Friday, June 5, 2026







প্রেম প্রেম খেলা পর্ব-০৪

#প্রেম_প্রেম_খেলা
#পর্ব_০৪(বোনাস পর্ব)
#মুমতাহিনা_জান্নাত_মৌ

Hum tere bin ab rehe nehi sakte ..
Tere bina kiya wajud mera
Tujse judagar ho jayenge
So Khudse Hi Ho Jayenke Juda

Kiuki tum hi ho
Ab tum hi ho
Zindegi ab tum hi ho

Chan V … Mera Dard V.
Mary Ashiki Ab Tum Hi Ho ……..

আদ্রিয়ানের গান শুনে সবাই মুগ্ধ।এ যেনো এক সুরের যাদুকর।সবাই আদ্রিয়ানের সাথে সাথে গাইতে গাইলো।

Tera mera rista he casa
Ek pal dur gawara nehi
Tere liye har rose he jite
Tusco diya mera wakt sabhi
Koi lamha mera na ho tere bina
Har sas pe naam tera
Kiuki tum hi ho
Ab tum hi ho……..

গান শেষ হওয়া মাত্র আদ্রিয়ান স্টেজ থেকে নেমে গেলো।আর সাথে সাথে সবাই অটোগ্রাফ নেওয়ার জন্য ঘিরে ধরলো তাকে।অহনা নিজেও চলে গেলো।কিন্তু আদ্রিয়ান নিচমুখ হয়ে যেভাবে সবাইকে অটোগ্রাফ দিচ্ছে মনে তো হয় না সে অহনাকে আজ দেখতে পাবে।সেজন্য অহনা নিজেই চিৎকার করে বললো,
এই যে আদ্রিয়ান!আমাকে একটা অটোগ্রাফ দেওয়া যাবে?

আদ্রিয়ান অহনার কন্ঠ শুনে উপর দিকে তাকালো।

অহনা আদ্রিয়ান কে তাকানো দেখে ভীড় ঠেলে আদ্রিয়ানের কাছে চলে যেতেই আদ্রিয়ান আর এক মুহুর্ত থাকলো না।

অহনা তখন বললো, এই যে,যাচ্ছেন কেনো?একটা অটোগ্রাফ দিয়ে যান প্লিজ।
আদ্রিয়ান কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা তার গাড়িতে উঠে চলে গেলো।

আদ্রিয়ানের এমন ব্যবহারে অহনার ভীষণ খারাপ লাগলো।সে আদ্রিয়ানের এতো বড় ফ্যান তবুও আদ্রিয়ান তাকে অটোগ্রাফ দিলো না।এইভাবে তাকে অপমান করলো?
সেজন্য অহনার জিদ আরো বেড়ে গেলো।সে নিজেও আদ্রিয়ানের হোটেলের দিকে চলে গেলো।যে করেই হোক আদ্রিয়ানের অটোগ্রাফ সে নেবেই নেবে।

আদ্রিয়ান যে হোটেলে উঠেছে অহনাও সেই হোটেলে চলে গেলো।তবে রিসেপশনে গিয়ে তার মন টা খারাপ হয়ে গেলো।কারণ কোনো রুম ফাঁকা ছিলো না।সেজন্য অহনা রাগ করে হোটেল থেকে বের হয়ে এলো।আর হোটেলের বাহিরে এসে কয়েকটা ছবি তুলে ক্যাপশন দিলো,
হোয়াইট হাউজ ইন্টারন্যাশনাল হোটেলে আছি এখন।অনেক এনজয় করছি।

আদ্রিয়ান একা উঠেছে এই হোটেলে।কারন তার কাল একটা প্রোগ্রাম আছে এখানে।আদ্রিয়ান একটু রেস্ট নিচ্ছিলো হঠাৎ তানহা কল দিয়ে বললো দোস্ত, এসব হচ্ছে টা কি?

–কি হচ্ছে?

–তুই যে হোটেলে আছিস মেয়েটাও সেই হোটেলে আছে।

–কোন মেয়ে?

–তুই এখনো জানিস না কোন মেয়ে?

