Saturday, June 6, 2026







তোমাকে বলার ছিল পর্ব-১৪

তোমাকে বলার ছিল ………
চতুর্দশ পর্ব
কাল রাত থেকে মনটা অসম্ভব খারাপ হয়ে আছে তৃণার I নিজের উপর ভীষন রাগ হচ্ছে I কাল এভাবে সুজনের বাসায় যাওয়াটা উচিত হয়নি I ওর কাছ থেকে উপহার নেয়াটাও ঠিক হয়নি I যেটা হবেনা, সেটাকে শুধু শুধু বাড়তে দেয়া ঠিক নয় I ওর সঙ্গে কথা বলতে হবে I এমনটা যে হবে এটা তৃণা আগে থেকেই জানত ,তবু কেন যে এত কষ্ট হচ্ছে I কাল হঠাৎ করে নিজের স্বপ্নটাকে চোখের সামনে দেখে হয়তো নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি I কিন্তু আর নয় I যে সম্পর্কের কোন ভবিষ্যৎ নেই, সেটাকে আর না এগিয়ে নেওয়াই ভালো I

তৃণা ঠিক করেছে হলে উঠে যাবে I আজই ফর্ম ফিলাপ করে ফেলতে হবে I এখন বাসায় কাউকে জানাবে না I দাদি বলছিল এবার ঈদ করে যাবে I সেরকম হলে ঈদের পরে উঠে যাবে I
বিকেল তিনটায় টিউশনিতে যেতে হবে I এগারোটার দিকে তৃণা রেডি হয়ে ব্যাগ হাতে নিতে গেলে হঠাৎ খেয়াল করলো, ব্যাগের মধ্যে শাড়ীটা এখনো রয়ে গেছে I কি মনে করে তৃণা প্যাকেটটা খুলল I আকাশী নীল রঙের একটা শাড়ি; সাদা আর ধূসর পার I দেখে মনে হচ্ছে শরতের এক টুকরো আকাশ I তৃণার একবার মনে হল ফিরিয়ে দেবে, পরমুহুর্তেই মনে হোলো থাক একটাইতো স্মৃতি; থাকলো না হয় ওর কাছে I তৃণা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে শাড়িটা আলমারিতে তুলে রাখলো I তারপর দাদির কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেল I

জাহানারা বেগম ঠিক করেছেন ছেলের সঙ্গে কথা বলবেন I মেয়েটা যখন ,এখন বিয়ে করতে চাইছে না তখন জোর করার দরকার নেই I এক বছর পরে না হয় দেখা যাবে I ততদিনে ওর ফাইনাল পরীক্ষাটা শেষ হয়ে যাবে I জাহানারা বেগম ছেলের ঘরে গিয়ে দরজায় টোকা দিলেন I সামাদ সাহেব আর রেহানা ভেতরেই ছিলেন , মাকে দেখে তাড়াতাড়ি ভেতরে নিয়ে এলেন I উনি কিছু বলার আগেই সামাদ সাহেব বললেন
– দেখেন আম্মা , রেহানা কি করেছে I তৃণার জন্য কি সুন্দর একটা শাড়ি কিনেছে I আপনি তো শুধু মনে করেন আমরা তৃণাকে ভালোবাসি না I দেখেন বিয়ের কথাটা তো রেহানাই এনেছে I এত ভালো ছেলে I ওরা যদি তৃনাকে পছন্দ না করে টুম্পাকে করতো, তাহলে ও আমি দিয়ে দিতাম I কিন্তু তৃনাকে পছন্দ করেছে তাতেও আমি খুশি I তৃণাও তো আমার মেয়ে I আপনি ওকে একটু বুঝিয়ে বলেন I এত ভালো ছেলে সব সময় পাওয়া যায় না I ওদের তৃণার পড়াশোনা নিয়ে কোন আপত্তি নেই I এমন কি চাকরি নিয়েও না I

জাহানারা বেগমকে বেশ আশ্বস্ত মনে হল I এতদিন শুধু শুধু ছেলেকে ভুল বুঝে এসেছেন I সামাদ সাহেব মায়ের মুখ ভঙ্গি দেখে কিছুটা আচ করতে পারলেন I একবার স্ত্রীর দিকে তাকালেন I দুজনের চোখে চোখে কথা হয়ে গেল I এবার মা-এর কাছাকাছি এসে বসে বললেন
– দেখেন আম্মা তৃণার বয়স অল্প, এখন বুঝতেছেনা I আমি বলি কি আগামী শুক্রবার দিন ছেলে আর ওর মা আসতে চায় I এখনই বেশি কিছু বলার দরকার নাই; তারা আসুক I কথাবার্তা ঠিকঠাক হোক তারপর দেখা যাবে I ছেলে, ছেলের মা আসবে; পছন্দ হলে আংটি পরিয়ে যাবে I

