Saturday, June 6, 2026







তবু মনে রেখো পর্ব-০৭

তবু মনে রেখো (৭ম পর্ব)
.
মহসিন সাহেব আর কথা না বাড়িয়ে কেবল হাসলেন। সাবিনা অল্পতে বড়ো বেশি দুশ্চিন্তা করে। অবশ্য দীর্ঘ সংসার জীবনে মহসিন সাহেব এটাও বুঝতে পেরেছেন স্ত্রীর সকল দুশ্চিন্তা অমূলক হয় না। নারী জাতির সাংসারিক জ্ঞানের কাছে পুরুষ মানুষ বড়োই তুচ্ছ। তারা বিপদ-আপদও অগ্রিম আঁচ করতে পারে। নেতিবাচক ঘ্রাণ শক্তি হয় প্রবল। মহসিন সাহেব সিগারেটে শেষ টান দিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে, বাতি বন্ধ করে, দুই হাত মাথার নিচে দিয়ে, চিত হয়ে শুয়ে রইলেন।
হঠাৎ ঘরের বাতি জ্বলে উঠলো। পুষ্পিতা এসেছে৷ কোনো কথা না বলে ওয়্যারড্রোব থেকে বিছানা চাদর বের করে বাতি বন্ধ করে চলে গেল।
সাবিনা বেগম স্বামীকে বললেন,

– ‘আলাদা বিছানা চাদর নিল কেন? বুঝতে পারছো কেন আমি দুশ্চিন্তা করি?’

মহসিন সাহেব কোনো জবাব দিলেন না। তিনি সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে আছেন। দরজার ফাঁক গলে করিডরের খানিক আলো রুমে এসে পড়েছে। অন্ধকারে চোখ সয়ে আসায় দেখা যাচ্ছে সবকিছু৷ সাবিনা বেগম স্বামীকে বললেন,

– ‘কি এতো ভাবছো?’

– ‘ভাবছি আমরা কি বুড়া-বুড়ি হয়ে গেলাম? পুষ্পিতা হঠাৎ আইসাই বাতি জ্বালিয়ে ফেললো। আমাদের কি বিশেষ মুহূর্ত থাকতে পারে না। একটুও সিকিউরিটি নাই।’

সাবিনা বেগম রসিকতাটা ধরতে পারলেন। বিয়ের প্রথম প্রথম পারতেন না৷ লোকটা ঠোঁট-মুখ শুকিয়ে এমনভাবে রসিকতা করবে বুঝা মুশকিল। তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন,

– ‘আমি দুশ্চিন্তায় মরে যাচ্ছি, তুমি ঢং করছো তাই না? মনে রঙ লাগছে।’

মহসিন সাহেব হাসছেন। দুশ্চিন্তা যে তিনি করেন না তা নয়। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন,

– ‘আচ্ছা আমরা তো মেয়েটাকে কিছুই জিজ্ঞেস করিনি। ওইদিন পরিস্থিতি সামলাতে ব্যস্ত ছিলাম।’

– ‘জিজ্ঞেস করার কি আছে। যতটুকু জানি সেগুলোই তো একটা মেয়ের চরিত্রে কালি লাগার জন্য কম নয়।’

– ‘তবুও শহরে নিয়ে গেলেই হতো। সেখানে তো লোকে জানতো না।’

– ‘তো এখানে জানলেও বিয়ে তো হয়েছে৷ আঁটকেছে কিছু?’

– ‘এইযে দুশ্চিন্তা করতে হচ্ছে তখন এগুলো বর জানতোই না। আমাদেরও দুশ্চিন্তা করতে হতো না।’

– ‘এত বড়ো বিষয় গোপন থাকতো ভাবছো?’

– ‘তুমি আজাইরা এত বড়ো এত বড়ো করবে না তো। এগুলো স্বাভাবিক ঘটনা। আহামরি কিছু না।’

– ‘হ্যাঁ তোমার কাছে সব স্বাভাবিক। তো করো স্বাভাবিক। মেয়ের সংসারে ঝামেলা হচ্ছে কেন স্বাভাবিক যখন?’

