Friday, June 5, 2026







অনূসুয়া পর্ব-০৯

#অনূসুয়া
#পর্ব৯
#রাউফুন

সুসমাদের বাড়িতে বিয়ে বিয়ে আমেজ৷ মেরাজ সত্যিই পরদিন তার বাবা মাকে সাথে করে নিয়ে এসেছে। সুসমা টু শব্দ টি করেনি বাবা মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে৷ তবে সে সিদ্ধান্ত নিলো যেভাবেই হোক বিয়েটা আটকাবে। মেরাজের জীবনটা এভাবে নষ্ট করে দেওয়ার মানেই হয় না৷ মেরাজ সুসমার দিকে অপলক তাকিয়ে আছে। সুসমার অস্বস্তি বাড়ছে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে৷ এতো গুলো মানুষের সামনে কি বলবে না বলবে ভেবে পাচ্ছে না। পাছে নিজের বাবা মায়ের শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এদিকে সুসমা সুযোগ খুঁজছে কখন সে মেরাজকে একলা পাবে৷ সে লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে ময় মুরুব্বীর সামনেই বলল,’আমি কি উনার সঙ্গে একটু আলাদা কথা বলতে পারি?’

মেরাজের ছোট বোন, বাবা মা, দাদি সহ সবাই মিটমিট করে হাসলো। আরও আত্মীয় স্বজনরা এসেছে। মোট কথা মেরাজ সকল প্রস্তুতি নিয়েই এসেছে যেনো সুসমা না করতে না পারে৷ এমন ব্যবস্থা করবে তা সুসমার ভাবনার বাহিরে ছিলো। মেরাজের কথা আর কাজে যারপরনাই অবাক হয়ে গেছে সুসমা। সবাই অনুমতি দিলে মেরাজ আর সে ছাদে চলে গেলো। ত্রস্ত পায়ে হেঁটে গিয়ে সুসমা মেরাজের পাশে দাঁড়িয়ে পরলো। মেরাজ সুসমার মুখোপানে তাকিয়ে মুগ্ধ হয় সেই প্রথম দিনের মতোই৷ দৃষ্টি স্থির রেখেই টেক্সট করলো মেরাজ। লিখলো,’তোমার বারণ শুনতে আসিনি আমি আজকে। আজ এই বাড়ি থেকে তোমায় না নিয়ে এক পা ও নড়ছি না আমি! আজ কিছু তো হবে, হয় আমার সঙ্গে তোমার বিয়ে হবে নয় তোমার আমার সঙ্গে বিয়ে হবে।’

টেক্সট পেয়ে সুসমা ফোন চেক করে কটমট করে তাকালো। ব্যাপারটা কি হলো তবে? বিয়েটা হবেই। সুসমার চাহনিতে মেরাজ বিস্তর হাসলো। চোখে মুখে দুষ্টুমির ছাপ স্পষ্ট! গজগজ করতে করতে সুসমা তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে বলল, ‘ আপনি কেন এসেছেন এখানে? সেদিন তো আমি আপনাকে আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি তারপরও এই জেদের মানে কি বলবেন?’

‘তোমার আমাকে নিয়ে কি সমস্যা একটু ক্লিয়ার করবে? আমাকে কেন এভাবে বার বার ফিরিয়ে দিচ্ছো?’

‘কারণ আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারবো না। এক পাক্ষিক ভাবে আপনি আমার সংসার ভাঙার জন্য দায়ী এটা আমি ভুলবো কিভাবে?’

ভ্রু কুচকে যায় মেরাজের। সে কি করে দায়ী? সঙ্গে সঙ্গে লিখলো, ‘তুমি আমাকে কোন দিক ভেবে দায়ী করছো আমি জানি না? আমি ভাবতেও পারিনা তোমার সংসার ভাঙুক, তোমার জীবনে অন্ধকার নামুক আমার জন্য। আমার যদি ক্ষমতা থাকতো সেসময় তোমার পায়ের কাছে সমস্ত সুখ এনে দিতাম। আর তুমি কিনা সংসার ভাঙার জন্য আমাকে দায়ী করছো? কেন সুসমা? কেন? আমি কিভাবে দায়ী বলো না? কসম লাগে খোদার বলো! তোমার কথা শুনে যদি মনে হয় আমি দায়ী তবে আমি কখনোই তোমার সমকক্ষ হবো না কথা দিচ্ছি!’