-ঠিক আছে তুমি যেটা ভালো মনে করো I বাপ মা থাকতেও নাই I আল্লাহ যেন মেয়েটার ভালো করেন এই দোয়াই করি I

জাহানারা বেগম ঘর থেকে বেরোনোর পরে স্বামী স্ত্রী মিলে সবটা গুছিয়ে ফেললেন I এই শুক্রবারে কাজ সেরে ফেলতে হবে I ওদেরকে বলতে হবে বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আসতে I আজকে এক সোমবার, আগামী সোমবার থেকে রোজা শুরু হয়ে যাবে; যা করার এই শুক্রবারেই করে ফেলতে হবে I মা বা তৃণাকে এখনই কিছু জানানো যাবে না I একদিন আগে জানালেই চলবে I

হলের কাজকর্ম শেষ হতে বেশি সময় লাগল না I যদিও ওর ফাইনাল ইয়ার; সিঙ্গেল রুম পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এত তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে না I তৃণা তবু আপত্তি করেনি; জানিয়েছে এক রকম হলেই হবে I মাত্র একটা বাজে I দু’ঘণ্টা কি করবে বুঝতে পারছে না তৃণা I হিয়ার সঙ্গে কথা হয়েছে একটু আগে I ও শপিং করতে গেছে বসুন্ধরা মলে I আসতে বলেছিল তৃণাকে I রাজি হয়নি ও I কি দরকার শুধু শুধু দুজনের মাঝে গিয়ে ঝামেলা বাড়ানোর I ওরা দুজন আনন্দে আছে, থাকুক I তৃণা হল থেকে বেরিয়ে ভুত দেখার মত চমকে গেল I সুজন দাঁড়িয়ে আছি গেটের কাছেই I তৃণাকে দেখে কাছে এগিয়ে এসে বলল
– তোমাকে ফোন দিচ্ছি সকাল থেকে ধরছো না কেন ?
তৃণা ইচ্ছা করেই ফোন ধরেনি সকাল থেকে I তবুও বলল
– খেয়াল করিনি I
– তুমি কি এখন বাসায় যাচ্ছ ?
– না টিউশনি তে যেতে হবে I
– সেটা তো তিনটায় I চলো তাহলে বসি I
– হু I
ওরা হাঁটতে হাঁটতে টিএসসির দিকে চলে গেল I তৃণা খুব গম্ভীর হয়ে আছে I কোন কথা বলছে না I ভেতরে ঢুকে বসার পর সুজন জানতে চাইল
-কি হয়েছে তৃণা ? কোন সমস্যা ?
– আমার মনে হয় আমাদের একটু কথা বলা উচিত I
সুজন হেসে ফেললো I বলল
– আমরা তো কথাই বলছি I
– আমার মনে হয় আমাদের ব্যাপারটা এখানেই শেষ হওয়া উচিত I
– সব তো ঠিকই ছিল I হঠাৎ কি হল ?
– না কোন কিছুই ঠিক ছিল না I
– কিরকম ?
– তোমার ওখানে যাওয়াটা আমার উচিত হয়নি I যে সম্পর্কের কোন ফিউচার নেই সেটা বাড়তে না দেওয়াই ভালো I
-সম্পর্কের কি ধরনের ফিউচার চাও তুমি ?
– আমি কি চাই তাতে কিছু যায় আসে না I আর সেটা ইম্পর্টেন্টও নয় I
– তাহলে আমি যেটা চাই সেটা ইম্পর্টেন্ট ?
– তুমি কি চাও ? তৃণা জানতে চাইল
– আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই I
এই ধরনের সরাসরি জবাবে তৃণা একটু হকচকিয়ে গেল I তবে দ্রুতই নিজেকে সামলে নিয়ে বললো
– তোমার ফ্যামিলি এটা কখনো মেনে নেবে না I
-না নেওয়ার কোনো কারণ দেখি না I
– আমার সম্পর্কে সব জানলে উনারা কখনই রাজি হবেন না I
– কি জানলে ? তোমার বাবা মা নেই I তুমি চাচা-চাচীর কাছে বড় হয়েছে I এটাই তো ?
– আমার বাবা-মা নেই কথাটা ঠিক না I তারা দুজনেই বেঁচে আছেন I কিন্তু তারা আমাকে চান না I
– এতে তো কোন কিছু বদলে যাচ্ছে না I
– তোমার জন্য হয়তো না কিন্তু তোমার ফ্যামিলি……
– আমার ফ্যামিলি তোমার কথা জানে I তাদের কোন সমস্যা নেই I
এক মুহুর্তে তৃণা বলার মত কিছু খুঁজে পেল না I পরমুহুর্তেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললো
– শুধু তো এটা না I
– আর কি ?
– তুমি একটা মেয়ের কাছ থেকে রিফিউজড হয়ে হাতের কাছে যাকে পেয়েছ তাকেই ভালবাসতে চাইছ I এটাও ঠিক না I কদিন পর তোমার আর আমাকে ভাল লাগবে না I
– তুমি মোটেও হাতের কাছে পাওয়া যেকোনো মেয়ে নও I আমার কাছে তুমি অনেক স্পেশাল I
তৃণা তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল
– যে তার বাবা-মায়ের কাছে স্পেশাল হতে পারেনি, সে তোমার কাছে কি স্পেশাল হবে I
– তোমার বাবা মায়ের ব্যাপারটা আমি জানিনা I তবে আমি আমার নিজের ব্যাপারটা জানি I -শুরু থেকে আমার, তোমার সঙ্গে একটা কানেকশন ছিল I হিয়ার সঙ্গে ছিলনা I আমি জানি তুমি আমাকে কবিতাগুলো পাঠাতে I মেসেঞ্জারেও আমার তোমার সঙ্গেই কথা হতো I শুরু থেকেই আমি তোমাকেই ভালোবেসেছি তৃণা; অন্য কাউকে না I
-তোমাকে এসব কে বলেছে ?
– কে বলেছে সেটা ইম্পর্টেন্ট নয় I এটাই সত্যি এবং এটা আমি জানি I আমি ইচ্ছা করে তোমাকে এতদিন বলিনি I আমি চেয়েছিলাম তুমি নিজে থেকে আমার কাছে আসো; কোনো অপরাধবোধ থেকে নয় I
তৃণা দুই হাত দিয়ে ওর মাথার দুই পাশে চেপে ধরল I তারপর থেমে থেমে বলল
– সুজন , এটা সম্ভব না I এটা এখানেই শেষ হবে প্লিজ I পরবর্তীতে কষ্ট পাওয়ার চাইতে এখন মিউচুয়ালি সবটা শেষ করা ভালো I তুমি আর আমাকে ফোন করবে না I কোনরকম কবিতাও পাঠাবে না I
তৃণা ঝড়ের বেগে উঠে দাঁড়ালো তারপর হাঁটতে গিয়ে খেয়াল করল সুজন ওর হাত ধরে আছে I সুজন খুব শান্ত গলায় বলল
– বস I
তৃণা বসলো না I ওর ভয় করছে I সুজন কে না, নিজেকেই ভয় করছে I মনে হচ্ছে হঠাৎ করেই ও এমন কিছু একটা করে ফেলবে, যে সুজনের সামনে ধরা পড়ে যাবে I

