Friday, June 5, 2026







প্রণয় বর্ষণ পর্ব-০২

#প্রণয়_বর্ষণ (০২)
#বোরহানা_আক্তার_রেশমী
_______________

ভার্সিটি শেষ করে স্পর্শী বাড়ি ফিরতেই খেয়াল করে লিভিং রুমে তার বাবা শাহাদাৎ শেখ, রামিয়া বেগম, আর শাহাদাৎ শেখের মা বিরস মুখে বসে আছে। একবার সেদিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়েও কিছু না বলে সিড়ি দিয়ে উপরে চলে যায়। স্পর্শীর খটকা লাগে। তার দাদী তো তাকে কিছু না বলে চুপ করে থাকার মানুষ না। তাহলে! এতকিছু পাত্তা না দিয়ে চুপচাপ রুমে গিয়ে শরীর এলিয়ে দেয়। তখনই ছোট ছোট পায়ে রুমে আসে স্পর্শ। গুটিগুটি পায়ে স্পর্শীর বিছানার ওপর উঠে আলতো হাতে মাথায় হাত রাখে। স্পর্শী চোখ বন্ধ করেই মৃদু হাসে। তারপর চোখ খুল উঠে বসে স্পর্শকে কোলে বসায়। স্পর্শ আধো আধো ভাবে বলে,

‘আপাই তোমার কি মাথা ব্যাথা করছে!’

স্পর্শী হেঁসে বলে, ‘না তো ভাইয়া। আমার একদম মাথা ব্যাথা করছে না। তুমি এখানে কিভাবে আসলে! তোমার আম্মু তো বকবে।’

স্পর্শ মন খারাপ করে বলে, ‘বকুক। আম্মুটা না শুধু শুধু বকে! তুমি কত্তো ভালো।’

স্পর্শী খিলখিলিয়ে হাসে। এটা রামিয়া আর শাহাদাৎ শেখের ছেলে। শাহাদাৎ শেখ মেয়ের নামের সাথে মিলিয়েই ছেলের নামকরণ করেছে। এতে অসন্তুষ্ট রামিয়া। ৪ বছরের ছেলেটা কে সে সব সময়ই স্পর্শীর থেকে দুরে দুরে রাখে। প্রথম প্রথম স্পর্শীও দুরেই থাকতো কিন্তু এমন কিউট একটা বাচ্চা ছেলের থেকে কি দুরে থাকা সম্ভব! উহু, একদম না। তাই তো সেও তার পিচ্চি ভাই টা কে অনেক ভালোবাসে। এ পুরো বাড়িতে রেণু আপা আর স্পর্শই তার সব। স্পর্শীর ভাবনার মাঝেই রামিয়ার রু’ক্ষ কন্ঠ কানে আসে। স্পর্শী ভ্রু কুঁচকে তাকাতেই রামিয়া এসে এক প্রকার ছিনিয়ে নেয় স্পর্শকে। স্পর্শ ভয়ে কান্না করে দেয়।

স্পর্শী আতকে উঠে বলে, ‘আস্তে ধরুন ওকে। ছোট মানুষ লেগে যাবে।’

ঝাঁঝালো স্বরে রামিয়া উত্তর দেয়, ‘আমার ছেলে আমি বুঝে নিবো। তোমার এতো দরদ দেখাতে হবে না। আর ওকে ফুসলে ফাঁসলে নিজের কাছে আনো কেন হ্যাঁ? কি কু ম’তলব আটছো তুমি!’

তাচ্ছিল্যের সুরে হেঁসে স্পর্শী বলে, ‘সবাইকে নিজের মতো কেন মনে করেন মিসেস শেখ! একটা ১৪ বছরের মেয়েকে আপনি চাইলেই র’ক্তাক্ত করতে পারেন কিন্তু আমি এমন ৪ বছরের ফুটফুটে একটা ছেলেকে কখনোই কিছু করার কথা ভাবতেও পারি না।’

স্পর্শ তখনো কাঁদছে। সেদিকে ভ্রুক্ষেপ না করে রামিয়া কড়া গলায় বললেন, ‘বে’য়া’দব। মুখে মুখে তর্ক করো! নিজের বাবার মান সম্মান তো দিন দিন খাচ্ছো আবার বড় বড় কথা!’

