Friday, June 5, 2026







“ভালোবাসার প্রান্ত”(পর্ব-৯)

“ভালোবাসার প্রান্ত”(পর্ব-৯)

পিকনিকে যাবার জন্য সকাল থেকেই সবাই রেডি হওয়া নিয়ে ব্যস্ত। আমারই শুধু মন টানছে না। আমি নির্লিপ্ত ভাবে বসে আছি। তাকে ছাড়া কিছুই ভালোলাগে না, কোনো কাজে একটুও মন বসে না। এ কেমন অসুখ মাবুদ! বলতেও পারছি না যে, পিকনিকে যাব না। সবাই কত আশা করে উৎসব করছে। সেই উৎসব নষ্ট করার রাইট নেই আমার। ডাকাত ছেলে আমার সব খুশি আনন্দ সাথে নিয়ে গিয়েছে। সে তো শালিকাদের সাথে ভালোই আছে, শুধু আমিই মরে যাচ্ছি।

নানান রুমে ঢুকে একটা মেরুন কালারের সিল্কের শাড়ি আমার হাতে দিয়ে বললেন-
__তোমার জন্য গিফ্ট এটা, ঐ বান্দরের দেয়া শাড়ি পরবে না। যে ছেলে বউ ফেলে শ্বশুরবাড়ি চলে যায় তার দেয়া কোনো পোষাক পরাই উচিত নয়। এই শাড়িটাতে তোমায় খুব মানাবে ছোট রাণী।

আমি ম্লান হেসে শাড়িটা নিলাম। নানান আর কিছু না বলে চলে গেলেন। শাড়িটা সত্যিই খুব সুন্দর। এত সুন্দর শাড়ি পরবো অথচ আমার স্বামীই আমাকে দেখবে না? তাহলে শাড়ি পরে কী লাভ? কিন্তু না পরলে নানান কষ্ট পাবেন। নানান মানুষটা অসাধারণ। তিনি আমাকে খুব ভালোবাসেন। শুধু তিনিই নন, এই বাড়ির প্রতিটা মানুষই আমাকে খুব ভালোবাসে। শুধু আমার স্বামীই আমাকে ভালোবাসলো না। এটা ভাবতেই আবেগে চোখে জল চলে এলো।
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
শুধুমাত্র আপনার লেখা মানসম্মত গল্প/কবিতাগুলোই আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। এবং সেই সাথে আপনাদের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় পুরষ্কার।

▶ লেখকদের জন্য পুরষ্কার-৪০০৳ থেকে ৫০০৳ মূল্যের একটি বই
▶ পাঠকদের জন্য পুরস্কার -২০০৳ থেকে ৩০০৳ মূল্যের একটি বই
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক:
https://www.facebook.com/groups/golpopoka/


শাড়ি পরার সময় আমি সীমান্তকে অদ্ভুত ভাবে মিস করলাম। আমার অবিন্যস্ত শাড়ির ভাজে যেন তার অনুভূতিগুলো লুকিয়ে আছে। আমার বুক আবিষ্টিত আঁচলখানায় যেন তার প্রকাশ্য অধিকার জমাট বেঁধে আছে। শাড়ির কুচির ভেতরে লুকিয়ে আছে অবাধ্য ভালোবাসার খুনসুটি। শাড়ির পাড়ের মাঝে তার সুপ্ত প্রেমের ঘ্রাণ ছড়িয়ে আছে। শাড়ির সারা জমিন জুড়ে যেন তার অবিরত স্পর্শ। এতসব গোলমেলে অনুভূতি সমেত শাড়িটা অঙ্গে জড়িয়ে আমি যেন তলিয়ে গেলাম তার মাঝে। এ শাড়ি যে সারাটা দিন আমাকে যাতনার কাঁটা ফুটাবে তা বুঝতে আর বাকী নেই আমার।
কেন যে মেয়েদের বিয়ে হয় আর কেন যে মেয়েরা স্বামীকে ভালোবাসে! দুটো দিনে সে একটাবার কল করে আমার খবর নেয়নি। বাবা মামনি তাকে কল করেছিলেন। সে বলেছে ভালো আছে। ফিরবে আরও দু’দিন পরে। তার নাকি ফিরতেই ইচ্ছে করছে না। কেমন হৃদয়হীন হলে মানুষ বউ রেখে দূরে থাকতে পারে! নিষ্ঠুর পাষাণ একটা! একবার মনে হলো আব্বুকে কল করে বলি, ঐ ডাকাতটাকে এখনি পাঠিয়ে দাও। আবার মনে হলো থাকুক দূরে। সে থাকতে পারলে আমি কেন পারব না?
কোনোই সাজগোজ করলাম না। কার জন্য সাজবো? যার জন্য এত সাজের আয়োজন সেই মানুষটাই তো কাছে নেই। সে শালিকাদের সাজ দেখুক। অভিমান রাগে রূপান্তরিত হলো।