সুজন উঠে দাঁড়ালো I তারপর কাছে এগিয়ে এসে বলল
– আমি তোমাকে ফোনও করব আর কবিতাও পাঠাবো I তোমার ইচ্ছা না হলে তুমি রিপ্লাই দিও না I কেমন ?

তৃণা সত্যিসত্যি সুজনের ফোন ধরল না I তবে রাত গভীর হলেই ও ছাদে চলে যায়; অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে কখন কবিতাটা আসবে I এক মিনিট এদিক-ওদিক হলেই ওর অস্থির লাগে I মনে হয় দম বন্ধ হয়ে আসছে I ফোন না ধরলে সুজন মেসেজ পাঠায় I সেই মেসেজগুলোর ভাষা অত্যন্ত অদ্ভুত I তৃণার রাগ হওয়া উচিৎ কিন্তু ও রাগ করতে পারে না; বরং কান্না পায় I আজ রাত 10 টা থেকে ফোন দিয়ে যাচ্ছে I তৃণা ধরেনি সাড়ে দশটার পর মেসেজ এল

আমার মাথায় জলভরা একটি আকাশ
তার নাম তুমি,
খর গ্রীষ্মে আমার উঠোনে অঝোর বর্ষণ
তুমি তার নাম;
ভীষণ তৃষ্ণার্ত এই পথিকের ক্লান্ত চোখে সুশীতল মেঘ
একমাত্র তুমি-
দুপুরের খরতাপ শেষে আমার জীবনে এই শান্ত সন্ধ্যা
তুমি, তুমি, তুমি;
মরুময় এই ভূপ্রকৃতি জুড়ে ঘন প্রেইরীর সবুজ উদ্যান
তুমি তার নাম,
আমার ধূসর দুই চোখে চিরসবুজের গাঢ় হাতছানি
তার নাম তুমি;
আমার স্মৃতির অববাহিকায় একটি স্বপ্নের প্রিয় নদী
তুমি নিরবধি।

