Saturday, June 6, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"আলো থেকে অন্ধকার পর্ব-০৭

আলো থেকে অন্ধকার পর্ব-০৭

#আলো_থেকে_অন্ধকার
Part:-07
Writer:-Esrat jahan Esha

-‘হ্যাঁ বলো তুহিন – তোমার সকাল ফোন দেওয়ার কথা ছিলনা?’
-‘হ্যা ছিল কিন্তু সকালে আমি একটা কাজে গিয়ে আঁটকে গিয়েছিলাম বুঝলে? সেই জন্য ফোন দেওয়া হয় নি।’
-‘কোথায় গিয়েছিলে তুমি ? আমাকে তো কিছু বলোনি?’
-‘একটা সারপ্রাইজ আছে লিমা-যেখানে গিয়েছিলাম তোমার জন্যই গিয়েছিলাম।’
লিমা বেশ আগ্রহান্বিত হয়ে তুহিনের কথা শোনার জন্য এবার হেড ফোনটাকে কানে গুঁজে নিল।’
-‘আমার জন্য? ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারলাম না!’
-‘শুনো আমাদের ত্রিমোহীনির মোড়ে একটা টেইলারিং ট্রেনিং সেন্টার খুলেছে – যার নাম হল টেনশন ফ্রি ট্রেনিং সেন্টার অর্থাৎ TFTC । ওটা কেবল মাত্র মহিলাদের জন্য। তিন মাসের ট্রেনিং। শেখার শেষে সরকার থেকেই একটা অনুদান দিবে যাতে করে একটা আয়ের পথ তৈরী হয়। আমি চাই তুমি ঐ ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হবে।’
-‘বেশ মজার তো? আমি অবশ্য একটু একটু সেলাই এর কাজ আগে থেকেই জানি।’ খুশি খুশি মনে বলল লিমা।
-‘তুমি যে করেই হোক বাড়িতে সবাইকে ম্যানেজ করে ঐ ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তির ব্যবস্থা করে ফেল। আমার যতদূর জানা তোমার হ্যাবলাকান্তটা ব্যবসা করতে গিয়ে ব্যবসাটাকে লাটে তুলেছে- তাই সংসারে একটা অভাব কিন্তু আছে। কথায় বলে না অভাবে স্বভাব নষ্ট। এই সুযোগ কিন্তু হাতছাড়া করা যাবেনা। তুমি কাল থেকেই প্রপোজাল দিতে থাকো।’
-‘ওকে মাই ডিয়ার – আজ বুঝতে পারলাম সত্যি তুমি আমাকে অনেক ভালোবাসো- তা না হলে আমাকে নিয়ে এত ভাবতে না। আজ রাতে আমার আর ঘুম হবে না- আনন্দে।’ বলল লিমা।

