Friday, June 5, 2026







বর্ষণ মুখর দিন পর্ব-০৫

#গল্পঃবর্ষণ_মুখর_দিন
#লেখিকাঃজিন্নাত_চৌধুরী_হাবিবা
#পর্ব_০৫

দিনটা শুক্রবার।তাই সবাই আজ বাড়িতে আছে।বিকালে ড্রইংরুমে সোফায় বসে তুহিন আর জারা ঝগড়া করছে টিভির রিমোট নিয়ে।ওদের ঝগড়া দেখলে মনে হবে দুজনই পিঠাপিঠি ভাই-বোন।রাজিয়া বেগম রান্নাঘরে পাকোড়া বানাচ্ছেন সবার জন্য।তাসিনের বাবা এক কাপ চায়ের আশায় টাক মাথায় হাত দিয়ে রান্নাঘরের দিকে চেয়ে আছেন।এই বুঝি রাজিয়া বেগম খুন্তি হাতে নিয়ে উনার উপর হামলে পড়বেন।কলিংবেলের শব্দে তাসিন উঠে গেলো দরজা খুলতে।জারা বা তুহিন দুজনের একজন ও এখন দরজা খুলবেনা ওরা মারামারি নিয়া ব্যস্ত।একজন আরেকজনের চুল ধরে টানছে।

দরজা খুলে দিয়ে রাহির ভাইয়ের সাথে একজন যুবক আর দুজন মধ্যবয়স্ক মানুষকে দেখে তাসিন অবাক হয়ে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকে।রাহির ভাই রাজ বলল,কি ব্যাপার দরজা ধরে দাঁড়িয়ে থাকবেন নাকি বাসার ভেতরেও যেতে দিবেন।তাসিন দরজা থেকে সরে দাঁড়াতেই রাজ তার সাথে আগত ব্যক্তিদের নিয়ে ভেতরে ঢুকে।
রাজিয়া বেগম খুন্তি হাতে নিয়ে রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এলেন কে এসেছে দেখতে।রাজকে দেখে উনি ব্যস্ত হয়ে পড়লেন তাদের আপ্যায়নে।শত হোক ছেলের হবু বউয়ের ভাই বলে কথা।তাসিন গিয়ে জারা আর তুহিনকে থামাতেই জারা মাথায় ওড়না নিয়ে অবাক হয়ে বলল,স্যার আপনারা?আন্টি আপনি?আমাদের বাসায়?

মিসেস রেনু জারাকে দেখে নিজেও অবাক হয়ে যায়।উনি রাজকে দেখিয়ে বলল,ওইতো আমাদেরকে এখানে নিয়ে এসেছে।নিয়াজ জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে রাজের দিকে তাকিয়ে আছে।নিয়াজের জন্য মেয়ে দেখানোর কথা বলে জারার বাসায় কেনো নিয়ে এসেছে?
মিসেস রেনু জারার মাথায় হাত রেখে বলল,তা মারামারি করছো কেনো ভাইয়ের সাথে?
জারা লজ্জায় মাথা নিচু করে নেয়।আড়চোখে একবার তুহিনকে শাসিয়ে নেয়।তুহিন ভেংচি কেটে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।

রাজ রাজিয়া বেগমকে থামিয়ে দিয়ে বলল,আন্টি আপনি এত ব্যস্ত হবেন না।আগে আমার কথা শুনুন।রাজিয়া বেগম হাতের খুন্তি রেখে রাজের কথায় মনযোগ দিলো।জারা মিসেস রেনুর সাথে হেসে হেসে কথা বলছে।নিয়াজ সোফায় বসে আড়চোখে জারাকে দেখছে।কি স্নিগ্ধ সেই হাসি।
রাজিয়া বেগম,তাসিন,তাসিনের বাবাকে আলাদা করে রাজ বলল,উনারা জারাকে দেখতে এসেছেন।নিয়াজের দিকে ইশারায় দেখিয়ে বলল,এটা পাত্র আমার বন্ধু হয়।বাবা ছেলে দুজনই জারার অফিসের বস।দুঃখিত আন্টি আপনাদের না জানিয়েই আমি উনাদেরকে নিয়ে এসেছি।

