গল্প – গোপন সংসার
পর্ব -১২
লেখক :রিহান অরণ্য
কলকাতা এয়ারপোর্টে নেমে আমারা টেক্সি দিয়ে বারাসাতে গেলাম, ওখানে মেডামের জামাই আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে বলছে, টেক্সি ডাইভার কে মেডামের জামাইর নাম্বার দিয়ে বললাম ওনাকে ফোন দেন ওনি যে জায়গায় নামাতে বলবে ওখানে নিয়ে যাবেন,
ডাইভার তাই করলো, ওনার সাথে ফোনে কথা বলে ঠিকানা মতো নিয়ে গেছে, বিকালে মধ্যে আমরা মেডাম দের বাসায় চলে গেলাম, ওনাদের বাসায় মেডামের একটা মেয়ে আছে ৮ বছরের, মেডামের জামাই ব্যবসা করে মেডাম জব করে, ওনারা সুখি পরিবার,
মেডাম কে বললাম তোমাদের বাসা থেকে অর্নি দের বাসা কতো দূর, মেডাম বললো বেশি দূর না, তবে এখন গেলে বাড়িয়ে সবাই কে পাওয়া যাবে, কিন্তু কি বলে যাবেন ওনাদের বাসায়, মেডামের জামাই বললো এতো তারাহুরো করার দরকার নেই কাল সকালে গেলে হবে একটু পর সন্ধ্যা হয়ে যাবে, তূর্য ও বললো হা কাল সকালেই যাবো এটাই ভালো হবে,
তারা আমাদের কে একটি রুমে থাকার ব্যবস্থা করছে, নতুন জায়গায় সিফিনের একটু সমস্যা হচ্ছে ও এখন কোল থেকে নামে না, রাতে ২ জনের মাঝখানে শুয়ে আছে, কোন কথা না কোন কিছু না, মন মরা মতো হয়ে আছে , সে ছোট মানুষ তো জানে না আমরা কই এসেছি, কি জন্য এসেছি,এখানে যে তার মার বাড়ি, তূর্য আমাকে বললো সিফিন আজকে অনেক চুপচাপ, আমি বললাম নতুন জায়গা তাই,
তূর্য আমার কাছাকাছি এসে আমার হাত ধরে ফেললো বললো এতো কিছু তোমার জন্য সম্ভব হয়েছে, আমি বললাম হইছে এখন হাত ছাড়েন, তূর্য বললো হাতই তো দরলাম অন্য কিছু তো না,আমি বললাম অন্য কিছু যেন মাথায় ভুলে ও না আসে,আমরা এখানে এসেছি দরকারে আমাদের এখন রোমাঞ্চ করলে হবে না পবিত্র অবস্থায় থাকতে হবে, আপনি ভুলে যাইয়েন না এই খানে আপনার অর্নি র বাড়ি যারে জীবনের চাইতে বেশি ভালোবাসতেন,
আমার কথা শুনে তূর্য চুপচাপ শুয়ে ঘুমিয়ে গেছে,
সকালে উঠে নাস্তা খেয়ে আমরা বাহিরে একটু ঘুরে দেখতে লাগলাম, মেডাম একদিনের জন্য ছুটি নিছে আমাদের জন্য,
আমরা প্রথমে অর্নি দের বাড়িতে গেলাম, মেডাম বাড়িতে ডুকে
অর্নি ছোট বোন কে ডেকে আনলো, জিজ্ঞেস করলো তোমার মা বাবা ওরা কি বসায় নেই, অর্নির বোন বললো বাবা কলকাতা গেছে, মা বাড়িতে, মেডাম বললো তোমার মাকে ডাক দাও,
একটু পর অর্নির মা আসলো, এতো বড় বাড়ি সেখানে মাত্র ২ জন মানুষ, আমরা অর্নির মার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম
একটু পর অর্নির মা আসলো, ওনার চেহারা দেখে আমি চমকে গেলাম সিফিন চেহেরাটা ওনার চেহারার অনেক মিল,
