Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"মনের আড়ালেমনের আড়ালে পর্ব-০৯ এবং শেষ পর্ব

মনের আড়ালে পর্ব-০৯ এবং শেষ পর্ব

#গল্পের_নাম_মনের_আড়ালে
#লেখনীতে_Alisha_Rahman_Fiza
পর্বঃ৯ অন্তিম পর্ব

অধরা ভাবলেশহীনভাবে বসে আছে সোফায় তার ঠিক পাশে বসে আছে রক্তিম রুপসাকে কোলে নিয়ে।অরুনা নানান ভাবে ছবি তুলছে এতে অধরা ভীষন বিরক্ত এতোটা আহ্লাদ না দেখালেই হতো দ্বিতীয় বিয়ের আংটি বদল এটা নিয়ে এতো মাতামাতি করার কিছু নেই।মনে মনে হাজারটা বকা অরুনাকে দিচ্ছে অধরা মুখ ফুটে কিছুই বলতে পারছে না প্রচুর মাথা ব্যাথা করছে কোন সময় যে এসব শেষ হবে।হঠাৎ রুপসা রক্তিমকে বলে উঠলো,
~পাপা এগুলো কেন হচ্ছে আর ম্যাম এতে সেজেছে কেন?
রুপসার কথায় রক্তিম অনেকটাই অস্বস্তিতে পরে যায় তা বুঝতে পেরে রক্তিমের মামা বললেন,
~দাদুমনি,আজ যে ম্যামের আংটি বদল তোমার পাপার সাথে।
রুপসা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে কারণ সে কিছুই বুঝে নি।তাই রক্তিমের মামা রুপসাকে কোলে নিয়ে বললেন,
~তোমার ম্যাম যে এখন তোমার মামণি হবে।
রুপসা অবাক হয়ে একবার রক্তিমের দিকে তাকালো অধরা উৎসুক দৃষ্টিতে রুপসার দিকে তাকিয়ে আছে।রুপসার নীরবতা দেখে অধরা আর রক্তিমের বুকে এক সাগর ভয় গ্রাস করলে তাহলে কী তারা কোনো ভুল করে ফেললো এই সিদ্ধান্তটা শুধু রুপসার জন্য নেওয়া সে যদি খুশি না হয় তাহলে এসবের কোনো মানে নেই।
রক্তিম অধরার দিকে তাকালো অধরার এমন করুন চাহনি দেখে সেও অনেক চিন্তায় পরে গেলো।রুপসা তার দাদার কোল থেকে নেমে গাল ফুলিয়ে অধরার সামনে দাড়ালো অধরা হাসার চেষ্টা করে রুপসার দিকে তার হাত বাড়িয়ে রুপসা মুখ ঘুরিয়ে অরুনার দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমাকে আগে কেন বলো তুমি?আর এই নরমাল ড্রেস পরে আমি পাপা আর মামণির আংটি
আর বলতে পারলো না রুপসা তার আগে অধরা তাকে ঝাপটে ধরে বললো,
~আরেকবার মামণি বলবি মা?
