Friday, June 5, 2026







মডেল মিফতা পর্ব ১

মডেল মিফতা পর্ব ১ গল্পবিলাসী – Nishe ” বাবার কথায় তো বিয়ে করেছিলি চাহিদাটা মিটিয়ে দেয়াটা নাহয় তার উপর ছেড়ে দে ” বলেই হাতের ঘড়িটা খুলে ঢিল মেরে ফেলে দিয়ে চলে গেলো নিরব । ঘটনা কি বুঝে উঠতে কিছুটা সময় লেগেছিলো মিফতার। মিফতা বারান্দা থেকে রুমে আসার সময় নিরবের হাতের ঘড়িটার সাথে আটকে যায় উড়নার মাথাটা। আর তখনি এই কথাটা বলে উঠে নিরব। উনি নাকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাশ করা ছেলে ভাবতেই অবাক লাগছে । নিজের বাবাকে নিয়ে এইরকম বাজে কথা বলতেও কি বিবেকে সাড়া দেয়না? আমি মিফতাহুল ইরা। অনার্স প্রথম বর্ষে বাংলা নিয়ে পড়ছি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জি পি এ পাঁচ ও চার পেয়ে পাশ করেছি । খুব গরিব ঘরের মেয়ে তাই রঙিন স্বপ্ন থাকা সত্ত্বেও বাবা মায়ের দিকে তাকিয়ে এগিয়ে যেতে পারিনি।ছোট বেলাথেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্নটা ছিলো, কিন্তু সেটা খুবই নগন্য। কারন আমি গরীব। ঘরে অসুস্থ বাবা আছে। আছে মা, ছোট বোন এবার মাধ্যমিক পরিক্ষা দিবে আর ছোট ভাই জে এস সি পরিক্ষা দিবে। মা কাথা সেলাই , জামা কাপড় সেলাই করে, হাসঁ-মুরগী বিক্রি করেই সংসারটা চালিয়ে যাচ্ছে । আমিও কিছু টিউশনি করেই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আজকের যুগে বিয়ে মানেই সাদা চামড়ার আমদানি, বাবার অঢেল অঢেল টাকা যেটার কোনোটাই আমার নেই। আছে বাবা মায়ের দেয়া শিক্ষা। কিভাবে মানুষের সাথে মিশতে হয়, লোকালয়ে কেমন ব্যবহার করতে হয়, মুরুব্বিদের কিভাবে সম্মান করতে হয়,ছোটদের কিভাবে ভালোবেসে কাছে টানতে হয় আর সংসারটা গুছিয়ে রাখতে কি কি দরকার হয় আর আছে আল্লাহর দেয়া কোমড় ছাড়িয়ে যাওয়া মেঘবরণ কেশ। পাশাপাশি গ্রামে আমাদের ব্যবহার, গুনগান নিয়ে খুব ভালো পরিচিতো। এপর্যন্ত অনেক গুলো বিয়েই এসেছিলো কিন্তু সেইরকম যৌতুক দিতে পারবেনা বলে ভেঙে গেছে। গতকাল হঠাৎ করেই একজন লোক বাবা নিয়ে এলেন। দেখে খুব বড়বাড়ির লোক বলেই মনে হচ্ছে। কারন ওনার পরিধানকারী কাপড়গুলো খুবই দামি ছিলো। লোকটার হাতের লাঠিটাও খুব দামি।কারন সিরিয়ালে বুড়োদের হাতেই এই লাঠিগুলো দেখেছে মিফতা।আমাদের বাসায় মেহমান আসা মানে আমার হাতের এক কাপ চা খাওয়া। স্বভাবতই আমি চা নিয়ে হাজির হলাম তখন ওনি আমাকে পাশে টেনে বসিয়ে দিলেন। লোকটি কিছুক্ষন আমাকে নিখুঁত দৃষ্টিতে দেখলেন। তার কিছুক্ষন পরই আমি ভিতরে চলে এলাম। কিছুক্ষন পরে মা এসে আমার দিকে তাকিয়ে বললো -” গরিবের দিকে আল্লাহ ঠিকই মুখ তুলে তাকাত। তাইতো ভাইজান রে আল্লাহ পাঠাইছে। ওনার ছোট ছেলের লগে আজকা তোর বিয়া।” আমি কিছুই বললাম না কারন আমাদের মতো মেয়েদের কখনো বিয়ের মতামত নেয়া হয়না।