Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"হৃদয় হরণী পর্ব-০৪

হৃদয় হরণী পর্ব-০৪

@হৃদয় হরণী
#পর্ব_০৪
#লেখিকা_নুসরাত_জাহান_নিপু

ড্রয়িং রুমে আলোর সামনা-সামনি বসেছে সার্থক।আলোর পাশে হৃদয়।পাশেই তাসনিন চা বানাচ্ছে।

হৃদয় প্রশ্ন করলো,”তাহলে তুমি বলছো নুপূরের সাথে তোমার বিয়ে দুইদিন আগে হয়েছে আর বাচ্চাটা ওর প্রথম স্বামীর?”
সার্থক হ্যাঁ বোধক মাথা নাড়লো।বিরক্ত হয়ে হৃদয় বললো,”তাহলে তুমি কেন ফেঁসে গেলে এই ঝামেলায়?”

সার্থক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো,”বান্দরবান থেকে রাঙামাটি যাওয়ার সময় আমি বাস মিস করে ফেলি।তখন রাত দশটা নেটওয়ার্কও উইক ছিল।তখন আমার সাথে নুপূরের দেখা হয়।ব্যাপারটা এমন যে নুপূর এক প্রকার পালিয়ে আসছিল।ও নিজেও বাসের জন্য এসেছিল কিন্তু বাস আগেই ছেড়ে দে আর আমরা সেই জায়গায় আটকা পড়ি।

দু’জনে অপরিচিত ছিলাম কিন্তু আমাদের থাকার জায়গার প্রয়োজন ছিল।তখন দুজনে একটা পুরাতন মাটির ঘর পাই যেখানে কেউ ছিল না।আমরা রাতটা সেখানেই পার করি।

তারপর সকাল হতেই চেঁচামেচির শব্দে ঘুম ভেঙ্গে যায়।আর তাকিয়ে দেখি নুপূর মেয়েটাকে কিছু লোক যা ইচ্ছে তাই বলছিলো।আমাকেও ইত্যাদি ইত্যাদি বলে।তখন গ্রামের লোকদের মধ্যে একজন বলে উঠে নুপূরকে প্রেগন্যান্ট লাগছে।এটা শুনে সবাই ক্ষেপে যায়।

তখন পরিস্থিতি বিগড়ে গিয়েছিল খুব,আমি গ্রামবাসীকে মিথ্যা বলি যে নুপূর আমার স্ত্রী।তখন তারা সবাই বিশ্বাস করেনি কারণ নুপূরের হাতে চুড়ি,নাকে নথ কিছুই ছিল না।তারপর সবাই মিলে আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করে।তাদের কথা ছিল নুপূর আমার স্ত্রী হলে দু’বার বিয়ে করতে তো সমস্যা নেই।

আমারা অনেক চেষ্টা করি বিয়েটা থামানোর কিন্তু সহজ ছিল না কিছুই।তোমাদের কাউকে জানানোর উপায়ও ছিল না কারণ নেটওয়ার্ক উইক।তারপর আমরা দু’জনে ঢাকার বাস ধরি।

বাসেই আমি আলোর কথা নুপূরকে বলি।আমি জানিয়ে দিই নুপূরকে কখনও স্ত্রী মানতে পারবো না।তখন নুপূরও বলে সে সংসারী হতে চায় না।সে এমন একটা জীবন চায় যেখানে কোনো বাঁধা থাকবে না।ওর শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে লড়তে চায়। আর ওর শ্বশুরবাড়ির কাহিনি বলার মতো না।

নুপূরের সামনে তখন ওর সন্তান ছিলো।তার সন্তান যদি শ্বশুরবাড়ির হাতে পড়ে তাহলে নুপূরের কোনো আাশায় পূর্ণ হবে না।বাচ্চাটাকে সে তার শ্বশুরবাড়ির পরিবেশে বড় করতে চায়নি বলে পালাচ্ছিলো।আর তাছাড়া নুপূর তাদের সামনে গেলে বাচ্চার দোহায় দিয়ে আবারো আটকে ফেলবে।

ঢাকাতে প্রথম আসায় ওর সাহায্যের দরকার ছিল,থাকার জায়গা ছিল না।সবকিছু নিয়ে আমি আলোর সাথে আলোচনা করতে চাইছিলাম।কিন্তু মায়ের সামনে নুপূরকে স্ত্রী হিসাবেই পরিচয় দিতে হতো কারণ বয়স্করা সহজেই ধরতে পারে প্রেগন্যান্ট কি’না।আর মা কেমন তা তো বলতে হবে না।তাই আমি বলি যে ছ’মাস আগে বিয়ে হয়েছে।সত্যি বলতে তখন আমি অতকিছু ভেবে দেখিনি।কিন্তু মা-বাবাকে বলতে গিয়ে আলো সব শুনে ফেলে আর পরিস্থিতি বিগড়ে যায়।তখন আমারও মাথা খারাপ হয় আলোর অবিশ্বাস করাই,একটাই কথা মাথায় ঘুরছিল আলো অবিশ্বাস কেন করবে?আর আমার ভাবনার জন্যই সব….সব শেষ।”

