Friday, June 5, 2026







একটুখানি সুখ পর্ব-০৬

#একটুখানি_সুখ
#আনিশা_সাবিহা
পর্ব ৬

চোখমুখের রঙ পাল্টে যায় মোহের। ইচ্ছে করে সামনে থাকা লোকটাকে কয়েকটা কিল-ঘুষি মেরে দিতে। কি পরিমাণে অসভ্য হলে এমন কথাবার্তা বলা যেতে পারে? লোকটার হাত থেকে ছাড়া পেতে ছটফটিয়ে যাচ্ছে মোহ। দুর্দান্ত সাহস নিয়ে লোকটা একহাতে মোহের পিঠ খামচে অন্যহাতে মোহের মুখ চেপে ধরে আছে। একসময় না পেরে আচমকা লোকটার হাতে কামড় বসিয়ে দেয় মোহ। লোকটি চমকে উঠে দেয় মৃদু চিৎকার। চিৎকারের আওয়াজ শুনে স্থির হয় মোহ। এই কন্ঠস্বর তার চেনা। সে অস্ফুটস্বরে বলে ওঠে,

“স্বচ্ছ ভাই?”

“হু ইজ হি?”

আবারও বিস্মিত হয় মোহ। মাথাটা চক্কর দিয়ে ওঠে তার। কন্ঠস্বর তো মোটা। কিন্তু যেভাবে লোকটা চিৎকার দিয়েছে যেন স্বচ্ছের মতো চিকন সুরেই চিৎকার দিয়েছিল। মোহ এবার শাসিয়ে বলল,
“আপনি জানেন না কার সঙ্গে এমন অসভ্যতা করছেন। আমার বাড়ির আশেপাশে থেকে আপনি আমার সাথে অসভ্যতা করছেন? আমার গায়ে হাত দিচ্ছেন? আই উইল কিল ইউ!”

মোহ জোরে জোরে আগন্তুক ব্যক্তিটির বুকে কিল দিতে শুরু করলেও লোকটার বিন্দুমাত্র নড়চড় হয় না। বরং লোকটি তার আরো কাছে এসে ফিসফিস করে বলে,
“মোহময়ী নারীকে একটা বারের জন্য কে-ই বা স্পর্শ করতে চাইবে না? কিন্তু হ্যাঁ, আমি তোমাকে একান্তভাবে স্পর্শ করতে চাই। আমি চাই না তোমায় স্পর্শ করার জন্য অন্য কেউ হাত বাড়িয়ে দিক।”

বুকে কিল মারা থেমে গেল মোহের। কে এই লোকটা? কে চায় তার কাছে? আর কীসের এতো অধিকারবোধ ফলিয়ে যাচ্ছে। মোহ চিল্লিয়ে বলে ওঠে,
“হু দ্যা হেল আর ইউ?”

লোকটা তার এই কথার বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করে না। কথা পাল্টে বলে,
“সেকেন্ড বার কেউ চিঠি লিখলেও যেন জাস্ট গায়ে গেঞ্জি, হাঁটু পর্যন্ত প্যান্ট আর গলায় জাস্ট স্কার্ফ ঝুলিয়েই বেরিয়ে পড়বে না। সবার ইনটেনশন ভালো হয় না। তোমার হটনেসে অনেকে পুড়ে যেতে পারে।”

রাগে কটমট করতে করতে নিজের দুটো হাত এই লম্বা ভূতের ন্যায় মানুষটার গলার কাছে নিয়ে যায় মোহ। তার উদ্দেশ্য গলা চেপে ধরবে লোকটার। এতো নির্লজ্জ মার্কা কথাবার্তা তার সহ্য হচ্ছে না। কিন্তু বরাবরের মতোই লোকটা একহাত দিয়েই তার হাত চেপে ধরে পেছনে ঘুরিয়ে দেয়।
“কি বিশ্বাস হয় না আমার কথা? তোমার হটনেসে আমিও পুড়ে যাচ্ছি। ডু ইউ নো দ্যাট? বাট সাহস অনেক তোমার মাঝে। কিন্তু অহেতুক কাজে লাগাও। আমার কাছে এসব সাহস চলবে না। এখন সোজা ঘরে চলে যাও। ভুলে বাইরে এসো না।”

“রফিক মামা!”
চেঁচিয়ে ডাকাডাকি করে মোহ। তারপর দেখা যায় একটু করে আলো। রফিক এগিয়ে আসছে মোহের দিকে। সেইসময় খেয়াল করে আগন্তুক লোকটা তাকে ছেড়ে দিয়েছে। পেছন ফিরে তাকায় মোহ। সেই অবয়বটা অনেকটা দূরে চলে গেছে। পিছু পিছু ডাকতে ডাকতে ছুটতে শুরু করে মোহ। তবে দুর্ভাগ্যবশত লোকটার অবয়বটা একেবারে মিলিয়ে যায়। আশপাশটা ভালো করে করেও খুঁজে পায় না মোহ। রাগে হিসহিসিয়ে বলে,

