Saturday, August 30, 2025
বাড়ি প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 2030



Crush যখন বর?Season_2 Part_40/41/42

0

Crush যখন বর?Season_2 Part_40/41/42
Writer-Afnan Lara

মা-শিশির তোর বাবা সব সম্পত্তি তোর আর মুনার নামে করে দিসে,এখন শিহাব রেগে চলে গেসে,
শিশির -তো আমি কি করবো
মা-তুই তোর বাবাকে বোঝা না
শিশির-পারবো না,
শিশির চলে এলো,
রুমে ঢুকতেই দেখলো তনু শাড়ী ঠিক করতে করতে বের হয়সে,
শিশির-আমার অফিসে যেতে হবে,
নিজের খেয়াল রাখবা,আমি মুনাকে বলে দিসি ও তোমার কাছে থাকবে,
কাজ করার সাহস দেখাবা না,একদম মেরে দিব,
তনু বোকার মতন দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির জ্যাকেট পরে তনুর কাছে এসে, তনুর কোমড় ধরে কাছে এনে কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো,
শিশির অফিসে আসলো,
নিতু-হাই স্যার,গুড মর্নিং
শিশির-মর্নিং
নিতু-আমি আপনার নিউ পিএ
শিশির-হুম,
শিশির গিয়ে চেয়ারে বসলো,,নিতু আসলো জ্যাকেট নেওয়ার জন্য
শিশির-ওয়েট,আমার personal কাজ আমি করবো,
তোমাকে রাখা হয়েছে আমার কাজে help করার জন্য,
নিতু-ওকে,
শিশির নিজের কাজে মন দিলো,
নিতু শিশিরের সমানে বরাবর বসে শিশিরকে দেখতেছে,টল,শ্যাম বর্ন,বডি আছে,ফিটফাট,,চাপা দাঁড়ি,ইসসসসসসস,
শিশির-তোমার নিজের কেবিন আছে সেখানে গিয়ে বসো,
নিতু চলে গেলো,
শিশির তনুকে কল দিলো,তনু খেয়েছো?
তনু-হুম,আপনি?
শিশির-এখন খাবো,
তনু-আচ্ছা খেয়ে নেন,
শিশির -নিতু আমার খাবার রেডি করো,
নিতু খাবার নিয়ে এলো,
শিশির-তোমাকে আমি কাল full shit দিসি,আমি কখন কি করবো সেটার,তারপরেও ডাকা লাগে কেন?
নিতু-সরি স্যার,,
(নিতু রুনাকে ছাড়ায় যাবে,)
শিশিরকে খাবার দিতে গিয়ে ইচ্ছে করে শিশিরের জ্যাকেটে খাবার ফেলে দিলো,
শিশির-wtf!!
শিশির উঠে জ্যাকেট খুলে ফেললো,
নিতু-সরি সরি স্যার,এটা বলেই কেঁদে দিলো,
শিশির-ওকে ইটস ওকে,Dnt cry,যাও রুম থেকে,
নিতু চলে গেলো,
শিশির -ধুর,
নিতু একটা ফাইল নিয়ে আসলো,শিশিরের গায়ে শুধু একটা T shirt,
নিতু এসে শিশিরকে খপ করে জড়িয়ে ধরলো,
নিতু-I’m really sry sir, pls forgive me,আর কখনও এমন হবে না,
শিশির-আরে ছাড়ো,
শিশির ছাড়ানোর চেষ্টা করতেছে আর নিতু আরও জোর করে ধরতেছে,
শিশির ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,
শিশির-গেট আউট
নিতু চলে গেলো,
শিশির জ্যাকেট নিয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে চলে গেলো,
বাসায় আসলো,
ঠাস করে দরজা লাগিয়ে বাথরুমে গেলো,
তনু-কি হয়সে?
শিশির-কচুর একটা পিএ আনছি,জ্বালায় খুব
তনু-বাহ,এতদিন আমাকে জ্বালাইতেন আর আজ আপনাকে কেউ জ্বালাইতেছে?
শিশির-মেজাজ গরম হয়ে আছে খুব,চুপ থাকো
তনু-কেন কি করবেন হুহ
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির হাত ধরে টেনে কোলে এনে বসালো
শিশির-আদর করবো
শিশির তনুর কানে সুরসরি দিলো তনুর মাথার চুল দিয়ে,তখনই ফোন আসলো নিতুর
শিশির ফোন নিয়ে অফ করে দিলো
তনু-কে?
শিশির-পিএ,বাদ দাও,আমার দিনটাই খারাপ করে দিলো,
তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
তনু -অন্য পারফিউম লাগাইছেন নাকি আজ আপনার গায়ের থেকে কেমন মেয়ে মেয়ে ঘ্রান আসতেছে
শিশির-(এখন যদি বলি নিতু আমাকে টাইটলি জড়িয়ে ধরে ছিলো তনু কাঁদবে, এমনিতেও অসুস্থ,)না মেবি জ্যাকেট খুলে ফেলায়,
তনু-বসেন খাবার দিব
শিশির -একদম না,আমার খিধে নেই,আমি এখন তনু আচার খাবো,
এটা বলেই তনুকে শুইয়ে দিলো,তনুর হাত জোড়া এক হাত দিয়ে চেপে ধরে আরেক হাত দিয়ে ঠোঁট ধরলো,
শিশির-আইসক্রিম খাইসিলা?
তনু-হুম,মুনার সাথে
শিশির-ঠোঁট কমলা কালার হয়ে আছে,এখনই আগের মত করে দিব,???????
পরেরদিন ♥
শিশির-কাল একটু কাজ ও করতে পারিনি আজ তাড়াতাড়ি যেতে হবে,তনু ঘুমাচ্ছে,শিশির রেডি হয়ে অফিস চলে এলো,
নিতু একটা ছোট মিনি স্কার্ট পরেছে সাথে shirt,হ্যালো স্যার
শিশির-আমার অফিসে এসব allowed নাহ,সেলোয়ার কামিজ আর ওড়না পরে আসবা বুঝছো?
নিতু-আমার তো এগুলা ছাড়া আর dress নেই স্যার
শিশির-বেতন advance নিয়ে কিনে নাও,
শিশির নিজের কেবিনে আসলো,
নিতু গায়ের shirt এর কয়েকটা বোতাম খুলে একটা ফাইল নিয়ে শিশিরের কাছে গেলো,
নিন স্যার চেক করে দেখুন,
শিশির ফাইল চেক করতেছে আর নিতু আস্তে আস্তে শিশিরের কাছে আসতেছে,
শিশির হঠাৎ করে নিতুর দিকে তাকালো চোখ বড়বড় করে নিতু সরে যেতে নিলো গ্লাস নিচে পড়ে গেলো,
শিশিরের গায়ে সব পানি,
শিশির-তোমার কি কোনো কমন sense নাই?আজব!
শিশির উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো,
তনু শিশিরকে কল দিলো,সকাল থেকে শরীরটা ভালো লাগতেছে না,মাথা ধরসে,
নিতু ফোন রিসিভ করলো,
নিতু-হ্যালো
তনু-কে?
নিতু-আপনি কে?
তনু-আমি শিশিরের ওয়াইফ,আপনি কে?
নিতু-বাব্বাহ বিয়েও করে ফেলছে,
নিতু-আমি উনার পিএ,
তনু-শিশির কই
নিতু-ওয়াসরুমে গেসে,আসলে আমি পানি আনতে গিয়ে উনার গায়ে পড়ে গেসিলাম তো উনার shirtটা ভিজে গেসে,সেটাই change করতে গেসে,
তনু-ও,ওকে বলিও আমি কল দিসিলাম,
তনু-গায়েই পড়ে গেলো?,
শিশির আসলো ওয়াসরুম থেকে,নিতু কিছু বললো না,
তনু মাথা ব্যাথায় থাকতে পারতেছে না,মুনা স্কুলে,মা ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমাচ্ছে,,
তনু-উফ মরে যাবো মনে হয়,তনুর চারপাশ ঘুরতেছে,
নিতু শিশিরের ফোন silent করে দিসিলো তখন,
শিশির মিটিং করেতেছে,
ফোন কাছে রেখেছে যাতে তনু কল দিলে আসে,
তনু ২০বারের মতো কল দিসে কিন্তু ফোন বাজলো না
তনু খেয়াল করলো ওর মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে,টিসু নিয়ে মুছলো,
বাথরুমে গিয়ে বমি করে দিলো,মাথা ধরে নিচে বসলো,দম বন্ধ হয়ে আসতেছে,
কাঁদতেছে বসে বসে,
শিশির মিটিং শেষে ফোন হাতে নিয়ে দেখলো 53missed calls, তনুর,ফোন slient হলো কিভাবে??
শিশির দেরি না করে বাসার জন্য রওনা দিলো,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_41
শিশির বাসায় আসলো,
দৌড়ে রুমে গেলো,
তনু বিছানায় শুয়ে আছে,ঘুমাচ্ছে,
পাশে তনুর মা বসে আছে,
মা-আমি তো তনুকে দেখতে এসেছিলাম,এসে দেখি ও বাথরুমে পড়ে আছে,,
আমি ওর বাবাকে ডেকে এনে বিছানায় শুইয়ে দিসি,
ওর বাবা Doctor আনতে গেসে,তোমাকে আমরা অনেকবার কল দিসি তুমি ধরো নাই
শিশির-আমার ফোন silent ছিলো,
শিশির এসে তনুর পাশে বসে ওর হাত ধরলো,
তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,
মা-বমি করেছে, রক্তবমি,
শিশিরের বুক কেঁপে উঠলো,
তনুর হাত শক্ত করে ধরলো,
মা উঠে চলে গেলো,শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরলো,
তখনই তনু চোখ খুললো,এক হাত দিয়ে শিশিরের shirt ধরলো,
শিশির তনুর দিকে তাকালো,
তনু -আমি আপনাকে অনেকবার কল দিসিলাম,
শিশির-আমার ফোন কিভাবে যে silent হলো আমি জানিও নাই
তনু মাথা ধরে উঠে বসলো,
শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে তনুর মুখ মুছে দিলো,
তনু-আমি একবার কল দিসিলাম আপনার পিএ।।।।।।
বাবা-Doctor এসে গেসে,
Doctor তনুর হাতে ক্যানেলার লাগিয়ে দিলো,একটা আয়রন সেলাইন দিলো,
Doctor -দূর্বল হয়ে গেসে টানা ৭দিন দিতে হবে,একটার পর আরেকটা
মা-ছোট বেলায় এমন হয়েসিলো একবার??
মা বাবা সোফার রুমে চলে গেলো,
শিশির তনুর পাশে বসে আছে,
তনু শিশিরের হাত আঁকড়ে ধরে ঘুমিয়ে গেসে,
শিশির হেলান দিয়ে বসে আছে,
মা-বাবা শিশির কিছু খেয়ে নাও আমি তনুর পাশে আছি
শিশির-মা তনু ও কিছু খায়নি আমার খিধে নেই,,
রাতে তনুর সেলাইন শেষ হলো,
হাতে ক্যানেলার এখনও আছে,
তনু উঠে বসলো,শিশির তনুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলো,
শিশির-সরি আজকের জন্য আমি সত্যি বুঝি নাই তুমি কল দিসিলা,
তনু-ঠিক আছে সমস্যা নেই,
তনু শিশিরের কাঁধে মাথা রাখলো,
শিশির মুখ ধরে চুমু দিয়ে দিলো,তনু শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,
সকালে শিশির ফোন বারবার চেক করে full sound দিয়ে বাসা থেকে বের হলো,
অফিসে গেলো,
নিতু ডেইলির মত আবার শিশিরের গায়ে পানি ঢেলে দিলো,
শিশির-বের হয়ে যাও আমার অফিস থেকে,
নিতু-স্যার আমার বাসায় মা অসুস্থ,
জব টা শেষ হয়ে গেলে তাকে কি খাওয়াবো,আমাকে ক্ষমা করে দিন,
শিশির-আজকে শুধু shirt পড়ে আসছি ধুর,
শিশির ওয়াসরুমে গিয়ে বাথরুমে রাখা টাওয়েল পড়ে shirt খুলে, এক হাত বের করে নিতুর দিকে ছুড়ে মারলো
শিশির-iron করে আনো,শুকায় যাবে
নিতু-এটারই তো অপেক্ষা ছিল,
নিতু জামা iron করে জামার কলারে লিপ্সটিকের দাগ লাগিয়ে দিলো,,
আর নিজের গায়ের perfume spray করে দিলো shirt-এ,
এসে শিশিরকে shirt দিলো,
শিশির তো এত কিছু জানে না,shirt পরে বেরিয়ে এলো,আজ তাড়াতাড়ি বাসায় গেলো,
গিয়ে দেখলো তনু আরেকদিকে ফিরে শুয়ে আছে,shirt খুলে বিছানায় রেখে তনুর কাছে গিয়ে বসল
তনু-কে?
চোখ খুলে শিশিরকে দেখে চমকে উঠল,আপনি এখন?
শিশির-তোমার কথা খুব মনে পড়তেছিলো,
তনু-Shirt কই?
শিশির-romance করবো তাই তুলে রেখেছি,
শিশির তনুকে ঝাঁপটে ধরে কিস করতে লাগল?
তনু এক হাত দিয়ে ধরে রেখেছে শিশিরকে,আরেক হাতে ক্যানেলার,
তনু শুয়ে আছে,শিশির উঠে গোসল করতে বাথরুমে চলে গেলো,
তনুর চোখ গেলো shirt টার দিকে কেমন মেয়েদের perfume এর ঘ্রান আসতেছে,
তনু উঠে বসে shirtটা হাতে নিলো,ঘ্রান নিয়ে দেখলো হুম কালকের সেই perfume টা,shirt টা ছিলো নিল কালারের,এপিঠ করতেই লিপ্সটিকের দাগ দেখতে পেলো তনু,তনুর মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো,
শিশির বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলো তনু shirt হাতে নিয়ে বসে আছে,
শিশির-কি?আমি না থাকলে আমার shirt কে আদর করা হচ্ছে?
তনু-shirt টাতে লিপ্স…..
শিশির-হ্যালো হ্যাঁ নিতু তুমি ফাইল টা ভালো করে চেক করো খুব important ফাইল,শিশির কথা বলতে বলতে চলে গেলো,
তনু-নিতু? না আমার ভুল হতে পারে,
শিশির তো আমাকে ভালোবাসে,ও আমাকে চিট করতে পারে না,কিন্ত দাগটা যে জায়গায় ভুলবসত এই জায়গায় কিভাবে দাগ হবে,,ধুর কি ভাবতেছি শিশিকে এভাবে সন্দেহ করা ঠিক না,
তনু shirt সরিয়ে রেখে দিলো,
পরেরদিন ♥
শিশির বসে বসে ল্যাপটপ দেখতেছে,গ্লাস সরিয়ে রেখেছে,
নিতু হেলেদুলে আসলো,
শিশির-তোমাকে বলসি না মিনি স্কার্ট পরে আসবা না,
নিতু-সরি স্যার
তনু-নাহ শান্তি লাগতেছে না,আজকে উনার অফিসে যাবো,
তনু রেডি হয়ে বের হলো
নিতু-স্যার আমি আপনাকে ভালোবাসি
শিশির-r u mad?তুমি কি জানো আমি বিবাহিত?
নিতু-তো কি,divorce দিয়ে দেন,
এটা বলেই শিশিরের খুব কাছে চলে এলো,শিশিরের কলার টান দিলো
শিশির- ছাড়ো,পাগল হয় গেসো,
নিতু শিশিরের গায়ের সাথে লেগে গেসে শিশির পিছতে পিছতে টেবিলে হেলান দিলো
নিতু শিশিরের বুকে শুয়ে পরতেছে শিশিরকে এমন শক্ত করে ধরেছে শিশির ছাড়াতেই পারছে না,
তনু অফিসে আসলো,
নিতু শিশিরের মুখ ধরে ওরে চুমু দিতে যাবে, তনু দরজা খুলে তাকিয়ে রইলো,হাত থেকে টিফিনের বক্স টা পড়ে গেলো,
শিশির-তনু
তনু চোখ মুছে বেরিয়ে গেলো,
শিশির নিতুকে ধাক্কা দিয়ো সরিয়ে গিয়ে তনুর হাত ধরলো,
তনু হাত ছাড়িয়ে চলে যেতে নিলো শিশির আবার ধরলো,নিজের দিকে ফিরালো,
তনু-আমাকে যেতে দিন,শক্ত চোখে বললো কথাটা
শিশির -না দিব না,
তনু শিশিরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে চলে গেলো,,
শিশির পিছন পিছন যেতে যাবে নিতু এসে হাত ধরলো শিশিরের,
শিশির-Leave my hand
নিতু-না,যেতে দিন ওরে,আমি কিন্তু ওর চাইতেও হট
শিশির ঠাস করে চড় মেরে দিলো নিতুকে,Secretary!! এই মেয়েটাকে ঘাঁড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও আমার অফিস থেকে,
শিশির দৌড় দিলো,তনুকে কোথাও পেলো না,বাসার দিকে গেলো,
শিশির বাসায় আসলো তনু কোথাও নেই,,তনুদের বাসায় গেলো সেখানেও নেই,হঠাৎ ওর মনে হলো তনু মনে হয় ছাদে,
শিশির দৌড়ে ছাদে গেলো,
তনু এক কোণে বসে বসে কাঁদতেছে,
শিশির গিয়ে পাশে বসলো,
হাতে শিশিরের shirtটা,তনু শিশিরের দিকে shirtটা ছুড়ে মারলো,
শিশির shirt নিয়ে রেখে দিতে গিয়েই দেখলো লিপ্সটিকের দাগ,
তনু এক হাতে চোখ বারবার মুছতেছে,শিশির পকেট থেকে রুমাল নিয়ে এগিয়ে দিলো,তনু নিলো না,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_42
শিশির-ভুল বুঝছো আমাকে
তনু-Shirt এ লাগা লিপ্সটিকের দাগ?মেয়েলি পারফিউম?আর আজকের ঘটনা?
শিশির-আমি সত্যি জানি না এসব কিভাবে হয়সে বিশ্বাস করো,
তনু কাঁদতে কাঁদতে উঠে চলে যাওয়ার সময় পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির ধরে ফেললো,
তনু কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে হাত ছাড়িয়ে চলে যাওয়ার জন্য হাত টানতেছে কিন্তু শিশির হাত ছাড়েনি,
বরং কোলে তুলে নিসে,,
নিয়ে বাসায় এনে বিছানায় নামিয়ে দিসে,
শিশির-তুমি আমাকে বিশ্বাস করো না?
তনু-আজকের পর থেকে না
শিশির নিচে বসলো,তনুর হাত ধরলো,
শিশির-আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি,অন্য কারোর সাথে কেন এমন করবো বলো
তনু -চলে যান এখান থেকে আমি একা থাকতে চাই
শিশির-তোমাকে একা রেখে যাবো না আমি,
তনু কিছু বললো না,
খাটের এক পাশে শুয়ে পরলো,
শিশির কাঁথা টেনে দিলো গায়ে,তারপর পাশে বসে থাকলো
তনুর ঘুম আসতেছে না,শিশিরেরও না,
শিশির বসে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির-কিছু কি বলবা না?
তনু কিছু বললো না
রাত তখন ১টা বাজে,
তনু খেয়াল করলো শিশির তনুর পেট জড়িয়ে তনুকে ঝাঁপটে ধরলো,
তনু সরাতে যাবে ওর খেয়াল হলো শিশির ঘুমের মধ্যে ধরেছে,আর ওর গা গরম,
জ্বর এসেছে মনে হয়,
শিশিরের সহজে জ্বর আসে না তবে আসলে ১২টা বেজে যায়,
তনু লাফ দিয়ে উঠে বসলো,শিশির তনুর আঁচল মুঠ করে ধরে আছে,
তনু আঁচল ছাড়িয়ে পানি এনে শিশিরের মাথায় পোটি দিতে লাগলো,
সকালে♥
শিশির চোখ খুললো তনু শিশিরের বুকে ঘুমাচ্ছে,হাতে কাপড়,সাইড টেবিলে পানির মগ,
শিশির উঠে তনুকে সাইডে শুইয়ে দিয়ে বসলো,
কাল মনে হয় জ্বর আসছিলো আমার,
শিশির তনুর রুমের আলমারী খুললো,ঐবার একটা জামা রেখে গেসিলো,সেটা নিয়ে গোসল করতে গেলো,
তনু উঠে দেখলো শিশির পাশে নেই,চোখ ডলতে ডলতে উঠে রুম থেকে বের হতে যাবে শিশির দরজা খুলে হাত ধরলো,আচমকা হাত ধরায় তনু ভয় পেয়ে গেলো,
শিশির-এত ভয় পাওয়ার কি আছে?
তনু-হাত ছাড়ুন
শিশির-যদিও কাল রাতে কিছুই হয়নাই তারপরেও একসাথে গোসল করা যায়?
শিশির তনুকে টান দিয়ে ভিতরে নিয়ে এলো,
এনে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো,
শিশির নিজের মাথা তনুর কপালের সাথে লাগালো,ঝরনা ছেড়ে দিলো,
শিশির-এবার আমার গায়ে পানি পড়বে,আমার গা ধুয়ে জ্বর তোমার গায়ে যাবে তারপর তোমার গা ধুয়ে নিচে যাবে,
এটা বলেই তনুর ঠোঁটে আঙুল বুলিয়ে দিলো,
তনু দুহাত দিয়ে সরাতে যাবে শিশির হাত দুটো ধরে ফেললো,
শিশির-বেশি অবাধ্য হলে হাত বেঁধে দিব,
তনু তাও হাতাহাতি করতেছে দেখে শিশির হাত চেপে ধরলো,
শিশির-কিহ রাগ যায়নি নাকি?
তনু-ছাড়ুন
শিশির-না,
শিশির ঝরনার পানির speed বাড়িয়ে দিলো,
তনু শীতে শিশিরের পিঠ শক্ত করে ধরলো,
শিশির-জ্বর আসার ভয় নেই আসলে আজ তুলে নিব,সবটা দিয়ে
তনু চুপ,
শিশির তনুর মুখ ধরে নিজের দিকে ফিরালো,
শিশিরের মুখের পানি গিয়ে তনুর মুখে পড়তেছে,
তনু চোখ খুলতেছে আবার বন্ধ করতেছে,
শিশির ঠোঁটের কাছে এগিয়ে গেলো তনু মুখ সরিয়ে ফেললো,
শিশির মুখ শক্ত করে টিপে ধরে নিজের দিকে ফিরিয়ে ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো,
তনুর হাত ছাড়ায় তনু হাত নিয়ে ঝরনা অফ করে দিলো,
শিশির আবার হাত চেপে ধরলো,
তনু চোখ বড়বড় করে সরানোর চেষ্টা করতেছে শিশির ছাড়তেছেই না,
মা-তনু তনু,শিশির কে বল আসতে নাস্তা রেডি,
তনু উম উম করতেছে,
পাক্কা ১৫মিনিট পর শিশির ছেড়ে দিলো,
তনু চিল্লাইতে চিল্লাইতে বের হয়সে,হাঁচির উপর হাঁচি দিতেছে বসে বসে
শিশির-চলো বাসায় যাই
তনু-আমি যাবো না
শিশির-কোলে করে নিয়ে যাবো,
তনু উঠে হাঁটা ধরলো,
শিশির বাসায় নিয়ে এনে টিভি দেখতে বসলো আজ আর অফিস যাবে না,
তনুর ভালো লাগতেছে না দেখে রুমে এসে শুয়ে পরলো,
কিছুক্ষণ পর খেয়াল করলো শিশির জড়িয়ে ধরেছে,তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে উঠে বসলো,
শিশির এসে গায়ের সাথে লেগে বসলো,
তনু উঠে বারান্দায় চলে গেলো,দরজা লাগাতে যাবে শিশির ধরে ফেললো,
বরং নিজে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো,
তনু-একদম কাছে আাসার চেষ্টা করবেন না,
আমি কিন্তু
শিশির হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরলো
শিশির-কি করবা?চিল্লাবা?চিল্লাও
তনু খাঁমছে দিতেছে বারবার,খাঁমচে খাঁমচে লাল করে ফেলছে শিশির হাসতেছে একসময় তনু ছেড়ে দিলো,
শিশির তনুকে গ্রিলের সাথে লাগিয়ে ফেললো,
শিশির চোখ মেরে তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,
তনু-আমি বাসায় চলে যাবো,এখন এত পিরিত দেখান কেন,ঐ মেয়ের কাছে যান না,
শিশির-যার কাছে যাওয়ার তার কাছেই এসেছি,
শিশির তনুকে খাটে বসিয়ে গায়ের জামা খুলতে লাগলো,
তনু-আামকে একদম টাচ করবেন না বলে দিলাম,আমি বাসায় যাবো,????
শিশির-চুপ,
শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,পুরাটা সময় তনু শুধু শিশিরকে সরানোর চেষ্টা করছিলো একসময় শিশির ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলো,
তনু শাড়ী ঠিক করে চলে যাওয়া ধরলো শিশির গিয়ে পথ আটকালো
শিশির-মেরে ফেলবো রুম থেকে বের হলে,
তনু-মারুন
তনু দরজা খুলার জন্য দরজায় হাত দিলো শিশির টান দিয়ে আবার বিছানায় ফেললো,তনুর উপরে উঠে শক্ত করে হাত চেপে ধরলো,
তারপর গলায় কামড় দিয়ে চামড়া টান দিলো,তনু ব্যাথা পেয়ে চিৎকার দিলো,
শিশির-আরও দিতাম?
তনু পা দিয়ে সরানোর চেষ্টা করতেছে,শিশির ঠোঁটের কাছে গিয়ে ঠোঁটের নিচে জোরে কামড় দিয়ে টান দিলো,
তনু ব্যাথায় শিশিরকে খামঁছে ধরলো,
চলবে♥
(আজ আরেকটা পার্ট দিব,কারন ২দিন গল্প দিতে পারি নাই,)

