Friday, June 5, 2026







ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বঃ ০৩

ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বঃ ০৩
লেখকঃ আবির খান

আবিরের কথা শুনে সবাই চিন্তায় পড়ে যায়। আর সবাই সবচেয়ে বেশী আশ্চর্য হয় যখন ওরা পিছনে তাকায়। ওরা দেখে সে বয়স্ক লোকটা সেখানে নেই। তাহলে ওরা কার সাথে কথা বলল? নেহাল ঠাস করে বলে উঠে,

– আরে চাচা হয়তো উঠে চলে গেছে আমাদের বলেই। এতো ভয় পাস নাতো।

– বুঝলাম চাচা উঠে চলে গেছে। কিন্তু সে আসলো কোথা থেকে? এখানে আমরাই চোরাই ভাবে ঢুকছি। তাহলে সেও কি কাঠ কেটে চোরাই ভাবে বের হবে? তুই এটা বুঝাবি? এও কি সম্ভব? (আবির)

আবিরের কথা শুনে এবার সবাই কিছুটা ভীতু হয়ে পড়ে। তাও নেহাল বলে,
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share


– দেখ ভাই প্লিজ ভয় দেখাস না। এডভেঞ্চার করতে আসছি। এটাও এডভেঞ্চার এর একটা অংশ ধরে মেনে নে। চল সামনে আগাই। অনেক কাজ আছে। রান্নাও করতে হবে।

– হ্যাঁ দোস্ত বাদ দে বিষয়টা। এসব না ভেবে বরং আমরা সামনেই আগাই। (সালমান)

নিলয় আবিরের কাছে গিয়ে ওর কাঁধে হাত দিয়ে বলে,

– দোস্ত এত্তো ভয় পাস না আমরা আছিতো চল।

আবির আর রিয়া একে অপরের দিকে তাকিয়ে ওদের সাথে সামনে হাঁটা ধরে। আবিরের মন কেন জানি এ পথে সায় দিচ্ছে না। ও মনে মনে বলছে,

– হায়রে তোরা আমাকে বুঝলিনা। আমি ভূতের ভয় পাচ্ছিনা। আমি ভয় পাচ্ছি তোদের আর আমার রিয়ার কোন ক্ষতি না হয় আবার। তা তোরা বুঝবিনা। যাক এসে যখন গেছি বাকিটা আল্লাহ ভরসা। হে আল্লাহ তুমি রক্ষা করো।

সময়টা এখন দুপুর ১.৩০ নাগাদ। ওরা সবাই সেই বাম দিকের পথেই হাঁটছে। নেহাল,সালমান আর নিলয় সামনে সামনে হাঁটছে। আর ওদের পিছনে আবির আর রিয়া। রিয়া আবিরের হাত খুব শক্ত করে আঁকড়ে আছে৷ এ পথটা ঠিক কেমন জানি। গা ছমছম করছে। পথের দুধারের রাশি রাশি গাছগুলো বেশ আলাদা। অনেক বড় বড় গাছ। আর বেশির ভাগই বট গাছ। শিকর গুলো মনে হয় সাপের মতো। চারদিকটা কেমন লতাপাতায় ছেয়ে আছে। একটা পশু পাখিও নেই। কোন খোঁজও মিলল না। এক অন্যরকম নিস্তব্ধতা এ পথে৷ ওরা কীসের মধ্যে চলে যাচ্ছে তা ওরাও জানে না। একটা খারাপ সময় ওদের জন্য অপেক্ষা করছে সামনে। রিয়া আবিরকে আস্তে করে বলে উঠে,

~ আবির আমার শরীরটা কেন জানি অনেক ভারী হয়ে আসছে। আর অনেক ভয় ভয় করছে। তোমার কথা না শুনে কি আমরা ভুল করলাম?

