Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"গোপন সংসারগোপন সংসার পর্ব-১৫ এবং শেষ পর্ব

গোপন সংসার পর্ব-১৫ এবং শেষ পর্ব

গল্প – গোপন সংসার
অন্তিম পর্ব
লেখক :রিহান অরণ্য

সিফিন কে নিয়ে পালানোর ছয়মাস পরে তূর্য আমাকে খুঁজে বের করে ফেলছে,কিন্তুু সে আমার সামনে আসেনি, সে আমাকে ফলো করতো আমি কি করি কোথায় থাকি কি করি না করি সব কিছু, এসবের কিছু আমি জানতাম না আমাদের বাসা টা ছিলো রাস্তায় পাশে প্রথম তলায়, রাস্তার সাইডে বেলকনি,সিফিন সেই জায়গায় এসো খেলাধুলা করে, মাঝে মধ্যে আমাদের সাথে যে মেয়ে গুলো থাকে তারা সিফিন কে কোলে নিয়ে বেলকনিতে বসে থাকতো, আমার যখন দিনের সিফটে ডিউটি থাকতো তখন তূর্ণ সিফিনের সাথে দেখা করতো বাপ ছেলে গ্রিলের এপাশ ওপাশ, সিফিন তো তার বাবা কে চিনে তাই বাবা বাবা বলে ডাকতে থাকতো, আমার সাথে যে মেয়ে গুলো থাকতো তাদের মধ্যে এক জন মনে করছে তূর্য তার জন্য আসতো এখানে, কারন তূর্য দূর থেকে সিফিন কে ইশারা দিতো আর মেয়েটা মনে করতো তারে ইশারা দিতো, মেয়েটা তো আর তূর্য কে চিনো না, সে জন্য এখন প্রতিদিন রুটিং করে ওরা বেলকনিতে যাইতো,আর সিফিন যাইতো তার বাবার জন্য, আমি বাসায় আসলে ও মাঝে মধ্যে সিফিন তার বাবা কে ডাকতে ডাকতে বেলকনিতে চলে যেত, সে জানতো বেলকনিতে গেলে তার বাবা কে দেখতে পাবো,কিন্তুু আমি তো এসবের কিছুই জানতাম না,

যখন আমার রাতে ডিউটি থাকতো তখন তো দিনে বাসায় থাকতাম তখন তূর্য আসতো না, মাঝেমধ্যে তখন আমি সিফিন কে নিয়ে বেলকানিতে বসে থাকতাম, পরের সিফটে যখন দিনের ডিউটি আসলো তখন আমার সাথের যে মেয়েটা থাকো মারিয়া তার সাথে তূর্যের ফোন নাম্বার লেনদেন হয়ে গেছে, একদিন বিকালে বাসায় এসে দেখি সিফিনের হাতে অনেক গুলো খেলনা অনেক দামি দামি গাড়ি + সাথে জামাকাপড়, আমি এসব দেখে মারিয়া কে জিজ্ঞেস করলাম সিফিন এই গুলো কই পাইলো,মারিয়া বললো আপু আমার বয়ফ্রেন্ড এসেছিলো সিফিন কে একা রেখে তো বাহিরে যেতে পারি না তাই ওরে সাথে নিয়ে গেছিলাম ওর সাথে দেখা করতে, ওর আবার ছোট বাচ্চা অনেক পছন্দ তাই সিফিন যা যা কিনতো চাইছে সব কিনে দিছে,
তূর্য মারিয়া কে পটিয়ে সিফিন কে কোলে নিবার সুযোগ করছে,

আমি মারিয়া কে বললাম সিফিন ছোট মানুষ তার যা ভালো লাগবে তাই তো চাইবে তুমি না করতে পারলা না, মারিয়া বললো কেমনে না করি সিফিন তো ওর কোল থেকে নামে না, আমি মারিয়া কে কিছু না বলে সিফিন কে বলতে লাগলাম আব্বু আর বাহিরে যাবা না,
সে আমাকে হাতে ইশারা করে বলে বাবা, তারে যে তার বাবা সব কিনে দিছে সেটা তো আর আমাকে বুঝাতে পারছে না,

আমি মারিয়া কে বললাম এর পর আর সিফিন কে নিবা না তুমি যদি বাহিরে যাও বাসায় কেউ না থাকলে আমার কাছে দিয়ে আসবা সিফিন কে, মারিয়া বললো ঠিক আছে আপু আর এমন হবে না,