সুসমা বলতে না চেয়েও কসম শুনে বলতে বাধ্য হলো। তবে তাই হোক। কতদিন আর বুকের কষ্টটা বাড়াবে? সে নরম চোখে মেরাজের দিকে তাকালো। মেরাজের উৎসুক দৃষ্টি সুসমার মুখ মন্ডলে বিচরণ করছিলো। সুসমা তাচ্ছিল্য করে হেসে বললো, ‘এমন ভাব করছেন যেনো কিছুই জানেন না। তাহলে আমি মনে করিয়ে দিই? আমি বিবাহিত জানানোর পরেও আপনি রোজ আমায় চিঠি লিখতেন কেন? আমার সংসার ভাঙতে চাইছিলেন যেনো আপনি আমাকে পেয়ে যান সহজেই। কেন এমন করেছেন বলবেন?

‘কোন চিঠির কথা বলছো সুসমা?’ মেরাজ লিখলো।

‘কোন চিঠি মানে? আপনি পাঠাতেন সেগুলোই। আপনার দেওয়া চিঠি আমি পুঁড়িয়ে ফেলতাম ভয়ে যেনো রাশেদ কিচ্ছুটি টের না পায়। কিন্তু একদিন চিঠি পোঁড়ানোর সময় আমার শাশুড়ী মায়ের চোখে পরে যায়। আর এটা নিয়ে নানান অশান্তির মধ্যেও আরেকটা অশান্তির উৎপত্তি হয়। আমার বাচ্চাকে পর্যন্ত রাশেদ মানতে অস্বীকার করে শুধু মাত্র আপনার সেইসব চিঠির জন্য৷ সেখানে সবাই জেনে গেলো আমি চরিত্রহীনা মেয়ে মানুষ। স্বামী থাকতেও পরকীয়া করি। আমার বাচ্চার সাত মাসের সময় আল্ট্রা করার পর শুনি মেয়ে হবে। এরপরে আমার বাচ্চাটা জন্মের আগেই পেটের মধ্যেই মা’রা যায়। আমি ভীষণ ভীষণ ভাবে মূর্ছা যায়। আমার শাশুড়ির আমাকে জ্বালানোর পরিমাণ এতোটাই বাড়িয়ে দিয়েছিলেন যে আমি মাঝে মধ্যে অজ্ঞান হয়ে পরে থাকতাম। কেউ-ই দেখার ছিলো না। জ্বালাতন বে’ড়ে দুই গুন হয়ে গেছিলো আমার মেয়ে হবে শুনে। স্বামীর আঘাত, স্বামী বাইরে পরকীয়া করে ঘরে এসে বলতো, ‘তুই করলে দোষ নাই আমি করলেই সব দোষ?’ আমার বাচ্চা মা’রা যাওয়ার পর আমার শাশুড়ী খুব খুশি হয়েছিলো জানেন? আমার স্বামী সর্বক্ষণ বলতো, “পাপ কি আর গর্ভে টিকে? তুই পাপ করেছিলি আল্লাহ শাস্তি দিয়ে দিলো।”রোজ চুল ধরে মা’রা, গায়ে হাত তোলা ছিলো নিত্য দিনের কাজ। মে’রে রক্তাক্ত করে দিতো। দিনের পর দিন অসুস্থ হয়ে পরে থাকলেও একটা ওষুধ পেতাম না সুস্থ হওয়ার জন্য! আমার শ্বশুর মশাই লুকিয়ে আমার ঘরে এসে মাঝে মধ্যে ওষুধ, খাবার দিয়ে যেতেন। আমার শ্বশুর মশাই ছাড়া কেউ-ই আমাকে সেই বাড়িতে কদর করে নি। এতো কিছুর পরেও যখন সংসার না ছাড়লাম, মাটি কা’ম’ড়ে পরে রইলাম তখন বদনাম ছড়ালো আমার শ্বশুরকে নিয়ে। আমি না-কি শ্বশুরের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত। বাবার মতো বয়সী একজন লোকের সঙ্গে এমন ঘৃণ্য অপবাদ মানতে না পেরে কেস করলাম নারী নির্যাতনের। মামলা দিলাম আমার স্বামী আর শাশুড়ীর নামে। দুই বছর কেস চললো। সেসময়ও আমি ঐ বাড়িতেই থেকে ছিলাম।
শেষে রাশেদ বললো, ‘এখনো তোর নাগরে চিঠি দেই, তোরে নিয়া সংসার করবো না। তালাক তোরে।’
এরপরও বলবেন আপনি দায়ী নন? বলুন? আমাদের সম্পর্কের অবনতির সবকিছুই তো আপনার জন্যই হয়েছে। না-হলে তো রাশেদ আমাকে ডিভোর্স দিতে চাইনি।’

