Friday, June 5, 2026







দখিনা প্রেম পর্ব-২৪

#দখিনা_প্রেম
#লাবিবা_ওয়াহিদ
|| পর্ব ২৪ ||

ফারুক হোসাইন সেহেরকে প্রথম দেখাতেই বেশ ভালো চিনতে পারলো ইভেন সেহেরও তাকে চিনেছে।দুজনের কী ভাব। তাদের ভাব দেখে সা’দ অল্প হলেও ভিষণ অবাক হয়েছিলো কারণ, সে এটাই ভেবে পায়নি তারা দুজন-দুজনকে কীভাবে চিনলো? পরে ফারুককে জিজ্ঞেস করলে সে নিজেই মুচকি হেসে বলে,

—“তোমাকে একটা মিষ্টি মেয়ের কথা বলেছিলাম মনে আছে? সেই মিষ্টি মেয়েটিই তোমার হবু বউ। একদম পারফেক্ট চয়েস করেছো তুমি সা’দ। আই প্রাউড অফ ইউ!”

সেদিন সা’দ নিজেও বেশ খুশি হয়েছিলো। তবে সা’দদের বাড়িতে এসে মিসেস ফারুক হোসাইন যবে থেকে সেহেরকে দেখেছে তবে থেকে সে সেহেরের পাশে বসে অপলক দৃষ্টিতে তাকে দেখেই চলেছে। মিসেস ফারুক মানসিকভাবে অসুস্থ প্রায় অনেক বছর ধরেই। এভাবে তার দৃষ্টিতে সেহের বারংবার ইতস্তত হয়ে পরেছে। মিসেস হোসাইনকে এরূপ বিষয়ে প্রশ্ন করলেও সে কোনো উত্তর দেয় না। একদম চুপ করে সেহেরের পাশে বসে থাকে। অনেকে এও বলাবলি করছে সেহের ফারুক হোসাইনের মেয়ে, তাদের চেহারার মিল আছে। এসব ফিসফিস ফারুক হোসাইন বা সেহেরের কানে না গেলেও সা’দ ঠিকই শুনতে পেলো। তাই সা’দ নিজেই পর্যবেক্ষণ করেছে দুজনের চেহারার দিকে তাকিয়ে। আসলেই অনেক মিল। কিন্তু ফারুক হোসাইন তো তাকে বলেছে তার একটাই মেয়ে। আর সেই মেয়েটি তো এখন লন্ডনে পড়াশোনা করতে গেছে। এক মিনিট, ফারুক হোসাইন বলেছিলো তার আরেকটা মেয়ে ছিলো যে কি-না জম্মের পরপরই মারা গেছে। বিষয়টা চরম খটকা লাগলো সা’দের কাছে। তাই সে কিছু একটা ভেবে হলুদের অনুষ্ঠানের পরপরই ফারুক হোসাইনের ঘরে চলে গেলেন। সেখানে চিরুনি না পেয়ে ওয়াশরুম থেকে তার ব্রাশ এবং সেহেরের চিরুনি নিয়ে কারীবের মাধ্যমে কোথাও পাঠিয়ে দিলো। পরেরদিন বিয়ে সুস্থভাবেই সম্পন্ন হলো। এরকম এক বিশেষদিনে সেহের তার পরিবারের সকলকেই বড্ড মিস করছে কিন্তু কেউ তার পাশে নেই। সেহেরকে মন খারাপ করতে দেখে মিসেস হোসাইন সেহেরকে আচমকা বুকের সাথে জড়িয়ে ধরলো আর বলতে লাগলো,

—“চিন্তা করিস না মা, তোর মা তোর পাশেই আছে। বিয়ে হয়েছে তো কী হয়েছে তোকে কেউই আমার থেকে আলাদা করতে পারবে না!”

মিসেস ফারুকের কথার আগা-মাথা কিছুই সেহের বুঝতে পারলো না। তবে সেহের তার থেকে অনেক প্রশান্তি পাচ্ছে যেমনটা তার মা তাকে জড়িয়ে ধরলে পেতো। সেহের কিছু না ভেবে নিজেও মিসেস ফারুকের সাথে লেগে রইলো। সা’দ ফারুকের সঙ্গে কথা বলতে বলতে একপর্যায়ে বলে উঠে,

—“আচ্ছা আঙ্কেল একটা কথা ছিলো!”

—“কী কথা বলো!”

—“আপনার ছোট মেয়ে কীভাবে মারা গেছে?”

