Saturday, June 6, 2026







বিরহ ভালোবাসা পর্ব-০৭

#বিরহ_ভালোবাসা
#Tahmina_Akhter

৭.

পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র পেয়েও আমি হতাশ হলাম খুব। যা কিছু পড়েছিলাম সব ভুলে গেছি। ইচ্ছে করছিল নিজের চুলগুলো সব টেনে ছিঁড়ে ফেলি।

অশান্ত মনটাকে শান্ত করবার জন্য স্থীর হয়ে বসলাম। তারপর, কয়েকবার দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে হালকা করার চেষ্টা। ধীরে ধীরে মস্তিষ্ক শান্ত হয়ে আসে। আবারও পরীক্ষার খাতায় মনোনিবেশ করলাম। ব্যস,ধীরে ধীরে সব প্রশ্ন যেন চোখের সামনে সলভ হয়ে যাচ্ছিল।

পরীক্ষা শেষ। কেন্দ্র থেকে বের হয়ে দেখি অদূরে একটি ছোট্ট চায়ের দোকানে সামনের ছোট বেঞ্চিতে বসে শাদাদ ভাই মনের সুখে সিগারেটের ধোঁয়া নির্গত করে পরিবেশ দূষণ করছেন। শাদাদ ভাইয়ের কিছু কাজ-কর্ম দেখলে রাগ না হওয়া মানুষের পর্যন্ত রাগ জন্মে যায় গায়ে। আমারও হলো তাই। সোজা শাদাদ ভাইয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। শাদাদ ভাই আমাকে দেখে হাতের সিগারেটটা একটান দিয়ে শেষ করে পায়ের নীচে ফেলে দুমড়েমুচড়ে ফেললেন। হাত বাড়িয়ে বললো,

— দেখি প্রশ্নটা? সব কমন এসেছে তো?

আমি প্রশ্নপত্রটা শাদাদ ভাইকে দেখালাম না। মুখ কালো করে বললাম,

— রিকশা ডাক দাও। বাড়িতে যাব।

শাদাদ ভাই কথা বাড়ালেন না। রিকশা ডেকে আনলেন। আমি রিকশায় চড়ে চুপচাপ বসে রইলাম। শাদাদ ভাই আমার পাশে উঠে বসতেই রিকশা চলতে শুরু করেছে। বেশকিছু সময় ধরে হয়তো আমার নিরবতা খেয়াল করেছেন শাদাদ ভাই। নিজেও কিছু বলার জন্য হাসফাস করছেন। উনার ছটফটে স্বভাব দেখলে যে কেউ বলে দিতে পারবে।

— এই মধু পরীক্ষায় খারাপ করলি নাকি? চুপ করে আছিস যে? পরীক্ষায় খারাপ করলি কি করে? বছর ধরে বইয়ের মধ্যে মাথা ঢুকিয়ে রাখিস। কারো দিকে তোর তাকানোর সময় নেই। সেই যদি তুই পরীক্ষায় খারাপ করিস তাহলে কেমনে হবে?

— আমি কি একবারও বলেছি যে আমার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে!

শাদাদ ভাইয়ের কথায় রাগ যেন শতগুণ বেড়ে গেছে। একপ্রকার চিল্লিয়ে কথাটি বলেছি বিধায় রিকশাওয়ালা মামা রিকশা থামিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইলেন। শাদাদ ভাই একপলক আমার দিকে তাকিয়ে রিকশাওয়ালা মামাকে অনুরোধ করলো, রিকশা চালানোর জন্য। রিকশা যখন তিন রাস্তার মোড়ে এলো হুট করে মুষল ধারে বৃষ্টি এসে সব ভিজিয়ে দেয়। এই তো কিছুক্ষণ আগেও কি সুন্দর তপ্ত রোদ মাথার ওপর জানান দিচ্ছিলো সূর্যমামার উপস্থিতি। এই মূহুর্তে পরিবেশের এমন পরিবর্তন দেখলে কে বলবে কিছু সময় আগেও রোদ ছিল!