খেলনা গুলো পেয়ে সিফিন আর ঘুমায় না, আজকে আমার তূর্যের কথা ভিষণ মনে পরছে,ওয় থাকলে ওর ছেলে অন্য কারো থেকে কিছু নিতো না, বার বার শুধু একটা কথাই মনে পরছে বাবা ছাড়া বাচ্চার পরিচয় কি ভাবে দিবো,

কিছুদিন পর আমার অফডে ছিলো বাসাই ছিলাম দুপুরের রান্না করে একটু শুয়ে আছি ভাবছি একটু পর সিফিন কে গোসল করিয়ে খাওয়াবো, তখন সিফিন বেলকনিতে ছিলো, রুমের দরজা খোলা ছিলো,

ঘুম থেকে উঠে আর সিফিন কে খুজে পাইনা, বাড়ির সব রুম খুঁজে কোথাও সিফিন কে পাইনা, আসেপাশে সব জায়গায় খুজতে লাগলাম, কোথাও সিফিন নেই, আমার কলিজা শুকিয়ে গেছে কান্না শুরু করে দিছি, বাসার নিছে দোকানে সব জায়গায় খুজ নিলাম কোথাও সিফিন কে কেউ দেখেনি , বিকালে দিকে আমি থানায় ডাইরি করছি, পুলিশে ছেলের বাবাূর কথা জিজ্ঞেস করলো বললাম তার বাবার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই, পুলিশের ধারণা তার বাবা তাকে নিয়ে গেছে, আমাকে তার বাবার ঠিকানা দিতে বললো, আমি বললাম ওনার ঠিকানা ফোন নাম্বার কিছু নাই ওরা বাচ্চার ছবি তার বাবার ছবি চাইলো আমি শুধু সিফিনের ছবি দিছি কারণ আমি চাইনা তূর্যের কান পরযন্ত খবর টা যাক,

এই ভাবে ১ দিন এক রাত কেটে গেছে, কোন খুজ খবর পাইনি সিফিনের, আমি বাঁচ*বো না ম*রবো জানি না তবে যে ভাবেই হোক তূর্যের আমানত কে খুঁজে বের করতে হবে,

যখন ২ দিন পার হয়ে গেছে তখন আমি সব আশা ছেড়ে দিলাম, ভাবছি তূর্যকে জানবো, তার সামনে সিফিনকে ধরে রাখতে না পারার অপরাধে নিজেকে শে*ষ করবো,

পরের দিন আগের সিম অন করলাম তূর্য কে ফোন দিলাম অনেক বার কিন্তুু তার ফোন বন্ধ, তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারি নি, তার বাড়ির ঠিকানা ও জানি না,

দুপুরে দিকে একটা মহিলা আসলো আমাদের বাসায় এসে জিজ্ঞেস করতে লাগলো এখানে কার বাচ্চা হারিয়ে গেছে আমি রুম থেকে বের হয়েই বললাম আমার বাচ্চা হারিয়ে গেছে, মহিলা টি তখন আমাকে শান্ত হতে বললো, বাচ্চা পাওয়া গেছে তবে এটা যে তোমার বাচ্চা তার প্রমান করতে পারবা, আমি জিজ্ঞেস করলাম আপনি আমাকে তার কাছে নিয়ে যান সে এমনি মা মা করতে করতে আমার কাছে চলে আসবে, ওনি জিজ্ঞেস করলো ছেলের বাবা কই, আমি বললাম তার বাবা অন্য জায়গায় বিয়ে করে চলে গেছে, ছেলেটি আমার সম্বল দয়া করে বলেন সে কই আছে,

মহিলা ফোন থেকে ছবি বের করে বললো এটা কি তোমার ছেলে, আমি বললাম হা এটাই আমার সিফিন, মহিলা আমারে বার বার নানান প্রশ্ন করে আমাকে পাগল করে দিচ্ছে, আমি সহ্য করতে না পেরে মাঠি তে পরে গড়াগড়ি করে কান্না করতে লাগলাম,তখন পাশের বাসার ভাড়াটিয়া
আমাদের বাসার মালিক ওরা ও চলে এসেছে, ওনারা এসে মহিলার সাথে কথা বলতে লাগলো, সবাই মহিলা কে বলতে লাগলো বাচ্চা কই আছে এনে দিয়ে বাচ্চার মার কলিজা ঠান্ডা করেন,