ওনি এসে জিজ্ঞেস করলো মেডাম কে, ওরা করা কই থেকে আসলো তখন মেডাম বললো ওরা অর্নির সাথে আগে লন্ডনে থাকতো, বাংলাদেশে ওদের বাড়ি, অর্নির মা আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে সিফিনের নিকে তাকিয়ে তার ছোট মেয়ে কে বললো তর বাবা কে ফোন দে বাড়িতে আসতে, আর ওনি আমাদের কে নিয়ে বাসার ভিতরে নিয়ে গেছে, আমি ওনার দিকে লক্ষ করলাম ওনি কেমন জানি হ’য়ে গেছে, ওনার চোখে পানি, ওনি একটু পর পর তার ছোট মেয়ে কে বলতে লাগলো, রুম পরিস্কার করা হয়েছে কি না, আমরা কোন কিছু বলার সুযোগ পাছি না ওনার ব্যস্ততার জন্য, একটু পর আমাদের কে আরেকটি রুমে নিয়ে গেছে, ওখানে আমি সিফিন তূর্য আর মেডাম বসে আছি ওনারা বাহিরে, অর্নির মা মেডাম কে বললো তুমি যেওনা কিন্তুু
একটু পর ওনি আসলো আমাদের রুমে, সিফিন কে হাত বাড়িয়ে কোলে নিতে চাইলো সিফিন যায়না, আমি সিফিনকে বললাম যাও আব্বু ওনার কোলে যাও, দ্বিতীয় বার চেষ্টায় সিফিন কে কোলে নিলো, আর কোলে নিয়ে অর্নির মা সিফিনের গলায় একটি স্বর্ণের চেইন পরিয়ে দিলেন, আমি আর তূর্য অবাক হয়ে গেলাম এসব দেখে, সিফিন চেইন গলায় রাখেনা বার বার খুলে ফেলে, আমি বললাম আন্টি ওর মনে হয় চেইনটা বিরক্ত লাগছে তাই বার বার খুলে ফেলছে,আপনি এটা রেখে দেন, অর্নির মা বললো এই চেইন ওর মার, ওটা ওর গলায় পরিয়ে আমার কলিজা টা ঠান্ডা করো বলেই কান্না শুরু করে দিছে,এই কথা শুনে আমি ওনাকে ধরে বললাম আপনি কি সব জানেন, ওনি বললো হা আমি আমি সব জানতাম ওর নাম সিফিন আমার মেয়ে ওর নাম রেখেছে, নাম চয়েস করে আমাকে বলছে নাম টা কেমন আমি বললাম এই নাম রাখতে,
তূর্য তখন ওর মার হাত ধরে বললো আমাকে মাফ করবেন আমি আপনার মেয়ে কে সেফে রাখতে পারিনি, অর্নির মা কান্না থামে না কান্না করতে করতে বলতে লাগলো আমি ওর বিয়ে বাচ্চা সব ওর বাবার কাছে গোপন করছি অর্নি বলতে না করছিলো, যখন এক্সি *ডেন্টে অর্নি মা-রা যায় তখন ওর স্বামী আর সন্তানের কোন খুজ ছিলো না কেউ দ্বাবি করেনি তাই লা*শটি দেশে পাঠিয়ে দিছে, অর্নি মা-রা যাবার ৩ মাস পর তার বাবা কে এই বিষয়ে বলছি কিন্তু তখন আমাদের আর কিছু করার ছিলো না, কারণ আমরা তার স্বামী সন্তানে পরিচয় বা ঠিকানা জানতাম না,এতোটা বছর ধরপ বুকের মধ্যে
কষ্ট টা লুকিয়ে রেখেছি কাউকে বলি নাই, বিশ্বাস ছিলো কোন একদিন কেউ না কেউ আসবে আমার মেয়ের খুঝ করতে,আজকে আমার সেই আশা টা পূর্ণ হলো,
মেডাম বলতে লাগলো এসব আমরা কেউই জানতাম না, অর্নির বোন বললো আমি ও জানতাম না এই সম্পর্কে,
