Friday, June 5, 2026







বাড়ি"ধারাবাহিক গল্প"একতরফা ভালোবাসাগল্প:-একতরফা_ভালোবাসা পর্ব:-(০৪)

গল্প:-একতরফা_ভালোবাসা পর্ব:-(০৪)

গল্প:-একতরফা_ভালোবাসা পর্ব:-(০৪)
লেখা_AL_Mohammad_Sourav
!!
তোমার কি কোনোদিন লজ্জা টজ্জা বলতে কিছু হবেনা নাকি? এতদিন তো আমার পেছনে পরে ছিলে তারপর রিতার! আর এখন সোনালীর পিছু নিয়েছো? (মিম)

আমি:- (এদিক সেইদিক তাকাচ্ছি আমি কাওকে তো দেখছিনা মিম কাকে বলছে কথা গুলো।) তখনি,,

মিম:- এই সৌরভ তুমি এদিক সেইদিক কি দেখছো কথা গুলি আমি তোমাকে বলছি।

আমি:- কি তুমি আমাকে বলছো মানে আমি কখন তোমার সাথে লাইন মারতে গেছি?

মিম:- কি বললে তুমি সেই কলেজের গেইট থেকে শুরু পিছু নিতে নিতে বাড়ীতে এসে উঠেছো এখন বলতেছো আমাকে লাভ করোনা? আজ আমি তোমাকে মেরে ফেলবো

আমি:- থাক আর কিছুদিন পরে তোমার বিয়ে আমাকে মেরে তোমার জেলে যেতে হবেনা। আর আমি তোমাকে তো ভালবাসিনা আমি যার তার পিছু নেই তাতে তোমার কি?

মিম:- তোমার যা খুশি তাই করো তাতে আমার কি? তবে তুমি আমার বোনদের সাথে কোনো লাইন টাইন মারবে না বলে দিলাম।

আমি:- সেইটা না হয় পরে দেখবো এখন তুমি তোমার ঠেলা সামলাও! একটু পেছনে তাকিয়ে দেখো কে দাঁড়িয়ে আছে।

মিম:- মানে কে দাড়িয়ে আছে বলে তাকিয়ে দেখে রাসেল দাড়িয়ে আছে। আরে রাসেল তুমি এখানে? তখনি দেখি রাসেলের কান থেকে লতা বাহির করছে মানে ইয়ার ফোন যার কারনে আমাদের কোনো কথা শুনতে পাইনি।

রাসেল:- হ্যা চলো আমরা একটু মার্কেট থেকে আসি আমার কোনো কাপড় আনা হয়নি! এখন তোমার আব্বু বলতেছে বিয়ের যতদিন বাকি ততদিন নাকি আমি এখানে থাকতাম।

মিম:- ঠিক আছে তাহলে চলো আমরা দুজনে আজ মার্কেটে যায় রাতে মুভি দেখে তারপর বাড়িতে আসবো।

আমি:- ঠিক আছে তোমরা কথা বলো আমি গেলাম। তখনি,,

সোনালী:- মিম আমিও যাবো তোদের সাথে মার্কেটে আমার কিছু কেনা কাটা করতে হবে! তবে তুই তো রাসেলের সাথে থাকবি আমি একা একা মার্কেটিং করতে পারিনা! তবে একটা আইডিয়া এই সৌরভ তুমি চলোনা আমার সাথে! আর তুমি তো খুব সুন্দর গাড়ি চালাতে পারো আমাদের ড্রাইব করে নিয়ে যাবে।

আমি:- না আমি যেতে পারবোনা আমি এখন রিতার সাথে গ্রাম দেখতে বের হবো।

সোনালী:- প্লিজ সৌরভ চলো আমি তোমাকে আমার পছন্দের একটা জিনিস গিফট করবো।

আমি:- ঠিক আছে তুমি যেহেতু এত রিকুয়েস্ট করতেছো আমি কি না করতে পারি। তোমরা গাড়িটার কাছে যাও আমি রিতাকে বলে আসি।

সোনালী:- ঠিক আছে তারা তারি আসবে কিন্তু?