আদ্রিয়ান এবার একটু রাগ দেখিয়ে বললো যা বলার ক্লিয়ার করে বলবি একটু?

তানহা তখন বললো অহনা মেয়েটাও তোরই হোটেলে আছে এখন।

আদ্রিয়ান এবার বেশ অবাক হয়ে গেলো।সে তখন বললো তুই কিভাবে জানলি?

–মেয়েটার টাইমলাইন থেকে।তুই ও চেক করে দেখতে পারিস।মেয়েটা যেসব কান্ড করতেছে সত্যি এবার সে তার সীমা ছেড়ে যাচ্ছে।তুই কিছু বলছিস না কেনো?পরে কিন্তু এ নিয়ে কেলেংকারী বেঁধে যাবে দেখিস।যদি সাংবাদিকরা জানতে পারে তাহলে তো আর রেহাই নাই।

আদ্রিয়ান সেই কথা শুনে তাড়াতাড়ি করে কল কেটে দিলো।আর অহনা নাম সার্চ দিতেই চলে আসলো মেয়েটার ছবি।
আদ্রিয়ান অহনার এমন পাগলামি দেখে সত্যি অবাক হয়ে গেলো।সে সবচেয়ে বেশি অবাক হলো অহনার সাথে তার বিভিন্ন রকম এটাচ ছবি দেখে।আদ্রিয়ান বুঝতে পারছে না অহনা কেনো এমন করছে তার সাথে।যেখানেই সে যাচ্ছে সেখানেই এই মেয়েটা পৌঁছে যাচ্ছে।
আদ্রিয়ান অহনার আইডি চেকড করে পুরাই অবাক হয়ে গেলো।কারন অহনার পুরো আইডি জুড়ে শুধু তারই ছবি।

আদ্রিয়ান সেজন্য নিজেই অহনাকে মেসেজ দিলো।

–হ্যালো।

অহনার বিশ্বাসই হচ্ছিলো না এটা আদ্রিয়ান। সে ভালো করে চেক করে দেখে হ্যাঁ এটা আদ্রিয়ানই।সে তো আদ্রিয়ানের মেসেজ দেখে একদম পাগল হয়ে গেলো।

সে তখন বললো আমার বিশ্বাসই হচ্ছে না আপনি নিজে আমাকে মেসেজ দিয়েছেন।কি যে খুশি লাগছে বলে বোঝতো পারবো না।আমি না আপনাকে অনেক বেশি ভালোবাসি।আপনিও নিশ্চয় আমাকে পছন্দ করেছেন।

আদ্রিয়ান তখন বললো, আমি তোমাকে ভালোবাসার কথা বলার জন্য মেসেজ দেই নি।আমি তোমাকে সতর্ক করার জন্য মেসেজ দিয়েছি।তুমি কিন্তু এবার তোমার সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছো।মেয়ে মানুষ যে এতো নির্লজ্জ হয় তা তোমাকে না দেখলে বুঝতে পারতাম না।এরকম পাগলামি করলেই যে আমি তোমাকে ভালোবাসবো সেটা ভাবলে কি করে?আমি তোমাকে জীবনেও ভালোবাসবো না।তোমার মতো এরকম হাজার হাজার মেয়ে আমার পিছু পিছু ঘুরে বেড়ায়।
আচ্ছা বাদ দাও।কাজের কথা শোনো।যদি আমার মানসম্মান নষ্ট করতে না চাও তাহলে তোমার আইডিতে কিছুক্ষন আগে হোয়াইট হাউজ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল নিয়ে যে ছবি পোস্ট করেছো সেগুলো ডিলিট করে দাও।
আর যদি মনে করো আমার মানসম্মান নষ্ট করাই তোমার মূল উদ্দেশ্য তাহলে রেখে দিতে পারো।

অহনা আদ্রিয়ানের কথা শুনে এবার কেঁদে ফেললো।আদ্রিয়ান এভাবে তাকে অপমান করবে সত্যি সে বুঝতে পারে নি।সেজন্য সে তাড়াতাড়ি করে সবগুলো পোস্ট ডিলিট করে দিলো।আর অহনা আদ্রিয়ান কে নিয়ে কোনো পোস্ট করে না।