তূর্য অর্নির মার হাত ধরে বসে আছে, বলতে লাগলো আপনি কেমনে বুঝলেন এই সন্তান অর্নির তখন ওনি বললো প্রথমে এই ছেলের চেহারা দেখে আমার কলিজা কেমন করে উঠলো তার পর ওর চেহেরাটা টা আমার মতো, , আর এতোদিন কেউ আমার মেয়ের খোজ করতে আসেনি, তূর্য বললো আমাকে অর্নি কোন দিন বলে নি যে আপনারা এই বিষয়ে জানতেন,যদি বলতো তাইলে আমি সেই দিনই সিফিন কে নিয়ে এখানে চলে আসতাম, এখনো অর্নির মা সিফিনের মাথা ধরে আদর করতে লাগলো, তার মেয়ে কে বললো তর বাবা কি বলছত তর জি জু এসেছে, অর্নির বোন বললো আব্বু আসতেছে,
অর্নির মা তূর্য কে বললো তোমারা কি আর বাচ্চা নাওনি, তূর্য বললো না, সিফিন ছোট তাই অন্য কোন চিন্তা করি নি ওয় সিফিন কে নিজের সন্তান মনে করেই মানুষ করছে, অর্নির মা আমাকে বললো এইটুকু দুধের বাচ্চা কে এতবছর ধরে মানুষ করলে
নিজের সন্তান না নিয়ে, সত্যি এখন এমন মানুষ পাওয়া যায়না, আমি বললাম সিফিন তো আমারই ছেলে ওরে রেখে আবার নতুন করে কোন কিছুর চিন্তা ভাবনা নেই
( অর্নির মা মনে করছে আমি তূর্যের বউ তাই এসব বলতেছে,)
একটু পর মেডাম চলে গেছে,অর্নির মা মেডামকে বললো বিকালে আসতে,
মেডাম চলে যাবার পর কিছুক্ষণ পর অর্নির বাবা এসেছে, তূর্য কে বললাম ওনাকে সালাম করো তূর্য সালাম করতে গেলে ওনি তূর্য কে বুকে নিলেন, তার পর সিফিন কে কোলে নিলো,
অর্নি বাবা তূর্যে কাছে বললো আমাকে আমার মেয়ে ভয় পাইতো সেই ভয়ের জন্য আজকে আমার মেয়ের জামাই আর তার সন্তান আমাদের থেকে দূরে ছিলো,
তূর্য ও অনেকটা ইমোশনাল হয়ে গেছে, অর্নির বাবার সামনে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছে,
সিফিন আমার কোলে আসার জন্য কান্না শুরু করলো আমি হাত বাড়িয়ে সিফিন কে কোলে নিলাম, অর্নি বাবা ও বুঝতে পারছে যে আমি তূর্যের বউ, অর্নির বাবা আমাদের নিয়ে প্রথমে অর্নির কবর দেখাতে নিয়ে গেলো, বাড়ি থেকে একটু দূরে, আমি যাইনি কব*রস্থানে দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম তূর্য সিফিন আর সিফিনের নানা, ৩ জন গেছে, আমি দূর থেকে দাড়িয়ে অর্নির কব*রের দিকে তাকিয়ে আছি এক পলকে,আর মনে মনে বলতে লাগলাম, বোন তুমি কতো ভাগ্যবতী আজকে তোমার স্বামী তোমার সন্তান আর তুমি যার সন্তান তারা তোমার কবের পাশে, এমন কপাল কয়জনের হয় বলো একজনের ভালোবাসা নিয়ে পৃথিবী ছাড়তে, তোমার সন্তান আজকে তোমার পাশে দাঁড়িয়ে আছে দেখো, সে ছোট সিফিন যাকে আমি ৩ মাসের শিশু থেকে লালন পালন করে এইটুকো বড় করে আজকে তোমার কবরের পাশে দাড় করিয়েছি, এখন আমার কাজ শেষ সারা জীবন তোমার তূর্য আর সিফিন কে মনে রাখবো,
জীবনের বড় ইচ্ছে ছিলো ২ জন কে আমার করে নিবার কিন্তু মূখে বলার সাহস আমার হয়নি, হয়তো আর কিছু দিন পর আমরা আলাদা হয়ে যাবো, আর এখানে কোন দিন আসবে কি না ওরা তা ও জানি না,
যদি কোন দিন সম্ভব হয় তাইলে আমি আবার আসবো, এসব বলতে বলতে চোখের পাতা ভিজিয়ে ফেললাম, তারা ও কবরের পাশ থেকে চলে এসেছে,
