Friday, June 5, 2026







গ্যাসবেলুন পর্ব-০৬

#গ্যাসবেলুন
#পর্ব_৬
লেখাঃ Nobonita Ferdows
.
অরণী পিছনে ফিরে তাকাতেই অরূপ অরণীর হাত টেনে তাকে তার ঘরে ঢুকিয়ে দরজার ছিটকিনি ভেতর থেকে লাগিয়ে দিলো!
.
অরণী বুঝতে পারলোনা অরূপ হঠাত তাকে ঘরে ঢুকিয়ে কেনো দরজা দিলো! অরূপ সরাসরি অরণীর চোখ বরাবর তাকালো। সেই দৃষ্টিতে কি যেনো ছিলো, যার দরুণ অরণীর ভয়ে গলা শুকিয়ে আসলো। চোখ বড় বড় করে অরূপের দিকে তাকিয়ে যেন নিশ্চুপ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলো সে।
.
“এভাবে ভয়ার্ত চোখে আমার দিকে তাকানোর কিছু নেই। আপনি ছোটচাচির ভাইয়ের মেয়ে, আমাদের বাড়ির আত্নীয়। এইমাত্র যে কথাটা আপনি আমাকে বলেছেন, সেটার উত্তরে আমি আপনাকে কিছু কথা বলবো। আর আজ আমাদের মধ্যে যা যা কথা হবে, সেগুলো বাড়ির অন্য কারো কানে উঠুক আমি চাইনা। এবার বুঝতে পারছেন, কেনো আমি দরজা লাগালাম?” অরূপ জোরালো কন্ঠে কথাগুলো বলে উত্তরের অপেক্ষায় অরণীর দিকে তাকালো।
.
অরণী উত্তর দিলোনা৷ আগের মতোই ভয়ার্ত দৃষ্টিতে মাথা কাত করে জানান দিলো যে সে বুঝতে পেয়েছে।
.
.
“দেখুন অরণী, আপনি আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট। বাবার আদরের মেয়ে। বাইরের জগৎ, বাস্তবতা সম্বন্ধে আপনার কোনো ধারণা নেই। তাই হয়তো আপনার মনে এমন কিছু এসেছে। আমি আপনার কাছ থেকে এমন কোনোকিছু এক্সপেক্ট করিনা। আশা করি, আপনি এই ব্যাপারটা নিয়ে পরবর্তীতে আর কথা তুলবেন না!” অরূপ খুব ধীরে ধীরে স্পষ্ট উচ্চারণে কথাগুলো বললো।
.
অরণী নাছোড়বান্দা বাচ্চা মেয়ের মতো বললো, “অরূপ, আপনি বিশ্বাস করুন, আমি সত্যি মন থেকেই আপনাকে ভালোবাসি।”
.
অরূপের ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেলো। চট করে ধমকে বলে উঠলো, “শাট আপ! আপনি কি দয়া দেখাতে চাচ্ছেন আমাকে? আপনার কি মনে হয়, আমি অসহায়, আমার কাউকে দরকার? আপনি তাহলে ভুল ভাবছেন৷ দেখুন অরণী…”
.
“না না, আপনি ভুল বুঝছেন আমাকে। আমি কেনো দয়া করতে যাবো আপনাকে?” অরূপকে থামিয়ে অস্থির হয়ে বললো অরণী।
.
“শুনুন, আমার কোনো সিমপ্যাথির প্রয়োজন নেই। একটা বিবাহিত ছেলেকে, যার একটা সন্তান আছে, হুট করে এসে কেউ তার প্রেমে পড়েছে বললেই তো আর তা সত্যি হয়ে যাবেনা! আমি আপনাকে অপমান করতে চাচ্ছিনা। আপনি এক্ষুনি আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে যাবেন। পরবর্তীতে আমার আশেপাশে যেনো আমি আপনাকে ঘুরঘুর করতে না দেখি!”
.
.
অরণী নিজেকে আর আটকাতে পারলোনা। দরজার ছিটকিনি খুলে ছুটে নিজের ঘরে চলে গেলো। ধরাম করে অরূপের ঘরের দরজা লাগানোর শব্দে অরণীর চেপে রাখা কান্নার বেগ যেনো আর বাঁধা মানলোনা। ঘরে ঢুকে ঘরের দরজা লাগিয়ে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো অরণী। সে এখনো মানতে পারছেনা অরূপ তাকে এভাবে মুখের ওপর অপমান করতে পারে।
.