Crush যখন বর?Season_2Part_37/38/39

0

Crush যখন বর?Season_2Part_37/38/39
Writer-Afnan Lara

শিশির-হাহাহা
তনু-হ্যালো মা তোমার ছেলে আমার কোনো কথাই শুনতেছে না?
মা-?বুঝাস না,আচ্ছা বল যে আমি অসুস্থ
তনু-ঠিক আছে
তনু-আম্মু অনেক অসুস্থ হয়ে গেসে আপনাকে না দেখে,চলুন যাই
শিশির -সত্যি??
তনু-হ্যাঁ
শিশির-উফ মা টাকে নিয়ে আর পারলাম না,রেডি হয়ে নাও,
তনু গিয়ে রেডি হয়ে নিলো,রওনা দিলো দুজনে,,
বাসে ♥
তনু-(আমার কপালে দুঃখ আছে?)
বাসায় এসেই শিশির দৌড়ে মায়ের রুমে গেলো,ওমা একি মা তো একদম ঠিক আছে,তোমার কি হয়েছিলো?
মা -তুই আসতে চাস না দেখে তনুকে দিয়ে মিথ্যা বলিয়েছি,
শিশির তনুর দিকে রাগী লুকে তাকালো,তনু ঢোক গিলে এক দৌড়ে মুনার রুমে চলে গেলো,
শিশির সোজা মুনার রুমে গেলো,
শিশির-মুনা যা আজ তুই আমাদের রুমে ঘুৃমা,,
মুনা-কেন?
শিশির-বলসি তাই,যা
মুনা চলে গেলো,শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,তনু পিছোতে পিছোতে দেওয়ালের সাথে মিশে গেলো,
শিশির-ইচ্ছা করতেছে কাঁচা চিবিয়ে খেয়ে ফেলি
তনু-আসলে মা কইলো?
শিশির-চুপ,
শিশির টান দিয়ে তনুর গয়ের ওড়না ফেলে দিলো,
তনু-আর কখনও মিথ্যা কমু না pls আমাকে মারিয়েন না,আমি অসুস্থ, মাথায় ব্যাথা করে,মাথা ঘুরায়,(তনু বকবক করেই যাচ্ছে)শিশির তনুর মুখ টিপে ধরলো
শিশির-চুপ,একদম চুপ,জানি আমি আপনার শরীরের খবর,আদর করে কষ্ট দিব তাই ওড়না সরাইছি,
শিশির তনুকে খপ করে ধরে কোলে তুলে নিলো,নিয়ে খাটে বসালো,
তনু-আমার ওড়না দেন
শিশির ওড়না নিয়ে ছুঁড়ে মারলো,
তনু-এটা কি হলো
শিশির তনুর মুখে হাত দিলো তনুর,চুপপপপপপ♥
তনু হাত দিয়ে শিশিরকে সরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,,
শিশির তনুর গলায় জোরেসোরে কামড় দিলো,
তনু-আমি রোগী,আর আপনি অত্যাচার করতেছেন,
শিশির-হুম,রোগী অপরাধ করলে তাকে তো শাস্তি পেতেই হবে,
তনু ভ্যা ভ্যা করে কাঁদতেছে,শিশির মুখ ধরে চুমু দিতে লাগলো,তনুর কান্না উধাও,কাঁদে চাইতেছে কিন্তু পারতেছে না,???
সকালে♥
তনু উঠে নাস্তা বানাতে চলে গেলো,
সায়না টেবিলে বসে তার বেবিকে চিকেন সুপ খাওয়াচ্ছে,
মা-দাও ওরে আমি খাওয়াই
সায়না-না না আমার বাবু অন্যের হাতে খাবার খায় না,পরে কেঁদে দিবে,ওর বাপি ঘুমায়,জেগে গেলে disturb হবে,
মা কিছু না বলে রান্নাঘরে আসলো,বাহ সব শেষ??
তনু-?হুম,তুমি বসো আমি খাবার আনতেছি,
মা ডাইনিং-এ গিয়ে বসলো,তনু খাবার এনে দিলো,শিশির এসে দেখলো তনু সায়নাকে খাবার বেড়ে দিচ্ছে,
শিশির-বেবি হলে কি সংসারের বাকি কাজ অন্যজন করবে??আর এটা তো দুধ খাওয়া বেবি না,৫বছরের ছেলে,
সায়না শিশিরের দিকে তাকালো,
তনু-সমস্যা নাই,আমার তাড়াতাড়ি হয়ে গেসে সব,
মা-বুয়া কদিন ধরে আসতে পারে না
শিশির খাবার খেয়ে উঠে চলে গেলো,
তনু পিছন পিছন গেলো,গিয়ে শিশিরের পিছন দিয়ে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির-কি চাই?
তনু-আদর
শিশির -কাল রাতেই তো করলাম
তনু-এখন আবার চাই
শিশির তনুর দিকে ফিরে তাকালো,কি হলো বলতো,বেবি নিবা নাকি?আমি কিন্তু এত তাড়াতাড়ি নিব না,বলে দিলাম,আর হ্যাঁ আমি না চাইলে তোমার কিছু করার নাই
তনু-হুহ
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির টান দিয়ে কাছে আনলো,
তনুর কপালে চুমু দিলো,তারপর ঠোঁটের পাশের সাইডে কামড় দিলো,
শিশির-আসি,অফিসে লেট হচ্ছে,,
শিশির চলে গেলো,
সায়না-হুহ ঢং,বউয়ের জন্য দরদ উতলিয়ে পরছে,আমাকে খোঁচা মারে কতবড় সাহস,শিহাব উঠুক,মজা দেখাবো,
তনু গিয়ে সায়নার ছেলে আরিয়ানের সাথে বসলো,
তনু -তোমার নাম কি বলতো?
আরিয়ান-আরিয়ান
তনু-কিসে পড়ো?
আরিয়ান-কে.জি,ইউ?
তনু-বাব্বাহ,আমি পড়ি না,১২পর্যন্ত পড়সি,
আরিয়ান-ওহ আই সি,
সায়না-ওর সাথে English -এ কথা বলবা,আমি ওরে English শিখাইতেছি,
তনু-ওকে,
শিশির তনুকে কল দিলো,
তনু-হুম বলেন
শিশির-সায়নার সাথে বেশি কথা বলবা না,রুমে এসে বসো,আমি যদি দেখি থাপ্পড় দিব,
তনু-???
সায়না সকালের ঘটনা বানিয়ে বানিয়ে শিহাবকে সব বললো,
সায়না-আমি বাবুর জন্য সুপ বানাইসি, আর বলে আমি তনুকে help করি নাই কেন,,
শিহাব-ওকে বিকালে কথা বলবো,
শিশির বিকালে বাসায় আসলো,Fresh হয়ে এসে ডাইনিং-এ বসলো,
শিহাব-তুই সকালে সায়নাকে কি বলছস?
শিশির-উনি তোরে কি বলসে?
শিহাব-তোর ভাবি আরিয়ানের জন্য সুপ বানাইসে দেখস নাই??
শিশির-সুপ বানাতে গিয়ে tired হয়ে গেসে??আমার বউ যে অসুস্থ সেটা কি জানে না??তারপরেও ও সবার জন্য খাবার তৈরি করেছে,তোর বউ সামান্য সুপ বানিয়েই খালাশ??
শিহাব-আমার বউ কাজ করতে আসেনি
শিশির-আমার বউ ও,এতদিন আমরা আপনাদের ছাড়া ভালই ছিলাম,আপনারা আসছেন,আপনাদের লাগলে বুয়া আনেন,
Next তনু আমার আর মুনা,মায়ের বাদে কারোর জন্য কিছু বানাবে না,তোর বউয়ের জন্য তোর যেমন দরদ আমার বউয়ের জন্য আমার দরদ ও কিন্তু কম না,,বড় ভাইয়ের শিক্ষায় শিক্ষিত আমি,বাট একটা কাজ পারলাম না,মাকে একা রেখে চলে যেতে,
শিশির উঠে রুমে চলে গেলো,
তনু-কি হয়সে,নাহয় ২জনের রান্না বাড়িয়ে করবো
শিশির-কেন করবা??
তনু-বউ তাই
শিশির-না করবা না,ওর বউ অনেক অধিকার ফলাইসে,আর না,
সায়না-তুমি সম্পত্তির দলিলে সাইন করিয়ে নাও আমরা চলে যাবো,মনে রেখো তুমি ৫% বেশি নিবা,দরকার হলে আজ তোমার মায়ের পা টিপে দিও,Emotional black mail করিও,
তনু বসে বসে আচার খাইতেছে,শিশির আড়চোখে তাকিয়ে আছে
তনু-এভাবে তাকাতে হবে না,আমি গর্ভবতী না?
শিশির-???
শিশির এসে হাত থেকে বোতল নিয়ে বারান্দায় চলে গেলো,
তনু-আপনি কি??
শিশির-শয়তান মাইয়া,
তনু-????
শিশির আচার মুখে দিয়ে ফেলে দিলো,এটা কিসের আচার
তনু-রসুনের
শিশির-আগে কইবা না,রসুনের আবার আচার হয় নাকি
তনু-সব কিছুরই হয়,
শিশির-তনুর আচার আছে?আমি খেতে চাই
তনু দৌড় মারা ধরলো শিশির হাত ধরে ফেললো
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_38
শিশির -আমার তো এখনও আচার খাওয়া শেষ হয়নি
তনু হাত থেকে বোতল নিয়ে শিশিরের হাতে দিলো,নেন খান,শিশির তাও হাত ছাড়তেছে না
তনু-আর কি??
শিশির-তনু নামের একটা আচার আছে সেটা খাবো,
এটা বলেই তনুকে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো শিশির,
তনু-মা মা মা
শিশির-মামা?
তনু- না মা
শিশির-নামাবো??কোলেই তো তুললাম না
তনু-ধুর
শিশির তনুর মুখ ধরে কিস করো দিলো,
তনু দুহাত দিয়ে শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরলো,,
শিশিরের মনে হলো তনু এলিয়ে পড়তেছে,তনু পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির দুহাত দিয়ে ধরে ফেললো,তনু জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে,,শিশির তনুকে এনে খাটে শুইয়ে দিলো,
শিশির-নাহ,এভাবে হলে চলবে না,ওকে ভালো একটা Doctor দেখাতে হবে,,
শিশির রুম থেকে বের হতেই দেখলো শিহাব মায়ের রুমের দিকে যাচ্ছে,,শিশির পিছন পিছন গেলো,
শিহাব গিয়ে মায়ের পা টিপতে লাগলো,
শিশির-নিশ্চয় কিছু চাইবে
মা-হয়সে বাবা,থাক
শিহাব-মা সম্পত্তির ভাগটা করে দাও,আমি কিন্তু ৫% বেশি পাবো
শিশির-জানতাম এমন কিছু হবে,
মা-সেটা তো তোর বাবার হাতে,
শিহাব-ওও,শিহাব উঠে চলে গেলো,
শিশির নিজের রুমে আসলো,,
বাবা-শিহাব, এত কিছুর পর এসব আশা করো কিভাবে?
শিহাব-মানে??
বাবা-আমি শিশির আর মুনার নামে সব সম্পত্তি নমীনি করে দিসি,
শিহাব-Whatttt!
বাবা-আমাদের ছেড়ে ৬বছর ছিলে,আমরা কেমন আছি একবারও খবর নিসো??
শিহাব-তাই বলে এমন করবা??আমি বড় ছেলে তোমাদের,
বাবা লাইন কেটে দিলো,
শিশির রুমে আসলো,তনু উঠে বসে আছে,মাথা ধরে,
শিশির-বেশি ব্যাথা করতেছে?
তনু-হুম,কি হয়েছিলো?
শিশির-কিছু না,,চকলেট খাবা?
তনু-না
শিশির-জীবনে মানা করতো না আর আজ মানা করতেছে,,
শিশির গিয়ে বারান্দার গ্রিলে মাথা ঠেকে দাঁড়িয়ে রইলো,
সব আমার জন্য,আমার ভুলে তনুর এই অবস্থা,
তনু পিছন থেকে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
তনু-না কে বলসে??আপনি তো জানতেন না
শিশির-জেনে শুনে এমন করসি,নাহলে আজ তুমি সুস্থ থাকতে,
তনু-এই যে ভালো আছি,,
মা-শিশির শিশির
শিশির দৌড়ে মায়ের কাছে গেলো,
মা-দেখ না শিহাব চলে যাচ্ছে
শিশির-যাক
মা-তুই আটকাতে পারবি আটকা,আমার কসম তুই আটকাবি
শিশির-উফ,
শিশির-শিহাব ভাইয়া
শিহাব-কি?
শিশির-যাইয়েন না,মায়ের কথা ভেবে থাকুন
শিহাব-দরকারর নেই,সব কিছু তো তোরাই পেলি,আমি তো কিছুই পেলাম না,আমি ওদের কিছু হই না,
শিহাব চলে গেলো সায়না আর আরিয়ানকে নিয়ে,
সায়না-দেখো এবার তোমার ছোট ভাই সব সম্পত্তি আমাদের নামে করে দিবে,আমাদের plan কাজে আসবে,
শিশির রুমে আসলো, একি তনু কই,,
শিশির-মুনা তনু কই??
মুনা-ভাবী তো রুমেই দেখ ভালো করে,
শিশির আবার রুমে গেলো,তনু Store -এ উঠসে কম্বল নামানোর জন্য,
শিশির-এ্যাই তুমি এই অসুখের ভিতরে এখানে উঠসো কেন?আমাকে বলো নাই কেন?
তনু-বৃষ্টিতে শীত পড়তেছে খুবববব,
শিশির-আমাকে বলতা শীত কমাই দিতাম
তনু-?
শিশির-এখন নামো
তনু-না
শিশির-তাহলে টেনে নামাবো
তনু-ঠিক আছে নামতেছি,
তনু আরও ভিতরে চলে গেলো,
শিশির বসে আছে,২০মিনিট হয়সে এখনও নামতেছে না কেন?
শিশির উঠে গিয়ে দেখলো তনু Senseless হয়ে গেসে,নিচে শুয়ে আছে, আর মুখ থেকে রক্ত বের হচ্ছে,শিশির চিৎকার দিয়ে তনুকে বুকে নিয়ে এলো,
শিশির-তনু,তনু, কি হয়সে তোমার??
শিশির তনুকে নামিয়ে আনলো,doctor কে কল দিলো,
শিশির-Pls কিছু একটা করেন আমি এখন কি করবো?
Doctor -Immediately উনাকে নিয়ে হসপিটালে চলে আসেন,
শিশির তনুকে নিয়ে হসপিটালে চলে এলো,তনুকে এডমিট করানো হলো,
শিশির -কি হয়সে ওর?
doctor -আপনাকে মানা করসিলাম যে উনাকে বেড থেকে নামতেই দিবেন না, উনি নিশ্চই ভারী কাজ করেছেন,
শিশির-আমার একদম খেয়াল ছিলো নাহ,ও ঠিক হয়ে যাবে তো??
Doctor -We will trying our best
শিশির মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,কেঁদে দিলো,,ওর জন্য আজ তনুর এমন অবস্থা,
Doctor -iron selain দিয়ে দিসি,ঠিক হয়ে যাবে,Next time pls be careful
শিশির-আমি একবার ওকে দেখবো,
Doctor -Sound করবেন না
শিশির তনুর কাছে গেলো,তনুর মুখ ধরলো,কাঁদতে লাগলো,শিশিরের চোখের পানি তনুর মুখে পরলো,কিন্তু তনুর চোখ খুললো না,তনুর জ্ঞান নেই,
শিশির তনুর পাশে বসে থাকলো,খুব বেশি irresponsible হয়ে গেসিলাম,
বিকালে♥
তনু আস্তে আস্তে উঠে বসলো,
তনু-আমি কই?
শিশির-হসপিটালে,
তনু-কি হয়সে?
শিশির-কিছু না
তনু-কিছু একটা তো হয়েছে,আমি মরে যাবো তাই না?
শিশির একটা ধমক দিলো তনুকে
Nurse শিশিরের দিকে তাকালো even রুমের আশেপাশের সবাই তাকালো,
তনু কেঁদে দিলো,শিশির এসে পাশে বসে চোখ মুছে দিয়ে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির-কখনও আর এমন বলবা না,আমার জীবন দিয়ে হলেও তোমাকে বাঁচাবো,
তনু এখনও কাঁদতেছে,
Nurse -উনি এভাবে কাঁদলে আবার জ্ঞান হারাবে,
শিশির-তনু কেঁদো না সব ঠিক হয়ে গেসে,আমি আছি না??
শিশির -এখন বাসায় যাবো,আচার খাবো কেমন??
তনু চোখ মুছে মুচকি হাসলো,,
চলবে♥
(গোটা লিখার পর ফোন হাত থেকে slip খেয়ে নিচে,আমার গল্প উধাও,আবার প্রথম থেকে লিখতে হয়সে?)
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_39
শিশির তনুকে নিয়ে বাসায় আসলো,,
শিশির তনুকে আঁকড়ে ধরে খাটের মাঝখানটাই বসে আছে,তনু শিশিরের বুকে মাথা রেখে আয়নায় শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির-তুমি ঠিক হয়ে যাবা,
তনু-হুম,
শিশির তনু কপালে চুমু খেলো,
তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে,ওর চোখ থেকে পানি গড়িয়ে নিচে পড়লো,
শিশির-কাল লাল শাড়ীটা পরবে?
তনু-আচ্ছা
শিশির-লাল লিপ্সটিক লাগিও,
তনু-ওকে
তনু শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,
সকালে♥
শিশির আস্তে করে তনুকে খাটে শুইয়ে দিয়ে উঠে গেলো,Fresh হয়ে নিয়ে লাল পাঞ্জাবি নিয়ে রেডি হয়ে নিলো,
তনু ঘুম থেকে উঠে চোখ ডলতে ডলতে ওয়ারড্রোবের দিকে তাকালো,
শিশির হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,মুখে সেই বাঁকা হাসি,
শিশির তনুর কাছে এগিয়ে এসে তনুর হাত ধরে উঠালো,
শিশির-রেডি হয়ে নাও
তনু লাল শাড়ীটা খুঁজে রেডি হয়ে নিলো,লিপ্সটিক দিলো ঠোঁটে,
,তনু বেরিয়ে এলো,,শিশির তনুরর দিকে তাকিয়ে থাকলো আনমনা হয়ে,চোখের নিচে হালকা কালো দাগ,ঠোঁটের কোণের হাসিটাতে মিশে আছে যন্ত্রনা,হাত ভরা চুড়ি,হাতটা যেভাবে ঝুলিয়ে রাখা মনে হয় না কখনও এই হাতে শিশিরের চুল টেনেছিলো,শিশিরের চোখে পানি চুপসে আসতেছে,শিশির চোখের পানি আটকালো,তনুর কাছে গিয়ে তনুর হাত ধরলো,
শিশির-চলো আজ একটা জায়গায় যাবো যেখানে আমাদের কেউ Disturb করবে না,
তনু-চলুন,
শিশির তনুকে নিয়ে একটু দূরে নদী দেখতে নিয়ে গেলো,বাতাসে তনুর শাড়ীর আঁচল আর চুল উড়তেছে,শিশির এক হাত দিয়ে তনুর কোমড় জড়িয়ে ধরে আছে,
তনু নদী দেখতেছে,আর হাসতেছে,দূরের নৌকাগুলা দেখতেছে,
আকাশ মেঘলা,বাতাসটা বেড়ে গেসে,
শিশির মুচকি হেসে তনুকে টান দিয়ে নিজের দিকে ফিরিয়ে নিলো,
তনু-কি?(কিছুটা অবাক হয়ে)
শিশির হাঁটু গেড়ে নিচে বসলো,পিছন থেকে গন্ধরাজ ফুলের একটা তোড়া বের করে তনুর দিকে বারালো,
শিশির-আজ কিন্তু পা ব্যাথা করতেছে না,সত্যি সত্যি বসেছি,
গন্ধরাজ ফুল তনুর সবচেয়ে প্রিয়,শিশির সেটা জানে,
শিশির-ভালোবাসি,হ্যাঁ আমি তোমাকে ভালোবাসি,আমি আমার তনুকে ভালোবাসি♥♥♥
তনু খুশিতে মুখে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির-উত্তর?
তনু-আমিও আপনাকে খুব ভালোবাসি,
তনু শিশিরের হাত থেকে ফুল নিলো,শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির চোখ বন্ধ করে আছে,বলতে পেরেছে আজ,হালকা লাগতেছে নিজেকে,
সারাদিন মিলে দুজনে ঘুরলো,সন্ধ্যায় বাসায় আসলো,
তনু হাত থেকে চুড়ি খুলতেছে,আর ফুলগুলো দেখতেছে
শিশির-সারাদিন তো ফুলের দিকেই তাকিয়ে ছিলা
তনু-best gift ছিলো এটা,
শিশির-জানি♥
শিশির তনুকে নিজের দিকে ফিরালো,তনুর চোখের নিচে মুছে দিলে,
শিশির-আমার থেকে লুকিয়ে কেঁদে লাভ কি, এই দেহ এর সব কিছুই আমার জানা,কখন কি করে
তনু -ভয় করে আমার,
শিশির-ভয় কিসের আমি আছি না??
তনু শাড়ী খুলার জন্য চলে যেতে লাগলো শিশির হাত ধরে ফেললো,
শিশির-২০১৬সাল,,১৪এপ্রিল, আমি তোমাকে এই সাজে দেখসি,,সেদিন ঠিক করসি তোমাকে বিয়ে করে তোমার গা থেকে শাড়ী খুলবো,তাও এই শাড়ীটা,চাইলে সেদিনও পারতাম কারন তুমি আমাকে ভয় পাইতা,কিন্তু আমি করিনি,এই দিনটার অপেক্ষায় ছিলাম,
শিশির তনু কাছে এসে নিচে বসে পরলো,তনুর শাড়ীর কুচিতে হাত দিলো,তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,
শিশির-কি?লজ্জা এখনও যায়নি নাকি?
তনু-উহু
শিশির কুচি খুলে উঠে দাঁড়ালো, তনুকে দাঁড় করিয়ে সে ঘুরে ঘরে তনুর শাড়ী খুলতে লাগলো,
তনু গায়ে হাত দিয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির-মনে হচ্ছে আজ বাসর রাত
তনু মুচকি হাসলো,
শিশির-হুম হতেও পারে,যদি আমরা মনে করি,
শিশির টেবিল থেকে ফুলগুলো এনে পুরো খাটে মেলে দিলো,
তনুর কাছে এসে কোলে তুলে খাটে নিয়ে গেলো,
গন্ধরাজের ঘ্রানে পুরো রুম ভরে গেসে,শিশির জোরে জোরে শ্বাস নিচ্ছে,কারন শিশিরের এখন নেশা লাগতেছে,তনুর ঘ্রান আর ফুলের ঘ্রান মিলিয়ে এমন একটা নেশা হয়সে যা যেকোনো মাদক ছাড়িয়ে যাবে,শিশির পাঞ্জাবি খুলে তনুর দিকে এমন করে তাকালো তনু ভয় পেয়ে গেলো,
তনু-উফ এভাবে তাকান কেন ভয় লাগে আমার
শিশির-নেশা লাগাও কেন
তনু-কিসের
শিশির-তোমার গায়ের
তনু-আমি কোনো perfume দিই নাই
শিশির-জানি,এটা শুধু তোমার নিজের গায়ের ঘ্রান,তাইতো নেশাটা বেশি,
তনু-ককককককি করবেন টাকি
শিশির-তনুর আচার বানিয়ে খেয়ে ফেলবো,
তনু-তাহলে Daily কারে জ্বালাবেন?
শিশির-গিলবো না,
শিশির তনুর মাথা ধরে কাছে এনে ঠোঁটে চুমু দিতে লাগলো,তার আগে হাত দিয়ে লিপ্সটিক মুছে দিলো,শিশির সবসময় এমন করে,ওর মতে লিপ্সটিক খাওয়ার জিনিস না,তাই সেটা সরিয়ে নেয়,♥???
শিশির তনুর কানে কামড় দিয়ে দুল খুলে ফেললো,
শিশির-হুক লাগাও নাই?টানের সাথে চলে আসছে
তনু-হুক খোলার পরই তো romance শুরু করলেন
শিশির-হাহাহা,
শিশির তনুকে শুইয়ে দিয়ে তনুর গলা ধরলো,
শিশির-কবু এ বাঁধন ছেড়ে যেও নাহ♥
তনু-ম
শিশির মুখ চেপে ধরলো
শিশির-মরা ছাড়া আর কোনো কথা নেই?আর একদিন বললে চড় মারবো,
তনু ঘুমায়,শিশির তনুর একহাত শক্ত করে ধরে ঘুমাচ্ছে,
শিশির বাথরুমের দরজায় তালা দিয়ে রাখসে,তনু বাথরুমে গেলে অজ্ঞান হলে যদি শিশির তখন ঘুমে থাকে?
মুনা-ভাইয়া,ভাইয়া মা ডাকতেছে তোরে
তনু উঠে বসলো,
এ্যাই, এ্যাই
শিশির-হুম
তনু-মুনা ডাকে,
শিশিরর উঠতে গেলো তনু আটকালো
তনু-আমকে চাবি দেন,Change করবো,আমার গায়ে কিছু নাই?বাথরুমে তো তালা দিয়ে রাখসেন,,
শিশির চাবি দিল,গিয়ে দরজা খুললো,
মুনা উঁকি মারতেই দেখলো তনু কম্বল গায়ে দিয়ে গুটিশুটি মেরে লুকিয়ে আছে খাটের এক কোনে
মুনা-কি হয়সে?শীত লাগে বেশি, এটা বলেই নিচে তাকাতেই দেখলো তনুর শাড়ী,সব কিছু
মুনা-আচ্ছা পরে আসতেছি
তনু-ইস, কুত্তা আমারে কি শরমে ফেললো?
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_34/35/36

0

Crush যখন বর?Season_2Part_34/35/36
Writer-Afnan Lara
সকালে♥♥♥
রুনা পুলিশ নিয়ে হাজির,,
মুনা-ভাইয়া, ভাইয়া
শিশির উঠলো
,গিয়ে দরজা খুললো,,
তনু পিছন পিছন আসলো,তোমাকে কাল টাইট দিসি হয় নাই??
রুনা-কে কখন??
তনু-জানতাম আমাদের মিথ্যুক বানিয়ে দিবে,
তনু রুম থেকে ফোন এনে পুলিশকে ভিডিও দেখালো,,
পুলিশ -আপনি কি পাগল.? মিথ্যাবাদী কোথাকার!!!
রুনা-?
তনু-নিয়ে যান ওরে এখান থেকে,যত্তসব,
পুলিশ রুনাকে ধরে নিয়ে গেলো,
মা-কিরে কেমনে কি?
শিশির হাসতেছে,তনু ও হাসতেছে??
তনু-সব ভিডিওর কামাল??
শিশির রেডি হয়ে নিলো,,আমি আসি
তনু-আচ্ছা,
শিশির-বাসা থেকে কোথাও যাবা না
তনু-ওকে,,
শিশির অফিস চলে গেলো,,
তনু বারান্দার ফুলগাছ গুলো দেখতে লাগলো,,
শিশির রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মনে হলো তনু তাকিয়ে আছে,পিছন ফিরে তাকালো তনু বারান্দায় দাঁড়িয়ে তাকিয়ে আছে,শিশিরকে দেখে লুকিয়ে গেলো,
শিশির মুচকি হেসে চলে গেলো,,
বিকালে তনু বারান্দায় বসে আছে শিশিরের অপেক্ষায় ,মাথাটা প্রচণ্ড ব্যাথা করতেছে,
শিশির আসার সময় হসপিটাল গেলো তনুর রিপোর্ট টা আনতে,
Doctor -আপনার ওয়াইফের কয়েকদিন আগে যে Accident হয়সে,,সেটাতে উনার মাথায় ইনজুরি টা hard ছিলো,,ভালো হতে সময় লাগবে,উনাকে full বেড rest থাকতে হবে,নাহলে যেকোনো সময় senseless হয়ে যেতে পারে,আর বারবার sense হারানো মোটেও ভালো না,
শিশির -হুমম,,ঠিক আছে,
Doctor -উনাকে হাসিখুশি রাখবেন যাতে বেশি চিন্তা উনি না করে তা নাহলে উনার মাথায় অনেক সমস্যা দেখা দিবে,
শিশির -I will try my best
শিশির বাসায় আসলো,তনু বারান্দায় চেয়ারে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছে,,
শিশির পিছন দিয়ে তনুর পেটে চিমটি দিয়ে লুকিয়ে পরলো,
তনু ঘুম থেকে জেগে চারিদিক দেখলো,কই নাইতো,
তনু উঠে পা বারাতেই শিশির পিছন থেকে এসে ভয় দেখালো
শিশির-ভোউউউ
তনু-মাগো,ভয় পাইসি,
শিশির হাসতে হাসতে তনুকে জড়িয়ে ধরলো,,
তনু-কখন এলেন
শিশির-কিছুক্ষন আগেই,,
তনু-আচ্ছা বসেন খাবার আনি,
শিশির -না,আমি নিয়ে খাবো
তনু-আমি দিতে সমস্যা কি?
শিশির-doctor Bed rest -এ থাকতে বলসে,
তনু-এইটুকু করলে কিছু হবে না
শিশির-চুপচাপ খাটে বসে থাকো,
তনু গিয়ে খাটে বসলো,শিশির change করে এসে দেখে তনু নাই,ডাইনিং-এ খাবার দিতেছে
শিশির -একটা চড় মারবো,কি বলসিলাম আমি?
তনু-বলসি তো এই টুকুতে কিছু হবে না,
শিশির-ধুর,
শিশির চলে গেলো,
তনু-খাবেন না?
শিশির-না,আমার কথা শুনো না তুমি,খাবো না আমি
শিশির ছাদে চলে গেলো,তনু ও গেলো,,
কিন্তু সিড়ি কয়েকটা উঠে আর উঠতে পারছে না,মাথা গুলিয়ে আসতেছে,,পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির হাত ধরে টান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,
তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো,শিশির তনুকে কোলে তুলে এনে খাটে শুইয়ে দিলো,,
আমার বুঝা উচিত ছিলো ওও আমার পিছন পিছন ছাদে আসবে,,আজ আর একটু দেরি হলে কি হয়ে যেতো,,
শিশির doctor কে কল দিলো,
Doctor -আচ্ছা সমস্যা নেই,,১-২ঘন্টায় জ্ঞান ফিরে আসবে Next time খেয়াল রাখবেন,
শিশির মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,,
তনুর ১বছর আগের accident এর জন্য শিশিরই দায়ী,,
তনুদের কলেজ থেকে পিকনিকে গেসিলো,,শিশিরদের অফিস থেকে পিকনিকে সেম জায়গায় গেসিলো,শিশির তো তনুকে জ্বালাবে,,তনুকে যখন খাইতে দিসিলো শিশির এসে খাবার নিয়ে নিজে খেয়ে ফেললো দুষ্টুমি করে,শিশির নিজের টা রেখে ছিলো,পরে তনুকে দিবে বলে,কিন্তু শিশির জানতো না তনু সকাল থেকে কিছু খায়নি,,
তনু কিছুক্ষন পরই পিকনিক স্পটেই অজ্ঞান হয়ে গেসিলো,মাথা গিয়ে একটা পাথরে পড়েছিলো,যার কারনে তনুর মাথা থেকে অনেক ব্লাড গেসিলো,
শিশির তনুকে সেদিন নিজে কোলে করে হসপিটাল নিয়ে গেসিলো,সারাদিন তনুর পাশে বসে ছিলো,নিজে ১দিন ধরে এক গ্লাস পানিও খায় নি,তনুর চিন্তায় পাগল হয়ে গেসিলো সেদিন,,
হয়ত সেদিন ঐ দুষ্টুমিটা না করলে আজ তনুর এই অবস্থা হতো নাহ,
শিশির গিয়ে দেওয়ালে কয়েকটা ঘুষি দিলো,
মা-শিশির খেয়ে নে
শিশির-না,ওর জ্ঞান ফিরুক
তনু চোখ খুললো,,গরম হাওয়া আসতেছে,তনু মুখ তুলে দেখলো শিশিরের বুকে শুয়ে আছে,শিশির মাথায় হাত দিয়ে হেলান দিয়ে বসে আছে,
তনু উঠে শিশিরের দিকে তাকালো,,মুখ শুকিয়ে আছে,কিছু খায়নি মনে হয়,
তনু আস্তে আস্তে উঠে গিয়ে খাবার আনলো,শিশিরকে জাগালো,
শিশির চোখ খুলে দেখলো তনু খাবার নিয়ে বসে আছে,
শিশির মারার জন্য হাত উঠালো,তারপর হাত নামিয়ে ফেললো,
শিশির-মানা করসি না বিছানা থেকে নামবা না,আমার খাওয়া নিয়ে পরসো কেন?নিজে বাঁচবো কিনা সেটার সিউরিটি নাই আমার খাওয়া নিয়া টানাটানি,
তনু চুপ হয়ে শিশিরের দিকে তাকিয়ে রইলো,
তনু-ওওও এই ব্যাপার, তো কি হয়সে,যতদিন বেঁচে আছি এই টুকু করতেই পারি,
শিশির রাগে তনুর চুলের মুঠি ধরে কাছে নিয়ে এলো,
শিশিরের চোখ লাল টুকটুকে হয়ে গেসে,
শিশির তনুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির-তোমাকে হারাতে পারবো না,,বাঁচবো না আমি,কোথাও যাবা না আমাকে ছেড়ে,
তনু কাঁদতেছে,শিশির নিজের চোখ মুছে তনুর চোখ মুছে দিলো,,তারপর হা করলো,তনু মুচকি হেসে খাইয়ে দিলো,
খাওয়া শেষে তনু শিশিরকে ধরে খাটে হেলান দিয়ে বসে রইলো,,
তনু-আমার কি কোনো কঠিন রোগ হয়সে?
শিশির-আরে নাহ,,এমনিতেই আগে যে মাথায় ব্যাথা পাইসো তার জন্য সমস্যা হচ্ছে,,
তনু-ওও,
তনু শিশিরের হাতের আঙুল নিয়ে খেলতে লাগলো,
শিশির তনুর মাথায় চুমু দিয়ে ধরে শুইয়ে দিলো,,
তনু-কি??
শিশির-কিছু নাহ,
শিশির লাইট অফ করে দিলো,,ঘুমাও
তনু-আসে না
শিশির তনুর গলায় গভীর করে একটা চুমু খেলো, তনু শিশিরকে আঁকড়ে ধরলো,
তনু-এখন আসতেছে
শিশির একটু হেসে তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_35
তোর মন পাড়ায় থাকতে দে আমায়♥
আমি চুপটি দেখবো আর ডাকবো ইশারায়♥
তুই চাইলে বল আমার সঙে চল♥
ঐ উদাসপুরের বৃষ্টিতে আজ ভিজবো দুজনায়♥

বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে♥
তনু-আসেন ভিজবো
শিশির-একদম না,
তনু-pls
শিশির-উহু,,
তনু উঠে দৌড় মারলো,শিশির ও দৌড় দিলো,
তনু এক দৌড়ে ছাদে,,ভিজতেছে চোখ বন্ধ করে,,
শিশির দাঁড়িয়ে তনুকে দেখতেছে,
তনু ঘুরে ঘুরে বৃষ্টি উপভোগ করতেছে,আর হা করে বৃষ্টির পানি খাচ্ছে,এটা তনুর খুব ভালো লাগে,
শিশির-আমিও খাবো,,
শিশির তনুকে টান দিয়ে বুকের সাথে মিশিয়ে ফেললো,,তনুর কোমড়ে হাত দিয়ে উঁচু করে কপালে চুমু দিয়ে তনুকে কিস করতে লাগলো,,
পিছন থেকে ছাতা বের করে নিয়ে তনুর মাথার উপর ধরে রাখলো,
বৃষ্টি থামা পর্যন্ত তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরে রাখলো,
শিশির মুচকি হেসে বললো,
শিশির-সাপ সাপ
তনু লাফ দিয়ে শিশিরের কোলে উঠে গেলো,
তনু-কই কই??
শিশির-হাহাহা,,
শিশির তনুকে কোলে করে বাসায় নিয়ে এলো,
মুনা-বাহ বাহ কি romance ?
শিশির-ঐ শয়তান যা পড়তে যা
মুনা-কি পড়বো??শিশির তনুর ভালোবাসা?
শিশির-যা ভাগ
শিশির তনুকে এনে নামিয়ে দিয়ে শাড়ী হাতে দিলো,নাও change করে নাও, ঠাণ্ডা লাগবে,
তনু গিয়ে change করে আসলো,,
শিশির হাতে ঔষধ নিয়ে বসে আছে
তনু-ঔষধ আমি খেয়ে নিব,আপনি change করে আসেন,
শিশির-সমস্যা নেই,আমার এত সহজে জ্বর আসে না
তনু-?
মা-শিশির দেখে যা কে এসেছে
শিশির গিয়ে দেখতে গেলো,তারপর মুখ কালো করে রুমে চলে এলো,
তনু -কে এসেছে??
শিশির কিছু বললো না,তনু গেলো দেখতে,ওমা শিশিরের ভাই এসেছে,,বউ আর বেবি নিয়ে,
তনু সালাম দিলো,,শিশিরের ভাইয়ের বউ সায়না তনুর দিকে না তাকিয়ে মুনার কাছে গেলো,
সায়না-মুনা আমাদের রুমটা clean করে দাও,উফ এত Dust আমার বেবির prb হবে,,
সায়না গিয়ে সোফায় বসলো,তনু গিয়ে পাশে বসলো,মুচকি হাসলো,,কেমন আছেন ভাবী??
সায়না-কল মি সায়না,ওকে??
তনু-আপনি তো আমার বড়
সায়না-তো কি হয়সে??আমার কি ৩০পার হয়ে গেসে?
শিশির ঠাস করে দরজা খুলে বের হয়ে তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,
শিশির-এখানে বসে থাকবা,দরকার নেই বাইরে যাওয়ার,ওরা অনেক খারাপ,,তোমার যদি একটুও সম্মানবোধ থাকে তবে ওদের সাথে কথা বলবা না
তনু-কিন্তু
শিশির-কোনো কিন্তু না,থাকুক ওরা,আমাদের দরকার হলে ওরা নিজেরাই নক করবে,হুদাই বেহায়া হতে যেও না,,
তনু থ হয়ে রইলো,,
শিশির-জামা কাপড় গুছাও
তনু-কেন?
শিশির-যা বলসি করো
তনু জামাকাপড় গুছিয়ে নিল,শিশির shirt change করে তনুর হাত ধরে বেরিয়ে গেলো,
শিশির-মা আমার অফিসের কাজে বাইরে যেতে হচ্ছে,,কুমিল্লাতে,,আসতে দেরি হবে,,বাই
শিহাব-শিশির দাঁড়া
শিশির দাঁড়িয়ে গেলো,
শিহাব এগোতে যাবে সায়না বললো
সায়না-বড়ভাই কেন নিজ থেকে কথা বলে,ছোট ভাইয়ের মুখে কি পঁচা ধরসে??
শিশির চোখ বড়বড় করে তাকালো,
তনু-ছোট বউ কেন নিজ থেকে বড় বউয়ের সাথে কথা বলতে যাবে এতক্ষন কি বড় বউয়ের মুখে পঁচা ধরসিলো??
সায়না রাগে গজগজ করতেছে,
সায়না-বউ আর ভাইয়ের মধ্যে অনেক তফাৎ
তনু-নো ইটস রং,ভাইয়ে ভাইয়ে কোনো তফাৎ নেই,বাট আপনি সেই তফাৎ তৈরি করেছেন,যে কে আগে কথা বললো আর কে বলেনি,তাহলে আমি তো ভাবী ভাবীর মধ্যে তফাৎ করতেই পারি,
সায়না-disgusting
তনু-সেম টু ইউ
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে হালকা হাসলো,তারপর বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,
বাসে বসে আছে দুজনো তনু শিশিরের বুকে মাথা দিয়ে শুয়ে আছে,মাথাটা মনে হয় ছিঁড়ে যাবে,
শিশির -খুব কষ্ট হচ্ছে?
তনু-না,একটু,আপনি জানলেন কিভাবে?
শিশির-বারবার আমার shirt চেপে ধরতেছো,না বুঝার কি আছে??
তনু-হাহা,আচ্ছা আপনার কি সত্যি অফিসের কাজ আছে?
শিশির-নাহ,ওদের সাথে এক ঘরে আমি থাকবো না,তোমাকে নিয়ে ঘুরবো এ কদিন,ওরা গেলে তারপর যাবো,
আমার বাবা মায়ের অসুখে একটি বার দেখতেও আসেনি,এখন আসছে আদর দেখাইতে,
শিশির-I’m sorry তনু
তনু-কেন?
শিশির-ঐদিন দুষ্টুমিটা না করলে আজ তোমায় এত কষ্ট পেতে হতো নাহ
তনু-যাই বলুন না কেন আমার কিন্তু আপনার জ্বালানি গুলা ভালো লাগে?
শিশির-তাই নাকি তাইলে আজ তোমার খবর আছে,
তনু-?
তনু বাইরে তাকিয়ে দেখতেছে,,
শিশির-আজ কিন্তু তোমার dialogue গুলা সেই ছিলো,
তনু-হিহি,
শিশির-আমি মেয়েদের সাথে লাগতে পারি না,,লাগার ইচ্ছাও নাই,তাই তখন রাগটা গিলে ফেলসিলাম,
তনু-এহহ,আমার সাথে লাগেন না বুঝি?
শিশির-তুমি একদিকে আর পৃথিবীর সব নারী আরেকদিকে,
তনু-হাহা,কিনু?
শিশির-তুমি একাই দজ্জাল
তনু-কিহ??
শিশির-হাহাহা
রাত ১১টায় কুমিল্লাতে এসে পৌঁছালো দুজনে,
শিশির তনুকে নিয়ে হোটেলে গিয়ে খেয়ে নিলো,,তারপর একটা হোটেলে থাকার জন্য আসলো,,
শিশির বাথরুমে গেসে,তনু আস্তে করে শিশিরের ফোনটা নিলো,,আমার তনু♥ পাস দিয়ে inter করলো, ওমা একি খুলে গেলো,
তনু গ্যালারিতে গেলো,২৫৬০টা পিক,সব তনুর??????
Contact দেখতে গেলো,তনুর number আমার কলিজা সেভ করা,ভিতরে ভিতরে আমাকে ভালোবাসে আর আমি জিগায়লে কয় রুনারে লাভ করি,শয়তান ছেলে,
তনু গিয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে গেলো,শিশির কোনো কিছুই ভয় পায় না,তবে তনুকে চোখের সামনে না দেখলে তনুকে হারানের ভয় টা সব চাইতে বেশি পায়,,তাই তনু গিয়ে খাটের নিচে লুকালো,দরজা খুলে রাখলো,যাতে শিশির মনে করে আমি চলে গেসি,
শিশির বাথরুম থেকে বের হলো
শিশির-তনু??
শিশির তনুকে খুঁজতে লাগলো,একি কই গেলো,দরজাও দেখি খোলা,শিশির দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়ালো,বের হতে যাবে শিশিরের নাকে তনুর গায়ের ঘ্রানটা আসলো,
তনু-উফ যাচ্ছে না কেন,টের পেলো নাকি,আমি তো জুতা লুকাইসি
শিশির মুচকি হেসে,দরজা লাগিয়ে ফেললো,,খাটের সামনে এসে দাঁড়ালো,
তনু ভয়ে ঢোক গিললো,
শিশির নিচু হয়ে তাকালো,ধরে ফেলসি,
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে বার করলো তনুকে,
তনু-ইয়ে মানে
শিশির-চুপ
চলবে ♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_36
শিশির-শয়তান মাইয়া,আমি ভয় পেয়ে গেসিলাম,
তনু শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরে কাছে গেলো,
তনু-আমাকে ভালোবাসেন??
শিশির-???
তনু-আজ বলতে হবে
শিশির-না বাসি না,
তনু আরও চেপে ধরলো,
তনু-বলেন না,সত্যিটা বলেন
শিশির-সত্যি বলসি,আমি তোমাকে ভালোবাসি না
তনু শিশিরকে ছেড়ে দিয়ে খাটে গিয়ে শুয়ে পরলো,,
শিশির পানি খেয়ে তনুর কাছে গেলো,ঘুমিয়ে গেসে তনু,ওভারডোজের ঔষধ খেয়েছে তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেসে,
সকালে তনু উঠলো,
শিশির পাশে বসে ল্যাপটপে কাজ করতেছে,
তনু উঠে fresh হয়ে নিলো,শিশিরের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো,তারপর ওড়না নিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে গেলো,হুহ আর আমু না,
শিশির মাথায় হাত দিয়ে বসে রইলো,তারপর ল্যাপটপ রেখে বের হলো,
তনু-আসমু না আর,আমাকে একবার নিতেও আসলো না হুহ,
তনু হোটেলের সামনে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির তনুর গায়ের থেকে ওড়না নিয়ে তনুর মুখ বেঁধে কোলে তুলে রুমে নিয়ে গেলো,
তনু হাতাহাতি করতেছে,ভালো করে দেখে সিউর হলো এটা শিশির,তারপর শান্ত হলো,চুপ করে তাকিয়ে রইলো,
শিশির-বেশি শয়তানি করতেছো তুমি,
শিশির তনুকে খাটে এনে ঠাস করে ফেললো,তনুর কাছে এগিয়ে গেলো,
তনু -আমাকে ভালো না বাসলে আমাকে টাচ করার অধিকার নেই
শিশির-তুমি কি জোর করে ভালোবাসি শুনতে চাও?
তনু-বললে সত্যিটা বলবেন,
শিশির-সেটাই বলসি
তনু-হুহ,
শিশির-তুমি বসো আমি খাবার আনতেছি
শিশির গিয়ে খাবার আনলো,,তনু আরেকদিকে মুখ করে বসে আছে,
শিশির-নেন খান,আপনারে তো আবার টাচ করা যাবে না,
তনু হাত থেকে খাবার নিয়ে খেয়ে নিলো,
শিশির টান দিয়ে কাছে নিয়ে এলো,
শিশির-দেখো তুমি আমার ওয়াইফ,,আমাদের বিয়ের দেড় মাস হয়ে গেসে,আর তুমি আমাকে এখন টাচ করতে মানা করতেছো?
তনু-??
শিশির তনুর পেটে হাত রাখলো,
তনু-এ্যাই dnt touch me??
শিশির-কে টাচ করসে আমি করি নাই,ও হ্যাঁ মেবি আমার হাত করসে,
তনু-শয়তান,
মা ফোন দিলো,হ্যালো মা
মা-বাবা চলে আয়, সব ঠিক হয়ে যাবে
শিশির -তোমার বড় ছেলে চলে গেলে আসবো
মা-এমন করিস কেন?
শিশির ফোন কেটে দিলো
তনু-চলেন যাই বাসার দিকে,কত বছর পর উনি এসেছেন
শিশির-যাবো না
তনু-ঘাউড়া?
শিশির-কি বললা?
তনু-ককককই?
শিশির তনুকে চেপে ধরে শুইয়ে দিলো,
তনু -কিছু বলি নাই তো সত্যি
শিশির তনুর ঠোঁট টেনে ধরে কাঁমড়ে দিলো,
তনু-আম্মুউউউ আমার ঠোঁট ছিঁড়ে ফেললো গো
শিশির-চুপ,
তনু-ভাইয়ের উপরের রাগ আমার উপর দিয়ে ঝাড়েন কেন?
শিশির-তো কার উপর ঝাড়বো,,শিশির তনুর হাত নিয়ে চুমু দিলো হাতে,
শিশিরের কল আসল,শিশির ফোন নিয়ে অফ করে দিয়ে রেখে দিলো,তনুর কাছে এগিয়ে গেলো,??
দুপুরে তনু শিশিরকে ঝাঁপটে ধরে হা করে ঘুমাচ্ছে,শিশির কোনো রকম পাশে ল্যাপটপ রেখে কাজ করতেছে,,
তনু শিশিরের নড়াচড়াতে জেগে গেলো,
তনু-উফ মাথা ধরসে,
শিশির-fresh হয়ে নাও,আমি চা আনতেছি
তনু-ওকে,
শিশির চা এনে দিলো,,তনু তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,
শিশির-লাভ নেই ওমন করে তাকিয়ে থেকে
তনু-আপনি এত নিষ্ঠুর কেন
শিশির-তুমি এত শয়তান যে তাই
তনু-আমার দোষে বলতেছেন না যে আমাকে ভালোবাসেন?
শিশির-তোমাকে ভালোবাসি না,,
তনু রাগ করে উঠে বারান্দায় চলে গেলো,এ্যা এ্যা আম্মুউউউউ??
শিশির-Doctor তোমাকে বেড reste থাকতে বলসে
তনু-যান তো,এ্যা এ্যা????
শিশির নেমে এসে তনুকে কোলে তুলে রুমে নিয়ে এলো,খাটে নামিয়ে দিয়ে কপালে চুমু দিলো,
শিশির-মন তো দিয়েই দিসি,,মন ও নিয়ে নিসি,তাহলে কিসে করে দিসি সেটা জানতে এত ইচ্ছুক কেন??
তনু হা করে তাকিয়ে আছে,শিশির মুচকি হেসে ল্যাপটপ নিয়ে বারান্দায় চলে গেলো,
তনু-কি বললো এটা?মাথার উপর দিয়া গেলো,
তনু গিয়ে শিশিরের গলায় হাত দিয়ে বসলো, শিশিরের পিছনে,শিশিরের পিঠে মাথা রাখলো,
শিশিরের পেট জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে,
শিশির নিজের কাজ সেরে পিছন থেকে তনুকে নিয়ে নিজের কোলে বসালো
তনু-দিলেন তো ঘুমটা ভাঙিয়ে
শিশির-এত ঘুম কিসরে,
মা ফোন দিলো তনুর ফোনে
তনু-হ্যাঁ মা,
আপনার ছেলে মানে না কি করবো
মা-তুই মানাস না,এত দিন পর পরিবার টা সম্পুর্ন হয়সে,মানা ওরে
তনু শিশিরের হাত ধরে বসলো,আসেন বাসায় ফিরে যাই
শিশির-না
তনু-pls
শিশির-না,
শিশির উঠে খাটে চলে গেলো,টিভি অন করলো,তনু গিয়ে শিশিরের উপর উঠে বসলো
শিশিরের হাঁটুতে গোল হয়ে বসে শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে
শিশির টিভি দেখতেছে,
তনু-আপনার কি ব্যাথা লাগে না?৫০কেজি ওজনের মেয়ে আপনার উপর উঠে বসে আছে
শিশির-তোমার চাইতেও ভারী লোহা নিয়ে আমি ডেইলি practice করি
তনু-আচ্ছা চলেন বাসায় যাই,
শিশির-না,
তনু জোর করে চাপ দিতেছে শিশিরের পায়ে
শিশির-আহা ভালো লাগতেছে,দিতে থাকো
তনু-কচু????
তনু উঠে শিশিরের পাশে বসলো,শিশিরের shirt এর ভিতরে হাত ঢুকিয়ে দিলো???,কি মজা লাগে সোনা??চলো বাসায় যাই,
শিশির তনুর দিকে তাকালো,শয়তানি হাসি দিয়ে তনুর জামার ভিতরে হাত দিতে যাবে তনু চিল্লাই উঠে দাঁড়িয়ে গেসে
শয়তান,নাইজেরিয়া উগান্ডা
চলবে♥
(আমার আম্মু অনেক অসুস্থ,বাসায় কেউ নেই,আব্বু বাইরে থাকে,সব দিক সামলিয়ে গল্প দিতে লেট হয়,সরি)

Crush যখন বর? Season_2 Part_31/32/33

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর? Season_2 Part_31/32/33
শিশির-হুম বুঝলাম,,আচ্ছা ঠিক আছে,আমি ওরে এখানে Doctor দেখাবো,,
শিশির Report নিয়ে বাসায় আসলো,,তনু টিভি দেখতেছে,,
শিশির -তনু আমার রুমে আসো,,তনু আসলো
শিশির-বেশি ছোটাছুটি করিও না,Doctor মানা করসে,
তনু তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,,তারপর চলে যাওয়া ধরলো,,শিশির হাত ধরে ফেললো,
শিশির-কই যাও?
তনু -মুনার কাছে,
তনু হাত ছাড়িয়ে চলে গেলো,,
শিশির ল্যাপটপ নিয়ে বসলো,,রুনা কল দিলো,
শিশির-হ্যালো
রুনা-বেবি কেমন আছো
শিশির-ফোন দিসো কেন??
রুনা-কথা বলার জন্য,কাল মিট করবা??
তনু শিশিরের রুমে আসি দেখলো শিশির রুনার সাথে কথা বলতেছে,
শিশির -কেন করবো?
রুনা-pls বেবি অনেকদিন তোমাকে দেখি না,,
শিশির-পারবো না
রুনা-pls সোনা,
শিশির লাইন কেটে দিলো,Number blk করলো,
তনু চলে গেলো,,ছাদে গিয়ে কাঁদতেছে বসে বসে,
শিশির-উফ বলসিলাম ২০মিনিটের বেশি বাইরে থাকবা না,মুনা তনু কই??
মুনা-জানি না,ছাদে মনে হয়
শিশির ছাদে গেলো তনু এক কোনে হেলান দিয়ে বসে আছে,,শিশির হাত ধরলো,
শিশির-চলো,ঠান্ডায় বাইরে থাকতে হবে না
তনু-আপনি যান আমি যাবো না,,
শিশির-চলো,,
তনু-রুনা কি চাইসে আপনার থেকে??
শিশির-কিছু না
তনু-দিয়ে দেন যা ও চায়,
শিশির-আমার বিয়ে হয়ে গেসে,
তনু-আপনি তো ২নৌকায় পা দিয়ে চলতে পারেন,,
আমার সাথে কাল সব করে আজ আবার রুনার সাথে মিট করে এসেছেন,
আমাকে তো কিনে নিসেন তাই না?যখন যা ইচ্ছা করবেন আমার সাথে,,
আর মন চাইলে রুনা তো আছেই,,
শিশির -তনু চুপ করো
তনু-কেন চুপ করবো??কেন??যা সত্যি সেটাই তো বলতেছি,,
চাহিদা মেটানোর জন্য আমি তো আছিই??আর রুনাকে তো ভালোবাসেন,,আর কি চাই
শিশির ঠাস করে চড় মেরে দিলো,,
তনু গালে হাত দিয়ে বসে আছে
শিশির-Enough is enough,, চুপ করতে বলি নাই,,আদো জানো তুমি আমার ব্যাপারে??কি জানো??? আমি কিরকম ৪বছরেও জানলা না??চাহিদা মেটানো না??পরশু আমার থেকে স্বামীর অধিকার কে চাইসে??
তনু চুপ করে তাকিয়ে আছে,,
শিশির-হ্যাঁ মেটায় চাহিদা,তুই আমার বউ,তোর সাথে আমি সব করতে পারি সব,,সেটাকে যদি তুই চাহিদা মনে করস তো সেটাই,,
শিশির তনুর হাত ধরে ছাদ থেকে নিয়ে এলো,,
রুমে এনে খাটে ছুঁড়ে মারলো,,
শিশির-আমাকে বুঝস তো তুই তাহলে কেন এমন করস??খুব বড়বড় কথা না তোর??
শিশির shirt খুলে ছুঁড়ে মেরে দরজা লাগিয়ে দিলো,, তনুর কাছে এসে তনুকে ঝাঁপটে ধরলো,,
তনু তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,চোখ থেকে পানি যাচ্ছে,,
শিশির আরেকদিকে তাকালো,এই চোখের পানি শিশিরের সবচেয়ে বড় দূর্বলতা,,
শিশির তনুর মুখ চেপে ধরে তনুর সারা শরীর কামড়াতে লাগলো তনুর,,
তনু চিৎকার দিচ্ছে,,কিন্তু আওয়াজ টা শিশির ছাড়া কেউ শুনতে পাচ্ছেনা,,
একসময় তনু চুপ হয়ে কাঁদতে লাগলো,,
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে বারান্দায় চলে গেলো,,
তনু কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে গেসে,,
পাশে ল্যাপটপ ছিলো,
তনুর হাত লাগতেই জ্বলে উঠলো,
তনুর চোখে আলো পড়তেই তনু চোখ খুললো,
ল্যাপটপে তনুর একটি ছবি ওয়ালপেপারে দেওয়া,,
তনু কষ্ট করে উঠে বসলো,
একটা Folder আছে নাম “আমার তনু”,,তনু folder টা খুললো,সব তনুর অজানা ছবি,,
মনে হয় লুকিয়ে তোলা,,আমাকে ভালো না বাসলে এত ছবি তুলে ল্যাপটপে রাখলো কেন,,?তনু ল্যাপটপ রেখে শুয়ে পরলো,,
রাত ১২টায় শিশির বারান্দা থেকে রুমে আসলো,Bathroom এ গিয়ে চোখমুখ ধুয়ে বিছানায় আসলো,,তনু ঘুমাচ্ছে,,শিশির তনুর শাড়ীর আঁচল টেনে দিতে গিয়ে দেখলো সারা গায়ে কামড়ের দাগ বসে গেসে,,একেক জায়গায় লাল হয়ে আছে,,শিশির আঁচল ঠিক করে গায়ে দিয়ে কাঁথা টেনে দিলো,
পরেরদিন ♥
শিশির অফিসে চলে গেলো তাড়াতাড়ি,,তনু উঠে বসলো,,গা ব্যাথা করতেছে,,গোসল করে শাড়ী আরেকটা পরে নিলো,,ভালো করে গা ঢাকলো,দাগ দেখলে ১০০টা প্রশ্ন করবে মা,,টেবিলে দেখলো ঔষধের পাতা,,একটা চিঠি,,
ঔষধ খেয়ে নিও,আর বিকালে রেডি হয়ে নিও, তোমাকে নিয়ে হসপিটালে যাবো,,
তনু খাবার খেয়ে ঔষধ খেলো,,
বিকালে শিশির এসে তনুকে নিয়ে হসপিটালে গেলো,,
Doctor -উনাকে কিছু পরীক্ষা দিসি করে নেন,Then উনার মাথার চোটের ব্যাপারে সঠিক ধারনা পাওয়া যাবে,
শিশির-ঠিক আছে,,
নার্স-উনার গায়ের এসব কেমন দাগ?
শিশির-জামাই অনেক আদর করে তো তার প্রমান,
Test করানো শেষে,,
Doctor – কাল পাবেন। রিপোর্ট,
বাসায় এসে তনু খাটে বসে রইলো,,
শিশির একটা মলম এনে তনুর পিছন বসে শাড়ীতে হাত দিতেই তনু কেঁপে উঠলো,,শিশির আস্তে আস্তে গায়ের দাগে মলম লাগিয়ে দিতে লাগলো,,
শিশির আয়নাতে দেখতেছে তনু কাঁদতেছে,,
শিশির -আমি রুনাকে ভালোবাসি না,
তনু অবাক হয়ে পিছনে তাকালো,
শিশির-হুম,,
তনু কিছু বললো না,,
শিশির মলম লাগিয়ে দিয়ে শাড়ী টেনে দিলো,,
তনু আরেকদিকে ফিরে শুয়ে পরলো,,শিশির টিসুর বক্স এগিয়ে দিলো,,
শিশির চুপ করে বসে আছে,,নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে আছে,,এই হাত দিয়ে কতবার তনুর গায়ে হাত তুলেছে,,
একটা গ্লাস শক্ত করে চেপে ধরে রাগ কমাচ্ছে শিশির,,
এত শক্ত করে ধরসে যে গ্লাস ফেটে শিশিরের হাত অনেকটা কাটা গেসে,শিশিরের খবর নেই,,
তনু গ্লাস ভাঙার শব্দে উঠে তাকালো,,
তনু-একি,
তনু দৌড়ে এসে শিশিরের হাত থেকে গ্লাস নিয়ে নিলো,
তনু-পাগল হয়ে গেসেন??
তনু কি করবে ভেবে না পেয়ে নিজের ওড়না একটা এনে হাত বেঁধে দিলো,,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_32
তারপর উঠে চলে গেলো,,,
তনু একদিকে ফিরে শুয়ে আছে,আর শিশির আরেকদিকে,,ঘুম নেই দুজনের,,
একসময় শিশির উঠে তনুকে ধরে উঠালো,,শক্ত চোখে তনুর দিকে তাকিয়ে রইলো,,
শিশির তনুর হাত ধরে বারান্দায় নিয়ে গেলো,,
তনুর দিকে তাকিয়ে গান ধরলো
Wooaaoooo Wooaaooo
Naaee Naaeera Naaraa Naaara
Naaaenara nara naara naa nee
Jhuki Teri Palko Mein
Mil Jaaye Mujhe Panah
Palke Ghire Aansu Bhari
Reh Jaaye Mere Nishan
Tute Dil Ki Mat Kar
Tu Fikar Mere Hamnawa
Pyaar Du Tujhko Is Kadar reh jaaye merenishaan Mere Nishaan.Mere Nishaan
Mere Nishaan.Mere Nishaan
Mere Nishaan.Mere Nishaan
Mere Nishaan.Mere Nishaan
Mere Nishaan.aan.aaa
Khak me mil jaau me
Jeise ke ek lamha
Aa lag ja seene se
Ban ja mera rehnumaa
Dekhta hu sapne tere,sun le meri jaan-e-jaan Khwaab ye sach ho jaae,a’gar khuda ho meherbaan
Mere NishaanMere Nishaan.Mere Nishaan.
Mere Nishaan.Mere Nishaan.Mere Nishaan.
Mere Nishaan.Mere Nishaan.haaannnMere Nishaan.aaan…aaannMere Nishaan.Mere Nishaan.Mere Nishaan.Nishaan Nishaan NishaanMere Nishaan.Nishaan Nishaan NishaanMere Nishaan.Naaee Naaeera NaaraaNaaaraNaaaenara nara naara naa
গান শেষে তনুকে টান দিয়ে নিজের বুকে নিয়ে এলো,,শক্ত করে ধরে রাখলো,,
তনুর গলায় চুমু দিয়ে তনুকে উপরে তুললো,,
তনু নিচে তাকিয়ে শিশিরকে দেখছে,,
শিশির তনুকে নিচে নামিয়ে গায়ের সাথে লাগিয়ে ধরলো,,
শিশির-আমার তনু,,আমার হাসির কারন,
তনু অবাক হয়ে শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে,শিশির তনুর গায়ের দাগের দিকে তাকিয়ে নিচে বসে পরলো,তনু ও পাশে বসলো,
শিশির-খুব ব্যাথা লেগেছে?তুমি কেন বললা সব আমার চাহিদা ছিলো,,?
তনু চুপ হয়ে রইলো কিছু বললো না,
শিশির তনুর মাথা ধরে কাছে নিয়ে এলো,কি হলো বলো,,বলবা না?
শিশির তনুকে ধরে কিস করতে গেলো তনু পিছিয়ে গেলো,,
শিশির তনুর হাত ছেড়ে দিলো,
তনু মুচকি হেসে এগিয়ে এসে কিস করতে লাগলো শিশিরকে,,শিশির জড়িয়ে ধরলো তনুকে দুহাত দিয়ে,,
শিশির ৫মিনিট পর তনুকে কাতুকুতু দিলো,তনু সাথে সাথে শিশিরকে ছেড়ে দিলো,
শিশির-হাহাহা,,শিশির তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,,
শিশির তনুকে খাটে বসিয়ে চুমু দিতে লাগলো,,
মুনা-ভাইয়া
শিশির-ধুর,
শিশির গিয়ে দরজা খুললো,
মুনা-রুনা আপু আসছে,
শিশির-what!,,
তনু শাড়ী ঠিক করে উঠে দাঁড়ালো,,
শিশির সোফার রুমে গেলো,
রুনা-কেমন আছো??
শিশির-তুমি এখানে আসছো কেন?
রুনা-ওমা আসতে পারি না?আগে আসি নাই?
রুনা-আচ্ছা আসল কথাই আসি,,আমি শিশিরের বাচ্চার মা হতে চলেছি,
মা-কিহহহ
শিশির-আর ইউ ম্যাড?
তনু-?
রুনা-এই দেখো রিপোর্ট,, আমি pregnant,, এতদিন তোমার সাথে আমার রিলেশন ছিলো,বাবুর বাবা তুমি,আমাকে না মানলে পুলিশ কেস করবো,,রুনা গিয়ে তনুকে সরিয়ে শিশিরের রুমে গিয়ে খাটে বসলো,
শিশির-পাগল হয়ে গেসে,,
তনু রিপোর্ট হাতে নিলো,শিশির মাথায় হাত দিয়ে সোফায় বসলো,শরীফরে কল দিলো,সব বললো,
শরীফ-কার না কার বাচ্চা তোর ঘাড়ে চাপাইতেছে,তনু কি বলে?
শিশির-ও রিপোর্ট হাতে নিয়ে বসে আছে,
শিশির তনুর কাছে গিয়ে বসলো,তনু তুমি কি আমাকে বিশ্বাস করো?
তনু-হুম
শিশির-ঠিক আছে,,
শিশির নিজের রুমে গিয়ে রুনার হাত ধরে টেনে নিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো,,
মা-মেয়ে যদি থানা পুলিশ করে?
শিশির-আমি দেখে নিবো,
তনু চিন্তায় শেষ,,শিশিরকে বিশ্বাস করে বাট শিশিরকে এই ঝামেলা থেকে কিভাবে বের করবে,,গালে হাত দিয়ে বসে আছে তনু,
শিশির এসে পাশে বসলো,
তনু-আরও আমাকে দেখিয়ে দেখিয়ে পিরিত করেন?
শিশির-আমি জানতাম না ও এত বড় problem create করবে,শিশির তনুর হাত ধরলে তনু হাত ছাড়িয়ে নিলো,
শিশির-?কি?
তনু-হুহ,
তনু উঠে চলে যেতে নিলো শিশির আঁচল ধরে ফেললো,
শিশির-তোমাকে সত্যি সত্যি আমার বাচ্চার মা বানিয়ে দিই??
তনু-?আগে এই নকল বাচ্চা সামলান
তনু এসে শিশিরের পাশে বসলো, আচ্ছা শুনেন,রুনার বাসার address আমাকে দিন তো,
শিশির-কেন??
তনু-দেন না কচু
শিশির address দিলো,,
শিশির -একা একা যেও না আমাকে নিও,
রুনা is too dangerous,,
তনু-ওকে,,
কিছুক্ষণ পর,,♥♥♥♥♥♥♥
শিশির ফোন টিপতেছে,,তনু শাড়ী নিয়ে পড়তে গেলো,,
শিশির-কি হয়সে?এই টাইমে শাড়ী change করতেছো কেন?
তনু-আরে পানি খেতে গিয়ে পুরা গ্লাসের পানি গায়ে পড়সে,
শিশির-হাহা,,
শিশির উঠে গিয়ে বাথরুমে ঢুকে গেলো,
তনু-আরে এসব কি?যান এখান থেকে
শিশির তনুর পেট ধরে কাঁধে চুমু দিলো,
তনু-শাড়ী পরতে দেন,যান
শিশির-নাহ যাবো না,,শিশির তনুকে নিজের দিকে ফিরালো,তনু আগের মত হাত দিয়ে গা ঢাকলো,
শিশির হাত সরিয়ে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো,,
শিশির তনুর কাছে গিয়ে ওর নাকে কামড় দিলো,,
তনু-নাকে কেউ কামড়ায়?
শিশির-শিশির কামড়ায়,তার বউকে
শিশির ঝরনা ছেড়ে দিলো,
তনু -আল্লাহ গো
শিশির তনুকে নিজের কাছে টেনে নিলো,গায়ের সাথে লাগালো,,
তনু-আমার ভালো শাড়ীটা দিলেন তো ভিজিয়ে,,
শিশির তনুকে নিয়ে অনেকক্ষন ভিজলো,,
তনু-হাইচ্ছু!?
শিশির ঝরনা অফ করলো,
,তনু ভিজা শাড়ী নিয়ে বের হয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির shirt খুলে তনুর কাছে আসলো, তনু শীতে কাঁপতেছে,,
শিশির তনুর গা থেকে শাড়ী সরিয়ে নিতে লাগলো,,কাঁধ থেকে তনুর ভিজা চুল সরালো,,তনুকে কোলে করে বিছানায় নিয়ে গেলো,,(বাকি সব আপনারা জানেন??)
রাতে তনু ঘুমাচ্ছে শিশিরের গায়ের shirt পড়ে,,তনু পরে নি,শিশির পরিয়ে দিছে নইতো ঠান্ডা লেগে যাবে
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_33
শিশির ঘুমাচ্ছে, তনু আস্তে আস্তে উঠে রেডি হয়ে বেরিয়ে গেলো,,
সোজা রুনাদের বাসায় গেলো,,
লুকিয়ে ওদের বাসার পিছন দিয়ে গিয়ে জানালায় উঁকি মারলো,,রুনা ঘুমাচ্ছে,,
তনু একটা নতুন সিম কিনে ফোন করলো রুনাকে,রুনা ধরলো,
হ্যালো কে??
তনু রুমাল দিয়ে পেঁচিয়ে বললো
তনু-ম্যাডাম আপনি যে pregnant, বেবির বাবা কে তা এখনই জানা সম্ভব, আপনি কি তা করবেন??
রুনা- না না থাক,,
তনু-আমরা তো ভাবসি আপনার লাগবে তাই test ও করিয়েছি,,আপনি এসে রিপোর্ট টা নিয়ে যান,নইতো শিশির স্যারকে কল দিবো? আপনি বাবার নামে শিশির লিখসেন তাই বললাম,
রুনা-না না,আমি আসতেছি
তনু-আচ্ছা,
তনু-হিহি এবার বুঝবে ঠ্যালা,,
তনু একটা নকল রিপোর্ট তৈরি করে এনেছিলো,,
এবার শরীফকে কল দিলো,,
শরীফ হসপিটালের কর্মচারীকে টাকা দিয়ে বললো এই রিপোর্ট টা রুনা আসলে দিতে,,
রিপোর্টে লিখা আছে রুনার বাচ্চার বাবা শিমুল??
তনু জানে এটা সত্যি,,
শিমুল রুনার সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত ছিলো,
তনু জানতো ব্যাপারটা,,guess করে সব করেছে,,
এখন রুনার Reaction -এ সব টের পাবে,
কর্মচারী রুনাকে রিপোর্ট টা দিলো,
রুনা রিপোর্ট নিয়ে শক হয়নি একটুও,,Just ঘামাইতেছে,
শরীফ আর তনু লুকিয়ে দেখতেছে,,
শরীফ-দেখসো?আমাদের আন্দাজই ঠিক হয়সে,,ছিঃ
তনু-এবার পরের কাজ করতে হবে,,
রুনা হসপিটাল থেকে বের হতেই তনু আর শিমুল গিয়ে সামনে দাঁড়ালো,,
রুনা-এসব কি?আমার পথ আটকালে কেন??
তনু-শিমুলের বাচ্চা না এটা??
শরীফের ওয়াইফ দূর থেকে ভিডিও করতেছে,
রুনা-না শিশিরের,
তনু-তাহলে রিপোর্ট?
রুনা-কিসের রিপোর্ট??
তনু হাত থেকে রিপোর্ট নিয়ে নিলো,,
তুমি নিজ থেকে বলবা নাকি সবাইরে ডেকে আমি বলবো?
কি হলো??শরীফ ভাইয়া ডাকেন
শরীফ-কেউ আছো?
রুনা-stop it, ওকে মানসি আমি মিথ্যা বলসি,এটা শিশিরের না শিমুলের বেবি,,
তনু-কেমনে কি?বুঝাও
রুনা-একদিন শিমুল বাসায় এসেছিলো,,আমার ওরে ভালো লাগত,ব্যাস,,
তনু-আমার husband কে কেন ফাসাইতে চাইসো?
রুনা-আসলে
তনু-সত্যি বলো নাহলে ফাঁস করে দিব
রুনা-ও আমার সাথে প্রেম করে তোমাকে বিয়ে করসে,
তনু-তুমি শিশিরের খবর নিসো একবারও যখন শুনসো ওর জব শেষ?
শরীফ-ভাগো,নাহলে পুলিশে দিব,,
রুনা পালাই গেলো,
শরীফ-ভাবী কাজ হয়ে গেসে,
শরীফের ওয়াইফ আসলো,
৩জন মিলে হাসতেছে,,
শিশির ঘুম থেকে উঠে তনুকে না দেখে অচেতন হয়ে গেসে,
মুনা তনু কই??
মুনা-জানি না তো
শিশির-কই পাবো,,বাসায় গেলো নাকি,,হ্যালো বাবা,,তনু কি আপনাদের বাসায়?
বাবা-নাতো, কেন কি হয়সে?
শিশির-ওহ,না আসলে ওকে সকাল থেকে দেখছি না
বাবা-কি বলো,কল দাও,,
শরীফ সিয়া আর তনু হাঁটতেছে আর কথা বলতেছে,
তনুর মাথাটা ঘুরে উঠলো,,তনু সব ঝাপসা দেখতেছে,কিছুক্ষণ পরই পড়ে গেলো নিচে,,
সকাল ১১টায়♥
শরীফ-হ্যালো শিশির,,উপশম হসপিটালে চলে আয়,,
তনু Senseless হয়ে গেসে
শিশির-what!
শিশির তাড়াতাড়ি করে আসলো,তনু বেডে শুয়ে আছে,,
শিশির-কি হয়সে ওর?
শরীফ-আরে কিছু না মেবি কিছু খায়নি তাই,,
doctor -উনি কি আগে মাথায় চোট পেয়েছে?
শিশির-হ্যাঁ,
Doctor -এই জন্যই,
শিশির-তোরা ওরে পেলি কই??
সিয়া-সে এক বিরাট কাহিনি,,
সিয়া ভিডিও নিয়ে শিশিরকে দেখালো,,
শিশির -ওরে বলসিলাম আমাকে না বলে যেন বের না হয়,,
শরীফ-হয়সে যা হয়সে তা গেসে,,বউরে সামলা,,
শিশির গিয়ে পাশে বসলো,,কখন জ্ঞান ফিরবে?
Doctor -বিকালের দিকেই,,
বিকালে তনুর জ্ঞান ফিরলো,শিশির মুখ গোমড়া করে তাকিয়ে আছে,
তনু-সরি
শিশির-একটা চড় মেরে দিব,
তনু-?
শিশির -চলো!!!
শিশির হাত ধরে উঠালো, তনু হাঁটতে পারছে না,শিশির কোলে নিতে পারতো কিন্তু সব মানুষ,
শিশির তনুর কোমড় ধরে আস্তে আস্তে নিয়ে গেলো,,বাসায় নিয়ে এলো,
শিশির -Next time এমন কিছু করলে মেরে ফেলবো তোমাকে
তনু-?
শিশির খাবার এনে খাইয়ে দিলো,,,
তনু-সরি তো,,
শিশির-হুমম,আচ্ছা rest নাও,আমি অফিস থেকে ঘুরে আসি,,আজ যেতে পারিনি
তনু-আচ্ছা,,
রাতে শিশির আসলো,তনু ঘুমাচ্ছে,,
শিশির fresh হয়ে নিয়ে তনুর পাশে এসে শুলো,,
তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,তনু পিছন ফিরে তাকালো,
শিশির-ঘুমাও নি?
তনু-জেগে গেসি আপনার টাচে,
শিশির-ওহ,সরি
তনু-না ঠিক আছে,,,
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরলো,,আচ্ছা শুনো Doctor বলসে Full bed rest-এ থাকতে,
তনু-হ,,বিছানা নিয়ে বাথরুমে জামু
শিশির-?
তনু-???????
শিশির তনুর মাথা ধরে কাছে আনলো,নাকের সাথে লাগিয়ে ফেললো,
শিশির-আমাকে একা রেখে কোথাও যাবা না,মেরে ফেলবো,,
তনু-?আচ্ছা
শিশির-হুম গুড girl,,শিশির তনুর ঠোঁটে চুমু দিতে লাগলো,,তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_28/29/30