এদিকে এই ঘটনার পর থেকে আদ্রিয়ান রেগুলার অহনার আইডি চেক করতে থাকে।সে নিজেও ভীষণ অবাক হলো।অহনা এইভাবে তার কথা শুনে সবগুলো পোস্ট ডিলিট করে দিলো।সত্যি কি মেয়েটা তাকে ভালোবাসে।মেয়েটার মনে হয় তাকে অসম্মান করার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা নাই।

এক মাস পরের ঘটনা।
আদ্রিয়ানের মিউজিক ভিডিওর জন্য মডেল খোঁজা হচ্ছে।যেখানে মেল ক্যারেক্টারে আদ্রিয়ান নিজেই থাকবে কিন্তু ফিমেল ক্যারেক্টারের জন্য নতুন মুখ খোঁজা হচ্ছিলো।এইভাবে অনেক খোঁজাখুঁজির পর টপ দশ জন কে বেছে নেওয়া হলো।এই দশজনের ভিতর যাকে আদ্রিয়ান পছন্দ করবে সেই হবে আদ্রিয়ানের পার্টনার।

মেয়ে দশজন সুন্দর প্রিপেরেশন নিয়ে এসেছে।একেক জনকে ঝাক্কাস পরীর মতো লাগছিলো।আদ্রিয়ানের বন্ধু সানি আর উল্লাস তো ভীষণ এক্সসাইটেড। এই দশজনের ভিতর একটারে তারা পটিয়ে নেওয়ার ধান্দায় আছে।অন্যদিকে আদ্রিয়ান, তানহা আর লিথি খুব মনোযোগ দিয়ে একজন একজন করে দেখতে লাগলো।আর নাম্বার দিতে লাগলো।এইভাবে দেখতে দেখতে দশম মেয়ের পালা এসে গেলো।দশম মেয়ে আর অন্য কেউ নয়, অহনা ছিলো।

অহনাকে দেখামাত্র তো সবার চোখ কপালে উঠে গেলো।এ মেয়ে এখানে কিভাবে এলো?
অহনা সবাইকে দেখে বললো আসসালামু আলাইকুম। মে আই কাম ইন?

তিনজনের একজনও তাকে ইয়েস বললো না।অহনা তখন নিজেই চলে এলো ভিতরে।তানহা অহনাকে দেখামাত্র বললো,ইউ?

–হ্যাঁ আমি।

আদ্রিয়ান তখন তানহাকে থামিয়ে দিয়ে বললো চুপ কর তুই।ভালো করে নাম দেখ।ও নিজেও একজন প্রতিযোগি।

তানহা তখন বললো তাই বলে এই মেয়ে তোর মডেল হবে?

আদ্রিয়ান তখন বললো এখনো হয় নি তো।ভালো করে যাচাই করে নাম্বার দে।
তানহা সেই কথা শুনে মনে মনে বললো দেওয়াচ্ছি নাম্বার।এই অভদ্র মেয়েকে আমি জিরো দেবো।

আদ্রিয়ান এই প্রথমবার অহনাকে ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে লাগলো।উচ্চতা ৫” ৫।গায়ের রঙ ফর্সা।মুখের আকৃতি গোল।স্লিম বডি।কথা বলার ধরন সুন্দর।হাঁটার স্টাইল সুন্দর।আদ্রিয়ানের কাছে অহনাকে সব দিক দিয়েই পারফেক্ট মনে হলো।সেজন্য সে দশের মধ্যে দশ দিলো অহনাকে।এর আগে একজন মেয়েকেও সে দশ দেয় নি।লিথিও দশ দিলো।কারণ তার কাছেও অহনাকে পারফেক্ট মনে হয়েছে।কিন্তু তানহা রাগ করে জিরো দিলো।

কিছুক্ষন পরেই রেজাল্ট ঘোষণা করা হবে। সকল মেয়েই অধীর আগ্রহে বসে আছে।অহনা তো শুধু চোখ বন্ধ করে তার সৃষ্টি কর্তাকে ডাকতে লাগলো।এবারের মতো তাকে জিতিয়ে দাও খোদা।কারন তার মডেল হওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে নাই।শুধুমাত্র আদ্রিয়ানের কাছাকাছি থাকার জন্য এই প্রতিযোগিতায় তাকে টিকতেই হবে।

