Saturday, June 6, 2026







তুমি নামক নেশা পর্ব-০৮

#গল্প_তুমি_নামক_নেশা
#লেখিকা_Sabirina_Khanam

Part: 08

মিহির মামি মিহিকে থাপড়ে থাপড়ে বাড়ি থেকে চুলের মুটি ধরে বের করে দিচ্ছে। মিহি বারবার বলছে মামি আমাকে ছেড়ে দাও আমি এই ব্যাপারে কিছুই জানিনা। কিন্তু মিহির মামি মিহির কোনো কথাই শুনলোনা। ধাক্কা দিয়ে মেয়েটাকে বাড়ি থেকে বের করে দিল। আর বলল,,,

হারামজাদি আর যদি তোর মতো এই চরিত্রহীনার মুখ আমার সামনে যাতে না দেখি। যা চলে যা এই বাড়ি থেকে।

এই বলে মিহির মামি মিহির মুখের উপর সদর দরজা বন্ধ করে দিলো। মিহি নিজেকে প্রমান করার কোনো সুযোগই পেলো না।

কিছুক্ষণ আগের ঘটনা…..

মিহির মামি বসে বসে টিভি দেখছিলেন। হঠাৎ করে বাসার কলিং বেল বেজে উঠায় সে খানিকটা বিরক্ত হলেন। সে ভেবছিলেন মিহি এসেছে। একটু রাগী রাগী ভাব নিয়ে সে উঠে বাড়ির সদর দরজা খুললেন। খুলে সে তার আশানুরূপ মানুষটিকে দেখেননি। সে একজন অপরিচিতা মহিলা আর একটা মেয়েকে দেখলেন। মিহির মামি অপরিচিতা মহিলাকে জিজ্ঞেস করলেন,,,

কাকে চাই?

সেই মহিলা বললেন,,, আমি আয়াশের মা।

,,,কোন আয়াশ।

পাশের মেয়েটি বলে উঠলো,,,রকস্টার আয়াশ।

,,,ওহ আচ্ছা। তো আপনাদের আমার বাড়িতে কি?

,,,আমি আপনার মেয়েকে আমার ছেলের বউ অর্থাৎ আয়াশের বউ করে নিতে চাই। আমি আর মায়া এই ব্যাপার এই কথা বলতে এসেছি।

মিহির মামি বুঝতে পারলেন পাশের মেয়েটির নাম মায়া। কিন্তু আয়াশের মা তার মেয়েকে নিজের বাড়ির বউ করে নিতে চান এই কথা শুনেই সে খুশিতে আটখানা। মিহির মামি বললেন,,,

আসুন আপা, বাহিরে কেনো দাঁড়িয়ে আছেন? ভিতরে আসুন।

মিহির মামির সাথে মায়া আর মিসেস আসমা বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলেন। এরপর মিহির মামি মিসেস আসমা আর মায়ার সাথে টুকটাক কিছু কথা বললেন। তাদের কিছু খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করলেন। মিহির মামি নিজের মেয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। হঠাৎ মিসেস আসমা বললেন,,,

আপা আমরা একবার আপনার লক্ষী মেয়েটার সাথে দেখা করে যেতে চাই।

,,,হ্যাঁ হ্যাঁ আপা অবশ্যই। রিসা মা এদিকে আয় তো?

,,,একমিনিট আপা আপনি কার নাম নিলেন?

,,,কার নাম আর কি? রিসা আমার মেয়ের নামই নিয়েছি।

,,,মিহির আরেক নাম কি রিসা?

,,,মিহি?

এরমধ্যে রিসা সেখানে উপস্থিত হলো। সে সবার কথাবার্তা দাঁড়িয়ে শুনছে।

মায়া রিসাকে দেখে বলল,,, মা এই মেয়ে তো মিহি না।

মিসেস আসমা বললেন,,, হ্যাঁ আপা আমরা তো মিহির ব্যাপারে কথা বলছিলাম। রিসা এর কথা তো বলিনি। মিহি কোথায়? ওকে ডাকুন।

মিহির মামি মিসেস আসমার কথা শুনে অনেক রেগে গেলেন। আর বললেন,,,

বের হন, বের হন এখনি আমার বাড়ি থেকে। আর এক মুহুর্তও আপনাদের আমি এই বাড়িতে দেখতে চাই না।

মিসেস আসমা বললেন,,, আরে আপা শান্ত হন। মিহি কোথায়? ও কি এখন বাড়িতে নেই?