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2Part_28/29/30
শিশির-আমি
তনু-???
শিশির-আমি তোমাকে,,,,
তনু-????
শিশির-ভালোবাসি না?
তনু-?
তনু হাত ছাড়িয়ে চলে গেলো,
শিশির-আরে রসগোল্লায়ায়া,দাঁড়াও,,
তনু-ভালোবাসতে হবে না,,লাগবে না আমার,,তনু গিয়ে খাটে বসলো,,মাথাটা ধরে আছে,,কাত হয়ে শুয়ে পরলো,,শিশির এসে আর কিছু বললো না,কাঁথা টেনে দিলো,,
ওর পাশে বসে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলো,তনু যে পাশে শুয়েছে তার সামনে বিরাট আয়না,শিশির আয়নায় তাকিয়ে তনুকে দেখতেছে,এমন ভাবে তাকিয়ে আছে তনুর ঘুম উড়ে গেসে,
তনু-কি এমন করে তাকিয়ে আছেন কেন?
শিশির-মন চাইসে,,
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরলো,,
তনু-ছাড়েন,,আমাকে ভালো না বাসলে আমাকে টাচ করার অধিকার নাই,
শিশির-তাই নাকি?জোরাজোরিতে জীবনে আমার সাথে 1st হয়সো??
তনু-হুহ
শিশির তনুর দুহাত চেপে তনুর গলায় কামড় দিলো,,হালকা মুখ লাগিয়ে চুষে নিলো গলায়,,,তনু চোখ বন্ধ করে আছে,,এত শক্তি শিশিরের তনু ছাড়াতেই পারতেছে না,,
শিশির-চুপচাপ শুয়ে থাকতে পারো না
তনু- না,এমন disturb করলে পারি না,
শিশির -আমি disturb করি?
তনু-হ্যাঁ
শিশির-আর একবার বলো দেখি?
তনু আর বললো না,শিশিরের দিকে চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,
শিশির-হাহাহা,,শিশির তনুকে নিজের দিকে ফিরিয়ে মুখ টিপে ধরলো তনুর,,
শিশির-কি বেবি?? ভয় পাইসো??
তনু-একদম না হুহ,,ছাড়েন চিৎকার দিব,
শিশির -পাশের লোকরা অন্য কিছু ভাববে ?????
তনু-ছিঃ,ছিঃ
তনু উঠে দাঁড়িয়ে গেলো,,বালিশ নিয়ে সোফায় শুয়ে পরলো,,
শিশির এসে তনুর থেকে বালিশ নিয়ে চলে গেলো,
তনু-????
তনু তাও সোফায় বালিশ ছাড়া শুয়ে পরলো,,শিশির এসে ওড়না নিয়ে নিলো
শিশির-আর কিছু নিতাম?নাকি নিজ থেকেই বিছানায় আসবা?
তনু-সাহস কত,
এবার শিশির এসে তনুর জামাতে হাত দিলো,
তনু চিৎকার দিয়ে বিছানায় চলে গেলো,
শিশির-হাহাহা,,
তনু-আম্মুউউ আমাকে এই কোন জল্লাদের সাথে বিয়ে দিসো???
শিশির-আমি কি কাটাকাটি করসি??
তনু-করতে কতক্ষন?
শিশির-??ঠিক
তনু চোখ বড়বড় করে খাটের এক কোনে শুয়ে পড়লো,,
শিশির এসে গায়ের সাথে লেগে শুলো,,তনু সরে যেতে নিয়ে আবার খাট থেকে পড়ে যাওয়া ধরলো,শিশির একহাত দিয়ে টেনে কাছে নিয়ে এলো,,
শিশির-এই ভুল আর কখনও হবে না,,
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পরলো,
পরেরদিন সকালে♥♥
তনু আর শিশির রেডি হয়ে বের হলো,,
তৃনা-তনু কেমন আছিস এখন??আর তোর মাথায় কি হয়সে?
শিশির-চোট পেয়েছিলো,,
তৃনা-আহারে,তুই আমাকে কস নাই কেন??
তনু-আমি মানা করসিলাম,
সবাই খেতে বসছে,,
তৃনা আর শুভ তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসতেছে,
শিশির-কি??
তৃনা-মনে হয় সব ঠিক হয়ে গেসে তোদের মধ্যে???
তনু-কি মানে?
তৃনা তনুর গলার দিকে ইশারা করলো,শিশির তাকিয়ে চোখ কপালে,
তনু-কি হয়সে??
শিশির তনুর পিঠ থেকে শাড়ীর আঁচল নিয়ে গলা ঢেকে দিলো,কাল রাতে যে চুমু দিসিলো দাগ হয়ে আছে, তা পরিষ্কার বুঝা যাচ্ছে,,
তৃনা আর শুভ হাঁটতেছে,,
তনু-এ্যাই কি হয়সে??
শিশির-কাল যে চুমু দিসিলাম দাগ বসে আছে
তনু-কিহ?ইস ইজ্জত গেলো আমার,সব আপনার জন্য হয়সে,
শিশির-প্রথমে সুপারি বাগান দেখতে যাবো,তারপর জাফলং
তৃনা-ওকে????
রিকসা নিলো,,শিশির আর তনু বসে আছে,,আজ valentines day,রাস্তায় কাপল দেখা যাচ্ছে,,তনু মন খারাপ করে দেখতেছে,,
শিশির-কি গত বছরের valentines Dayr কথা মনে আছে??
তনু-ইসসস?,,গতবছর আমাকে দেখিয়ে রুনারে propose করে জড়িয়ে ধরেছে,,আমি দেখে একটা কণা নিয়ে শিশিরের মাথায় মারসিলাম,রাগ করে,,আমাকে পুরা এলাকা দৌড়ানি দিসিলো,পরে হিন্দুদেরর মন্দির পর্যন্ত গিয়ে হোচট খেয়ে পরে গেসিলাম,,আমাকে ধরে নিয়ে কাদাতে ফালাইসে,,নিজে নিজে যতবার উঠার চেষ্টা করসি,ততবার পড়ে গেসি,,৩০মিনিট পর আমাকে নিজেই টেনে তুলেছে,,
শিশির-হাহাহা,,???
তনু-??
শুভ তৃনাকে গোলাপ কিনে দিলো,,
তনু সুপারি বাগান দেখতেছে,,আর দেখলো শুভ তৃনাকে মাথায় গোলাপ পরিয়ে দিচ্ছে,তনু একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,,
শিশির খেয়াল করলো,,
তৃনা -শিশির এই দিকে আয়,,শিশির আসলো,
তৃনা-মেয়েটার প্রতি কি তোর একটুও ভালোবাসা নেই??আজ ভালোবাসা দিবস, কিছু না পারস একটা ফুল তো কিনে দিতে পারস,
শিশির-পারবো না,
তৃনা আর কিছু বললো না,,
সুপারি বাগান দেখা শেষে সবাই জাফলংয়ের জন্য রওনা দিলো,,
তনু রাস্তার কাপল দেখতেছে,আর মুখে হাসি,,
শিশির-তোমার হিংসা লাগে না??
তনু-না,ভালো লাগে,আমাকে দেওয়ার মানুষ নেই কিন্তু ওদের আছে,সেটা দেখেই ভালো লাগে,
জাফলং এ এসে নামলো সবাই,,,তৃনা শুভ হাত ধরে হাঁটতেছে,,
তনু পাথরের উপর বসে আছে,,
শিশির-হুম হ্যালো, শুনো সব গোলাপ আনবা,,আর তোমাকে টাকা বারিয়ে দিবো,,কাঁটা সব ফালায় দিবা,,আর Candle light থাকবে,,ঠিক আছে,,খেয়াল রাখবা আমার আগে যেন তনু না ঢুকে,,
কর্মচারী -ওকে স্যার,,
শিশির-আজকের Valentines তোমার জন্য সেরা valentines day হবে তনু,,আর সেটা আমার পক্ষ থেকে,,
শিশির-চলো পাহাড়ে উঠবো,,চা বাগান দেখবো,,
তনু-ওকে,,সবাই পাহাড়ে উঠা ধরলো,,শিশির তনুর হাত ধরে উঠতেছে,,
কর্মচারী-আপনারা সাবধানে থাকবেন,বন্য প্রানী আছে অনেক,,
শিশির-হুম
তনু ভয়ে শিশিরের হাত শক্ত করে ধরলো,,পাহাড়ে উঠে সবাই হা করে তাকিয়ে আছে,এত সুন্দর দৃশ্য,সত্যি মনমুগ্ধকর????
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_29
তৃনা শুভ দুষ্টুমি করতেছে,,তনু তাকিয়ে হাসতেছে,,শিশির তনুর কাছে এসে দাঁড়ালো,
তনু-কি?
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,,অনেকটা পথ এসে তনুর হাত ছাড়লো,,
তনু-এখানে কেন আসছেন??
শিশির হাঁটুগেড়ে বসে পিছন থেকে এক গুচ্ছ গোলাপ নিয়ে তনুকে দিলো,তনু তো হা করে তাকিয়ে আছে,আমার জন্য??
শিশির-নাহ,রুনা তো নেই,,তাহলে ওরেই দিতাম,,এখন তুমি রাখো,,আর হ্যাঁ পায়ে ব্যাথা করতেছে তাই নিচে বসছি,তুমি আবার অন্য কিছু ভাববা নাহ,
তনু-?,
তনু ফুল নিয়ে লাফাতে লাগলো,,
শিশির-পড়ে যাবা,চলো,,শিশির হাত ধরে আবার নিয়ে এলো,,
তৃনা-ওয়াও,এত ফুল??
তনু-??
শিশির-খুশি??
রাতে সবাই রিসোর্টে চলে আসলো,,
তনু রুমে ঢুকতে যাবে তখনই কর্মচারী পথ আটকালো,
কর্মচারী -ম্যাম,ওয়েট
তনু-কেন??
শিশির এসে পিছন থেকে চোখ বেঁধে দিলো,,
তনু-আম্মুউউউ
শিশির-চুপ,তোমার জামাই,,
তনু-ওহ চোখ বাঁধলেন কেন??
শিশির-চুপ,, শিশির তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,,তনুর চোখের বাঁধন খুলে দিলো,,
তনু হা করে দেখতেছে পুরো রুমটা,,রুমটা যেন একটা গোলাপ বাগান,এত্ত গোলাপ?খাটে তো সব গোলাপের পাপড়ি??তনু নিচের দিকে তাকালো,,ফুলের রাস্তা গিয়ে বারান্দার দিকে গেসে,,
শিশির বিরাট একটা গোলাপের তোড়া এনে তনুর হাতে দিলো,,
শিশির-মিসেস আর গোলাপ লাগবে??
তনু খুশিতে লাফাইতেছে,,শিশির হাত ধরে বারান্দায় নিয়ে গেলো,,চেয়ার টেবিল ফুল দিয়ে সাজানো,,Candle Light,,শিশির চেয়ার টেনে দিলো, তনু বসলো,
মোমবাতির আলোতে তনুকে অনেক সুন্দর লাগছে,,শিশির কিছুক্ষন তাকিয়ে রইলো,,তনু হাতের ফুলগুলো দেখতেছে,,খাবার খেয়ে নিলো দুজনেই,,তনু ফুলগুলো ধরে বারান্দার কোনে দাঁড়িয়ে আছে,,শিশির ফুলের মালা এনে তনুর মাথায় লাগিয়ে দিতে লাগলো,,
তনু যেন স্বপ্ন দেখতেছে,,
শিশির-এত খুশি হওয়ার কিছু নেই,তৃনা বললো তাই,,তুমি নাকি কান্না করে দিবা,,তাই,,
তনু-আমি জানি সব আমার জন্য নিজের মন থেকে করসেন
শিশির -মোটেও না,,রুনাকে দিতাম,,
তনু রাগ করে হাত থেকে ফুল রেখে দিয়ে চলে যেতে নিলো শিশির পিছন থেকে হাত ধরে ফেললো,,শিশির এসে তনুর কাঁধে মাথা রাখলো,,কাঁধে নাক লাগাতেই তনু কেঁপে উঠলো,,শিশির শক্ত করে তনুর হাত ধরে আছে,,গোলাপের ঘ্রান আর তনুর গায়ের ঘ্রান একসাথে হয়ে অন্যরকম ঘ্রান সৃষ্টি হয়সে,,শিশির যেন পাগল হয়ে যাবে,আজ আটকাতে পারবে না নিজেকে,,তনুর চোখ থেকে পানি এক ফোঁটা গিয়ে শিশিরের হাতে পরলো,,
শিশির তনুর দিকে তাকালো,
তনু-ভালোবাসেন না তাহলে কেন ভালোবাসার লোভ দেখান?
শিশির আরও শক্ত করে গায়ের সাথে লাগালো তনুকে,,তনুর পিঠ শিশিরের বুকের সাথে লেগে আছে,,শিশির হাতে একটা গোলাপ নিয়ে তনুর পিঠে ছোঁয়ালো,,পিঠ থেকে পেটে নিলো,,
তনু প্রতিটি ছোঁয়ায় কেঁপে কেঁপে উঠতেছে,,শিশির তনুকে নিজের দিকে ফিরালো,,দুজনেই দুজনের দিকে তাকিয়ে আছে,,মুখে হাসি নেই,,কিন্তু আজ দুজনেই দুজনের মাঝে হারিয়ে যেতে চাচ্ছে,,শিশির তনুকে কোলে তুলে নিলো,,নিয়ে বিছানায় নামিয়ে দিলো,,
খাটে ফুল ,শিশির এক মুঠো ফুল নিয়ে তনুর গায়ে মারলো ,
তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো,,
শিশির-তোমার কি মনে হয়??এখন আমি কি করবো??
তনু-আমি কি জানি?কখন কি করেন আপনি,
শিশির তনুর কাছে এগিয়ে গেলো,,তনুর গায়ের দিকে তাকিয়ে দেখতেছে,
তনু-এমন করে তাকান কেন?লুচু
শিশির-নিজের বউকেই তো দেখতেছি
তনু গায়ে হাত দিয়ে বসে আছে,শিশির তনুর হাত ধরে সরিয়ে দেখতেছে,,তনুর পেট থেকে শাড়ী সরালো,,
তনু-???আআআআআপননি কি
শিশির-চুপ,,
শিশির তনুর কাছে এগিয়ে গিয়ে চুলের মুঠি ধরে তনুর মুখ উঁচু করে গলায় চুমু দিলো,,তারপর থুতনিতে,,বাতাসে সব মোমবাতি নিভে গেসে,,হালকা চাঁদের আলো,,শিশির তনুর মুখ ধরে কিস করতে লাগলো,,?
তনু শিশিরের হাত ধরে আছে,,আরেক হাত দিয়ে শিশিরকে ধরলো,,
শিশির ১০মিনিট পর তনুকে ছেড়ে দিলো,,তনুর মুখ ধরে আরেকদিকে ফিরিয়ে কাঁধের থেকে ব্লাউজ সরিয়ে কাঁধে চুমু খেলো,,
শাড়ী সরাতে শিশিরের মনে হলো এসবের সময় এখন হয়নি,,
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে পাশে শুয়ে পরলো,,
তনু-এসবের মানে কি?
শিশির -কি আবার.?
তনু -আমার সাথে মজা করেন আপনি??
শিশির-কোনোদিন কি serious ছিলাম?
তনু -অনেক হয়সে,আমাকে বিয়ে করসেন কেন তাহলে,রুনাকেই করতেন,,আপনার প্রতি কি আমার কোনো অধিকারই নাই??
শিশির-সব পাচ্ছ
তনু-তাই নাকি??আদো?
শিশির-shut up তনু,মেজাজ গরম করবা না,
তনু উঠে চলে গেলো বারান্দায় গিয়ে সব ছুঁড়ে মারলো, এক কোনে গিয়ে বসলো,,
শিশির আসলো না,,ঘুমিয়ে গেলো,,তনু আর রুমে আসলো না
পরেরদিন ♥
তনু আর শিশির রেডি হয়ে নিসে,,কেউ কারও সাথে কোনো কথা বলেনি,,বাসার যাওয়ার জন্য রওনা দিসে সবাই,,
তনুর রাগে কষ্টে নিজেকে শেষ করে দিতে মন চাইতেছে,,তনুর চোখ গেলো জানালায় আটকে থাকা একটা ব্লেডের দিকে,
শিশির ফোনে কথা বলতেছে, তনু ব্লেডটা হাতে নিয়ে ৩-৪টা টান দিয়ে দিসে হাতে,
শিশির-I will call you back,,
শিশির ফোন রেখে তনুর হাত থেকে ব্লেড নিয়ে জানালা দিয়ে ছুঁড়ে মারলো,,
শিশির জানে এটা তনুর অভ্যাস,, তনুর দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকলো,,পকেট থেকে রুমাল নিয়ে তনুর হাত শক্ত করে ধরে বেঁধে দিলো,
তনু চোখ মুছে রুমাল খুলে নিয়ে জানালা দিয়ে ফেলে দিলো,
শিশিরের তো রাগ আরও বেড়ে গেসে,,চুপচাপ আরেকদিকে তাকিয়ে থাকলো,
হোটেলে♥♥
তৃনা-তনু খাস না কোন??
তনু-খিধে নেই,
রাত ৯টায় বাসায় পৌঁছালো দুজনে,
তনু-আমি আমাদের বাসায় যাচ্ছি,,
শিশির-যাওয়ার দুঃসাহস দেখাবা না,
মা-মেয়েটার হয়ত মা বাবার কথা মনে পড়তেছে,,গিয়ে দিয়ে আয় যা,
শিশির-না মানে না,এরপর যদি ওর মন চায় যেতে পারে
তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে থেকে চলে গেলো,
তনু-যা খুশি করুক,,ভালেবাসে না আবার ঢং,,আর আসবো না ফিরে
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_30
তনু একা একা বাসায় চলে গেলো,,
রাত ১১টা♥
মা-তনু,তনু,শিশির এসেছে,তনু ঘুমিয়ে গেসে,,
শিশির এসে ঠাস করে দরজা লাগিয়ে দিলো,তনু ভয় পেয়ে ঘুম থেকে উঠে গেলো,
তনু-?কে?চোখ ডলে ডলে দেখলো শিশির দাঁড়িয়ে আছে,,তনু আবার শুয়ে পরলো,,শিশির এসে হাত ধরে উঠিয়ে বসালো
শিশির-একটা চড় মারবো ধরে,,এত সাহস দেখাও কেন তুমি??
তনু-ছাড়ুন তো,তনু ছাড়ানোর চেষ্টা করতেছে,,শিশির হাত ছেড়ে দিয়ে নিজের গায়ের shirt খুলতে লাগলো,তনু কিছুটা ভয় পেলেও পরে ভাবলো নাহ কিছুই করবে না,,
শিশির Shirt খুলে তনুকে খাটের সাথে চেপে ধরে হাত বেঁধে দিলো,
তনু-এ্যাই কি করতেছেন টা কি,,হাত বাঁধেন কেন??আম্মুউউউউ,,
শিশির তনুর গায়ের ওড়না নিয়ে তনুর মুখ বেঁধে দিলো,
তনু কথা বলেই যাচ্ছে,,
শিশির এবার ঠান্ডা মাথায় বসলো তনুর দিকে তাকিয়ে,,তনু শুয়ে থেকে তাকিয়ে আছে,,
শিশির-আর একদিন হাত কাটার সাহস দেখাবা তো কেটে টুকরা টুকরা করে দিব,,নেহাত আমি আজ নিজেকে control করতে পেরেছি,নাহলে দিতাম কয়েকটা চড় বসিয়ে,,শয়তান মেয়ে,
তনু আড় চোখে তাকিয়ে আছে,শিশির তনুর মুখ টিপে ধরলো,
শিশির-কি তাকাই আছো কেন??
শিশির এগিয়ে গিয়ে মুখ থেকে ওড়না সরিয়ে চুমু দিয়ে দিলো,তনুর পিঠে হাত দিয়ে চেইন খুলে ফেললো জামার,,তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,,শিশির জামা খুলে ছুঁড়ে মারলো,তনু লজ্জায় আরেকদিকে তাকিয়ে রইলো,শিশির চুপ করে তাকিয়ে আছে,
তনু ও চুপ,,শিশির তনুর গলায় কামড় দিলো,,তারপর গালে,,হাতে,,
তনু হাতের বাঁধন খোলায় ব্যস্ত,শিশির বুঝতে পেরে আস্তে করে বাঁধন খুলে দিলো,,তনু সাথে সাথে শিশিরকে খাঁমছে ধরলো,,নখ মনে হয় পুরো শিশিরের পিঠে ঢুকিয়ে দিসে,কিন্তু শিশিরের একটুও ব্যাথা লাগলো না,,বরং তনুর গায়ে কামড় টা আরও মিষ্টি করে দিলো,তনু হালকা করে আহ করে উঠলো,,
শিশির তনুর চোখ হাত দিয়ে ঢেকে তনুর থুতনিতে কামড় দিলো,,পেটের কাছে গেলো,,পেটে আঙুল দিয়ে শিশির লিখলো,
তনু শক্ত করে বিছানার চাদর ধরে আছে,,
তনু-চোখে দেখি না
শিশির-দেখতে হবে না,
শিশির নিজের নাম লিখে কামড় দিলো পেটে,,তারপর তনুর কাছে আসলো,,তনুকে শক্ত করে ধরে চুমু দিতে লাগলো,,তনুর হাতের বাঁধন ছেড়ে দিয়ে শিশির নিজের হাত দিয়ে তনুর হাত চেপে ধরে রেখেছে,,
রাত ♥১টা
তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাচ্ছে,,শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,,তনুর হাত নিয়ে দেখলো কাটা দাগ,
শিশির-ইচ্ছে করতেছে মেরে আলুর ভর্তা বানিয়ে দিই,, একটু জোরে টাচ করলেই নাক দিয়ে রক্ত বের হয়,হাত দিয়ে বের হয়,,?
শিশির-হিহি,,দাঁড়াও মজা দেখাইতেছি, শিশির তনুকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে যাবে ওর চোখ গেলে তনুর মিষ্টি মাখা মুখের দিকে,,
শিশির-থাক কাল থেকে জ্বালাবো,আজ ঘুমাক,,
পরেরদিন ♥
শিশির ঘুম থেকে উঠে দেখলো তনু নেই,Fresh হয়ে বের হলো,,তনু রান্নাঘরে,,
শিশির-তনু আমার লেট হচ্ছে আমি আসি,
তনু-আর একটু দাঁড়ান,
তনু দৌড়ে এসে শিশিরকে খাবার দিলো,,
শিশির-রুমে গিফট আছে,,দেখে নিও,
তনু এক দৌড়ে রুমে গেলো,,একি?ময়লা জামা কাপড়,,একটা কাগজ,,
রসগোল্লাআয়ায়ায়ায়া,এগুলা ধুয়ে শুকিয়ে রেখো,,বাই সুইট হার্ট
তনু পিছনে তাকালো,
শিশির-হিহিহি,,
শিশির চলে গেলো,,
তনু জামা কাপড় ধুয়ে ছাদে মেলে দিলো,
রুনা তনুদের বাসায় আসলো,,
রুনা-তো কেমন আছো?
তনু-ভালো
রুনা-শিশিরের দোকান কেমন চলে?
তনু-দোকান??কিসের দোকান?
রুনা-ওমা,শিশির তো বললো ওর চাকরি শেষ,,
মা-কে বলসে??শিশির তো আগে যে অফিসে কাজ করতো এখনও সেটায় আছে
রুনা-ওওওও,,
রুনা তনুকে নিয়ে আলাদা রুমে গেলো,,
রুনা-শিশির কি তোমাকে টাচ করসে?
তনু-মানে??
রুনা-মানে ঐসব করসে??
তনু-এসব কেমন কথা?(?)হুম উনি আমার স্বামী করতেই পারে,,
রুনা-ওও
রুনা চলে গেলো,,
তনু শিশিরদের বাসায় আসার জন্য বের হলো,ফোন নিয়ে শিশিরের number খুঁজতে লাগলো,শিশিরকে কল দিয়ে বলে দিবে যে ও বাসায় আসতেছে,,একটা বাইক আসতেছে খুব জোরেসোরে,,
তনু তাকিয়ে সরতে যাবে তার আগেই শিশির টান দিয়ে কাছে নিয়ে এলো,
শিশির -মন কই থাকে তোমার? মরার শখ হয়সে??এমন করো কেন??রাস্তায় ফোন ধরা লাগলো??একটা চড় মারবো,
তনু চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির-চলো!!!!
শিশির হাত ধরে বাসায় নিয়ে গেলো,,
শিশির shirt খুলতেছে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে,,তনু রুমে ঢুকে একবার শিশিরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বিছানা করতে লাগলো,,
শিশির-কি ম্যাডাম কাল রাতের কথা মনে পড়সে নাকি??
তনু-???
শিশির-হুম পা টিপো
তনু -?পারুম না
শিশির -কি বললা?
তনু -আসতেছি,
তনু বসে বসে শিশিরের পা টিপতেছে,,শিশিরের ফোনে কল আসলো,
শিশির-হ্যালো,,ওও,,শিশির লাইন কেটে তনুর দিকে তাকালো
শিশির-তুমি রুনারে বলসো যে আমার দোকান নেই??
তনু-হ্যাঁ,ও বলে আপনার নাকি দোকান আছে,
শিশির-shit,এই মাইয়া(না থাক,,এখন সত্যিটা বলে দিলে আর তনুরে জ্বালাতে পারবো না)
তনু-কি?
শিশির-কিছু না,,বাই রুনার সাথে মিট করবো,
শিশির উঠে দাঁড়ালো তনু এসে পথ আটকালো,
তনু-আপনি রুনাকে ভালোবাসেন??
শিশির-,,,সরো
তনু-বলতে হবে
শিশির-হ্যাঁ বাসি,
তনু দাঁড়িয়ে থাকলো শিশির চলে গেলো,,
শিশির এখন রুনার সাথে দেখা করতে নয়,,তনুর মাথার x-ray report টা আনতে বের হয়সে,কারন সিলেট থেকে আসার সময় Report টা আনতে মনে ছিলো না,ওরা কুরিয়ারে পাঠিয়ে দিসে,,Report টা নিয়ে শিশির একটু টেনশনে আছে,,তনুর ১বছর আগে accident হয়ে ছিলো,মাথায় চোট পেয়েছিলো,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_25/26/27