‘স্পর্শ কাঁদছে আগে ওকে থামান তারপর যা বলার বইলেন।’

রামিয়া স্পর্শকে কোলে তুলে ধুপধাপ পা ফেলে স্থান ত্যাগ করে। বড় করে শ্বাস ফেলে স্পর্শী। জীবনটা কেমন যেনো এলোমেলো হয়ে গেছে। রুমের দরজা লাগিয়ে মায়ের ছবির ফ্রেম বুকে আঁকড়ে ধরে। লাইট অফ করে চোখ বন্ধ করে নেয়।

রেণু আপার ডাকে স্পর্শীর ঘুম ভাঙে। বার বার দরজায় করাঘাত করছে সে। স্পর্শী ঘুম জড়ানো গলায় জোড়েই বলে, ‘আসতেছি আপা।’

রেণু দরজা ধাক্কানো বন্ধ করলো। স্পর্শী হাই তুলতে তুলতে রুমের লাইট জ্বালিয়ে দরজা খুলে দেয়। রেণু আপা হড়বড় করে বলে, ‘ এই অবেলায় কেউ ঘুমায় আপা? তোমারে নিচে ডাকে।’

স্পর্শী অলস গলায় ‘আসছি’ বলে ওয়াশরুমে ঢোকে। ফ্রেশ হয়ে মুখ মুছে ওড়না গায়ে জড়িয়ে একবার ঘড়ির দিকে তাকায়। রাত ৯ টা বাজে দেখে একটু অবাকই হলো। এতক্ষণ ঘুমিয়েছে সে! তারপর পা বাড়ায় নিচে যাওয়ার জন্য।

লিভিং রুমে এসে দাঁড়াতেই চোখ পড়ে সোফায় বসে থাকা রুদ্রের দিকে। কালো শার্টের প্রথম ২ বোতাম খোলা, হাতা ফোল্ড করে রাখা। হাতে একটা ফ্রেন্ডশিপ ব্যাস। রুদ্রকে দেখেই ভ্রু কুঁচকে গেলো স্পর্শীর। এই রাতের বেলা হঠাৎ রুদ্র এখানে! রুদ্র আর শাহাদাৎ শেখ কথা বলছিলো বলে সেদিকে আর গেলো না স্পর্শী। রুদ্র আড়চোখে একবার স্পর্শীর দিকে তাকিয়ে নিজেদের কথা বলায় মন দিলো।

স্পর্শী কিচেনে গিয়ে ফ্রিজ থেকে পানির বোতল নিতে নিতে রেণু আপাকে উদ্দেশ্য করে বলে, ‘রুদ্র ভাই হঠাৎ এ বাড়িতে কেন রেণু আপা? জানো কিছু!’

‘জানি নে আপা। ১ ঘন্টার মতোন হইবো আইছে, আইসা থেইকাই কি সব কথা আলোচনা করতেছে।’

স্পর্শী আর কিছু বললো না। পানির বোতল নিয়ে হাঁটা লাগালো নিজের রুমের দিকে। কিন্তু ২ সিড়ি পা রাখতেই পেছন থেকে গম্ভীর গলায় শাহাদাৎ শেখ ডাকলেন, ‘স্পর্শী!’

