Saturday, June 6, 2026







স্পর্শতায় তুমি পর্ব-০৫

#স্পর্শতায় তুমি
#পর্ব_০৫
#অধির_রায়

ছোঁয়ার দিন কেটে যাচ্ছে একাকিত্ব৷ সাপোর্ট করার মতো কেউ নেই৷ ছোঁয়া সারাদিন বাসায় একা একা বসে থাকে৷ কোন কাজই করতে হয়না৷ যা কাজ সব কাজের লোকেরাই করে৷ শ্বশুর ব্যবসার কাছে বিদেশে। শ্বাশুড়ী আর ননদ নিজেদের ব্যবসা আরও বড় করার জন্য অফিসে ছুটাছুটি করেন৷ ছোঁয়া আনমনে ডাইনিং রুমে বসে আছে৷ শ্বাশুড়ি ছোঁয়ার কাঁধে হাত রাখতেই ছোঁয়া কেঁপে উঠে। শ্বাশুড়ি মিহি কন্ঠে বলল,

“ছোঁয়া তুমি ভার্সিটিতে যাওয়া বন্ধ করে দিলে কেন? আমরা তোমার লেখাপড়াতে কোন বাঁধা দেয়নি৷ তুমি ভার্সিটিতে গেলে তোমার মন ভালো থাকবে৷ বন্ধুদের সাথে কথা বলতে পারবে৷”

ভার্সিটির কথা শুনে ছোঁয়ার মনে শীতল হাওয়া বয়ে গেছে৷ মুহুর্তেই সে হাওয়া ভয়ানক রুপ ধারণ করে৷ ভার্সিটিতে যেতে খুই ইচ্ছা করে। মন বলে এক দৌড়ে ভার্সিটিতে যাই৷ কিন্তু ঋষির জন্য ভার্সিটিতে যাওয়া হচ্ছে না৷ ভার্সিটির প্রতিটি কোণায় কোণায় জড়িয়ে আছে ঋষি ছোঁয়ার ভালোবাসা। ছোঁয়ার ভাবনার মাঝে ছোঁয়ার শ্বাশুড়ি মা বলে উঠল,

“আমার জন্য তোমার এ অবস্থা। আমি যদি বিয়ের জন্য বাড়াবাড়ি না করতাম তাহলে তোমার জীবনে ঘন অন্ধকার নেমে আসত না৷ তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও৷ নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করো।”

ছোঁয়ার শ্বাশুড়ির হাত ধরে বলল,

“না মা! এভাবে আমার কাছে ক্ষমা চাইবেন না৷ আমারও ভীষণ কষ্ট হয় আপনাকে দেখে৷ এখানে আপনার কোন দোষ নেই৷ আপনি যদি জানতেন আপনার ছেলে অন্য মেয়েকে ভালোবাসে তাহলে আমাকে আপনার ছেলের বউ বানিয়ে নিয়ে আসতেন না৷ আপনার ছেলে ভালোবাসা হারানোর ভয়ে তার ভালোবাসার কথা বলতে পারেনি৷ সে আপনাদের সম্মান রাখার জন্যই বিয়েটা করেছে৷”

ছোঁয়া কথা বলার সময় কথাগুলো আটকে আসছিল৷ সে আপনাদের জন্য জীবনের থেকে মূল্য ভালোবাসা হারিয়ে ফেলেছে৷ পরিবারের দিকে তাকিয়ে ঋষির সাথে পালিয়ে যেতে রাজি হয়নি৷ ভেবেছি ঋষির ভালোবাসা নিয়ে আপনাদের বাসায় কাটিয়ে দিব। ছোঁয়ার শ্বাশুড়ি মা অপরাধী কন্ঠে বলল,

“আমার একটা কথা রাখবে? আমি তোমাকে এভাবে দেখতে পারছি না৷ আমি জানি তুমি অভিমান করে ভার্সিটিতে যাও না৷ আজ থেকে তুমি আমার সাথে অফিসে যাবে৷ তোমাকে অফিসের কাজ বুঝিয়ে দিব৷ কাজের মাঝে ব্যস্ত থাকলে তোমার মন ডিপ্রেশন মুক্ত হবে৷”

ছোঁয়া তার শ্বাশুড়ির দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসার চেষ্টা করলো। মিহি কন্ঠে বলল,

“আমি তৈরি হয়ে আসছি৷ আমাকে দুই মিনিট সময় দেন৷ আমারও বাসায় থাকতে ভালো লাগে না৷”

