Friday, June 5, 2026







প্রণয় প্রহেলিকা পর্ব-০৯

#প্রণয়_প্রহেলিকা (কপি করা নিষিদ্ধ)
#৯ম_পর্ব

ফুচকার অর্ডার দিতে একটু দূরেই এলো অনল। সে ধারার প্রশ্নের উত্তরটি হয়তো দিতে পারতো কিন্তু ইচ্ছে হলো না তার। সঠিক সময় আসলে হয়তো দেওয়া যাবে। অর্ডার দিয়ে আইসক্রিম নিয়ে গন্তব্যে যেয়ে দেখলো স্থানটি ফাঁকা, ধারা নেই। জায়গাটি সম্পূর্ণ ফাঁকা। অনল আশেপাশে চোখ ঘোরালো। কিন্তু মেয়েটি যেনো বাতাসে উবে গেছে। বিচলিত হয়ে পড়লো অনল। উদ্বিগ্ন চোখে দেখলো চারপাশটি। আশেপাশের কপোত-কপোতী জোড়াদের অস্থির হয়ে প্রশ্ন করলো,
“আচ্ছা এখানে একটি মেয়ে ছিলো, নীল জামা পড়া, চুল খোলা, উনিশ বছর, গোলগাল। দেখেছেন?”

প্রেমে ব্যাঘাত ঘটায় তারা যেনো বিরক্ত ই হলো। খানিকটা ঝাঁঝালো স্বরে বললো,
“না ভাই, দেখি নি”

অনলের দুঃশ্চিন্তা বাড়লো। মস্তিষ্কটা কাজ করছে না। ঘামছে সে অজান্তেই। হৃদস্পন্দনের গতি বেড়ে গেছে ট্রেনের মতো। বুকের ভেতর এক অদ্ভুত উচাটন তৈরি হলো। কোথায় গেলো মেয়েটি! ও তো এখানের কিছুই চিনে না। নাহ! এভাবে অস্থির হলে চলবে না। অস্থিরতায় মস্তিষ্কের নিউরণ কাজ করে না। তাই তাকে শান্ত হতে হবে। চোখ বন্ধ করে, মুখ ফুলিয়ে বার খানেক জোরে জোরে গরম শ্বাস ফেললো সে। তারপর খুঁজতে লাগলো ধারাকে। দিয়াবাড়ির এক মাথা থেকে খোঁজা শুরু করতে হবে। অনল তাই করলো। আইসক্রিমটা ফেলে পায়ের গতি বাড়ালো সে। আইসক্রিমটা পড়ে রইলো পরম অবহেলায়। সময় অতিবাহিত হতে লাগলো, ধারাকে পাচ্ছে না সে। বুকের ভেতর এক নিকষকালো ভয় জমতে লাগলো! মেয়েটি কি বিপদে পড়লো! কোথায় সে! একটা সময় যখন ক্লান্ত হয়ে পড়লো পা জোড়া, তখন ই একটা চিকন মেয়েলী কন্ঠ কানে আসলো,
“আর করবি চু’রি? বল করবি?”

কন্ঠটি শুনেই চোখ চলে গেলো উৎপত্তিস্থলে। বেশ জনগণের জটলা। অনেক মানুষের ভিড়। কোনোমতে ভিড় ঠেলে ভিতরে যেতেই আক্কেলগুড়ুম অনলের। একটা ছেলের যথারীতি চুল টানছে ধারা, এবং ইচ্ছেমতো মারছে। লোকেরা আশেপাশে জড় হয়ে যেনো ম্যাটিনি শো দেখছে। ধারা তার চুল টানছে আর বলছে,
“আর করবি চু’রি? বল! আর করবি? সাহস দেখে তাজ্জব বনে গেলাম, আমার ব্যাগ নিয়ে পালাস”

ধারার রুদ্ররুপ দেখে কেউ সাহস পাচ্ছে না তাকে আটকানোর। কেউ কেউ তো মহাউৎসাহে ভিডিও করছে। অনল কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো। হতাশ হয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেললো। এই মেয়ের বিপদের ভয় পাচ্ছিলো সে! অথচ সে এখানে চোর পি’টা’চ্ছে। একজন লোক ভিডিও করতে করতে বললো,
“আপা, জোস তাই না ভাই? এক্কেরে বা/ঘি/নী”
“হু, বহুত জোস”
“চিনেন নাকি?”
“আমার বউ আর আমি চিনবো না, তা কি হয়!”