“চোর কোথাকার! চোরই তো। যদি চোর না হতো অন্তত নিজের মুখটা দেখাতো। সাহস নেই। আমি উনাকে ছাড়ব না। পুলিশে কমপ্লেন করব। আমায় স্পর্শ অবধি করেছেন! একবার পেলে না মেরেই দেব।”

রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে খেয়াল করে লোকটা তার টর্চ লাইটও নিয়ে চলে গেছে। খিটখিটে মেজাজের সঙ্গে আশপাশটা হাতড়াতে থাকে মোহ। তার ওপর হঠাৎ করে লাইট দিতেই চোখমুখ খিঁচে বন্ধ করে সে।

“ছোট সাহেবা? কি হইছে? এমনে ডাকতেছিলেন ক্যান? কোনো বিপদ হইছিল নাকি?”

অস্থির হয়ে বলে রফিক। মোহ বিরক্ত হয়ে বলে,
“যখন বিপদ হয়েছিল তখন তো আপনার টিকিটিও পাওয়া যাচ্ছিল না রফিক মামা। এখন জেনে কি হবে? চলুন বাড়ি চলুন। আমার একদমই ভালো লাগছে না।”

“আপনেই তো বলছিলেন আমারে ওইদিকে দেখতে আর আপনি এইদিক দেখবেন।”

“হ্যাঁ ভুলটা তো আমারই। এখন আমার টায়ার্ড লাগছে। আই হ্যাভ টু টেক রেস্ট। আর একটা কথা মিমি যেন এসব ব্যাপারে টের না পায়। মনে থাকবে?”
রফিক মাথা নাড়তেই নিশ্চিন্তে শ্বাস ফেলে তার সাথে বাড়িতে চলে যায় মোহ।

পূর্বাকাশে জ্বলজ্বল করছে সূর্য। রাতে আকাশে বিদ্যুৎ চমকালেও বর্তমানে বাহিরে খাঁ খাঁ করছে। সকাল সকাল লেগে পড়েছে সব মানুষ তার নিত্য দিনের কাজে। সকলের দৈনন্দিন জীবন একটা সূত্রে বাঁধা থাকে। সকাল থেকে রাত অবধি একটা রুটিন থাকে। সেই অনুযায়ী চলে মানুষ। সকলে পৌঁছায় তার কর্মস্থানে।

শাওয়ার নিয়ে সবে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে নিজের চুল শুঁকিয়ে নিচ্ছে মোহ। মুখে বিরাজ করছে গাম্ভীর্যের ছাপ। রাতের ঘটনাগুলো নিয়ে এখনো বড্ড ভাবুক সে। ঘটনা যে ঘটিয়েছে তার নাম আন্দাজ করে মাথায় আনতেই একজনের নামই কেন জানি ভেসে উঠছে তা হলো স্বচ্ছ। কিন্তু স্বচ্ছ তাকে এভাবে বলবে আর এতো সুন্দর নামে সম্মোধন করবে এটা যেন পৃথিবী উল্টে গেলেও বিশ্বাস করতে পারে না মোহ। তাই তাকে সন্দেহের তালিকা থেকে বাদ দিল সে। এসব আকাশ-কুসুম চিন্তাভাবনা করতে করতে কল আসে মোহের ফোনে।

হেয়ার ড্রায়ারটা রেখে দিয়ে সোফায় পড়ে থাকা ফোনটা হাতে তুলে নেয় সে। ‘নানিমা’ নামটি দেখে দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে অভিমানের সঙ্গে ফোনটা কেটে দেয় মোহ। তার মন মানছেই না। মানুষটা যদি তার সঙ্গে আসত কি এমন ক্ষতি হয়ে যেত? নানিমা যে খুব সুখে আছেন সেখানে তা তো নয়! নিজের মায়ের শেষ ইচ্ছে পূরণ করতে না পেরে নিজের কাছে নিজে ছোট হয়ে যাচ্ছে মোহ। এখনো তার মনে পড়ে মায়ের শেষ কথাগুলো। হসপিটালে নেওয়া হয়েছিল তার মাকে। সেদিনে বান্ধবীর জন্মদিনে ব্যস্ত ছিল সে। আচমকা এমনটা খবর আসায় ছন্নাছারা হয়ে ছুটে গিয়েছিল হসপিটালে। তার বাবার স্পট ডেড হয়েছিল। তবে তার মায়ের বাঁচার ক্ষীণ আশা ছিল।