হুট করেই খেয়াল করলাম শাদাদ ভাই রিকশাওয়ালা মামার সঙ্গে রাগারাগি করছে কেন রিকশার সামনে পলিথিন দিয়ে রাখেনি। এখন তো বৃষ্টিতে ভিজতে হচ্ছে। পরীক্ষার কাগজপত্র নষ্ট হয়ে গেলে তখন এর দায়ভার নিবে কে? আমি শাদাদ ভাইয়ের বামহাতের ওপর হাত রাখলাম। শাদাদ ভাই হুট করে চুপ হয়ে গেলেন। নিজের হাতের দিকে চমকিত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আমার দিকে প্রশ্নসূচক চোখে তাকিয়ে আছেন। আমি হাত সরিয়ে শাদাদ ভাইকে বললাম,

— দেখছেন না ফাইলে আছে সবকিছু। কাগজপত্রের কিছুই হবে না। শাদাদ ভাই দেখেন না আজ কত চমৎকার বৃষ্টি হচ্ছে!

লতা কথাগুলো বলতে বলতে হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির পানি ছুঁয়ে দেয়। শাদাদ তখনি খেয়াল তার পাশে বসা সপ্তদশী এক কন্যা বসে আছে। বৃষ্টির তোড়ে ঝাপটে আসা বিন্দু বিন্দু জল সেই কন্যার মুখে জায়গায় করে নিয়েছে। কুসুম রঙা গায়ে স্বচ্ছ জল মিশে যেন অনন্য এক রুপের ঝলক সেই কন্যার গা থেকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে। শাদাদ চোখ ফিরিয়ে রাস্তার পাশে তাকালো। ঢোক গিলে নিজেকে স্বাভাবিক করার বৃথা চেষ্টা চালাচ্ছে। গলা শুকিয়ে আসে শাদাদের। চোখ ধাঁধিয়ে অন্তরে আগুন লাগে। নিজের মনকে কোনো শাসনে বাঁধতে চায় না আজ। মন বলছে হোক না একটা অন্যায় তবুও তো একটিবার মধুকে ছুঁয়ে দেবার অদম্য আগ্রহ ঘুচে যাবে। কিন্তু, মস্তিষ্ক বলছে, সে পবিত্র। তাকে পবিত্র কোনো বন্ধন ছাড়া ছুঁয়ে দিয়ে নোংরা করো না।

শাদাদ যেন নিজের স্নায়ুযুদ্ধে পরাজিত সৈনিক। হুট করে রিকশাওয়ালা মামাকে অনুরোধ করলো। রিকশা থামিয়ে দিতে। রিকশা থামে। শাদাদ নেমে যায়। মানিব্যাগ থেকে দশ টাকার তিনটি নোট দিয়ে অনুরোধ করে সামনে ১০নং বিল্ডিংয়ের সামনে লতাকে নামিয়ে দিতে। লতা শাদাদকে একটিবার জিজ্ঞেস করতে চায়। কিন্তু পারে না। শাদাদ ভাই মানুষটাই এমন হুটহাট এমন আচরণ করে কিছুই বোধগম্য হয় না তার।

রিকশা শাদাদকে রেখে চলে যায়। শাদাদ রাস্তার পাশে ফুটপাতের ধারে বসে আছে। বৃষ্টির পানিতে শাদাদ ভিজছে। চোখের সামনে লতার ভিজে যাওয়া মুখটাই ভেসে ওঠেছে। মনের কোণে লুকায়িত ভালোবাসা আজ হৃদয়কে ধিক্কার জানিয়ে নিজের অনুভূতির পঙক্তিমালা গাঁথতে চাইছে। শাদাদের মস্তিষ্কে তখন একটি বাক্য চলছে,

“ভালোবাসা চাইতে গেলেই কেন মরণ অনুভূতি হয়?”

