Friday, June 5, 2026







the_unlimited_love Part-11

#the_unlimited_love❤️
#part_11
#writer_nusrat

“আসার সময় কোথাও লেগে গিয়েছিলো মনে হয়৷”

মহিলাটি এখনো আমার দিকে তাকিয়ে আছে হয়তো আমার কথা উনার বিশ্বাস হয়নি৷ আমার দিকে একটু এগিয়ে এসে বললেন,,,

“মানলাম আসার সময় কোথাও চোট পেয়েছো৷ কিন্তু তোমার গালে যে পাঁচ আঙ্গুলের দাগ দেখা যাচ্ছে সেটাতো অন্য কথা বলছে৷”

আমি উনার কথা শুনে কেদে দিলাম৷ আর যে কান্না চেপে রাখা সম্ভব হচ্ছেনা আমার পক্ষে৷ কাঁদতে কাঁদতেই উনাকে বললাম,,,

“প্লীজ আন্টি আমাকে এসব জিজ্ঞেস করবেন না৷ আমি কিচ্ছু বলতে পারবোনা৷আপনার বাড়িতে কী খাওয়ার মতো কিছু আছে৷ আমাকে কী একটু খাবার দিবেন৷ আমার খুব খিদে পেয়েছে৷ দুপুর থেকে কিচ্ছু খাইনি৷”

আমার কথা শুনে মহিলাটিরও চোখে পানি এসে গেছে৷ উনি তারাতাড়ি উনার চোখের পানি মুছে বললেন,,,

“হ্যা মা আমি তোমার জন্য এখুনি খাবার নিয়ে আসছি৷ তার আগে তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও৷”

আমিও আন্টির কথা মতো ফ্রেশ হয়ে নিলাম৷ উনি আমাকে এক প্লেট ভাত এনে দিলেন৷ আমি কয়েক লোকমা মুখে দিয়ে আর খেতে পারছিনা৷ যেন গলা দিয়ে খাবার নামছেই না৷ তারপরও কোনরকমে খাবারটা খেয়ে নিলাম৷

বিছানায় শুয়ে আছি আমি কিন্তু কিছুতেই আমার ঘুম আসছেনা৷ শুধু আদিলের কথা মনে পরছে৷ আচ্ছা উনি খেয়েছেনতো৷ কেমন আছেন উনি৷ এসব কী ভাবছি আমি উনারতো দিব্যি ভালো থাকার কথা৷

_____________________

সোফায় এলোমেলো হয়ে পরে আছে আদিল৷ কিছুই ভালো লাগছেনা তার৷ কেমন যেন এক অদ্ভুত কষ্ট অনুভব করছে৷ হঠাৎ আদিলের চোখ পরলো আরুহির ফ্লোরে পরে থাকা ফোনের দিকে৷আদিল জলদি করে ফোনটা হাতে নিলো তারপর ব্যাটারি, সিম সেটিংস করে ফোন ওপেন করলো৷ কল লিস্ট, গ্যালারী সব খুজলো বাট প্রমানের মতো কিছুই পেলোনা৷ আদিল ফোনটা সোফায় রেখে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি দিলো৷

🏜️🏜️🏜️🏜️

সকালে রোদ আমার চোখে এসে পরতেই ঘুম ভেঙে গেলো৷ আমি লাফিয়ে ঘুম থেকে উঠলাম৷ কিচেনে উকি দিতেই দেখলাম আন্টি রান্না করছে৷ আমি জলদি করে ফ্রেশ হয়ে নিলাম তারপর আন্টি কে গিয়ে বললাম,,

“আন্টি আমি চলে যাচ্ছি ভালো থাকবেন”৷

“একি মা তুমি সকালের নাস্তা না করেই চলে যাবে নাকি৷ বসো বসো আমি এক্ষুনি তোমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসছি৷”

আমি নাস্তা করে উনার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম৷উনি এই একদিনেই আমায় অনেক ভালোবেসেছেন যত্ন করেছেন৷ উনার জায়গায় অন্য কেউ হলে হয়তো এতো কিছু করতো না৷ সারাজীবন উনার কাছে কৃতজ্ঞ থাকবো আমি৷