সবাই অর্নির বাড়ির ভিতরে চলে আসলাম, তূর্য আমাকে জিজ্ঞেস করলো তা হলে কি আমরা কাল চলে যাই ঢাকা, আমি বললাম ঠিক আছে, রাতে অর্নিদের বাসায় ছিলাম, তূর্য আমার পাশে শুয়ে ভাবতে লাগলো কেমনে কি করবে সিফিনের কথা বাড়িতে প্রথম কার কাছে বলবে, এসব চিন্তাভাবনা করে মাথা নষ্ট করে ফেলছে,আমি বললাম এখন ঘুমান চিন্তার কোন দরকার নেই যা হবার হবে, সিফিন ঘুমিয়ে যাবার পর তূর্য আমার অনেক টা কাছে চলে এসেছে, আমি লক্ষ করলাম তূর্য কান্না করছে, আমি তূর্য কে জিজ্ঞেস করলাম কি হ’য়েছে, কান্না করেন কেন, তূর্য বললো রেসি আমার কিছু ভালো লাগছে না, আমি তার মাথা টা আমার বালিশের কাছে এনে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম, আমি বুঝতে পারলাম ওর অর্নির জন্য খারাপ লাগছে, তূর্য শান্ত হবার পর ওরে বললাম আপনি বিয়ে করে আলাদা হয়ে যাবেন,সিফিন কে নিয়ে যাবেন, যদি আপনার বউ সিফিন কে না মানে তা হলে কি করবেন, তূর্য বললো জানি না কি করবো,
তবে তেমন কিছুই হবে না, আমার সন্তান তারে মেনে নিতেই হবে, আমি বুঝতে পারলাম তূর্য সত্যি বিয়েতে আগ্রহ টা বেশি, তাই আর কিছু না বলে শুয়ে পরলাম
তূর্য আমাকে ঝরিয়ে ধরে শুয়ে থাকার চেষ্টা করলো আমি ওরে বলে দিছি, এখন এমন করনেন না, আপনার বউের হক নষ্ট করতে আসবেন না, আগে যা হয়েছে তার জন্য আমি দায়ি, আপনার পাগলামি টা আমার মন জয় করে নিছিলো কিন্তু এখন এইসব চিন্তা ভাবনা মাথায় না রেখে ঘুমান, তূর্য বললো তুমি এতো রেগে গেলা কেন আমি তো করিনি, শুধু একটু ঝরিয়ে ধরতে চাইছিলাম, থাক ভুল হয়ে গেছে, এই বলে সে ওই পাশে গিয়ে শুয়ে আছে, ওনার শুয়ার স্টাইল ছিলো বালিশের মাথা না রেখে বালিশ টা বুকে জরিয়ে বালিশ ছাড়া শুয়ে আছে, আমি বললাম এটা কেমন স্টাইলে ঘুম, বালিশ মাথার নিচে দেন, ওনি আমার কথার কোন জবাব দেয় না, দেখেই বুঝতে পারছি রাগ করছে, এই রাগ না কমলে কালকের সারাদিন সে উল্টা পাল্টা করবে,তাই আমি ওর বুক থেকে বালিশ সরিয়ে ওর মাথার নিছে দিলাম, আর বললাম আমার কথায় রাগ করবেন না,, আমি কখন কি বলি জানি না,
এই বলে আমি ওর বুকে শুয়ে আছি, কিন্তুু সে আমাকে ধরে না,রাগ কমে নি, আমি ও শুয়ে আছি দেখি রাগ কমে কি না, কিছুখন পর ওনি আমার পিটে ওর হাত দিলো, বললো ঘুমিয়ে পর রাত হয়ে গেছে অনেক, আমি বললাম আপনি ঘুমান তার পর আমি ঘুমাবো, তূর্য বললো ঘুম আসে না, ইচ্ছে করে এমন কোথাও চলে যাই যেখানে অশান্তি না থাকে কোন কষ্ট না থাকে,আমি বললাম এমন জায়গায় কই পাবেন,তূর্য আমার কানে কানে বললো আছে একটা জায়গা অনেক কাছেই, আমি বললাম কই সে বললো অর্নির পাশে খালি জায়গা টা, এটা শুনে আমি সাথে সাথে ওর মুখে হাত দিয়ে বললাম এমন কথা মুকে নিবেন না দয়া করে, আপনার কিসের কষ্ট, সবই তো আছে আপনার,