– ‘ঝামেলা হইছে সমাধান হবে।’

– ‘হ্যাঁ গায়েবি সমাধান হয়ে যাবে চেষ্টা ছাড়া।’

– ‘তুমি করো গিয়ে চেষ্টা। চেষ্টার ঘরের চেষ্টা কি করিনি? বিয়ে কিভাবে হলো তাহলে? আমার কানের কাছেই শুধু প্যানপ্যান।’

– ‘হ্যাঁ বিয়ে দিয়ে দিছো সবকিছু শেষ। এখন নতুন কনের মতো হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকো।’

– ‘এখন কি বাড়িঘর সুদ্ধা সব লিখে দিতে হবে৷ তাহলেই খুশি তুমি?’

সাবিনা বেগম কেঁদে ফেললেন, চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন,

– ‘হ্যাঁ পারলে দিয়ে দাও, আমার মেয়ে সুখী না হলে এগুলো দিয়ে কি করবো?’

মহসিন সাহেব আর মেজাজ ধরে রাখতে পারলেন না৷ অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করতে করতে বালিশ নিয়ে উঠে পাশের রুমে চলে গেলেন। স্বামীর গালাগাল আর মেয়ের দুশ্চিন্তায় পরের পুরোটা দিন দেখা গেল সাবিনা বেগম কিছুই মুখে দিচ্ছেন না। পুষ্পিতা বারবার বাবাকে এসে জিজ্ঞেস করে মায়ের কি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি কিছু জানি না। আমি ডাক্তার না-কি যে, কার কখন কি হয় বলতে পারবো।’
পুষ্পিতা বুঝতে পারে বাবা-মায়ের কিছু একটা নিয়ে ঝগড়া হয়েছে৷ সে অনেক চেষ্টা তদবির করেও কিচ্ছু খাওয়াতে পারলো না। মহসিন সাহেব খুবই বিরক্ত এবং ক্ষুব্ধ হলেন। পরেরদিন ভোরেই হায়দার সাহেবকে কল দিয়ে আনলেন। পুষ্পিতা তখনও ঘুমোচ্ছে। ইমাদ বাজারে। দুইজন দুই সোফায় বসা। মাঝখানে টি-টেবিলে। কাজের মেয়ে এসে নাশতা দিয়ে গেল। মহসিন সাহেব চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন,

– ‘হায়দার, আজ চলো শহরে যাই। আসবাবপত্র কিছু তো দেইনি৷’

হায়দার সাহেব হেঁসে বললেন,

– ‘এগুলো দিতে হয় জানি, কিন্তু আমাদের কি নিয়মের সম্পর্ক। এগুলো লাগবে না।’

– ‘না না, এগুলো মেয়ের প্রাপ্য আমি দিতে চাই। তোমার সমস্যা না থাকলে আজই যাব।’

– ‘আচ্ছা ঠিক আছে। আজই যাই তাহলে।’

– ‘আরও কিছু কথা। আমার একটা মাত্র মেয়ে। ওর সুখই আমাদের সুখ। মেয়ে যখন বিয়ে দিয়েছি, ইমাদ এখন আমাদেরই আরেক সন্তান। তুমি তো জানো শহরের বাসাটা বিক্রি করে দিতে চাইছিলাম। এই সিদ্ধন্তটা বাদ দিয়েছি। এটা আমি ইমাদ বাবাজীর নামে দিয়ে দিতে চাই৷ পুষ্পিতার মায়েরও এই ইচ্ছা। তুমি ছেলেটাকে বলো তার যা ইচ্ছা আমরা দেবো। দরকার হয় চাইলে ইতালিও পাঠাবো। তুমি তো চাইছিলে একবার। তবুও যেন আমার মেয়েটা ভালো থাকে।’