লতা কাক ভেজা হয়ে বাড়িতে প্রবেশ করলে। রুপা এসে শুকনো টাওয়াল দিয়ে লতার ভেজা মাথা মুছে দেয়। রুপা শাদাদের কথা জিজ্ঞেস করলে লতা জানায় শাদাদ মোড়ের কাছে নেমে গেছে। লতা নিজের ঘরে চলে যায়। ওয়াশরুমে গিয়ে গোসল সেড়ে বের হয়। গোসল করার পর মনে হলো যে কিছু খাওয়ার দরকার। তড়িঘড়ি করে নীচে চলে যায় ডাইনিং টেবিলের কাছে। গিয়ে দেখলো সবাই দুপুরের খাবার খেতে বসেছে। লতা গিয়ে একটা চেয়ার টেনে বসলো। তৃনা লতার প্লেটে ভুনা খিঁচুড়ি আর গরুর মাংসের ঝালভুনা তুলে দিলেন। লতা খুশি হয়ে একলোকমা মুখে তুলতেই, মনে পরলো শাদাদ ভাইয়ের পছন্দের খাবার খাচ্ছে আজ সবাই। কিন্তু, শাদাদ ভাই কোথায় যে গিয়েছে?

খচখচানি ভাবটা নিয়ে খাবার শেষ করে ঘরের দিকে যাচ্ছিলো লতা। এমনসময় চোখে পরলো সদর দরজার দিকে। শাদাদ ভাই বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাড়ির পথ ধরে এগিয়ে আসছেন। লতা একদৌঁড়ে সোফার ওপরে থাকা টাওয়াল নিয়ে দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। শাদাদ ভাই ভেতরে এলে লতা টাওয়াল এগিয়ে দেয় শাদাদের সামনে। হাত বাড়িয়ে দেয়া মানুষটার মুখের দিকে তাকিয়ে শাদাদ কিছু না বলে লতাকে এড়িয়ে নিজের ঘরে দিকে চলে যাচ্ছে। এদিকে লতা হা করে শাদাদের দিকে তাকিয়ে রইলো।

লতা কিছুটা অপমানিতবোধ করে। হাতের টাওয়ালটা ছুড়ে মারলো সোফার ওপর। নিজের ঘরে চলে যায়। জানালার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো লতা। মাঝে মাঝে শাদাদ ভাইয়ের কিছু কথা, কিছু আচরণ বুঝে উঠতে পারে না। রিকশায় উঠলো ভালো। কিন্তু, এরমাঝে এমন কি হলো যে শাদাদ ভাই এমন উইয়ার্ড বিহেভ করেছে?

লতা বিগত বছরগুলোতে ঘটে যাওয়া ব্যাপারগুলো ভাবছে। যেখানে শাদাদ ভাই কখনো বুঝিয়েছে তিনি লতাকে ভালোবাসেন। আবার কখনো কখনো এটা বুঝিয়েছেন লতার কোনো অস্তিত্ব নেই উনার জীবনে। যা কিছু আছে তা সবটাই একটা কাজিন অন্য কাজিনদের মধ্যে থাকে। এতকিছুর পরও একটা কিন্তু রয়ে যায়। আর সেটা হলো শাদাদ ভাই হয়তো লতাকে ভালোবাসে কিন্তু বলতে চায় না।

_____________________

রাত নয়টা…

রুপা আপা, লতা মিলে ড্রইংরুমে বসে লুডু খেলছিল। লতার হেরে যাওয়ার চান্স বেশি। মন খারাপ করে লতা লুডুতে চাল দিচ্ছে। রুপা তার তৃতীয় গুটি ঘরে প্রবেশ করিয়ে দিলো। লতা হতাশ হয়ে হাতে বাড়ানোর আগে একটি হাত এসে লতার চাল দিলো। দুটো ছক্কা এবং একটি পাঁচ। ব্যস লতা অনেকখানি এগিয়ে যায়। রুপা রেগে গিয়ে বললো,

— শাদাদ মাইর খাবি আমার হাতে। তুই কোত্থেকে এসে খেলার মাঝে ঢুকে পরলি?