ফারুকের চেহারা পাল্টে গেলো। চাপা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,

—“হঠাৎ-ই সে মারা যায়। তবে সে জম্মের পরপর সুস্থই ছিলো। জানি না কীভাবে কী হলো। আমার স্ত্রী তার শোকে মানসিক রোগীতে পরিণত হয়েছে, তার একই কথা তার মেয়ে জীবিত। অথচ আমরা দেখেছি মৃত! নিজ হাতে দাফন করেছি আমার সেই ছোট নিষ্পাপ মেয়েকে।”

বলেই সে হালকা চোখ মুছলো। সা’দ তখন আবারও বললো,

—“আপনার মেয়ের জম্মতারিখ?”

—“১৯শে ফেব্রুয়ারী!”

—“এ. এস হলি হসপিটালে?”

ফারুক বোকা বনে গেলো সা’দের কথায়। সা’দই বা কী করে জানলো হসপিটালের নাম? ফারুক হোসাইন তো কখনো তা জানায়নি তাকে।

—“তুমি কী করে জানলে?”

সা’দ মুচকি হেসে বলে,
—“ডিএনএ রিপোর্ট আসুক তারপর বোঝা যাবে, তবে তার আগে আরও কিছু খোঁজ নেয়া লাগবে।”

বলেই সা’দ পকেট থেকে ফোন বের করে ফোনে কিছু করতে করতে সেখান থেকে অন্যদিকে চলে গেলো। ফারুক সা’দের কথাবার্তা কিছুই বুঝতে পারছে না।
ওদিকে রুবাই সেহেরকে খুঁচিয়ে বলে,

—“কী সেহের সা’দ কই? বিয়ে করে হারিয়ে গেলো নাকি?”

বলেই হেসে উঠলো। এদিকে সেহের কিছুটা লজ্জা পেলেও কেন যেন সা’দের জন্য চিন্তা হলো। রুবাই সেহেরকে সা’দকে নিয়ে নানানভাবে খোচাঁচ্ছে আর সেহের লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে। তখনই রুবাইয়ের ফোনে সা’দের কল আসলো।

—“হ্যাঁ ভাই বল!”

—“সেহেরকে দে।”

—“এই দেখো তোমার বর কলও করেছে, নেও কথা বলো আসছি।” বলেই মুচকি হেসে কিছুটা সরে গেল রুবাই। সেহের ফোনটা হাতে নিয়ে ‘হ্যালো’ বলতেই সা’দ বলে উঠলো,

—“কী বউ আমায় মিস করছো? সমস্যা নেই আমি তো এখন পার্মানেন্টলি তোমার হয়ে গেছি। এখন শুধু রাতটা আসার অপেক্ষা।”

—“এই, আপনার এইসব লাগামহীন কথাবার্তা ছাড়া আর কিছু কী মুখে আসে না?”

—“উহু! আসে না গো!”

—“রাখেন ফোন।”

বলেই সেহের কল কেটে দিলো আর সা’দ ফোনের দিকে তাকিয়ে হাসতে শুরু করলো। সেহেরকে জ্বালাতে তার বড্ড ভালো লাগে। আজ সা’দ খুশি অনেক বেশি খুশি। আজ থেকে সে তার প্রিয়তমাকেও খুশিতে দেখবে। এখন শুধু ডিএনএ রিপোর্ট আসার অপেক্ষা। কারীব কিছুক্ষণ আগেই বেরিয়েছে, সা’দ আপাতত তারই অপেক্ষায় আছে। প্রায় ৪০ মিনিট পর কারীব ফিরলো। সা’দ রিপোর্ট হাতে নিয়ে কিছুক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। অতঃপর রিপোর্ট খুলে দেখতে লাগে। রিপোর্ট দেখে সা’দের ঠোঁটের কোণে মিষ্টি হাসি ফুটে উঠলো। হ্যাঁ সে যা ভেবেছে তা-ই হয়েছে। সা’দ রিপোর্ট নিয়ে ড্রইংরুমে চলে যায়। সেখানে সকলে সন্ধ্যার নাস্তা করতে ব্যস্ত। সা’দ সকলের এটেনশন চাইতেই সকে সা’দের দিকে মনোযোগ হলো। এখানে সা’দের পরিবার এবং মি. এবং মিসেস ফারুকও উপস্থিত। সেহেরও তাদের মাঝে ছিলো। সেহেরের পাশে মিসেস ফারুকও আছে। সে তো সেহেরের পাশে থেকে সরতে নারাজ। তার এমন আচরণে সকলেই কমবেশী অবাক হলেও মিসেস ফারুকের জেদের কারণে কিছু বলতে পারেনি। সা’দ তখনই তার বাবা জুবায়েরকে বললো,

—“বাবা কবির চাচার মেয়ে তো সেহের না তাই না?” সা’দের এমন কথায় সেহেরের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরলো। কিসব যা-তা বলছে সা’দ? কবির কেন তার বাবা হবে না? সা’দ যেন সেহেরের মনের কথা বুঝতে পারলো। তাই সে সেহেরকে আশ্বাস দিয়ে বলে,

—“কী কী বলছি পুরোটা শুনো তারপর ভেবো!”