মহিলা টা তখন সবার সামনে আমাকে বললো একটা বাচ্চার
জন্য নিজের জীবন টা এই ভাবে নষ্ট করলা, কখনো কি চিন্তা ও করো নাই যে তোমার বিয়ে হয়নি বাচ্চা টা ও তোমার না, অতছো বাচ্চার জন্য নিজের জীবন নষ্ট করলে, এই কথা শুনে আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম কে আপনি এতো কথা আপনি কি ভাবে জানলেন, তখন বাড়ির সবাই বলতে লাগলো এই বাচ্চা কি ওর না, মহিলা বললো সে জন্ম দেয়নি ঠিকই কিন্তু এই বাচ্চা কে ৩ মাস বয়স থেকে লালনপালন করে বড় করছে, বাচ্চার জন্য সে বিয়ে করে নি, কেউ বলতে ও পারবে না মেয়েটির এখনও বিয়ে হয়নি অতছো বাচ্চার মা,
আপনারা সবাই দেখলেন সে বাচ্চার জন্য মাঠিতে গড়াগড়ি করে কান্না করছে, আমি এসেছিলাম শুধু তাকে জানিয়ে দিতে যে বাচ্চা তার বাবার কাছে, বাচ্চার বাবা আসার সাহস পায়নি তাই আপনাকে পাঠিয়েছে যাতে বাচ্চা নিয়ে চিন্তা না করে, এখানে এসে যা দেখলাম, বাচ্চা থেকে ওরে আলাদা করা যাবে না, আমি ওনার কথা শুনে জিজ্ঞেস করলাম বাচ্চা কি তার বাবার কাছে ওনি বললো হা আমি প্রমান দেখতে চাইলাম, তখন ওনি ভিডিও কল দিয়ে আমাকে দেখাইলো সিফিন তূর্যের কাছে, মন টা একটু শান্তি পেলো, আমি তখন সবার সামনে বললাম আমার বাচ্চা তার বাবার কাছে আসে আর কাউকে খুঁজতে হবে না, কিন্তু এতো ঝামেলার মধ্যে মহিলার পরিচয় জানতে ভুলে গেছি, ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম তূর্য আপনার কি হয়, বাড়ির সবাই ও জনাতে চাইলো বাচ্চার বাবার সাথে ওানার সম্পর্ক কি, ওনি বললো সে বাচ্চার দাদি,
এই কথা শুনে আমি ওনার পাশে বসা ছিলাম সাথে সাথে উঠে গেছি, তূর্যের মা আমার কাছে এসেছে মানে সিফিন কে নিয়ে তূর্য তার বাড়িতে গেছে, তূর্যের মা আমাকে বললো।রেডি হও তোমাকে নিয়ে যাবো তোমার ছেলের কাছে, আমি বললাম না থাক ছেলে তার বাবার কাছে আছে এটা শুনেই আমি শান্তি পাইলাম আরকিছু লাগবে না, আমার কথা শুনে বাড়িওয়ালা তূর্যেের মা কে ,বললো কিছু মনে করবেন না মেয়ে তো আপনাকে আগে কোন দিন দেখেনি আর চিনে ও না,আপনার ছেলে কে চিনে যদি দয়া করে আপনার ছেলেকে নিয়ে আসতেন,,
বাড়িওয়ালার কথা শুনে তূর্যে মা তূর্যকে ফোন দিলো গাড়ি নিয়ে এখানে চলে আয়, লাউডস্পিকার ছিলো ফোন তখন তূর্য বললো মা আমি এখনি আসতেছি,