অনলের কথা শুনে লোকটি আর কথা বললো না। উলটো ভিডিও করা বন্ধ করে দিলো অনলের কড়া চাহনীতে। আর দাঁড়িয়ে রইলো না অনল। এগিয়ে গিয়ে কোনোমতে ধারার দুহাত ছাড়ালো চোরটির চুল থেকে। কোনো মতে ঠেকালো ধারাকে। চোরটি ফাঁক পেয়ে এক দৌড়ে পালালো। অতিউৎসাহী লোকেরা ধাওয়া দিলো, কাজে দিলো না। ধারার চেঁচিয়ে বললো,
“চোর পালালো, ধরো ওকে”
“থাম, ম’রে যাবে বেঁচারা”
“কিসের বেঁচারা, জানো আমার ব্যাগ নিয়ে পালাতে গেছিলো। ভাগ্যিস, ধরতে পেরেছি”

অনল ধারার দুহাত শক্ত করে ধরে রাখলো৷ ধারা এখনো ছটপট করছে। অধৈর্য্য অনল আর নিজেকে শান্ত রাখতে পাড়লো না। কড়া স্বরে বললো,
“তোর কি আক্কেল হবে না? একটা মেয়ে হয়ে চোরের পেছনে ছুটেছিস! যদি লেগে যেতো? ওদের কাছে অ”স্ত্র থাকে জানিস না? তোর কিছু হয়ে গেলে! জানিস, আমি পাগলের মতো তোকে খুজছিলাম। ভয়ে প্রাণের পানি শুকিয়ে গিয়েছিলো। আর জনাবা এখানে ল্যাডি জ্যাকি চ্যাং হয়ে চোর পে’টা’চ্ছে’ন”
“সরি, আসলে আমার ব্যাগ”
“কি আছে ব্যাগে? হিরা নাকি মনিরত্ন?”
“সরি”

মাথা নামিয়ে নিলো ধারা। মুখশ্রীতে আষাঢ়ের কালোমেঘ জমলো তার। ঠোঁট বাকিয়ে রেখেছে সে। হয়তো এখনই কেঁদে দিবে। অনল বিরক্তির নিঃশ্বাস ফেললো। তারপর ধারার নরম হাতটা নিজের হাতের ফাঁকে নিলো। গম্ভীর স্বরে বললো,
“হাত যেনো না ছাড়া হয়। নয়তো খবর আছে”
“তুমি কি খুব ভয় পেয়েছিলে?”
“হু”
“কেনো?”
“বাসায় একটা হিটলার আছে না। যদি শুনতো তোকে হারিয়ে ফেলেছি৷ আমাকে ত্যাজ্য নাতী করতো। ত্যাজ্য নাতী হতে চাই না”

ঝাঁঝালো কন্ঠে বললো অনল৷ তার কন্ঠ জড়ানো। বেশ হাপাচ্ছে সে। বলিষ্ট বুকখানা এখনো উঠানামা করছে। ধারা নরম গলায় বললো,
“শুধু এটুকুই?”

অনল চুপ করে রইলো। হাতটা আরোও শক্ত করে ধরলো। যেনো ছেড়ে দিলেই পাখি উড়াল দিবে। ধারা অনুভব করলো অনলের হাতটা বেশ উষ্ণ। রুক্ষ্ণ, বিশাল হাতের মাঝেও যে এতো উষ্ণতা থাকবে সেটা আশা করে নি। আড়নজরে তাকালো অনলের মুখের দিকে। শ্যামমুখটা ঘেমে একাকার। ভ্রুযুগল এখনো কুঞ্চিত। চোখে ভীতি, কিসের ভীতি! শুধুই ত্যাজ্য নাতী হবার ভয়! নাকি অন্যকিছু! কে জানে!