আমি:- আচ্ছা ঠিক আছে বলে রিতার কাছে গেলাম। গিয়ে দেখি রিতা কান্না করতেছে আমি কাছে যাওয়াতে রিতার কান্না থামিয়ে দিয়েছে।

রিতা:- সরি সৌরভ আমি এখন তোমার সাথে বের হতে পারবোনা কারন আমার মুড অফ।

আমি:- ঠিক আছে বের হতে হবেনা তবে মুড কেনো অফ জানতে পারি কি?

রিতা:- না থাক শুনে কি করবে শুনি?

আমি:- আমি তো তোমার বন্ধু তাইনা তাই বন্ধুর জন্য একটু চেষ্টা তো করবই। এবার বলেন মহারানি আপনার মুড অফ কেনো?

রিতা:- আসলে আমি রানাকে অনেক ভালোবাসি কিন্তু আম্মু বলছে আমার বিয়ে দিয়ে দিবে আব্বুর একজন পরিচিত ছেলের সাথে।

আমি:- আচ্ছা এই কথা ঠিক আছে আমি চাচিমার সাথে এই বিষয় নিয়ে কথা বলবো তবে আমার একটা কাজ করে দিতে হবে।

রিতা:- হ্যা করে দিব এখন বলো কি কাজ?

আমি:- এখন না সময় হলে বলবো আচ্ছা তুমি তাহলে একটু হাসো হি হি হি! বাহা কত সুন্দর হাসি মনে হচ্ছে তোমার মুখে ফুল ফুটেছে। আচ্ছা জানটু আমি এখন তোমার মিম আপুর সাথে মার্কেটে যাবো। যাই এখন এই কথা বলে চলে আসলাম সোজা গাড়ির কাছে দেখি ওরা দাড়িয়ে আছে আমি কাছে যেতেই,,

মিম:- তোমার কি কোনোদিন একটু সময় মত কোনো কাজ করতে মন চাইনা?

আমি:- না তা চাইবে কেনো? ঠিক আছে এখন চলো যাওয়া যাক।

সোনালী:- আমি আর সৌরভ সামনে বসি আর মিম তুই তোর হুব বরের সাথে পেছনে বস।

আমি:- একে বারে মনের কথাটা বলছো! তারপর আমি গাড়ি চালাচ্ছি সোনালী আমার পাশে বসে আছে। আর পেছনে মিম রাসেল দুজনে বসে আছে। তখনি আমি গাড়িটায় এফ,এম লাগিয়েছি একটা রোমান্টিক গান বাজতে শুরু করে দিয়েছে। আমি গাড়ির লোকিং গ্লাসটাই তাকিয়ে দেখি মিম আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আর সাথে সাথেই এক চোখ টিপ মারছি তখনি মিম অবাক হয়ে গেছে।

সোনালী:- আচ্ছা সৌরভ তুমি যে এখানে এতদিন ধরে আছো তোমার আব্বু আম্মু কিছু বলেনা?

আমি:- আব্বু তেমন কিছু বলবেনা তবে আম্মু বলবে যদি আম্মুর পছন্দের একটা কিছু না নিয়ে যাই।

সোনালী:- তোমার আম্মুর পছন্দ কি?

আমি:- ঐটা এখন বলবোনা তবে সময় হলে জানতে পারবে। আমি গাড়ির ভিতরের গ্লাসটা ঘুড়িয়ে নিয়েছি কারন বার বার মিম আমাকে দেখতে ছিলো তাই। আমি ইচ্ছে করে সোনালীর সাথে দুষ্টমি করতরছি আর গাড়ি চালাচ্ছি কিছুক্ষন পর একটা মার্কেটের সামনে এসে গাড়িটা থামালাম।

সোনালী:- মিম তোরা ভিতরে যা আমি সৌরভের সাথে আসতেছি।

মিম:- চল আমরা সবাই এক সাথে যায়?