হায়দার সাহেব হেঁসে উঠলেন। তারপর চায়ে চুমুক দিয়ে বললেন,

– ‘তোমার মেয়ে আর আমার মেয়ে কি আলাদা ভাই৷ তোমাদের ছেলেকে তোমরা কি দেবে সেটা তোমাদের মর্জি। কিন্তু আমি থাকতে পুষ্পিতা মায়ের কোনো অযত্ন হতে দেবো না। ছেলেকে এতদিন বুঝাইছি৷ এখন তুমিও যা বললে। এগুলোও তাকে বলবো। আশাকরি ছেলেটা বুঝবে।’

– ‘আচ্ছা তাহলে কাগজপত্র রেডি করবো। আর আজ কখন বের হবে?’

– ‘ওই বাজারে একবার যাব এখন। জোহরের বাদে বের হই তাহলে।’

– ‘বেশি দেরি হয়ে যায়।’

– ‘দোকানের কর্মচারি ছুটিতে গেছে। তাই আমি গেলে ইমাদ খেয়ে গোসল করে যাবে।’

– ‘তাহলে এখনই চলে যাও। আজ আগে পাঠিয়ে দাও গিয়ে।’

– ‘আচ্ছা ঠিক আছে উঠলাম তাহলে।’

হায়দার সাহেব খান বাড়ি থেকে মনে বিজয়ীর আমোদ নিয়ে বের হলেন। সবাই তাকে এক সময় ব’লদ শ্রেণির লোক বলেই ধরতো। বয়স হয়েছে, জীবনে অনেক ঝড়-উতরাই পেরিয়ে এতদূর এসেছেন। তাই আজ খানের মতো চতুর লোকের সঙ্গে বুদ্ধির খেলায় জিতে গেলেন। এক অন্যরকম তৃপ্তি আর আনন্দে ভরে গেল হায়দার সাহেবের মন। শরীরে এক বেসামাল হর্ষে যেন কাঁপছে। রাস্তায় বেরিয়ে একটা সিএনজিকে হাত তুলে দাঁড় করিয়ে বাজারে চলে গেলেন।
ইমাদ তখন দোকানে একা খুবই ব্যস্ত। হায়দার সাহেব ক্যাশে গিয়ে বসলেন। তিনি ঠিক করলেন ইমাদকে এখনই বাসার কথা বলবেন না। মিনিট কয়েক পর সে অবসর হয়েছে দেখে বললেন,

– ‘আজ খান ভাইয়ের লগে শহরে যেতে হবে। তাই তুমি আগে গিয়ে খেয়ে চলে আসো বাবা।’

– ‘শহরে কেন?’

– ‘ওই আসবাবপত্র দেবেন তাই আরকি। কত করে না করলাম এসব লাগবে না। ওরা দিতে চায়। এটা না-কি তোমাদের হক।’

ইমাদ আমতা-আমতা করে বললো,

– ‘বাবা এগুলো নেয়া কি ঠিক হচ্ছে? যেখানে পুষ্পিতার সঙ্গে এখনও ভালোভাবে কথাই বলি না।’

হায়দার সাহেব হা-হা করে হাসলেন। তারপর পুরো বিষয়টাই ইমাদের কাছে হালকা করার জন্য বললেন,

– ‘আরে বোকা ছেলে, এগুলো আরও বয়স হলে বুঝবে। বড়ো লোকের জামাই হয়েছো। যত নরম থাকবে ততই তোমাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবে ওরা। তাই গরম থাকতে বলেছি। তবে এখন ধীরে ধীরে মেয়েটাকে মেনে নেয়াটাই ভালো৷ ওরাও বুঝেছে আমাদের জামাই গরিব হলেও যেরকম ইচ্ছা ব্যবহার করা চলবে না।’

ইমাদ বাবার কথার মানে খুব একটা যে বুঝেছে তা নয়। তবে এটা বুঝতে পেরেছে এখন পুষ্পিতার সঙ্গে মিশতে উনার কোনো আপত্তি নেই।