সা’দের মাঝেই জুবায়ের একনার সেহেরের দিকে তাকিয়ে নিচুস্বরে বলে,

—“হ্যাঁ তো?”

—“তো বোঝাচ্ছি। ফারুক আঙ্কেল আপনার সাথে কিছু কথা ছিলো!” সা’দের কথায় ফারুক হোসাইন নড়েচড়ে বসে। অতঃপর ঠান্ডা স্বরে বলে উঠে,

—“হ্যাঁ সা’দ বলো, আমি শুনছি!”

—“আপনার মেয়ে ১৯শে ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করে মারা যায়নি। এইযে আপনার স্ত্রীর সাথে যিনি বসে আছেন তিনি হলেন আপনার ছোট মেয়ে সেহের। আর যাকে আপনি নিজের মেয়ে বলে দাফন করেছেন তিনি আমারই চাচার মেয়ে।”

সকলে অবাক হয়ে গেলো সা’দের কথায়। হিসাবটা তারা ঠিক বুঝতে পারছে না। সা’দ আবার বলা শুরু করলো,

—“এ. এস হলি হসপিটালে সেদিন একই দিনে, একই সময়ে সুফিয়া মা এবং আন্টির ডেলিভারি হয়, দুজনেরই মেয়ে হয়ম তাদের চেকাপের জন্য চাইল্ড ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে একই বেডে দুজন শুয়েছিলো, এক সেহের এবং অন্যজন কবির চাচার মেয়ে। কবির চাচার ঠিকই তার মেয়েকেই মেরেছে। কিন্তু একজন নার্স ভুলবশত সেহেরকে নিয়ে সুফিয়া মায়ের কোলে দিয়েছে আর মৃত বাচ্চাকে ফারুক আঙ্কেলের কোলে দেয়। কী আঙ্কেল ঠিক বললাম তো?”
ফারুক হোসাইন নির্বাক হয়ে মাথা নাড়ালো।

—“সেই নার্সের গড়মিলের কারণে দুজন বাচ্চা আলাদা আলাদা মায়ের কোলে গেছিলো। একজন মৃত হয়ে আরেকজন জীবন্ত হয়ে। এটা আমার কথা না, আমি সেই হসপিটালে সব খবর নিয়েছি ইভেন ফারুক হোসাইন এবং সেহেরের ডিএনএ টেস্টও করিয়েছি। আপনারা চাইলে রিপোর্ট দেখতে পারেন, আমার হাতেই আছে রিপোর্ট।” বলেই সা’দ তার হাতে থাকা রিপোর্টটা ফারুক হোসাইনের হাতে দিলো। তিনি চোখে চশমা লাগিয়ে ভালোভাবে রিপোর্টটা পড়লেন।
যতোই পড়ছেন চোখের পানিতে তার চশমা ততোটাই ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে। এদিকে সেহেরের চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় পানি পরছে। যাকে এতদিন মা বলে এসেছে সে তার মা নয়, তার পাশে বসা মা-টাই তার আসল মা? সেহের এতক্ষণে বুঝলো মিসেস ফারুকের তখনকার কথাগুলোর মানে।
ফারুক হোসাইন রিপোর্টটা সোফায় রেখে সেহেরের পাশে বসে সেহেরকে বুকে জড়িয়ে হুঁ হুঁ করে কেঁদে উঠলো। সেহেরও নিজেকে সামলে রাখতে পারলো না, সেও ফারুককে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো। ফারুক হোসাইন প্রায় ১৯ বছর নিজের মনের মাঝে তার ছোট্ট মেয়েটাকে মৃত বলে লালন করে গেছে আর আজ তার ছোট্ট মেয়েটা তার বুকে। এর চেয়ে বড়ো সুখ আর কী হতে পারে? আল্লাহ সুবহানাল্লাহ তায়ালা চাইলে কি-ই না করতে পারেন। তার দ্বারা সব সম্ভব। তাইতো সেহের নিজেকে এতিম ভাবলেও আজ পুরো পরিবার ফিরে পেলো। তার দুঃখের দিন শেষ। সকলের এতক্ষণ এই চরম সত্যিটা মানতে কষ্ট হলেও বাবা-মেয়েকে একসাথে কাঁদতে দেখে তাদের চোখের কোণেও জল জমলো। সা’দ চোখে পানি নিয়েই মুচকি হেসে এদিক সেদিক তাকিয়ে চোখের পানি ঢাকার চেষ্টা করতে থাকলো। কারীব চোখের কোণ মুছে সা’দের পিছে দাঁড়িয়ে সা’দের কাঁধে হাত রেখে বললো,