স্পর্শী পেছনে তাকায় জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে। শাহাদাৎ শেখ শান্ত গলায় বলে, ‘তোমাকে আমি ডেকেছিলাম কিছু কথা বলার জন্য।’

স্পর্শী সিড়ি ডিঙিয়ে আবার নেমে আসে। রুদ্র সোফায় হেলান দিয়ে স্পর্শীর দিকেই তাকিয়ে আছে। স্পর্শী সামনাসামনি দাঁড়াতেই শাহাদাৎ শেখ কাঠকাঠ গলায় বললেন,
‘আজকে যারা তোমাকে দেখতে আসতে চেয়েছিলেন তাদের আমি সামনে সপ্তাহে আসতে বলেছি। আর সেদিন আমি কোনো রকম অজুহাত বা কথা শুনবো না।’

স্পর্শী কিছু বললো না। কিছু বলা বৃথা তা সে জানে। তাই উল্টো ঘুরে সিড়ির দিকে যেতে যেতে বললো, ‘আপনার কাজ আপনি করুন আমার কাজ আমি করবো।’

‘তুমি কাল থেকে রুদ্রর সাথে ভার্সিটি যাবে এবং আসবে!’

এ পর্যায়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায় স্পর্শী। ঝাঁঝালো কণ্ঠে বলে, ‘আপনার অর্ডার শুনতে আমি বাধ্য নয় আর আপনার এই ভাগ্নেকে বলবেন আমার থেকে গুণে গুণে ৪ হাত দুরে থাকতে। এসব গু’ন্ডা মা’স্তান নিয়ে আমি চলি না।’

স্পর্শীর কথা কর্ণপাত হতেই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে নেয় রুদ্র। এতটুকু পিচ্চি একটা মেয়ের এতো সাহস তাকে গু’ন্ডা মা’স্তান বলে! দপদপ করে জ্বলে উঠে কপালের নীল রগ। স্পর্শীও ধুপধাপ পা ফেলে চলে যায় নিজের রুমে। দরজা আটকে দিয়ে পানির বোতল রেখে ব্যালকনিতে দাঁড়ায়। মৃদু হাওয়া এসে ছুয়ে যায়। রাস্তার পাশের ল্যাম্পপোষ্ট জ্বলছে। এখনো দু/একজন লোক চলাচল করছে। রাস্তার পাশে থেকে থেকে কুকুর ডেকে উঠছে। সামান্য কেঁপে ওঠে স্পর্শী। ঠিক সেসময়ই কিছু পড়ার শব্দে চমকে ওঠে সে। পেছনে তাকাতেই দেখে রুদ্র ব্যালকনির এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে আর নিচে ফুলের টব পড়ে আছে। স্পর্শী হঠাৎ রুদ্রকে দেখে কিছুটা চমকায় তারপর নিজেকে সামলে ভ্রু কুঁচকে বলে,

‘আপনি এখানে কেন? কিভাবে আসলেন?’

রুদ্র বাঁকা হাসে। দু পা এগিয়ে এসে রেলিংয়ের ওপর বসে। তারপর শান্ত কন্ঠে বলে, ‘ক্রি’মিনালি মাইন্ড ইউজ করে আসছি।’

স্পর্শী খানিকটা কেঁপে ওঠে। তারপর বলে, ‘অ’ভদ্রের মতো একটা মেয়ের রুমে চলে আসলেন!’

রুদ্র বাঁকা হেঁসে স্পর্শীর একদম কাছে আসে। না ছুঁয়ে ফু দিয়ে চুল উড়িয়ে দিয়ে বলে, ‘তখন কি বললি! আমি গু’ন্ডা? মা’স্তান?’

স্পর্শী দুকদম পিছিয়ে যায়। হাত বগলদাবা করে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে বলে, ‘ভুল কিছু বলিনি।’

রুদ্র পাশে থাকা একটা ফুলের টব নিয়ে জোড়ে ফেলে দেয়। স্পর্শী চমকায়। রুদ্রর চোখ দেখে ভয় পায়। লোকটাকে ইগনোর করলেও ভালো রকমের ভয় পায় সে তবুও কখনো প্রকাশ করে না। স্পর্শী কাঁপা কাঁপা গলায় বলে, ‘ক-কি করছেন?’

