Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"আলো থেকে অন্ধকার পর্ব-১০

আলো থেকে অন্ধকার পর্ব-১০

#আলো_থেকে_অন্ধকার
Part:-10
Writer:#Esrat_jahan_Esha

– আচ্ছা লিমা তুমি এরকম প্রতিদিন সরবত করে দাও আবার ঝগড়াও কর।
– মানে কি বলতে চান?
– আরে তুমি রাগ করছ কেনো আমি বলতে চাইছি যে তুমি সব সময় আমাকে চোখ গরমে রাখ যাই যা হয়ে যাগ কিন্তু সরবত খাওয়াতে ভুল না।

আমি ভ্রু কুঁচকে ওনার দিকে তাকালাম।
– আপনি শুধু আমার রাগারাগি টাই দেখলেন ভালোবাসা দেখলেন না। আপনি বাড়িতে আসার সাথে সাথে আমার মন অস্থির হয়ে উঠে আমি সাথে সাথে আপনাকে সরবত বানিয়ে দেই। সারাদিন কত খাটাখাটি করেন যাতে একটু হলেও ক্লান্তি দূর হয়।
আর আপনি আমাকে এমন ভাবে প্রশ্ন করেন যেন আমি আপনাকে বিষ দিতাছি।
– তা নয়। আমি জানি তুমি আমাকে ভালোবাস তার জন্যই তো তুমি আমাকে ঝগড়া করার পর আবার ভালোবাস।
– হুমম বুঝতে হবে। বলেই আমি কান্না শুরু করে দিলাম। রাগের মাথায় কি বলি না বলি সেটা আপনি ধরে রাখেন।
– কি হলো এখন আবার কান্না শুরু করলে কেন?
– জানি না।
– মহা মুশকিল তো। কান্না থামাও প্লিজ।
– হুমম থামাব তবে একটা কথা আছে যদি রাখেন
– কি কথা বল
– আমি সেলাইয়ের কাজ শিখতে চাই।
– ওহ্হ এটা তো অনেক ভালো কথা।
-আপনি তাহলে যেতে দিবেন?
– যেতে দিব মানে? আমি তোমাকে মহিলা টিচার রেখে দিব সে এসে শিখাবে।
– নাহ ঐ খানে সেলাইয়ের কাজ শিখানো হবে ফ্রিতে আমি সেখানে যাব।
– নাহ ঘরে বসে শিখ।
– আমি যাব এটাই শেষ কথা।
– আচ্ছা।

জায়েদ আর কোনো কথা বাড়ালো না। সে ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

আজ ১ তারিখ সুমিকে নিয়ে আমি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গেলাম। সুমি তো প্রশ্নের পর প্রশ্ন ভাবি আমি কি চান্স পাব। ভাবি তুমি তার সাথে কথা বলেছ?

– আরে হ্যা আমি কথা বলেছি। পাব মনে হয়।
– জানিনা ঐখানে গেলে কি হবে আজ। কত স্বপ্ন নিয়ে যাচ্ছি কাজ শিখতে।
– আমিও রে

– এ যে তোমরা এসে গেছ?
– হুমম তুহিন আমরা এসে গেছি। এখানে সব রেডি?
– হুমম সব ঠিক আছে। তোমরা ২ জনেই শিখতে পারবে। তবে অনেক কষ্ট হইছে ম্যানেজ করতে।
– ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের উপকার করার জন্য। এখন ঋনি আপনার কাছে। (সুমি)
– শুকনো ধন্যবাদে হবে না। (তুহিন)
-আচ্ছা আচ্ছা হইছে এখন চলো তো। (লিমা)
– আচ্ছা ভাবি এখানে ছেলে মেয়ে সবাই মিলে কাজ করবে? আমার কেমন জেন আনইজি লাগছে।
– তোমরা ২ জনের একজন কোনো টেনশন করো না। কেউ কিছু বল্লে আমাকে বলবে। আমি তো আছি নাকি। তোমরা মন দিয়ে কাজ শিখ।