শাড়ি পরে রুম থেকে বের হতেই তানি সামনে এসে বলল-
__ একি! তুমি তো কোনোই সাজগোজ করোনি!
আমি কিছু বললাম না। সে মুচকি হেসে বলল-
__বরের উপর অভিমান করে যে সাজোনি তা আমি জানি।

কথাটা বলেই হুট করেই সে আমার কপালে একটা টিপ পরিয়ে দিলো। আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই সে আমাকে টেনে সোফায় বসিয়ে চোখে কাজলও এঁকে দিলো। হঠাৎ নানান এসে তানির মুখের সামনে মেরুন কালারের কিছু রেশমি চুড়ি ধরে বললেন-
__শুধু টিপ পরালে আর কাজল আঁকলেই হবে? চুড়িগুলোও পরিয়ে দাও।

তানি চোখ কপালে তুলে বলল-
__শুধুই ছোট রাণীর জন্য? আমার জন্য চুড়ি কই?

__তোমার তো বর আছে।

তানি অভিমানের সুরে বলল-
__আর আপনার ছোট রাণীর বুঝি বর নেই?

নানান বললেন-
__ঐ শালার কেনা কোনো কিছুই আমার ছোট রাণীকে পরতে দেবো না। সে আমার ছোট রাণীর মন ভেঙেছে।

নানানের কথা শুনে আবেগে আমার চোখে আবার জল এলো। তানি আমার হাতে চুড়ি পরিয়ে দিলো। বলতে তো আর পারছি না যে, আমি সাজতে চাই না। চুড়ি পরানো শেষ হতেই নানান জুঁই ফুলের মালা বের করে বললেন-
__খোপায় ফুলটা আমিই পেঁচিয়ে দেবো।

আমি হা করে নানানের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তানি ভ্রু কুচকে বলল-
__উহ্! বুড়ো বয়সে শখ কত! অন্যের বউয়ের খোপায় উনি ফুল পেঁচিয়ে দেবেন! যান নিজের বউয়ের খোপায় পেঁচিয়ে দেন।

নানান ভাব দেখিয়ে মুখ বাঁকিয়ে বললেন-
__পাঁকা চুলে ফুল পেঁচিয়ে দিতে আমার বয়েই গেছে!

__অন্যের বউয়ের খোপায় ফুল পেঁচানোর এত সাধ কেন? সীমান্ত এসে যদি এসব শোনে তাহলে আপনাকে গুলি করবে।

__আমি তাকে ভয় পাই নাকি?

__পান না, পাবেন।

হঠাৎ নানান চুপসে গিয়ে বললেন-
__আচ্ছা ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ নেই। তুমিই পেঁচিয়ে দাও।

তানি আমার খোপায় ফুল পেঁচিয়ে দিলো। শাড়ির দহনে আমি মরে যাচ্ছি। তার সাথে জুটলো টিপ, কাজল, চুড়ি আর ফুল। মানুষটার অনুভূতি যেন আমার পিছু ছাড়তেই চায় না। নিষ্ঠুর একটা মানুষের অনুভূতি আমাকে খুন করে দিলো।