রক্তিম এ দৃশ্য দেখে হতবাক রুপসা এই বিয়েটা মেনে নিবে অধরাকে মামণি বলে ডাকবে তাদের একটা হ্যাপি ফ্যামিলি হবে।অধরার মা রুপসার মাথায় হাত বুলিয়ে বললো,
~নানু আমাদের ভুল হয়ে গেছে বিয়ের দিন তোমাকে অনেক সুন্দর ড্রেস পরাবো তোমাকে।
অধরা এখনও রুপসাকে জড়িয়ে ধরে আছে তার যেন বিশ্বাস হচ্ছে না রুপসা তাকে মামণি বলেছে।রক্তিমের মামা তার চোখের পানি মুছে রুপসাকে অধরার কাছ থেকে নিয়ে বললেন,
~এইবার আংটি বদল শুরু করা যাক।
সবাই সহমত পোষন করলো রক্তিম অধরাকে আংটি পরিয়ে দিলো অধরা রক্তিমকে।সবাই খুশি মনে সবটা করে নিলো বড়দের মতামতে বিয়ের দিন ধার্য করা হলো দুদিন পর।রুপসা এতে অনেক খুশি এরই মধ্যে রক্তিম বললো,
~বিয়েটা সিম্পেল ভাবে হলেই ভালো হয়।আসলে আমি কোনো ঝামেলা চাচ্ছি না।
রক্তিমের বলা শেষ হতেই অধরা বলে উঠলো,
~মিস্টার রক্তিম ঠিক বলেছেন আমিও এসব চাই না।
তাদের কথা মতোই সব ঠিক হলো কাজী এসে বিয়ে পরিয়ে যাবে।সব কথার পর অধরা রুমে চলে আসলো তারপর বিছানায় বসে কানের দুল খুলতে লাগলো তখনই কেউ দরজায় নক করে বললো,
~আসবো?
কন্ঠ শুনে অধরা বুঝলো রক্তিম এসেছে অধরা ধীর কন্ঠে বললো,
~জ্বী আসেন।
দরজা ঠেলে রক্তিম ঘরে চলে আসলো অধরা তার দিকে তাকালো।রক্তিম আমতা আমতা করে বললো,
~আসলে মামা বলেছে বিয়ের শপিং যাতে সবাই মিলে করা হোর তাই যদি আপনার পারমিশন হয় তাহলে আমরা কালকে শপিংয়ে যেতে পারি।
রক্তিমের এমন কথা শুনে অধরা একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো,
~রুপসা কী যেতে চায় আমাদের সাথে?
রক্তিম চোখ তুলে অধরার দিকে তাকালো আর বললো,
~হ্যাঁ
অধরা বললো,
~যেখানে আমার মেয়ে পারমিশন দিয়েছে সেখানে আমার পারমিশনের কোনো দরকার নেই।
অধরার কথা শুনে রক্তিমের মুচকি হেসে বললো,
~হ্যাঁ এখন তো মেয়ে আর মায়ের কথায় চলবে।
রক্তিমের দিকে তাকিয়ে অধরা বললো,
~মা আর মেয়ের ভিতরে কোনো কথা চলবে না আপনার।
রক্তিম হাসে মেয়ে তার মায়ের কথাই বলবে তা সে জানে একা হয়ে তাদের সাথে লড়তে রক্তিমের রক্ত পানি হবে তা সে বুঝে গেছে।

