিৎকার করে গাইতে লাগলো ,

সৌম : ঠান্ডায় যায় পুড়িয়া রে……….. । ঠান্ডায় যায় পুড়িয়া রে……….. ।

সৌমের গান শুনে মেহসান নিজেকে আর সামলাতে পারলো না সন্ন্যাসীবেশ ছেড়ে সে মুখ দিয়ে বিট বাজাতে বাজাতে গিটার চালানোর ভঙ্গিতে নাচতে থাকে । ওদের এলোাপাথাড়িভাবে নাচ দেখে রৌফ বলে উঠে ,

রৌফ : দাদীর কাছে শুনছিলাম বুড়া বয়সে পাটের ব্যাবসা আর এখন দেখি কিশোর বয়সে মুড়ির ব্যাবসা করতে হইবো ওগো। ( অবাক ভঙ্গিতে )

সৌরভ : আমি বাকরুদ্ধ স্বাধীনতা অর্জনের পরেও । ( মুচকি হেসে )

সিয়াম : হ্যাঁ আল্লাহ আমায় উঠাইয়া নেও । ( কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে )

.

.

আহতাব আর অহনার মধ্যে কোনো ঝামেলা নেই তারা নিশ্চিন্তে ঘুমিয়ে আছে । তারা বুদ্ধি করে ওদের মধ্যে ঝামেলা পাকিয়ে দিয়েছে । বাকিটা আর তাদের কিছুই করতে হবে না । মেয়ে আর ছেলে দুই দল করে নিবে । তারা শুধু দেখবে ।
.

.

( মেহতাবদের রুমে )

মেঘ শাড়ি চেঞ্জ করে একটি বেগুনি রঙের শাড়ি পড়ে এসেছে । আর মেহতাবও একটা ব্রাউন টি শার্ট আর ট্রাউজার পড়েছে । মেঘকে দেখে মেহতাব বলে উঠলো ,

মেহতাব : সব ঠিকঠাক আছে শুয়ে পড়ো ।

মেঘ মেহতাবের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো ,

মেঘ : আপনি ঘুমাবেন না ?

মেহতাব : আসলে আমি কালকে ফিরে যাবো না সো আগে থেকে বলে দিবো আমার এসিস্ট্যান্টকে যাতে ও কালকের দিন টা একটু ম্যানেজ করে রাখে । অনেক পেন্ডিং কাজ পড়ে আছে । I have no other option .

মেহতাবের কথা শুনে মেঘ ভীষণ খুশি হলো । কিন্তু অনুভুতি গোপনেই থেকে গেলো প্রকাশ করলো না বা তার প্রকাশ করার ক্ষমতাটুকু হয়তো নেই । মেঘের কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখে মেহতাব ভ্রু কুচকে বলে উঠলো ,

মেহতাব : তোমার হাজব্যান্ড তার ওয়াইফ এর জন্য থেকে যাচ্ছে । ওয়াইফের তো খুশি হয়ে হাজব্যান্ড কে জড়িয়ে ধরা উচিত নয় কি ? ( মলিন হেসে )

মেহতাবের কথায় মেঘ বিস্মিত ভঙ্গিতে তাকিয়ে রইলো মেহতাবের মলিন , মুগ্ধকর মুখের পানে ।

#তুমি_এসেছিলে_বলে
পর্ব : ২১
#নাদিয়া_আক্তার_সিয়া

শীতের মৌসুম ভোরের রৌদ্রজ্জল মিষ্টি সকাল । সূর্যের দেখা মেলেনি কাঁচের জনালাগুলো বড় বড় পর্দা দ্বারা আবৃত । মেঘ আর মেহতাব বিছানায় শুয়ে আছে । মেঘ ছোট বাচ্চাদের মতো মেহতাববের উষ্ণ দেহতে মুখ ডুবিয়ে শুয়ে রয়েছে । কখন সে এই বুকে ঠাই নিয়েছে কারোই জানা নেই কনকনে শীত তাদের মধ্যে দূরত্ব ঘুচিয়ে দিয়েছে । হুল্লোড় পার্টি থাকলে শীত কে পা ধরে সালাম করতো । গালে কিছুর খোঁচা খেতেই ব্যাথায় কঁকিয়ে উঠলো সে । বলিষ্ঠ হাতের বাঁধন গুলো আরো শক্তপোক্ত হলো । মেহতবাকে নিজের সন্নিকটে দেখে চমকে উঠলো । অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও ব্যাথায় মেঘ চেঁচিয়ে উঠলো । মেহতাব পরিস্থিতি বোঝার জন্য ঘুম মগ্ন অবস্থায় শোয়া থেকে উঠে পড়লো । চুল গুলো কপালে এলোমেলো ভাবে পরে আছে তবুও তাকে সুদর্শন পুরুষ বলা যায় । মেহতাবের নজর গেলো খাটের পাশে পড়ে থাকা সুন্দরী রমণীর দিকে । মেঘ গালে হাত ডলতে ডলতে নিচে বসে আছে । মেহতাব জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো । বলে উঠলো ,

মেহতাব : নিচে বসে আছো কেনো ?