এভাবে ১০ দিন ভালো মতই কাজ শিখি। বাড়িতে বসে ননদ ভাবি মিলে কাজ শিখি। আমি না পারলে সুমি দেখিয়ে দেয়। আর সুমি না পারলে আমি দেখিয়ে দেই।
সবই ঠিক ছিল। আবার তুহিন মাঝখানে এসে সব পেচ পাকিয়ে দিল।
– লিমা তোমার কাজ কেমন আগাচ্ছে?
– হুমম ভালোই।
– লিমা আজকে কাজ শিখা লাগবে না।
– চলো আজকে একটু ঘুরে আসি।
– কি বল? সুমি দেখলে বাড়িতে বলে দিবে।
– কিছু বলবে না। তুমি কাজ শেখার মাঝে বলবে আমার অনেক পেটে ব্যাথা বাড়ি যেতে হবে। তারপর সুমি আসতে চাইবে তুমি কিছু একটা বুঝিয়ে ওরে রেখে চলে আসবে। আমি ঐ বট গাছের নিচে অপেক্ষা করব।

– আচ্ছা চেষ্টা করে দেখি।

আমি তুহিনের কথামতই কাজ করলাম।

– সুমি এই সুমি।
– কি হইছে ভাবি বল।
– আমার পেট ব্যথা করছে আমি বরং বাড়ি যাই তুমি কাজ শিখ। তুমি ভালো করে শিখে আসো আমি তোমার থেকে শিখে নিব।
– আচ্ছা ভাবি যাও।

তারপর আমি ঐখান থেকে ছুটি নিয়ে চলে যাই তুহিনের সাথে।
– কি আসছ? আমি জানতাম তুমি আসবে।
– হুমম এসেছি। যা বলার বল।
– এখানে নয়। চলো অন্য কোথাও যাই লোকজন কি বলবে।
– হুমম তাও ঠিক চলো তাহলে।

তুহিন কে নিয়ে ঐদিন আমি অনেক ক্ষন ঘুরাফিরা করি। সুমি বাড়িতে যাওয়ার আগে আমিই বাড়িতে চলে গেলাম।

-সুমি তুমি এসেছ?
– হুমম ভাবি। তোমার পেটের ব্যথা কমছে?
– হুমম কমছে।
– কমলেই ভালো। আমি তো ভাবছি হটাৎ কেন ব্যথা হলো।

তারপর দুজনে মিলে ঘরের কাজ শেষ করে নিলাম। চোরের মনে সব সময় পুলিশ পুলিশ থাকে আমার অবস্থাও তেমন হলো। বার বার খালি ভাবছি যদি আমার বিষয় সবাই জানতে পারে তখন কি হবে? তাই কেউ যেন সন্দেহ না করে সব সময় সুমির সাথে আর শ্বাশুড়ি মায়ের সাথে ভালো ব্যবহার করতাম।

এখন আমি প্রায় প্রায় তুহিনের সাথে দেখা করতে যাই। ওর সাথে অনেক ঘুরাঘুরি করি।

★★★
– লিমা আমার ছেলে কে কি খাওয়ালো? ধুর আমি ও শুধু শুধু টেনশন করছি সরবতি তো দিচ্ছে। হুমম সরবত কিন্তু হাতে ঐটা কি? সরবত এর মধ্যে ওটা ভিজানোর কি দরকার ছিলো?
সুমিকে কথা টা বলতে হবে ৷ বউয়ের মধ্যে কিছু তো একটা গন্ডগোল আছে।

– সুমি তুই কি কখনো খেয়াল করেছিস।
– কি?
– তোর ভাবি প্রতিদিন তোর ভাইয়াকে সরবত করে খাওয়ায়?
– সরবত খাওয়ায় এখানে দোষের কি মা? ভাই সারাদিন কত কাজ কর্ম করে আসে ভাবি ভাইয়াকে ভালোবেসে সরবত করে দেয় তা নিয়ে তোমার টেনশন
– চুপ থাক কথা না শুনে এত কথা বলিস না। তোর ভাবি সরবত দেওয়ার আগে কি একটা যেন তোর ভাইয়ার সরবতের মধ্যে টি ব্যাগ এর মত ভিজিয়ে রেখে আবার উঠেয়ে ফেলে।
– কি বল মা?

– হুমম তাই। আমার আগে থেকেই সন্দেহ হত। আমার বড় খোকা কখনোই এমন ছিল না৷ ওর আচার আচরণ সব কিছু অস্বাভাবিক।
– মা কালকে ভাইয়া আসলে খেয়াল করতে হবে৷

আজকে সুমি জায়েদ আসার সাথে সাথে ওদের উপর নজর রাখে। ঠিকি তো ভাবি সরবত করে আবার টি ব্যাগ এর মত এটা কি ভিজাচ্ছে?
লিমা আবার ঐ জিনিসটা জায়েদের বালিসের নিচে রেখে দিল।