আমি:- না থাক তোমরা দুজন একটু আলাদা করে সময় কাটাও। তখনি মিম আমার দিকে রাগি চোখে তাকিয়েছে আমি অন্য দিকে চোখ ঘুড়িয়ে নিয়েছি।

রাসেল:- ঠিক আছে ওরা যেহেতু পরে আসতে চাইছে সেহেতু আমার ভিতরে যায় চলো মিম।

মিম:- ঠিক আছে চলো।

আমি:- সোনালী তুমি একটু গাড়িটা থেকে নেমে দ্বাড়াও আমি গাড়িটা পার্কিং করে আসতেছি! তারপর গাড়িটা রেখে এসে দেখি সোনালীকে নিয়ে মার্কেটের ভিতরে ঢুকলাম।

সোনালী:- সৌরভ আজ সব কিছু তুমি আমাকে পছন্দ করে দিবে।

আমি:- আমার পছন্দ একদম ভালোনা তোমার পছন্দ হবেনা।

সোনালী:- যেমনি হোক আমি আজ তোমার পছন্দ করা কিনবো।

আমি:- ঠিক আছে চলো তারপর সোনালীর জন্য এক এক করে অনেক কিছু পছন্দ করে দিলাম। আমরা দুজনে কিনা কাটা প্রাই শেষ পর্যায়ে আর ঐদিকে রাসেল এখনও শুরু করেনি। মিমকে দেখে মনে হচ্ছে রাসেলকে কাচা গিলে খাবে তখনি আমি আর সোনালী দুজনে ওদের কাছে গেলাম।

মিম:- সোনালী তোদের কেনা কাটা শেষ?

সোনালী:- হ্যা দেখনা সৌরভের পছন্দ আছে বলতে হবে, কিছুক্ষনের মাঝে আমার সব জিনিস গুলা কিনে দিয়ে দিয়েছে।

মিম:- হ্যা জানি আচ্ছা সৌরভ তুমি আমাকে বিয়েতে কি দিবে?

আমি:- কি দিবো আমার কাছে কিছু নেই তবে একটা জিনিস দিব যেইটা তোমার সারা জীবন মনে থাকবে।

রাসেল:- এখানে তো আমার কোনো কিছু পছন্দ হচ্ছেনা।

আমি:- তাহলে আমি পছন্দ করে দিবো?

মিম:- দরকার নেই আমি পছন্দ করে দিতেছি বলে মিম রাসেলকে কিছু কাপড় পছন্দ করে দিয়েছে। প্রাই দুই ঘন্টা নাগাত মার্কেটিং করেছে আমি একদম অসহ্য হয়ে গেছি। তারপর কেনা কাটা শেষ করে সোজা বাসায় চলে আসছি রাসেল আগে নেমে চলে গেছে মিম আর সোনালী পরে নামছে আমি গাড়িটা রেখে বাসার ভিতরে ঢুকছি তখনি,,

সোনালী:- সৌরভ একটু দ্বাড়াও।

আমি:- হ্যা বলো কি বলবে তখনি সোনালী কাছে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরছে মিমের সামনে আমি নিজেই অবাক হয়ে গেছি সোনালীর এমন কান্ড দেখে তখনি আমাকে ছেরে একটা কিস করে চলে গেলো। এবার মিম মনে হয় আঁকাশ থেকে পরছে। আমি নিছের দিকে তাকিয়ে চলে আসতেছি তখনি,,

মিম:- সৌরভ দ্বাড়াও।

আমি:- কিছু বলবে?

মিম:- তুমি কি সোনালীকে বিয়ে করবে?

আমি:- মানে?