‘আচ্ছা বাবা এখন যাই তাহলে’ কথাটি বলে সে দোকান থেকে বের হয়ে যায়৷ গলি পরিয়ে সিএনজিতে উঠেছে। মনের কোণায় কিঞ্চিৎ আলো ঝলমল করছে। বাবার দিক থেকে এখন কোনো বাঁধা নেই। কিন্তু পুষ্পিতা কি তাকে মন থেকে পুরোপুরি গ্রহণ করবে? সে তো পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে বিয়ে করেছে৷ এই চিন্তাও তার আনন্দ দমিয়ে রাখতে পারলো না। পুষ্পিতা ঠিকই একদিন তাকে ভালোবাসবে৷ বিয়েতে এই অন্যরকম এক রহমত। দু’জন অচেনা মানুষের কোনো এক অলিক ইশারায় মায়া-মমতা তৈরি হয়ে যায়। তাদেরও হবে৷ ইনশাআল্লাহ হবে। ইমাদ রোজ এই প্রার্থনাই করে। বাড়িতে ফিরে এসে মেইন গেইট খুলে ভেতরে যায় সে। পুষ্পিতা আর সাবিনা বেগমকে জরুরি কিছু বলতে দেখা গেল মহসিন সাহেবকে। ইমাদ সোজা নিজের রুমে চলে যায়। গেঞ্জি খুলতেই পুষ্পিতা এসে হাজির হলো। তাকে চিন্তিত দেখাচ্ছে। ইমাদ অন্য দিনের তুলনায় খানিক কোমল গলায় বললো,

– ‘মন খারাপ না-কি?’

পুষ্পিতা বিছানায় বসতে বসতে বললো,

– ‘না, কেন?’

– ‘এমনিই।’

– ‘কিন্তু তোমাকে খুব খুশি মনে হচ্ছে।’

নিজের খুশি প্রকাশ পেয়ে গেছে দেখে সে খানিক লজ্জা পেল। টাওয়েল নিয়ে ঢুকে গেল বাথরুমে।

পুষ্পিতা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ায়। তার মুখে তাচ্ছিল্যের হাসি ফুটে উঠেছে। একটু আগে তার বাবা সবকিছু বলেছেন৷ শহরের বাসা ইমাদের নামে দেবেন। তার বাবাকে বলেছেন। ইমাদকে হয়তো দেখা হওয়ার পর সেটা বলেছেন। তাই কি ইমাদকে এতো আনন্দিত দেখালো? তার মন খারাপ কি-না জিজ্ঞেস করলো। তার মনের খবর তো এই কয়দিন নেয়নি কখনও। কিন্তু পুষ্পিতা এগুলোর জন্য ইমাদকে দূরে ঠেলে দেবে না৷ মানিয়ে নেবে সে। তার মা-বাবা তো এটাই চান। রান্নাঘরে গিয়ে বললো,

– ‘মজিদা ভাত দাও টেবিলে। ইমাদ গোসল করে খাবে।’
কথাটি বলে সে চলে যাচ্ছিল। মজিদা বললো,

– ‘আপা খালি দুলাভাইকে দিব না-কি তোমারেও।’

মজিদা ইতোমধ্যে দুলাভাই ডাকটা রপ্ত করে নিয়েছে দেখে হাসি পেল পুষ্পিতার।

– ‘না শুধু তোর দুলাভাইয়ের জন্য।’

পুষ্পিতা মায়ের রুমে গেল। বাবা গোসলে চলে গেছেন।

– ‘বস এখানে।’

পুষ্পিতা না বসে মায়ের কোলে মাথা রাখলো। সাবিনা বেগম মেয়ের চুলে আঙুল চালিয়ে বললেন,

– ‘শোন মা, সংসারে স্বামীই সব। এই দেখ তোর বাবার লগে কত রাগারাগি হয়। এগুলো আবার শেষ হয়ে যায়। এভাবেই মানিয়ে চলবি।’

– ‘হ্যাঁ মা, তোমরা নিশ্চিন্ত থাকো। ইমাদ একটু স্বাভাবিক হলে আমি সব ঠিক করে নিব।’