সেদিন মোহের হাত ধরে তা মা অস্পষ্ট কন্ঠে বলেছিল,
“যাই হয়ে যাক না কেন মোহ মা! তোর নানিমাকে একা ছাড়বি না। আমরা তোর নানিমাকে নিয়ে আসতে যাচ্ছিলাম। সেটা তো আর হলো না। আমি আর মায়ের দেখা পাবও না বোধহয়। কিন্তু তুই আমার অসম্পূর্ণ কাজ করে দিস রে মা। আমার মা যে ওখানে ভালো নেই। তোর মামা আর মামিকে তো চিনিস। ওরা নামে বড়লোক কিন্তু নিজের মায়ের জন্য সামান্য সেবা করতেও ওদের বাঁধে। মানুষটা সারাজীবন দুঃখ-যন্ত্রণা সয়ে গেছে। মায়ের শেষ জীবনটা যেন তোর সেবাতে কাটে। তুইও ভালো থাকবি। নিজের খেয়াল রাখবি। আ…”

কথাটা সম্পূর্ণ হয়নি মোহের মায়ের। জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন উনি। ডক্টর অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গিয়েছিলেন দ্রুত। কিন্তু অপারেশন চলাকালীন মারা গিয়েছিলেন মোহের মা।

আজও মনে পড়ে সেদিন। আবারও ভেঙে পড়ে মোহ। তৎক্ষনাৎ ফোনের রিংটোন বেজে ওঠে। ঝাপ্সা হয়ে আসে মোহের দৃষ্টি। সে জানে আবারও তার নানিমা কল করেছে। নাক টেনে এবার ফোনটা ধরে মোহ। সালাম দিয়ে মোহ সোজাসুজি প্রশ্ন করে,
“কি হয়েছে নানিমা বলো? কিছু বলবে?”

“রাগ করেছিস আমার ওপর?”

দুর্বল কন্ঠে বলে ওঠেন নাফিসা বেগম। তবে মোহ আগের ন্যায় শক্ত থেকে বলে,
“রাগ করার মতো কি আছে? তোমার আসতে মন চায়নি তাই আসোনি আমার সাথে। তোমার কাছে তোমার ছেলে বড় তোমার ছেলের কাছেই থাকো। আমি তো তোমার কেউ হই না। শুধু নাতনি হই। তোমার ছেলের বাড়িতে তোমার নাতি আছে।”

“আমি কি কখনো নাতি-নাতনিদের মাঝে ফারাক করেছি রে মোহ? তুই-ই বল দেখি? আমি তো স্বচ্ছের থেকেও তোকে বেশি ভালোবেসেছি।”

“তাহলে এলে না কেন আমার সাথে? কি সমস্যা ছিল আমার সাথে আসতে? কি এমন হতো বলো তো?”

জোর গলায় বলে মোহ। নাফিসা বেগম ওপাশ থেকে ফিসফিসিয়ে বলে,
“জানি না এই কথা বললে তুই বিশ্বাস করবি কিনা। তবে শুনে রাখ। এটা অবশ্যই আমার ছেলের বাড়ি। আমার মেয়ে আর ছেলে দুজনেরই ভালো চাই আমি। আমার ছেলে যেমনই হক। সে তো আমার ছেলে তাকে কি করে আমি অপমানিত হতে দেব? আমি যদি তোর সাথে যাই তাহলে আশেপাশের লোকেরা আমার ছেলেকে কথা শোনাবে। আর…”

“একটা কথা বাধ্য হচ্ছি। তোমার এই স্নেহ, তোমার এই কোমলতার জন্যই মামা কিন্তু এমন হয়েছেন। উনার দোষ ঢাকতে ঢাকতে তুমি শেষ হয়ে গেলে।”

“তাও হয়ে যাই আমার আফসোস নেই। আরো একটা কারণ আছে। ওরা আমায় এখান থেকে যেতে দেবে না। এরজন্য ওরা যদি তোর কোনো ক্ষতি করে দেয় আমি মানতে পারব না। শুধুমাত্র তুই-ই তো বেঁচে আছিস। আমার মেয়ের স্মৃতি!”

মোহ হতভম্ব হয়। অবাক কন্ঠে জিজ্ঞেস করে ওঠে,
“আমার ক্ষতি? সেটা কে করবে? আমি বুঝতে পারছি না তোমার কথা।”

“তোকে বুঝতে হবে না। আমি যা বলছি তাই কর। তোর যদি দরকার পড়ে আমার সঙ্গে এসে দেখা করে যাবি। আমার কাছে এসে থেকে যাবি। আমি এখান থেকে যেতে পারব না।”

মোহ কিছু বলার আগেই ফোন কেটে দেন নাফিসা বেগম। মোহ কিছুই বোধগম্য হচ্ছে না। এতসবকিছু ভাবতে ভাবতে মস্তিষ্ক শূন্য হয়ে আসছে তার। চারিদিকে শূন্যতা। এইসব উত্তর দেওয়ার মতো কেউ নেই। কেউ না!