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2Part_25/26/27
তনু আরেকদিকে ফিরে হাঁটা ধরলো,,
তৃনা-কিরে শিশির তনু কই?
শিশির-ঐ তো,শিশির পিছনে তাকিয়ে দেখলো তনুকে দেখা যাচ্ছে না,,
শিশির আবার সেদিকে দৌড় মারলো,,কই গেলো আবার,,শিশির খুঁজতেছে,তনু তনু তনু
তনু নিচ থেকে মাথা তুললো,
তনু-কি হয়সে??
শিশির-এত ডাকি কানে শুনো না?কই গেসিলা??আমার সাথে থাকলে কি হয়,আবার একা একা কই গেসো,
তৃনা-হয়সে থাম,ওরে বলতে দে
তনু-আমি তো চা পাতা নিতেছিলাম
শিশির-এখানে আসিও বাচ্চামো শুরু করে দিসে,,
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,,
শিশির -একা একা যদি কিডন্যাপ হয়ে যাইতা?,একটা চড় মারবো আর এমন করলে, শিশির তনুর হাত থেকে পাতা নিয়ে তনুর মুখে ভরে দিলো,,
তনু মুখ থেকে ফেলে দিয়ে কাশতে লাগলো,,
তৃনা-কি হয়সে তনুর??
শিশির-কি জানি,,
তনু-কুত্তা
সবাই কমলা বাগানে গেলো,,
তনু কমলা শাড়ী পরেছ,কমলা বাগানে তনুকে খুব মানিয়েছে,,
শিশির তনুর থেকে চোখ সরাতে পারছে না,,
শিশির ফোনে কথা বলে তাকিয়ে দেখলো তনু অনেক দূরে চলে গেসে,,
তনু পিছনে তাকিয়ে দেখলো শিশির রাগী লুকে আসতেছে,Shirt এর হাতা উঠাইতেছে,,
তনু-সরি আসলে,
শিশির তনুর চুল ধরে টেনে নিয়ে এলো,
তনু-আম্মুউউ লাগতেছে,,
শিশির-চুপ,জীবনেও আমার কথা শুনে না???
তৃনা-মেয়েটারে ছাড়,হয়সে ও আমার সাথে থাকবে
শিশির-না আমার সাথেই থাকবে,,
শিশির তনুর শাড়ীর আঁচল টেনে নিজের হাতে গিট্টু দিয়ে দিলো,,
তৃনা-হাহাহা
শুভ-???
সবাই মিলে চা খেতে গেলো,,
সবাই পাহাড়ের কাছ দিয়ে হাঁটতেছে,তনু মুখ গোমড়া করে শিশিরের পিছন পিছন আসতেছে,হাত এখনও বাঁধা,,তনু হাত দিয়ে ছাড়ানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে
শিশির তনুর দিকে তাকালো,,
ho..chuye dile tumi ekbar♥
jai hariye anmone hum..♥♥
tai chute asi kache bare bar
ami tomatei…o…hum♥
jodi ekbar bolo valobaso amake
jane januk loke
harabo dujon dujonate
priya…ore priya
bachbo nago tumi chara…
priya…ore priya
kobu a badhon chere jeo na♥♥
o keno asi seto janina hay
keno jani mone hoy ache kono pichu tan
keno asi seto janina hay
keno jani mone hoyache kono pichu tan♥
hum jodi ekbar bolo valobaso amake♥
jane januk loke
harabo dujon dujonate
priya o…re priya
bachbo nago tumi chara
priya…ore priya
kobu a badhon chere jeo na♥♥
তনু-ভালোবাসি
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে টেনে নিয়ে গেলো,,
পাহাড়ের কোনে আনলো,,তনু হা করে দেখতেছে,,শিশির ফোন টা একটা গাছের ঢালে রাখলো,,Timer on করলো,,
তনুকে জোরে এক টান দিলো,তনু এসে শিশিরের বুকে,,Picture captured ♥
তনু-কি হলো?
শিশির-পিক তুলা হলো,,চলো,,
শিশির আবার টেনে নিয়ে গেলো,,
একটা বাবু তার মা বাবার সাথে এসেছে ঘুরতে,
বাবু-মাম্মাম দেখো,ও uncle তা anty কে বেঁধে রেখেছে দেকো
শিশির বাবুর কাছে আসলো,,
শিশির-আসলে তোমার anty ও বাবু তাই বেঁধে রেখেছি নইলে হারিয়ে যাবে,
বাবু-ও আচ্চা
তনু-?শুনেন
শিশির-বলেন
তনু-আপনি আমাকে ছাড়া বাঁচবেন না??
শিশির-ওটা গান ছিলো,,মন চাইছে তাই গাইলাম,
তনু-হুহ??
তনু শিশিরের হাত থেকে শাড়ীর আঁচল টেনে খুলে ফেললো,তারপর হাঁটা ধরলো,,তৃনার কাছে এসে দাঁড়ালো,,
শিশির হাওয়াই মিঠায় নিলো,,৩টা,,তৃনা আর শুভরে দিলে,
তনু-আমার টা??
শিশির-আমার থেকে খাও,,
তনু-আলাদা নিলে কি হতো??
শিশির-থাক খেতে হবে না
তনু-এ্যা?
শিশির নিজের টা তনুর হাতে দিলো,তনু আরেকদিকে ফিরে খেতে লাগলো,
শিশির-এত কিপটা কেন তুমি??আমারে একটু দিতে পারো না,,?
তনু-দিমু না,তনু দূরে গিয়ে দাঁড়িয়ে খেতে লাগলে,,
শিশির-ঐ দেখো বিমান,
তনু আকাশের দিকে তাকালো শিশির হাত থেকে মিঠায় নিয়ে চলে গেলে,
তনু-হারামি,কুত্তা???
তৃনা-মাগো আর পারুম না,,হাঁটতে,,
শুভ তৃনাকে কোলে তুলে নিলো,,
তনু-how romantic ????
শিশির-আপনার পায়ে ব্যাথা করে??
তনু-না?I’m strong,,
শিশির-তাই নাকি??
শিশির হাতের ব্যাগ গুলা তনুর হাতে ধরিয়ে দিলে,
তনু-আরে আমি হাঁটব কিভাবে??
তনু এলোমেলো করে একটু গিয়েই ঠাস করে পড়ে গেলে,
শিশির মুচকি হেসে ব্যাগ সহ তনুকে কোলে তুলে নিলো,,
তনু-?
শিশির-এবার বলো how romantic
তনু-কচু?
সন্ধ্যায় সবাই রিসোর্টে ফিরে আসলো,,
তনু ব্যাগ রেখে বসলো,,
শিশির পানি এনে ইচ্ছে করে তনুর গায়ে ফেলে দিলো
তনু-ইসস,আমার পিছনে না লাগলে শান্তি হয় না আপনার??
শিশির-না,যাও change করে আসো,ঐ নেটের শাড়ীটা পরবা
তনু-এখন??
শিশির-হ্যাঁ,না পরলে যা পরবা তাই পানি ঢেলে ভিজায় দিবো,
তনু নেটের শাড়ীটা নিয়ে পরতে গেলো,,
শিশির বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে,,হালকা বাতাসে তনুর গায়ের ঘ্রানটা পেলো,,,পিছন ফিরে তাকালো,তনু দাঁড়িয়ে আছে শাড়ীটা পরে,,হাত দিয়ে পেট ঢেকে রেখেছে,,
শিশির এগিয়ে গেলো,,কারেন্ট নেই,শিশির পা বারাতেই নিচে কিছু একটার সাথে হোঁচট খেয়ে গিয়ে তনুর উপর পরলো,,তনু নিচে,,শিশির উপরে,,
শিশিরের ঠোঁট গিয়ে তনুর ঠোঁটে পরলো
তনু শিশিরের shirt শক্ত করে ধরে আছে চোখ বন্ধ করে,,
শিশির একটু উঁচু হলো,,
তনু লজ্জায় মরে যাইতেছে,,
শিশির হালকা হালকা আলোয় তনুর মাথার চুল কানে গুজে দিলো,,তনুর ঠোঁটের দিকে তাকালো,,হাত নিয়ে তনুর পেটে রাখলো,,
তনু কেঁপে উঠলো,, কারেন্ট এসেছে,,
শিশির শয়তানি করে পেটে খাঁমছি দিলো
তনু হা করতেই শিশির নিজের ঠোঁট লাগিয়ে দিলো,,তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,,
চলবে♥?
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_26
শিশির কাতুকুতু দিতে থাকলো,তনু যে চিৎকার দিবে তার ও উপায় নেই,,শিশির ছাড়তেছে না,,১০মিনিট পর তনুর হাত ছাড়লো,তনু শিশিরকে সরিয়ে উঠে বসলো,
শিশির শুয়ে আছে,,
তনু চোখ বন্ধ করে বসে রইলো,
আমাকে তো ভালোবাসেন না,তাহলে এসব কি?
শিশির-এসব তোমাকে জ্বালানোর মধ্যে পড়ে
তনু-কথা ঘুরাইতেছেন?
শিশির -নাহ
তনু পিছন ফিরে শিশিরের হাত ধরলো,,তাকিয়ে থাকলো,
শিশির-ভালোবাসি না
তনু হাত ছেড়ে দিয়ে উঠে গেলো,,খাটে গিয়ে শুয়ে পরলো,,শিশির আর কিছু বললো না,,বারান্দায় গিয়ে চেয়ার নিয়ে বসলো,,
পরেরদিন সকালে তনু তাড়তাড়ি উঠে রেডি হয়ে নিলো,,
শিশির-এত তাড়তাড়ি উঠলা?
তনু কিছু বললো না,,শিশির গিয়ে fresh হয়ে তনুকে নিয়ে বের হলো,,তৃনা আর শুভ ও আসলো,,
শিশির-আমরা আজ বিছানকান্দি আর পানতুমাই যাবো
তৃনা-????
শুভ-তাইলে তো নৌকা নিতে হবে,,
তৃনা-এই তনু কিছু বলস না কেন??
তনু-হুম
শিশির-আগে আইরাকান্দি নৌকার ঘাটে যেতে হবে,বাসে উঠবো চলো,,
তনু চুপচাপ বসে আছে,,শিশির আচার কিনে তনুর হাতে দিলো,,
তনু নিয়ে খেতে লাগলো,,তনুর এমন চুপচাপ শিশিরের মোটেও ভালো লাগতেছে না,,এক হাত দিয়ে টেনে তনুকে গায়ের সাথে লাগিয়ে বসালো, তনু তাও কিছু বললো না,,
শিশির মুখ নিয়ে তনুর গলায় লাগালো,,তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো,,
শিশির হালকা কামড় দিয়ে ছেড়ে দিলো,,তনু বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির- এই পেত্নি,,কুত্তি,,কথা কও না কেন??
তনু-যাকে ভালোবাসেন না তার সাথে কিসের কথা?
শিশির তনুকে ছেড়ে দিলো,উঠে আরেক সিটে গিয়ে বসলো,,তনু আর কিছু বললো না,,
তৃনা-কিরে শিশির তনু একা?
শিশির-থাকুক,
একটা লোক জায়গা না পেয়ে তনুর সাথে বসতে গেলো,,
শিশির-Excuse me,এটা আমার জায়গা,,
শিশির এসে বসে পরলো,,গাড়ীর ধাক্কার সাথে তনু সামনের সিটে বারি খাওয়া ধরলো শিশির হাত দিয়ে ফেললো,,আরেক দিকে তাকালো,তনুর দিকে তাকালো না,
সবাই বাস থেকে নেমে নৌকায় উঠলো,,
তনু হা করে দেখতেছে,,শিশির পানিতে হাত দিয়ে পানি নিয়ে তনুকে ভিজিয়ে দিলো,,তনু নিয়ে শিশিরকে ভিজিয়ে দিলো,,শুরু ঝগড়া,,???
তৃনা-থাম থাম হয়সে,
অবশেষ ঝর্নাতে গিয়ে পৌঁছলো সবাই,,তনু হা করে দেখতেছে,শিশির পাশে দাঁড়িয়ে আছে,
তৃনা শয়তানি করে দুজনকে এক ধাক্কা দিলো, দুজনে গিয়ে পানিতে,
দুজনে ভিজে গেসে,,
শিশির-তৃনা তোর কোনো কাম নাই?আমরা এখন এই ভিজা জামা নিয়ো সারাদিন থাকবো??
তৃনা-সাথে করে জামা আনছি,
শিশির-আগে থেকে planning?
তনু গা ঢেকে দাঁড়িয়ে আছে,,শিশির shirt খুলে তনুকে পরিয়ে দিলো,,
একটা মেয়ে-হটটটটটটটটট?
শিশির মেয়েটার দিকে তাকিয়ে চোখ মারলো, চলে গেলো
মেয়ে-হায়য়য়য় মে মার যাবা
তনু-?????কি বললি?এটা আমার জামাই বুঝছোস???
মেয়ে-সরি বোন আসলে এত কিউট ছেলে না তাকিয়ে পারলাম না,,
তনু গিয়ে change করে আসলো,,শিশির ও change করে নিলো,
শিশির-চলো এই পাহাড়টাতে উঠবো,,
তৃনা-তোরা যা,আমি আর শুভ নিচের দিকে যাবো,,
শিশির-ঠিক আছে,,শিশির তনুর হাত ধরে উঠা ধরলো,,
তনু-আপনি ঐ মেয়েগুলাকে চোখ মারলেন কেন?
শিশির-এমনি,
তনু একটা ছেলের দিকে তাকিয়ে চোখ মেরে দিলো,
শিশির অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,
তনু-সেম টু সেম
পাহাড়ে উঠে শিশির তনুর হাত ছেড়ে দিলো,,
তনু ঘুরে ঘুরে দেখতেছে,,
শিশির-তনু ঐদিকে যাইও না,,Dangerous area
শিশির তৃনাকে কল দিলো,,
তনু উঁকি মেরে দেখতে গেলো area,,মাগো মা পড়লে তো আর বাঁচুম নাহ?????,,তনু চলে আসা ধরলো ওড়না আটকে গেলো,,টানতেছে তাও আসতেছে না,,কাছে গিয়ে টানতে গেলো,,কলিজা কাঁপতেছে,,ওড়না টেনে উঠে পা বারাতেই পড়ে যাওয়া ধরলো,তনু যে জায়গায় ছিলো সেটা ফাটা ছিলো,,
শিশির হাত ধরে ফেললো,,
শিশির-ছেড়ে দিই??এত বেয়াদবির জন্য??তোমাকে মানা করি নাই?আমার মানা কেন শুনো না??
তনু-দেন ছেড়ে,আমি মরে গেলে আপনার শান্তি হবে,,
শিশির টান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,,তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো,শিশিরের কাঁধে মাথা রাখলো,,
শিশির কিছু বললো না,,একটা হাত দিয়ে ধরে রাখলো,,
তৃনা-ভাইয়া
শিশির তনুকে ছেড়ে দিলো,,
তৃনা-এত উপরে উঠতে উঠতে আমরা শেষ,,
শুভ-হুম,,তোমার বোন তো বসে ছিলো মাঝপথে,
শিশির-হাহাহা
সবাই হোটেলে আসলো খাওয়ার জন্য,,খাওয়া শেষে,,
শুভ-এবার নীলকন্ঠ যাবো,,৭রঙের চা খাবো,,
শিশির-চলো
বাসে তনু কাঁদতেছে বসে বসে,,শিশির পকেট থেকে টিসু নিয়ে এগিয়ে দিলো,তনু নিয়ে জানালা দিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিলো,,
বিকালে গিয়ে সবাই নীলকন্ঠ পৌঁছালো,,তনু চুপচাপ চা খাচ্ছে,
তৃনা-তনু তোর চোখ মুখ এত ফুলে আছে কেন??শিশির তনুকে আবার কাঁদাইছস??
শিশির-কেউ যদি হুদাই কাঁদে তো আমি কি করবো,
তৃনা-কি হয়সে? তুই কিছু না করলে ও কেন কাঁদবে??
শিশির তনুর দিকে তাকালো,
তনু-আমি কাঁদি নাই,,চোখে কি পড়ছে,চুলকাইছি
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_27
সবাই আর একটু ঘুরে রিসোর্টের জন্য রওনা দিলো,,অনেক রাত হয়ে গেসে,বাসে সবাই,,
তনু জানালায় মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেসে,,শিশির আলতো করে টেনে এনে বুকে আনলো,,মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,,
শিশির -সরি সবকিছুর জন্য
তৃনা- তনু ঘুম থেকে জাগলে কথাটা বলিস,অনেক খুশি হবে,
শিশির-ও জাগলে ওর সামনে আমার মুখ দিয়ে এসব কথা আসে না,
রাত ১টায় রিসোর্টে পৌঁছালো সবাই,,শিশিরের তনুকে জাগাতে ইচ্ছে করছে না,মানুষ কম হলে কোলে করে নিয়ে যেতো,,তনুকে উঠালো,,
তনু গিয়ে রুমে শুয়ে পরলো,,
শিশির-তনু
তনু-হুম কি
শিশির এসে তনুর পাশে বসলো,,আমি তোমাকে খুব জ্বালাই তাই না??
তনু শিশিরের দিকে তাকালো,হঠাৎ এমন প্রশ্ন?
শিশির-লাভ নাই,,আজীবন জ্বালাবো,???এটা বলেই তনুর গায়ের থেকে ওড়না নিয়ে চলে গেলো,
তনু-কুত্তা,
তনু ঘুমিয়ে পরলো,,শিশির এসে তনুর কানে সুরসুরি দিতে লাগলো,,
তনু-উফ এমন করেন কেন?রাত কয়টা বাজে খবর আছে??
শিশির-হুম,আমার ঘুম আসতেছে না,,
তনু-তো মুড়ি খান,তনু আরেক দিকে ফিরে শুয়ে পরলো,
শিশির টেনে তুললো,
তনু-?
শিশির-মুড়ি তো নেই,কি খাবো
তনু -আমাকে খান,(এই যাহ,কি বলে ফেললাম?)
শিশির-তাই নাকি??শিশির টান দিয়ে তনুকে কাছে নিয়ে এলো,,
তনু -ইয়ে মানে,মজা করসিলাম?
শিশির-আমি seriously নিসি,,শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গলায় কামড় দিতে যাবে,তনু চোখমুখ খিঁচে ভয়ে গুটিশুটি মেরে আছে,
শিশির-হাহাহা,,শিশির তনুর হাত ধরে কামড়ে দিলে
তনু-মাগো,??
শিশির-তুমি তো বললা খাইতে,,
তনু-তাই বলে আমাকে?
তনু পিছিয়ে গেলো,শিশির এগিয়ে এসে আবার কামড়াতে গেলো,তনু একদম খাটের কোনে এসে গেসিলো,শিশির ও খেয়াল করেনি,আবার পিছতেই তনু নিচে পড়ে গেলো,,পড়ে গিয়ে মাথা সাইড টেবিলের সাথে লেগে অনেকটা ফেটে গেসিলো,,
তনু-আহহহ,
শিশির নেমে এসে তনুকে ধরলো,
তনু মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,,শিশির হাত সরিয়ে দেখলো,
রক্তে ভরে গেসে,শিশির তনুকে বললো না,কারন তনু এমন কেটে যাওয়া দেখলে বা শুনলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে,,
শিশির তনুকে উপরে তুলে বসালো,,
তনু-মাথা ব্যাথা করতেছে,,
তনু হেলান দিয়ে শুলো,,
শিশির-কিছু হয়নি,,দাঁড়াও মুছে দিতেছি,,
তনুর এই অবস্থা দেখে শিশিরের নিজেরই অচেতন লাগতেছে,মুখে চিন্তা,ভয়,আর অপরাধ বোধের ছায়া ফুটে উঠেছে,,
আস্তে আস্তে তনুর মাথা পরিষ্কার করে bandage লাগিয়ে দিলো,
তনু-কি হয়সে bandage লাগালেন কেন?
শিশির-এমনি একটু খানি রক্ত বের হয়সে তাই,,
তনু মাথায় হাত দিয়ে আরেকদিকে ফিরে শুয়ে পরলো,,
শিশির নিজের হাতের দিকে তাকালো,রক্তে লাল হয়ে গেসে,,
শিশিরের চোখ থেকে অজান্তেই পানি বেয়ে হাতে পরলো,,উঠে বারান্দায় চলে গেলো,,
আজ নিজেকে অনেক অপরাধী লাগতেছে,,
নিজের খুশির জন তনুকে না জ্বালালে হয়ত আজ ওর এমন ক্ষতি হতো না,,
বেশি করে ফেলেছি,,ওকে সবসময় আগলে রাখি তাহলে আজ কেন পারলাম না,,আমি খুব খারাপ,,
শিশির দেওয়ালে কয়েকটা ঘুষি দিলো,,
হাত ধুতে গিয়ে তনুর কথা ভেবে কেঁদে দিলো,,
তারপর তনুর কাছে এসে বসলো,,
ওকে টেনে নিজের বুকে এনে বসে রইলো
শিশিরের চোখে ঘুম নেই,
তনুকে আগলে বুকের ভিতর ধরে রেখেছে,,

১বছর আগে শিশির একটা মরা টিকটিকি গায়ে কাটা ছিলো,,তনুকে ভয় দেখিয়েছে,,তনু সেদিন জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলো,তারপর থেকে শিশির এমন ভয় তনুকে দেখায়নি,,

