Saturday, June 6, 2026







স্পর্শতায় তুমি পর্ব-০৭

#স্পর্শতায়_তুমি
#পর্ব_০৭
#অধির_রায়

পুষ্প স্যার ধীর পায়ে প্রকৃতির দিকে এগিয়ে যেতে থাকে৷ প্রকৃতির মাথায় সকল প্রকারের বা’জে চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে৷ প্রকৃতি কিছু বলার আগেই পুষ্প স্যার গম্ভীর কন্ঠে বললেন,

“লেহেঙ্গা পড়ে ঘুমাবে৷ লেহেঙ্গা পড়ে ঘুমাতে চাইলে ঘুমাতে পারো। আমার কোন সমস্যা নেই। বরং তোমার ঘুমেরই সমস্যা হবে৷ ঠিকমতো ঘুমাতে পারবে না৷”

প্রকৃতি ঠিক করেছে পুষ্প স্যারের সাথে কোন কথা বলবে না। পুষ্প স্যারের অহংকার ভাঙবে তারপর কথা বলবে৷ প্রকৃতি কিছু না বলে বিছানার এক পাশে শুয়ে পড়ে৷ পুষ্প স্যারের সে নিয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই৷ পুষ্প স্যার প্রকৃতিকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“আমার সকল আশা মাটি করে দিলে৷ আমি ভেবেছিলাম বাসর রাত… ”

পুষ্প স্যারের কথা শেষ হওয়ার আগেই ছোঁয়া ক্ষোভ নিয়ে ঘৃণামিশ্রিত কন্ঠে বলল,

“আমার কাছে আসার চেষ্টা করবেন না৷ এখানে আপনি লেকচারার নয়৷ আপনার কথা শুনে চলবো। ভুলেও এসব চিন্তা মাথায় নিয়ে আসবেন না৷ রুমের লাইট অন থাকবে সারারাত৷ আপনি চাইলে বিছানার এক পাশে ঘুমাতে পারেন৷”

পুষ্প স্যারকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে প্রকৃতি ওয়াসরুমে চলে যায়৷ জিন্স আর টপস পড়ে ওয়াসরুম থেকে বের হয়। প্রকৃতির এমন রুপ দেখে পুষ্প স্যারের চোখ রসে গোল্লার মতো৷ মুখটা বাংলার পাঁচ হয়ে গেছে৷ কিছু বলার আগেই প্রকৃতি বলল,

“আমি নতুন বউয়ের মতো শাড়ি পড়ে চলতে পারব না৷ আমি যেগুলো পড়তে ভালোবাসি সেগুলো পড়ব৷ এ নিয়ে কারো যেন কোন সমস্যা না হয়৷”

পুষ্প স্যার কি বলবে, বুঝতে পারছে না? প্রকৃতি বিছানার এক পাশে শুয়ে পড়ে৷

আঁধার কেটে দিনের আলো৷ সূর্য্যি মামাকে হাজার চেষ্টা করলেও বেঁধে রাখা যায় না৷ মানুষের মনে জাগে নতুন করে বাঁচার ইচ্ছা৷ নিত্য দিনের বেঁচে থাকার লড়াই চলে যায়৷ তিথি বলল,

“প্রকৃতি তুই এ পোশাকে রুমের বাহিরে যাবি৷ তোকে এমন পোশাকে দেখলে নানা জানে হরেক রকমের কথা বলবে৷”

প্রকৃতি কিছু বলার আগেই ছোঁয়া মুচকি হেঁসে বলল,

“তিথি তুই থামবি৷ প্রকৃতি শাড়ি পড়তে পারে না৷ সেজন্য জিন্স আর টপস পড়ে আছে৷ আমরা প্রকৃতিকে শাড়ি পড়তে সাহায্য করব৷ আমি প্রকৃতিকে শাড়ি পড়িয়ে দিব৷”

তিন বান্ধবী মিলে প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়৷ প্রকৃতির রিসিপশনের কোন খামতি রাখেনি পুষ্প স্যারে৷ ধুমধামে রিসিপশন করেছে পুষ্প স্যারে৷ প্রকৃতি পুষ্প স্যারের সকল ফ্রেন্ডদের সাথে পরিচয় হয়৷ তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো ভার্সিটির কেউ আসেনি৷ কোন ছাত্রছাত্রী জানে না পুষ্প স্যারের বিয়ে৷ সে নিয়ে প্রকৃতির কোন মাথা ব্যথা নেই৷ প্রকৃতি নিজ বাড়িতে ফিরে আছে৷