______________

রক্তিম রুপসাকে নিয়ে চলে গেছে অনেকক্ষন হলো অধরার এখন থেকেই অনেক একা একা লাগছে।শুধু অধরার না সবারই অনেক খারাপ লাগছে মেয়েটা বাড়ি পুরো মাতিয়ে রাখতো।এখন বাড়িটা পুরো ভুতূড়ে হয়ে আছে অধরা ফ্রেশ হয়ে চা নিয়ে দাড়িয়ে আছে বারান্দায় রুপসার সাথে কাটানো মুহূর্ত মনে করছে আর মুচকি মুচকি হাসছে।তখনই অধরার বাবা তার পাশে এসে দাড়ালো অধরা তার বাবাকে দেখে বললো,
~বাবা ঘুমাওনি তুমি এখনও?সারাদিন কতো কাজ করেছো তুমি।
অধরার বাবা মেয়ের কথা শুনে বললো,
~আগামীকাল থেকে আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পরবো তোর সাথে হয়তো মন খুলে আর কথা বলতে পারবো না।
বাবার এহেন কথার মানে অধরা বুঝলো তার বাবার যে কষ্ট হচ্ছে সে বুঝতে পারছে।অধরা তার বাবার দিকে তাকিয়ে বললো,
~বাবা তোমার যখন মন চাইবে আমার সাথে দেখা করতে চলে আসবে।
মেয়ের কথায় হেসে উঠে বললো,
~মেয়ের শশুড় বাড়ি রোজ যাওয়া যাবে নাকি?
অধরা বললো,
~যাওয়া যাবে।
বলেই অধরা তার বাবাকে জড়িয়ে ধরে হুহু করে কেঁদে উঠলো তার বাবা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললো,
~এইবার তোর জীবনে যাতে সুখের অভাব না হয়।
অধরা বাবাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে।তখনই পিছন থেকে অরুনা বলে উঠলো,
~বিয়ে আরো দুদিন পর হবে এখনই কান্না কেন শুরু করলে তোমরা?
অধরা তার বাবাকে ছেড়ে দিয়ে চোখ মুছে অরুনার কান ধরে বললো,
~তোরও এই দিন আসবে।তখন বুঝবি।
অরুনা বললো,
~হয়েছে আমি কেঁদে নিজের মেকআপ নষ্ট করবো না।
অরুনার কথায় অধরা আর অধরার বাবা উচ্চস্বরে হেসে উঠলো।
সকালে নাস্তার টেবিলে রুপসা বসে নিজ মনে খাচ্ছে আজ সে একদম good girl হয়ে থাকবে শপিং করতে যাবে আজ সবার সাথে।রক্তিম রুপসাকে দেখে অবাক এতো শান্তশিষ্ট রুপসা সে প্রথম দেখছে।রুপসা নাস্তা করে রক্তিমকে বললো,
~পাপা,আমি রেডি হতে যাচ্ছি শপিংয়ের জন্য।
বলেই নিজের রুমের দিকে চলে গেলো রক্তিম হা হয়ে তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে রইলো।
রক্তিম রুপসা আর রক্তিমের মামা এখন দাড়িয়ে আছে অধরার বাড়ির সামনে একটুপর সবাই নিচে নেমে আসলো অধরাও তাদের সাথে আছে রুপসা অধরাকে দেখে দৌড়ে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরলো।অধরা রুপসাকে কোলে নিয়ে এগিয়ে গেলো গাড়ির দিকে।
রক্তিম অধরা আর রুপসা এক গাড়িতে আর বাকিরা আরেক গাড়িতে আসছে।রুপসা আর অধরা নানান কথায় ব্যস্ত রক্তিম চুপচাপ তাদের কথা শুনছে আর ড্রাইভ করছে।
কিছুক্ষন পর তারা শপিং মলে পৌছে গেলো।তাদের কেনাকাটা শুরু করলো রুপসা অধরার জন্য শাড়ি পছন্দ করেছে।অধরা সেই শাড়ি খুশি খুশি নিয়েছে তার এই শাড়িই পছন্দ হয়েছে।
সব শপিং শেষে সবাই বাসার যাওয়ার জন্য রওনা দিলো।বাসায় পৌছাতে পৌছাতে রুপসা অধরার কোলেই ঘুমিয়ে পরলো।বাসার সামনে এসে অধরা রুপসাকে সীটে শুইয়ে দিলো তারপর রক্তিমের দিকে তাকিয়ে বললো,
~আমি আসি রুপসার খেয়াল রাখবেন।
বলেই সে যেই না গাড়ি থেকে নামতে যাবে তখনই রক্তিম বললো,
~তুমি যদি চাও তাহলে কালকে গিয়ে তোমার পছন্দের শাড়ি নিয়ে আসতে পারো।
অধরা বললো,
~আমার মেয়ে আমার জন্য যে শাড়ি পছন্দ করেছে তাই পরবো।
বলেই সে গাড়ি থেকে নেমে বাসার ভিতরে চলে গেলো।রক্তিম অধরার যাওয়ার পাণে তাকিয়ে শুধু মুচকি হাসলো তারপর গাড়ি স্টার্ট করলো।