– ‘হ্যাঁ রে মা, তাই করবি। ছেলেটা মাশাল্লাহ ভালো। দেখবি তোকে ভালোই রাখবে।’

– ‘কিন্তু এগুলো দেয়া কি ঠিক হচ্ছে।’

– ‘আরে বোকা মাইয়া। এসব দিলাম তোর মুখ এখন বড়ো হলো ওদের কাছে। তাছাড়া আমাদের সবকিছু তো তোদেরই।’

– ‘হুম বুঝেছি মা।’

– ‘এই যাহ, আমি তো ভুলে গেছি। জামাই বাবাজী এসেছে দেখে তোকে পাঠাইলাম তুমি আবার চলে এলি যে।’

– ‘তোমার জামাই এখন বাথরুমে, আমিও কি ওর সঙ্গে বাথরুমে চলে যাব মা?’

সাবিনা বেগম ওর পিঠে চাপড় দিয়ে হা-হা করে হেঁসে উঠলেন। তারপর বললেন,

– ‘গোসল শেষ হলে ভাত দে গিয়ে।’

– ‘মজিদাকে বলেছি দিতে।’

– ‘স্বামী খেতে বসলে পাশে থাকতে হয় মা। এভাবেই তো মায়া-মহব্বত বাড়ে, যা।’

পুষ্পিতা উঠে চলে যায়। ইমাদ লুঙ্গি আর গায়ে টাওয়েল প্যাঁচিয়ে বাথরুম থেকে বের হয়েছে৷ পুষ্পিতা হাত বাড়িয়ে বললো,

– ‘দাও আমি টাওয়েল মেলে দিচ্ছি।’

ইমাদ ওর দিকে মিষ্টি করে তাকিয়ে বললো,

– ‘আমিই মেলে দিচ্ছি ম্যাডাম।’

পুষ্পিতা ওর দৃষ্টি এবং কথার ভঙ্গিতে খানিক বিভ্রান্ত হয়। এভাবে তো সে কথা বলে না৷ তাকায়ও না। ইমাদ এসে গেঞ্জি পরেছে। পুষ্পিতা বললো,

– ‘খাবে আসো।’

– ‘হুম চলো।’

পুষ্পিতা হাঁটছে৷ ইমাদ পিছু থেকে ওর দিকে তাকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দাঁড়িয়ে গেল। কালো সুতির একটা সেলোয়ার-কামিজ। চুলগুলো কোমরের ভাঁজে পরেছে৷ মসৃণ উজ্জ্বল দুটো হাত নগ্ন। এই রূপবতী মেয়েটা তার বৈধ স্ত্রী। আজ থেকে তার বাবার কোনো বাঁধা নেই। পুষ্পিতারও ব্যবহার থেকে মনে হয় তাকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করেছে। কেউ যেন অনেকগুলো খাঁচা থেকে তার ভেতরকার অলি-গলিতে অসংখ্য অগণিত রঙিন প্রজাপতি ছেড়ে দিয়েছে৷ তারা মুক্ত হয়ে উড়ছে আর উড়ছে। পৃথিবী এতটাই সুন্দর। এতটাই মধুর প্রতিটি ক্ষণ। প্রজাপতির মতো সবাই মুক্ত, স্বাধীন। চারদিকে কেবলই ভালোবাসা, মানবিকতা৷ এই জগত অন্যরকম।
ফিক করে হেঁসে ফেলে পুষ্পিতা বললো,

– ‘কি হলো এভাবে দাঁড়িয়ে কি ভাবছো।’

কেউ যেন তাকে ছুড়ে ফেললো নির্মম বাস্তবে। চেতনা ফিরে পেল সে। গিয়ে বসলো খাবার টেবিলে। পুষ্পিতা প্লেটে ভাত দিল তাকে।

– ‘একটা প্লেট কেন? তুমি খাবে না?’

পুষ্পিতা চোখে চোখ রেখে বললো,

– ‘কেন বি’ষের ভয়?’

_ চলবে….
লেখা: জবরুল ইসলাম

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