চলে যাচ্ছে প্রকৃতি পুষ্প স্যারের দিন গুলো৷ প্রকৃতি পুষ্প স্যারের সাথে কোন কথা বলে না৷ পুষ্প স্যার কিছু বলতে নিলে প্রকৃতি বলে উঠে,
‘একটা ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রীকে মাঠে সবার সামনে কান ধরাতে ভালো লাগে৷’
পুষ্প স্যার নিজের করা কাজের জন্য খুব লজ্জিত। পুষ্প স্যারকে ক্ষমা চাওয়ার কোন সুযোগ দিচ্ছে না৷

ঋষি প্রতিদিন নিজের কেবিনে একটা করে গোলাপ পাচ্ছে রেগুলার৷ কিছু বলতে নিয়েও থেমে যায়। ঋষি জানে ছোঁয়া এমন কাজ করতে পারে না৷ ঋষি নিজের বুদ্ধি খাঁটিয়ে বুঝতে পারে এসব কাজ অজান্তার৷ অফিস শেষে ছোঁয়া চলে গেলে ঋষির অজান্তার কেবিনে যায়৷ ছোঁয়া নিজের জন্য আলাদা গাড়ি কিনেছে৷ সে এখন নিজের গাড়িতে চলাচল করে৷ অজান্তা ঋষিকে দেখে খুশি হয়ে যায়৷ মুচকি হেঁসে আহ্লাদী স্বরে বলল,

“ঋষি আপনি৷ আমার কেবিনে কি মনে করে? কোন সমস্যা হয়েছে৷”

.ঋষি চেয়ারে টেনে বসতে বসতে বলল,

“ম্যাম অনেক বড় সমস্যা হয়েছে৷ আমার লাইফের কিছু সমস্যা হয়েছে৷ আপনার সাথে আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে৷”

অজান্তা অনেক খুশি৷ অজান্তা ঠিক করেছে আজই ঋষিকে নিজের ভালোবাসার কথা জানাবে৷ উচ্ছাস নিয়ে বলল,

“আমরা কোন ক্যাফেডিয়ামে বসে কথা বলতে পারি। অফিসে এসব নিয়ে কোন কথা বলতে চাইনা৷”

ঋষির অজান্তার কথায় দ্বিমত পোষণ করল না৷ ঋষি অজান্তার কথার জবাবে বলল,

“ওকে ম্যাম৷ আমরা সামনের ক্যাফেডিয়ামে কফি খেতে খেতে কথা বলতে পারি৷”

ক্যাফেডিয়ামে দুই পাশে দুইজন বসে আছে৷ অপরিচিত কেউ বসে থাকলে কথা বলতে যতটা সংকোচ না হতো তার থেকে বেশি সংকোচ হচ্ছে৷ অজান্তা বলল,

“আপনার লাইফে কি এমন সমস্যা আছে? যা আমার সাথে শেয়ার করতে চান৷ জানতে খুব ইচ্ছা হচ্ছে৷ আপনার সমস্যার সাথে মোকাবেলা করতে ইচ্ছা করছে৷”

ঋষির কফির কাপে চুমু দিয়ে বলল,

“কিভাবে বলব? আমার মাথা কোন কাজ করছে না৷ আমি কিছুই বুঝতে পারছি না৷ কে আমার সাথে এমন কাজ করছে? অফিসে আমার সাথে খারাপ কিছু ঘটতে চলছে৷”.

অজান্তা চিন্তিত কন্ঠে বলল,

” অফিসের লোক আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে? কেউ আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে? আমাকে নির্ধিধায় বলতে পারেন।”

” আমার সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করেনি৷ প্রতিদিন অফিসে এসে আমার টেবিলে একটা করে গোলাপ পাচ্ছি৷ কে রাখছে সেই গোলাপ? কেন রাখছে আমি কিছুই জানিনা?”

অজান্তা মুচকি হেঁসে বলল,

“আপনার কি গোলাপ পছন্দ নয়? আপনি গোলাপ লাইক করেন না৷ গোলাপে কি আপনার এলার্জি?”