—“স্যার আপনি পেরেছেন। সত্যি-ই আপনার বুদ্ধির তারিফ করতে বাধ্য হচ্ছি। আপনার যাচাই-বিবেচনার কারণেই আজ এমন সুখের সময় নিজ চোখে দেখতে পারছি। আপনার পা ধরে আমার সালাম করতে মন চাইছে।” কারীবের কথা সা’দ নিশব্দে হাসলো। অতঃপর সে পিছে ফিরে কারীবকে হালকা জড়য়ে ধরলো। হ্যাঁ আজ সা’দ সফল হয়েছে। তার চেয়ে বড়ো সুখী আর কে আছে?

—“বোকা ছেলে। এতো বড়ো হয়েছো তাও বুঝো না, তোমার স্থান আমার পায়ে নয় বুকে! এভ্রিথিং ইজ ফেয়ার এন্ড লাভলী!”

ফারুক তার সেহেরকে বুকে নিয়ে মিসেস মালীনির দিকে তাকালো। সে এখনো একইভাবে সেহেরের দিকেই তাকিয়ে। এখানের কেউ তার মেয়েকে না চিনলেও এই মালীনি হোসাইন ঠিকই সেহেরকে চিনেছে। সন্তানের প্রতি মায়ের টান হয়তো এটাকেই বলে। শেষমেষ ফারুক হোসাইন স্বীকার করতে বাধ্য হলো,

—“মালীনি! আমার স্বীকার করতে বাধা নেই তুমি ঠিকই আমাদের মেয়েকে চিনেছো। কিন্তু দেখো আমি কেমন বাবা যে কি না আমার এই ছোট্ট মেয়েটাকে চিনতে পারলাম না। সত্যিই তুমি প্রসংশার যোগ্য।”

ফারুক হোসাইনের কথায় মালীনি হাসলো।
—“হয়েছে। এখন মেয়েকে আমার কাছে দিন তো!আমার বুকটা যে হাহাকার করছে। আমার মা তুই একদম কাঁদবি না, আমি আর তোর বাবা আছি তো।” সে খুবই স্বাভাবিক আচরণ করলো যা দেখে ফারুক হোসাইন বিস্মিত হলেন। ফারুক দেশ-বিদেশের কতো ডাক্তার দেখালেন তার স্ত্রীকে তবুও তার অবস্থার তেমন একটা উন্নতি হয়নি। সে যতোবারই ডাক্তার দেখাতে গেছে মালীনি মিনতির সুরে বারবার বলতো,

—“আমার মেয়েকে এনে দাও, দেখবা আমি একদম ঠিক হয়ে যাবো!”

হ্যাঁ, মালীনি বরাবরই ঠিক ছিলো এবং ফারুক হোসাইন ভুল। সত্যি সত্যিই মালীনি আবার স্বাভাবিক হয়ে আসছে। সেহেরকে দুজনই আগলে রাখলেন, একসময় ফারুক হোসাইন আবেগী সুরে বলে উঠলেন,

—“মা! মারে, একবার বাবা বলে ডাকবি? তোর মুখে বাবা ডাক না শুনে যে দম বন্ধ হয়েচ আসছে।”

সেহের অস্ফুট সুরে “বাবা” এবং “মা” বলে উঠলো। এবার ফারুক হোসাইনের সাথে মালীনিও কান্নায় যোগ দেয়। তাদের একান্ত কাটানো সময়গুলো ঘন্টাখানেক চললোই। কেউ-ই তাদের পরিবারে বিরক্ত করেনি। সা’দ দূরে পিলারের সাথে হেলান দিয়ে তার মায়াবীনির হাস্যোজ্জ্বল মুখটা দেখছে। দেখার তৃষ্ণা যেন মিটবার নয়।

চলবে!!!

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