ছোঁয়া তার শ্বাশুড়ি ও তার ননদ অজান্তার সাথে অফিসে যায়৷ ছোঁয়ার শ্বাশুড়ি মা ছোঁয়ার জন্য আগে থেকেই আলাদা একটা কেবিন তৈরি করে রেখেছে৷ ছোঁয়া নিজের কেবিনে বসে নিজের কাজ বুঝিয়ে নিল৷ ছোঁয়াকে ফ্যাশন ডিজাইনের কাজ দেওয়া হয়েছে৷ সবাই তার কাছে ডিজাইন জমা দিবে৷ ছোঁয়া নতুন কাজে খুব খুশি। অজান্তা ছোঁয়াকে একে একে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে৷ ছোঁয়ার দৃষ্টি থেমে যায় সামনের বসা লোকটিকে দেখে৷ মুগ্ধ দৃষ্টিতে এক ধ্যানে তাকিয়ে আছে৷ বহুবছর পর চিরচেনা মুখটা দেখতে পেল। খুঁচা খুঁচা চাপা দাঁড়িতে মানুষটা একদম পারফেক্ট লাগছে৷ অজান্তা ছোঁয়াকে উদ্দেশ্য করে বলল,

“ছোঁয়া বউদি উনি হলেন ঋষি রাজ৷ আজই আমাদের অফিসে জয়েন্ট করেছে৷ তোমার কিছু দরকার পড়লে তুমি ঋষির কাছে সাহায্য চাইবে৷ তোমার সব কাছে ঋষি সাহায্য করবে৷”

ঋষির কর্ণধারে ছোঁয়া শব্দটা পৌঁছাতেই মনে শীতল হাওয়া বয়ে গেল৷ প্রাণপিয় প্রেয়সীর চাঁদমাখা মুখটা দেখে চকিত হয়ে তাকিয়ে আছে। বহু বছর পর দেখতে পেয়েছে মনে হচ্ছে৷ সে অন্য কারো মনে পড়তেই বুকটা মোচড় দিয়ে উঠল৷ টলমল চোখে বলল,

“শুভ সকাল ম্যাম৷”

ছোঁয়ার মুখে কোন কথা নেই৷ ছোঁয়া এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে ঋষির দিকে৷ ছোঁয়াকে সবুজ রঙের শাড়িতে খুব সুন্দর লাগছে৷ মুখে হালকা মেকআপ। দেখে মনে হচ্ছে জীবন থেকে সব রং চলে গেছে৷ এখনও তাকে অনেক মায়াবতী লাগছে৷ ঋষির কাছে স্বর্গের কোন রুপশরার থেকে ছোঁয়াকে ভালো লাগছে৷ অন্যের স্ত্রীর প্রতি নজর দেওয়া পাপ। সেজন্য ঋষি নিজের আঁখির দৃষ্টি অন্য দিকে ঘুরিয়ে নেয়৷ অজান্তা ছোঁয়াকে হালকা ধাক্কা দিয়ে বলল,

“চল বউদি৷ সবার সাথে পরিচয় হতে হবে৷ এখানে এভাবে দাঁড়িয়ে থাকলে পরিচয় হতে জীবন পার হয়ে যাবে৷ পরিচয় ভালো হলে কাজে উৎসাহ থাকে বেশি৷”

ঋষির চোখের সামনে দিয়ে চলে যাচ্ছে ছোঁয়া। ছোঁয়ার চোখে জল টলমল করছে৷ ঋষি মুগ্ধ দৃষ্টিতে ছোঁয়ার চলে যাওয়া দেখছে৷ ছোঁয়া নিজের কেবিনে এসে নিজেকে শান্ত করে৷ অজান্তা চলে আসতে নিলেই ছোঁয়া বলল,

“অজান্তা ঋষি রাজ এই কোম্পানিতে কতোদিন থেকে জব করে৷ তাকে দেখে তো মনে হচ্ছে না সে আজই এই অফিসে জয়েন্ট করেছে৷

ছোঁয়ার এমন প্রশ্নে অজান্তা সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকায়৷ মিহি কন্ঠ বলল,

“তুমি ঋষিকে আগে থেকে চিন! আজই আমাদের অফিসে জয়েন্ট করেছে৷ আজ প্রথম দিন এই অফিসে৷”

“না চিনি না৷ তবে আমাকে একটা কাজ করে দিতে হবে?”

“কি কাজ? কোন সমস্যা হলে আমাকে বা মাকে সাথে সাথে জানাবে৷ সব সমস্যা সমাধান করে দিব৷”

“তুমি ঋষি রাজের সাথে একটা চুক্তি করো। সে যেন ছয় মাস আগে জব ছেড়ে না দেয়৷”

“এটা কেমন কথা৷ এর থেকে ব্যাটার জব পেলে তো জব ছেলে দিবে৷ ছেড়ে দেওয়ার এক মাস আগে থেকেই জানাতে হবে৷”

“আমি যতদূর জানি ঋষি আগামীকাল থেকে আর অফিসে আসবে না৷ সেজন্য চুক্তি করতে হবে তার সাথে৷”

“কিন্তু কেন?”