পরিবার যা ঠিক করে তাই মেনে নিতে হয় কারন আমরা গরীব। মা তো খুশিতে কেঁদেই দিয়েছে। চোখের পানি মুছতে মুছতে -” যা মিহু মা গোছলটা কইরা আয় জলদি। ভাইজান বাড়িতে ফোন কইরা দিছে জামাই এহনই আইয়া পরবো ” তার মধ্যেই মোহনা স্কুল থেকে চলে এলো মায়ের কথা শুনে – “আপু তুই আজকে আমারে রাইখা চইলা যাবি? আমি কেমনে থাকমু? আমারে পড়াইবো কে?” বলেই জরিয়ে ধরে কাদঁতে লাগলো। ইফতিটা হোস্টেলে। মায়ের খুব ইচ্ছা ছিলো ইফতিকে মাদ্রাসায় পড়ানোর কিন্তু সংসারের অভাবের হাল টানতে টানতেই ব্যাকুল মা। তাই মিফতা নিজে টিউশনি করে ভাইকে মাদ্রাসায় পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে। যতদিন সম্ভব ততোদিনই নাহয় পড়বে। আজ ভাইটা কাছে থাকলে আরো বেশি কাদঁতো। ইফতির সকল বায়না গুলো যেনো একমাত্র মিফতাকেই ঘিরে ধরে রাখে। মোহনাকে সামলে নিয়ে একটা থ্রিপীছ নিয়ে পুকুরপাড়ে চলে গেলো। গোসল করার সবটা সময় মোহনাটা পুকুর ঘাটে বসে বসে চোখের পানি ফেলছিলো। মিফতা তাকাতেই মুছে অন্যদিকে তাকিয়ে ফেলতো। মিফতার বোনের চোখের পানি দেখে নিজেরও খুব কষ্ট হচ্ছে, কান্না পাচ্ছে অনেক। কিন্তু নিজেকে সামলে রেখে মুখে হালকা হাসি রেখে সবটা সামলে নিচ্ছে। গোসল করে এসে ঘরটা গুছিয়ে ঝাড়ু দিতে দিতেই আরো কিছু মানুষ চলে এলো। মিফতা আর বাহিরে যায়নি। একটা মহিলা এসে তার খোজ করতেই মোহনা তার কাছে নিয়ে এলো। মহিলাটিও খুব নিখুঁত দৃষ্টিতে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে আমার পাশে এসে বসলেন। – “কি নাম তোমার? ” -” মিফতাহুল ইরা ” – “দেখি তোমার হাতটা ” ডান হাতটা বাড়িয়ে দিতেই ওনি একজোড়া চুড়ি আমাকে পড়িয়ে দিলেন। -” সুখী হও মা। আমার ছেলেটারে আগলে রেখো। ” আমি মাথা নিচু করে বসে ছিলাম। মিনিট পাঁচেক পর বাবার ডাক শুনা গেলো -“কই! আমার মিফতা মারে নিয়া আইয়ো হুজুর আইয়া পরছে।” মোহনা এগিয়ে এসে আমাকে নিয়ে গেলো মাঝের রুমে। সেখানে আমার হবু শ্বশুর, শ্বাশুড়ি এবং একজন সুদর্শনীয় একজন পুরুষ দেখতে পেলাম। অল্প কিছুক্ষনের মধ্যেই আমাদের বিয়ে হয়ে গেলো। স্বাক্ষর করতে গিয়েই দেখতে পেলাম ওনার নাম ইমতিয়াজ আহমেদ নিরব। বিয়ের পর নাকি জোড় ভেঙে যেতে নেই তাই আমাকেই নিয়ে যাবে বলে সিদ্ধান্ত ঠিক করা হলো।যখন চলে যাবো মোহনা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগলো, মা বাবাও কাদঁতে লাগলো। কান্নাকাটির মধ্যদিয়েই আমাকে গাড়িতে তুলে দেওয়া হলো। আমি উঠার পরই গাড়িটা ছেড়ে দিলো। মা আচঁল দিয়ে চোখ মুছতে লাগলো, বাবাও হাতের উল্টো পিঠে চোখের পানিটা মুছে নিলো আর মোহনা! মোহনার চোখে যেনো সাগর নেমেছে দুপুর থেকেই কান্না করে বেরাচ্ছে। যতটা পথ পর্যন্ত ওদের দেখা যাচ্ছিলো তাকিয়েই ছিলাম। মনে হচ্ছিলো দেহের ভিতর থেকে যেনো প্রানটাই কেউ কেড়ে নিয়ে যাচ্ছিলো। চোখটা মুছে সামনে ফিরে তাকালাম। ড্রাইভাবের সাথে বসে আছে ওর স্বামী নামের লোকটা। বাবা আর মা পেছনের সিটে আর আমি মাঝখানের সিটে বসে আছি। প্রায় ঘন্টা দু’য়েক পরেই একটা বিশাল বাড়িতে গাড়িটা প্রবেশ করে। এইরকম বাড়ি সিরিয়ালে খুব বেশি দেখা যায়। বাস্তবে কখনো দেখার সৌভাগ্য মিফতার হয়ে উঠেনি। গাড়িটা থামতেই নিরব হনহনিয়ে নেমে ভিতরে চলে গেলো।