২ ঘন্টা পর তূর্য এসেছে সবার সামনে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে, তূর্য কে দেখে মারিয়া বললো আপু ওনি সিফিনের বাবা,আমি বললাম হা, কেন কি হয়েছে, মারিয়া বললো কিছু না আপু,
তূর্য সবার সমানে বললো মা রেসি কে নিয়ে চলেন সিফিন কে রাখা যাচ্ছে না, বেশি দেরি করবেন না,বাড়িওয়ালা আমাকে বললো কি এখন যাবা,আমি বললাম হা যাবো,
তূর্যের মা আমার বাড়িওয়ালা সাথে কথা বলে সব কিছু ঠিক করে নিলো, আমি সিফিনের জামা কাপড় গুছিয়ে নিয়ে তূর্যের মার সাথে বের হলাম ওনাদের গাড়ি বাহিরে ছিলো,
আমাকে নিয়ে তারা তাদের বাসায় গেলো, আমি সিফিনকে কার কাছে রেখে এসেছে জানতে চাইলাম তূর্যের মা বললো সিফিন তার বড় আম্মুর কাছে আছে, এটা শুনে গাড়িতেই মেজাজ গরম হয়ে গেছে, আমি মনে করছি ওই ডা*ইনি টার কথা বলছে, বাসায় গিয়ে গাড়ি থেকে নামতেই দেখলাম সিফিন আরেক জনের কোলে সিফিন আমাকে দেখে ওনার কোল থেকে নেমে আমার কাছে চলে এসেছে,
সিফিন মনে করছে আমি ওরে নিতে এসেছি তাই সে আমাকে টানতে টানতে গাড়ির কাছে নিয়ে গেছে, তার দাদি বিষয় টি বুঝতে পারছে,তখন সে আমাকে বললো সে এই বংশের প্রদিপ, তূর্যের বড় ভাইয়ে কোন ছেলে মেয়ে নেই, ওদের বিয়ে করিয়েছি ২ বছর হলো, এখনো ও কোন কিছু হলো না, এটা নিয়ে তূর্যের বাবার মন খারাপ, তার পর তূর্যের বিয়ে নিয়ে নানান জামেলা গেছে সেটা নিয়ে ও তার বাবার মন খারাপ,
আমাকে বলতো আমার ২ টা ছেলে একটা কে বিয়ে দিলাম কিন্তুু পোলাপান হলো না, আরেকটা বিয়ে নিয়ে নানান কাহিনি শেষে যদি ওর ও বড়টার মতো হয় তাইলে এই বংশের প্রদিপ জ্বালানোর মতো কেউ থাকবে না, আমি ওনাকে শান্তনা দিয়ে রাখতাম

তূর্যের সাথে যার বিয়ে হবে তার পরিবারের সাথে আমাদের একটা ঝামেলা হয় তখন ওরা তূর্যের চরিত্র নিয়ে কথা বলে, তূর্যে নাকি আগে এই জায়গায় ওই জায়গায় গিয়ে মেয়েদের সাথে নষ্টামি করে বাচ্চা জন্ম দিতে একটা নাকি এখন ৪ বছর বয়স হয়ে গেছে, এসব শুনে তূর্যের বাবা আমাকে জিজ্ঞেস করলো এসব কি বলে ওরা, তূর্যকে জিজ্ঞেস করো তো,

তূর্য কে আমারা জিজ্ঞেস করলাম তূর্য সব কিছু বললো তূর্যের ভাবি আমাদের বললো তূর্যের যার সাথে বিয়ে দিচ্ছেন তার সাথে সে সংসার করতে পারবে না এখনই খুটা দেয়ে ভবিষ্যতে সমস্যা হবে,তখন তূর্যের বাবা বিয়ে ভেঙে দেয়,
আমরা সবাই মিলে তোমাকে আর সিফিন কে খুজার জন্য তূর্য কে চাপ দিতে থাকি, সে অনেক চেষ্টায় তোমাদের খুঁজে পাইছে, তার ধারণা যে ছেলের জন্য তুমি এতো কিছু করলে সে ছেলে কে যদি নিয়ে আসে তাইলে তুমি আসবে, যখন সিফিন কে এখানে নিয়ে আসে সেই রাত থেকেই সিফিন কান্না শুরু করছে সে এখানে থাকবে না, আমরা তূর্যের থেকে তোমার ঠিকানা নিয়ে তার পর তোমার কাছে গেলাম, আমি তূর্যের আম্মুর কথা শুনে বুঝলাম তূর্য এখনো বিয়ে করে নি, আমি জিজ্ঞেস করলাম সিফিনের বড় আম্মু কে,তূর্যের মা বললো আমার বড় ছেলের বউ, আমার মাথায় এটা ডুকেনি যে জেঠু মা কে বড় মা বলে,

তূর্য সিফিন কে নিয়ে বাসার ভিতরে গেলো, আমি তূর্যের মা তার ভাবি ৩ জনে একসাথে বাড়ির ভিতরে গেলাম তূর্যের বাবা বাসায় ছিলো না, ওনারা আমার বাড়ির সবার সাথে কথা বলতে চাইলো, আমি ওনাদের সব সত্যি টা বললাম সিফিনের জন্য কি কি হয়েছে, তূর্যের ভাবি বললো তা হলে এসবের দরকার নাই আগে ওদের বিয়ে দিয়ে দেন, বড় ছেলে কে তো ধুমধামে বিয়ে করিয়েছেন ছোট টা না হয় বিয়ের পর করবেন, তূর্যের মা বললো বিয়ের পরে ও করবো না,করবো সিফিনের মুসলমানির সময়,