আমরা সবাই হৈহৈ করে পিকনিকে গেলাম। বাবাও ছুটি নিয়ে আমাদের সাথে পিকনিকে যোগ হলেন। সবাই খুব উৎসব করছে। নানান আমার শাড়ির সাথে ম্যাচিং করে মেরুন কালারের পাঞ্জাবি পরে বিভিন্ন পোজে আমার সাথে ছবি উঠলেন। আমি বাইরে হাসিখুশি থাকলেও পাগলটাকে মিস করে যেন শেষ হয়ে গেলাম। মন পুড়ে আমার ছাই হয়ে যাচ্ছে। মনে মনে একটা অভিমানের হিমালয় তৈরি হলো। এবার সে আসুক, একটাও কথা বলবো না তার সাথে।

বিকেল হয়ে গেল। আমি সবার থেকে একটু দূরে নির্জনে বসে আছি। এত বিশাল বড় একটা পৃথিবী। কত কী আছে পৃথিবীতে! অথচ আমি যেন খুব নিঃস্ব। একটা মানুষ আমার সব ভালোবাসা নিয়ে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। এসব মানুষদের বিরুদ্ধে মামলা করা উচিত। মন যেন কিছুতেই বাঁধন মানছে না। তাকে আমার কাছে চাই এখন। এখন মানে এখনি। সে রাগী চোখে তাকিয়ে থাকুক আমার দিকে তবুও আমি তাকে আমার চোখের সামনে চাই এবং চাই।
হঠাৎ নানান এসে পাশে বসতেই আমি চেতনায় ফিরে তার দিকে তাকালাম। তিনি বললেন-
__খেতে হবে, চলো ছোট রাণী।

আমি নানানের দিক থেকে চোখ সরিয়ে বললাম-
__হু

আমার শুকনো মুখের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন-
__স্বামীকে ছাড়া কিচ্ছু বুঝিস না। এমন পাগলি কেন তুই? জানিস তোর মতো পাগলি আর দুটো দেখিনি! এখন বুঝতে পারছি যে, আমার আধা পাগল নাতি তোকে কেন ভালোবেসে বিয়ে করেছে। পাগলের বিয়ে তো পাগলির সাথেই হয়।

কথাগুলো বলেই নানান হাহা করে হাসলেন। আমার হাসি পাচ্ছে না। আমার কেন জানি পাজর ভেঙে আসছে। আমি যেন কিছুতেই স্থির থাকতে পারছি না। হুট করেই আমি পাগলের মতো বললাম-
__আমার এখনি পাগলটাকে চাই। নইলে আমি পানিও খাবো না। কীসের এত শ্বশুরবাড়িতে থাকা? তাকে এনে দিন এখনি!

নানান হতভম্ব হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর নিজেকে স্বাভাবিক করে আমার মাথায় হাত রেখে বললেন-
__তোর মতো বউ যেন সব পুরুষের হয়। তোর এই ভালোবাসায় আমি মুগ্ধ তাই এখনি তোর পাগল বরটাকে হাজির করবো। দরকার হলে হেলিকপ্টার নিয়ে গিয়ে তাকে নাটোর থেকে তুলে নিয়ে আসবো। এবার খুশি তো? উঠ এখন, সবাই অপেক্ষা করছে।

আমার উঠতে ইচ্ছে করছে না। মনে হচ্ছে এই মাটিতেই নিজেকে মিশিয়ে দিই। এত কষ্ট কেন মানুষের জীবনে? তার কী একটুও আমার কথা মনে পড়ে না?
আমি উঠে ওদের কাছে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখি সীমান্ত এদিকেই এগিয়ে আসছে। আমি হাত দিয়ে চোখ ডলে নিয়ে আবার তাকালাম। স্বপ্ন দেখছি না তো? অবেলায় আমার অভিমানের এই জমাট দেয়াল যেন আমার মাথা থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে গেল। আমি নিশ্চুপ পাথরের মত দাঁড়িয়ে রইলাম। হঠাৎ খুব রাগ হলো। মনে মনে বললাম, এলে কেন? ঘর জামাই থাকতে! কত শালিকা আছে তোমার, রোজ পিকনিক করতে! এখানে তোমার কে আছে? এই আমিটাই বা তোমার কে?


