Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায়শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায় পর্ব-১৯ এবং শেষ পর্ব

শরতের শুভ্র মেঘের ভেলায় পর্ব-১৯ এবং শেষ পর্ব

#শরতের_শুভ্র_মেঘের_ভেলায়
(সমাপ্তি পর্ব)
Sadia afrin nishi
____________________________

সার্থককে জেল হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল তাকে কোর্টে চালান করা হবে। সাক্ষরকেও মুক্ত করা হয়েছে।সাক্ষর মুক্ত হওয়ার পর আমরা সব ঘটনা তাকে খুলে বলেছি কিন্তু সে তার ভাইয়ের এরুপ অপকর্ম মানতে নারাজ। সাক্ষর শুধু বারংবার সার্থকের সঙ্গে দেখা করতে চাইছে কিন্তু সার্থক দেখা করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। সার্থক বলছে তার যা বলার একবারে আদালতে দাঁড়িয়ে বলবে।

অনেক কষ্টে বুঝিয়ে শুনিয়ে সাক্ষরকে বাড়িতে নিয়ে এলাম। বাড়িতে এসেও সাক্ষর একদমই স্বাভাবিক নেই।শুধু পাগলের মতো আচরণ করছে একটি বার সার্থকের সঙ্গে দেখা করার জন্য। সাক্ষরের মতো একজন দক্ষ পুলিশ অফিসারকে সামলাতে কী না আমার মতো একটা পুচকে মেয়ের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ছোট বাচ্চাদের মতো কোনো মতে বুঝিয়ে-সুঝিয়ে সাক্ষরকে ফ্রেশ করে মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছি।এবার আমারও ফ্রেশ হওয়া দরকার।

——————–

আদালতে উপস্থিত সবার নজর এখন সার্থকের দিকে।সার্থকের মুখ থেকেই এবার সত্যিটা জানার পালা। সাক্ষর আমার পাশে বসে ছলছল দৃষ্টি নিয়ে চেয়ে আছে সার্থকের দিকে। আমি বুঝতে পারছি সাক্ষরের কষ্টটা। বাবা-মা মরা দুই ভাই ছোট থেকে একসঙ্গে বড় হয়ে চোখের সামনে একজন আরেকজনের শাস্তি কী করে সহ্য করবে?