আবির রিয়াকে ওর এক হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে স্বান্ত্বনার সহি বলে,

– ভয় পেও না। তাবিজটা সাথে আছে তো?
~ হ্যাঁ এই যে।
– আল্লাহ আল্লাহ করো মনে মনে। ভয় নেই। তিনি আছেন আমাদের সাথে।
~ হুম।

এরপর ওরা অনেকটা পথ সামনে এগিয়ে গিয়ে একটা সমতল জায়গা দেখে। সবাই অনেক খুশী হয় জায়গাটা পেয়ে। একদম পারফেক্ট প্লেস। অনেকটা জায়গা ফাঁকা আশেপাশে। নেহাল বলে উঠে,

– দোস্ত তাহলে এখানেই টেন্ট দি। কি বলিস?

– হ্যাঁ হ্যাঁ এখানেই দি৷ আর সামনে যেয়ে লাভ নেই। এই জায়গাটাও বেশ। (সালমান)

– হ্যাঁ। আয় আবির কাজ শুরু করি। (নিলয়)

– আচ্ছা৷ রিয়া তুমি এখানে বসো। আমি টেন্ট বানিয়ে আসি। (আবির)

~ আচ্ছা। (রিয়া)

এরপর আবির, নিলয়,সালমান আর নেহাল মিলে তিনটা টেন্ট বানায়। কথা ছিল একটায় রিয়া আর বাকি দুইটায়, একটায় আবির আর সালমান আর একটায় নিলয় আর নেহাল থাকবে। কিন্তু রিয়া আবিরের কাছে এসে আস্তে করে চুপিচুপি বলে,

~ আবির…
– হুম বলো।
~ আমি একা ঘুমাবো না।
– তাহলে?
~ তাহলে আবার কি? তুমি সাথে থাকবে। নাহলে আমি ভয়তে শেষ হয়ে যাবো। কখনো একা ঘুমাই নি রাতে। আর এই ফালতু জঙ্গলে কীভাবে একা ঘুমাবো?
– আমি যদি রাতে খারাপ কিছু করি?
~ তোমাকে এমনি এমনি ভালবাসিনি আবির। মনে আছে প্রথম বর্ষের সেদিনের কথা? তুমি আর আমি লুকোচুরি খেলতে গিয়ে পুরো রাত একটা ক্লাসে আটকা পড়েছিলাম। সেদিন চাইলে তুমি আমার সাথে খারাপ কিছু করতে পারতে। আমি হয়তো বাঁধাও দিতে পারতাম না। কিন্তু তুমি তা না করে নিজের রুমাল দিয়ে টেবিল চেয়ার মুছে দিয়ে আমাকে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে দেও। সারারাত বসে বসে আমাকে পাহারা দিয়েছো যাতে পড়ে না যাই। ঠিক সেদিন থেকেই তোমার প্রতি যে ভালো লাগা ছিল তা ভালবাসায় পরিবর্তন হয়। আর তা আজও আছে। তুমি করবে আমার ক্ষতি? এ অসম্ভব।
– এতো কথা নিজের মধ্যে রেখে দিয়েছো কই আগে তো বললা না।
~ স্যার সব কিছু বলতে নেই। আর মেয়েরা সব বলে না। ছেলেদের বুঝে নিতে হয়। যেমন আমি বুঝি তুমিও আমাকে আমার মতো ভালবাসো। নাহলে সবসময় কেন আমার হাতটা ধরে রাখো। আমার বিপদে আপদে সবসময় কেন আমার পাশে থাকো। সব বুঝি আমি।
– তুমি অনেক বুঝো। বাট ভালোই বুঝো। হাহা৷
~ ইসস! তোমার এই দুষ্ট হাসিটা আমার খুব ভালো লাগে।
– আর আমার তোমাকে।

এরপর নিলয় আর সালমান আশপাশ থেকে ডালপালা আনে। আবির তা এক করে সুন্দর করে বন ফায়ার করে। এরপর মেরিনেট করা চিকেন কে গ্রিল করে সাথে রুটি দিয়ে ওরা বেশ মজা করেই দুপুরের খাবার খায়৷ খেয়ে সবাই মিলে গল্প হাসি ঠাট্টায় মেতে উঠে। বিকেল ৪.৩০ বাজে। আবির হঠাৎ বলে উঠে,