রুদ্র চোখ লাল করে তাকায়। দ্রুত পায়ে এগোয় স্পর্শীর কাছে। ঘটনার আকস্মিকতায় স্পর্শী নিজেও পিছিয়ে দেয়ালের সাথে ঠেস দিয়ে দাঁড়ায়। রুদ্র স্পর্শীর দুপাশের দেয়ালে হাত রেখে মুখ একদম স্পর্শীর মুখ বরাবর আনে। দাঁতে দাঁত চেপে বলে,

‘রুদ্র কোনো গু’ন্ডা, মা’স্তান নয়। যতটুকু যা সবটাই তোর জন্য। আর কখনো কিছু বলার আগে ভেবে বলবি নয়তো গু’ন্ডা, মা’স্তানের মতো বিহেভ করে দেখাবো। মাইন্ড ইট!’

গটগট করে বেড়িয়ে যায় স্পর্শীর রুম দিয়ে। বেচারা রাগে ভুলেই গেছে যে সে বেলকনিতে দরজা দিয়ে নয় পাশের রুমের বেলকনি টপকে এসেছে। রুদ্র রুম থেকে রেগে ধুপধাপ পায়ে বের হওয়ার সময় তাকে চোখে পড়ে যায় রামিয়ার। ভ্রু কুঁচকে তাকায় সেদিকে। মনে মনে শ’য়’তা’নি হাসি হাসে।

রুদ্র চলে গেলেও স্পর্শী আহম্মকের মতো তাকিয়ে আছে। সামান্য গু’ন্ডা, মা’স্তান বলাতে এতো রেগে গেলো কেন? সে যেমন তাই তো বলেছে স্পর্শী। এতে এতো রাগার কি আছে? আর এতসব ডায়লগ কাকে শুনালো! কনফিউজড চোখে বেলকনিতে পড়ে থাকা টবের দিকে তাকায়।

______________
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে বের হতে নিলে বাহিরে রুদ্রকে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ভ্রু কুঁচকায়। এমনিতে তো মহাশয় সকাল ১০/১১ টার আগে ঘুম থেকে উঠে না আর আজ সুন্দরমতো রেডি হয়ে চলে এসেছে! স্পর্শী ভালো মতো পর্যবেক্ষণ করে রুদ্রকে। গায়ে একটা কফি কালার টি শার্টের ওপর জ্যাকেট জড়ানো। বরাবরের মতো জ্যাকেটের চেইন খুলে রাখা। বাইকের ওপর বসে মন দিয়ে ফোন টিপছে। মাথা নিচু করে থাকায় চুলগুলোও খানিকটা নিচু হয়ে আছে। নিঃসন্দেহে যে কেউ মানুষটাকে দেখে ক্রাশ খাবে কিন্তু প্রেমে বিদ্বেষি স্পর্শী বরাবরই রুদ্রকে অপছন্দ। এর একমাত্র কারণ তার বাবা, দাদী আর ফুপি! স্পর্শী দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিড়বিড় করে আওড়ায়,

‘ভাব দেখলে মনে হবে কোন রাজ্যের রাজকুমার যেনো! যত্তসব ঢঙ। এই হালকা ঠান্ডা তেও কেউ জ্যাকেট পড়ে! মানে এটার কি গরম লাগে না? আজব।’

রুদ্র ফোন থেকে চোখ তুলে স্পর্শীকে নিজ মনে বকবক করতে দেখে গম্ভীর কন্ঠে বলে, ‘ভুতের সাথে সাক্ষাৎ শেষ হলে এখন বাইকে উঠ।’

‘আপনার বাইকে কেন উঠবো?’

