Saturday, June 6, 2026







দুজনা পর্ব-০১

#দুজনা
#রোকসানা আক্তার
সূচনা পর্ব

চাকরির এক সপ্তাহ না গড়াতেই হঠাৎ আমার স্বামী আদিল ব্যাগপ্যাক নিয়ে বাসায় এসে হাজির।এসেই ভরা রুমে সবার সামনে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে,

“প্রিয়া,তোমাকে ছাড়া থাকতে পারছি না।তাই চলে এসেছি।”

আমার ননদী,ঝাঁ এবং চাচি শাশুড়ী সবাই সামনে ছিল।লজ্জায় মাথা নুইয়ে আসে আমার।আদিল আমাকে সবার সামনে জড়িয়ে ধরার তার এই বাচ্চাসুলভ কান্ডটা প্রথমে ধরতে পারেনি সে।যখন চাচীমা বলে উঠেন,

“মানুষ এতটা বউয়ের পাগল হয়!আমাদের আদিলকে না দেখলে তো বুঝতামই না!”
তখন আদিল সাথে সাথে আমাকে ছাড়িয়ে নেয়।আর অপ্রস্ত কন্ঠে বলে,

“নাহ,মানে…..!”

চাচিমা থামিয়ে দিয়ে বলে উঠেন,
“হয়েছে,হয়েছে আর কিছু বলতে হবে না।প্রিয়া?তোমার আঁচলের নিচে গুঁজেূ রাখা স্বামীকে তুমি নিজের রুমেই নিয়ে যাও।দূর থেকে এসেছে একটু রেস্ট করতে দাও।”

আমি নৈঃশব্দে সম্মতি জানিয়ে উনার হাত থেকে ব্যাগ নিতে গেলে উনি বাঁধ সাধেন,
“এত বড় ব্যাগ তোমার নিতে হবে না।আমিই নিয়ে যাচ্ছি।আর আমার সাথে আসো।”

বলে আদিল ব্যাগ নিয়ে রুমে যায়।আমি তার পেছন পেছন পা বাড়াতে পেছন থেকে আমার ননদী ডেকে উঠেন,

“ভাবী?রুমে একটু পরে যাও?মার তােমার সাথে কি নাকি কথা আছে!মার সাথে কথা সেড়ে তারপর যাও।”

আমি ভেতরটা আঁতকে উঠে।শাশুড়ীকে আমি খুব ভয় পাই।আদিল চাকরি রেখে চলে এসেছে।এখন মা এটা নিয়ে আমার উপরই রাগবেন।আদিলের সাথে আমার বিয়ে হয়েছে আজ ছয়মাস।এই ছয়মাসের মধ্যে আদিলের সাথে আমার একসাথে থাকা হয়েছে একমাস কি দেড়মাস।বাকি মাসগুলোতে শাশুড়ী, ননদী এবং ঝাঁ আদিলকে বিভিন্ন কাজের তদারকিতে বিভিন্ন জায়গায় পাঠাতো।যেমন আমার ননদীর জামাইয়ের যশোরে পাটের কারখানাা আছে।ননদীর জামাই একা সামলাতে পারবে না ভেবে আদিলকে শাশুড়ী মা ওখানে পাঠিয়ে দিতেন।আবার ভাসুরের খুলনায় চামড়ার কারখানা আছে।ওখানেও পাঠিয়ে দিতেন।আদিলও যেত।কথা হলো, সে যখন আমাকে বিয়ে করেছে তখন সে বেকার ছিল।তাই নতুন বিয়ে করা,নতুন একটা সংসার হওয়া মানেই তো সাতদিকে খরচ বাড়া।তাই আদিল ওতশত না ভেবে উনাদের কথায় রাজি হয়ে যায়।কিন্তু আমাকে নতুন বিয়ে করে রেখে দূরে বেশিদিন থাকতে পারেনি আদিল।সব ছেড়ে চলে আসে।আদিল ফিরে আসাতে কেউই খুশি হয়নি।পরিবারের সবার মুখ ভারী এবং কালো হয়ে যায়।আদিলের ফিরে আসায় সবাই আমাকেই দোষারোপ করতে থাকে।সেই রাতেই মা,ননদী এবং ঝাঁ রুমে এসে বলেন,

“নতুন একটা সংসার হয়েছে তোর!
এই যে তোমার সংসারটা চালাবে কে?কার উপর নির্ভর কারে তুই এখানে ফিরে এসেছিস?কারো কোটি টাকা নেই আরেকজনের সংসার চালাবে!”