সার্থক নিজের দু’হাত দিয়ে মুখ আড়াল করলো।সবটা শুনে সবাই নিশ্চুপ।তারা জানে সার্থক মিথ্যা কথা কম বলে।একটু জল খেয়ে সার্থক বলে,”আমাদের বিয়ে কখন হয়েছে কাবিননামায় দেখ।”

তার হাতে থাকা কাগজের ফাইলটি হৃদয়ের দিকে এগিয়ে দিলো।হৃদয় সবটা পড়ে দেখে বললো,”হুম,দুইদিন আগেই বিয়ে হয়েছে।”

তখন তাসনিন বললো,”কিন্তু নুপূর যদি প্রেগন্যান্ট হয়,আই মিন ওর গর্ভে অন্যকারো সন্তান হয় তাহলে তোমাদের বিয়ে তো জায়েয না।”

তাসনিনের কথায় সবার মাঝে নতুন কৌতুহলের সৃষ্টি হলো।চায়ের কাপ রেখে হৃদয় বললো,”মানে কী?প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বিয়ে হয় না?”
-“দেখ,আমি বাবাজানের থেকে শুনেছি গর্ভবতী অবস্থায় তালাক বা বিয়ে হয়না।যদি না জেনে বিয়ে হয় তাহলে তা বাতিল বলে গণ্য হয় এবং তাদের বাচ্চা প্রসবের পরে আবার পুনরায় বিয়ে করতে হবে।এমনি বিয়ের আগে যদি কোনো মেয়ে প্রেগন্যান্ট হই আর সে সময় বিয়ে করলে তাও অশুদ্ধ।সহিহ বুখারীতে তা স্পষ্ট উল্লেখ আছে।”

তাসনিনের কথায় সার্থক যেন আশার আলো দেখতে পেলো।যদি তাদের বিয়েটা জায়েয না হয় তাহলে তার একমাত্র স্ত্রী শুধুমাত্র আলো।শুধুই আলো!

আলো চোখে জল নেমে আসছে।তাহলে কী তার স্বামী একাই তার?কোনো ভাগিদার নেই!

হৃদয় প্রশ্ন করে,”তাহলে ঐ গ্রামের কাজী কী বিষয়টা জানতো না?তিনি কেন প্রেগন্যান্ট অবস্থায় বিয়ে দিলেন?”

সার্থক উত্তর দে,”তারা জানতে আমরা আগে থেকেই স্বামী-স্ত্রী।আর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বিতীয় বার বিয়ে হওয়া না হওয়া কী?”

সবার উদ্দেশ্য তাসনিন আবার বললো,”তোমরা চাইলে বাবাজানের সাথে কথা বলতে পারো।”

হৃদয় কথা বললো,”না না,এত রাতে বাবাকে বিরক্ত করা ঠিক হবেনা।”

তাসনিন ধমক দিয়ে বলে,”তুমি বিরক্তের কথা ভাবছো?আরে ভাই,তিন তিনটা জীবন ধ্বংসের পথে।”

তাসনিনের পিতা পেশায় কাজী হওয়ায় কেউ বাধা দিলো না আর।তাসনিন তার বাবাজানের নাম্বারে ডায়াল করলো।প্রথমবার রিসিভ না হলেও দ্বিতীয়বার রিসিভ হলো।তাসনিন লাউডস্পিকারে দিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি একই উত্তর দেন এবং বিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ আলোচনা করেন।
.
আলো দিদি,
দুঃখিত প্রথমে,অনুমতি ছাড়া দিদি এবং তুমি করে ডাকার জন্য।আমাদের বিবাহ দু’জনের অমতেই হয়েছে।জানি না আমার কথা বিশ্বাস করবে কি’না,তবুও ধৈর্য ধরে পুরো চিঠিটা শেষ করো।

সার্থক বাবু তোমাকে অনেক ভালোবাসে কিন্তু তিনি যথেষ্ট একগুঁয়ে।নিজের জেদ এবং বিশ্বাসে অটুট।ভেবো না সম্পর্কে জড়িয়েছি বলে উনাকে চিনেছি বরং আমি লোকজনকে খুব সহজেই চিনে ফেলতে পারি।আর সার্থক বাবু তো নিজের জেদ সবাইকে দেখিয়ে বেড়ায়।