তাসিন কপালে ভাঁজ ফেলে বিজ্ঞদের মতো বলল,জারা কি এখন বিয়ে করতে রাজি হবে?তাছাড়া খালা-খালু থেকেও তো তাদের মতামত নিতে হবে।রাজিয়ে বেগম তাসিনকে থামিয়ে দিয়ে বললেন,তুই চুপ থাক।তোর খালার সাথে আমার কথা হয়েছে।জারার জন্য ওর বাবা আবারো ছেলে দেখছে।কায়া আর জারা দুজনের একসাথে বিয়ে দিবে।
মায়ের ধমকে তাসিন চুপসে গেছে।কথাটা একটু স্বাভাবিক ভাবেও বলা যেতো।তা না করে হবু সালাবাবুর সামনে ইনসাল্ট করে দিলো বেচারাকে।তাসিনের একটু খানি মুখ দেখে রাজের খুব হাসি পাচ্ছে।কিন্তু এখন সিরিয়াস মুহূর্তে হাসাটা বোকামি ছাড়া কিছুই নয়।

রাজিয়া বেগম জারাকে ডেকে বললেন গায়ের জামাটা চেঞ্জ করে একটা নতুন জামা পড়ে আসতে।জারা ভ্রু কুচকে বলল কিন্তু এই জামায় সমস্যা কোথায় খালা?এটাকি ছেড়া?এই জামাটা নামিয়েছি মাসখানেক ও তো হলো না।রাজিয়া বেগম চোখ পাকিয়ে বললেন,তোকে এতকথা বলতে বলেছি আমি?যেটা বলেছি সেটা কর গিয়ে এই জামাটা পাল্টে আয়।খালার কথামতো জারা গেলো জামা পাল্টাতে।
নিয়াজের বাবা মিসেস রেনুর কানে কি যেন বললেন।মিসেস রেনু কপট রাগ দেখিয়ে বললেন,তোমারই ছেলে তাই তুমি আগ থেকেই সব জেনে বসে আছো।আমিতো আর ওর মা না তোমাদের বাসার কাজের বেটি তাই আমি কিছুই জানিনা।জারাকে তো আমি আগে থেকেই চিনি।যেদিন গ্রাম থেকে এসেছিলাম সেদিন বাসস্ট্যান্ডে ওর সাথে আমার দেখা হয়েছিলো।
নিয়াজ চোখ দিয়ে রাজকে ভস্ম করে দিচ্ছে।ওকে জারার বাসায় কেনো নিয়ে এসেছে সেটাই মাথায় ধরছেনা।
নিয়াজের দৃষ্টি লক্ষ্য করে রাজ সবার উদ্দেশ্য বলল,এক্সকিউজ মি!আমি আর নিয়াজ একটু আসছি।নিয়াজ রাজের সাথে উঠে বাসার বাইরে চলে গেছে।তাসিনের বাবা নিয়াজের বাবা মায়ের সাথে কথা বলছেন।

নিয়াজ রাজকে টেনে হিঁচড়ে প্রচন্ড রেগে গিয়ে বলল,তুই আমাকে জারার বাসায় কেনো নিয়ে এসেছিস?আমি চাইনা এখানে জারার সংসারে কোনো অশান্তি হোক।
রাজ নিয়াজের ঘাড়ে হাত রেখে সিরিয়াস হয়ে বলল,জারার জামাই মারা গেছে।তুইতো জারাকে ভালোবাসিস।তাই তোকে জারার বাসায় নিয়ে আসলাম।এখন তুই বিয়ে করবিনা জারাকে?
রাজের কথায় নিয়াজের মাথায় যেন কেউ আকাশ ভেঙে ফেলেছে।জারার হাজবেন্ড মারা গেছে মানে কি?কিছুদিনই তো হলো জারার বিয়ে হয়েছে।
নিয়াজের দিকে তাকিয়ে দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে রাজ বলল,কিরে করবি না বিয়ে জারাকে?
নিয়াজ নিজেকে স্বাভাবিক করে বলল,আমি নিজের ভালোবাসার মানুষকে পাবো এর চেয়ে খুশির খবর আর কি হতে পারে?তুই আজই বিয়ের ব্যবস্থা কর।আমি চাইনা জারা আর কষ্ট পাক।ওর জীবনের সকল দুঃখ মুছে দেবো আমি।ওর ওপর কোনো কষ্টের আঁচ আমি পড়তে দেবোনা।
রাজ নিয়াজের পিঠে চাপড় মেরে বলল,বেডা থাম তুই।একেবারে আজই বিয়ের জন্য লাফিয়ে উঠেছে।
শুন সেদিন জারার বিয়ে হয়নি।ছেলে বউ রেখে জারাকে বিয়ে করতে এসেছে।তাই জারা সেদিন বিয়ে ভেঙে দিয়েছে।আমি প্রথম থেকেই সব কিছু জানতাম।রাহি আমাকে বলেছে কিন্তু তোর দেবদাস ওয়ালা লুক দেখতে আমার সেই আনন্দ হতো তাই এতদিন তোকে কিছু জানাইনি।জারাকে তোর অফিসে প্ল্যান করে আমিই পাঠিয়েছি।আঙ্কেল সবকিছুই জানে।আমি আর আঙ্কেল প্ল্যান করে সবকিছু এতদূর নিয়ে আসলাম।আমাদের এটা জানা জরুরি ছিলো জারার প্রতি তোর অনুভূতিটা কেমন।