জর্জের অনুমতি পেয়ে সার্থক বলতে শুরু করল,,

_আমি একজন সহজসরল পড়ুয়া টাইপ ছেলে ছিলাম। সবসময় লেখাপড়া করে দেশের জন্য কিছু করতে চাইতাম। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছিলাম। আমি সাইন্সের স্টুডেন্ট ছিলাম। ইচ্ছে ছিল গবেষণা করে ক্যান্সারের ঔষধ তৈরি করে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করব। প্রায় সম্পন্ন করেও ফেলেছিলাম আমি আমার আবিষ্কার কিন্তু হঠাৎ একদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে কিছু মুখোশধারী মানুষ আমাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমি তখন প্রচন্ড ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। আমাকে ওরা একটা অন্ধকার রুমের মধ্যে বন্দী করে রাখে প্রায় সাতদিন। না দেয় পানি আর না দেয় খাবার। খাদ্যের অভাবে যখন আমার জান যায় যায় অবস্থা তখন আমাকে সেই অন্ধকার ঘর থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ছদ্দবেশী শয়তান এমপির কাছে। এমপি আমাকে দেখে কেমন পৈশাচিক হাসি হাসতে হাসতে বলল,,_”তোর ভাই সাক্ষর নাকি আমার সব কুকীর্তি ফাঁস করে দিবে। তাহলে আমি কী করে সব মুখ বুজে সহ্য করি বল।আমিও তোকে তুলে নিয়ে এসেছি। এখন তোকে টর্চার করে তোর ভাইয়ের মুখ বন্ধ করব।আর একটা উপায় আছে তোর মুক্তির জন্য। সেটা হলো তোর ওই আবিষ্কার। ক্যান্সারের ঔষধ তৈরির ফর্মুলা যদি তুই আমাকে দিয়ে দিস তাহলে কথা দিলাম তোকে মুক্ত করে দিবো।” এমপির কথা শুনে আমি না না বলে চিৎকার দিয়ে বললাম,_”নাহ আমি আমার আবিষ্কার কিছুতেই তোর মতো শয়তানের হাতে তুলে দিবো না। দরকার হলে প্রাণ দিবো তবুও তোকে ফর্মুলা দিব না।” আমার এই “না” শব্দটাই আমার জন্য কাল হলো।তারপর থেকে শুরু হলো আমার ওপর ওদের নির্মম অত্যাচার।কখনো রড দিয়ে পেটাতো,কখনো কারেন্ট শক দিত,কখনো গরম পানি গাঁয়ে ঢেলে দিত,কখনো লোহার সিক গরম করে ছেঁকা দিত, আরও আরও নানাপ্রকারের ভয়াবহ অত্যাচার করত। আমার আর তখন বাঁচার বিন্দুমাত্র ভরসা ছিল না। কিন্তু একদিন ওই এমপির বাড়ির রাধুনি যে আমাকে মাঝে মাঝে খাবার পৌঁছে দিত তার এসব দেখে আমার প্রতি মায়া হলো।তিনি আমাকে ওখান থেকে পালাতে সাহায্য করলেন।কিন্তু আমার অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে আমি এক কদম পা ফেলতে পারছিলাম না। তারপর তিনি আমার এই অবস্থা দেখে আমাকে ওনার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে সেবা করে সুস্থ করে তোলে।উনি আমাকে সুস্থ হওয়ার পর বাড়িতে ফিরে যেতে বলেছিলেন কিন্তু আমি তখন প্রতিজ্ঞা করি আগে আমি সব শয়তানদের শাস্তি দিব তারপর বাড়ি ফিরব।প্রতিজ্ঞা মোতাবেক সব কয়টা অপরাধীকে আমি নিজের হাতে শাস্তি দিয়েছি। এখন আমি তৃপ্ত। আমার সেই আবিষ্কার এখনো অসমাপ্তই রয়ে গেছে।জর্জ সাহেব, আপনি যদি অনুমতি দেন তো আমার শাস্তি ঘোষণা করার পর আমি জেলখানায় বসে আমার সেই রিসার্চ কম্পিলিট করতে চাই। আমার বলা শেষ। এবার ডিসিশন আপনাদের। আমি আমার শাস্তির ব্যাপারে কোনো রকম সুপারিশ করব না। আমি জানি আমি অপরাধ করেছি। আমার শাস্তি মৃত্যুদন্ডই হবে। কিন্তু আইনের চোখে আমি অপরাধী হলেও আমার আদালতে তারাই অপরাধী যাদের অপরাধ দমন করতে গিয়ে আমি আজ অপরাধীর খাতায় নাম লিখিয়েছি।

এবার খোলাসা হলো সব রহস্যের জাল। সবার চোখে পানি। এখন জর্জ সাহেব কী রায় দিবেন তা সবারই জানা। এতগুলো খুন করে কেউই ছাড়া পেতে পারে না। আইন আইনের নিয়মেই চলবে। আইনের কাছে আপন-পর ফ্যাক্ট নয় ফ্যাক্ট শুধু ন্যায়-অন্যায়। সার্থক যদি আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে সাক্ষরের সাহায্য নিয়ে অপরাধীদের শাস্তি দিত তাহলে তার জীবনে হয়তো আবার সুখের দিন ফিরে আসত। কিন্তু এখন আর তা সম্ভব নয়। অন্যায়ের শাস্তি তাকেও পেতে হবে।

শেষমেষ জর্জ রায় দিয়েই দিলেন। রিসার্চের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফাঁসি কার্যকর করা হবে। রিসার্চটা তাকে জেলে বসেই করতে হবে। জেলের একটা ঘর তার রিসার্চের জন্য বরাদ্দ করা হলো। রিসার্চ যতদিন চলবে সার্থকের জীবন ততদিন টিকে থাকবে। তারপর সব শেষ।