.
ছোটবেলায় অরণী বাবার মুখে মা-বাবার প্রেমকাহিনী শুনেছিলো। তাদের প্রেমের শুরু হয়েছিলো বিয়ের পর৷ সেইযুগে বিয়ের আগে ছেলেমেয়ের প্রেম যেনো বিশাল অপরাধ ছিলো। বাবা-মা দুজনেই ছিলেন রক্ষণশীল পরিবারের সন্তান; বিধায় কোনোদিন প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোর কথা ভাবতেও পারতেন না তারা। পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের পর বেশ কয়েকমাস তাদের মধ্যে সম্পর্কটা ছিলো শুধুই বন্ধুত্বের; একছাদের নিচে থাকতে হলে মিলেমিশে যতটা থাকা প্রয়োজন ততটাই। বিয়ের পর একসময় দুজনেই দুজনকে বুঝতে শুরু করে; প্রথম প্রেমে পড়াটা তখনই। দুজন দুজনকে জেনে প্রথম অনুভব করা!
.
.
অরণী তেমন কাউকেই খুঁজে এসেছে বরাবর। প্রথম যাকে দেখলেই মনে হবে, “এই মানুষটাকেই আমি ভালোবাসি।” আর তখন সেই মানুষটার রাগ, বিরক্তি, অবজ্ঞা, খারাপ-ভালো সবকিছু মিলেই ভালোলাগাটা রয়ে যাবে৷ মানুষটার কোনোকিছুর জন্যই ভালোলাগা কমবেনা, বরং বেড়েই যাবে।
.
অরণী অরূপকে দেখে তেমনটাই ভেবেছিলো৷ তাই হয়তো, অরূপের বিয়ের কথা, ডিভোর্সের কথা, মাধুর্যের কথা, কোনোকিছুই অরণীর ভালোলাগার লাগাম টানতে পারেনি। অরূপের এমন ব্যবহারে অরণীর সকল আশা, আকাঙ্ক্ষা যেন ধূলিসাৎ হয়ে গেলো; কিন্তু মনের মধ্যে সুপ্ত ভালোবাসাটুকু এতটুকুও কমলোনা।
.
অরূপের জীবনেও কেউ এসেছিলো। নয়-নয়টা বছরের প্রেম, সাংসারিক জীবন, প্রথম সন্তান, সবকিছুর অসম্ভব সুন্দর মুহূর্তের সাথে সাথে তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে তাকে। এতকিছুর পর দ্বিতীয়বার কাউকে ভালোলাগা, কাউকে জীবনসঙ্গী করার মানসিকতা তার হয়তো হয়ে ওঠেনি; কিংবা সে বিশ্বাসই করতে পারছেনা, কেউ তাকে এভাবেও পছন্দ করতে পারে!
.
অরণী নিজেকে নিজেই বোঝালো। সে আর অরূপকে এসব নিয়ে কোনো কথা বলবেনা। নিজের ভালোলাগাটুকু নিজের কাছেই সুপ্ত করে গোপন বাক্সে তালাবদ্ধ করে রাখবে!
.
.
এরপরের কয়দিন অরণী অরূপের সামনেই গেলোনা। নানান অজুহাতের বাহানায় বারবার এড়িয়ে গেলো অরূপকে। অরূপও নিজের মতোই চুপচাপ রইলো।
.
সেদিন সন্ধ্যেবেলা আতাহার সাহেব ফোন করতেই অরণী বললো, “বাবা, আমার এখানে আর ভালো লাগছেনা! আমি বাড়িতেই ভালো ছিলাম!”
.
“কেনো মা? ওখানে এত মানুষের মাঝে তো মন খারাপ হওয়ার কথা না! কিছু হয়েছে? কেউ কিছু বলেছে?”
.
“না। কে কি বলবে? আমার একা একা থাকার অভ্যাস হয়ে গিয়েছে। এত মানুষ ভালো লাগেনা!”
.
“একা একা থাকলে চলবে? আমি থাকিনা… তোকে একা রাখতে তো ভয় হয়! তাছাড়া তোর খেয়াল রাখার তো কেউ নেই!”
.
“কিসের ভয়? আর আমি নিজের খেয়াল নিজে রাখতে পারি!”