শাদাদ ভাই লতার পাশে পা গুটিয়ে বসলো। রুপা আপার দিকে হাসিমুখে তাকিয়ে বললো,

— আমাদের মধু হেরে যাবে ভেবেই মুখটা এইটুকুন হয়ে গেছে; দেখছো না? তাই একটু হাতের পরশ দিলাম। নে মধু এবার তোর চাল তুই দে।

লতা অবাক হয়ে কিছু সময় ধরে শাদাদ ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে থেকে খেলায় মনোযোগ দেয়। শেষমেশ আমাদের লতা জিতে যায়। রুপা আপা রেগেমেগে শাদাদ ভাইয়ের পিঠে দু’চারটা কিল-ঘুষি দিয়ে নিজের ঘরের দিকে চলে যায়।

শাদাদ ভাই এদিকে বোনের হাতে মার খেয়ে বোকার মতো হাসছে। লতা শাদাদ ভাইয়ের হাসি দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। শাদাদ ভাই হাসলে উনার চোখদুটো ছোট হয়ে আসে। ডানগালের খাজটা আরও দেবে যায়। এই প্রথম কোনো ছেলের হাসিতে বুঝি লতার মনে ফাগুনের হাওয়া লেগেছে।

লতা যখন পলকহীন চোখে শাদাদ ভাইকে দেখতে ব্যস্ত ঠিক তখনি শাদাদ ভাই প্রশ্ন করে,

—- কি রে পড়াশোনা বাদ দিয়ে লুডু খেলায় নাম লিখিয়েছিস কবে?

— বাংলা পরীক্ষা দুদিন পর। তাই একটু খেলছিলাম। বাইরে বৃষ্টি সাথে দুকাপ রং চা আর দুই বোন মিলে লুডুর খেলা; ব্যস জমে উঠেছিল খুব।

লতা মুগ্ধতার দেশ থেকে বের হয়ে শাদাদের প্রশ্নের জবাব দেয়। শাদাদ মুচকি হেসে ওঠে যাচ্ছিলো এমন সময় লতার প্রশ্ন শুনে পায়ের গতি থেমে যায় শাদাদের। শাদাদ ঘাড় ফিরিয়ে লতার দিকে গাঢ় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে অবিশ্বাস্যের সুরে জিজ্ঞেস করলো,

— কি বললি, মধু?

লতা কাঁপা কাঁপা বুকে শাদাদকে ফের প্রশ্ন করে।

—- ভালোবাসতে গেলে কি লাগে?

লতার প্রশ্নে চমকিত দৃষ্টিতে তাকায় শাদাদ। পায়ে হেঁটে লতার পাশে গিয়ে বসে। লতার চোখে চোখ রাখে। কিন্তু, লতা শাদাদ ভাইয়ের চোখে চোখ রাখতে পারে না। দৃষ্টি নিচে নামিয়ে ফেলে। শাদাদ ভাই কিছুটা সময় নিলেন উত্তর দিতে।

—- ভালোবাসতে গেলে প্রচুর সাহস লাগে। এতটাই সাহস লাগে যতটা সাহস নিয়ে একটা নির্যাতিত গোষ্ঠি নিজেদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে নামতে পারে।

— তারমানে আপনার কাছে ভালোবাসতে যাওয়া মানে মনে প্রচুর সাহস রাখা।

— হুম। সাহস ছাড়া ভালোবাসা যায় নাকি। তুই একজনকে ভালোবাসিস কিন্তু মনে সাহস জুটাতে পারছিস না বলে বলতে পারছিস না। তাহলে ভেবে দেখ ভালোবাসতে গেলে সাহসের প্রয়োজন আছে কি না?

শাদাদ ভাই যান্ত্রিক গলায় কথাগুলি বলে উঠে নিজের ঘরের দিকে যেতে যেতে আনমনা হয়ে বলছেন,

—-মনে সাহস নেই বলেই তো তোকে “ভালোবাসি” শব্দটা বলতে পারি না রে মধু। ভালোবাসার আগে মনের সাহস কেন জুটালাম না আমি?

#চলবে…

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