_______________

দেখতে বিয়ের দিন চলে আসলো অধরাদের বাড়িতে বিয়ে সম্পন্ন হবে।তাই সেই বাসায় সব তোড়জোড় শুরু হয়েছে।বিয়ে রাতে হবে তাই ছাদে সব আয়েজন হবে অধরার চাচারা আর মামা আসবে রক্তিমের কিছু কাছের মানুষ আসবে।তাই সে হিসেবে সব আয়োজন অরুনা স্টেজ সাজিয়ে নিজের বোনের রুমের বাহিরে হলুদের বাটি নিয়ে দাড়িয়ে আছে।কিন্তু অধরা কোনো ক্রমেই হলুদ লাগাবে না তাই দরজা বন্ধ করে বসে আছে।অরুনা একাধারে দরজা ধাক্কাচ্ছে।অধরা আর না পেরে দরজা খুলে দিলো আর অরুনাকে একটা বড় ধমক দিয়ে বললো,
~এইসব না করলে কী হয় না? দ্বিতীয় বিয়ে আমার এতো রঙ্গ ঢঙ্গ না করলেই হয়।
বোনের এমন কথায় অরুনার মনটা খারাপ হয়ে গেলো।সে মুখটা মলিন করে হলুদের বাটিটা নিয়ে চলে যাবে তার আগেই অধরা অরুনার হাত ধরে বললো,
~রাগ করিস না বোন আশেপাশের মানুষ আমাকে নিয়ে এভাবেই অনেক কথা বলছে এখন যদি এসব করি তাহলে আরো খারাপ বলবে।
অরুনার রাগ হলো এবার বিয়েই তো করছে আপু কোনো খারাপ কাজ তো করছে না।
অরুনা এমন কিছুই বললো না সে বোনের কথা বুঝতে পেরে বললো,
~আপু গালে একটু লাগিয়ে দেই।
অধরা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে গাল এগিয়ে দিলো অরুনা খুশি হয়ে হলুদ লাগিয়ে দিলো।
যত সময় যাচ্ছে অধরা আর রক্তিমের মনে এক আলাদা অনুভুতি সৃষ্টি হচ্ছে তারা ভাবছে কীভাবে পারবে একটি সুন্দর জীবন সাজাতে?তাদের তে অস্বস্তি হচ্ছে সাথে চিন্তা বিয়ের নামক এই সম্পর্ক টা কে তারা কী টিকিয়ে রাখতে পারবে?
রক্তিম বিছানায় বসে এসব ভাবছে জীবনের আরেকটি ধাপে সে পা রাখবে হয়তো সুখ বয়ে আনবে।নিজের জন্য সে ভাবে না সে শুধু রুপসার জন্য ভাবছে আর অধরার খুশির কথা বাড়ছে।সে শুধু রুপসা আর অধরার খুশি চায় তাদের মুখে হাসি থাকলেই তার চলবে।
অধরা তৈরি হচ্ছে আয়নায় সামনে মাথায় মোরা দিয়ে নাকের নথটা ঠিক করছে সে মনটা আনচান করছে।#মনের_আড়ালে অনেক কিছু চলছে তার রুপসাকে নিয়ে সুখে থাকতে চায় সে রুপসাকে আগলে রেখে সে এই দুনিয়ায় প্রাণ ভরে শ্বাস নিতে চায়।আজ থেকে রুপসা তার পাশে সব সময় থাকবে এই বার যাতে তার সংসারটা সুখের হয়।
রক্তিমরা এসে পরেছে রুপসা অধরার কাছে চলে গেছে সেই কখন একটু পর অধরাকেও নিয়ে আসা হলো।অধরার হাত ধরে নিয়ে আসছে রুপসা রক্তিম একপলক তাকাতেই তার চোখ আটকে গেলো অধরার উপর।পরক্ষনেই নিজেকে সামলে অন্যদিকে তাকালো সে।অধরাকে রক্তিমের পাশে বসিয়ে দিলো আর রুপসা তাদের মাঝে বসে পরলো বিয়ে পড়ানো শুরু হলো।
রক্তিম আর অধরাকে কবুল বলতে বলা হলো দুজনই কবুল বলে দেয় বিয়ে সম্পন্ন হলো সবার মিষ্টি মুখ করা হলো।
খাওয়া-দাওয়া শেষে এখন বিদায়ের পালা অধরার এ বাসা থেকে দুবার বিদায় হলো প্রথম বিদায়ের পরে যেভাবে সে ফিরে এসেছিল এবার সে ফিরতে চায় না।
অধরা তার মা-বাবা,বোনকে ধরে অনেকক্ষন কাদলো তাদের কান্না দেখে রুপসাও কেঁদে দিলো তাকে সামলাতে অধরা রুপসাকে কোলে তুলে গাড়িতে বসে পরলো।