.
“তোর কি সমস্যা হচ্ছে রেনুর বাসায়, সত্যি করে বলতো?”
.
“কিছুনা। আচ্ছা, থাক, এখানেই থাকবো!”
অরণী জানে, সে বাবাকে রাজি করাতে পারবেনা।
.
.
“অরুপু, মা খেতে ডাকছে। চলো নিচে যাই!”
অরণী যাচ্ছি বলে নিচে নামলো। অরূপ বসে আছে টেবিলে। অরণী থমকে দাঁড়িয়ে পিছনে ঘুরে ওপরে যেতে চাইছিলো। হঠাত ছোটফুপু ডেকে বললো, “কিরে, আবার যাচ্ছিস কেনো উপরে?”
.
“ফুপু, একটা ফোন করতে হবে আমাকে। মনে ছিলোনা; কেবল মনে পড়লো। আমি পড়ে এসে খাবো!”
.
“চাচি, আপনার আত্নীয়কে বলে দিবেন, এবাড়িতে খাওয়ার সময় সবাই একসাথেই খায়।”
.
ছোটফুপু বললেন, “আচ্ছা থাক না, ওর হয়তো সত্যিই দরকারী ফোন করতে হবে!”
.
“পরে ফোন করে নিবো।”
অরণী পুরোপুরি অনিচ্ছায় টেবিলে এসে বসলো।
.
অরূপ নিজের মতো চটপট খেয়ে উঠে চলে গেলো। অরণীর খাওয়া হলোনা। আনমনে খাবার নিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকলো।
.
পরদিন ভার্সিটিতে এক্সট্রা ক্লাস করতে করতেই তিনটা বেজে গেলো। অরণী ক্লাসশেষে বন্ধুদের সাথে গল্প করতে করতে ভার্সিটি থেকে বেরোচ্ছিলো। সবাই যে যার মতো চলে যাওয়ার পর অরণীর ব্যাচমেট সাদিক আর অরণী থেকে গেলো। সাদিক অরণীর স্কুলফ্রেন্ড ছিলো, বন্ধুত্বটা ছোটবেলা থেকেই অনেক ভালো। এই একটা ছেলেবন্ধুর সাথেই অরণী একটু মিশুক। দুজনে একই দিকেই যাবে বিধায় একটা রিকশাতেই দুজনে উঠে বসলো।

.
সাদিক অরণীকে ফুপুবাড়ির গলির মাথায় নামিয়ে দিয়ে চলে গেলো। অরণী হেটে এসে বাড়িতে ঢুকলো। বাসায় ফিরতে ফিরতে চারটা পেরিয়ে গিয়েছে।
ছোটফুপুকে খেতে দিতে বলে গোসল করতে বাথরুমে ঢুকে গেলো সে। শাওয়ার নিয়ে ভেজাচুল টাওয়েলে পেঁচিয়ে লং টি-শার্ট আর ট্রাউজার পরে বের হলো। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভেজা চুল মুছতে গিয়ে আয়নায় চোখ পড়তেই ভয়ে চমকে উঠলো অরণী। অরূপ অরণীর ঘরের বন্ধ দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অরণীর চিৎকার করতে ধরতেই অরূপ এসে তার মুখ চেপে ধরলো।
.
অরণীর কানের কাছে ঠোঁট এনে বললো, “ছেলেটা কে?”
.
অরণীর মুখের ওপর থেকে হাত সরালো অরূপ।
“মানে? কোন ছেলে?”
.
“যে ছেলেটার সাথে কলেজ থেকে এক রিকশায় ফিরলেন?”
.
“সেটা আমি আপনাকে কেনো বলবো?”
.
অরূপ যেনো একথায় কিছুটা দমে গেলো।
একটু থেমে আবার বললো, “ছেলেটা কে তাতে আমার কোনো যায় আসেনা! কিন্তু আমাদের বাড়ির মেয়েরা ভাই কিংবা স্বামী ছাড়া পরপুরুষের সাথে এক রিকশায় ঘুরে বেড়ায়না।”
.
“আমি তো আপনাদের বাড়ির মেয়ে না!”
.
“কিন্তু এখন আপনি আমাদের বাড়িতেই আছেন। আর তাই বাড়ির নিয়ম কানুন আপনাকে মানতে হবে। বুঝেছেন?”