আদিল মার মুখের উপর বলে উঠে,
“আমি নতুন চাকরি দেখবো।তবে খুলনায় যেতে পারবো না।এখান থেকে খুলনা অনেক দূরে।আমি আশপাশে কোথাও একটা চাকরি দেখে নিব।”

পরে আদিল এদিকে আর মনমতো চাকরি পায়নি।যা পায় খুব কম বেতনের।যা দিয়ে আমাদের সংসার চলতে কষ্টকর হয়ে যাবে।তাই পরে আর উপায় না পেয়ে এক বন্ধুর সহায়তায় ঢাকায় চাকরি দেখে।সেখানেই নামধারী একটা কোম্পানিতে মোটামুটি একটা ভালো এমাউন্টের চাকরি জোগাড় করে ফেলে।ওখানেই এক সপ্তাহ আগে জয়েনিং হয়ে আজ বাসায় আবার চলে আসে আদিল।

আমি মৌনমুখে ননদীর কথায় সায় দিয়ে মার রুমে ঢুকি।শান্ত স্বরে বলি,

“মা?ডেকেছেন?”

শাশুড়ী মা আমার কথার জবাব তুললেন না।চোখজোড়া তীক্ষ্ণ করে তাকিয়ে থাকলেন!মিনিট দুয়েক যেতে ননদী পাশ থেকে বলে উঠেন,

“কি নাকি বলবে তা বলে বিদেয় দাও তাড়াতাড়ি !”

শাশুড়ী মা গলাটা হালকা ঝেড়ে নিলেন। তারপর সামনে এক বাটিটা থেকে একটা পানের খিল মুখে ফুঁড়ে বলতে থাকলেন,

“সংসার করবে তোমরা।মাইনে যা পাবে তা সংসারে৷ খরচা করবে তোমরা!ছেলের মাথা টা খেয়ে ফেলো কেন?তাকে কেনো ঢাকা থেকে বাসায় নিয়ে এলে?তোমাদের সংসারটা কার উপর চলব শুনি?তোমার বাপের বাড়ি থেকে কি মাসে মাসে টাকা পাঠিয়ে দেবে নাকি?”

“মা আপনার ছেলেকে আমি আসার ব্যাপারে কিছুই বলিনি।উনি যে আজ আসবে তা আমিও জানি না।”
“আবার নাটক শুরু করেছো গতবারের মতন!ছেলে ত আমার আগে ঠিকই ছিল।ছুটি ছাড়াা বাসায় আসতাে না।কাজ চলাকালীন কাজ বরখাস্ত করে আসতো না।তোমাকে বিয়ে করার পরই বা কেনো এরকম করতেছে ছেলে!এই মেয়ে?আমার ছেলেকে কি মন্ত্র পড়িয়েছো,শুনি?”

ননদী বলে,
“এমন মন্ত্র পড়িয়েছে বউয়ের আঁচলের তলা ছাড়া তোমার ছেলের কোথাও ভালাে লাগে না!”
“সব দোষ এই মেয়েটার!ভালো ভেবে এঁকে বিয়ে করি এনিয়েছি।এ তো দেখি দিনেক দিন আমাদের জন্যে কালসাপ হয়ে দাঁড়াচ্ছে!”
“মা,আপু?আপনাদের কোথাও ভুল হচ্ছে।দয়া করে এরকম মিথ্যে অপবাদ আমাকে দিবেন না।”
“সব ঠিক হয়ে যাবে।যদি আজকে রাতের মধ্যে ছেলেকে আবার ঢাকায় পাঠিয়ে দাও!বুঝাতে পেরেছি?এবার আসতে পারো।”

শাশুড়ী মার রুম থেকে বেরুতে আমার চোখজোড়া টলমল হয়ে যায়।দুইফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ে দুইগাল বেয়ে।তরহর করে সেই পানি আবার মুছে নিই।তারপর আমাদের রুমের সামনে আসি।খানিকক্ষণ রুমের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে সংযত করার চেষ্টা করি।কিছুতেই আদিলকে এই বিষয়টা বুঝতে দেওয়া যাবে না।আগেরবারও দিই নি!আমার মার নিষেধ ছিল।এই বাড়িতে আসার আগে মা একটা কথাই বলেছিলে,প্রিয়া?এই দেয়ালের কথা যেনো ওই দেয়াল না শুনতে পারে।তোর বাবা ক্যান্সারের একজন রোগী।কতটা দারিদ্র্যের সহিত আমাদের সংসারটা চলতেছে তা তুই ভালো করেই দেখতেছিস।পরের বাড়িতে এমন কিছু করিস না মা, যাতে স্বামীর জন্যে শাশুড়ী,ননদীর,ঝাঁয়ের চোখে খারাপ হোস।বা শাশুড়ী,ননদী এবং ঝাঁয়ের জন্যে স্বামীর কাছে খারাপ হোস।

দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতে আদিলের চোখজোড়া ঝলমল করে উঠে।মুখে ফুঁটে উঠে বহুদিনের প্রতীক্ষার হাসি।আমিও জোরপূর্বক হাসার চেষ্টা করলাম।তারপর সোঁজা টেবিলের কাছে এগিয়ে যেয়ে হাত থেকে চুঁড়িগুলো খোলার অভিনয় করতে করতে বললাম,

“কেনো এলেন?