ঋষি আহত কন্ঠে বলল,

“না ম্যাম গোলাপ ফুলের উপর আমার কোন অভিযোগ নেই৷ আমার জীবন থেকে সকল রং ফুরিয়ে গেছে। জীবনের সকল রং আমি অন্য কাউকে দিয়ে দিছি৷ আমার লাইফে এখন কোন রং নেই৷”

ঋষির কথা শুনে অজান্তা খুব কষ্ট পেল৷ কেন ঋষির জন্য কষ্ট হচ্ছে৷ ঋষি অজান্তার কাছে কি লুকাতে চাচ্ছে? তার জীবনে কি অনেক কষ্ট লুকিয়ে আছে৷ অজান্তার নেত্র নিজের অজান্তেই জলে টলমল করতে থাকে৷ অজান্তা বলল,

“আপনার মনে অনেক কষ্ট আমি জানি৷ কিন্তু আপনার কষ্ট বেশিদিন থাকবে না৷ আপনার কষ্ট লুঘু করতে কেউ চলে আসবে৷ আপনি যদি আমাকে কিছু বলার সুযোগ দেন তাহলে আমি কিছু বলতে চাই৷ কিছু মনে করলে বলব না৷”

ঋষি অজান্তার দিকে সরু দৃষ্টিতে তাকায়৷ নরম স্বরে বলল,

“ওকে ম্যাম৷ আমি কিছু মনে করব না৷ আপনার মনে যা আছে তাই বলতে পারেন৷”

আমি জানি আপনি আমাকে ভালোবাসার কথা বলবেন৷ আমি এ লাইফ পার করে এসেছি। সেজন্য অন্যের মনের কথা সহজেই বুঝতে পারি৷ আমি চাই আপনি যেন আমার লাইফ থেকে সরে যান৷ সেজন্য আপনার সাথে নিজের ইচ্ছাতে কথা বলতে এসেছি৷

অজান্তা হুট করেই ঋষির হাত ধরাতে ঋষি কেঁপে উঠে৷ ঋষি হাত সরিয়ে নিতে চাইলে অজান্তা আরও শক্ত করে চেপ ধরে৷ আশেপাশে তাকিয়ে হাত সরানোর চেষ্টা করলে অজান্তা ঋষির হাত দুই হাতের মুঠোয় নেয়৷ অজান্তা ঋষির চোখের দিকে তাকিয়ে বলল,

“আমি আপনার সকল কষ্টের অংশীদার হতে চাই৷ আপনার কষ্ট নিজের করে নিতে চাই৷ ভালোবাসা দিয়ে আপনার মন জয় করতে চাই৷ আপনার সকল কষ্ট ভালোবাসা দিয়ে মুছে দিব৷ আমি ঘুরিয়ে কথা বলতে পারিনা৷ আপনাকে আমার খুব পছন্দ। আপনাকে আমি খুব ভালোবাসি৷”

অজান্তার মুখে ভালোবাসার কথা শুনে ঋষির মনে অনেক কষ্ট হল৷ ছোঁয়ার মুখটা ভেসে উঠল। ঋষির নিজের হাত এক টানে সরিয়ে নেয়। ছোঁয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নেয়। কষ্টমাখা আহত কন্ঠে বলল,

“আপনি আমাকে ভুলে যান৷ আমি আপনাকে ভালোবাসতে পারব না৷ আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি। আমি তাঁর জায়গা আপনাকে দিতে পারব না৷”

ঋষির কথা অজান্তার বুকে তীরের মতো লাগে৷ টুপ করে চোখ থেকে দুই ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল।অজান্তার চারদিকে ঘর অন্ধকার নেমে এলো৷ পায়ের নিচের মাটি সরে গেল৷ অজান্তা ভেজা কন্ঠে বলল,

“আপনি আমাকে মিথ্যা কথা বলছেন৷ আমি আপনার বিষয়ে সবকিছু জেনেছি৷ আপনার বোন প্রকৃতি আমাকে আপনার বিষয়ে সবকিছু বলেছে৷ আপনি কাউকে ভালোবাসেন না৷ আমার লাইফে বিয়ে নামে কোন অধ্যায় ছিল না৷ বাসায় অনেক বিয়ের ঘরে এসেছে৷ আপনাকে দেখে মনে ছোট একটা ঘর বাঁধার স্বপ্ন জানে৷ আমি নিজের অজান্তেই আপনাকে নিয়ে ছোট একটা ঘর বেঁধে ফেলেছি৷ আমার কি দোষ? আপনার সাথে ঝগড়া করতে করতে ভালোবেসে ফেলব আমার জানা ছিল না৷ প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিবেন না৷”