তানহা অহনার মুখের দিকে তাকিয়ে মনে মনে বললো,কোনো লাভ নাই সোনা।আমি জিরো দিয়েছি।ওরা দুইজন দশ দিলেও মোট ২০ হয়।কিন্তু অন্য মেয়েরা কমপক্ষে ২৪ না হয় ২৭ তো পেয়েছেই।

বিজয়ীর নাম ঘোষণা তানহাই করবে।কারণ সে বেশি আগ্রহী বিজয়ীর নাম ঘোষনা করার জন্য।আদ্রিয়ান সেজন্য ওর হাতেই পেপার টা দিলো।

তানহা খুশি মনে পেপার হাতে নিয়ে এনাউন্স করলো,যে আজকের বিজয়ী অ,,,।তানহা অহনার নাম দেখে চমকে উঠলো। এটা কি করে সম্ভব?অহনা কিভাবে হতে পারে?
সেজন্য তানহা আদ্রিয়ানে দিকে তাকালো।আদ্রিয়ান তখন বললো, কি হলো বল?
তানহা সেই কথা শুনে পেপার টা আদ্রিয়ানের হাতে দিয়ে সেখান থেকে চলে গেলো।আদ্রিয়ান তখন নিজেই অহনার নাম ঘোষণা করলো।

অহনা তার নাম শোনামাত্র একদম কেঁদেই ফেললো।সে সত্যি বিশ্বাস করতে পারছিলো না।অহনার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না এটা।সে আবার স্বপ্ন দেখছে না তো?এইজন্য পাশের মেয়েটাকে বললো, কিছু মনে না করলে আমাকে একটু চিমটি কাটবেন প্লিজ।মেয়েটি সেই কথা শুনে মুখ ভেংচিয়ে চলে গেলো।

আদ্রিয়ান তখন নিজেই অহনার কাছে চলে এলো।আর বললো কাল ঠিক দশটায় নাজ গার্ডেনে চলে আসবে।আর হ্যাঁ, অবশ্যই দশটায়।

অহনা মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললো হুম।কারণ সে তার খুশি ধরে রাখতে পারছিলো না।

পরের দিন খুশির ঠেলায় ঠিক আট টায় অহনা নাজ গার্ডেনে চলে গেলো।কিন্তু নাজ গার্ডেনের গেটই খোলে নয় টায়।এখন এ এক ঘন্টা সে কি করে?সেজন্য কয়েকটা সেলফি তুলে সে ফেসবুকে পোস্ট করে।তারপর তার বান্ধুবীদের সাথে কথা বলে তবুও আর এক ঘন্টা শেষ হয় না।হঠাৎ অহনার মনে হয় সে তো কিছু খেয়ে আসে নি।সেজন্য খাওয়ার জন্য সামনের এক রেস্তোরায় চলে যায়।কিন্তু সেখানে যে ভীড় অহনা সেজন্য ভীড় ঠেলেই প্রবেশ করলো ভিতরে।আর এদিকে যে দশটা পার হয়ে গেছে তার বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই সেদিকে।

হঠাৎ অহনা রেস্তোরাঁর দেয়াল ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে দেখে দশটা বেজে দশ মিনিট বাজে।সে আর কই থাকে?তাড়াতাড়ি করে খাওয়া বাদ দিয়েই দিলো এক দৌঁড়।এদিকে পিছন দিক থেকে এক ছেলে চিল্লাতে চিল্লাতে বললো ম্যাডাম খাবারের বিল দিলেন না?
অহনা সেই কথা শুনে আবার ফিরে আসলো বিল দেওয়ার জন্য।এদিকে টাকাও খুচরা নাই।সেজন্য টাকার নোটটা ছেলেটার হাতে দিয়ে বললো বাকি টাকা পরে এসে নিয়ে যাবো।

#চলবে,

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