গাড়ি থেকে নামতেই আমার শ্বাশুড়ি আমাকে হাতে ধরে নিয়ে গেলেন। – “আজ থেকে এইটা তোমার আর নিরবের ঘর । আমাকে নিজের মা ভেবে সবকিছু বলতে পারো কখনো কনফিউজড হওয়ার কিছুনেই। আচ্ছা তুমি ফ্রেশ হও আমি ফাহিমাকে শপিং এ পাঠাচ্ছি তোমার জন্য কিছু ড্রেস আনতে।”কথাগুলো বলেই মা চলে গেলেন।চুপচাপ বারান্দায় যাচ্ছিলাম বাহিরের পরিবেশটা দেখতে, বারান্দায় পা দিতেই দেখি নিরব সোফায় বসে স্মোকিং করছে, তাই ওনাকে ডিস্টার্ব না করে রুমে চলে এলাম। নিরব যেনো রাগটাকে কোনো ভাবেই সামলে নিতে পারছেনা। একের পর এক সিগারেট শেষ করে যাচ্ছে। আজ শুধু মায়ের জন্য বিয়েটা করতে হলো তাকে। মা বলেছিলো – “আজ যদি তুই বিয়েটা না করিস তাহলে আমার মরা মুখ দেখবি ” পৃথিবীর সব সহ্য করতে পারলেও মায়ের চোখের পানি সহ্য করতে পারিনা। তাই এই গাইয়া কালো মেয়েকে বিয়ে করতে হয়েছে। না আছে কোনো স্মার্টনেস। সোসাইটিতে মুখ দেখানোইই মুশকিল হয়ে পরেছে। নিরবের বিহেভিয়ারেই মিফতা বুঝতে পারলো বিয়েটা নিরবকে জোড় করেই করানো হয়েছে। তাই সেও আর কিছুই বললোনা। রুমের চারোপাশটা দেখতে লাগলো। রুমের প্রতিটা জিনিসেই আভিজাত্য ছড়িয়ে আছে। কেউ হয়তো তার মনের মাধুরী মিশিয়ে সাজিয়ে তুলেছে। হঠাৎ দরজায় নক হলো – “ভাবি আসবো? ” -“হ্যা আসুন দরজা খোলাই আছে ” একটা মেয়ে হাতে একগাদা শপিং ব্যাগ নিয়ে এলো। -“ভাবি খুব তাড়াতাড়ি করেছি তাই ততো ভালো হবেনা আজ পরে নাও পরে তোমাকে নিয়েই যাবো কেমন? এখন দেখো কোনটা পরবা? ” – “না ঠিক আছে। খুব সুন্দর হয়েছে ” -” বাইদা ওয়ে আমি ফাহিমা। তোমার ছোট ননদ।হঠাৎ করে সব ঠিক হলোতো তাই আমি যেতে পারিনি আমার ক্লাস ছিলো। ” মিফতা বিনিময়ে শুধু একটু হাসলো। ” ভাবি! আমি কিন্তু সবাইকেই তুমি বলে ডাকি। তুমি আবার কিছু মনে করোনিতো? ” -” না আমি কিছু মনে করিনি। তুমি আমাকে তুমি বলেই ডেকো। ” -“আচ্ছা তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও আর যেকোনো একটা পরে নাও তারপর আমি এসে নিয়ে যাবো কেমন? ” মিফতা মাথা নাড়িয়ে হ্যা জানালো। অনেকগুলো থ্রিপীছ। সবগুলোই চোখ ধাঁধানো। সবগুলো থেকে নেবুব্লু কালারটাই বেছে নিলো মিফতা।প্রায় রাত হয়ে এলো তখন। ফাহিমা এসে তাকে ডায়নিং এ নিয়ে গেলো। সবাইকে দেখা গেলেও নিরবকে দেখতে পায়নি মিফতা। -“মা ভাইয়া? “বলেই আবার থেমে গেলো ফাহিমা। মিফতা চোখ তুলে তাকাতেই দেখতে পেলো শ্বাশুড়ি মা ফাহিমাকে চোখের ইশারায় চুপ থাকতে বললো। ফাহিমাও থেমে গেলো। সবাই ডিনার শেষ হলেই মাকে হেল্প করতে চাইলো মিফতা। একটা মহিলা এসে আমাকে বাধা দিলো -“ওমা আফনে কিছু করোন লাগবোনা। আফনে ঘরে গিয়া বইসা থাকেন আমি কইরা নিমু ” -“ভাবি আমার কালকে এক্সাম আছে। তাই আজ তোমার সাথে গল্প করতে পারলাম না। আই প্রমিজ আগামীকাল বেশ জমিয়ে গল্প করবো কেমন? ” -“আচ্ছা গল্প অনেক করা যাবে তুমি পড়তে বসো তাহলে! ” -“ওকে গুড নাইট ” -“গুডনাইট ” -” কি ব্যাপার বউমা এখানে