“আস্তে আস্তে সব জানতে পারবে৷ একটু ধৈর্য ধরতে হবে৷”

প্রকৃতি দুই দিন থেকে ভার্সিটিতে যাচ্ছে না৷ কারো চোখে না পড়লেও পুষ্প স্যারের চোখে পড়েছে৷ প্রকৃতির বান্ধবী তিথি অর্পির কাছ থেকে তেমন কিছু জানতে পারেনি৷ সেদিনের ব্যবহারের জন্য পুষ্প স্যার খুব লজ্জিত। প্রকৃতির ফোন বন্ধ থাকার ফলে প্রকৃতির সাথে যোগাযোগ করতে পারছে না৷ পুষ্প স্যারের কানে শুধু প্রকৃতির একটা কথাই কানে বাজে যাচ্ছে, ‘বুকের সাহস থাকলে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আমাদের বাসায় আসবেন৷’

সন্ধ্যায় প্রকৃতি বাসার ছাঁদে আনমনে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে৷ মনটা ভীষণ খারাপ৷ মনে পড়ছে খুব ছোঁয়া, তিথি, অর্পিকে৷ মনে হচ্ছে কতোদিন হয়ে গেল তাদের দেখিনা৷ কাছে থাকলে সহ্য করতে পারে না দূরে গেলে বিরহে কাতর হয়ে পড়ে৷ এজন্য এর নাম দেওয়া হয়েছে বন্ধু। ছাঁদ থেকে নিচে তাকাতেই প্রকৃতির সব চিন্তা উঁড়ে যায়৷ পুষ্প স্যার আর অর্পন এক সাথে প্রকৃতিদের বাসায় ঢুকছে৷ সাথে দুইজন মহিলা একজন মধ্যবয়স্ক লোক৷ সেদিনের কথা মনে পড়তেই প্রকৃতি দৌড়ে নিচে নামে৷ রুমের দ্বার বন্ধ করে চিন্তা করতে থাকে৷ ‘পুষ্প স্যার বিয়ে করতে আসেনি তো৷ ইশ কি লজ্জা! আমার ক্রাশ আমাকে বিয়ে করতে আসছে৷ আমি ভার্সিটিতে যায়নি তার জন্য আসেনি তো৷ না ভার্সিটির জন্য আসেনি৷ ভার্সিটির জন্য আসলে দিনের বেলা আসতো৷ সন্ধ্যার সময় আসার কোন কারণ নেই৷’

পুষ্প স্যার আর ঋষির প্রাণপ্রিয় বন্ধু অর্পন হলো মামাতো ফুপাতো ভাই৷ পুষ্প স্যার, পুষ্প স্যারের মা বাবা আর অর্পনের মা এসেছে৷ তাদের সামনে বসে আছে ঋষির বাবা৷ ঋষিকে ফোন করা হয়েছে সে যত তাড়াতাড়ি পারে যেন বাড়ি ফিরে আসে৷ পুষ্প স্যারের বাবা বললেন,

“আমি ঘুরিয়ে কথা বলতো পছন্দ করিনা৷ আমরা এখানে প্রকৃতিকে পুষ্পের জন্য নিতে এসেছি৷ প্রকৃতিকে আমাদের খুব পছন্দ। আপনি যদি রাজি থাকেন আমরা এ বিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব৷”

ঋষির বাবা হঠাৎ এমন প্রশ্নে ঘাবড়ে যায়৷ কি জবাব দিবে বুঝতে পারছে না? ঋষির বাবার জবাব না নিয়ে অর্পণের মা বলল,

“যদি ছেলে মেয়ে রাজি থাকে তাহলে বিয়েতে মত দেওয়া ভালো৷ বরং প্রকৃতি আর পুষ্পকে আলাদাভাবে কথা বলতে দেওয়া হোক৷ পুষ্প, প্রকৃতি দু’জন দু’জনকে খুব ভালো করে চিনে৷ আমি আশা করি প্রকৃতি এখানে অমত পোষণ করবে না৷”

প্রকৃতি বাবা হালকা কাশি দেয়৷ ঋষির মায়ের দিকে তাকাতেই তিনি চোখের ইশারায় নিজের মত পোষণ করেন৷ যার অর্থ হলো তিনি এই বিয়েতে রাজি৷ সংসারের ছোটখাটো সিদ্ধান্ত থেকে যত বড়ই সিদ্ধান্ত হোক না কেন স্বামী স্ত্রী এক সাথে সিদ্ধান্ত নিলে জয় নিশ্চিত। ঋষির বাবা পুষ্প স্যারের দিকে তাকিয়ে,

“আমি কিছুই বলতে পারব না৷ আমার কাছে আমার ছেলে মেয়ের সিদ্ধান্ত আগে৷ তাদের জীবনের সিদ্ধান্ত তারাদেরই বরং মতামত দেওয়া প্রয়োজন। আমি আমার মেয়ের উপর কিছু চাপিয়ে দিতে পারব না৷”

