Friday, June 5, 2026







আমার মুগ্ধতায় তুমি পর্ব-১০

#আমার_মুগ্ধতায়_তুমি
#পর্বঃ১০
#লেখকঃআয়ান_আহম্মেদ_শুভ
*অর্শি দেখতে পেলো আয়াদ তার রুমের মধ্যে বসে বসে ড্রিংক করছে। অর্শি এর আগে কখনও আয়াদকে নেশা করতে দেখেনি। তাই প্রথমবার আয়াদকে এই অবস্থায় দেখে একটু চমকে যায় অর্শি। অর্শি দরজার নিকট দাঁড়িয়ে ভাবছে আপন মনে “আয়াদ ভাইয়া নেশা কেনো করে? এর আগে তো কখনও তাকে এমন অবস্থায় দেখি নাই আমি! কি এমন কষ্ট আয়াদ ভাইয়ের? তার কারনে এই নেশা হঠাৎ করে তার আপন হয়ে গেলো”? অর্শি আপন মনে ভাবছে কথা গুলো। একটা মানুষকে এতো কাছ থেকে দেখার পরেও ঠিক চিনতে পারলো না অর্শি। আয়াদ ড্রিংক করা শেষ করতেই দরজার দিকে চোখ পরলো তার। আয়াদের চোখের সামনে অর্শির ছবিটা দেখতে পেয়ে আয়াদ একটু বেসুরো কন্ঠে বলে উঠলো

— কিরে এখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আমাকে পাহারা দিচ্ছিস নাকি?

আয়াদের কন্ঠেস্বর অর্শির কানে পৌচ্ছোতেই অর্শি একটু হকচকিয়ে উঠলো। সামান্য অপ্রস্তুত হয়ে অর্শি বলতে লাগলো

— না না। কাউকে পাহারা কেনো দিবো আমি? এমনি দাঁড়িয়ে আছি।

— ওহহ।

আয়াদ বসা থেকে উঠে ব্যল্কনির দিকে চলে যায়। ব্যল্কনি থেকে সাগরের দৃশ্যটা স্পষ্ট। আয়াদ ঐ সাগরের দিকে তাকিয়ে নিজের মনের কিছু অব্যক্ত অভিব্যক্তি প্রকাশ করছে। মানব জীবন অদ্ভুত। আর অদ্ভুত তার প্রতিটি মোড়। আয়াদ পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে ঠোঁটের কোনে গুজে দিলো। লাইটার টা অন করতেই অর্শির কন্ঠ শুনতে পেলো সে। অর্শি তার পিছনে দাঁড়িয়ে একটু গভীর কন্ঠে বলল

— কবে থেকে নিকোটিনের ধোঁয়া আর এই মদের নেশা শুরু করেছেন?

আয়াদ মুখ ঘুরিয়ে অর্শির দিকে না তাকিয়ে ঠোঁটের কোণ থেকে সিগারেটটা নামিয়ে একটা বাঁকা হাসি দিয়ে অর্শিকে উদ্দেশ্য করে বলল

— যবে থেকে নিজের জীবন নিজের মতো করে বাঁচতে শুরু করেছি‌। তবে থেকে এই নিকোটিন আর মদ আমাকে সামলাতে শুরু করেছে।

— কি হয়েছে আমায় কি বলা যাবে?

— উহু, হাসিটা আমার সবার জন্য আর কষ্ট বলি বা বেদনা সেটা একান্তই নিজের ব্যক্তিগত।

অর্শি আর কিছু বলার সাহস করে উঠতে পারলো না। এতোটুকু অর্শির কাছে স্পষ্ট যে আজ তার সামনে এক ভিন্ন আয়াদ দাড়িয়ে আছে। এই আয়াদের সাথে পূর্বের আয়াদের বিন্দুমাত্র মিল খুঁজে পাওয়া যাবে না। অর্শি কিছু সময় দাঁড়িয়ে থেকে মুখটা মলিন করে আয়াদের রুমের থেকে বেরিয়ে যায়।

— হ্যালো অর্শি কেমন আছো?

করিডোর থেকে নিজের রুমে যাওয়ার আগ মুহূর্তে হঠাৎ করে অর্শি শুনতে পায় তাকে কেউ ডাকছে। আনমনে অর্শি কথাটাকে পাত্তা না দিয়ে নিজের রুমের মধ্যে প্রবেশ করার পূর্বে আবারও অর্শি শুনতে পায়

— কি হলো? জবাব দিলে না যে?