মিম:- যদি করো তাহলে আমি সোনালীর আব্বু আম্মুর সাথে আলাপ করতে পারি।

আমি:- আগে তোমার বিয়েটা হোক তারপর আমার বিয়ের কথা নিয়ে চিন্তা করো। ঠিক আছে মিম তুমি থাকো আমি রুমে গেলাম আমার আজ অনেক ভালো ঘুম আসবে বলে রুমে চলে এসেছি। এসে খাঠের উপর শুয়ে পরেছি যখনি চোখটা বন্ধ করি তখনি মিমের মুখটা বেশে উঠে আমার চোখের সামনে না এই ভাবে মিমকে আমার প্রেমে ফেলতে পারবোনা তার একটা নতুন আইডিয়া বের করতে হবে। এই চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নেই, সকালে ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করে মামুনির সাথে বসে আড্ডা দিতেছি তখনি সোনালী এসেছে একটা শাড়ি হাতে করে।

সোনালী:- মামিমা আমি শাড়িটা পড়তে পারতেছিনা একটু হেল্প করবেন।

আমি:- সোনালী তুমি শাড়ি পড়তে পারোনা আসো আমি তোমাকে শাড়ি পড়িয়ে দেয়।

মামুনি:- সৌরভ তুমি শাড়ি পড়াতে পারো?

আমি:- হ্যা খুব সুন্দর করে পারি।

সোনালী:- তাহলে আমাকে শিখিয়ে দাওনা।

আমি:- হ্যা দাও।

মামুনি:- ঠিক আছে তাহলে তুমি সোনালীকে শাড়িটা পড়িয়ে দাও আমি যায় অনেক কাজ আছে আমার।

আমি:- ঠিক আছে, তারপর আমি সোনালীকে শাড়িটা পড়াচ্ছি তখনি মিমের আগমন এসেই আমাকে টান মেরে দ্বাড় করিয়ে এক থাপ্পর দিয়ে বলে,,

মিম:- তোমার এত বড় সাহোস তুমি সোনালীর কাপড় খুলতেছো! আমি গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে আছি।

সোনালী:- মিম তুই সৌরভকে থাপ্পড় দিতে গেলি কেনো? সৌরভ তো আমাকে শাড়ি পড়তে সাহায্য করছে।

মিম:- কি তোকে সৌরভ শাড়ি পরাতে ছিলো স্যরি সৌরভ আমি বুঝতে পারিনি।

আমি:- এইটা তুমি সব সময় বলো সোনালী আমি পারবোনা তোমাকে শাড়ি পরাতে তুমি থাকো।

সোনালী:- প্লিজ তুমি একটু শাড়িটা পরিয়ে দাও।

আমি:- ঠিক আছে, তারপর সোনালীকে শাড়িটা পরাচ্ছি মিম বসে বসে দেখছে যখনি শাড়িটার কচি করতেছি তখনি,,

মিম:- এই তোমার কচি করতে হবেনা দাও আমি করে দেয়।

আমি:- থাক তোমার লাগবোনা, তোমার হুব বরকে দেখছিনা সে কোথায় যাওনা গিয়ে ওকে একটু সময় দাও।

মিম:- রাসেল তো আজ সকালে চলে গেছে ওর কি জুরুরি কাজ পরছে আব্বুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে গেছে আসবে একেবারে বর সেজে।

আমি:- তাহলে তো আমার জন্য রাস্তা পরিষ্কার হয়েছে।

সোনালী:- কিসের রাস্তা?

আমি:- এই তোমার শাড়িটার কুচিটা নিজে পড়ে নাও তারপর জানতে চাও।

সোনালী:- তুমি পড়িয়ে দাও।

আমি:- ঠিক আছে বলে পড়িয়ে দিয়েছি আর মিম আমার দিকে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে।
তখনি শুনি বাড়ির মাঝে চিৎকার চেচা মিচি করতেছে সবাই আমরা তারা তারি করে বের হয়ে শুনি রিতা রুমে নেই! ওর সব গহনা ঘাটি নিয়ে পালিয়েছে। চাচিমা কান্না করতেছে দেখে মায়া লাগছে রিতা এমন কাজ করতে পারল? তখনি,,