এতক্ষণে নিশ্চয়ই আমার শ্বশুর বাড়ির গল্প শুনে নিয়েছো।আমি ততদিন পর্যন্ত তাদের থেকে পালিয়ে বেড়াবো যতক্ষণ না পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য প্রস্তুত,আমার সন্তানের জন্য সুন্দর পৃথিবী দিতে পারছি।আমি চাই না আমার সন্তান শ্বশুরবাড়ির পরিবেশে বেড়ে উঠুক,তাহলে আমার বাচ্চাটিও পাষাণই হবে।

আমার দূর্বলতা হলো আমার বাচ্চাটা।আর দূর্বলতাকে সাথে নিয়ে যুদ্ধ করা মানে আগেই হাত গুটিয়ে পালানো।আমি সংসারী নারী না,সংসার বিচ্ছিন্ন নারী!সমাজ আমাকে সেই দৃষ্টিতে দেখবে না যেমনটা অন্য পাঁচ সংসারীকে দেখবে।ফলস্বরূপ বাচ্চাটাই কষ্টে বেড়ে উঠবে।

আমি উপযুক্ত হতে হতে হয়তো আমার শ্বশুরবাড়ির লোক আমাকে খোঁজে পাবেন তখন আমার বাচ্চাটির বিপদ আরো বেড়ে যাবে।তাই আমি চাই ও কে সুন্দর সংস্কার দিতে।সার্থক বাবু বলেছেন তোমরা বাচ্চা দত্তক নেওয়ার কথা ভাবছো।দিদি,আমার বাচ্চাটাকে কী তুমি মায়ের জায়গা দিতে পারবে?বাবা’র জায়গায় সার্থক বাবুর নামটা বসিয়ে দিবে?

আমি কখনই সার্থক বাবুর সামনে স্ত্রীর অধিকার নিয়ে দাঁড়াবো না আর না বাচ্চাটিকে দত্তক দেওয়ার পর নিজের বলবো।দয়া করে আমার কথাখানা ভেবে দেখ।

ইতি,
নুপূর..

চিঠি পড়া শেষ করে হৃদয় দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো।সার্থকের উদ্দেশ্য প্রশ্ন করলো,”ওর শ্বশুর বাড়ির কী গন্ডগোল?”
-“বিস্তারিত জানিনা আমি।শুধু এটুকু জানি ওর শ্বশুরের গোপন বেআইনি কাজ কর্ম আছে আর ওর হাসবেন্ড সাইকো।তাছাড়া তারা নারীকে নিচু জাত মনে করেন।”
-“আর ওর বাবার বাড়ি?”
-“বাবা-মা বেঁচে নেই।চাচা-চাচির কাছেই বড় হয়েছে কিন্তু ওর বয়স যখন ১৭ তখন ওর স্বামীর কাছে ও কে বেঁচে দেয়।”
-“সংসার করেছে কয় বছর?”
-“ও আটক ছিলো প্রায়ই এক বছরের মত।তারপর বিয়ে হয়।এখন ২০-এ পা দিয়েছে হয়তো।”

তাসনিন প্রশ্ন করলো,”তুমি বললে নুপূর ঢাকায় প্রথম এলো তাহলে ও পালিয়ে গেল কোথায়?”
হৃদয় উত্তর দিলো,”চিঠিতে তো লিখবো ওর শুভাকাঙ্ক্ষী থাকার সু-ব্যবস্থা করেছে।হবে হয়তো কেউ একজন।”
-“এমনটাও তো হতে পারে নুপূর মিথ্যা বলেছে,ওর কোনো শুভাকাঙ্ক্ষী নেই।আলো আর সার্থকের ভালোর জন্য চলে গেল।”

এতক্ষণ পর আলো মুখ খুললো।তাসনিনের উদ্দেশ্য বললো,”নাহ,এই মেয়ে এমনটা করবে না।ওর যদি এভাবে যাওয়ার থাকতো তাহলে সন্ধ্যা অবধি অপেক্ষা করতো না,চিঠিতে এত কাহিনী লিখতো না।ও নিজের জন্য আশ্রয় খোঁজে পেয়েছে,ওর লক্ষ্যে পৌঁছাবার সিড়ি পেয়ে গেছে।নিজের ভালোটা ভালোই বুঝেছে।”

আলো একটু থেমে আবার বললো,”নুপূর কীভাবে জানলো আমরা বাচ্চা দত্তক নিতে চাইছি?”
-“কথায় কথায় নুপূর জিজ্ঞেস করে আমার বাচ্চা হয়েছে কি’না তখন আমি জানায় তোমার দু’বার মিসক্যারেজ হয়েছে তাই আমি এরপর দত্তক নিতে চাইছি।”
-“বাহ!তুমি আমাদের পরিবারের কথাও ও কে বলে দিয়েছ?”

তাচ্ছিল্যের সুরে হেঁসে আলো প্রশ্ন করলো,”সত্যি সত্যি স্ত্রী মানতে শুরু করিছিলে নাকি?”