রাজের মুখে সব শুনে নিয়াজ বোকা বনে গেলো।সিরিয়াসলি?ওর নিজের বাবা পর্যন্ত এই হারামি বন্ধুটার প্ল্যানে জড়িত।আর এতদিন জারার বিয়ে হয়ে গেছে বলে জারার কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলার চেষ্টা করতো।ও কখনো চাইতো না কোনোভাবে নিয়াজের অনুভূতি গুলো জারা বা ওর হাজবেন্ড জেনে গিয়ে জারার সংসারে অশান্তি হোক।নিয়াজ বরাবর চাইতো জারা ভালো থাকুক।নিয়াজ রাজকে এলোপাতাড়ি মারতে লাগলো।রাজ নিয়াজকে আটকানোর চেষ্টা করে বলল,ভাই তুই দেখি জারা আর তুহিনের মতো কোস্তাকুস্তি শুরু করেছিস।এই জন্যই বলে মানুষের ভালো করতে নেই।নিয়াজ থেমে গিয়ে রাজকে নিয়ে বাসার ভেতরে যায়।

জারা একটা কালো রঙের থ্রিপিস পড়ে সোজা খালার কাছে রান্নাঘরে গেলো।খালা নাস্তার ট্রে জারার হাতে ধরিয়ে দিয়ে নিজেও পিছু পিছু ড্রইংরুমে আসে।নিয়াজতো সবকিছু বাদ দিয়ে জারাকে দেখে চলেছে।মাথায় ওড়না দিয়ে রাখায় কেমন বউ বউ লাগছে।জারাকে খুটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছে আর মিটিমিটি হাসছে।রাজ বারবার নিয়াজকে খোঁচা দিচ্ছে কিন্তু নিয়াজের দৃষ্টি জারার উপর থেকে সরাতে পারছেনা।রাজ নিয়াজের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থেকে আনমনেই বলল,খাইচে এই ছেলে এখনই জারাকে চোখে করে নিয়ে যাচ্ছে বিয়েরপর নাজানি কি করবে।

নিয়াজের বাবা বললেন,আলহামদুলিল্লাহ মেয়ে আমাদের পছন্দ।এখন আপনারা একপা এগোলেই আমরা সামনের দিকে অগ্রসর হতে পারি।মিসেস রেনু জারার থুতনিতে হাত দিয়ে বলেন,এমন মিষ্টি মেয়ে কারো পছন্দ না হয়ে থাকতে পারে?
জারা কিছু বুঝতে না পেরে সবার মুখের দিকে তাকাচ্ছে।কারো কাছ থেকে উত্তর না পেয়ে এবার জিজ্ঞেস করেই ফেললো,কিসের পছন্দের কথা বলছেন আপনারা?
নিয়াজের বাবা মুচকি হেসে বললেন,সেটা নিয়াজের কাছ থেকেই জেনে নিও।তারপর রাজিয়া বেগমের দিকে তাকিয়ে বললেন,ওদের একটু আলাদা কথা বলার সুযোগ দিলে ভালো হয়।
অবশ্যই বলে রাজিয়া বেগম জারাকে বলল,যা নিয়াজকে তোর ঘরে নিয়ে যা।রাজিয়া বেগম এই কথা বলার দেরি নিয়াজের সোফা ছেড়ে দাঁড়িয়ে যেতে দেরি হয়না।জারা আগাগোড়া কিছু না বুঝেই নিয়াজের দিকে একবার তাকিয়ে নিজের ঘরের দিকে হাটা ধরলো।নিয়াজ জারার পিছু পিছু ওর ঘরে গেলো।
জারা টেবিলের সাথে হেলান দিয়ে দুহাত বুকের সাথে ভাঁজ করে বলল,এখানে কি হচ্ছে স্যার?আমিতো কিছুই বুঝতে পারছিনা।নিয়াজ জারার দিকে কিছুটা এগিয়ে যেতেই জারা হকচকিয়ে যায়।স্যার আপনি আমার কথার উত্তর না দিয়ে এগিয়ে আসছেন কেনো?নিয়াজ পা চালানো থামিয়ে দিয়ে ভাবলেশহীনভাবে বলল,তেমার আর আমার বিয়ের কথা চলছে।
ওহ আচ্ছা!কথাটা বোধগম্য হতেই জারা চোখ বড় করে চিৎকার করে বলে উঠে কিহ?
নিয়াজ মিটিমিটি হেসে চলেছে জারার রিয়াকশন দেখে।জারা হন্তদন্ত হয়ে বলে,কিন্তু আপনি কিছু বলেন নি?
নিয়াজ ভাবলেশহীনভাবে বলল,আমারতো রমনী পছন্দ হয়েছে তাহলে আমি কি বলবো?আমার বলা উচিত ছিলো আমি এখনই বিয়ে করবো।