– নিলয় আর সালমান চল অনেক গুলো ডালপালা রেডি করে রাখি। কারণ সারারাত জ্বালাতে হবে। ভুলেও অন্ধকার হতে দেওয়া যাবে না। নেহাল তুই রিয়ার সাথে থাক।

– ওকে যা। (নেহাল)

ওরা তিনজন আশেপাশে ডালপালা আনতে চলে যায়। রিয়া আর নেহাল বসে গল্প করছে। কিন্তু হঠাৎই খুব স্পিডে একটা দমকা হাওয়া শুধু ওদের আশপাশ দিয়ে বয়ে গেল। মনে হলো তড়িৎ গতিতে ঝড় গেল। কিন্তু আশ্চর্যজনক ব্যাপার হলো ওদেরকে স্পর্শ করে নি। আশপাশ দিয়ে গিয়েছে। কারণ আশপাশের সব গাছপালা খুব জোরে দুলছে৷ প্রায় পড়েই যাচ্ছিলো গাছগুলো। রিয়া আর নেহাল এ অবস্থা দেখে একদম চুপ হয়ে যায়। ওরা একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে। রিয়া বলে উঠে,

~ দোস্ত এটা কি হলো?
– আমিও তো ভাবছি।
~ এতো জোরে বাতাস বয়ে গেল অথচ আমাদের গায়ে একটুও লাগলো না কেন দোস্ত?
– আমিও তো বুঝতে পারছি না। দেখ গাছগুলো এখনো কেমন দুলছে৷

হঠাৎই,

~ তুই এখনো বুঝিস নি নেহাল? এটা কি ছিল?
– একি রিয়া তুই এভাবে কথা বলছিস কেন? কি হয়েছে তোর?
~ কিছু হয়নিইইই নেহালললল….ওরায়ায়ায়া কারায়া জানিসসস?
– রিয়া ফাজলামো বন্ধ কর আমার কিন্তু ভয় করছে।
~ কেন নেহাল তুই না অনেক সাহসীইইই? এদিকে আয় তো দেখিইই তোর কত সাহস। আয়য়…

নেহাল রিয়ার অস্বাভাবিক আচরণ দেখে ভয়ে যেই দৌঁড় দেয় ওমনি আবির আর বাকিরা এসে পড়ে। নেহাল ভয়ে অস্থির হয়ে আবিরকে বলে,

– দোস্ত দোস্ত রিয়ায়ায়া..
– কি হইছে রিয়ার?(চিন্তিত কণ্ঠে)
– রিয়া কেমন জানি আচরণ করতাছে। আমার খুব ভয় করতাছে দোস্ত। দেখ ওকে।

আবির রিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখে, রিয়া হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। রিয়ার হাসি দেখে আর নেহালের কথা শুনে আবির, নিলয় আর সালমানও হাসছে নেহালের উপর। নেহাল বোকা হয়ে যায়। নেহাল বলে,

– কিরে তোরা এভাবে হাসছিস কেন?
– আরে রিয়া তোর সাথে মজা করছে। দেখ ও কীভাবে হাসছে। (আবির)

নেহাল পিছনে ঘুরে রিয়ার দিকে তাকায়। দেখে রিয়া ওর দিকে আঙুল তুলে সেই হাসছে। রিয়া হাসতে হাসতে উঠে ওদের কাছে এসে বলে,

~ দোস্ত বিশ্বাস করবিনা, নেহালকে দেখার মতো ছিল। ওকে আমি জীবনেও এত্তো ভয় পেতে দেখি নি। হাহা হাহা। ভাইরে ভাই।
– কে তুমি? হাহা। (নিলয়)

নেহাল মুখ ফুলিয়ে রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে। আর বাকিরা হাসছে। আবির নেহালের কাঁধে হঠাৎ হাত রাখতেই বেচারা নেহাল চমকে উঠে। অনেক ভয় পায়। তা দেখে আবার হাসি ছুটে সবার। আবির বলে,