আমার কথা শুনে তূর্য বললো কই সব আছে এখনো কিছু জিনিস আমার মনের মতো পাইনি, তখন আমি বললাম আমাকে ও আপনার মনের মতো পান নি, তূর্য বললো হা তোমাকে আমার সিফিনের জন্য মনের মতো পেয়েছি, ওনার কথা শুনে মনে হলো আমি ওনার মনের মতো না, থাক তবুও আমি ওনাকে কষ্ট দিবো না, ওনার বুকে মাথা রেখেই ঘুমিয়ে গেছি, হটাৎ ঘুম ভেঙে গেলো মাথার চুলে কে যেন টানছে, চোখ খুলে দেখি তূর্যের বুকের এক পাশে সিখিন আরেক পাশে আমি, সিফিন আমার চুল ধরে আছে, আর তূর্য আমাদের ২ জনকে ২ হাত দিয়ে ঝরিয়ে ধরে শুয়ে আছে, এমন টা এই প্রথম হলো, ফজরের আজান দিতে লাগলো, আমি তূর্য কে জিজ্ঞেস করলমা ঘুমান নি, তূর্য বললো তুমি আমার বুকে ঘুমিয়ে গেছো আমি তখন ও সজাগ ছিলাম, একটু পর সিফিন ও উঠে গেছে তাই সিফিন কে ও এক সাইডে শুয়িয়ে একটু ঘুমাইছি, আমি তূর্যের বুক থেকে উঠে যেতে চাইলে তূর্য আমাকে শক্ত করে ঝরিয়ে ধরে রাখলো বললো না এখন যেওনা, আমি বকলাম সিফিন উঠে গেছে ওরে নিয়ে এখন বসে থাকতে হবে,তূর্য সিফিন কে তার ফোন টা দিয়ে অন্য দিকে ফিরিয়ে বসিয়ে দিয়ে আমাকে পাগলের মতো আদর করতে লাগলো, আমি তূর্য কে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে বললাম এসব কি হচ্ছে, আপনার কি মাথায় কিছু নেই, তূর্ব বললো তুমি কাছে আসবা কি না বলো, আমি বললাম না যাবো না জোর করবেন করেন তার পর ও যাবো না,কিন্তুু তূর্য আমাকে ছাড়াতেছে না, আমি বুঝতে পারছি সকাল বেলা ওনার মাথা নষ্ট হয়ে গেছে এই ভাবে কাজ হবে না ওনাকে বুঝাতে হবে তার পর, যখন আমাকে আবার তার উপরে নিয়ে গেছে তখন আমি বললাম আমার কথা শুনে তার পর যা করার করবেন, তূর্য বললো কি
কথা, আমি সিফিন কে টান দিয়ে আমার কাছে এনে বললাম এটা কার সন্তান, তূর্য বললো আমার সন্তান, আমি বললাম আপনার কি একার সন্তান তূর্য বললো না আমার আর অর্নির সন্তান, তখন বললাম আমরা এখন কোথায়, তূর্য বললো অর্নিদের বাড়িতে, আমি বললাম শুধু ওদের বাড়িতে না এই রুম টা ও ওর, এই বিছানায় সে ঘুমাইতো, তাই না, তূর্য বললো হা, তখন আমি বললাম স্যার আপনি কি ভুলে গেছেন অর্নির সাথে শারীরিক সম্পর্ক করার চেষ্টা করে ব্যর্ত হয়ে ওরে বিয়ে করছেন, সে যদি আপনাকে ভালোবেসে সব কিছু বিয়ের আগে দিতে চায়নি তাইলে আপনি কেন তার ঘরে জোর করে আমার সাথে এসব করে করতে চাইছেন, আগে কি হয়ছে সেটা নিয়ে যদি এখোনও চিন্তা ভাবনা করলে হবে না, এখন আমাকে কিছু করতে হলে আপনি আপনার অর্নি কে কষ্ট দিবেন, তা না করে আমাকে যদি এতোই ইচ্ছে তা হলে অর্নির মতো বিয়ে করে নিন, কাবিন লাগবে না, তার পর আপনার যা ইচ্ছে করেন,
_________________________________________
চলবে।