তনুর গা গরম,আবার জ্বর এসেছে,,জ্বরের ঘোরে বারবার শিশিরকে চেপে ধরতেছে তনু,,সারা রাত শিশির একটু ও ঘুমায়নি,,
সকালে ♥
৯টা বাজে,তনু ঘুমাচ্ছে,,শিশির উঠে বারান্দা গিয়ে তৃনাকে কল দিলো,
শিশির-তোরা ঘুরতে যা,আমরা আজ যাবো না,তনু অসুস্থ,,না না থাক, কিছু হবে না,আমি আছিতো,,হুম বাই,
শিশির খাবার Order করে এনে তনুকে জাগালো,তনু মাথায় হাত দিয়ে উঠে বসলো,,
শিশির-খেয়ে নাও,তারপর ঔষধ খেতে হবে,,
তনু খাবার মুখে দিয়ে বমি করতে চলে গেলো,,বের হওয়ার পর শিশির জামা হাতে দিলো,নাও রেডি হয়ে নাও তোমাকে নিয়ে Doctor এর কাছে যাবো,,
তনু-কেন?
শিশির-মাথা যে একটু ফাটছে,,
তনু-একটু তো??
শিশির-হুম,
তনু রেডি হয়ে নিলো,শিশির হাত ধরে নিয়ে গেলো,,হসপিটালে শিশির doctor কে বলেছে যেন তনুকে না বলে যে বেশি ফাটছে,
Doctor -সেলাই করতে হবে,
তনু-কিহ??
শিশির-একটু,ব্যাথা পাবা না
তনু-না না,আমি করবো না,,
শিশির Doctor কে ইশারা করলো,,শিশির তনুকে ধরে রাখলো,Doctor এসে অজ্ঞানের ইনজেকশান দিয়ে দিলো,তনু শিশিরের গায়ে শুয়ে পরলো,,Doctor সেলাই করে Bandage লাগিয়ে দিলো,,
শিশির তনুকে নিয়ে সিটে বসে আছে,তনু শিশিরের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে,,
১ঘন্টা পর তনুর জ্ঞান ফিরলো,,
শিশির-চলো রিসোর্টে,
তনু-ঠিক আছে,,
রিসোর্টে এসে তনু গিয়ে বারান্দায় দাঁড়ালো,,
শিশির-Rest নাও,
তনু-নাহ ভালো লাগতেছে না,,
শিশির এসে পাশে দাঁড়ালো,,তনুর কোমড়ে হাত দিয়ে কাছে টেনে নিলে,,খুব লেগেছে??
তনু-একটু
শিশির-সরি,আমার ভুলে
তনু-?
তনু চলে যাওয়া ধরলে শিশির হাত ধরলো,,
তনু-কি?
শিশির তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_22/23/24

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2Part_22/23/24
তনু-উহ মাগো,আমার মাথা
শিশির-একদম ঠিক হয়সে, আমারে কাতুকুতু দেওয়ার শখ না??
শিশির তনুকে কাতুকুতু দিতে লাগলো,
তনু-এ্যা এ্যা ছাড়ুন,,আম্মুউউউউউউ
শিশির ইচ্ছামত কাতুকুতু দিতেছে, তনু হাসতেছে,শিশির থেমে গেলো,তনু খিলখিল করে হাসতেছে,শিশির অবাক চোখে তাকিয়ে আছে,,
তনু হাসি থামিয়ে নিজেও তাকিয়ে রইলো,,
শিশির তনুর মাথার নিচে হাত দিয়ে তনুকে কাছে আনলো,তনু জোরে জোরে শ্বাস নিতেছে,,
শিশির চোখ বন্ধ করলো,ঘ্রান নিলো তনুর,,চোখ খুলে তাকালো তনুর দিকে,,শয়তানি হাসি দিয়ে তনুর বুকের দিকে তাকালো,
তনু চোখ বড়বড় করে তাকালো,
তনু-ছিঃ,লুচু,,
তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে উঠে গিয়ে ওড়না নিতে গেলো শিশির ওড়না দিলো না, ধরে রাখলো,
তনু-লুচু ছেলে,আমার ওড়না ছাড়েন
শিশির-নাহ
তনু-দিতে হবে না,
তনু আলমারি থেকে আরেকটা ওড়না নিয়ে পরলো,
শিশির ওড়নাটা গলায় পেঁচিয়ে খাটে বসলো,,
কলিং বেলের আওয়াজ আসলো,তনু গিয়ে দরজা খুললো,তৃনা আপু
তৃনা-তনু,কেমন আছিস
তনু-ভালো,
তৃনা-শিশির কই??
শিশির আসলো,কিরে বল,কেমন আছিস??
তৃনা-ভালো,শুন আমি আর তোর দুলাভাই সিলেট যাবো ঘুরতে,,তোরা যাবি??
মা-হ্যাঁ নিয়ে যা,,বিয়ের পর কোথাও ঘুরতে যায়নি
শিশির-?আমার অফিস
মা-ছুটি নিবি,
তৃনা-তনু সব গুছিয়ে নে,পরশু যাবো,,শিশির তোর দুলাভাই টিকেট কেটে নিবে,,তোরা রেডি হয়ে station আসিস,,আমরা একসাথে বাসে উঠবো,,
শিশির-ঠিক আছে,,
শিশির অফিসে কল দিলো,,
তনু সব গুছাতে লাগলো,,,শিশির হাতে তনুর ওড়না গিট্টু দিয়ে রাখসে,তনু হামাগুড়ি দিয়ে শিশিরের কাছে গেলো, নিচে বসে শিশির হাত থেকে গিট্টু খুলতেছে,শিশির আরেকদিকে তাকিয়ে ফোনে কথা বলতেছে,,
তনু-আর একটু আর একটু,,
শিশির নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলো তনু মুখ ব্যাকা করে গিট্টু খুলতেছে,
শিশির নিচে বসে তনুকে হাত দিলো,
শিশির-হুম খুলো,
তনু তো গাছ থেকে পরলো,চুপচাপ খুলে দৌড় দেওয়া ধরলো শিশির হাত ধরে ফেললো,,
শিশির-তোমার নাহ একটা শাড়ী আছে পিংক কালারের
তনু-কোনটা?
শিশির-ঐ যে পেটের দিকে নেট যে
তনু-?আমি তো ওটা পরে কখনও বের হয়নি,,আপনি জানলেন কিভাবে?
শিশির-আমি একদিন দেখসিলাম ছাদে উঠে পিক তুলতেছিলা,সেই শাড়ীটাও নাও,
তনু-কেন??ওখানে এত মানুষের ভিতর পরবো??
শিশির-না,আমার সামনে পরবা,আমি দেখবো,
তনু-ইহ?শখ কত
শিশির-না নিলে আসার সময় তোমাকে মাঝপথে রেখে আসবো,,
তনু-হুহ
তনু শাড়ীটাও নিলো,
শিশির রুমে আসলো,,তনু যে বারান্দায় শিশির জানতো না,,শিশির দরজা লাগিয়ে আলমারি থেকে Shirt pant নিয়ে change করতে লাগলো,
তনু বারান্দায় গাছে পানি দিয়ে বের হয়েই শিশিরকে দেখে চিৎকার দিলো,
শিশির তাড়াতাড়ি করে shirt নিয়ে নিলো,
তনু-এসব কি?বাথরুমে Change করতে পারেন না
শিশির-আমি ভাবসি তুমি রুমে নেই,,
তনু-আমি গাছে পানি দিতেছিলাম,
যাই হোক সরুন,আমি বের হবো,
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির হাত দিয়ে আটকালো,,
তনু-???
টান দিয়ে গা থেকে ওড়না নিয়ে নিলো,
শিশির-যাও?
তনু-আপনি আমার ওড়না নিয়ে এমন করেন কেন?শয়তান,Stupid
শিশির-হুহ,শিশির shirt পরে ওড়না পেঁচিয়ে খাটে গিয়ে বসলো,,
তনু আলমারি খুঁজলো ওড়না নাই সব প্যাকিং করে ফেলেছে,শিশিরের দিকে তাকালো,,
শিশির-???
তনু -Pls আমার ওড়না টা দেন,
শিশির-দিমু না,সাহস থাকলে আমার গলা থেকে নিয়ে যাও,কিচ্ছু করবো না,
তনু আস্তে আস্তে শিশিরের কাছে গেলো,,শিশিরের গলায় হাত দিলো,
তনু-(মনডা চায় গলা টিপে মেরে দিই)?
শিশির-সাহস কত আমাকে মারবে, আমি মেরে দিব,
তনু ওড়নায় হাত দিলো,,শিশিরের লুকিং দেখে তনুর গলা শুকায় গেসে,কি হলো এখনও কিছু করতেছে না,??
তনু ওড়না খু্লে হাতে নিবে শিশির টান দিয়ে বিছানায় নিয়ে এলো তনুকে,,,ওড়না দিয়ে টেনে তনুকে নিজের কাছে আনলো,
তনু-কিস করার হলে করেন নাহলে হুদাই এমন পিরিত দেখাইয়েন নাহ,
শিশির-কিহহহহ?
তনু-ঠিকই তো বললাম,ডেইলি আমারে কাছে টেনে দূরে সরে যান,
শিশির-তুমি চাও আমি তোমাকে কিস করি??
তনু-হ্যাঁ করলে তো সমস্যা নাই,,
শিশির-এই বিচ্ছিরি ঠোঁটে?পাগল নাকি তুমি?রুনারে করসিলাম,সেই লাগসে,???
তনু-কি বললেন?
শিশির-কি?রুনারে কিস করসি আমি,
তনু-ওহ,
তনু শিশিরের হাত ছাড়িয়ে ওড়না নিয়ে রুম থেকে চলে গেলো,
শিশির-?রুনা কত বার করতে আসছে,আমি সরাই দিসি,,কিস তো তোমারেই করবো,ওয়েট করো,,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_23
সন্ধ্যা হয়ে গেসে,শিশির রুম থেকে বের হলো,
মুনা, মুনা
মুনা-কি
শিশির-তনু কই?
মুনা-জানি না তো,কেন বাসায় নাই?
শিশির Shirt নিয়ে বেরিয়ে গেলো,,তনুদের বাসায় গেলো,
মা-তনু তো ছাদে মনে হয়,
শিশির-এই সন্ধ্যায় ছাদে গেলো কেন, শিশির ছাদে গেলো,
তনু এক কোনে দাঁড়িয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে,
শিশির গিয়ে পাশে দাঁড়ালো,তনু শিশিরকে দেখে চলে যেতে নিলো শিশির আগের মতো হাত ধরে ফেললো,
তনু-কি?
শিশির-আমাকে না বলে আসছো কেন?আর এত সন্ধ্যায় ছাদে আসছো কেন?
তনু-আমার ইচ্ছা,তনু হাত ছাড়িয়ে চলে গেলো,
শিশির সামনে এসে দাঁড়ালো,
শিশির-আমি না বলা পর্যন্ত কোথাও যাবা না,
তনু দূরে গিয়ে দাঁড়ালো,
শিশির-সরি
তনু কিছু বললো না,
শিশির পকেট থেকে চকলেট এনে ধরলো,তনু নিলো না,
শিশির-ঠিক আছে আমি খাবো তাহলে,
তনু তাও কিছু বললো না,
শিশির-??ঠিক আছে, মানসি মিথ্যা বলসি,আমি রুনারে কিস করি নাই,
তনু শিশিরের দিকে তাকালো,
শিশির-মুনার কসম,
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির ওড়না ধরে ফেললো,নাও চকলেট,আমার এখন খিধে নেই,,
তনু মুচকি হেসে চকলেট নিয়ে চলে গেলো,,
শিশির তনুকে ধরে বাসায় নিয়ে আসলো, তনু চকলেট খেতে লাগলো বাচ্চাদের মতন,শিশির দূরে দাঁড়িয়ে হাসতেছে,,পাগলি♥
পরেরদিন সকাল সকাল শিশির আর তনু রেডি হয়ে বের হলো,,মা বাবাকে সালাম দিয়ে,,
তনু হালকা বেগুনি কালারের জামা পরেছে,,বাসে উঠে বসলো,,
তৃনা-শিশির ভাই গান ধর,
শিশির-?বাসে?
তৃনা-হ
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে চোখ মারলো,,
Tu mile♥♥ dil khile
Aur jeene ko kya chaahiye
Na ho tu udaas, tere paas paas
Main rahoonga zindagi bhar
Saare sansaar ka pyaar maine tujhi mein paaya Tu mile, dil khile ♥
Aur jeene ko kya chaahiye
Haan tu mile, dil khile Aur jeene ko kya chaahiye
Chanda tujhe, dekhne ko nikla karta hai
Aaina bhi, oh deedaar ko tarsa karta ha
iItni haseen koi nahin
Husn dono jahan ka ek tujh mein simatke aaya
Tu mile♥♥ dil khile
Aur jeene ko kya chaahiye
শিশির তনুর পিঠের পিছনে হাত দিয়ে ধরলো,,
তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,
তৃনা-বাহ বাহ,তনু তুই তো ধন্য?
তনু-???হুদা,তোমার ভাই আমারে ভালোবাসে না
তৃনা-কিরে?
শিশির-?হ বাসি না
তৃনা-এখনও ঠিক হস নাই তোরা??
তনু-হুহ
শিশির-হুহ
তৃনার বর বাস থামার পর বাইরে থেকে আইসক্রিম আনলো,,শিশির আর তনুকেও দিলো,
শিশির হা করে খাইতে গেলো ঠাস করে নিচে পড়ে গেলো,
তনু-হাহাহাহা
শিশির-???
শিশির টান দিয়ে তনুর থেকে আইসক্রিম নিয়ে নিলো,
তনু-এ্যা এ্যা আমার এটা
শিশির এক কামড় দিয়ে তনুকে দিলো,
তনু-আমি এঁটো এটা খাবো?
শিশির-কি হয়সে?
তনু ভেঁংচি দিয়ে খেতে লাগলো,শিশির আবার নিতে চাইলো তনু দিলো না,দুজনে টানাটানি করতে লাগলো,,
তনু-আমার এটা?
শিশির -আমার?
আইসক্রিম কাঠি থেকে পড়ে তনুর গলায় পড়লো,
তনু-আউ,মাগো
শিশির দাঁত বের করে হেসে তনুকে চেপে ধরে গলায় কামড় দিয়ে আইসক্রিম নিয়ে খেয়ে নিলো,,
তনু চিৎকার দিতে পারবে না,সামনের সিটে তৃনা আর তৃনার বর শুভ,
শিশির চুষে পুরাটা খেয়ে তনুকে ছাড়লো,তনু চোখ বন্ধ করে শিশিরের হাত ধরে আছে,,
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো,
শিশির-খাওয়া শেষ,
তনু-?
শিশির-হিহি
তনু -খবিশ
বাতাসে তনুর চুল উড়তেছে,তনু বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে,,
শিশির-বিধাতা আমাকে তোমার জন্য গড়েছে আপন হাতে,জীবনে মরনে থাকবো তোমার সাথে♥
তনু শিশিরের দিকে তাকালো,কিছু বললেন??
শিশির-ঐ আসলে একটা পোস্টারে গানের লাইনটা লিখা ছিলো,
তনু-ওহ,
তনু-যদি না কখনও পুরিয়ে যাবে না আমার ভালোবাসা,,
শিশির-???
তনু-আরেকটা পোস্টারে লিখা ছিলো,
শিশির-ওহ
তৃনা-তনু শিশির দুজনে পারলে Full গান গা,আর স্বীকার কর যে ইচ্ছা করেই গান গেয়েছোস
শিশির আর তনু থ হয়ে গেলো,
শিশির বসে বসে ফোন দেখতে লাগলো,,তনু উঁকি মেরে মেরে দেখতেছে,,
শিশির হাতে ফোন দিলো,নাও দেখো,
তনু তো খুশিতে যেন আকাশের চাঁদ পেয়েছে,,গ্যালারিতে গেলো,পাস চাইলো,গ্যালারি তেও পাস দিয়ে রাখে কেউ??
শিশির-হাহাহা,দাও দেখতে হবে না,,
(সব তোমার ছবি,,চাই না তুমি জানো)
তনু ভেঁংচি দিলো,শিশির তনুর মুখ টিপে ধরলো,
শিশির-কি?এত ভেঁংচি মারো কেন??
তনু-খুশিতে
শিশির-তাই নাকি?এত খুশি??আর একবার ভেঁংচি দিলে খবর আছে,
তনু-কি করবেন??
শিশির-তখনই দেখবা,
তনু-না জানি আবার বাস থেকে নামায় দেয়,,
তনু আর ভেঁংচি দিলো না,
রাতে♥♥♥♥
তৃনা-তনু,এই তনু
তনু চোখ খুললো,চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে দেখলো শিশিরের বুকে তনু,শিশির হাসতেছে মিটমিট করে,
তনু সরে গেলো,
তৃনা-এত ঘুমাস কেমনে??তার উপর আমার ভাইটারে জোঁকের মত ধরে,,শিশির তো নড়তেও পারে নাই এমনভাবে ধরছোস
তনু-সরি,আমি আসলে??
শিশির-হয়সে ম্যাডাম উঠেন,,আমরা সিলেট এসে গেসি,
তনু-ও, কখন চোখ লেগে গেসিলো,,বুঝিনি,,
ওরা বাস থেকে নামলো,, রিসোর্টে আসলো♥
তৃনা-বাই,কাল দেখা হবে,টাটা
তনু-বাই,
শিশির রুমে এসে খাটে ধপাস করে শুয়ে পরলো,এই মাইয়া আমারে বাসে একটু ঘুমাতেও দেয় নি,নিজে শান্তিতে ঘুমায়সে,,আসো পা টিপো,হাত টিপো,তোমাকে এক হাত দিয়ে ধরে রাখসিলাম আমি,নইলে গাড়ীর ধাক্কার সাথে গিয়ে জানালায় বারি খাইতেন?
তনু-???
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_24
তনু জামা নিয়ে গিয়ে fresh হতে গিয়ে চিল্লাই চলে আসলো,
শিশির-কি হয়সে??
তনু-গ্লাসের বাথরুম সব তো দেখা যাইতেছে,,
শিশির-হাহা,তো কি হয়সে,
তনু-কি হয়সে মানে??
তনু গিয়ে দাঁড়ালো,লম্বাতে গলার উপর পর্যন্ত দেখা যাবে,আর নিচের গুলা ঝাপসা,,
তনু -ঐদিকে তাকান,
শিশির বারান্দায় চলে গেলো
তনু change করতে লাগলো,,
শিশিরের কল আসলো,ফোন নেওয়ার জন্য রুমে এসে চোখ চলে গেলো বাথরুমের দিকে,তনুর গা খালি,,পিঠ দেখা যাচ্ছে,,তনু জামা টানতেছে,,চুল বারবার সরিয়ে দিচ্ছে,শিশির হা করে তাকিয়ে আছে,,ফোনটা আবার আসায় শিশিরের হুস আসলো,,
শিশির ফোন নিয়ে বারান্দায় চলে গেলো,,তনু বের হলো,,ফোন নিয়ে বসতেই শিশির এসে পাশে বসলো,নাও পা টিপে দাও,
তনু ভেংচি দিয়ে ফেললো ভুলে,
মুখে হাত দিয়ে শিশিরের দিকে তাকালো,এরপর দৌড় দিলো,শিশির ও পিছন পিছন দৌড় দিলো,তনু বারান্দায় গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলো
শিশির-আজ তোমার খবর আছে
তনু-সরি ভুলে দিসিলাম,
শিশির আসতেছে,,
তনু আর যেতে পারবে না,,গ্রিল ও নেই,,শিশির কাছে এসে হাসতেছে,,পিঠে হাত দিয়ে কাছে নিয়ে এলো,,
শিশির হাত দিয়ে তনুর চোখ ঢেকে ফেললো,,আরেক হাত দিয়ে তনুর একটা হাত চেপে ধরে তনুর ঠোঁটে কামড় দিলো,,আস্তে তবে বেশি আস্তে না,,অনেকটা জোরেই,তনু আহ করে উঠলো,শিশির মুচকি হেসে চুমু দিলো,,তনু কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে শিশিরকে সরানোর চেষ্টা করলো কিন্তু শিশির আরও ঝাঁপটে ধরলো,,তনুকে নিয়ে দেওয়ালের সাথে মিশিয়ে ফেললো,,তনুর দুহাত শক্ত করে ধরে কিস করে যাচ্ছে,তনু মোটেও প্রস্তুত ছিলো না,,তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে,তনুর চোখের চাহনি অবাক,
শিশিরের চোখের চাহনি দুষ্টুমির,শিশির মুচকি হেসে জোরেসোরে কামড় বসিয়ে দিলো,তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,শয়তান,কুত্তা
শিশির-হাহাহা,
তনু মুখ মুছতে মুছতে চলে গেলো,শিশির হাসতেছে,,
শিশির-তা কেমন লাগলো?
তনু-???ছিঃ আপনি অনেক খারাপ
শিশির-জানি,
তনু কম্বল টেনে শুয়ে পরলো,,শিশির টেনে উঠিয়ে বসালো
তনু-কি???
শিশির-কিছু খাও নি যে মনে আছে??
তনু-খিধে নেই
শিশির-আমার তো আছে,,পাউরুটি জেলি আছে,বানিয়ে দাও,
তনু উঠে বানিয়ে দিলো,
শিশির-নাও এটা তুমি খাও
তনু-খিধে নেই,
শিশির টান দিয়ে এনে মুখ টিপে খাইয়ে দিলো,,তনু চিবচ্ছে,,শিশির তাকিয়ে আছে,,
তনু-আমার বিচ্ছিরি ঠোঁটে কিস করলেন যে?
শিশির-তুমি চাইসিলা তাই করসি,
তনু-????
তনু কম্বল টান দিলো,,শিশির ও টান দিলো,দুজনে টানাটানি করতে লাগলো,,ঠাস,ঠাস,দুজনে খাটের নিচে,
শিশির কম্বল নিয়ে বারান্দায় চলে গেলে,
তনু-এ্যা এ্যা আমারে কম্বল দেয় না???
তনু গুটিশুটি মেরে ঘুমিয়ে গেলো খাটে,
শিশির উঁকি মেরে দেখলো তনু ঘুমিয়ে গেসে,কম্বল নিয়ে এসে তনুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পরলো,,
সকালে♥♥
তনু চোখ খুলে দেখলো দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে,শিশিরের নাক তনুর কপালে,,তনু একদম শিশিরের গায়ের সাথে লেগে আছে,তনু সরে গেলো,শিশির জেগে গেলো,
তনু-?????
শিশির-তুমি রাতে টেনে কম্বল নিয়ে আসছিলা,,তাই আমিও আসলাম,,?
তনু-কই আমার তো মনে নেই
শিশির-ছোট মাথায় এতকিছু থাকবে না,
তনু-হুহ
তনু উঠে জামা নিলো,তারপর বাথরুমে গেলো,,শিশির উঠে নিজের জামা খুঁজে দাঁড়িয়ে রইলো,,তনু গোসল করতেছে,
শিশির বুঝলো সে এখন তাকালে তনুকে দেখতে পাবে,নিজেকে Control করে আরেকদিকে তাকিয়ে রইলো,তাও অশান্ত মনের প্ররচলনায় চোখ বারবার সেদিকে তাকায়,শিশির তাকালো,তনুর গা ভিজা সাবান দিতেছে,শিশির হাত থেকে জামা ফেলে দিলো,,আস্তে আস্তে বাথরুমের দিকে এগোতে লাগলো,,
তনুর কেমন জানি লাগলো,,পিছনে তাকিয়ে দেখলো বাইরে শিশিরকে দেখা যাচ্ছে,তনু টাওয়েল নিয়ে গা ঢাকলো,,
শিশির দরজা নক করলো,,
তনু-কি চাই??
শিশির-আআআআররর কতক্ষন?
তনু-আর একটু,,
শিশির চোখ বন্ধ করে সরে গেলো,বারান্দায় চলে গেলো,,বোতল এনে মুখে পানি দিলো,
তনু বের হলো,,শিশির পিছন ফিরে তাকালো,তনু শাড়ী পরেছে,,কমলা কালার,,পুরা গা ভিজা,না মুছেই পরেছে মনে হয়,,চুল মুছতে মুছতে আয়নায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে,,শিশির এগিয়ে গেলো,তনুর কাছে গেলো,
তনু-কি হয়সে??
শিশির-কিছু নাহ,শিশির চলে গেলো fresh হতে,,
তনু আর শিশির বের হলো,,তৃনা আর শুভ আসলো,৪জন হোটেলে গেলো খেতে,,
শিশির চুপচাপ,,
তৃনা-কিরে কি হয়সে তোর??
শিশির-কই??
তৃনা-কেমন জানি চুপচাপ
শিশির-ওহ তাই নাকি,তনুর হাত ধরে চিমটি দিলো,
তনু -আহহহ,শয়তান,নাইজেরিয়া উগান্ডা ?
শিশির-তুমি
তনু -আপনি
শিশিরহ-তুমি
তৃনা-এই আবার শুরু হলো,চুপ!
খাওয়া শেষে,,
শিশির-চল চা বাগান দেখতে যাবো,তারপর কমলা বাগান,Then চা খাবো,
তৃনা-ওকে,,
শিশির আর তনু গাড়ীতে উঠলো,,তৃনা আর শুভ ও,,
শিশির হঠাৎ করে একটা হাত তনুর পিঠের পিছন দিয়ে নিয়ে তনুকে ধরে রাখলো,তনু কিছুটা অবাক হলো,এমন করতেছে কেন?
শিশির-পড়ে যাবা না ধরলো,রাস্তা তো ভালো না
তনু-হুম,
চা বাগানে এসে নামলো,,♥
তনু তো এক দৌড়ে ভিতরে ঢুকে গেলো,,
শিশির-আরে তনু সাবধানে সাপ আছে,,
তনু-এ্যা??
তনু শিশিরের কাছে এসে ওর হাত ধরে রাখলো,,
শিশির-হাহাহা
তৃনা আর শুভ পিক তুলতেছে
তনু চারিদিক দেখতেছে,শিশির টান দিয়ে নিয়ে এলো,
তনু-কি??
শিশির-পিক তুলবো,
শিশির পিক তুললো,,তারপর তনুর হাত ধরে দূরে নিয়ে গেলো,
তনু-কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?
শিশির কিছু বললো না,
দূরে নিয়ে তনুকে গাছের সাথে দাঁড় করালো,,তনুর মুখ টিপে ধরে ঠোঁট থেকে লিপ্সস্টিক মুছে ফেললো,,
শিশির-এটা শুধু আমাকে দেখাবা,অন্য কাউকে না,রুমে আমার সামনে পরবা,
তনু থ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির চলে যাওয়া ধরলো
শিশির-আর হ্যাঁ আমি তোমাকে ভালেবাসি না,হুহ
তনু-বারবার বলে মনে করাতে হবে না,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_19/20/21