মেরাজ ফোস করে নিঃশ্বাস ফেলে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে লিখলো, ‘আমি সেদিনের পর কোনো দিন তোমায় চিঠিই লিখিনি তবে তুমি চিঠি পেতে কিভাবে? আশ্চর্য না?’

‘তাহলে কে লিখতো? আপনি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে কি অবলীলায় মিথ্যা বলছেন বাহ!’

‘বিশ্বাস করো সুসমা তুমি সেদিন নিজেকে বিবাহিত বলায় আমি উম্মাদের মতো হয়ে যায়। খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে এক ভাবে ঘরে বসে থেকেছি কত। বাবা মায়ের পছন্দের কত পাত্রীকে রিজেক্ট করেছি। তোমায় আমার হৃদয়ে রেখেছিলাম। মনে মনে পণ করেছিলাম আর কোনোদিন অন্য কোনো মেয়েকে আমার মনে স্থান দিবো না। এক মনে ক-জনের জায়গা দিবো বলো তো? আমি তো আমার জীবন তোমার তরে সপে দিয়েছিলাম সেই প্রথম দেখাই। কিন্তু তুমি বিবাহিত এটা আমি আগে জানলে তোমায় চিঠিই লিখতাম না। তোমার মুখ থেকে সত্যিটা জেনে কি করে চিঠি লিখতাম বলো তো? আমি সত্যি বলছি গত আট বছর আমি তোমায় চিঠি লিখিনি। তবে হ্যাঁ তোমার খোঁজ খবর আমি সব সময় নিতাম। তোমার বিয়ের দশ বছরের মাথায় তোমার বিয়ে ভেঙে গেছে জেনে আমি আবার আশার আলো দেখি। এরপর তোমার ঠিকানা পেয়ে তোমার বাড়ির পাশের ফ্ল্যাটে উঠি। তুমি বিশ্বাস করো আর না করো এটাই সত্যিই। আমি অন্তত মিথ্যা বলি না।’

ম্যাসেজ পড়ে সুসমা কিয়ৎক্ষণ স্তব্ধ হয়েছিলো। মেরাজকে দেখে মনে হচ্ছে না সে মিথ্যা বলছে। মেরাজ আবার লিখলো, ‘এতো নির্যাতনের পরেও কেন মুখ বুজে সব সহ্য করেছো তুমি? উত্তর দাও!’

সুসমা একটি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,
‘ আমার বাবার জন্য সব সহ্য করেছি। সেই সময় আমার শ্বশুর মশাই আর আমাকে নিয়ে এতো বড় অপবাদ, আমার অনাগত বাচ্চার মৃ’ত্যু এসব সইতে না পেরে ওঁদের নামে মা’র্ডা’র কেস করি। এখনো রাশেদ নারী নির্যাতন আর মার্ডার কেস ফেসে আছে। একদিন আমার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানতে পারি বাবা স্ট্রোক করে প্যারালাইজড হয়ে গেছে। যার জন্য এতো কষ্ট করে মাটি কা’ম’ড়ে পরে রইলাম সেই যখন অসুস্থ তখন আমি আর থাকবো কেন? রাশেদের নামে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে চলে আসি। এসে দেখি বাবা কথা বলতে পারেন না। হাত পা না’ড়াতে পারেন না। এই বাবাকে তো আমাকেই দেখে চলতে হবে তাই না?’