গাড়িতে দুজন পাশাপাশি বসে আছি। কারও মুখে কোনো কথা নেই। ঘুম নেই তো সেই কবে থেকেই। ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে গেলাম। চমকে উঠে জেগে গিয়ে দেখি সে আমার শাড়ির আঁচল ঠিক করে দিচ্ছে। আমাকে চোখ মেলতে দেখে বলল-
__গাড়িতে আমি ছাড়াও ড্রাইভার আছে। শাড়িটা তো সামলাবে নাকি!

আমি রাগ করে কথা বললাম না। কথা বলবোই না। এমন হৃদয়হীন মানুষের সাথে কথা বলে কী হবে? হৃদয়হীনরা তো হৃদয়ের দাম দিতে পারে না। রাগে দুঃখে ক্ষোভে অভিমানে আমি আরেক দূরে সরে বসে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকলাম।
সে বলল-
__তোমায় আজ খুব সুন্দর লাগছে।

আমি তার দিকে ফিরে তাকালাম না আর জবাবও দিলাম না। সে বলল-
__রাগ করেছো?

মনে মনে বললাম, রাগ কেন করবো গো? আনন্দে আত্মহারা হয়ে আছি। কত আনন্দদায়ক কাজ তুমি করছো! আনন্দিত না হয়ে আমার উপায় আছে?
আমি জবাব দিলাম না। জবাব দিলেই তো সে আবার টাইগার রূপ ধারণ করবে। সে অভিমানের সুরে বলল-
__ওহ আমি পুরোনো হয়ে গেছি তাই আমার সাথে আর কথা বলতে ভালোলাগে না তাই তো?

হায় রে! আমায় রেখে দুদিন শ্বশুরবাড়িতে থেকে এসে উল্টো অভিমান করা হচ্ছে। রাগে আমার শরীর খিটখিট করছে। রাগ চেপে রেখে নম্র স্বরে বললাম-
__হ্যাঁ গো তুমি খুব পুরোনো হয়ে গেছো। এখন আমার নতুন বর চাই।

আমার কথা শুনে তার অভিমানী চোখ দুটো রাগে রূপান্তরিত হলো। কিছুক্ষণ সে আমার দিকে টাইগারের মতো তাকিয়ে থেকে তারপর ড্রাইভারকে বলল-
__গাড়ি থামাও।

তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বলল-
__গাড়ি থেকে নামো।

আমি হতবাক হয়ে বললাম-
__মানে?

সে ঝাঁজালো স্বরে বলল-
__পুরোনো বরের গাড়িতে বসে যেতে হবে না।

__তাহলে কী আমি হেটে হেটে বাড়ি ফিরবো?

__জানি না।
এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্পপোকা ফেসবুক গ্রুপের লিংক: https://www.facebook.com/groups/golpopoka/



আমি রাগ করে নেমে গেলাম। সীমান্তর গাড়ি আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল। সন্ধ্যা গড়িয়ে আঁধার নেমে গিয়েছে। আমি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে আছি। আমার আকাশ পাতাল ভেঙে কাঁন্না আসছে।

বিঃদ্রঃ গল্পের কাহিনী এবং চরিত্র সম্পূর্ণ কাল্পনিক। বাস্তবতার সাথে গল্প কখনোই মিলবে না। জীবন কখনও গল্পের মতো সাজানো গোছানো হয় না। গল্পটা শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য লেখা হয়েছে তাই বিতর্কিত মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়।

পরের পর্ব আসছে…..
Written by- Sazia Afrin Sapna

পর্ব-৮
https://m.facebook.com/groups/884724498624937?view=permalink&id=896225730808147

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