মেঘ কিছু বললো না কিছুক্ষণ নিরব থাকার পর একটা টাওয়াল নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলো । মেহতাব উত্তরের আশা না করে শোয়া থেকে উঠে চুল গুলো ঠিক করতে করতে সৌরভদের ওয়াশরুমের দিকে চলে গেলো ।

.

.

রিসর্টের টপ ফ্লোর অর্থাৎ ছাঁদে ছোট ছোট গোল টেবিলে মেহতাব আর তার বন্ধুরা বসে আছে ।

সৌরভ সামির কে গুঁতিয়ে কিছু একটা জিজ্ঞেস করতে বললো । সামিরের সেই দিকে মনোযোগ নেই তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা টেবিলের উপর সুন্দর করে সজ্জিত খাবার খাচ্ছে সে । সিয়াম ব্যায়াম করছে । রৌফ ছাঁদে দৌড়াচ্ছে । মেহতাব ফোনে নিউজ দেখছে আর কফি খাচ্ছে । সবাই নিজেদের কাজে ব্যাস্ত শুধু সৌরভ নিজে ছাড়া । সৌরভ বলে উঠলো ,

সৌরভ : পেটুক সামির খাবার গুলোকে আধমরা করা বন্ধ কর । আর সকিনার স্বামী মর্নিং দৌড় বন্ধ কর । এতিমখানার এটিএম ব্যা‍য়াম করা থামা বলছি । সবাই এদিকে আয় ।

সৌরভের কথায় সকলের মুখ চুপসে গেলো । মেহতাব ধোঁয়া ওঠা কফির মগটা সাইডে রেখে দিয়ে বললো ,

মেহতাব : প্লিজ নতুন কোনো ঝামেলা ক্রিয়েট করিস না । অনেক কাজ বাকি । I’m so busy .

রৌফ বলে উঠলো ,

রৌফ : দোস্ত এই পৃথিবীতে সৌরভ আজ পর্যন্ত যত ঝামেলার আবিষ্কার করছে ওই আবিষ্কারের সম্পদ দিয়া আজ ওয় উগান্ডার প্রেসিডেন্ট হইয়া যাইতো । সুং সাং সৌরভাং ।

সৌরভ আফসোসের সুরে বললো ,

সৌরভ : ইসস আমি ওই সকল আবিষ্কার উগান্ডার জন্য না করে তোর জন্য করেছি মেহতাব । ভাব আমি কতোটা উদার মনের অধিকারী । ( চুল ঝারা দিয়ে )

সিয়াম : ওহ নো ! তাইলে আজকেই পাবনায় খবর দিতে হইবো ।
সামির : পাবনায় কেন ?

সিয়াম : উগান্ডার প্রেসিডেন্টের তো পাবনার পাগলা গারদে থাকা উচিত । নয় কি ? মায়ের কোলে সন্তান আর বনের পশু বনে শোভা পায় ।

সৌরভ : থাম সমুদ্রের মাঝখানের আম ।

সিয়াম : হোয়াট এভার ।

সৌরভ : তো আসলে দোস্ত আমরা কিছু প্রশ্ন করবো তুই উত্তর দিবি তাইলে আমরা কোনো কথা কি কোন শব্দ ছাড়া লন্ডন এ ব্যাক করবো ।

মেহতাব : এমনিতেও তোদের জন্য অনেক দেরী করেছি । বেশি উল্টোপাল্টা কাজ করলে আই প্রমিজ আজই রওনা দেবো ।

মেহতাবের কোনো ভাবাবেগ না দেখে সৌরভ আর বাকিরা চারটা চেয়ার টেনে নিয়ে মেহতাবের সামনে বসে পড়লো । তাতেও মেহতাব গুরত্বরোপ করলো না সে ফোন নিয়ে ঘাঁটাঘাটি করছে । সৌরভ ফোন টা কেড়ে নিলো । আর বলে উঠলো ,

সৌরভ : দোস্ত আমার নানার তার দাদার তার শ্বশুরের শালির কসম শেষ সুযোগ চাই ।

সবাই চাই চাই বলে সম্মতি জানালো । মেহতাবের অন্য কোনো উপায় না থাকায় বলে উঠলো ,

মেহতাব : দিস ইজ দা লাস্ট চান্স ওকে ?

সৌরভ : হুমমম ওকে । তো আমাদের প্রথম প্রশ্ন করবে লাল বাতি টিমের পক্ষ থেকে সিয়াম ।

সিয়াম একটু নিজেকে ঠিকঠাক করে নিলো। একটা শিট হাতে নিয়ে বলে উঠলো ,

সিয়াম : আপনি কে মেঘকে ভালোবাসেন ? অপশন রয়েছে ,

১.ভালোবাসি ।
২.ভালোবাসি ।
৩.ভালোবাসি ।
৪.ভালোবাসি ।

মেহতাব : ৫. কোনোটিই নয় ।

সিয়াম : এটা আমার অপশনে ছিলো না । দিস ইজ বাজে চিটিং ।

মেহতাব : যেমন প্রশ্ন তেমন উত্তর । চিটিং এর কি দেখলি ?