নিয়াজের একের পর এক ব্যবহারে জারা অবাক হচ্ছে।অফিসের সবার কাছে শুনেছে এমনকি এই দুদিনে জারা নিজেও দেখেছে নিয়াজ কেমন গম্ভীর স্বভাবের মানুষ কিন্তু এখন মনে হচ্ছে মানুষটা আস্ত একটা ঠোঁট কাঁটা স্বভাবের।
স্যার আপনি এসব কি বলছেন?
নিয়াজ নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে বলল,বিয়ে করা প্রয়োজন সেটাই বলছি আরকি।
এবার জারার লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে।নাকমুখ কুচকে বলল,ছিঃ বেহায়া মানুষ।
নিয়াজ জারার দিকে এগিয়ে গিয়ে ওর কপালে নিজের ওষ্ঠদয়ের উষ্ণ ছোঁয়া দিয়ে মুচকি হেসে বলল,তোমার কাছে হাজারবার বেহায়া হতেও রাজি আছি।
নিয়াজের ছোঁয়া পেয়ে জারা কেঁপে উঠে।শিরদাঁড়া বেয়ে এক ঠান্ডা স্রোত বয়ে যায়।নিয়াজ যে এই মুহুর্তে এরকম একটা কাজ করবে সেটা জারার কল্পনাতীত ছিলো।জারার অবস্থা দেখে নিয়াজ হাসতে হাসতে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো।একটু ছোঁয়াতেই মেয়েটা জমে গেছে।

নিয়াজকে বেরিয়ে আসতে দেখে নিয়াজের মা বললেন,আজ তাহলে আসি।আপনারা আপনাদের মতামত জানিয়ে দিলে ভালো হয়।রাজিয়া বেগম হাসিমুখে বললেন,জারার বাবা মায়ের সাথে কথা বলেই আমরা আপনাদেরকে জানাবো।
জারা আর ঘর থেকেই বের হয়নি।ও শুধু হিসাব মিলিয়ে যাচ্ছে নিয়াজের ব্যবহার গুলোর এত পরিবর্তন কিভাবে?সবার সামনে একরকম আর সবার আড়ালে আস্ত একটা লুইচ্ছার ড্রাম।

সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ তাসিনের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লেন।উনাদের পরিচিত এলাকার ডাক্তার আনলে উনি চেকআপ করে বললেন,ভাইয়ের কত সমস্যা।উনাকে ডাক্তার না করে দিয়েছে চা খেতে।চা টা একটু কমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন।ডাক্তার চলে যেতেই রাজিয়া বেগম স্বামীর হাত ধরে ছলছল চোখে বললেন,তুমি শুনলেতো ডাক্তার কি বললো?চা খাওয়াটা বাদ দিয়ে দাও।বুঝতে পারছি তোমার আগের অভ্যাস।ছাড়াতে একটু বেগ পেতে হবে কিন্তু কমিয়েতো দিতে পারো।

তাসিনের বাবা আধো আধো চোখে চেয়ে বললেন,রাজিয়া এক কাপ চা হবে?
মুহূর্তেই রাজিয়া বেগমের অশ্রুভেজা চোখ জোড়া অগ্নিমূর্তির মতো হয়ে যায়।ঝাঁঝালো কন্ঠে বলে ওঠে,গরম চা এনে তোমার পাছায় ঢালবো।
মায়ের কথা শুনে তুহিন হেসে কুটিকুটি।জারা মুখ চেপে দাঁড়িয়ে আছে।তাসিন ও না পেরে ফিক করে হেসে দেয়।
রাজিয়া বেগম চোখ রাঙিয়ে বললেন,সবগুলা এখান থেকে যা।আর জারা সব নষ্টের গোড়া তুই।তুই যদি আর এই বুড়োকে চা দিয়েছিস তো তোর একদিন আর আমার যা কদিন লাগে।
#চলবে……।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