রাস্তায় এক ঘন্টা যাবত দাড়িয়ে আছি৷ সকাল ৬টা বেজে ৭টা হয়ে গেছে৷ একটা কানাকড়িও নেই আমার কাছে যাবো কী করে সেটাই ভাবছি৷ হঠাৎই চোখ গেলো আমার হাতের দুটো বালার দিকে৷ কিন্তু এগুলোতো আমার শাশুড়ী মা আমায় দিয়েছিলেন৷ তাছাড়াও এই বালা ছাড়াতো আমার কাছে আর কিছু নেই৷ আর কিছু না ভেবে আমি বালা দুটো বন্ধক দিয়ে দিলাম৷ আর যা টাকা পেলাম সেটা দিয়েই চট্টগ্রাম রওনা দিলাম৷

__________________

“আরুহি,আরুহি কোথায় তুই?? দেখ আমি এসে গেছি৷ একি এই মেয়ের কোনো সাড়াশব্দ নেই কেনো”৷

মায়ের ডাক শুনে রুম থেকে বেরিয়ে আসলো আদিল,,

“একি আদিল তুমি একা কেনো??আরুহি কোথায়”??

“আরুহি এই বাড়িতে নেই মা৷ ওকে আমি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বেড় করে দিয়েছি৷”

“আদিল!!!এসব কী বলছো কী তুমি৷ আরুহিকে কেনো বের করে দিয়েছে৷ কী করেছে কী ও??৷(চিৎকার করে)

“ও আমায় ঠকিয়েছে মা৷ তাই ওকে আমি বিদায় করে দিয়েছি৷ আর খুব শীগ্রই ডিভোর্স দিয়ে দিবো৷ তারপর সোহাকে বিয়ে করবো৷”

আদিলের মা আদিলের কথা শুনে রেগে কষিয়ে একটা চড় বসিয়ে দিলেন গালে,,,

“বিয়ে কী তোমার কাছে ছেলে খেলা মনে হয় নাকি৷ যে যখন তখন ডিভোর্স দিয়ে দিবে৷ শুনো আর যদি তোমার মুখে ওই সোহানি মেয়েটার কথা শুনি তাহলে তুমি আমার মরা মুখ দেখবে৷আর তুমি যা করেছো সেটার জন্য অনেক পস্তাতে হবে তোমাকে অনেক৷” কথাটা বলে মা নিজের রুমে চলে গেলেন৷

________________

ট্রেনে জানালার পাশে বসে একমনে বাইরে তাকিয়ে আছি৷ আচমকাই মনে পরলো রিংকির কথা একি আমিতে রিংকিকে জানাইনি আমি যে চট্টগ্রাম যাচ্ছি৷ ও যদি স্টেশনে না থাকে তাহলে আমি আমার গন্তব্যে পোঁছাবো কী করে৷ ফোন ওতো আনিনি৷পাশে তাকাতেই দেখলাম একটা লোক উনার ফোন ঘাঁটছে৷ আমি উনার দিকে তাকিয়ে ইতস্তত করে বললাম,,

“ভাইয়া আপনার ফোনটা একটু দিবেন প্লিজ৷ আমি একজনকে ফোন করবো”

লোকটা আমায় সাথে সাথেই ফোনটা দিয়ে দিলো৷

আমি রিংকির নাম্বার ডায়াল করলাম৷রিং হচ্ছে বাট কল রিসিভ করছেনা৷ দুবার কল কেটে গেলো৷ আরেকবার দেওয়ার সাথে সাথেই রিংকি কল রিসিভ করলো৷ ওকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই আমি বললাম,,

“শুন রিংকি আমি আরুহি বলছি৷ আমি চট্টগ্রাম আসছি৷ তুই একটু স্টেশনে থাকিস প্লিজ৷”

“ওকে রাখছি আমি৷”