,,, এই বাড়িতে মিহি বলতে কেউ থাকেনা। আর আপনারা বের হন এই বাড়ি থেকে।

মিহির মামি মিসেস আসমা আর মায়াকে বের করে দিলেন। মিসেস আসমা আর মায়া মিহির মামির এহেন আচরনে বেশ অবাক হয়েছেন। অন্যদিকে একটু আগে যা যা ঘটলো তা রিসার মাথার উপর দিয়ে গেলো। মিহির মামি তো রাগে সাপের মতো ফুসছেন। রিসা তার মাকে জিজ্ঞেস করল,,,

কি হয়েছে মা? ওনারা কারা ছিলেন? আর এখানে কি করতে এসেছিলেন? আর তুমি তাদের সাথে এমনই বা করলে কেনো?

মিহির মামি বললেন,,, ওরা মিহির সমন্ধ নিয়ে এসেছিল। দিয়ে দিয়েছি তাড়িয়ে। আর আজ মিহি আসুক বাসায়। আজ আর ওর রক্ষে নেই।

আর অন্যদিকে সেই সময়ে মিহি অনাথ আশ্রমে ছিলো। বাচ্চাদের সাথে খেলছিল সে। আর মন থেকে একটু অপেক্ষা করছিলো আজ যদি একটু আয়াসজ আসতো আর সে যদি আয়াশকে কিছুক্ষনের জন্যে দেখতে পেতো। আয়াশকে এক নজর দেখার জন্যে মিহির মন৷ ছিলো উতলা। কিন্তু দুর্ভাগ্য আজ তো আয়াশ আসলোই না। সেও মন খারাও করে বাসায় ফিরে গেলো। সে তো আর জানতো না যে আজ বাসায় তার জন্যে কি অপেক্ষা করছে।

মিহি যখন বাসায় ফেরে তখনই মিহির মামি মিহিকে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। মিহি তো কারনও জানেনা যে কেন তাকে এভাবে মারা হচ্ছে। মিহির মামি মিহিকে বলে,,,
আর কয়টার সাথে থাকছিলি? আর কয়টা আসবো এই বাসায় তোর জন্যে?

মিহি বলল,,,মামি তুমি কি বলছ আমি তো কিছুই বুঝতে পারছিনা। আর তুমি এমন বাজে কথা বলছো কেনো?

মিহির মামি মিহিকে মারতে মারতে বললেন,,,

ওহ আমি এখন বাজে কথা বলছি? ওরা তো মনে হয় খুব সুন্দর করে কথা বলে। কিরে তুই এসবের আগে তোর মরা মামার কথা নাহয় নাই ভাব, আমাদের কথাও নাহয় নাই ভাব, তোর মরা মা বাপের কথাও ভাবলি না?

মিহি কাদতে কাদতে বলল,,, মামি তুমি কি বলছো আমি কিছুই বুঝছিনা।

মিহির মামি বলল,,, এখন বুঝবি কেমনে? এখন তো তুই সাধু তাইনা? ওই আয়াশের পরিবার তোকে নিয়ে যেতে এসেছিল, বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। তা কি করেছিস ওদের সাথে যে ওরা তোর মতো মেয়েকে বাড়ির বউ বানাতে এসেছিল?

মিহির মামির কথা শুনে মিহির চক্ষু চড়কগাছ। আয়াশের পরিবার এসেছিল। কিন্তু তাতে ওর মামি এমন ওর চরিত্র নিয়ে কথা বলছে কেনো?

মিহির মামি মিহিকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে মিহিকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আর বাকিটুকু তো আপনারা জানেনই।

বর্তমানে……

মিহি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। আর একলা একলা নিরবে চোখের অশ্রু ফেলে চলেছে। সে এখন কি করে ভেবে পাচ্ছেনা। তার সাথে কিছুই নেই। না আছে টাকা আর না আছে ফোন যা দিয়ে সে কারো সাথে যোগ করতে পারবে। একটা পড়নের কাপড়েই তাকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে।

আবিরের খুব মাহির কথা মনে পরছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য মাহির ফোন নাম্বারও তার কাছে নাই। সে আয়াশকে ফোন দিলো। আয়াশ রিসিভ করার পর নিজেই বলল,,,

কি বন্ধু কেমন আছো?