.
অরূপ অরণীর উত্তরের অপেক্ষা না করে চলে যাওয়ার জন্য পিছনে ঘুরলো। দরজাটা খুলে দাঁড়িয়ে অরণীর দিকে না ঘুরেই বললো, “ভবিষ্যতে ওই ছেলেকে যেনো আপনার আশেপাশে না দেখি!”
অরূপ বেড়িয়ে গেলো। অরণী গিয়ে ঘরের দরজা ভিতর থেকে লাগিয়ে এসে বিছানার ওপর বসলো।
.
“মগের মুল্লুক নাকি? উনার আশেপাশে আমার থাকা যাবেনা, আবার আমার আশেপাশে অন্য কোনো ছেলের থাকা যাবেনা! সব কি ওনার কথামতোই হতে হবে নাকি? যত্তসব!”
.
.
পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে নিচে নেমে অরণী দেখলো, ছোটফুপু, ছোটফুপা, আন্টি, আংকেল, অরূপ সবাই ড্রয়িংরুমে সোফায় বসে কোনো বিষয়ে কথা বলছে৷ সবার মুখে থমথমে একটা ভাব। অন্তু সিড়ির মাথায় লুকিয়ে শোনার চেষ্টা করছে, কি নিয়ে কথা হচ্ছে। অরণীকে দেখেই অরণীর হাত টেনে ধরে আড়ালে নিয়ে গিয়ে বললো, “অরুপু, তুমি কি কিছু জানো কি হয়েছে?”
.
“নাতো! কি হয়েছে?”
.
“আমিও তো জানিনা৷ মনে হয়, ভাইয়াকে নিয়ে কোনোকিছু!”
.
অরণীর বুকটা ধ্বক করে উঠলো। তবে কি অরূপের বিয়ে নিয়ে কোনো কথা হচ্ছে? অরূপ যদি বিয়েতে রাজি হয়ে যায়?
.
অরণীও অন্তুর সাথে সাথে কান পাতলো কিছু যদি শোনা যায়। সেই আশায় পানি ঢেলে ছোটফুপু ড্রয়িংরুম থেকে অন্তুর উপস্থিতি বুঝতে পেরে খেঁকিয়ে উঠলো, “কি রে অন্তু, কি করিস তুই ওখানে?”
.
অরণী সাথে সাথে দৌড়ে দোতলায় উঠে গেলো। অন্তু চোখমুখ কাঁচুমাচু করে অরণীর দিকে তাকিয়ে বললো, “কিছুনা চাচি। খিদা পাইছে৷ তাই বলতে আসছিলাম!”
.
ছোটফুপু অরণীকে খেয়াল করেনি। তিনি উঠে এসে নাস্তা গরম করে দিলেন অন্তুকে। তারপর সবাইকে খেতে ডাকলেন; অরণীকেও ডাকলেন। অরণী কিছুই জানেনা, এমন ভাব নিয়ে দোতলা থেকে নেমে এসে খেতে বসলো। অন্তুর চোখে চোখ পড়তেই ফ্যাকাসে হাসি হাসলো।
.
অরণীর সারাটাদিন খারাপ কাটলো। বাড়িতে খুব বড় ধরণের কোনোবিষয় নিয়ে কথা চলছে। তাকে কেউ কিছু বলছেনা। অন্তু বারবার আড়ি পেতেও কাহিনির কোনোকিছুই অনুধাবন করতে পারেনি।
.
রহস্য উন্মোচন হলো এর দুদিন পরেই। অরণী বিকালবেলা ছাদের রেলিংএ হেলান দিয়ে কানে এয়ারফোন লাগিয়ে গান শুনছিলো। অরণী ছাদের এমন একটা অবস্থানে দাঁড়িয়েছে, যেখান থেকে বাসার সামনের বিরাট আমগাছের ডালপালার ফাঁক দিয়ে রাস্তার লোকজনকে দেখা যায়, কিন্তু কেউ তাকে দেখতে পায়না; বিশাল আমগাছ তাকে আড়াল করে রাখে।
.
অরণী স্পষ্ট দেখতে পেলো, অরূপ বাইকে এসে বাসার গেটে দাঁড়ালো। তারপর যা খেয়াল করলো তা দেখার জন্য অরণী প্রস্তুত ছিলোনা। অরূপের সামনে…..
.
.
চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