পরের দিন বেশ সকাল সকাল বিছানা থেকে উঠল লিমা। গ্রাম্য গ্রহস্থবাড়ির ভোর ভোরের যে সব ঝাড়ু-ঝাটা দেওয়া, সকাল বেলা নাস্তা পানি তৈরী করা সে সব সে বেশ মনোযোগ দিয়ে তৈরী করল। অবশ্য এতে সারাক্ষণ সহযোগিতা করে গেছে ননদ সুমি। মেয়েটা অমায়িক। এইচ এসসি দিয়ে বাড়িতে বসে আছে। এখনও তিন মাস পর রেজাল্ট। লিমা শ্বশুর শাশুড়ি বা তার স্বামী জায়েদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মন ধরাধরি করলেও এই সুমির সঙ্গে কখনো রাগারাগি করার কোনো স্কোপই পাইনি। যাই হোক লিমা প্রথম সুমির কাছেই TFTC কথা তুলল। ব্যাপারটিতে লিমার থেমে সুমিরই যেন বেশি আগ্রহ দেখা দিল। কেননা সে এমনই কর্মচঞ্চল, যে কোনো ভালো বিষয়ে উদ্যোগি।
সুমির এই আগ্রহ দেখে লিমার এবার মনে মনে বলল –‘এই বালকে বলাই ভুল হয়েছে দেখছি, এ তো এখন পিছু ছাড়বে না।’
শেষে হলোও তাই – লিমা ও সুমি ভর্তি হয়ে গেল টেনশন ফ্রি ট্রেনিং সেন্টার এ। সপ্তাহে দুদিন ক্লাস।
নারীদেরকে স্বরোজগার করে তোলার এই ব্যবস্থাপনা কতটা ইতিবাচক তা আজকে ভেবে দেখার অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি। দেখুন যেখানে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন নারী জাতিকে একেবারে উপযুক্তভাবে হেফাজত করার তথা তার সার্বিক কল্যাণের জন্য প্রথম দায়িত্ব চাপিয়েছেন তার পিতার উপর।এখানে সেই পিতার এটাই ধর্ম।তাই তো হাদীসে এসেছে-আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যার তিনটি কন্যাসন্তান থাকবে এবং সে তাদের কষ্ট-যাতনায় ধৈর্য ধরবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (মুহাম্মদ ইবন ইউনূসের বর্ণনায় এ হাদীসে অতিরিক্ত অংশ হিসেবে এসেছে) একব্যক্তি প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহর রাসুল, যদি দু’জন হয়? উত্তরে তিনি বললেন, দু’জন হলেও। লোকটি আবার প্রশ্ন করলো, যদি একজন হয় হে আল্লাহর রাসুল? তিনি বললেন, একজন হলেও। ’ (বাইহাকি, শুয়াবুল ঈমান : ৮৩১১)
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যা সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ অন্ধকার হয়ে যায় এবং অসহ্য মনস্তাপে ক্লিষ্ট হতে থাকে। তাকে শোনানো সুসংবাদের দুঃখে সে লোকদের কাছ থেকে মুখ লুকিয়ে থাকে। সে ভাবে, অপমান সহ্য করে তাকে থাকতে দেবে নাকি তাকে মাটির নিচে পুতে ফেলবে। শুনে রাখো, তাদের ফয়সালা খুবই নিকৃষ্ট। ’ (সুরা আন-নাহল, আয়াত : ৫৮-৫৯)
সত্যি কথা বলতে পৃথিবীতে ইসলামের এই সুমহান বার্তা আসার আগে কিন্তু পাল্লা পাল্লি দিয়ে অনেক পিতা তার কন্যা সন্তানটিকে জিবন্তই মাটিতে পুতে দিত। আর এটা তখন তাদের সমাজে তার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হত। কি অবস্থা ছিল একবার ভাবুন।
যাই হোক যে কথাটা বলছিলাম এর পর একজন পিতা তার সেই কন্যাকে উপযুক্ত সময়ে সুপাত্রে পাত্রস্থ করবে। এবার সেই কন্যার যাবতীয় দায়-দায়িত্ব বর্তে গেল তার স্বামীর উপর। তার স্বামীই তার ভরণ-পোষণ .ঔষধ-পানি যা কিছু লাগবে দিবে। এটা সেই স্বামীর ধর্ম , কর্তব্য। ব্যাপারটাকে সে মোটেই হালকা করে দেখতে পারেনা। দেখুন এ ব্যাপারে ইসলাম কী বলেছে।
আল্লাহ তা’আলা বলেন, ‘পুরুষগণ নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল, যেহেতু আল্লাহ একের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ হতে ব্যয়ও করে।’ (সুরা: ৪ নিসা, আয়াত: ৩৪)। স্ত্রীর প্রতি স্বামীর প্রথম দায়িত্ব বা কর্তব্য হলো মহর পরিশোধ করা। বিয়েটা টাকার অভাবে যদি বাকিতে সারে তবুও পরে তা পরিশোধ করতে হবে। কোনো ছাড় নেই। কিস্তিতেও পরিশোধ করা যাবে। মহর পরিশোধ না করে মৃত্যু হলে তা ঋণ রূপে পরিশোধ করতে হবে।
বিয়ের পর স্বামীর প্রতি দায়িত্ব হলো স্ত্রীকে খোরপোশ ও বাসস্থান দেওয়া। এই তিন মৌলিক চাহিদার প্রথমটি হলো খাদ্য। স্বামীর সামর্থ্য অনুযায়ী স্ত্রীর উপযুক্ত প্রয়োজনমতো খাদ্য যথাসময়ে নিয়মিত স্ত্রীকে দিতে হবে বা ব্যবস্থা করে দিতে হবে। উল্লেখ্য, খাদ্য বলতে তাৎক্ষণিক খাবারের উপযোগী দ্রব্য বা প্রস্তুত করা খাবার। অর্থাৎ খাবার সরবরাহ করা যেহেতু স্বামীর দায়িত্বে; সুতরাং খাবার প্রস্তুত করা স্ত্রীর দায়িত্ব নয়। মৌলিক চাহিদা তিনটির দ্বিতীয়টি হলো পোশাক। স্বামী স্ত্রীকে স্বীয় সামর্থ্য অনুসারে স্ত্রীর প্রয়োজনমতো তাঁর যোগ্য পোশাক দেবেন। প্রয়োজনীয় পোশাক প্রদান করা যেহেতু স্বামীর দায়িত্ব; তাই সে পোশাক প্রস্তুত করার ব্যয়ও স্বামীর ওপরই বর্তাবে।