সুমি ওর মায়ের কাছে সব ঘটনা খুলে বলে।
– তার মানে ঐ শাঁকচুন্নি আমার ছেলেকে বস করে রাখছে?
– মা সেটাই তো মনে হয়।
– কাল সকালেই আমি হুজুরের কাছে যাব।
– মা তার আগে আমরা যখন কাজ শিখতে যাব তুখন তুমি আমাদের নেমে যাওয়ার পর ভাইয়ার রুমে যাবে আর সব কিছু ভিতরে গিয়ে দেখবে। তাবিজ গুলো বেড় করে আনবে তারপর বিকালে আমি তুমি মিলে যাব হুজুরের কাছে৷
– আচ্ছা সেটাই হবে।

পরবর্তী দিন সুমি লিমা দুজনে কাজে শিখতে চলে গেল। সেই সুজুকে জায়েদ এর মা পুরু ঘর ভালোভাবে দেখে৷ তারপর জায়েদের বালিশের মধ্যে ২ টা তাবিজ পায় একটা বালিশের নিচে আরেকটা বালিশের ভিতরে।
★★★

আমি আর সুমি বাড়িতে চলে আসি। যখন আমি রান্নাঘরে গেলাম দেখি সুমি আর শ্বাশুড়ি মা দুজনেই গভির ভাবে আলোচনা করছে। আমি যাওয়াতে তারা থেমে গেল।
– ভাবি তুমি এসেছ? এই নাও ভাইয়া লাল শাখ এনেছে এগুলো কুটো।
– হুমম দাও আমার কাছে।

আজকে সুমিকে খেয়াল করলাম বার বার আমার দিকে তাকাচ্ছে মনে হয় আমাকে কখনো দেখেনি সেই ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
– সুমি তুমি বারবার এভাবে আমাকে কি দেখছ?
– সুমি লাফিয়ে উঠে। না ভাবি আজকে তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে তাই তোমাকে দেখছি।
– পাগল ( হি হি হি)
– আচ্ছা ভাবি তোমার গলায় ঐটা কিসের তাবিজ?

কথাটা শুনে আমি চমকে গেলাম। কি বলব না বলব বুঝে উঠতে পারছি না।

– নাহ আসলে বাবু হওয়ার সময় আমার মা আমাকে দিয়েছিল যেন কোনো বদ নজর না লাগে।
– ওহ্হ ভাবি। তা তুমি তো আমাদের কখনো বলনি।
– সুমি এতো কথা বলিস না। ওর মা দিছে থাক বিয়ান হয়ত মেয়ের ভালোর জন্যই দিছে।

– মা আমি একটু ঘর থেকে আসি।
– আচ্ছা যাও।
ঘরে এসে আমি ২-৩ গ্লাস পানি খেয়ে নিলাম। মনেহয় কলিজার পানি শুকিয়ে গেল।

বিকালে সুমি ওর মাকে নিয়ে হুজুরের কাছে গেল। তার হাতে ঐ তাবিজ ২ টা দিল আর সকল ঘটনা খুলে বলল।
– হুমম আপনাদের ধারনা ঠিক আছে এটা হল বসি করন তাবিজ যার জন্য আপনার ছেলের আচরণ আগের মত না।
– হুজুর তাহলে আমরা এখন কি করতে পারি।
– আপনি রুকাইয়া করেন। আর আমি এই তাবিজ নষ্ট করে দিচ্ছি।
– রুকাইয়া কি?( সুমি)
– কুরআন এর আয়াত দ্বারা সকল প্রকার জাদু টোনা বদ নজরের চিকিৎসা।
– ওহ্হ আচ্ছা। কিন্তু হুজুর তাবিজ দুটো আজকে সন্ধায় ভাবি না পেলে তো সন্দেহ করবে।
– সমস্যা না। আমি ভিতরের সব কিছু নষ্ট করে দিচ্ছি। আপনার এই তাবিজ আবার জায়গা মত রেখে দিবেন।
– আচ্ছা।

সুমি আর সুমির মা দুজনেই চলে আসে ঘরে। এসে দেখে লিমা আলিফ কে ঘুম পাড়াচ্ছে।

– সুমি ভাবি আলিফ কি ঘুম পড়ছে?
– হুমম এইতো ঘুমালো। কেন কিছু বলবে?
– নাহ আসলে মা তোমাকে ডেকেছিল। তারাতারি যেতে বলছে। আমি ততক্ষণ আলিফের পাশে বসি।
– আচ্ছা ঠিক আছে।