আঙ্কেল:- বাবা সৌরভ তুমি রিতাকে একটু নিয়ে এসোনা প্লিজ।

আমি:-ঠিক আছে আমি যেই ভাবে হোক রিতাকে ফ্রিয়ে নিয়ে আসবো, বলে যেতেছি তখনি,,

সোনালী:- আমি যাবো তোমার সাথে সৌরভ।

আমি:- হ্যা আসতে পারো। এমন সময় আঙ্কেল বলে

আঙ্কেল:- সৌরভের সাথে মিম যাক কারন মিম এখানকার যায়গা গুলো ভালোই চিনে।

আমি:- হ্যা একদম ঠিক কথা বলছেন আঙ্কেল। আসো মিম বলে মিমের হাত ধরে নিয়ে আসলাম। যখনি গাড়িটার ভিতরে বসেছি তখনি আমি মিমকে বলি এখন তোমাকে নিয়ে আমিও পালেবো তোমাকে নিয়ে সোজা ঢাকা চলে যাবো দেখি তুমি কি করতে পারো?

মিম:- এখনি গাড়িটা থামাবে বলছি তানা হলে আমি গাড়ি থেকে লাফ দিবো!

আমি:- দিলে দাও গাড়ি আর থামছেনা।

মিম:- তোমাকে আমি ভালোবাসিনা তাও তুমি আমাকে জোর করে নিয়ে পালাতে চাচ্ছো? তোমার মত কাপুরুষ ছেলে আমি জীবনে কমই দেখছি! যদি সামর্থ্য থাকে তাহলে আমার পরিবারের সবার মন জয় করে নিয়ে যাও।

আমি:- তার দরকার নেই সুযোগ পেয়েছি এখনি তোমাকে নিয়ে সোজা ঢাকা, কারন নেরা বেল তলায় এক বার যায় বার বার যায়না।

মিম:- গাড়িটা তুমি থামাবে নাকি আমি লাফ দিবো?

আমি:- দিতে পারো এতে আমার কোন সমস্যা নেই। তখনি মিম আমার গলা টিপে ধরে বলছে,,

মিম:- মরলে দুই জনে এক সাথে মরবো তার আগে তোমাকে আমি মেরে ফেলবো। তখনি আমি গাড়ির স্পীর্ড বাড়িয়ে দিয়ে মুর ঘুরিয়েছি আর মিম আমার কোলের উপর বসে পরেছে।

আমি:- এখন কি করবে তুমি আমার কোলে বসে যেতে হবে তোমার। মিম অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে সোজা আমার ঠোটে কিস করে দিয়েছে আর সাথে সাথে গাড়ি ব্রেক করে থামিয়ে দিয়েছি। আর তখনি মিম গাড়ির চাবিটা নিয়ে সোজা নেমে পরেছে।

মিম:- আমি ভালো করে বুঝতে পারছি তোমার দূর্বল যায়গা কোনটা, এখন তুমি গাড়ি থেকে নামো তারপর তোমাকে আমি মজা দেখাচ্ছি।

আমি:- যেই মজা দিয়েছো নতুন করে আর নিতে চাইনা, গাড়িতে বসো তারা তারি করে তানা হলে রিতা কিন্তু রানার সাথে অনেক দূর চলে যাবে। আর তোমাকে তো আমি ভয় দেখাইছি, তোমাকে নিয়ে পালাবো কেনো? আমার তো সোনালী আছে তোমার চাইতে সুন্দর।

মিম:- কি সোনালী আমার চাইতে সুন্দর তাহলে তুমি সোনালীকে ভালোবাসতে পারোনা?

আমি:- বাড়িতে গিয়ে ভালোবাসবো এখন তুমি গাড়িতে বসো।

মিম:- আমি ভালো করে বুঝতে পারছি তুমি কি চাও, আমি তোমার সাথে কোথাও যাবোনা আমি বাড়িতে চলে যাবো।

আমি:- ঠিক আছে আমি তোমাকে নিয়ে বাড়িতে যাবো এখন তারা তারি গাড়িতে বসো বলে মিমকে অনেক রিকুয়েস্ট করে গাড়িতে বসিয়েছি।

মিম:- আচ্ছা সৌরভ তুমি এমন কেনো একজন মানুষ এত মেয়েকে পছন্দ করো যাকে দেখো তাকেই তোমার ভালো লেগে যায়।