সার্থক মাথা নিচু করেই রাখে।সে বুঝতে পারে আলো বিষয়টা এখনো সহজ ভাবে নেয়নি।

তাসনিন বললো,”তাহলে এখন কী নুপূরকে খুঁজবে?”
হৃদয় উত্তর দে,”নাহ,নুপূর নিজে বলেছে ও সুরক্ষিত জায়গায় আছে।ও সার্থকের বাড়িতে আশ্রয়ের জন্য ছিল তো?সেটা যখন অন্য কোথাও পেয়ে গেলো তখন খোঁজার কী দরকার?”
-“কিন্তু নুপূরের থেকে ওর সন্তান ওরা কীভাবে দত্তক নিবে?যখন জানেই না নুপূর কোথায়।”
-“নুপূর যখন বলেছে দত্তক দিবে তারমানে যেকোনো উপায় নিশ্চয়ই রেখেছে।”

তারা আরো কিছুক্ষণ নুপূরকে নিয়ে আলোচনা করে।একসময় ফজরের আযান কানে ভেসে আসে।কথারমহল ছেড়ে সবাই নামাজ আদায় করে নেয়।
.
হৃদয়ের বাড়ি থেকে নাস্তা করার পর সার্থক আলোকে বলে,”ব্যাগ গুছিয়ে নাও।”
-“ব্যাগ কেন গুছাবো?”
-“মানে কী?বাড়ি যাবে না?”

আলো মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিতে বলে,”বাড়ি কেন যাবো আমি?তুমি নিজের ইগো নিয়ে,নিজে দোষ করেও আমাকে দোষারোপ করো।তারপর আমি চলে আসার সময়ও আটকালে না।তোমার নিজের এই অভ্যেসের সাথে আমি আর পারছি সার্থক।”

এতক্ষণ ধরে সার্থক ভেবেছিল হয়তো সব ঠিক হয়ে গেছে।কিন্তু আলোর কথা শুনে সে ঘাবড়ে যায়।আলোকে ছাড়া থাকা তার জন্য অসম্ভব।তাই তো এত বৃষ্টি মধ্যেও বেরিয়ে পড়েছে।সার্থক যতই রাগ,জেদ দেখাক না কেন সবটাই অল্পসময়ের।দিন পেরিয়ে রাত হতেই সে নিজের কাছে হার মানে।

সার্থক আমতা আমতা করে আলোর হাত ধরে বলে,”আ’ম স্যরি,আলো আর হবে না।প্লিজ চলো।”

এক ঝটকায় আলো হাত ছাড়িয়ে নেয়।ক্রোধ স্বরে বলে,”তোমাকে যেন আমার আশে-পাশেও না দেখি সার্থক।তোমাকে দেখলে আমার জাস্ট ঘেন্না হচ্ছে।”

বলতে বলতে নিজের রুমে চলে যায়।সার্থক পেছনে যেতে চাইলে হৃদয় আটকে ফেলে।সার্থক বললো,”মানে কী হৃদয়?আমি সবকিছু জেনে শুনে না করেছি।ভুল হয়েছে বললাম তো।”

হৃদয় বললো,”দেখ,আলো নিজেকে সামলে নিক আগে।তোমার বিহেভের জন্যই আলো এমন করেছে।তুমি প্রমাণ করো যে তোমার বিহেভ পাল্টে গেছে।”

সার্থক পাশে সোফায় ধপ করে বসে পড়লো।আলোকে ছাড়া তার ক্ষণ কীভাবে কাটবে!
.
এক সপ্তাহের মত হয়েছে নুপূর দিনাজপুরে।দিনাজপুরের একটা বাংলোতেই থাকে থাকতে দেওয়া হয়েছে।আর নুপূর সেখানকার পাঁচবাড়ী ডিগ্রি কলেজে এডমিশন রেখেছে।প্রেগন্যান্ট অবস্থায় ক্লাস করা তার জন্য পসিবল না।কিন্তু তাও পরিক্ষা দিতে হবে।নুপূর অনেক কৃতজ্ঞ তার শুভাকাঙ্ক্ষীর উপর।এখন তার সন্তানের সাথে সে নিজে সেইফ।অন্যদিকে সার্থক বাবু আর আলো দিদিও ঝামেলা মুক্ত থাকলো।

নুপূরের মনে পড়লো আসমা সিদ্দিকার কথা।খুব অদ্ভুত তিনি!আলো এতদিনেও তার পুত্রবধূ হতে পারেনি অথচ কত সহজে নুপূরকে মেনে নিলো?তা কী শুধু নুপুরের রুপ আর সন্তানের জন্য নাকি অন্য কোনো ঘাপলা আছে?

(চলবে)

বি.দ্র:ভুলক্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,বানান ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন।

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