ঋষি টলমল চোখে বলল,

“আমি আপনাকে কোনদিন ভালোবাসতে পারব না৷ আমার জীবন অনেক আগেই অন্য কাউকে দিয়ে দিছি৷ জীবনের থেকে বেশি ভালো তাকে বেসেছি৷ তাকে ছাড়া আমি অন্য কাউকে চিন্তা করতে পারিনা৷ আজ সে অন্য কারোর সাথে আছে৷ কিন্তু আমার মনে তার জন্য যতটা ভালোবাসা ছিল তার মনেও ঠিক ততটাই ভালোবাসা আছে৷ আমরা পরিস্থিতির স্বীকার হয়ে দূরে সরে দাঁড়িয়েছি৷”

অজান্তা রাগী গলায় বলল,

“কে আপনার জীবন এলোমেলো করে দিছে? কে আপনার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিছে? কে আপনাকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে? আমি সেসব বিষয়ে কোন মাথা ব্যথা নেই৷ আমি আপনার সেই চূর্ণ হৃদয়ে এক ফোঁটা জায়গা চাইছি৷ আমি কখনও আপনার ভালোবাসা ছোট করব না৷ আপনার ভালোবাসাকে সব সময় শ্রদ্ধা করব৷”

ঋষি কষ্টমাখা ভারী গলায় বলল,

“আপনাকে আমার জীবনের সাথে জড়িয়ে আপনাকে কোন কষ্ট পেতে দিতে পারব না৷ আমার লাইফে শুধু কষ্ট আর কষ্ট। আমার মনে যতটুকু ভালোবাসা ছিল সব আমার ভালোবাসার মানুষের জন্য৷ তাকে ছাড়া আমি অন্য কাউকে চিন্তা করতে পারি না৷”

ঋষি নিজেকে সহ্য করতে পারছে না৷ ছোঁয়া অফিস শেষে যখন চলে যায় তখন ঋষি বুঝতে পারে কতোটা কষ্ট হয়৷ ভালোবাসার মানুষ হারানোর কষ্ট প্রতিনিয়ত পাচ্ছে৷ নিজের কষ্ট কাউকে দেখাতে পারে না৷ নিজেকে এই বলে শান্ত রাখে রাত শেষে আবার ছোঁয়াকে দেখতে পারে৷ ঋষি কথা দীর্ঘ না করে চলে যেতে নিলেই অজান্তা দৌড়ে এসে ঋষির হাত ধরে। অজান্তা কান্না করতে করতে বলল,

“আমি আপনার পায়ে পড়ছি। প্লিজ আমার ভালোবাসা ফিরিয়ে দিবেন না৷ আপনাকে ছাড়া আমিও দ্বিতীয় কাউকে কল্পনা করতে পারিনা৷ এক সময় আমার কাছে প্রেম, ভালোবাসা, সংসার সব বিষের মতো লাগত৷ আজ নিজেকে সেই বিষে বিষাদিত করতে চাচ্ছি৷ প্লিজ আপনার ভাঙা মনে আমাকে একটু জায়গা দেন৷”

ঋষির নিজের হাত ছাড়িয়ে আবার চলতে শুরু করে৷ অজান্তা সকল লিমিট ক্রস ঋষির পায়ে পড়ে৷ ঋষির নিচে বসে অজান্তার চোখের জল মুছে দেয়৷ মুচকি হেঁসে বলল,

“নিজেকে কখনও দুর্বল ভাববেন না৷ কেন আমার কাছে এতো দুর্বল হয়ে পড়ছেন? আপনার প্রতি একটুও ফিলিংস নেই৷ আমার সব ভালোবাসা অন্য কেউ নিয়ে গেছে৷”

“আমি আপনার জীবন থেকে দূরে সরে যাব৷ আমার শুধু একটা কথা জানার ইচ্ছা। কে আপনাকে এমন শাস্তি দিয়েছে৷ কে আপনার হৃদয় এমন ক্ষত বিক্ষত করেছে?”

“সহ্য করতে পারবেন। আপনাকে বললে আপনি আমার ভালোবাসাকে মেরে ফেলতেও পারেন৷ আমি কষ্ট সহ্য করতে পারব৷ কিন্তু আমার ভালোবাসার কষ্ট সহ্য করতে পারব না৷”

“আমি আপনার ভালোবাসাকে সম্মান করি৷ তার গায়ে ফুলের টোকা পড়তে দিব না৷ শুধু একটি বার তার নামটা বলেন৷”

ঋষি চোখের জল মুছে বলল,

“আমার ভালোবাসার মানুষ অন্য কেউ নয়৷ আমার ভালোবাসা মানুষ আপনার বউদি ছোঁয়া। যাকে আমি নিজের জীবনের থেকেও বেশি ভালোবাসি৷”

চলবে…..

বানান ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন৷

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