আমি:- কি করবো বল ইচ্ছে তো করে সবাইকে ভালোবাসি কিন্তু আমাকে তো কেও ভালোবাসেনা। এখন রিতার নাম্বারে এই মোবাইল থেকে ফোন করো।

মিম:- আমি ভালো করে বুঝতে পারছি তুমি রিতার সাথে লাইন মারার জন্য নাম্বারটা সুযোগে নিয়েছিলে।

আমি:- হ্যা তুমি বুঝতে পারো ভালোই বোকা কোথাকার তারা তারি করে ফোন করে মোবাইলটা আমার কাছে দাও। তখনি মিম রিতার নাম্বারে ফোন করেছে কিন্তু নাম্বারটা বন্ধ বলছে! তারা তারি করে বাস স্ট্যান্ড গেলাম গিয়ে বাসের সব টিকেট কাওন্টার চেক করেছি কিন্তু রিতাকে কোথাও পেলামনা তারপর মিমকে গাড়িতে বসিয়ে আমি বাহিরে দাঁড়িয়ে চিপস খাচ্ছি এমন সময় একটা ছেলে এসে বলে,,,

ছেলে:- এই ড্রাইভার ভাই যাবেন।

আমি:- এদিক সেইদিক তাকিয়ে বলি কোথায় যাবেন স্যার?

ছেলে:- ঢাকা।

আমি:- একাই যাবেন তাহলে বাসে চলে যান এত টাকা দিয়ে প্রাইবেট কার কেনো যাবেন?

ছেলে:- আসলে আমার বউ অনেক অসুস্থ তো তাই।

আমি:- আপনার বউ কোথায়?

ছেলে:- যদি যান তাহলে নিয়ে আসবো।

আমি:- ঠিক আছে তাহলে নিয়ে আসেন তখনি ছেলেটা একটু ভিতরে গেছে আমি ওর পিছু পিছু গেছি গিয়ে দেখি রিতাকে নিয়ে আসতেছে আমি একটু আড়ালে লুকিয়ে গেলাম, যখনি আমাকে ক্রস করেছে তখনি আমি রিতাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে মিমকে ডাক দিলাম। তখনি ছেলেটা এক দূর দিতে চাইছে আর আমি রিতাকে ছেরে ছেলেটাকে ধরেছি।

রিতা:- প্লিজ সৌরভ তুমি আমাদের যেতে দাও আমি বাড়িতে গেলে আব্বু আমাকে মেরে ফেলবে।

আমি:- দেখো রিতা আমি তোমাকে বলছিলাম চাচিমার সাথে কথা বলবো কিন্তু তুমি আমাকে সেই সময় টুকু দাওনি! এখন তোমাকে আমি যেতে দিতে পারবোনা আর এই ছেলেটার নাম কি রানা।

রিতা:- হ্যা এই ছেলেটার কথাই আমি তোমাকে বলছিলাম। প্লিজ সৌরভ আমি তোমার পায়ে পরি আমাকে যেতে দাও।

মিম:- সৌরভ যেতে দিবে মানে আমি বাড়িতে গিয়ে বলে দেবো যে সৌরভ তোদের পালাতে সাহায্য করেছে।

আমি:- এই তুমি চুপ থাকবে নাকি বলে দিবো গাড়িতে আমাকে কিস,,তখনি মিম আমার মুখ চেপে ধরে বলছে।

মিম:- ঠিক আছে আমি চুপ করে গেলাম। তখন আমার মুখ থেকে হাত সরিয়ে নিয়েছে।

আমি:- ঠিক আছে আছে, আচ্ছা রিতা এখন তোমরা আমাকে বিশ্বাস করতে হবে আমি কথা দিতেছি মিমের বিয়ের দিন তোমার আর রানার বিয়ে হবে।

রানা:- রিতা তুমি বিশ্বাস করোনা তোমার পরিবার আমাকে তোমার স্বামি হিসাবে জীবনেও মেনে নিবেনা।