‘কারণ আজ থেকে তুই আমার সাথে প্রতিদিন ভার্সিটি যাবি & আসবি।’

স্পর্শী বিরক্তির কন্ঠে বলে, ‘আমি আপনার সাথে যাবোও না আর আসবোও না। আপনার মামাকে গিয়ে ভার্সিটি ড্রপ করে দেন।’

স্পর্শী একমুহূর্তও দাঁড়ায় না। হাঁটা লাগায় সামনের দিকে। পেছন থেকে রুদ্র শান্ত কন্ঠে বলে, ‘চুপচাপ বাইকে উঠ। আমি বাইক থেকে নামলে সেইটা কিন্তু তোর জন্য ভালো হবে না। গু’ন্ডা, মা’স্তানরা কিন্তু সবই পারে।’

রুদ্রের ঠান্ডা গলার হুমকিতে থতমত খায় স্পর্শী। তবুও সে নিজের জেদে অটুট। কিছুতেই সে যাবে না রুদ্রের সাথে। সে মোটেও ভয় পাই না রুদ্রকে। নিজে নিজে অনেক কথা বলতে বলতে এগোতে থাকে। পেছন থেকে রুদ্র রাগী চোখে তাকিয়ে একবার ভাবে বাইক থেকে নেমে থা’প’ড়াইয়া স্পর্শীকে বাইকে উঠাবে। পরক্ষণেই ভাবে অন্যভাবে শিক্ষা দিবে। তাই শিষ বাজাতে বাজাতে বাইক স্টার্ট দেয়। স্পর্শীর পিছে পিছে আস্তে বাইক চালায়। রুদ্রের বাইকের স্পীড দেখে ভ্রু কুঁচকায় স্পর্শী। বিড়বিড় করে আওড়ায়,

‘বাইক নাকি ঘোড়ার গাড়ি চালাচ্ছে? অন্যসময় তো উড়িয়ে উড়িয়ে বাইক উড়োজাহাজ বানিয়ে ফেলে আর এখন ঘোড়ার গাড়ির মতো বাইক চালাচ্ছে! না না ঘোড়ার গাড়ির মতো বললেও ঘোড়ার গাড়ি অপমানবোধ করবে। ঘোড়ার গাড়িও এর থেকে জোড়ে চলে।’

কথাগুলো রুদ্রের কানে গেলে আজ স্পর্শী সরাসরি আকাশে উড়তো। ভাগ্য ভালো তাই রুদ্র কথা গুলো শুনতে পায়নি। স্পর্শী রাস্তার পাশে দাঁড়ায় রিক্সার জন্য। রুদ্রও বাইক থামিয়ে বাইকের ওপর বসে থাকে। সামনে দিয়ে যতগুলো রিক্সা যাচ্ছে কেউই স্পর্শীকে নিয়ে যাচ্ছে না। রুদ্রকে দেখেই সবাই একপ্রকার ছুটে যাচ্ছে। স্পর্শী বিরক্তির চোখে তাকায় রুদ্রের দিকে। তার ঢের বোঝা হয়ে গেছে আজ এই রুদ্রের ঘাড়ে বসেই তার ভার্সিটি যেতে হবে। সবই কপাল! রুদ্র তখন ফোন স্ক্রল করতেছে আর শিষ বাজাচ্ছে। স্পর্শী দাঁতে দাঁত চেপে গটগট করে এসে রুদ্রের বাইকে বসে। এছাড়া আর আজ উপায় নাই। অলরেডি সে লেইট করে ফেলেছে এরপর আর ভার্সিটি যেতে হবে না আর গেলেও টাকলু স্যার তার মোটা, কর্কশ গলায় কয়েকটা কথা বলবে তা শুনে স্পর্শীর অজ্ঞান হওয়ার জো হবে তার থেকে এই বডি বিল্ডারের বাইকে যাওয়াই ভালো। স্পর্শী বাইকে উঠতেই রুদ্র বাঁকা হাসে। ফোন পকেটে ঢুকিয়ে মনে মনে আওড়ায়,

‘পিচ্চি একটা মেয়ে আসছে রুদ্রর সাথে জেদ দেখাইতে! তোর জেদ তোর মতোই ফাটা বেলুন হয়ে ফুটতে থাকবে।’

চলবে..
(আসসালামু আলাইকুম। ভুলত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