——————–

জীবন এগিয়ে চলছে জীবনের নিয়মে।সময় এগিয়ে চলছে সময়ের নিয়মে।আর আমরা এগিয়ে চলছি মনের সাথে যুদ্ধ করে। সার্থকের রিসার্চ কম্পিলিট হয়ে গেছে আরও দুমাস আগে তারপর তার ফাঁসি। ফাঁসির আগ পর্যন্ত সার্থক সাক্ষরের সঙ্গে একটিবারও দেখা করে নি।হয়তো অভিমান জন্মে ছিল ভাই হয়ে কেন তাকে রক্ষা করতে পারল না প্রথম থেকে। সাক্ষর এখন আর আগের মতো নেই। নিজের কাজের প্রতিও কোনো ইন্টারেস্ট দেখায় না। হয়তো ভাইকে রক্ষা করতে না পারার অক্ষমতার জন্যই তার এই বেপরোয়া ভাব। আমাকেই এখন সবদিকটা দেখতে হচ্ছে। সরকার থেকে নিজের কাজের জন্য পরিপূর্ণ সার্টিফিকেট পেয়েছি। একটা আলাদা অফিস আছে আমার। সারাদিন সাক্ষরের দেখা শুনা করে কাজে কনসালট্যান্ট করার সময় খুবই কম পাচ্ছি। সার্থকের জন্য আমারও প্রচুর খারাপ লাগে। একটা সহজ সরল ছেলের এমন নির্মম পতন সত্যিই গ্রহণের অযোগ্য।

🍁পরিশিষ্টঃ
__________

পেটে হাত রেখে ব্যথায় ছটফট করছি।আজকে আমার ডেলিভারি ডেট। সেদিনের পর থেকে কেটে গেছে ছয়টি বছর। এখন সবকিছুই স্বাভাবিক। আমাদের একটা তিন বছরের কন্যা সন্তান আছে আর এবার কে অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য তা শুধু ওপর ওয়ালাই জানেন।তবে ছেলে মেয়ে যাই হোক আমরা তাতেই খুশি। সাক্ষর এখন পুরোপুরি আগের মতো হয়ে গেছে তবে প্রায়ই মধ্যরাতে বেলকনির করিডোরে দাড়িয়ে চোখের পানি ফেলতে দেখি।হয়তো সেই পানি সার্থকের নামে ঝরে। আমিও তাকে আটকাই না। মনের ভেতরে কষ্ট চেপে না রেখে তা কান্নার মাধ্যমে বিসর্জন দেওয়াই ভালো। তাতে অন্তত মনটা একটু হালকা হয়।

সুস্থ সবল একটা ছেলে সন্তানের জন্ম দেয় আমি। সাক্ষর খুব চিন্তায় ছিল আমাকে নিয়ে। বিগত কিছুদিন ধরে আমি এই অসুস্থতার সময়েও কাজ করে গেছি। একদম গোয়েন্দাগিন্নির মতো সবদিক নিজহাতে সামলাই।আমার মেয়ের নাম সাক্ষী আর ছেলের নামটাও মেয়ের নামের সঙ্গে মিলিয়ে সাম্য রাখলাম। সাক্ষী খুবই ভদ্র এবং বুদ্ধিমতী। সাক্ষর বলে সাক্ষী নাকি আমার মতো স্বভাব পেয়েছে।এখন শরৎকাল। আকাশে পেঁজা তুলোর মতো রাশি রাশি শুভ্ররঙা মেঘের আনাগোনা। আমি এক দৃষ্টি নিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে আছি তখনই পেছন থেকে একজোড়া বলিষ্ঠ হাত আমাকে দু-হাতে আঁকড়ে নিল।আমি আকাশের দিকে চেয়ে থেকেই কিঞ্চিৎ হাসলাম।সাক্ষর আমার কাঁধে মুখ গুজে দিয়ে বলল,,