ঋষির মা প্রকৃতিকে ডেকে নিচে নিয়ে আসে৷ কোন সাজ নেই৷ বাসায় যেমন থাকে ঠিক তেমনই ভাবেই নিয়ে আসে৷ প্রকৃতির পাশে দাঁড়িয়ে বলল,

“তোমরা বরং আলাদা কথা বলে তোমাদের সিদ্ধান্ত জানাও৷”

প্রকৃতি পুষ্প স্যারকে নিজের রুমে নিয়ে আসে৷ পুষ্প স্যার প্রকৃতির রুম অপলক দৃষ্টিতে একবার পর্যবেক্ষণ করে নেন৷ প্রকৃতি ক্ষোভ নিয়ে বলল,

“পারব না আমি এই বিয়ে করতে৷ আপনি এই বিয়ে ভেঙে দেন৷ আমি কখনও আপনাকে স্বামী হিসেবে মেনে নিব না৷ আপনাকে বিয়ে করলে সবাই বলবে আমি আপনাকে শাস্তি দিতে গিয়ে আপনার গলায় ঝুলে পড়েছি৷”

“ওকে আমি এই বিয়ে ভেঙে দিচ্ছি৷ তার আগে বল ভার্সিটিতে যাওনি কেন? তুমি ছাড়া তোমার ফ্রেন্ড অর্পি, তিথি ক্লাস করছে৷ তাছাড়া তোমাকে ফোনেও পাওয়া যাচ্ছে না৷

“এটা আমার বাড়ি৷ এখানে আমি লেখাপড়া নিয়ে কোন কথা বলতে চাইনা৷ আর হ্যাঁ কোন সংবিধানে লেখা আছে রেগুলার ভার্সিটি যেতে হবে৷ আমার জন্য চিন্তা হয়৷ আমাকে ফোনে পেলে ফোনে আমার সাথে প্রেম আলাপ করতেন৷”

“এটা জানা আছে ভার্সিটিতে ৭৫% উপস্থিতি থাকতে হবে৷ আর ফোনে কাউকে পেলে প্রেম আলাপ করব এটা তোমাকে কে বলল?”

“সে নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না৷ আমারটা আমি বুঝে নিব৷” বিরবির করে বলল,

“আমি না করে দিলাম আর উনি তা মেনে নিল৷ ভার্সিটিতে যেকোন বিষয়ে না করলে হ্যাঁ পরিণত করে। এখানে সাধু হওয়ার চেষ্টা করছে৷”

“আমাকে কিছু বললে?”

“আপনি কিছু শুনতে পেয়েছেন৷ আপনি বলবেন আমি এই বিয়ে করব না৷”

পুষ্প স্যার প্রকৃতির কথা মাথা নাড়িয়ে সম্মতি দেয়৷ সরু চোখে তাকিয়ে রুম থেকে চলে আসে৷ পুষ্প স্যারের পিছন পিছন প্রকৃতিও আসে৷ পুষ্প স্যার সকলের উদ্দেশ্যে বলল,

“আমি এবং প্রকৃতি দুজনেই এই বিয়েতে রাজি। প্রকৃতির কোন দ্বিমত পোষণ করিনি৷ প্রকৃতির ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে পুষ্প স্যারের দিকে৷ পুষ্প স্যার প্রকৃতির কানের ফিসফিস করে বলল,

“দেখার জন্য বাকি রাখো কিছু। বিয়ের দিন তারিখ আজই ঠিক হয়ে গেছে৷ যতটুকু বাকি থাকবে বাসর ঘরে দেখে নিবে৷”

অজান্তা নিজের প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ঋষিকে দিয়ে সব কাজ করিয়ে নিচ্ছে৷ ঋষিও মনের সুখে সব কাজ করে যাচ্ছে৷ ঋষি যদিও বুঝাতে পারছে অজান্তার এসব করছে নিজর জিত থেকে৷ তবুও ঋষি কিছু বলে না৷ শুধু একটা নজর ছোঁয়াকে দেখার জন্য৷ কঠোর পরিশ্রম করছে৷ কাজ দ্বারা না হয় ছোঁয়ার মনে অল্প জায়গায় থাকবে৷ এখানে যদি কাজ না করি তাহলে ছোঁয়া আমাকে ভুল বুঝবে৷ সে নিজের লাইফে এগিয়ে যেতে পারবে না৷ ছোঁয়াকে জীবনে এগিয়ে দেওয়ার জন্য ঋষি কঠোর পরিশ্রম করে৷ অজান্তা ঋষির কাজে খুবই খুশী। অজান্তা ধীরে ধীরে ঋষির প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে৷

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