মেরাজের কেন যেনো মনে হলো সুসমা তাকে পুরো সত্যি বলছে না। এখানে অনেক বড় কিছু লুকিয়ে আছে। যা মেরাজের সুক্ষ্ম মস্তিষ্কে ঠিকই ধরা দিয়েছে। কিন্তু কি সেটা?

‘এখন তোমার আমায় বিয়ে করতে আপত্তি নেই তো?’

নারীমন ঠিক পদ্মকোমলের ন্যায় নমনীয়। আর এর নিগূঢ় প্রতীকী প্রণয়। যেটা নারী ছেড়ে দিতে পারে, ছিনিয়ে নিতেও পারে। কখনো বা হাসি মুখে মেনে নিতে পারে আবার মানিয়ে নেওয়া শিখাতেও পারে। তরল পদার্থের ন্যায় নিজের অবস্থা, স্থান ভেদে আকার ধারণেও পটু। সুসমার মন নরম হলো মেরাজের কথা শোনার পর। কিন্তু গাম্ভীর্যের কাছে তার নরম মন হেরে গেলো। সে আরও একটা ভাবনায় পরলো, তাহলে মেরাজের নাম করে কে চিঠি দিতো রোজ? সুসমা শান্ত স্বরে বললো, ‘আমি হইতো ভুল বুঝেছিলাম আপনাকে। তার জন্য ক্ষমা চাইছি। কিন্তু তবুও আপনাকে স্বামী রুপে গ্রহণ করতে পারবো না।’

মেরাজ গাট করে তপ্ত দুপুরের রোদে গরম হওয়া ছাদের উপর বসে পরলো। তারপর লিখলো, ‘তোমায় বিয়ে না করে আমি এক পা ও নড়বো না। এই যে বসলাম আর উঠবো না আমি।’

সুসমা অবাক হয়ে মেরাজকে পেছনে ফেলে চলে গেলো। মেরাজ সেদিকে তাকিয়ে থাকে নির্নিমেষ! কাঠ ফাটা রোদে ছাদে অল্প দাঁড়িয়ে থাকা দায় সেখানে উত্তপ্ত ছাদের ফ্লোরে সে বসে আছে। সারা শরীরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছড়িয়ে গেলো। মেরাজ তার বোন আঁখিকে ম্যাসেজ লিখলো, ‘আমি না বলা পর্যন্ত তোরা ড্রয়িং রুম থেকে নড়বি না। আমিও দেখবো আজকে আমাকে কেউ কি করে না করে। বউ না নিয়ে আমি এই বাড়ি কিছুতেই ছাড়বো না।’

মেরাজ যা বলবে তার কথার এদিক থেকে সেদিক হবে না। মেরাজের বাবা মাও তাই। উনারা একটা রুমে ঢুকে গেলেন কারিমা বেগমের কথায়। অপমানে থমথমে মুখ নিয়ে বসে রইলেন। সুসমা নিচে নামলে দেখলো ড্রয়িং রুমে কেউ-ই নেই। নিশ্চয়ই বাকিরা চলে গেছে। সে মায়ের পাশে বসতে বসতে বললো, ‘উনারা চলে গেছেন? উফফ বাঁচলাম।’

‘উনারা যান নি। বরং আমাকে বলেছেন, ছেলের বউ না নিয়ে বাড়ি ফিরবেন না। তাই পাশের রুমটায় ঢুকে শুয়ে পরেছেন।’

সুসমা বিরবির করলো। বললো,’যেমন ছেলে তেমন তার বাবা মা! এমন জেদের বহর সে জীবনেও কারোর দেখেনি।’

সুসমা মুসিবতে পরে মায়ের দিকে তাকাতেই তিনি উঠে চলে গেলেন ঘরে।

#চলবে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