লিমা বেড় হওয়ার পরই সুমি তাবিজ গুলো জায়গা মত রেখে দিল।
আমার কাজ শেষ ভাবি। তুমি এবার তোমার জালেই ধরা পড়বে।

– মা আপনি আমাকে ডেকেছেন?
– হুমম আজকে এই ফুলের কাথাটা এঁকেছি। আসো ২ জনে মিলে এটা সেলাই করি।
– এই জন্য আমাকে ডাকা লাগে ভাবছি একটু ঘুমাবো এই বুড়ি এখান আমাকে দিয়ে কাঁথা সেলাই করাবে। যত্তসব। ( মনে মনে)
– কি হলো?
– আচ্ছা চেষ্টা করছি।
_______

৫-৬ দিন পর তুহিনের সাথে ঘুরতে যাই আজ সেটা সুমি জেনে গেছে। আজকে হয়ত বাড়িতে একটা তুলকালাম ঘটনা ঘটবে।

– ভাবি এই তুহিন কে? আর প্রতিদিন তুমি এর সাথেই দেখা করতে যাও কাজ না শিখে মিথ্যা বলে এখান থেকে চলে যাও। সেদিন জলিল চাচা আর সেলিম চাচা ২ জনই বলছে তোমার কথা। তুমি নাকি এই ছেলেকে নিয়ে ঘুরতে যাও। আবার রেহানা ভাবি সেও বলেছিল যে তোমার সাথে হয়ত কারো সম্পর্ক আছে৷

আজকে তো নিজের চোখে দেখলাম। এতটা নিচ তুমি হলে কিভাবে ভাবি?

– সুমি আসলে তুমি যা ভাবছ তা না।
– আমি কি ভাবছি সেটা বাসায় চলো তাহলে বুঝতে পারবে। চলো বাড়িতে আজ।

এদিকে সব কথা জায়েদ কে জায়েদ এর মা খুলে বলে। জায়েদ সব শুনে যেন চুপ হয়ে গেল।
আর হাউমাউ করে মায়ের পা ধরে ক্ষমা চাইল।
মা আমি এতদিনের ব্যবহারের জন্য ক্ষমা চাই। আমি তোমাকে কখনো কষ্ট দিয়ে কথা বলিনি।

আর লিমা এতটা জঘন্য কিভাবে হলো আল্লাহ ও কেন এমন করল আমার ছেলের কি কোনো ভবিষ্যৎ নাই।

জানিস মিম এখান থেকেই আমার সব শেষের দিকে আমি এতটাই খারাপ ছিলাম যে পরবর্তী কথা গুলো শুনলে হয়ত তুইও আমাকে ঘৃর্না করতে শুরু করবি।

– কি বলিস এগুলো তুই কি এমন করেছিস?
,,,,,,,

,,,,,

বাড়িতে যাওয়ার পরই সবাই আমাকে একের পর এক প্রশ্ন শুরু করে। কি বলব কোনো উওর আমার কাছে নাই। নিজেকে তো যেভাবে হোক বাচাতে হবে।শেষ চেষ্টা করে দেখি।

তাই আমি সাথে সাথে নিজেকে সামলে নিলাম।

– কি সমস্যা সবাই আমার সাথে এমন করছ কেন? আমি কি করেছি? আমি নাকি খারাপ বার বার খালি ঐ ছেলেটা কে কি সম্পর্ক এগুলো জিজ্ঞেস করছ? আমি ঐ ছেলেকে চিনি না। সব সুমি জানে সুমি আমাকে ঐ ছেলের ফোন নম্বর দিছে। মাঝে মাঝে ও কথা বলত। সুমি কে জিজ্ঞেস করো কে ঐ ছেলে।

এর জন্যেই তো আগে ঘরে অশান্তি হয়েছে। সুমি আমার ফোন দিয়ে কথা বলত সেটা আমি ধরে ফেলি আর সুমি আমাকে বলতে বাড়ন করে তাই আমি কিছু বলেনি। আমি নিজে দোষ মাথায় নিছি ওর জন্যই তো ঘরে এত অশান্তি।

– ভাবি???
– চুপ কর আর একটা কথাও বলবে না আজকে তোমার সব কুকির্তি ফাঁস করে দিব। আজ আর কিছু লুকিয়ে রাখতে যাব না।

– এগুলো সব মিথ্যা।
– সব মিথ্যা তাহলে এই ছবি গুলো কি মিথ্যা??????

চলবে,,,,,,,,,

( আসসালামু আলাইকুম। ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