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2Part_19/20/21
বিকালে শিশির আর তনু বাসায় আসলো,
শিশির-কি হলো হঠাৎ এত চুপ হয়ে গেলো,,
তনু বাসায় এসে change করে শুয়ে পরলো,,
শিশির-তনু,কি হয়সে??
তনু-কই?
শিশির-এখন শুয়ে পরলা?
তনু-মাথা ধরসে
শিশির মুনার কাছে গেলো,মুনা আমাকে চা বানিয়ে দে
মুনা-এ্যা?তুই চা খাবি?
শিশির-হ্যাঁ দে
মুনা বানিয়ে দিলো,
শিশির চা এনে তনুকে উঠিয়ে বসালো,নাও খাও মাথা ব্যাথা কমে যাবে,,
তনু চা খেয়ে নিলো,,মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে পরলো,,
শিশির রুমের লাইট অফ করে দিলো,,
মা-শিশির তনু কই?দেখতেছি না
শিশির-একটু অসুস্থ,,
মা-কি হয়সে??
শিশির-মাথা ব্যাথা করে
মা-ব্যাথার ঔষধ আছে তো ওটা খাওয়াই দে,,
শিশির-আছে তোমার কাছে?আমি বাজারে যাইতেছিলাম আনার জন্য
মা-আছে,ধর
শিশির রুমে গিয়ে দেখলো তনু ঘুমাচ্ছে,শয়তানি করে তনুকে উঠিয়ে বসালো,
তনু চোখ ডলতে ডলতে তাকালো শিশিরের দিকে
তনু-কি হয়সে?
শিশির-এত ঘুমাতে হবে না
তনু-ভালো লাগতেছে না,আমি ঘুমাবো,
শিশির-দেখি গা এত গরম কেন?গায়ে জ্বর আর আমাকে বললা না,
তনু-আমি কি জানি নাকি জ্বর আসছে,
তনু শুয়ে পরলো শিশির আবার টেনে উঠালো,,
তনু-pls আমার ভালো লাগতেছে না,ঘুমাব আমি,
শিশির- আসো কিছু খেয়ে ঔষধ খাবা then ঘুমাইও,
তনু-খাবো না আমি,
শিশির উঠে গিয়ে খাবার আনলো,,তনুকে ধরে আবার উঠালো,নিজের হাতে খাইয়ে দিয়ে ঔষধ খাওয়াই দিল,
রাতে তনুর জ্বর বেড়ে গেলো,,শিশির বসে বসে ফোন টিপতেছে,তনু উঠে বাথরুমে যাওয়া ধরলো,
শিশির-কি হয়সে,,জ্বর কমসে?
তনু-বমি আসতেছে,,
শিশির-জ্বর দেখি আরও বেড়ে গেসে,তনু বাথরুমে গিয়ে বমি করলো,,শিশির হাত ধরে আছে,,শিশির তনুকে কোলে তুলে নিলো,,তনুকে এনে খাটে নামিয়ে দিলো,
তনু খাটে হেলান দিয়ে বসলো,,
শিশির পানি এনে মাথায় পোটি দিতে লাগলো,,
গায়ে কাঁথা জড়িয়ে দিলো,,তনু শীতে কাঁপতেছে,,শিশির পাশে বসে আগলে ধরে রাখলো,,
শিশির- খুব কষ্ট হচ্ছে?
তনু-না
শিশির-জানি,আমাকে তো বলবা না,শিশির আরও শক্তকরে ধরলো,,
তনু শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,,সকালে সূর্যের আলো চোখে পড়তেই তনুর ঘুম ভাঙলো,,ঘড়ির দিকে তাকালো,৮টা বাজে,
তনু উঠে পরলো,মাথা ব্যাথা করতেছে,টেবিলের দিকে তাকাতেই দেখলো মগের মধ্যে চিঠি গাম দিয়ে লাগানো,,
♥আমি অফিস যাচ্ছি,উঠে খেয়ে ঔষধ খাবা,কল দিয়ে ask করবো,,বুয়াকে বলে চা বানিয়ে খাবা,নিজে বানাতে যাইও না♥
তনু উঠে fresh হয়ে রুম থেকে বের হলো,
মা খাবার সার্ভ করে দিলো,,
মা-তোর এত জ্বর আমারে বলবি না,,শিশির টা একা একা ঠিকমত পোটি দিতে পেরেছে?
তনু-এখন কমে গেসে,,
শিশির বিকালে বাসায় আসলো,
শিশির-মা তনু কই?
মা-ও একটু ওদের বাসায় গেসে,
শিশির-ওহ,জ্বর কি কমসে?
মা-তেমন কমেনি,আমি চেক করসিলাম,
শিশির খেয়ে তনুদের বাসায় গেলো,
তনু দরজা খুললো,
মা-আরে শিশির আসো ভিতরে আসো,,
শিশির এসে সোফায় বসলো,,মা নাস্তা বানানোর জন্য চলে গেলো,
তনু যাওয়া ধরলো শিশির আঁচল ধরে ফেললো,
তনু-কি?
শিশির- বসো আমার পাশে,তনু বসলো,শিশির মাথায় হাত দিয়ে দেখলো জ্বর কমেনি,
শিশির-আমাকে বলতা আমি দিয়ে যাইতাম,
তনু-হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম,
শিশির নাস্তা করে তনুর হাত ধরলো,
শিশির-মা আসি,,
মা-তনু বললো আজ এখানে থাকবে
শিশির-কই,মাত্র বললো চলে যাবে,তাই না??(চোখ বড়বড় করে তাকালো)
তনু-হ্যাঁ আসি আম্মু
শিশির তনুকে নিয়ে বাসায় আসলো,,
তনু গিয়ে মুনার সাথে কথা বলতে লাগলো,
শিশির -ধুর,ঐ বাসা থেকে নিয়ে এলাম এখন গিয়ে মুনার সাথে কথা বলতেছে,তনু!
তনু-কি হয়সে?
শিশির-আমার সামনে বসে থাকবা,,কেউ ডাকলে তারপর যাবা,
তনু গিয়ে খাটে বসে রইলো,,
শিশির হুদাই ফোন হাতে নিলো,,,
শিশির-রুনায়ায়ায়ায়,,আই লাভ ইউ সো মাচ,
তনু শিশিরের দিকে তাকালো,,তারপর উঠে বারান্দায় গিয়ে বসলো,
শিশির তনুর পাশে বসে পরলো,
হুম বেবি আজকের lunch টা সেই ছিলো,,?
তনু মাথা ধরে গিয়ে খাটে বসলো,,বমি আসতেছে,দৌড়ে বাথরুমে গেলো,,
শিশির ফোন রেখে এসে তনুকে ধরলো,,
শিশির-রেডি হয়ে নাও,তোমাকে নিয়ে হসপিটাল যাবো,
তনু-লাগবে না,আমি ঠিক আছি,,রুনার সাথো কথা বলুন
শিশির-যেটা বলসি করো
তনু-যাবো না আমি,
শিশির তনুকে বাথরুমে কোলে তুলে নিল,বের হয়ে যাওয়া ধরলো
তনু-এই পাগল হয়ে গেসেন ছাড়ুন,
শিশির -রেডি না হলে এমন করেই নিব,,
তনু-ঠিক আছে,রেডি হচ্ছি,,
তনু রেডি হয়ে নিলো,দুজনে হসপিটালে আসলো,,
Doctor -হুম Test করাইছি,Food poisoning হয়সে,আর জ্বর ও আছে,ঔষধ দিসি,,আর ইনজেকশান ১টা,, আপনাকে দিতে হবে,,রাতে,,না পারলে ওয়েট করুন রাতে আমি দেওয়াই দিব,
শিশির-আচ্ছা আমি পারবো,,
তনু-এ্যা??আমি দিব না???
শিশির-চুপ
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_20
দুজনে বাসায় আসলো,,
রাতে খাওয়ার পর তনু গিয়ে মুনার সাথে শুয়ে পরলো,,আজ আর উনার রুমে যামু না,,
রাতে তনু খেয়াল করলো ওর হাতটা কে জানি ডলতেছে,চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো শিশির বসে বসে তনুর হাত clean করতেছে,Injection দিবে,,তনু লাফ দিয়ে উঠে গেলো,আমি তো মুনার রুমে ছিলাম না?
শিশির-হ্যাঁ,আমি তুলে আনছি সেখান থেকে
তনু-এ্যা?কখন?আমি তো টেরও পেলাম না
শিশির-গভীর ঘুমে থাকলে টের পাইবেন কেমনে?
শিশির হাতে ইনজেকশান নিলো,তনু এক দৌড় মারলো খাট থেকে নেমে,
শিশির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে গেলো,দরজা লক করে দিলো,,
তনু-আমি দিমু না?এ্যা???
তনু বারান্দায় গেলো,,দৌড় দিয়ে,শিশির গিয়ে খপ করে ধরে খাটে এনে বসালো,,
শিশির-চুপচাপ বসে থাকো,একটু ও ব্যাথা পাবা না,মনে করবা পিঁপড়া কামড় দিসে,
তনু-এটা পিঁপড়া না,ইনজেকশান
শিশির-চুপ,,শিশির তনুর এক হাত ধরে তনুর গায়ের থেকে ওড়না নিয়ে খাটের সাথে বাঁধলো,
তনু আরেক হাত দিয়ে গা ঢাকলো,শিশির সেই হাত টা নিলো,
তনু-আমার লজ্জা করে,
শিশির-কিছু করার নাই,তোমার ঐ হাত খোলা রাখলে সারা রাতেও তোমারে ইনজেকশান দিতে পারুম না,
শিশির হাত ধরে ইনজেকশান দিয়ে দিলো,,তনু চিৎকার দিয়ে কান্না শুরু করে দিসে,
শিশির-বাব্বাহ,কাজ শেষ,,
তনু-এ্যা?????????
শিশির হাত ছাড়িয়ে দিলো,,
তনু ওড়না নিয়ে পরে আবার কান্না শুরু করলো,,
শিশির-কাঁদো বসে বসে,
মা-শিশির!
শিশির গিয়ে দরজা খুললো,
মা-কি হয়সে?তনু চিৎকার দিলো কেন?আর কাঁদতেছে কেন
শিশির-ইনজেকশান দিসি,
মা-ওহ,ভয় পাই নাকি?
শিশির-প্রচুর,প্রচন্ড,
তনু-???
শিশির গিয়ে টিভি দেখতে লাগলো,,১০মিনিট পর রুমে আসলো,তনু ঘুমিয়ে গেসে,কাঁথা টেনে গায়ে দিয়ে দিলো, চোখের নিচে ভিজে আছে,,বেচারি,, শিশির হাত দিয়ে মুখ মুছে দিলো,,পকেট থেকে একটা Plastic এর সাপ বের করে তনুর জুতার উপর রাখলো,,
শিশির-হিহি,বুঝবে মজা সকাল বেলা,,?
শিশির গিয়ে শুয়ে পরলো,,
রাতে ২টায় তনু উঠলো,,উফ হাতটা কেমন ব্যাথা করতেছে
তনু খাট থেকে নামার জন্য জুতার উপর পা রাখলো,নরম কি একটা পায়ে লাগলো,জুতার দিকে তাকিয়ে আকাশ থেকে পরলো তনু,
আআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআআ
শিশির উঠে মুখ চেপে ধরলো,,
শিশির-মাগো মাহ,চুপ,,
তনু-উমমমমমম,
তনু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লাফাইতেছে,শিশির উঁচু করে বিছানায় নিয়ে এলো,,তনু আবার চিৎকার দিলো,শিশির খাটের সাথে চেপে ধরলো,
শিশির-চুপ,,
তনু-সাপপপপ(ফিসফিসিয়ে)
শিশির-হ জানি,আমি রাখসিলাম,,নকল ওটা
তনু-আপনার আর কাজ নেই??জানেন আমি কত ভয় পাইসিলাম,,
শিশির-এটাই তো মজা ছিলো, হাহাহা,
তনু শিশিরকে ধাক্কা দিয়ো সরিয়ে দিলো,শয়তান,নাইজেরিয়া উগান্ডা,,
তনু খেয়াল করলো শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,,লুকটা তনুর কাছে অন্যরকম লাগলো,,তনু গায়ের ওড়না ঠিক করে নিলো,,তনু উঠতে গেলে শিশির তনুর একটা হাত ধরে ফেললো,,
তনু-কি??
শিশির আস্তে আস্তে তনুর কাছে আসলো,,
রাত তখন ২:৩০মিনিট♥বাইরে হালকা বাতাস,,বারান্দা দিয়ে আসতেছে,,তনুর চুল উড়তেছে,,
শিশির এক হাত দিয়ে চুলগুলো সরিয়ে দিলো,,সরিয়ে দিয়ে হাত দিয়ে তনুর গলার পিছনে ধরলো,টান দিলো,,
তনু-আআপপনননি
শিশির-চুপ,
শিশির তনুর ঠোঁটের দিকে তাকালো,,
তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো,,
শিশির প্রায় ৩মিনিট ধরে তাকিয়ে থাকলো,,তারপর ছেড়ে দিলো,,উঠে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো,,
তনু-?কিস করতে জানে না নাকি??,,কি সুন্দর romantic moment ছিলো,ইসসসস????
তনু শুয়ে পরলো,,
শিশির তাকিয়ে দেখলো,,চাই ওরে ভালোবাসতে,,,ভালোবাসি?জানি না,,কষ্ট দিতে ভালো লাগে,,আবার পরে সেই কষ্টটা দেখে সয্য করতে পারি না,,
শিশির বারান্দায় ঘুমিয়ে গেলো,,
পরেরদিন ♥♥
তনু গোসল করে উঁকি মারলো,শিশির এখনও ঘুমাচ্ছে,,কাল আমাকে এত রাতে সাপের ভয় দেখাইলো,বুঝাবো মজা,হিহি,
তনু পা টিপে টিপে শিশির পিছনে গিয়ে দাঁড়ালো,,চুল নিয়ে ইচ্ছামত ঝাড়লো,,সব পানির ছিঁটা শিশিরের মুখে,
শিশির লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ালো,
তনু-হাহাহা,
সেই লেভেলের দৌড় মারলো তনু,এক দৌড়ে মায়ের কাছে,,
শিশির-তনুর বাইচ্চায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়ায়া
মা-কিরে তনু,শিশির চেঁচাইতেছে কেন?
তনু-?কি জানি,
শিশির রেডি হয়ে বের হলো,
তনু লুকিয়ে আছে,,
ডাইনিং এ এসে খাবার খাচ্ছে,তনুর দিকে তাকিয়ে এমনভাবে চিবাচ্ছে যেন তনুকে খাইতেছে,
তনু ঢোক গিললো,,
শিশির খেয়ে রুমে গেলো,তনু,তনু আমার ওয়ালেট কই?
তনু -টেবিলের উপরে,,??যামু না রুমে,রাগ যাক,,
শিশির বের হলো,তনু ১০হাত দূরে দাঁড়িয়ে আছে,,
শিশির-অফিস থেকে আসি তোমারে আলুর ভর্তা বানাবো,,বাই,,ঔষধ খেয়ে নিও,,শিশির গেলো,
তনু-বাব্বাহ,,
তনু ঘুমিয়ে আছে দুপুরে,,
শিশির আজ তাড়াতাড়ি আসলো,,দেখলো তনু ঘুমিয়ে আছে,,
শিশির-আজ তোমাকে কে বাঁচাবে??
শিশির তনুকে উঠিয়ে বসালো,
তনু-আপনি????
শিশির টেনে বাথরুমে নিয়ে গেলো
চলবে♥??
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_21
তনু-এ্যাই আমার জ্বর, আমাকে ভিজাবেন নাকি,এ্যাই এ্যাই
শিশির -চুপ,একদম চুপ,,
শিশির তনুকে দাঁড় করালো,,পানি এক মগ নিয়ে তনুর সামনে দাঁড়ালো,
তনু-আম্মুউউউউউউউ
শিশির হাত চুবিয়ে ইচ্ছামত পানি ছিঁটালো তনুর উপর,,
তনু-বেয়াদপ ছেলে,?এ্যা??
শিশির ১০মিনিট ধরে পানির ছিঁটা দিলো,,
তনু-আর করবো না,ছাড়েন???
শিশির-হুমম গুড girl,,
তনু-আমি যাই,,শিশির হাত ধরে ফেললো,
শিশির-শাস্তি বাকি আছে,,শিশির তনুকে টেনে সামনে দাঁড় করিয়ে ওর সামনে shirt খুললো,,
তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,,শিশির শয়তানি হাসি দিয়ে গেঞ্জি খুলে তনুর গায়ে মারলো,,এবার প্যান্টে হাত দিলো,
তনু-এ্যাই পাগল হয়ে গেসেন নাকি,নাকি লজ্জা শরমের মাথা খেয়েছেন,ছিঃ ছিঃ,,
শিশির-হাহা,,শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গিয়ে দেওয়ালে হাত রাখল,,
শিশির-কি বলো খুলতাম??
তনু-ছিঃ,সরুন আমি বের হবো
শিশির হাসতে হাসতে ছেড়ে দিলো,
তনু পুরো ভিজে নাই তবে পানির ছিঁটায় অাধা ভিজে গেসে,শয়তান পোলা?
শিশির fresh হয়ে বের হলো,,
তনু খাবার দিলো,,
শিশির শয়তানি হাসি দিয়ে তনুর দিকে তাকাচ্ছে,
তনু-হুহ?
তনু টিভি দেখতে বসলো,,
শিশির হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,
তনু-আরে কি করসি আবার?
শিশির-কিছু করো নাই,
তনু-তাহলে কই নেন??
শিশির তনুকে নিয়ে ছাদে আসলো,,
তনু-ওমা???এত ফুল গাছ??কবে আনলেন??
শিশির-আজকে
তনু-আমার জন্য??
শিশির-হুহ,আমার জন্য,তোমারে তো দেখাতে আনছি
তনু-?ও,তনু তো ফুল দেখে পাগল হয়ে গেসে,,
শিশির দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে তনুর খুশি দেখতেছে,হুম একটা ডোজ দিয়া দিই,
হ্যালো রুনা,,হুম কাল তোমার জন্য আমার গাছের ফুল আনবো বেবি,
তনু-হুহ,তনু চলে গেলো,
শিশির-????
তনু বাসায় এসে শিশিরের দেওয়া কানের দুলটা হাতে নিলো,,কানে পরে নিলো,,বাহ অনেক সুন্দর,, তনু হাসতেছে,,
শিশির আসলো রুমে,,
তনু-দেখেন কেমন লাগে??
শিশির-বিচ্ছিরি, ভূতনির মতন
তনু-???
তনু খুলে রেখে দিলো,,শিশির বাথরুমে গেলো,তনু চুপিচুপি শিশিরের ফোন হাতে নিলো,Fingerprint lock করা,ধুর
তনু try করলো pass দিয়ে,শিশির লিখলো খুললো না,রুনা লিখলো,রুনা বেবি লিখলো,,তনু লিখলো,তাও দিলো না,কি পাস দিসে আল্লাহ খোদা জানে,,?
শিশির বের হলো তনু সাথে সাথে ফোন রেখে দিলো,
শিশির-আমার ফোন দেখা হচ্ছে?
তনু-পাস দিয়ে রাখলে কিভাবে দেখবো??
শিশির-দেখার কিছু নেই,
তনু চলে গেলো রুম থেকে,,
শিশির -Password টা খুব সহজ,তবে তোমার ভাবনার বাহিরে,,♥আমার তনু♥
তনু মুনার সাথে লুকোচুরি খেলতেছে,
তনু-কই পালামু,তনু শিশিরের রুমে এসে দৌড়ে লুকানোর সময় কাতততততত করে গেলো জামা ছিঁড়ে,তনু রোবট হয়ে দাঁড়িয়ে গেলো,
শিশির তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,
শিশির-হাহহাহাহাহাহোহোহোহোহাহাহ
তনু-???????
শিশির হাসতে হাসতে তনুর কাছে এলো,,তনু পিছনে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,,শিশির দরজা লাগিয়ে দিলো,,তনুর পিছনে গিয়ে দাঁড়ালো,
শিশির-এএএএমা,,পুরা পিঠ খালি,
তনু-?,যান এখান থেকে
শিশির -দাঁড়াও দাঁড়াও
মুনা-ভাইয়া,ও ভাইয়া তনু ভাবীরে দেখছোস??
শিশির-নাতো,
মুনা-রুমে আছে?
শিশির-নাহ,আমি তো change করতেছি,
মুনা-ওহ ঠিক আছে,
শিশির তনুর জামায় হাত দিলো,
তনু নড়তে পারতেছে না,নড়লে জামা Automaticallyখুলে যাবে,,জামাটা ছিলো চেইনের,সেই চেইনের জায়গায় ছিঁড়ে গেসে,তনু চোখ বুঝে দাঁড়িয়ে আছে,,
শিশির দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাসতেছে,,তার পর গিয়ে খাটে বসলো
শিশির-যাও change করে আসো,
তনু-সেটা হলে এতক্ষন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতাম না,কুত্তা বিলাই,জেনে শুনে আমাকে যেতে বলতেছে,লুচু
শিশির হাসতে হাসতে আলমারি থেকে জামা এনে তনুর হাতে দিলো,,নাও change করো
তনু-আপনার সামনে?
শিশির-সমস্যা কি?
তনু-হারামি যা এখান থেকে,
শিশির হাসতে হাসতে দরজা খুলে বের হলো,,
তনু change করে বের হলো,,
মুনা-তুমি এখানে আর আমি সারা বাসা খুঁজতেছি,,
তনু-?
তনু রান্নাঘরে গেলো,,আচার খামু??আচার নাই,এরা আচার খায় না নাকি??
শিশির-না খাই না,এত তাড়াতাড়ি আচার??কিছুই তো করলাম না
তনু-ছিঃ,?
আমি তো আচার লাইক করি,জানেন না??
শিশির-হুম জানি,আসেন আমার সাথে,
তনু-কই?
শিশির তনুকে নিয়ে রুমে এলো,,আলমারি থেকে আচার ১০প্যাকেট নিয়ে হাতে ধরিয়ে দিলো,,
শিশির-রুনার জন্য এনে রাখসিলাম,,এখন তুমি চাইলে খেতে পারো,
তনু একটা নিয়ে খেতে গেলো শিশির প্যাকেট টা নিয়ে নিল,
শিশির-পা টিপে দাও,
তনু-উফফফ,
তনু পা টিপতে গিয়ে শয়তানি করে কাতুকুতু দিলো,শিশির লাফ দিয়ে উঠে গেলো,
তনু-হিহি,তনু দৌড় দিতে গিয়ে সামাল করতে না পেরে খাট থেকে নিচে পরার সময় শিশিরকে ধরলো,শিশির নিজে balance করতে না পেরে তনুর উপরে পরলো,দুজনেই খাট থেকে নিচে, ধপাসসসসসসস!
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2 Part_16/17/18