দুপুরের সূর্যের উত্তাপে চারিদিকে পড়েছে ভ্যাপসা গরম। ঘর্মাক্ত চোখমুখ নিয়ে ক্লাস থেকে বের হয় মোহ। আজ ইউনিভার্সিটিতে এসেছে সে। নিজেকে যতটা সম্ভব ব্যস্ত রাখার প্রচেষ্টায় মোহ। এতো গরমে বিরক্ত লাগছে তার। রুমাল দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে ক্লান্ত সে।

“মোহ? এখন তোর কি প্ল্যানিং?”
মোহ ভ্রু কুঁচকে তাকায় জুহির কথায়। জুহি হচ্ছে মোহের ফ্রেন্ড। একসাথে একই বিভাগে পড়ছে তারা। একরাশ বিরক্তি নিয়ে বলে,

“মানে কি প্ল্যানিং হবে?”

“আই মিন আঙ্কেল আন্টি তো নেই। সো…! তুই বলছিস তোর মিমি আছে। কিন্তু উনিই বা কতদিন তোর কাছে থাকবেন। উনারও তো সংসার আছে।”

“আমি জানি না। কেউ না থাকলে আমি একা থাকতে পারব। কাউকে লাগবে না আমার।”

বলে সামনে তাকিয়ে গটগট করে হেঁটে মেইন গেট দিয়ে বেরিয়ে আসে মোহ। তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে আসতেই সামনের মানুষটাকে খেয়াল না করার কারণে একটা প্রসারিত বুকের সঙ্গে লাগে মোহের মাথায়। সর্বপ্রথম মৃদু আওয়াজ করে ওঠে এই ওফ হোয়াইট শার্ট পরিহিত ও প্রসারিত বুকের অধিকারী লোকটার। এই মৃদু চিৎকার শোনার সঙ্গে সঙ্গে চমকে তাকায় মোহ। কেননা এই মৃদু চিৎকারের ভঙ্গি এর আগেও শুনেছে সে।

মাথা উঁচিয়ে তাকাতেই ধূসর বর্ণের চোখের মণিতে আঁটকে যায় মোহ। ছোট ছোট আলতো চোখের পাপড়িতে আবদ্ধ চোখজোড়া চিনতে ভুল হয় না মোহের। ঠোঁট কামড়ে মোহের দিকে বিরক্তির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে স্বচ্ছ।

“ইউ স্টুপিড গার্ল! দেখে হাঁটাচলা করতে পারো না?”

ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকল মোহ। তার মাঝে কোনো হেলদোল নেই। সে শুধু চেয়েই আছে। ঠিক এমনই লম্বা ছিল গতকালকের সেই আগন্তুক লোকটা। স্বচ্ছ গলা খাঁকারি দিতেই ধ্যান ভাঙে মোহের। চোখ নামিয়ে নেয় সে। স্বচ্ছ বলে,
“আই নো আই এম হ্যান্ডসাম। বাট এভাবে তাকিয়ে থাকলে আমারও লজ্জা লাগে তাও সে যদি আমার কাজিন হয়।”

তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে মোহ স্বচ্ছের দিকে। মূহুর্তেই স্বচ্ছের হাত ধরে টেনে নিয়ে বাহিরে আসে মোহ। যদিও মোহ টানলেই স্বচ্ছের মতো একজন মানুষ চলে আসবে সেটা নয়। স্বচ্ছ ইচ্ছেতেই সে তাকে আনতে পেরেছে। স্বপ্ন ভ্রু উঁচিয়ে দেখে যাচ্ছে তার কান্ড। সাইডে এসেই স্বচ্ছের দিকে চোখ রাঙিয়ে তাকায় মোহ যেন স্বচ্ছ কোনো গুরুতর অন্যায় করে ফেলেছে।

“তার মানে ওই লোকটা আপনি ছিলেন? গতকাল রাতে অসভ্যতা আপনি করেছেন?”

স্বচ্ছ কিছু না বুঝে বিরক্ত হয়ে বলে,
“এক্সকিউজ মি? হু আর ইউ? তুমি কে যে তোমার সাথে আমি অসভ্যতা করতে যাব?”

“দেখুন আপনি না বোঝার ভান করবেন না। আপনি ছিলেন ওই লোকটা। আপনি আমাকে কিসব বলেছিলেন! হট আরো কতকিছু। ছিঃ!”

বলেই মুখ চেপে ধরল মোহ। বেফাঁস কথাবার্তা বলে ফেলেছে সে। স্বচ্ছ তার দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। মোহকে মাথা থেকে পা থেকে দেখে নিল স্বচ্ছ। অতঃপর অট্টহাসিতে ফেটে পড়ল স্বচ্ছ। তা দেখে বোকা বনে দাঁড়িয়ে রইল মোহ।

চলবে…

[বি.দ্র. ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।]

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