আজ বুধবার I সামনে শনিবার থেকে ক্লাস শুরু হবে I তৃণা ছাদে পায়চারি করছে I একটু আগে বড় চাচা ভয়ঙ্কর একটা কথা বলেছেন I এই শুক্রবারে মামুন আর ওর মা আসবে I ওদের তৃণাকে পছন্দ হয়েছে I ফাইনাল কথা বলতে আসবে ওরা I সব ঠিকঠাক হলে আংটি পরিয়ে যাবে I তৃণার মাথা কাজ করছে না I দাদিকে অনেক করে বুঝানোর পরও কোনো লাভ হলো না I কান্নাকাটি শুরু করে দিল শেষমেষ I ঝড়ের মত একটা দিন কেটে গেল I দাদি সারাক্ষণ আঠার মতো লেগে রইলেন I সুজনের মেসেজটা পর্যন্ত পড়তে পারল না I হিয়াকে দুইবার ফোন করেছে I নট রিচেবল দেখাচ্ছে I মেসেঞ্জারে একটা মেসেজ দিয়ে জানিয়ে রেখেছে তৃণা I হিয়ার সঙ্গে একটু কথা বলতে পারলে ভালো হতো I

ব্যাপারটাকে যতটা হালকাভাবে নিয়েছিল, ব্যাপারটা যে সেরকম না, সকালে উঠে সেটা বুঝতে পারল তৃণা I খুব ভোরে উঠে বড় চাচা বাজারে চলে গেছেন I বাজার থেকে ফেরার পর সবাইকে ডাকা হল দেখার জন্য I বিশাল সাইজের রুই মাছ, গরুর গোশত, দেশি মুরগি, ইত্যাদি ইত্যাদি আরও নানান কিছু আনা হয়েছে I কোনটার দাম কত তা মোটামুটি ঘোষণা দিয়ে বলা হচ্ছে I জাহানারা বেগম অত্যন্ত খুশি I রেহানা রান্নার তদারকিতে ব্যস্ত I টুম্পা ফুরফুরে মেজাজে ঘুরে বেড়াচ্ছ I ফুল ভলিউম এ হিন্দি গান চলছে I তৃণার সবকিছু অসহ্য লাগছে I কোথাও ছুটে পালিয়ে যেতে ইচ্ছা করছে I

বাজার দেখে রেহানার মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে I একেতো এতো খরচা, তার ওপর আবার রান্নার ঝামেলা I তৃণাকে এখনো বিয়ের ব্যাপারটা জানানো হয়নি I জাহানারা বেগমকে একটা আভাস দেয়া হয়েছে I তিনি সম্মত বলেই মনে হলো I হুট করে তৃণাকে রেডি করতে হবে I ওর কোন বান্ধবী উপস্থিত থাকলে ভাল হত I কিন্তু ওর সেই ফিচেল বান্ধবীটাকে ডাকার কোনো আগ্রহ নেই রেহানার I মা মেয়ে দুটোই বদ I

সকাল থেকে তৃণাকে রেডি করার জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পরলো I যেহেতু আজ শুক্রবার, শুভ কাজ শেষ করে সবাই জুম্মার নামাজে যাবে I তাই সকাল সকাল ছেলেপক্ষ চলে এলো I নাস্তার আয়োজন করা হয়েছে I পরোটা,গরুর মাংস , বুটের ডাল , খাসির পায়া এলাহি অবস্থা I তৃণা শুনেছিল শুধু মা ছেলে আসবে; কিন্তু বাইরে আরো লোকজনের গলা পাওয়া যাচ্ছে I তৃণাকে একটা মেরুন রঙের কাতান শাড়ি দিয়েছে বড় চাচি I সেটা পড়েই যখন সামনে এলো, মামুনের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল I তৃনাকে মামুনের মায়ের পাশে বসানো হলো I ভদ্রমহিলা ওর একটা হাত টেনে নিয়ে বললেন
– মেয়ে তো আমাদের কবে থেকেই পছন্দ I এখন আংটি পরিয়ে দেই I জুম্মার নামাজের পর বিয়েটা পড়িয়ে ফেলা যাবে I
তৃণার মনে হলো ও ভুল শুনছে I তৃণা বড় চাচার দিকে তাকালো I উনি বিগলিত হাসি হেসে বললেন
– মেয়ে তো এখন আপনাদেরই I যখন ইচ্ছা বিয়ে করাবেন, যখন ইচ্ছা নিয়ে যাবেন I

তৃণা হতভম্ব হয়ে গেল I ও দাদির দিকে তাকালো I জাহানারা বেগমের মুখ হাসি হাসি I তার মানে তিনিও আগে থেকে জানতেন I তৃণার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে I এখন ও কি করবে ?

চলবে………
তোমাকে বলার ছিল ………
চতুর্দশ পর্ব
লেখনীতে
অনিমা হাসান
এই পর্বে যে কবিতাটা দেয়া হয়েছে তার নাম তুমি লিখেছেন মহাদেব সাহা

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