স্ত্রীর মৌলিক অধিকারের তৃতীয়টি হলো নিরাপদ বাসস্থান বা নিরাপদ আবাসন। অর্থাৎ, স্বামী স্ত্রীকে থাকার জন্য এমন একটি ঘর বা কক্ষ দেবেন, যে ঘর বা কক্ষে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া (স্বামী ব্যতীত) কেউই প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি স্বামীর মা-বাবা, ভাইবোনও না। স্ত্রীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনে এই ঘরে বা কক্ষে তিনি তালাচাবিও ব্যবহার করতে পারেন। একটু চিন্তা করে দেখুন। একজন নারীকে ইসলাম কীভাবে সম্মানের সঙ্গে মর্যাদার সঙ্গে জীবন-যাপন করা গ্যারান্টি দিয়েছে – অধিকার দিয়েছে। মনে রাখবেন স্ত্রীর কোনো ব্যক্তিগত বা গোপনীয় বিষয়ে স্বামী ছাড়া কেউই নাক গলাতে পারবেন না। স্ত্রীর স্যুটকেট, ট্রাঙ্ক ও আলমারি স্বামী ছাড়া কেউ তল্লাশি করতে পারবেই না। (শরহে বেকায়া, কিতাবুন নিকাহ)।
তবে হ্যা স্ত্রীরা তার
স্বামীর সংসারে কাজকর্ম করার জন্য নফল ইবাদতের সওয়াব পাবেন। অসচ্ছল ও অভাবী স্বামীর সংসারে স্ত্রী কাজকর্ম করলে স্বামীর উপার্জনে সহায়তা এবং সন্তানদের প্রতি সহযোগিতা করা হবে বিরাট সোয়াবের কাজ।
ভেবে দেখুন তো কি মিষ্টি সম্পর্কের বাঁধনে নারীদের আল্লাহ একের পর এক বেঁধে দিয়েছেন।
এর পর সেই স্ত্রীর যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে পড়বেন তখন তার দায়-দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার সন্তানদের উপর।
দেখুন পিতার-মাতা সম্পর্কে ইসলাম কী বলেছে-‘আল্লাহ তাআলা বলেন, وَاعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا ۖ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا “তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর, কোন কিছুর সাথে তার শরিক করোনা এবং পিতা-মাতার সাথে উত্তম ব্যবহার কর” (সূরা নিসা ৩৬ আয়াত)।
মায়ের যে কী মর্যাদা তা আমরা খুব কমই অনুভব করতে পারি। দেখুন মায়ের মর্যাদার সম্পর্কে হাদিসের বানী –বলা হয়েছেমায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত
أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَبْدِ الْحَكَمِ الْوَرَّاقُ، قَالَ: حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ طَلْحَةَ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ جَاهِمَةَ السَّلَمِيِّ، أَنَّ جَاهِمَةَ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، أَرَدْتُ أَنْ أَغْزُوَ وَقَدْ جِئْتُ أَسْتَشِيرُكَ، فَقَالَ: «هَلْ لَكَ مِنْ أُمٍّ؟» قَالَ: نَعَمْ، قَالَ: «فَالْزَمْهَا، فَإِنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ رِجْلَيْهَا» মুআবিয়া ইব্‌ন জাহিমা সালামী (রাঃ)
আমার পিতা জাহিমা (রাঃ) রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর খিদমতে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি যুদ্ধে যাওয়ার ইচ্ছা করেছি। এখন আপনার নিকট পরামর্শ জিজ্ঞাসা করতে এসেছি। তিনি বললেনঃ তোমার মা আছেন কি? সে বললোঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ তাঁর খিদমতে লেগে থাক। কেননা, জান্নাত তাঁর দু’পায়ের নিচে।সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৩১০৪
হাদিসের মান: হাসান সহিহ।
তাহলে আজকে আল্লাহ তার দ্বীনের মাধ্যমে নারীদের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমস্ত দায়িত্ব কোনো পুরুষকে দিয়েছেন্। সেখানে আজ আমরা কোন শিক্ষায় শিক্ষিত হলাম , বস্তুবাদীদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে আমরা আমাদের ঘরের কোমল মতি মা বোনদের কী কষ্টটাই না দিতে শুরু করেছি ভাবুন। তাদের নরম হাতের ছোঁয়া থেকে আমরা আমাদের সন্তানদের বঞ্চিত করে হলেও তাদের ঘরের বাইরে পাঠাচ্ছি ইনকামের জন্য। এতে করে আমরা আমাদের মা-বোনদের তথা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের যে কত বড় সর্বনাশ করছি তা ভাবতে গেলে মাথা ঘুরে যায়।
সুমি ও লিমা এক সাথে চলে গেল একটি সিএনজিতে করে ট্রেনিং সেন্টারে। এটা দেখে শয়তানের মুখ খুশিতে লাল হয়ে উঠল। কেননা অনেক পর্দানশীন ছিল এই সুমি। সেও আজ ইনকামের নেশায় বাড়ির বাইরে গেল। এদিকে পচুর দোকানের আড়াল থেকে পুরো ব্যাপারটা দেখে তুহিনেরও পান ভরা কালো মুখ লাল হয়ে উঠেছে…….