আমি:- ঠিক আছে তাহলে তোকে ছেরে দিলাম তুই চলে যা! আর রিতা তুমি চলো আমার সাথে আমি তোমাকে ওর সাথে যেতে দিতে পারবোনা। তখনি,,

রানা:- ভাইয়া আমার ভুল হয়েগেছে আমি তোমাকে বিশ্বাস করেছি।

রিতা:- তুমি বলছো তাই যাচ্ছি যদি রানার উপর একটু আছর লাগে তাহলে তোমাকে আমি কোনোদিন ক্ষমা করবোনা।

আমি:- আমি তোমাদের উপর একটু আছর লাগতে দেবনা এইটা আমার ভালোবাসার কসম।

মিম:- এই তুমি আমার কসম কাটলে কেনো?

আমি:- কখন তোমার কসম কাটলাম, আমি তো বলছি এইটা আমার ভালোবাসার কসম।
রিতা:- সৌরভ তুমি মিম আপুকে ভালোবাসো আর এই কথাটা তুমি আমাকে এত দিন বলোনি কেনো?

আমি:- আরেনা আমি তো সোনালীকে ভালোবাসি মিম কানে একটু কম শুনে।

মিম:- কি আমি কানে কম শুনি, বলে আমার গলা টিপে ধরতে চাইছে আর পায়ে পা লেগে আমার বুকের উপর এসে পরেছে।

আমি:- বুঝতে পারছি তুমি আমাকে জড়িয়ে ধরতে চাও নাও আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরেছি, বলে মিমকে জড়িয়ে ধরতে যাবো তখনি নিজেকে ছারিয়ে মুখটা লজ্জাই লাল করে গিয়ে গাড়িতে বসে পরেছে। তারপর রিতা, রানা আর আমি গাড়িতে গিয়ে বসেছে! রিতা আর মিম পেছনে আর রানা আমার সাথে সামনে বসেছে! মিম একটু পর পর আমার দিকে তাকাচ্ছে আমি দেখেও না দেখার মত করে আছি! তারপর মিম তার বাড়িতে ফোন করে বলে দিয়েছে রিতাকে নিয়ে আমরা বাড়ি আসতেছি। প্রাই এক ঘন্টা পর বাড়িতে এসেছি, তখনি আঙ্কেল এসে বলে,,

আঙ্কেল:- এই তোরা এই ছেলেটাকে পুলিশে ধরিয়ে দে ওর সাহোস হলো কি করে নুর বাড়ির মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার।

আমি:- আঙ্কেল তার আগে আমার কাছে একটা কথা আছে যদি অনুমতি দেন তাহলে বলতে পারি।

আঙ্কেল:- হ্যা সৌরভ বলো তুমি কি বলতে চাও?

আমি:- রিতার সাথে রানার বিয়ে দিয়ে দিন কারন রিতা যদি রানার সাথে সূখে থাকে তালে আপনাদের জন্য ভালো কারন রিতা তার পছন্দের ছেলের সাথে সূখে আছে।

আঙ্কেল:- সৌরভ আমি তোমাকে এই বারের মত ক্ষমা করে দিয়েছি কারন তুমি এই বাড়ির সম্মান এই বাড়িতে ফ্রিয়ে দিয়েছো। তানা হলে তোমাকে আমি এখুনি ঘার ধাক্কা দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দিতাম।

আমি:- দেন তাতে আমার কোনো সমস্যা হবেনা তাও আপনি আমার কথাটা একটু বুঝতে চেষ্টা করেন। তারপর আঙ্কেল সহ সবাইকে অনেক বুঝালাম এর পর সবাই ব্যাপারটা বুঝেছে আর সবাই অনেক খুশি হয়েছে।

আঙ্কেল:- ঠিক আছে তাহলে রিতার বিয়ে রানার সাথে হবে যেইদিন মিমের বিয়ে সেইদিন রানার সাথে রিতার বিয়ে হবে। আর রানা তুমি তোমার বাবা মাকে নিয়ে আমার সাথে আগামীকাল দেখা করবে। এখন তোমরা সবাই বাড়ির ভিতরে যাও। তখন সবাই যার যার মত করে ভিতরে ঢুকে গেছে আমি আর মিম চলে আসতেছি তখনি,,