সারা দিন তূর্যের সমানে আর আমি যাইনি, রাতে তূর্যের বাবা আসার পর আমাকে ডাক দিলো আমি গিয়ে ওনারে সালাম করলাম, ওনি আমাকে আমার বাবার নাম্বার দিতে বললো তূর্যের মা নিষেধ করলো এখন যেন ফোন না দেয়,

আগে আমরা ওদের বিয়ে দেই তার পর যা করার করবো,তূর্যের বাবার মতামত ছিলো না এই ভাবে বিয়ে দিবার তার পর ও বাড়ির সবাই যখন বলছে, পরের দিন বিয়ের কথা বললো, আনি জানতে চাইলাম সিফিনের বাবার মতামত জেনে নিতে তখন তূর্যের ভাবি বললো তোমাকে আনার জন্য রুমরে জিনিস পত্র ভেঙে ফেলছে আর কি মত লাগবে, আমি বললাম ঠিক আছে আপনরা যা ভালো মনে করেন তাই হবে, পরের দিন সন্ধায় আমাদের বিয়ে দিছে, কাজি এনে, কোন আয়োজন করে নি,
তূর্যের বাবার ইচ্ছে ছিলো ধুমধামে বিয়ে করাবে,কিন্তু কিছু হলো না, তাই ওনার মনটা একটু খারাপ, তার পর ও ওনি সিফিন কে পেয়ে খুশি,

____________________________________

অবশেষে হাজার টা বাঁধা পেরিয়ে আমাদের বিয়ে টা হলো, সিফিন কে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে এখনো কোন কথা হয়নি আনার তূর্যের সাথে,
আমরা ২ জনই এখন বাসর ঘরে, সিফিন কে তার বড় মা নিয়ে গেছে, ওনাদের রুমে ঘুম পারিয়ে রাখছে,

বাসর ঘরে নাকি সবাই বসে থাকে কিন্তুু আমি দাড়িয়ে আছি, তূর্য খাটে বসে আছে, কেউ কোন কথা বলছি
না, আমি বুঝতে পারছি আগের মতো আমারই ওর রাগ ভাংগাতে হবে, তাই ওর কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছি সাহস হচ্ছে না কিছু বলার, মনে একটু ভয় নিয়ে ওনাকে বললাম সরি, ওই দিন সিফিন কে না নিয়ে গেলে হয়তো আজকে আমি আপনার বউ হতে পারতাম না আর সিফিন ও থাকতো এতিমখানায়, তূর্য আমার হাত ধরে বললো সরি বলতে হবে না আমার ভুল ছিলো তোমাকে আমি বুঝতে চাইনি তাই আমি স,,,,, তূর্য সরি বলার আগেই আমি ওর মুখে হাত দিয়ে রাখলাম, তূর্য আপনাকে বুকে জরিয়ে ধরলো, আমি তূর্যের কাছে ২ টা জিনিস চেয়ে নিলাম, এক হলো আমার বাড়িতে যেন নিয়ে যায়, আর অর্নির বাবা মাকে যেন এখানে দাওয়াত করা হয়,তূর্য বললো ঠিক আসে সব হবে,

তূর্যে আমার কথা রাখবে তাই আমি অনেক খুশি, ,এতো দিন সে আমাকে চেষ্টা করতে আর আজকে আমি চেষ্টা করছি তূর্যের ভালোবাসা গুলো নিবার কারণ তূর্য আজকে থেকে আমার, আমার সব মনের আসা পূর্ণ হয়েছে,

কিন্তু একটা সমস্যা আছে, তূর্য কে বললাম আজকে যেন অন্য কিছু না করে, তূর্য কারণ জানতে চাইলো আমি ওর কানে কানে বলে দিছি এখন যদি কিছু করেন তা হলে আরেক জন চলে আসবে সিফিনের আদরের ভাগ বসাতে, কিন্তুু তূর্য সেটা মানে না, তূর্য বললো ভালোই হবে আরেক জন আসোক, এই বলে সে,,,,,
সত্যিই সেই রাতে সিফিনের আদরের ভাগ বসাতে একজন চলে এসেছে, যে দিন বিয়ে সেই দিনই পেগনেট,

এখন এক জন কোলে আরেক জন গর্ভে, ২ জন কে নিয়ে আমি সুখি, তব কেন জানি মনে হলো সেই দিন গুলি ভালো ছিলো যে দিন গুলোতে আমরা গোপনে সংসার করতাম,

সমাপ্ত
_______________________________________

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