,,,ভালো না রে।

,,, কেন কি হইছে তোর আবার?

,,,মাহি

,,,কি মাহি?

,,,ওকে খুব মিস করছি।

,,,তো?

,,,তো মানে কি? তুই মিহি ভাবিকে মিস করিস না নাকি?

,,,করি তো। কিন্তু হয়তো আমার মিস করার দিন ফুরায় আসছে। এখন শুধু বিয়ের অপেক্ষা।

,,,মিহি ভাবির পরিবার রাজী?

,,, জানিনা কিন্তু রাজী হতে কতক্ষণ। মা তো ওখানেই আছে মায়া ভাবির সাথে। এখন ওরা ফিরলে জানতে পারব।

,,,ওহ ভালো তো।

,,,হুম, তা তুই এতো মনমরা কেন?

,,,মাহি

,,,আরে কি মাহি?

,,,আমার কাছে মাহির নাম্বারটাও নাই। ওকে খুব মিস করছি। তাই তো তোকে কল দিয়েছি।

,,, শয়তান পোলা, তুই বউকে মিস করিস দেখে বন্ধুকে কল দিয়েছিস?

,,,হ্যাঁ তো তোর সাথে শেয়ার করবনা?

,,,মীরজাফর একটা। তুই বউ পাবিনা।

,,,ওই একদম এমন উল্টো পাল্টা কথা বলবিনা। মেরে একদম নাক ফাটিয়ে দিব। আমার মাহিকে চাই।

,,, আমি কি তোর নাক রাখব ভাবছিস? তোর নাক কেটে ফেলব আমি।

মাঝ দিয়ে আবিরের মা পাশ দিয়ে বললেন,,, এই তোরা মেয়েদের মতো ঝগড়া করিস কেন?

আবির তার মাকে বলল,,, শেষ পর্যন্ত তো স্বীকার করলা যে মেয়েরা ঝগড়া করে বেশি।

আয়াশ ফোনের ওপাশে ফিক করে হেসে উঠলো। আর আবিরের মা আবিরকে তাড়া করা শুরু করলো। আবির বলল,,,

ভাই পরে কথা বলি, আগে পালাই জুতার বারি খাওয়া থেকে।

আয়াশ বলল,,, বেচে থাকলে কল দিও বাবা।

আবির বলল,,, ফোন রাখ তুই।

আয়াশ,,, হুম বাই।

আয়াশ হাসতে হাসতে ফোন রেখে দিলো। আর ওইদিকে হয়ত আবির মায়ের হাতের মার খাচ্ছে। আয়াশের পিছন থেকে আরশি বলে উঠলো,,,

আমাকে একটু আমার ফ্রেন্ড এর বাসায় দিয়ে আসতে পারবি ভাইয়া?

,,,হুম পারবো। কিন্তু ড্রাইভার এর সাথেই তো যেতে পারিস।

,,,আরে মা আর বড় ভাবি তো তাকে নিয়ে ছোট ভাবির বাসায় গিয়েছে। তুই তোর গাড়ি দিয়ে আমায় দিয়ে আয়না প্লিজ?

,,,হ্যাঁ হ্যাঁ দিয়ে আসছি। তুইও বা কি মনে রাখবি? রেডি হয়ে নে, আমি দিয়ে আসছি।

,,,ঠিক আছে ভাইয়া।

,,,হুম যা।

আরশি আর আয়াশ বেরিয়ে পড়লো গাড়ি করে।

আর অন্যদিকে মিহি অন্যমনস্ক হয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে। সে চিন্তা করছে সে এখন কি করবে? তার কাছে তো কোনো টাকাপয়সাও নেই। সে এখন চলবেই বা কি করে? এদিকে মিহি কিছু খায়নি। মাথা ঘুরোচ্ছে তার। সে ঠিকমতো হাটতেও পারছেনা। মিহি অন্যমনস্ক হয়ে হাটতে থাকে। মিহি রোড ক্রস করতে গেলো। কিন্তু সে ঠিকমতো হাটতে পারছিলো না দেখে একটা গাড়ির সাথে এক্সিডেন্ট হয়ে গেলো মিহির। রক্ত গড়িয়ে পরছে মিহির মাথা থেকে।

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