অর্শির মুখ ঘুরিয়ে পিছন ফিরে তাকাতেই দেখতে পেলো ভার্সিটির সেই ছেলেটি তার সামনে। অর্শি একটু অবাক হয়ে যায় রিহানের উপস্থিততে। রিহান হলো অর্শির ক্লাসমেট। এই রিহান খুব ভালো একটা ছেলে। ভার্সিটির প্রথম দিন থেকে অর্শির প্রতি একটু বেশিই দূর্বল সে। তবে কখনও অর্শিকে কিছু বলল সাহস করেনি। কারনটা হলো আয়াদ। ভার্সিটির মধ্যে হোক বা বাহিরে অর্শির দিকে যে তাকায় তাকে আয়াদ খুব ভালোবেসে সাজা দিয়ে থাকে। আয়াদ আর রিহানের মধ্যে তফাত হলো রিহান ভদ্র ছেলে। আর আয়াদ হলো অসভ্য। যদিও সবার কাছে আয়াদ ভালো ছেলে হলেও অর্শির কাছে সে বরাবরই খারাপ। রিহানকে দেখে অর্শি একটু অবাক হয়ে বলে উঠলো

— তুমি এখানে? হঠাৎ! বেড়াতে এসেছো বুঝি?

— উহু, আমি শুনেছি তোমরা সবাই চট্টগ্রামে এসেছো। তাই ভাবলাম আমিও চলে আসি‌। এক সাথে ঘুরতে যাওয়া যাবে। আর সময় ও কাটবে।

— ওহহহ। আচ্ছা তো সবার সাথে দেখা করে যাও।

— না না। একটু আগেই আসলাম। এখন ফ্রেশ হয়ে একটু রেস্ট করবো। তারপর আসবো। আর তাছাড়া যার সাথে দেখা করার ছিলো তাকে তো দেখে নিলাম। বাকিদের পরে দেখা যাবে।

রিহানের কথাটা অর্শির ভিশন অবাক লাগে। যাকে দেখার মানে কি? অর্শি রিহানকে উদ্দেশ্য করে কৌতুহলী হয়ে বলে উঠলো

— মানে? যার সাথে দেখা করার ছিলো মানে কি?

— না মানে হলো একজনের সাথে দেখা করার ছিলো। তো এসেই তার দেখা পেয়ে গেছি। এখন একটু রেস্ট করতে চাই।

— ওহহহ। আচ্ছা আসছি আমি।

অর্শি কথাটা শেষ করতেই নিজের রুমে চলে যায়। আয়াদের কথা গুলো ভাবিয়ে তুলেছে তাকে। “ছেলেটা কি এমন কারনে নিজের জীবনটা নষ্ট করেছে? জানতেই হবে আমাকে”।

* সকাল হতেই আয়াদ নিজের ব্যাগ পত্র গুছিয়ে নিতে লাগলো। আজ চলে যাবে সবাই। অর্শিও নিজের সব কিছু গুছিয়ে নিলো।

— মিলি তোর হলো? ট্রেন ছেড়ে দিবে তো। তারাতাড়ি কর।

— হুম এই তো শেষ।

অর্শি মিলি রেডি। অনু রেডি হয়ে আয়াদের রুমের দিকে চলে যায়। আয়াদ রেডি হয়েছে কি না তা দেখার জন্য। অনু আয়াদের রুমে আসতেই দেখতে পায় আয়াদ একদম রেডি। অনু দরজার ওপারে দাঁড়িয়ে আয়াদকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো

— আয়াদ ভাইয়া আপনি রেডি হয়ে গেছেন?

দরজার দিকে তাকিয়ে আয়াদ অনুকে দেখতে পেয়ে একটু বিরক্ত হলো। আসলে এই মেয়ে কেনো যে আয়াদের পিছনে পরে‌ থাকে আয়াদের মাথায় আসে না। অনুর বদলে অর্শি আসলে কি হতো? আয়াদ ঠোঁটের কোণে একটা মিছক হাসির রেখা টেনে বলতে লাগলো

— হ্যাঁ, আমি রেডি। তোমরা রেডি তো?

— জ্বি ভাইয়া। আচ্ছা আপনি আসুন কেমন। আমি যাই রিহানের সাথে দেখা করে আসি।

— রিহান এখানে এসেছে?