– আরে বোকা এতো ভয় পাস না। আল্লাহ আছেন। আর এই তাবিজটা আমাদের গলায় থাকতে কোনো খারাপ শক্তি আমাদের কাছে আসতে পারবে না। বা আমাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না। আল্লাহ ভরসা। আল্লাহর পবিত্র কালাম আছে এর ভিতরে।
– দোস্ত তাইতো বলি। একটু আগে কি হয়েছে জানিস?
– কি?
– রিয়া তুই বল দোস্ত।
~ আমরা দুজন বসে আছি। হঠাৎ করে অনেক জোরে ঝড় বাতাস আমাদের আশেপাশে দিয়ে চলে যায়। কিন্তু একটু বাতাসও আমাদের গায়ে লাগেনি। অস্বাভাবিক ব্যাপার।
– তোদের গলায় এই তাবিজ থাকায় খারাপ কিছু স্পর্শ করতে পারেনি। শুকরিয়া আল্লাহর কাছে। ভয় পাস না তোরা। আল্লাহ আছে। চল আগুনটা বাড়াই দি।
– চল চল।

এরপর বিকেল পেড়িয়ে সন্ধ্যা নেমে আসে। মুহূর্তেই চারদিক যেন ঘোর অন্ধকারে ঢেকে যায়। আবির বুদ্ধি করে টেন্টের দুপাশে মানে সামনে ও পিছনে আগুন জ্বালায়। যাতে পশু কিংবা কোন খারাপ কিছু ওদের কাছে আসতে না পারে। ওরা টেন্টের সামনে বসে সন্ধ্যার নাস্তা খাচ্ছে হালকা কিছু। রিয়া আবিরের সাথে লেগে আছে। ওর খুব ভয় হচ্ছে। কিন্তু কাউকে বুঝতে দিচ্ছে না। তাই আবিরের সাথে লেগে আছে। আবির কিন্তু ঠিকই বুঝতে পারছে রিয়া খুব ভয়ে আছে। অন্যদিকে নেহাল এখন একদম চুপ হয়ে গিয়েছে। বেচারার মনে অজানা ভয়ের বাসা বেঁধেছে। ওর মন চাচ্ছে এখান থেকে ও পালিয়ে যাক। ওর বাসায় যেতে ইচ্ছা করছে। মনের মধ্যে ভয় নিয়েই বসে আছে। বাট কাউকে বুঝতে দিচ্ছে না। এভাবে ঠিক সন্ধ্যা পেড়িয়ে যখন রাতের মধ্যে ঢুকে অর্থ্যাৎ প্রায় ৮টা যখন বাজে ঠিক তখনই হঠাৎ একটা শব্দ হয়। অজানা ভয়ংকর এক শব্দ।

– উউউউউউউউ…..

এই শব্দের কারণে পাঁচ বন্ধু পুরো স্তব্ধ হয়ে যায়। সবাই সবার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। রিয়া আবিরকে শক্ত করে ধরে আছে। এই শব্দ কে করলো? কোথা থেকে এলো? তার কোন খোঁজ ওরা পেল না। ওরা চুপচাপ স্তব্ধ হয়ে এই থমথমে পরিবেশে বসে আছে। অনেকটা সময় গেল। আর কোন শব্দ হলো না। তাহলে কি এই নিস্তব্ধতা কোন খারাপ কিছু হওয়ার আগের লক্ষণ! ওরা জানে না ওদের সাথে কি হতে চলছে। ওরা বসে আছে। হঠাৎই ওরা যা দেখে তা দেখার জন্য কেউ প্রস্তুত ছিল না। কারণ ওরা দেখে একটা…

চলবে…?

সবার ভালো সাড়া চাই। কেমন লেগেছে জানাবেন কিন্তু। সাথে থাকবেন সবসময়।
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি মাসে জিতে নিন নগদ টাকা এবং বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

গল্পপোকার এবারের আয়োজন
ধারাবাহিক গল্প প্রতিযোগিতা

◆লেখক ৬ জন পাবে ৫০০ টাকা করে মোট ৩০০০ টাকা
◆পাঠক ২ জন পাবে ৫০০ টাকা করে ১০০০ টাকা।

আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/?ref=share

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