সৌরভ : দোস্ত সিয়াম বরাবর বাংলায় একটু কাঁচা লাল বাতি ক্ষমা পার্থী । এবার চুল কালো টিমের পক্ষ থেকে রৌফ নাই যার গোঁফ ।

রৌফ : করমু আমি বিয়া তোমাগো দাওয়াত দিয়া । তো আমার প্রশ্ন ,

ভালোবাসা বলতে কি বোঝেন আপনি ?

মেহতাব : ভালোবাসা ? এরকম টাইপ প্রশ্ন করলে আমি কিন্তু চলে যাবো প্লিজ অন্য কিছু আস্ক কর ।

সৌরভ : ওকে আর একজন বাকি তো আধপেটুক টিম থেকে সামির যার দিবাসপ্ন হলো সে বাদশা আমির ।

সামির : আমি সামির । বয়স ২৫ । একদম খাঁটি সিঙ্গেল । আমার জীবনে তিনটি সখ খাওয়া , খাওয়া আর খাওয়া ।

সৌরভ : আয় আয় সূর্য মামা বুদ্ধি দিয়ে যা সামিরের মাথায় একটু বুদ্ধি দিয়ে যা । মাথারে হরলিক্স খাওয়া যদি একটু বুদ্ধি হয় । টেকো মাথায় চুল গজাইতে পারলে মস্তিষ্কহীন মাথায় বুদ্ধির বীজ লাগানো কোনো ব্যাপার না ।

সামির : হে প্রভু , পেট টা আমার একটু খেতে ভালোবাসে ওকে কি করে অনাহারে রাখি আমি এতোটা নির্দয় নই ।

মেহতাব আর এক মুহূর্তও নষ্ট না করে নিচে চলে যায় । আর কিছুক্ষণ ওদের সাথে থাকলে মেহতাবেরও পাবনার পাগলা গারদে নিজেকে এডমিট করতে টিকিট কাটতে হতে পারে ।

নিজেকে ধাতস্থ করে মেহতাব রুমে প্রবেশ করতেই মেঘকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কিছু লাগাতে দেখে থমকে যায় ।

মেহতাব : কী করছো গালে ব্যাথা পেলে কিভাবে ?

মেঘ কোনো উত্তর দেয় না । কিছুক্ষণ পর রিনরিনিয়ে বলে উঠে ,

মেঘ : আপনি দিয়েছেন ?

মেহতাব অবাক হয়ে যায় সে আবার কখন দিলো । নিজেকে ধাতস্থ করে বলে ওঠে,

মেহতাব : রেলি ? আমি তোমাকে হাউ ইজ ইট পসিবেল ?

মেঘ : কিভাবে আবার আপনার খোঁচা খোঁ‍চা দাড়ি দিয়ে ঘষা দিয়েছেন ।

সৌরভরা মেহতাবকে তার ফোন দিতে এসেই এই কথা শুনে থমকে যায় ।

সৌরভ : এটা আমি কি শুনলাম মেহতাব তো অনেক অ্যাডভান্স লাভ বাইট এর জায়গায় দাড়ি বাইত দিয়ে দিলো । আমি সামিরের মতো দিবাসপ্ন দেখছি‍ না তো ? দোস্ত একটা চিমটি দে তো ।

এটা বলতে দেরী তিনটে হাতের সজোরে চিমটি কাটতে দেরী হয়নি । সৌরভ ব্যাথায় কঁকিয়ে উঠলো ,

সিয়াম : কী বেসুরে গলা ।

রৌফ : হুম উগান্ডার ভবিষ্যৎ প্রেসিডেন্ট কিনা ।

সামির : উগান্ডায় কী ভালো খাবার পাওয়া যায় ?

সৌরভের আওয়াজ শুনে মেহতাব আর মেঘ দরজার দিকে দৃষ্টি পড়ে । মেহতাব আফসোসের সুরে বলে ওঠে ,

মেহতাব : নিজের বউয়ের সাথে ঠিকঠাক মতো কথা বলার সুযোগ নেই আবার রোমান্স । আমার মনে হয় উগান্ডার টিকেট কিনে ওখানেই হানিমুনের ব্যাবস্থা করতে হবে ।

মেহতাবের কথাটা সৌরভের কর্নপাত হতেই । সে বলে ওঠে ,

সৌরভ : তাহলে আজকেই ফ্লাইটের টিকেট বুক করি কী বলিস দোস্ত । লাভ গুরুর পক্ষ থেকে উগান্ডা হানিমুন গিফট । ( মুচকি হেসে )

চলবে।

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