ভ্রূকুচকে একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো আয়াদ।

— জ্বি ভাইয়া‌। শুনেছি কাল রাতেই এখানে এসেছে।

— ওহহহ। আচ্ছা দেখা করে এসো।

* অনু আয়াদের রুমে থেকে বেরিয়ে চলে যায় অর্শির রুমের দিকে। অর্শি, মিলি, ফারজানা, অনু সবাই মিলে চলে যায় রিহানের সাথে দেখা করতে। রিহানের রুমের সামনে আসতেই দেখতে পেলো সবাই রিহানের রুমের দরজা খোলা। অনু দরজায় নক করে একটু চেঁচিয়ে বলতে লাগলো

— ভিতরে আসবো?

প্রচন্ড ব্যাথা মাখা কন্ঠে ভিতর থেকে রিহান বলতে লাগলো

— হ্যাঁ আসো।

সবাই ভিতরে আসতেই ভিশন অবাক হয়ে যায়। অর্শি চোখ জোড়া ছানা বড়া করে বলে উঠলো

— একি রিহান তোমার একি হাল হয়েছে? কে কেলালো তোমায়?

রিহান বিছানার উপর পরে আছে। পুরো শরীরে আঘাতের ক্ষত। হঠাৎ করে রিহানাকে এমন অবস্থায় দেখবে আশা করেনি কেউ। রিহান সবাইকে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলো

— না না। কেউ মারবে কেনো? আমি ওয়াসরুমে স্লিপ করে পরে গেছিলাম। তাই আরকি….!

— ওয়াসরুমে পরে গিয়ে এই অবস্থা? কেনো জানি অবিশ্বাস্য লাগছে ব্যাপারটা।

কৌতুহল পূর্ণ কন্ঠে বলল অর্শি।

— ঐ আরকি একটু অসাবধানতায় পরে গেছি।

— ওহহ। আচ্ছা আমরা চলে যাচ্ছি। নিজের কেয়ার করো কেমন।

অর্শি তার বান্ধবীদের নিয়ে রিহানের রুম থেকে চলে যায়। ট্রেনে বসে সবাই রিহানের বিষয় কথা বলছে। অর্শি কিছু বলছে না‌। আয়াদের দিকে তাকিয়ে ভেবে চলেছে আয়াদ কেনো এমন করছে? আয়াদ ও নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে। কোনো কথা বলছে না।

* বাড়ি আসতেই আয়াদ নিজের রুমে হনহন করে চলে যায়। অর্শি বাড়ির মধ্যে এসে একটু অবাক হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। আয়াদ রিতিমত তাকে উপেক্ষা করছে? কিন্তু কেনো? কি করেছে সে? অর্শি আয়াদের মা বাবার সাথে কথা বলে নিজের রুমে চলে যায়। ফ্রেশ হয়ে এসে অর্শি আপন মনে ভাবতে থাকে আয়াদের কথা। অর্শি ভাবছে “আয়াদ হয়তো তাকে ঐ গোসল করার ব্যাপারটার জন্য এমন উপেক্ষা করে চলছে। কিন্তু আমি তো ওর থেকে ক্ষমা চাইতেই গিয়েছি। আমার এটার সাথে ওর নেশা করার কি সম্পর্ক আছে”? এখন আয়াদ ভাইয়ার রুমে যাওয়া ও যাবে না। এখন আয়াদ ভাইয়াকে কিছু জিজ্ঞেস করলে উনি চিৎকার চেঁচামেচি করে সবাইকে জানিয়ে দিবে। রাতে দেখি ওনার থেকে সত্যি টা জানতে পারি কি না”! অর্শি কিছুই মাথায় নিতে পারছে না।

রাত হয়ে আ এসেছে। অর্শি নিজের রুমেই বসে আছে। হঠাৎ করে অর্শি দেখতে পেলো কোনো এক লোক তার রুমের সামনে দিয়ে বেশ দ্রুত গতিতে ছুটে বেরিয়ে যায়। অর্শি একটু ভয় পেয়ে যায়। এমনিতেই সবাই নিজের‌ রুমে আছে। মা বাবা এমনকি আয়াদ ভাইয়া হলেও তো আমায় ডাকবে। কখনও চোরের মতো পালিয়ে যাবে না‌। অর্শি নিজূর রুম থেকে পা টিপে টিপে বেরিয়ে আয়াদের রুমের দিকে এগিয়ে যায়। লোকটা এই দিকেই গিয়েছে। অর্শি আয়াদের রুমের জানালার কাছে যেতেই বেশ অবাক হয়ে যায়। অর্শি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছে না। অর্শি দেখতে পেলো…………………

#চলবে……………………

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