আার কয়েক মিনিট পরেই ট্রেন ছেড়ে দিবে৷ আর আমিও এই ঢাকা শহর ছেড়ে অনেক দুরে চলে যাবো৷ সেখানে গিয়েই নতুন করে জীবন শুরু করবো৷ মনকে তো শক্ত করে নিলাম তবুও কেনো জানিনা খুব কষ্ট হচ্ছে৷ হয়তো কাছের মানুষদের ছেড়ে চলে যাচ্ছি সেই জন্যে৷কিন্তু এতে আমার কাছের মানুষরা খুশি থাকেলেই আমি খুশি৷ আর আমার স্বামী তো নিজেই বলে দিয়েছে আমি যাতে উনার সামনে না যাই৷ আমি আপনার কথা রাখবো আদিল৷ আর কোনোদিন আপনার সামনে যাবোনা৷ আপনাকে ডিস্টার্ব করবোনা৷ আমার নিজেরই এখন খুব লজ্জা লাগছে আমি আপনার সাথে ঝগড়া করেছি,স্ত্রীর অধিকার নিয়ে সামনে গিয়েছি৷ হয়তো এখন আপনি আপনার সোহানিকে নিয়ে ব্যস্ত আছেন,আর আমি ব্যস্ত আছি এই ঢাকা শহর ছেড়ে চলে যাবার৷আমি যে আমার মুখও আপনাকে দেখাতে চাইনা আদিল,আর না কোনোদিন দেখাবো৷আমি আর কান্না আঁটকে রাখতে পারলাম না৷ ফুপিয়ে কেঁদে উঠলাম৷ এতে ট্রেনের অনেক যাত্রীরাই আমার দিকে তাকিয়ে আছে৷আমি চোখ মুছে জানালার পাশে প্রকৃতি দেখায় ব্যস্ত হয়ে পরলাম৷ কত সুন্দর এই প্রকৃতি৷ সুন্দর সবই সুন্দর, শুধু সুন্দর না আমার এই জীবনটা৷

🍀🍀🍀🍀🍀

আহিলও ফিরে এসেছে৷ তার কাজ শেষ তাই৷ মায়ের মুখ থেকে আদিলের কথা শুনে ভীষণ রেগে আছে সে৷ তাই এখন যাচ্ছে আদিলের সাথে বুঝাপড়া করতে৷ আদিলের রুমে এসে চিৎকার দিয়ে উঠলো আহিল,,,

“ভাইয়া”!!!!!!!

“কী হয়েছে এভাবে চিৎকার করছিস কেনো??

“তুমি রুহিকে কেনো বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছো বলো৷”

“আমি তোকে বলতে বাধ্য নই৷”

“কেনো বাধ্য নও তুমি৷বলো কেনো রুহিকে বের করে দিয়েছো৷ কী অন্যায় করেছে ও৷”

“ও আমায় ঠকিয়েছে৷ও রাতে ক্লাবে গিয়ে ছেলেদের সাথে টাইম স্পেন্ড করে৷ ছেলেদের জরিয়ে ধরে৷”

“তা এসব তোমায় কে বলেছে৷??

“কে আবার আরুহির প্রাক্তন প্রেমিক বলেছে৷ আর আরুহি এখন ওর কাছেই আছে৷”

“প্রেমিক,কী বলছো তুমি ভাইয়া ওর তো কোনো প্রেমিক টেমিক নেই৷ আর প্রাক্তন ওই বা আসলো কোথায় থেকে৷ লিসেন ভাইয়া,আমি জানিনা কে তোমাকে কী বলেছে বা কী প্রমান দেখিয়েছে বাট আই ড্যাম শিওর এটা কোনো ষড়যন্ত ছিলো৷ রুহিকে তোমার জীবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য৷ টোটাল সাত বছর আমি রুহির সাথে লেখা পড়া করেছি৷ শুধু তাই নয় বেস্ট ফ্রেন্ড আমি ওর৷ তাই ওর সব কিছু জানি আমি৷ ও কিছুতেই এমন নিচ কাজ করতে পারেনা”৷

“এনাফ ইজ এনাফ আহিল,তোকে কে বলেছে আরুহিকে নিয়ে মাথা ঘামাতে৷ চলে যা এখান থেকে৷ কিচ্ছু ভালো লাগছেনা আমার৷ ”

আহিল চলে যেতে নিবে এমনি ওর চোখ গেলো সোফার নিচে পরে থাকা মেমোরি কার্ডের দিকে৷আহিল এগিয়ে এসে মেমোরিটা হাতে নিলো৷