_”এমনি এক শরতের দিনে তুমি আমার জীবনে এসেছিলে। তারপর কতগুলো শরত পেরিয়েছে। এখানে যেমন এই #শরতের_শুভ্র_মেঘের_ভেলায় ভেসে ভেসে মেঘেদের আসা যাওয়া চলে ঠিক সেভাবেই আমাদের জীবনেও কখনো সুখ কখনো, দুঃখ এসে ভীড় জমায়।তোমাকে পেয়ে আমি পূর্ণ। তুমি আমার বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা নিহুপাখি।অনেক বেশি ভালবাসি তোমায়। কখনো হারাতে চাই না।”

সাক্ষরের কথা শুনে মৃদু হাসির রেখা টেনে বললাম,,
_আমিও ভালবাসি খুব খুব খুব বেশিই ভালবাসি। আপনি হারাতে চাইলেও কখনো আপনাকে হারাতে দিব না। আপনি আমার জীবনের সুখের প্রদীপ। আপনাকে ছাড়া তো আমি অন্ধকারে ডুবে মরব।

_এসব কথা বল না নিহুপাখি। তুমি আর বাচ্চারা ছাড়া আমার এখন আর কেউ নেই। তোমরাই আমার সব।মরার কথা মনের ভুলেও মুখে উচ্চারণ করবে না।

_আচ্ছা করব না এখন সরুন তো বাচ্চারা কী করছে চলুন দেখি গিয়ে।

_হুম চলো

——————–

আজ শুক্রবার। আমার আর সাক্ষরের দু’জনেরই অফিস ছুটি তাই বাচ্চাদের সাথে করে নিয়ে ঘুরতে বেড়িয়েছি। সারাদিন খুব আনন্দে কাটল দিনটি। সাম্য এখনো কথা বলতে পারে না শুধু হাত নেড়ে হেসে হেসে খেলা করে। ঘুরাঘুরি শেষে সাক্ষর বলল, “তোমাদের আজকে এক জায়গায় নিয়ে যাব চলো।” সাক্ষরের অফার শুনে সাক্ষী বলল, আমলা কুতায় দাবো পাপা(আমরা কোথায় যাব পাপা)।সাক্ষর বলল,,গেলেই দেখতে পাবে সোনা।

সাক্ষর আমাদের সার্থকের কবরের সামনে এনে দাড় করাল। আমি কিছুক্ষণ নিষ্পলক চেয়ে রইলাম কবরটির দিকে। সার্থক ঘুমিয়ে আছে চিরতরে। আমার ছোট্ট মেয়েটি কী বুঝল কে জানে, সেও হেঁটে গিয়ে কবরের মাটি আলতো হাতে স্পর্শ করল। রক্তের টান বলে কথা। সার্থক বেঁচে থাকলে কতই না সুন্দর একটা ফ্যামিলি হতো আমাদের।সাক্ষী, সাম্যকে সে নিশ্চয়ই অনেক আদর করত।সাক্ষরও চেয়ে আছে এক ধ্যানে কবরের দিকে।সার্থকের পছন্দের কিছু কাঠগোলাপ সাক্ষর আগে থেকেই সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিল।এখন সেগুলো সুন্দর করে তার সমাধিতে পরিয়ে দিল।ভাইয়ের চোখের জল আর কাঠগোলাপে সজ্জিত হলো আরেক ভাইয়ের সমাধি। আমি ছোট্ট সাম্যকে বুকে জড়িয়ে আর সাক্ষীকে এক হাতে আঁকড়ে ধরে নিরবে চোখের জল ফেলছি।

মানুষের জীবন বরই বিচিত্রপূর্ণ, আজ আছে তো কাল নেই। আমার বাবা-মা,দাদু,পালিত বাবা,সার্থক তাদের ছাড়াই আমাদের জীবন এগিয়ে চলছে। আপন মানুষগুলোর জন্য কষ্ট হয়, ভীষণ রকম কষ্ট হয় তবু্ও তা নিরবেই সয়ে যেতে হয়। আমরাও ঠিক এভাবেই হয়তো একদিন #শরতের_শুভ্র_মেঘের_ভেলায় ভেসে হারিয়ে যাব ওই দুর নীলিমায়।

————–সমাপ্ত———–

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