আদিল আমার দিকে এগিয়ে এলো।পেছন থেকে কোমরে জড়িয়ে ধরতে ধরতে বললো,
“তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারছি না।কাজে মন বসে না।ভেতরটা হাহাকার হাহাকার লাগে প্রচন্ড।সারাক্ষণ তোমার চেহারা চোখের সামনে ভাসে।তাই নিজেকে আগলে রাখতে না পেরে ছুটে এসেছি!”
“আসাটা কি খুব বেশিই প্রয়োজন ছিল?”

উনি এবার আমাকে আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে উনার দিকে ফেরাালেন।বললেন,

“জানি না।তবে তোমাকে ছাড়া থাকা অসম্ভব”

আমি উনার থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এলাম।কথাটার পিঠে বলে উঠলাম,
“আপনি বুঝতেছেন?আপনি যে বাচ্চাদের মতন আচরণ করতেছেন?”
“এতে কি তুমি রাগ আমার উপর,প্রিয়া? ”

পরক্ষণে আমি হেসে উঠলাম।আসলে এমনিই হাসিটা আসেনি।ইচ্ছে করে হাসলাম।যাতে উনি আমার ভেতরের চাপা রাগটা না ধরতে পারেন।হাসিমুখেই বললাম,

“নাহ রাগ কেনো হবো!আসলে আপনি যেভাবে হুটহাট চাকরি রেখে চলে আসেন এরকম করলে তো আমাদেরই সমস্যা।আজ আপনার বেশি টাকার প্রয়োজন পড়ছে না।কিন্তু যখন আমাদের একটা বাচ্চা আসবে।তখন তো না চাইলেও করতো হবে চাাকরি।কারণ,বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ-এর কথা সর্বপ্রথম ভাবতে হবে। আর পিতামাতা হিসেবে এটা দায়িত্ব আমাদের।তাছাড়া,আপনি কাজ করতে চাচ্ছেন না কতকাল আপনার ভাই অথবা বোনের জামাইয়ের উপর নির্ভর করে থাকবেন,বলেন?আমাদেরও একটা লজ্জা থাকার বিষয় আছে!”

আদিল মিনিট তিনেকের মতন চুপ করে ছোট্ট করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো।তারপর আলতো কন্ঠে বললো,

“তাহলে আমি আবার ঢাকায় ব্যাক করবো প্রিয়া?”
“হ্যাঁ।আর আজকে রাতের মধ্যেই।”
“কিন্তু একটা রাত তোমার….!”
“আরো কত রাত কাঁটাতে পারবেন!আপনি চাকরির মাঝখান থেকে চলে আসছেন।কাল না গেলে আপনার বস রেগে যাবে।এমনকি চাকরির থেকে বাদও দিয়ে দিতে পারে।আপনি এখনই আবার চলে যান।”
“আমার বস ওরকম করবে না তুমি যেমনটি ভাবছো,প্রিয়া!”
“তারপরও..!মানুষদের মনের কথা বুঝা যায় না।আপনি যান।”

আদিল এবারো স্থির চোখে আমার দিকে তাকিয়ে থাকলো।আমার এরকম অস্বাভাবিক কথাবার্তা হয়তো উনার মোটেও ভালো লাগে নি।তারপরও আমি যেহেতু বলেছি উনি ফিরে যাবেন এটা আমি জানি।উনার সাথে আমার বিয়ে হওয়ার পর উনাকে আমি যতটুকু বুঝেছি উনি আমার কোনো কথাই ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন না কখনো।

———————————————–
অত্যন্ত ব্যথিতমুখে আদিল আমাদের সবাইকে রাত এগোরটার দিকে আমাদের সবাইকে আবার বিদেয় দেয়।আদিল যাওয়ার সময় আমি মুখে হাসি হাসি ভাব রাখার চেষ্টা করি।তারপরও আদিলের মাঝে একরাশ হাসতে দেখি নি।সে যাওয়ার সময় আমাকে শুধু এটুকুই বলে যায়,

“আসি।ভালো থেকো।আর নিজের খেয়াল নিও।”

আদিল চলে যাওয়ার পর আমার শাশুড়ী, ননদী এবং ঝাঁ খুবই খুশি হোন!

চলবে……

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