রিতা:- সৌরভ একটু দ্বাড়াও।

আমি:- কিছু বলবে তখনি দৌরে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরছে মিমের সামনে আমি অবাক হয়ে গেলাম।

রিতা:- ধন্যবাদ তোমাকে আর হ্যা আমার যদি তোমার সাথে আগে দেখা হতো তাহলে আমি তোমাকে বিয়ে করতাম। তবে দেখো তুমি অনেক সুন্দর একটা মেয়ে পাবে তোমার জীবনে এই কথা গুলো রিতা আমাকে জড়িয়ে ধরে বলতেছে।

আমি:- আমার ভাগ্যটা খারাপ তাই তোমার সাথে পরে দেখা হয়ছে,, এমন সময় মিম বলে,,
মিম:- রিতা অনেক্ষন হয়ছে এবার ছার ওকে। তখনি রিতা আমাকে ছেরে বলে,,,

রিতা:- ওকে জড়িয়ে ধরতে ভালোই লাগে বিশ্বাস না হলে আপু তুই একবার জড়িয়ে ধরে দেখ।

মিম:- কি বলিস এইসব তুই! যা এখান থেকে তখনি রিতা চলে গেলো আমি রুমের দিকে রওনা দিয়েছি এমনি মিম বলে,, সৌরভ দ্বাড়াও একটু খানি।

আমি:- কিছু বলবে?

মিম:- ধন্যবাদ তোমাকে আমাদের বাড়ির সম্মান রক্ষা করার জন্য আর রিতাকে তার ভালোবাসার মানুষের সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য। আর গাড়িতে যা হয়ছে তার জন্য স্যরি বলে মিম তার হাতটা বাড়িয়ে দিয়েছে।

আমি:- ঠিক আছে! আমি এখন রুমে যাই বলে চলে আসছি আর মিম তার হাতটা বাড়িয়ে রাখছিলো আমি হাত না ধরে চলে এসেছি। এসে খাঠের উপর শুয়ে পরেছি অনেকটা ক্লান্ত লাগছে আর মাত্র তিন দিন আছে মিমের বিয়ের বাকি এখনও কাওকে কিছু বুঝাতে পারতেছিনা। মিমকে আমি কি করে বুঝাবো ওকে যেই ভাবে হোক আমার প্রেমে ফালাতে হবে কিন্তু কি ভাবে? এই ভাবতে ভাবতে কখন যে ঘুমিয়ে গেছি ঠিক মনে নেই। সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে বের হতে ছিলাম তখনি মিম বলে,,

মিম:- সৌরভ তোমার মোবাইল বন্ধ কেনো?

আমি:- তোমাকে বলবো কেনো বলে সোজা চলে আসতেছি হঠাত করে সোনালী এসে বলে,,,

সোনালী:- সৌরভ চলো আমাকে শাড়ি পড়া শিখাবে।

আমি:- এখন আচ্ছা চলো তোমাকে ভালো করে আজ শাড়ি পড়া শিখাই দিবো বলে সোনালীকে হাত ধরে ভিতরে নিয়ে যেতেছি। এমনি মিম এসে বলে,,,

মিম:- সোনালী চল তোকে আমি শাড়ি পরা শিখাই দেবো।

সোনালী:- না থাক সৌরভ আমাকে শিখিয়ে দেবে। বলে আমার হাত ধরে টেনে নিয়ে আসতেছে তখনি মিম সৌরভ বলে মাথা ঘুরে নিছে পরে গেছে আমি মিম বলে এক জোরে ডাক দিয়ে গিয়ে মিমকে জড়িয়ে ধরে বলছি,,

আমি:- মিম তোমার কি হয়ছে কোনো কথা বলছেনা মিম একদম অজ্ঞান হয়ে গেছে।
চলবে,,,

গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