পশ্চিম আকাশে রক্তিম সূর্যের আভা দেখা যাচ্ছে। সূর্যটা ডুবন্ত। দিবাকালের সমাপ্তির পর, রাত্রির সূচনা। পাখিরা উড়ছে নিজ গৃহে যাবার তালে। বাতাসটাও ধীর গতিতে বইছে। অনল বাইক চালাচ্ছে, তার ঘাড়ে হাত রেখে বসে আছে ধারা। ধারার আজ বিকেলটা খুব ভালো কেটেছে। অনল গরম দেখালেও তার সাথে বেশি রুঢ় হয় নি। আজ নতুন ভাবে আবিষ্কার করলো সে অনলকে। সে তার হাতটা একটিবারের জন্য ও ছাড়ে নি, ঘেমে গেলেও ছাড়ে নি। তাকে ফুসকা খাওয়িয়েছে, দুটো আইসক্রিম খাওয়িয়েছে। তারপর বেশ কিছু ছবি তুলে দিয়েছে। তখন বেশ হুমড়ি তুমড়ি করেছিলো ঠিক কারণ দোষটা তার ছিলো। ওই সময় মাথায় ই ছিলো না, চোরদের কাছে ছু’রি, চা’কু থাকে। সত্যি ই তো, যদি পেটে ঢু’কি’য়ে দিতো। তখন অপারেশন করতে হতো। ইশ! কি একটা কান্ড হতো! এগুলো কিছুই ভাবে নি ধারা, আসলে ব্যাগটি খুব প্রিয়। এটা ভার্সিটিতে উঠার পর বড় মা কিনে দিয়েছে। তখন থেকে তার কাছেই এটা। কিভাবে চুরি হতে দিলো। সেই ব্যাগে তার মোবাইল, ভার্সিটির আইডি কার্ড, কত কিছু। সেটা হয়তো মনিরত্ন না, কিন্তু দামী তো। অনল সেটা বুঝবে না, সন্তপর্ণে একটা নিঃশ্বাস গোপন করলো ধারা_____

বাইক থামলো বাড়ির গেটে। ধারা নামতেই অনল প্রশ্ন ছুড়লো,
“মন ভালো হয়েছে তো?”
“হু”
“প্লাবণের বিয়েতে যাচ্ছিস তো?”

ধারার মিনিট কয়েক চুপ করে রইলো, তারপর বললো,
“যেতে তো হবেই। আমি যাবো”

বলেই ভেতরে পা বাড়ালো। তখন ই পেছন থেকে অনল ডেকে উঠলো,
“শোন”
“কিছু বলবে?”
“না কিছু না, যা”

বলেই গ্যারেজে বাইকটা রাখতে ব্যস্ত হলো অনল। ধারার কিছু সময় বলদের মতো তাকিয়ে রইলো। লোকটি এমন কেনো! সত্যি একটা প্রহেলিকা অনল ভাই!

*******

বুধবার, সকাল সকাল প্লাবণদের বাড়িতে চলে এলো অনল এবং ধারা। কলেজের বন্ধু বিধায় আগে আসার জন্য অনুরোধ করেছিলো। অনল ও আপত্তি করলো না। কত বছর পর সব ভার্সিটি এবং কলেজের বন্ধুদের আসর বসবে। আসলে কাজের ব্যস্ততায় কখনো সেই সুযোগ হয় না। রবিন, ইকরাম, সমীর এদের সবার সাথে আজ দেখা হবে। প্লাবণের মা ধারাকে দেখেই বললো,
“বউ মা তো ছোট? এই ছোট মেয়ের কাছে নিজেকে সপে দিলি অনল!”