– এই সুজুক টাই তো খুজছিলাম তোমাকে ঘর থেকে বেড় করার।যাই হোক তাহলে তো আমার কাজ প্রায় আগাচ্ছে। এবার লিমা তোমাকে কে আটকাবে?? ওমা সাথে তো দেখি আরো একটা মেয়ে ও আছে। এতো বেশি হয়ে গেল।
হা হা হা।

– আচ্ছা ভাবি আমরা যে আসলাম কাউকে তো জানালাম না।
– আরে কাউকে জানালে কি আসতে দিত। তুমি কাউকে বলছ নাকি আবার?
– নাহ ভাবি কাউকেই বলি নাই।
– কিন্তু তাও তো কেমন যেন হলো না। আচ্ছা তুমি ভালোভাবে জেনে নিছো এটা আসলে সত্যি কিনা?
– আরে হ্যা আমার একজন ভালো বন্ধু আছে। আমি জানি সে কখনো আমার খারাপ চাইবে না।
– কিন্তু ভাবি
– কোনো কিন্তু না চলো।
আমি ওর কথা মত সেই জায়গায় গেলাম। গিয়ে দেখি তুহিন দড়িয়ে আছে।
– হে লিমা কেমন আছো?
– ভালো।
– এ কে?
– আমার ননদ।
তুহিন বলল ওহ্হ আচ্ছা যাগ ভালোই হইছে৷ চলো এখন নিয়ে যাই।

>>>

(চলবে)

(আসসালামু আলাইকুম। কেমন হইছে সবার মতামত আশা করছি৷ আর আজকের পার্ট সম্পূর্ণ টা আমি লিখিনি একজন পাঠক লিখেছেন আমি শুধু গল্পের সাথে মিলিয়ে দিছি। ধন্যবাদ তাকে। ভুলত্রুটি গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন)

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