দাঁড়িয়ে কেনো? “পাশ থেকেই মা বলে উঠলো। -“এইতো মা যাচ্ছি ” – “আচ্ছা চলো আমার সাথে ” আমিও মায়ের সাথেই হেটে চলছি -“জানোতো বউমা তোমার বাবা! মানে তোমার শ্বশুর খুব ভালো করে মানুষ চিনতে পারে। সে চোখের দেখায় বলতে পারে মানুষটার আচার আচরন কেমন হবে। ঠিক তোমাগকে দেখেও তার খুব ভালো লাগে আমাকে জানাতেই নিরবকে নিয়ে চলে গেলাম। জানো আমার ছেলেটা খুব রাগী। আজও খুব রেগে আছে একটু সময় নাও দেখবে সব ঠিক হয়ে যাবে ” মিফতা প্রতিউওরে শুধু মাথা নেড়ে হ্যা জানালো। মা ওকে রুমে দিয়েই চলে গেলো। মিফতা এসে খাটে শুয়ে পরে। মোহনাটাকে খুব মিস করছে মিফতা। প্রতিদিন মিফতা ঘুমানোর আগেই মোহনা ঘুমিয়ে পরতো শুধু মশারী টানাতে হবে বলে।আর যখন মশারী টানিয়ে মিফতা শুয়ে পরতো তখনি হো হো করে হেসে উঠতো। তারপর স্কুলের ঘটে যাওয়া প্রতিটা কাহিনীগল্প জুড়ে দিতো। আজ থেকেতো মোহনা একাই ঘুমাবে। মশারী ও তাকেই টানাতে হবে। ঘুমোনোর আগে হয়তো আর মন ভরে গল্পও বলতে পারবেনা। এইসব ভেবেই চোখগুলো ঝাপসা হয়ে এলো মিফতার। নিশ্চয়ই এখন কেঁদে বেড়াচ্ছে মোহনাটা। এইসব ভাবতে ভাবতেই কখন যে ঘুমের দেশে পাড়ি জমালো বুঝতেই পারেনি। আর নিরব পুরোটা রাত বারান্দায় ঠাই বসেই কাটিয়ে দিলো। ফজরের আযান কানে ভেসে আসতেই মিফতার ঘুম ভেঙে গেলো। চোখ খুলে দেখলো পুরো রুমে আলো জ্বলছে। উঠে বসতে বসতে মনে পরলো সেতো রুমের লাইট জ্বালিয়েই শুয়ে পরেছিলো, নিরব আসবে ভেবে। তারমানে নিরব রুমে আসেনি! টিপটিপ পায়ে বিছানা থেকে নেমে বারান্দার কাছে যেতেই দেখলো বারান্দার দরজাটা বাহির থেকে লক করা তাই ওয়াশরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ওযু করে নামায পরে নিলো। হঠাৎ করে কিছু একটা শব্দ হলো। পিছন ফিরে তাকাতেই দেখতে পেলো নিরব আসছে। তার সামনে দিয়েই বেড়িয়ে গেলো। নিরব বেড়িয়ে যেতেই মিফতা বারান্দায় চলে গেলো। রাতের আধার কাটিয়ে ভোরের আলো ফুটে উঠছে ধীরে ধীরে। খুব শীতল একটা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এই ভোরের পরিবেশটা খুব ভালোভাবেই উপভোগ করে মিফতা। প্রতিদিন ফজর নামায পরেই মোহনাকে নিয়ে গ্রামের মেঠো পথে হেটে ভোরের পরিবেশটা উপভোগ করতো দুজন। শব্দহীন গ্রামটা যেনো অন্যরকম একটা পরিবেশ হয়ে উঠে তখন। কোনো কোলাহল নেই। জনমানবহীন মনেহয় পুরো গ্রামটাকে। আজ নিশ্চয়ই মোহনা পরে পরে ঘুমোচ্ছে। এইসব ভাবতে ভাবতে কখন যে নিরব এখানে চলে এলো টেরও পায়নি মিফতা। নিরবকে দেখে চলে যেতে নিলেই ওড়নার মাথাটা ঘড়িতে আটকে গেলে নিরব কথাটা বলে উঠে। চলবে,,,,,,, #


( প্রিয় পাঠক আপনাদের যদি আমার গল্প পরে ভালোলেগে থাকে তাহলে আরো নতুন নতুন গল্প পড়ার জন্য আমার facebook id follow করে রাখতে পারেন, কারণ আমার facebook id তে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গল্প, কবিতা Publish করা হয়।)
Facebook Id link ???
https://www.facebook.com/nishe.ratri.9809

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