অনল শুধু হাসলো, উত্তর দিলো না। ধারা কিছুটা শিটিয়ে গেলো, নতুন পরিবেশ, অচেনা সবাই। এর মাঝে নিজেকে মানিয়ে নিতে একটু সময় তো লাগবে৷ প্লাবণ তাকে দেখে বললো,
“যাক তুমি এসেছো দেখে খুব খুশি হলাম জলধারা”

ধারা জোরপূর্বক হেসে বললো,
“আপনার বিয়ে আর আমি আসবো না হয়! আপনি আমার দেবর বলে কথা”

কথাটা শুনতেই বিষম খেলো অনল৷ কোনোমতে হাসি থামিয়ে রাখলো সে। ধারার কথাটা যে স্যাটায়ার ছিলো কেউ না বুঝুক সে ঠিক ই বুঝেছে।

ধারা, অনল নতুন বিবাহিত জুটি বিধায় তাদের জন্য একটা আলাদা ঘরের ব্যাবস্থা করা হলো। এই পুরো বিল্ডিং টি প্লাবণের পরিবারের৷ প্লাবণের ছোট চাচারা থাকে নিচ তলায়, বড় চাচা উপর তালায়। মাঝের এক তালায় ছোট ফুপু থাকেন। ছোট ফুপুর বাসার একটা রুম বরাদ্ধ হলো অনল এবং ধারার জন্য। অনল রুমে এসেই গা এলিয়ে দিলো। স্মিত হেসে বললো,
“বোর হচ্ছিস?”
“না, তবে একটু অস্বস্তি হচ্ছে। সকলে কেমন আমাকে ঘিরে ধরেছে। মনে হচ্ছে আমি চিড়িয়াখানার একটা জ’ন্ত। আর টিকিট দিয়ে আমাকে দেখতে হবে”
“ভুল তো নয়”
“অনল ভাই, ভালো হবে না কিন্তু”

অনল ঠোঁট বাকিয়ে হাসলো। সুন্দর, স্বচ্ছ হাসি। তারপর বললো,
“প্লাবণকে যেমন ওবাড়ির সবাই ভালোবাসে, এবাড়িতে আমাকেও সবাই ভালোবাসে। আমি যে বন্ধুদের মাঝে সবার আগে বিয়ে করবো, কেউ মানতে পারে নি। তাই এতো আগ্রহ। সয়ে যাবে”
“ওহ! তুমি বুঝি না’রী’বি’দ্বে’ষী ছিলে?”
“এটা কি প্লাবণ বলেছে?”
“না ইকরাম ভাই বলছিলো”
“কানে নিবি না, এসব রটনা”
“নিলাম না, আমার কি!”
“সত্যি ই কিছু না!”

ধারা উত্তর দিলো না। লাগেজটা বের করে বললো,
“তালা খুলে দাও। আমার শাড়ি বের করবো”
“সন্ধ্যায় অনুষ্ঠান এখন শাড়ি কেনো বের করবি?”
“আজিব! গুছানো লাগবে না। প্রস্তুতির ব্যাপার আছে!”
“যার বিয়ে তার হুস নেই, উনি আসছে সাজতে। পারবো না, আমি ঘুমাবো এখন। আর কোনো আওয়াজ করবি না। যদি আওয়াজ শুনেছি তো দেখিস”
“অনল ভাই”
“চুপ”

বলেই হাতটা চোখের উপর দিয়ে শুয়ে রইলো অনল। ধারার ইচ্ছে করলো কয়েক দফা কথা শুনাতে। কিন্তু কিছু বললো না, এই শোধটা তোলাই থাক।

হলুদের সন্ধ্যে, আলোকসজ্জায় সেজেছে প্লাবণদের বাড়ি। সবাই ছেলের হলুদের অনুষ্ঠানে ব্যস্ত। অনল, ইকরাম এবং রবিনের দায়িত্ব পড়লো খাওয়া দাওয়া এবং ডেকোরেশনের। প্লাবণের ভাইবোনেরা তাদের উপর দায়িত্ব চাপিয়ে ছবি তুলতে ব্যস্ত। কারণ ফেসবুকে দিতে হবে। কেউ কেউ তো টিকটক ও বানাচ্ছে। ফলে এই তিনজনকে গা’ধা খাটুনি খাটতে হচ্ছে। দুপুরে খাওয়ার সুযোগ ও হয় নি। মোটামুটি কাজ এগিয়ে রবিন বললো,
“এই ফলের ডালাটা দেখছিস? আন্টি চাচ্ছে”
“দাঁড়া আমাদের ঘরে ফুপু রেখেছেন হয়তো। এনে দিচ্ছি”