______________

রক্তিম অধরার পাশে বসে আছে রুপসা কাঁদতে কাঁদতে অধরার কোলে ঘুমিয়ে পরেছে।বাসায় পৌছে রুপসাকে কোলে নিয়ে নেয় রক্তিম তারপর অধরাকে বললো,
~আপনি শাড়ি নিয়ে হাঁটতে পারবেন না।
অধরা মাথা দুললালো তারপর সে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে শুরু করলো এবাসায় তো সে আগেও এসেছে এমন অনুভূতি তো তার হয়নি।বাসার ভিতরে ঢুকে দেখলো রক্তিমের মামা বরণ ডালা নিয়ে দাড়িয়ে আছে।রক্তিমের পাশে অধরা দাড়িয়ে আছে সব নিয়ম মেনে অধরা আর রক্তিম একসাথে ঘরে ঢুকে পরলো।
তারপর কিছু সার্ভেন্ট অধরাকে রক্তিমের রুমে নিয়ে যেতে নিবে তখনই অধরা রক্তিমের কাছে গিয়ে বললো,
~রুপসাকে আমার কাছে দিন।
রক্তিন রুপসাকে অধরার কোলে দিতে নিবে রক্তিমের মামা এসে বললেন,
~আজ রুপসা আমার কাছে থাক
অধরা বললো,
~মামা রুপসাকে ছাড়া এখন আমার ঘুম হয় না।
বলেই রুপসাকে নিয়ে রুমে চলে গেলো তারপর রুপসাকে বিছানায় ভালো মতো শুইয়ে দিয়ে অধরা সব গহনা খুলতে শুরু করলো তখনই রক্তিম দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকলো।অধরার হাত অটোমেটিক ঠান্ডা হয়ে গেলো।রক্তিম একবার অধরার দিকে তাকিয়ে বললো,
~বারান্দায় আসো কথা বলি।
রক্তিম বারান্দায় চলে গেলো অধরাও গুটিগুটি পায়ে রক্তিমের কাছে চলে গেলো।রক্তিম বারান্দায় দাড়িয়ে আছে অধরা তার পিছে দাড়িয়ে আছে।রক্তিম বললো,
~অধরা,আমাদের জীবনে একটা কালো অতীত আছে কিন্তু এইটাও সত্য যে আমাদের জীবনের একটা সুন্দর ভবিষ্যত আছে।
রক্তিমের কথায় অধরা তার দিকে তাকালো রক্তিম আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে।
রক্তিম বললো,
~জানি আমাদের #মনের_আড়ালে একজন সবসময় থাকবে তাদের ভোলা যাবে না কিন্তু একটা নতুন সম্পর্ক তো গড়তেই পারি।
অধরা ধীর পায়ে হেটে রক্তিমের কাছে গিয়ে বললো,
~হ্যাঁ রুপসার জন্য আমরা নতুন সম্পর্ক গড়তেই পারি।
রক্তিম আর কিছু বলতে যাবে তার আগে রুপসা বলে উঠলো,
~পাপা মামণি তোমরা আমাকে একা রেখে ওখানে কী করছো?
রক্তিম আর অধরা হেসে রুপসার দুপাশে শুয়ে বললো,
~তোমাকে ছেড়ে আমরা কোথায় যাবো?তুমিও আমাদের #মনের_আড়ালের সেই ভালোবাসা।
একজন মানুষের জীবন সুন্দর করতে তাকে চেষ্টা করতে হবে ভালোবাসা দিয়ে সেই ভালোবাসা অধরা পেয়েছে রুপসা থেকে হয়তো সময়ের সাথে সাথে রক্তিম আর অধরার ভিতরে ভালোবাসার প্রদীপ জ্নলে উঠবে সময় সব কিছি পরিবর্তন করবে।তাদের জন্য শুধু এতটুকু বলবো,
#মনের_আড়ালে ভালোবাসাটাকে বুঝতে শিখো

সমাপ্ত

(বিদ্রঃকেমন হয়েছে জানাবেন।ভুলগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো🥰🥰।Happy Reading🤗🤗)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