“ভাইয়া এই মেমোরি কী তোমার৷”

আদিল একটু ভালো করে দেখে বললো,,,

“নাতো”

“তোমার না তাহলে কার৷ ওয়েট দেখছি”৷ আহিল মেমোরি কার্ড ওর ফোনে ঢুকালো৷ তারপর গ্যালারীতে গেলো৷গ্যালারীর একটা ফটোতে চোখ আটকে গেলো আহিলের৷ একি এটাতো সোহানি আপু৷ছবিটা দেখে আদিলের দিকে ফোনটা এগিয়ে দিলো৷

“হ্যা এটাতো সোহানি,বাট এই ছেলেটা কে??

আহিল ছেলেটাকে দেখে খাটে ফোনটা ছুঁড়ে মারলো৷

“কী হলো আহিল তুই এভাবে ফোনটা ছুড়ে মারলি কেনো??

“ভাইয়া এই ছেলেটা আমার ফ্রেন্ড রেহান৷ বাট রেহান সোহানি আপুর সাথে এতো ক্লোজ হয়ে কী করছে???

“এই ছেলে তোর ফ্রেন্ড কী বলছিস এসব৷ ওতো আরুহির বয়ফ্রেন্ড”

“ওহ সেটআপ ভাইয়া৷ আমি আগেও বলেছি আর এখনও বলছি রুহির কোনো বয়ফ্রেন্ড নেই৷ যদি হতো তাহলে দুজনের মধ্যে একজনে হলেও বলতো৷ বাই দ্যা ওয়ে তোমায় কে বলেছে রেহান রুহির বয়ফ্রেন্ড৷”

“কেনো রেহান নিজে বলেছে৷”

“কী বলেছে”???

আদিল আহিলকে সব খুলে বললো৷ প্রমাণের কথাও বললো৷

“আচ্ছা আমি যতদুর জানি রেহান ক্লু দিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে৷ ওকি তোমায় কোনো ক্লু দিয়েছে”??

“না ওতো আমায় কোনো ক্লু দেয়নি৷ তাছাড়াও রেহান কী বলেছে সবইতো তোকে খুলে বললাম”৷

“ভাবো ভাইয়া ভাবো৷ রেহানের সাথে চলা ফেরা করেছি আমি৷ তাই খুব ভালোভাবেই চিনি ওকে৷ ও এতো বড় মিথ্যা বলতে পারেনা৷ আই এম ড্যাম শিওর ওকে কেই বাধ্য করেছে মিথ্যা বলার জন্য৷”

আদিল কিছুক্ষণ ভেবে বললো,,,,

“রেহান আমায় যাবার সময় বলে গিয়েছিলো,,সব সময় আমরা যা দেখি তা সত্য হয়না৷ তাই যা করিই না কেনো ভেবেচিন্তে যেনো করি৷”

“বাহ্ ভাইয়া বাহ্ এই ছোট্ট কথাটি তোমার মাথায় ঢুকলো না৷ ভাইয়া তুমি রাগকে সব সময় প্রাধান্য দাও৷ তোমার উচিৎ ছিলো রুহির কথা শুনা৷ তুমিতো ওর কথা না শুনে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বেড় করে দিয়েছো৷ আচ্চা ভাইয়া তুমি ওর গায়ে হাত তুলনিতো?৷(ভ্রু কুচকে)

“কেনো??

“না মানে রুহি আমায় সব সময় বলতো ওর নাকি মেয়েদের উপরে হাত তোলা একদমই পছন্দ নয়৷ ”

আহিলের কথা শুনে আদিল মাথা নিচু করে আছে৷ অনেক অনুশোচনা হচ্ছে তার৷

আদিলের মাথা নিচু করা দেখে আহিল যা বুঝার বুঝে গেলো৷ তারপর আদিলের কাধে হাত রেখে বললো,,

“ভাইয়া যা হওয়ার হয়ে গেছে৷ এখন আমাদের আরও ক্লিয়ার করে সব জানতে হবে৷ আমি রেহানকে কফি শপে ডাকছি তুমি রেডি হয়ে নাও৷”

চলবে,,,,,,,

(ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