বলেই অনল নিচে গেলো। নিজ ঘর বিধায় নক না করেই ঢুকে পড়লো। রুমে ঢুকতেই তার পা জমে গেলো। ধারা তখন শাড়ি পড়ছিলো৷ এলোমেলো কুচি মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। আয়নায় অনলের প্রতিবিম্ব দেখেই কোনো মতে আঁচল টেনে দিলো সে৷ তীব্র আতঙ্কিত স্বরে বলল,
“নক করবে না? এভাবে ঢুকে কেউ?”

অনল কিছুসময় নির্বিকার চিত্তে তাকিয়ে রইলো ধারার দিকে। তারপর আশেপাশে দেখে ফলের ডালাটা তুলে নিলো। তারপর সে বেড়িয়ে যেতে যেতে নির্লিপ্ত স্বরে বললো,
“কেউ যদি এতো বুড়ি হবার পরও দরজায় লক না করতে পারে, সেখানে এভাবেই ঢুকে পড়ে মানুষ”

কথাটা বলেই বেড়িয়ে গেলো অনল। ধারা জিব কাটলো দাঁত দিয়ে। লকটা লাগাতেই ভুলে গিয়েছিলো সে। মাথায় গাট্টা দিয়ে দরজার লক লাগালো। ভাগ্যিস অনল ই ছিলো!

অনল দাঁড়িয়ে আছে স্টেজের পাশে। তার হাতে ফলের ডালা। রবিন তাকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বললো,
“কি হয়েছে? তোর কান লাল হয়ে আছে কেনো?”
“কিছু না, এলার্জি হয়তো”

মৃদু হেসে কথাটা বললো অনল। রবিন অবাক চোখে অনলের দিকে তাকিয়ে রইলো। দুপুরে তো খাবার ই জুটলো না, এলার্জি হবে টা কিভাবে!

হলুদের অনুষ্ঠান শুরু হলো। ধারা হলুদের বাটি নিয়ে উপস্থিত হলো। হলুদ জামদানি, হালকা রুপার গহনা, হালকা সাজ। সকলের চোখ যেনো তার দিকেই। প্লাবণের একটা বোন তার খোপায় বেলীর মালা বেঁধে দিলো। ফলে আরোও যেনো সুন্দর লাগছে তাকে। নতুন বউ টাইপ একটা ভাইব আসছে তার থেকে। কেউ সুন্দর বললে সেও লাজুক হাসি হাসছে। প্লাবণের মা তার কানের নিচে কাজলের টিপও দিয়ে দিলেন। ধারা হলুদের বাটি রেখে অনলের পাশে এসে দাঁড়ালো। মৃদু স্বরে বললো,
“কেমন লাগছে আমাকে?”
“সং এর মতো”

না তাকিয়ে কথাটা বললো অনল। ধারা পাল্টা বলে উঠলো,
“নিজেকে দেখেছো! সং এর বউ তো সং ই লাগবে”

অনল কিছু বললো না। শুধু ধারার হাতটা নিজ হাতের ফাঁকে গলিয়ে রাখলো। এর মাঝে ঘটলো আরেক বিপদ। বরের পেট খারাপ, সে শুধু বাথরুমে যাচ্ছে আর আসছে। হলুদ লাগাবার জন্য ও বসতে পারছে না। যেই একটু এসে বসছে অমনি পেট গুরগুর করছে আর ছুটতে হচ্ছে তাকে। প্লাবণের এমন অবস্থায় ধারাকে দেখা গেলো মিটিমিটি হাসতে। অনলের চোখ ব্যাপারটা এড়ালো না। তখন সে ধারার কানে মুখ ঠেকিয়ে বললো,
“কাজটা তোর তাই না?”…………

চলবে

মুশফিকা রহমান মৈথি

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