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2 Part_16/17/18
শিশির অফিসে গেলো,,
তনু-হ্যালো
শিমুল-ভুলে গেসো আমাকে?
তনু-না ভুলার কোনো কাজ করেছো??
শিমুল-ওও,তাই ভুলে গেলা,
তনু- I’m married now,So don’t disturb me,,তনু লাইন কেটে দিয়ে Block করে দিলো,,
শিশিরের গায়ের shirt খাটে রাখা,,তনু গিয়ে shirt টা হাতে নিলো,,ইচ্ছেমত ঘ্রান নিলো,শিশির কল করলো
তনু কিছুটা ভয় পেয়ে shirt টা হাত থেকে ফেলে দিলো,
তনু-ইস ভয় পেয়ে গেসিলাম,ভাবসি আইসা পরসে,হ্যালো
শিশির-তোমাকে কি আনতে যাইতে হবে আজ?
তনু-না,আজকে আমাদের এখানে থাকতে হবে,নিয়ম
শিশির-ওকে,
তনু শিশিরের shirt টা নিয়ে সারা রুম চক্কর দিলো,,বিকালে শিশির বাসায় আসলো,
শিশির -তনু
তনু-হুম
শিশির-আমার Shirt এখানে খাটে রেখে গেসিলাম,এখন পাচ্ছি না,
তনু-সারছে?
শিশির-কই??
তনু-ইয়ে মানে,না মানে আসলে ???
তনু দৌড় দেওয়া ধরলো শিশির খপ করে ধরে দরজা লাগিয়ে দিলো,
শিশির-আমি 100% sure তুমি কিছু একটা করেছো,কি করছো?
তনু-আমি,,,????
শিশির-Shirt দাও
তনু-জানি না কই?
শিশির -ঠিক আছে,শিশির রুম খুঁজে আলমারির একটা কোনে shirt টা পেলো,একিইইইই!!!!??
তনু-??
শিশির-আমি বাসায় না থাকলে এসব করো?
তনু-না আসলে?
তনু shirt এ puppy দিসিলো,Lipstick এর দাগ বসে গেসে,কাজের চাপে ধোওয়া হয়নাই তাই লুকিয়ে রাখসিলো,
শিশির-লুচু মাইয়া
তনু-আমি না আপনি
শিশির-আমি এমন কোনো কাজ করি নাই
তনু-আমি তো shirt পরি না,
শিশির-যাও ধুয়ে আনো,
তনু গিয়ে ধুয়ে শুকাতে দিয়ে আসলো,
রুমে আসলো
শিশির-আসো পা টিপে দাও
তনু-কিহ?
শিশির-কি?স্বামী সেবা করো,,চকলেট এনে দিব,,
তনু দৌড় দিয়ে এসে পা টিপতে লাগলো,,,
শিশির-আহা কি শান্তি
১০মিনিট পর ♥?
তনু-?চকলেট দেন
শিশির-আমার কাছে কি আছে এখন??কাল দিব,
তনু-যাই আমি,
শিশির হাত ধরলো, আমার মাথা টিপে দাও,
তনু- পারব না
শিশির-চকলেট দিব না,
তনু এসে মাথা টিপতে লাগলো শিশিরের সামনে বসে,,শিশির তাকিয়ে হাসতেছে,,
তনু-এত হাসার কি আছে??
শিশির-নিচের দিকে কিছু দেখা যাচ্ছে ??
তনু চোখ বড়বড় করে নিজের গায়ের দিকে তাকালো,শাড়ী সরে গেসিলো,তনু লাফ দিয়ে উঠে শাড়ী ঠিক করলো,বেয়াদপ stupid, লুচু
শিশির-তুমি বিকালে কি করসিলা,
তনু মুখে হাত দিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেলো,,
তারপর চা নিয়ে এনে শিশিরের হাতে দিলো,
শিশির-ধন্যবাদ,হাত টিপে দাও,
তনু বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে গেলো,
শিশির-হাহাহা,, আচ্ছা দেখা গেলেও তাকাব না??
তনু-সেরা ল*****
শিশির হাসতে হাসতে শেষ,
তনু এসে হাত টিপতে লাগলো,,
শিশির খেয়াল করলো তনু শিশিরের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে গেসে,শিশির কিছুক্ষণ তাকালো,তনুকে ঠিকমত কখনও দেখে নাই,তনু শিশিরের সামনে থাকলে মুখ চতুর দিকে ফিরাতো,
শিশির তনুর মুখ থেকে চুল সরালো,গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যামলা,,গালে দুটো তিল,,টানা টানা চোখ,,
শিশির গাল ধরে টিপে দিলো,তনু জেগে গেলো,এমন অবস্থা দেখে সরে গেলো,
শিশির-পিঁপড়া পরসে সরিয়ে দিসি,
তনু উঠে চলে গেলো,
শিশির-রাত ৯টা বাজে এখনও আসতেছে না কেন??তনু তনু,আমার ঘড়ি টা পাচ্ছি নাহ,
তনু মায়ের সাথে কথা বলতেছিলো,
তনু আসলো,,এই নেন ঘড়ি,,শিশির ঘড়ি নিয়ে তনুর হাত ধরে ফেললো,
শিশির-বসো এখানে
তনু-কেন?
শিশির-আমি বলসি তাই,,তনু পাশে বসে রইলো,শিশির ফোন টিপতেছে,,
তনু বসতে বসতে ঘুমিয়ে গেলো,,শিশির বুঝতে পেরে কাঁথা টেনে গায়ে দিয়ে দিলো,,
শিশির-ভাবলাম রুনার সাথে মিথ্যা প্রেম করার Acting করব,এত তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে গেলো,,সকালে তো বলসি রুনার সাথে দেখা করবো কিন্ত আসলে তো আমি যাই নাই?
শিশির নিজেও শুয়ে পরলো,দুজনের মাঝে আরেকটা মানুষের দূরত্ব,, শিশির তনুর দিকে তাকালো,পিঠ দেখা যাচ্ছে,,শিশিরের শ্বাস -নিশ্বাস বেড়ে গেসে,হাত তনুর পিঠ পর্যন্ত নিয়ে আবার সরিয়ে নিলো,কাঁথা টেনে তনুর পিঠ ঢেকে দিলো,,
তারপর উঠে বারান্দায় দাঁড়ালো,,পকেট থেকে ফোন হাতে নিলো,,ওয়ালপেপারে তনুর পিক,,শিশির ছাড়া কেউ জানে না তার ফোনের সব জায়গা জুড়ে তনু আছে,,শিশির তনুর ছবি দেখে ফোন রেখে দিলো,,ব্যাগ থেকে বিরাট এক প্যাকেট চকলেট নিয়ে ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দিলো,,তনুর দিকে তাকালো,গভীর ঘুমে আছে মনে হয়,,শিশির এসে ঘুমিয়ে পরলো,,
পরেরদিন ♥♥
তনু গোসল করে বের হয়ে আস্তে আস্তে হেঁটে বারান্দায় গেলো,নইলে চুলের পানিতে শিশির ঘুম থেকে জেগে যাবে,,
শিশির উঠলো,,দেখলো তনু বারান্দায়,
তনু বারান্দায় দাঁড়িয়ে চুল ঝেড়ে দিল,,
শিশির-ইসসসস
তনু পিছনে তাকালো,সরি আপনি এখানে??আমি দেখি নাই
শিশির-চিমটি কাটার জন্য আসলাম ভিজায় দিল আমাকে??
শিশির এগিয়ে তনুকে গ্রিলের সাথে লাগিয়ে ফেললো,আস্তে আস্তে হাত নিয়ে তনুর কোমড় ধরলো,
তনু-শিশি,,,,র
শিশির-চুপ,,
চলবে?
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_17
শিশির জোরেসোরে একটা চিমটি দিলো তনুর পেটে,,,,তনু চিৎকার দিল শিশির মুখ চেপে ধরলো,,কিছুক্ষন পর,,,,
তনু-সবসময় চিমটি দেন কেন??ব্যাথা পাইসি আমি
শিশির-কই দেখি,,সত্যি তো লাল দাগ হই গেসে,শিশির হাত দিয়ে চেপে ধরে ঘষে দিল,,
শিশির-হুম এখন ঠিক আছে,,যাও আমার জন্য নাস্তা তৈরি করো, আজ তো বাসায় যাবো,
তনু চলে গেলো,,
খাওয়া শেষে শিশির আর তনু শিশিরদের বাসায় আসলো,,
শিশির-আমি যাই অফিসে,,
তৃনা-ওমা বউরে গুড বাই puppy দিবি না?
শিশির-না দিমু না,,যা তোর জামাইর কাছে,,
শিশির চলে গেলো,
তৃনা-তো বল,শিশির কি কি আদর করলো,
তনুর চড়ের কথা মনে পরলো,,তারপর হাত পা টিপা,তারপর সকালের চিমটি,তনু চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,
মুনা-কি হয়সে??
তৃনা-মনে হয় Over loaded আদর করসে আমাদের বলা যাবে না?
তনু এক দৌড়ে রুমে চলে গেলো,,
বিকালে♥
তৃনা-আয় আমরা খেলুম
তনু-কি?মুনা আর তৃনা হাসতেছে,তনুকে ধরে চোখ বেঁধে দিলো,,
তনু-আরে চোখ বাঁধলা কেন?
তৃনা-নে খুঁজ আমাদের
তনু কোনোরকম হেঁটে হেঁটে খুঁজতেছে,,
মা-তৃনা মুনা এদিকে আয় তো,কাজ আছে,,
তৃনা-তনু দাঁড়া আমরা আসতেছি,,
তনু দাঁড়িয়ে আছে,,ওর মনে হলো মুনা ডাকলো,নিচে সিঁড়ি জানতো না পা বারাতেই পরে যাওয়া ধরলো শিশির এক হাত দিয়ে ধরে ফেললো,
শিশির নিজেও ভয় পেয়ে গেসে,কল্পনাও করেনি তনু পরে যাওয়া ধরবে,,
শিশির-তনু ঠিক আছো??তোমার চোখ বাঁধা কেন?শিশির তনুকে সামনে দাঁড় করিয়ে চোখের বাঁধন খুলে দিলো,,
তনু তাকিয়ে দেখলো সে সিঁড়ির সামনে,
শিশির -আমি না আসলে কি হতো??কে বাঁধছে তোমার চোখ??
তনু-আমি বেঁধেছি,,
শিশির -মিথ্যা বলতে হবে না,,শিশির তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে এলো,,
বসে থাকো এখানে,
শিশির fresh হয়ে আসলো,,তনু নেই,ডাইনিং এ খাবার দিতেছে শিশিরের জন্য,শিশির এসে বসলো খাওয়ার জন্য,,আর কোনোদিন এমন খেলা খেলবা না,দরকার হলে আমার সাথে খেলবা তাও এভাবে খেলবা না,,আজ পড়ে গেলে কি হতো??
মা-কিরে মেয়েটারে এত বকতেছস কেন?
শিশির -কানামাছি খেলতে গিয়ে আজ সিড়ি দিয়ে পড়া ধরছিলো,
মা-কিরে?
তনু-হয়সে তোমরা সবাই মিলে এখন বকো আমাকে,
মা-হাহাহা,আহারে মেয়েটার মুখের অবস্থা দেখার মতো?
শিশির খেয়ে রুমে আসলো,,তনু রুমে ঢুকলো শিশির পিছন থেকে এসে চোখ বেঁধে দিলো,
তনু-কি?
শিশির-আমাকে খুঁজো দেখি,,
তনু খুঁজতেছে,,খাটের Stand ধরলো,
তনু-এটা শিশির না,শিশির তো চওড়া,,এটা তো কাঠি,আর নরম,শিশির তো লোহা,,তনু পিছন ফিরতেই বুঝতে পারলো শিশির ওর একদম সামনে,,
এত সামনে যে শিশিরের নিশ্বাস এসে তনুর মুখে পরতেছে,তনু আস্তে করে হাত উঠিয়ে শিশিরের মুখে রাখলো,
তনু-ধরছি,,
শিশির তনুর হাত টা নিয়ে টান দিলো,,
তনু চোখের বাঁধন খুলতে গেলো শিশির হাত ধরে আটকালো,,
শিশির-একটা কথা বলো আমি এখন কোথায় তাকিয়ে আছি?
তনু- আমার বিচ্ছিরি ঠোঁটের দিকে,
শিশির-হাহাহা,
শিশির তনুর চোখের বাঁধন খুলে দিলো,,
তনু -এবার আপনি,,
তনু শিশিরের চোখ বেঁধে দিলো,
নিজে গিয়ে এক কোনে গিয়ে দাঁড়ালো,,শিশির একটা ফুল নিলো টব থেকে,,লম্বা,,ওটা হাতে নিয়ে সারা রুমে হাঁটতে লাগলো,তনু যে কোনে আছে,শিশির সে কোনের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গেলো,
তনু -এই যা বুঝলো কিভাবে?আমি তো ঠিক মত চোখ বেঁধেছি,
তনু আস্তে আস্তে পা টিপে টিপে সরতে লাগলো,শিশির এসে ফুল দিয়ে পথ আটকালো,,
শিশির-নড়বেন না মিস তনু
শিশির তনুর কাছের দিকে যাচ্ছে,,যেতে যেতে দেওয়ালের সাথে মিশে গেলো,শিশির মুচকি হেসে ফুল দিয়ে তনুর কপালে ছোঁয়ালো,আস্তে আস্তে কপাল থেকে গলায়,তনু জোরে জোরে শ্বাস নিতেছে,,ফুল পেটের উপর দিয়ে গেলো,তনু সরতে চাইলো শিশির এক হাত তনুর সাইডের দেওয়ালে রাখলো,
তনু-মা ডাকতেছে,,
শিশির-হুমম,
শিশির চোখের বাঁধন খুলে ফেললো,,হুম যান,,২০মিনিটের বেশি বাইরে থাকা চলবে না,আমার যেন আবার ডাকা না লাগে,
তনু চলে গেলো,,মা তার শাড়ীগুলা দেখাচ্ছে,,শিশিরের বড় ভাই বিয়ে করে বউ নিয়ে চলে গেলো,একটু খবর ও নেই না,,শাড়ীগুলা ওর বউ এর জন্য রাখসিলাম ওরা তো আসেই না,,এগুলা তুই রাখ
তনু-একদিন আসবে,রেখে দাও
মা-না ওর অধিকার নেই,তোর আছে,,রাখ,,,বাহ এটা তো অনেক সুন্দর,
মা-এটা তোর বাবা দিসিলো,,এগুলা এখন আমি পরলে সবাই হাসবে,জোয়ানকালে ভালো লাগত,এখন তোকে মানাবে,,
তনু শাড়ীগুলা নিয়ে রুমে আসলো,
শিশির একবার তাকালো,আবার ফোন টিপতে লাগলো,
তনু-মা দিসে এগুলা
শিশির-ভালো হয়সে,
তনু-আচ্ছা আপনার ভাইয়া একদিন ও আসে নাই বাসায়?বিয়ের পর
শিশির-ওর কথা বলবা না আর,,,ওর জন্য আমার মা বাবা অনেক কষ্ট পেয়েছে,,বউ নিয়েই থাকুক,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_18
তনু শাড়ীগুলো আলমারিতে রেখে দিলো,,
শিশির-যাও নুডুলস খাবো,বানিয়ে আনো,
তনু-?,
তনু গিয়ে নুডুলস বানিয়ে শিশিরকে দিলো,,তনু আয়নায় দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতেছে,তনু খেয়াল করলো শিশির ও তাকিয়ে আছে,,তনু চোখ বড়বড় করে তাকালো
শিশির-শুনো
তনু-কি?
শিশির-কাল আমার Frd একটার বাসায় দাওয়াত,,সকালে রেডি হয়ে থাকিও,
তনু-আচ্ছা
তনু-হ্যালো, ও তো কি করো,,,, তনু কথা বলতে বলতে বারান্দায় চলে গেলো,
কথা বলা শেষে পিছনে ফিরতেই ধাক্কা খেলো শিশিরের সাথে,
শিশির-কার সাথে কথা বলসো??
তনু-জিনিয়া
শিশির-এত মিষ্টি করে??
তনু শিশিরের হাতে নিজের ফোন দিলো,,আমি আপনার মতন না,
তনু চলে গেলো,,
রুমে আসলো না,,১ঘণ্টা হয়ে গেসে,
শিশির রুম থেকে বেরিয়ে মুনার রুমে গেলো, তনু মুনার সাথে কথা বলতেছে,
শিশির-মুনা তোরে মা ডাকতেছে,মুনা চলে গেলো
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে রুমে নিয়ে গেলো,এনে খাটে বসিয়ে দিলো,
শিশির-বলসিলাম না ২০মিনিটের বেশি বাইরে থাকবা না?
তনু-হুম,আমার ইচ্ছা হয়সে তাই থাকসি,
শিশির-আমার মাথা গরম করবা না,,Next এমন করলে
তনু-আবার চড় মারবেন??
শিশির-হ্যাঁ মারবো,,বউকে ৩বার সতর্ক করার পর ও যদি সে না মানে তখন তাকে মারার হাদীস আছে,,
তনু-হুহ,,
শিশির চকলেট এনে হাতে ধরিয়ে দিলো,তনু হা করে তাকিয়ে আছে
শিশির -ফোন নিয়ে বসলো,এত হা করে দেখার কি আছে খাবা নাকি ফেরত দিয়ে আসতাম,
তনু তো প্যাকেট খুলে খাওয়া শুরু করলো,,৫-৬টা খাওয়ার পর শিশির এসে হাত থেকে চকলেট গুলো নিয়ে নিল,
তনু সারা মুখে লাগিয়ে ভূত হয়ে বসে আছে,,
শিশির-আর একটা খেলে তোমাকে নিয়ে হসপিটালে যেতে হবে,কাল খাবা এগুলা,তনু থ হয়ে বসে রইলো,আরও কয়েকটা খাইলে ভালো হইতো,ধুর?
তনু উঠতে গেলো শিশির এসে পাশে বসলো,,,শিশির তনুর মুখে লেগে থাকা চকলেট গুলার দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু-(এখন কি এগুলা চেটে খাবে নাকি)?
শিশির-একদম না,আমি এত পাগল না,ধরো টিসু,মুছো,খবিশ
শিশির উঠে চলে গেলো,
তনু-কি রে বাবা,এ কেমন জামাই??কোথাই ভাবলাম আজ হয়ত চকলেট চেটে খেতে গিয়ে কিস করে দিবে সেটা না করে হাতে টিসু ধরিয়ে দিলো??
পরেরদিন ♥♥
তনু মায়ের সেই সুন্দর শাড়ীটা নিয়ে পরলো,,
শিশির বাথরুম থেকে বেরিয়ে তাকালো,,শিশির হাতে এক মগ পানি নিয়ে আসতেছে তনুর দিকে, তনু শাড়ী একটু উপরে তুলে দৌড় মারলো,এক দৌড়ে খাটের উপরে,
তনু-এই একদম ভিজাবেন না আমাকে,কি সমস্যা বলেন
শিশির-এ্যাই তুমি এই পাতলা শাড়ী পরে যাবা??সব দেখা যাইতেছে,,
তনু নিজের দিকে তাকালো,কই কি দেখা যাইতেছে,
শিশির হাত ধরে টেনে নামিয়ে গায়ে পানি ঢেলে দিলো,
শিশির-এবার দেখো কি দেখা যাইতেছে,
তনু-ইসসস,আপনাকে কি জন্মের সময় মধু খাওয়াই নাই??করলার জুস খাওয়াইসে??
শিশির-নাহহ,করলার বিচির ভর্তা করে খাওয়াইছে,
তনু-হুহ,তনু আরেকটা শাড়ী নিয়ে বাথরুমে গেলো,,
শিশির-আর কতক্ষন??
শিশির গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো,,
তনু-আর একটু,
শিশির আরেকবার ধাক্কা দিলো,শিশিরের এমনিতেও অনেক শক্তি,ধাক্কার সাথে সাথে দরজা খুলে গেলো,
তনু তো চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে,
শিশির-সরি,শিশির আরেক দিকে ফিরে দাঁড়ালো,
তনু শাড়ী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির-কি হয়সে??
তনু-এই শাড়ীটাতে কুচি হয় না ঠিক মত
শিশির এবার তনুর দিকে তাকাল,তনু হাত দিয়ে গা ঢেকে ফেললো,
শিশির এসে নিচে বসে কুচি ঠিক করে দিলো,,সেপটিফিন নিয়ে আটকে দিলো,
তনু-বাহ এই trick টা তো সেই
শিশির-আমি ভিডিওতে দেখসিলাম
তনু-এসবের?
শিশির-হ্যাঁ,বউয়ের যাতে Help করতে পারি,,
শিশির কুচি করে উঠে দাঁড়ালো,তনু আড় চোখে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,,কারন শিশির তনুর দিকে সরাসরি তাকিয়ে আছে,
তনু-নির্লজ্জ কোথাকার
শিশির-?এমন ভাবে থাকলে কোন ছেলে তাকাবে না??আর আমি তো হই তোমার husband
তনু-কচু,যান এখান থেকে,
শিশির-??শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,
তনু-এ্যাই এ্যাই
শিশির-ভীতুর ডিম,শিশির হাসতে হাসতে বেরিয়ে গেলো,
তনু আঁচল ঠিক করে বের হলো,
শিশির আর তনু রিকসাতে উঠলো,,
শিশির তনুর পিছন থেকে আঁচল টেনে মাথায় ঘোমটা দিয়ে দিলো,
শিশির-আমি তোমাকে বোরখা কিনে দিব,এখন থেকে বোরখা পরে বের হবা,
তনু-?
শিশিরের frd এর বাসায় আসলো,,
শরীফ-তনু ভাবী,কেমন আছেন??
তনু-ভালো,,
শিশির-আমার ভাবী কই??
শরীফ-রান্না করে,,
তনু সেদিকে গেলো,,
শিশির আর শরীফ কথা বলতে লাগলো
শরীফ-তো শেষমেষ তনুকেই বিয়ে করলি,আমরা যখন বলতাম তখম তো দৌড়ানি দিতি
শিশির-মা জোর করলো তাই
শরীফ-ভালোবাসোস তাই করছোস
তনু উঁকি মারলো,
শিশির-আমি ওরে ভালোবাসি না,
তনু কথাটা শুনে আবার চলে গেলো,,
শরীফ-ভালোবাসোস, শুধু বুঝস নাহ,
সিয়া -শিশির ভাইয়া টেবিলে আসেন,খাবার রেডি,
শিশির আর তনু বসলো,,
সিয়া -ভাবী দেখি একদম চুপচাপ
শিশির-অনেক বকবক করে,,
সিয়া -কই তেমন কোনো কথায় বললো না,
শরীফ-ভাবী আমার ভদ্র,তোমরা আমার ভাবীরে নিয়ে মজা করবা না,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2 Part_13/14/15

0

Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?Season_2 Part_13/14/15
তৃনা আসলো তার জামাই নিয়ে,এসে তনুকে জড়িয়ে ধরলো,
তৃনা-শিশির মিয়া তাহলে বিয়া করতেছো তনুরে
শিশির-আম্মু জোর করায় করতেছি
তৃনা-তাই নাকি??তোর মতের সাথে কেউ নিজের মত দিয়ে পারে না,,আর চাচি তো,,নিজে রাজি সেটা স্বীকার কর,,
শিশির-হুহ,
মার্কেটে♥♥
শিশির দূরে বসে বসে গেমস খেলতেছে,,
তনু একটা লেহেঙ্গা নিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ালো,
শিশির-ছিঃ এসব কেমন লেহেঙ্গা ?
তনু-আরেকটা নিয়ে ধরলো,
মুনা-বাহ এটা সুন্দর,
শিশির-একটা লেহেঙ্গা ও সুন্দর নাই,,
তনু at last একটা নিলো,এটা দেখে তনু নিজেই হা করে তাকিয়ে আছে,,
শিশির-যাক একটা পাওয়া গেলো,
তনু-মা এটায় নাও,
মা-শিশির এদিকে আয় শেরওয়ানি Choice কর,
শিশির তনুর দিকে একবার তাকালো,,
তনু দেখতে লাগলো,,,
কর্মচারী-ম্যাম আপনারা যে লেহেঙ্গা টা নিসেন সেটার সাথে ম্যাচিং শেরওয়ানি আছে,,
শিশির-কই দেখি,
তনু-বাহ সুন্দর,,
শিশির-হুম এটা আগে দেখালেই হতো,,মা এটা নিয়ে নাও,,
শিশির -দাঁড়াও কল আসছে,,হ্যালো কি ফুল??
ফুল গোলাপ আনবেন,,আর ঝিলিক বাতি নীল আনবেন,Fresh rose হতে হবে,,ঠিক আছে
মা-কে কল দিসে রে?
শিশির-ডেকোরেশনের লোক,,ফুল আর বাতির কথা,
মা-তনুরে যদি একবার ask করতি
শিশির-আমি ওর পছন্দেই বলসি সব,তনু হেঁটে হেঁটে গায়ে হলুদের ornaments দেখতেছে,,
বিকালে ওরা বাসায় আসলো,,শিশির তনুকে বাসায় দিয়ে আসলো,,
গায়ে হলুদ ১০তারিখ,,,
৯তারিখে সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সাজানোর জন্য,তনু বাসা থেকে বেরিয়ে রোডে গেলো,, এইদিনগুলির জন্য ছোট থেকে কত স্বপ্ন ছিলো,,তনু একটু হেঁটে উঁকি মেরে শিশিরদের বাসার দিকে তাকিয়ে দেখলো নীল ঝিলিক বাতিতে পুরো বাসা সাজানো হয়েসে,তনু খুশিতে লাফ দিলো,,
শিশির মেসেজ দিলো,আস্তে নতুন বউ পড়ে যাবেন
তনু-এই যা আমাকে দেখলো কিভাবে?
শিশির-ভালো করে দেখো আমি বাসার সামনে,
তনু আরেকবার তাকিয়ে দেখলো দাঁত বের করে হেসে দাঁড়িয়ে আছে
তনু এক দৌড়ে বাসায় চলে আসলো,,
পরেরদিন গায়ে হলুদে♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
তনুদের বাসার সামনের বড় উঠানে stage করা হয়সে,,
Stage-এ শিশির আর তনু বসে আছে,সবাই এসে এসে হলুদ লাগিয়ে দিচ্ছে,
শিশির-এ্যাহ রে, আমাকে ভূত বানায় দিসে
তনু-হাহাহা
তৃনা দুহাতে হলুদ লাগিয়ে আসতেছে,
শিশির-বইন মাফ কর
তৃনা-আমাকে কেমন হলুদ লাগাইছস মনে আছে??
তৃনা এসে ভালো করে লাগিয়ে দিলো,,
তনু হাসতে হাসতে শেষ,,
শিশির-খুব হাসি পাচ্ছে??
হলুদ শেষ, সবাই খাওয়তে ব্যস্ত,,,তনু উঠে গেলো,,শিশির ও উঠে গিয়ে তনুর হাত ধরে হাসি মুখে সবার সামনে দিয়ে তনুর রুমে নিয়ে গিয়ে তনুকে বিছানায় ফেললো,দরজা লাগিয়ে দিলো,
তনু-এ্যাই এসবের মানে কি??
শিশির পাঞ্জাবির হাতা উঠাইতেছে,
তনু-আম্মুউউ,
শিশির-চুপ,শিশির তনুর কাছে এসে দুহাত বিছানার সাথে চেপে ধরলো,,এবার তনুর সারা মুখে নিজের মুখের সব হলুদ ঘষে ঘষে লাগিয়ে দিলো,
তনু চোখ বন্ধ করে আছে,,শিশির কিছুক্ষণ তনুর দিকে তাকিয়ে রইলো,, তনু চোখ খুলে তাকিয়ে আছে,,শিশির তনুর ঠোঁটের দিকে তাকালো,,
তনু-কি?কি দেখতেছেন?
শিশির-মানুষের ঠোঁট এত বিচ্ছিরি কি করে হতে পারে?
তনু-কিহ??আমার ঠোঁট বিচ্ছিরি?
শিশির-তা নইতো কি,,রুনার ঠোঁট টা আহা উমমম
তনু-ছিঃ,বেরিয়ে যান আমার রুম থেকে
শিশির-থাকার শখ নাই,হুহ
শিশির দরজা খুলে বেরিয়ে গেলো,,
তনু-বেয়াদব,কুত্তা,এখন বসে বসে এ হলুদ উঠাতে হবে,
তনু দরজা বন্ধ করতে যাবে শিশির এসে দাঁড়ালো
তনু-আবার কি?
শিশির-যাইতেছি বাসায়,কাল দেখা হচ্ছে,,
তনু-যান তো,তনু দরজা লাগিয়ে দিলো,,
উফ হলুদ উঠতেছেই না,ধুর,কেমন লাগে??
মা-আরে সমস্যা নাই কাল পর্যন্ত চলে যাবে
তনু-গেলেই ভালো,,
তনু গায়ে হলুদের ছবি post দিলো fbte,,
শিশির মেসেজ দিলো,তুমি ছবি গুলা কেন দিসো?
তনু-কি হয়সে?
শিশির-তোমাকে আমি বলসি না নিজের ছবি দিবা না
তনু-কি হয়সে দিলে
শিশির-মানা করসিলাম আমি,ডিলেট দাও
তনু-দিমু না,
শিশির-৫মিনিটের মধ্যে আমি যেন আর না দেখি
তনু গেলো ডিলেট করতে তনুর খালাতো বোন হাত থেকে ফোনটা নিয়ে চলে গেলো,
তনু-আরে আমার ফোন
বোন-ছবি দেখে দিয়ে দিব,
মা এসে তনুকে বিয়ের জিনিস পত্র দেখাতে নিয়ে গেলো,ছবি ডিলেটের কথা তনু ভুলে গেলো
চলবে ♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_14
শিশির তো রাগে শেষ,বাসা থেকে বের হওয়া ধরলো,,
মা-শিশির কই যাস?থাক এখানে এখন নিয়মকানুন আছে সেগুলা পুরা করতে হবে,মা আর ফুফুরা ধরে বসিয়ে দিলো,
রাত ১১:৩০বেজে গেসে,ধুর,কাল ওর খবর আছে,,
পরেরদিন ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
তনুকে গোসল করিয়ে পার্লারে পাঠানো হলো,তনুর ফোন বোনের কাছে,তনুর খবর নেই,শিশির মেসেজের উপর মেসেজ দিতেছে,
তনুকে রেডি করানো হলো,,লাল লেহেঙ্গা,, গয়না,, গোমটা,,সাজটা মিডিয়াম,, অসুম্ভব সুন্দর লাগছে,,তনুকে Party center-এ নিয়ে যাওয়া হলো,
শিশির মুখ গোমড়া করে রেডি হলো,রাগে ফেটে যাচ্ছে,,
শেরওয়ানি পরলো,,মাথায় পাগড়ী,,আয়নার সামনে দাঁড়ালো,
মা-নজর যেন না লাগে,,মা টিকা লাগিয়ে দিলো,,
মুনা-কিরে ভাই মুখ এমন রাখছস কেন??
ভাবিরে দেখবি??তনু ভাবির বোন পিক দিসে,শিশির ফোন নিয়ে ছুঁড়ে মারলো,,
মুনা-এমন করছোস কেন?কি হয়সে?
শিশির গিয়ে গাড়ীতে বসলো,party center -এ আসলো,,তনু Stage -এ বসে আছে,,
শিশির তনুর দিকে তাকালো,,তারপর ওর পাশে গিয়ে বসলো,,
টিয়া-কিরে দুলাভাইের মুড অফ নাকি??আমি তো জানতাম উনি হাসিখুশি থাকে সবসময়,,
তনুর মনে পরলো কালকের কথা,ইস একদম ভুলে গেসি,এত কাজের ভিতর মনে ছিলো না,আজ আমাকে মেরেই ফেলবে,তনু শিশিরের দিকে তাকালো,শিশির এমন মুখ করে আছে,এখন stageএ মানুষ না থাকলে এখনই চিবিয়ে খেয়ে ফেলতো আমাকে,,তনু ওর বোনের থেকে ফোন নিয়ে দেখলো আল্লাহ গো ১২৮টা মেসেজ? আমি শেষ,, পিক ডিলেট করলাম
জুঁই-তনু তোর জামাইটা সেই,,How hot!
নিশু-বডি দেখছস??
জুঁই-আহা সুখ রে
তনু-ছিঃ যা এখান থেকে,,
হুজুর আসলো,,
কবুল♥♥♥কবুল ♥♥♥কবুল♥♥
কবুল♥♥♥কবুল ♥♥♥কবুল♥♥
সাইন করলো দুজনেই,,বিয়ে সম্পন্ন♥♥♥♥♥♥
বিকালে বাসায় আসলো সবাই শিশির আর তনুকে নিয়ে,,শিশিরের রুম সাজানো হচ্ছে,,,শিশির আর তনুকে সোফায় বসিয়ে একেক করে মিষ্টি খাওয়াচ্ছে,,
মা-তনু শিশিরকে মিষ্টি খাওয়াও
তনু শিশিরকে খাইয়ে দিলো,,তারপর শিশির খাইয়ে দিলো,
তৃনা-কিরে মুখটা বাংলার ৫এর মত করে রাখছোস কেন??
শিশির কিছু বললো না,,তনুর দিকে শক্ত চোখে তাকালো,,
মেহমানরা কথা বলতে বলতে, তাদের বিদায় দিতে দিতে রাত ১০টা বেজে গেসে,,
তনুকে মুনা আর তৃনা শিশিরের রুমে খাটের মাঝখানে বসিয়ে দিলো,গোলাপ দিয়ে সাজানো
তনু শুধু দেখতেছে,,
তৃনা-আসি বইন,,,?Best of luck
মুনা-All the best
তনু-তোমরা এমন করে বলো কেন আমার ভয় করে, সবাই হাসতে হাসতে চলে গেলো,,১০মিনিট পর শিশির আসলো,ঠাস করে দরজা লাগালো,,
তনুর কলিজা কেঁপে উঠলো,,শিশির এসে দাঁড়িয়ে আছে,,
তনু আস্তে করে নেমে শিশিরের সামনে গেলো,,
তারপর সালাম করতে যাবে শিশির সরে গেলো,,
তনু মুখ তুলে তাকালো,
তনু-আমি আসলে
শিশির সজোরে কষিয়ে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো,,তনু গিয়ে নিচে পড়লো,,তনু এটার জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলো না,,তনু খেয়াল করলো নাক থেকে রক্ত বের হচ্ছে,,চোখ মুছে শিশিরের দিকে তাকালো,,
শিশির ফোন নিয়ে মেসেজ বের করে তনুর মুখের সামনে ধরলো,
শিশির-কইবার মেসেজ দিসি??
তনু কিছু বললো না
শিশির-Ans me!!!!
তনু-১২৮
শিশির-একটা মেসেজ ও চোখে দেখো নাই??এত বিজি ছিলা??
তনু কাঁদতেছে,,
শিশির-একদম কাঁদবা না,জেনে শুনে এমন করো,,সবসময়,,
শিশির গিয়ে খাটের সব ফুল ছুঁড়ে মারলো,,,
তনু নিচে বসে কাঁদতেছে,আর নাক মুছতেছে,,
শিশির-যাও এখান থেকে বারান্দায় গিয়ে শোও,আমার খাটে তোমার জায়গা নেই,অধিকার হারিয়েছো,,এটা নতুন না যে তুমি আমাকে চিনো না,,জেনে শুনেও কেউ এমন ভুল করে না,,
তনু আস্তে আস্তে উঠে বাথরুমে গিয়ে মুখ ধুয়ে টিসু দিয়ে নাক চেপে রক্ত বন্ধ করলো,,তারপর বারান্দায় গিয়ে গুটিশুটি মেরে বসলো,,
শিশির খাটে ফুল দেখে আর খাটে ঘুমাইনি,,রকিং চেয়ারে বসে ঘুমিয়ে গেলো,
তনু কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে গেলো,,
পরেরদিন সকালের আলো তনুর চোখে পড়তেই তনু উঠে গেলো,,শিশির ঘুমাচ্ছে,,৪:৪০বাজে,,তনু গোসল করে নিলো,,,নামাজ পড়ে রুম থেকে বের হলো,,
মা-একি এত তাড়াতাড়ি উঠলি??
তনু-কি কাজ বলো আমি করে দিচ্ছি,,
মা-দেখি,তোর নাকের নিচে কেমন রক্ত জমে আছে,,কিছুর সাথে ধাক্কা খেয়েছস??
তনু-হ্যাঁ দরজার সাথে,,
মা-আহারে,,বুয়া বরফ এনে দাও
তনু-কিছু হবে না,ঠিক হয়ে যাবে
মা বরফ লাগিয়ে দিলো,
মা-যা শিশিরের কি লাগবে দেখ,,তোর এখন কাজ করতে হবে না,,বুয়া আছে,,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Writer-Afnan Lara
Crush যখন বর?
#Season_2
#Part_15
তনু রুমে গেলো,শিশির উঠে মনে হয় বাথরুমে গেসে,,তনু বিছানা করে রুম পরিষ্কার করলো,শিশির বের হলো টাওয়েল পড়ে,,আলমারি থেকে জামা নিয়ে আবার বাথরুমে গেলো,,
আবার বের হয়ে দেখলো তনু নেই,ডাইনিং এ আসলো,তনু খাবার সার্ভ করতেছে,,
মা-তনুটা নতুন নতুন আমাদের বাসায় আসলো,আর এখনই দরজার সাথে লেগে মেয়েটার নাক থেকে রক্ত যাচ্ছে,,শিশির কথাটা শুনে থমকে গেলো,কাল রাতের কথা মনে পরলো,,
তনু শিশিরের পাশে বসলো,,
মা-আজ তনুদের বাসার সবাই আসবে,,কত কাজ,,খাওয়া শেষে যে যার কাজে গেলো,তনু মুনার সাথে কথা বললো,,
তৃনা ঠেলে শিশিরের রুমে পাঠিয়ে দিলো,,
তনু রুমে এসে দেখলো শিশির ফোন টিপতেছে,,তনু বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালো,,আমার দোষ,,,শিশির তো এসবের ক্ষেত্রে সিরিয়াস, আমি কেন ভুলে গেসিলাম,,তনু কাঁদতেছে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে,,শিশির খেয়াল করলো তনু কাঁদতেছে,শিশির এসে টিসুর বক্স এগিয়ে দিলো,তনু একটা টিসু নিয়ে শিশিরের দিকে তাকালো,
শিশির আরেকদিকে তাকিয়ে তনুকে টান দিয়ে জড়িয়ে ধরলো এক হাত দিয়ে
তনু কিছুটা অবাক হলো,,
শিশির বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে আর তনুকে শক্ত করে ধরে আছে,,
শিশির-সরি,,Next time আর এমন করবা না,,আমার যেগুলা সয্য হয়না সেগুলা করবা না,,শিশির তনুকে কোলে তুলে নিলো,
তনু যেনো সপ্ন দেখতেছে,
শিশির কোলে তুলে এনে খাটে নামিয়ে দিয়ে একটা spray আনলো,তনুর নাক ধরে spray করলো,,
শিশির-রক্ত যাওয়া অফ হয়ে যাবে,,Rest নাও,কাল রাতে তো মেবি ঘুমাও নাই,,
তৃনা-ভাইয়ায়ায়ায়ায়া
শিশির -কি হয়সে?
তৃনা-তনুরে নিয়ে যাবো,আজ রাত ছাড়া আর পাবা না,,
শিশির-তনু এখন ঘুমাবে,
তৃনা-আহারে কাল রাতে তো জেগে ছিলো,,আমরা তো ভুলেই গেসিলাম,
শিশির-শয়তান মাইয়া তোর জামাইরে কইতাছি দাঁড়া,,
তৃনা তনুর কাছে আসলো,চল তোকে সাজানোর জন্য পার্লারের লোক আসছে,
তনু কে নিয়ে তৃনা চলে গেলো,,
শিশির কাজে বিজি হয়ে গেলো,,
দুপুরে তনুদের বাসার সবাই আসলো,,তনুকে পিংক কালারের শাড়ী পরানো হয়েছে,,চুলে খোঁপা,আর শিশির হালকা পিংক কালারের পাঞ্জাবি পরেছে,
অনুষ্ঠান শেষে শিশির আর তনু মিলে তনুদের বাসায় আসলো,,তনুর রুম হালকা সাজানো হয়েছে,,
রাতে তনু রুমে এলো,,তনু বালিশ নিয়ে বারান্দায় যাওয়া ধরলো,,
শিশির-কই যাও?
তনু-ঘুমাতে
শিশির-কাল তো রাগ করে বলসিলাম,এখানে শোও,,
তনু-লাগবে না,
শিশির-আরেকবার বলো তো কথাটা,
শিশির পাঞ্জাবির হাতা উঠাচ্ছে,,তনু চুপচাপ খাটে এসে এক কোনে শুয়ে পরলো,,শিশির হাত ধরে টেনে উঠিয়ে বসালো,
তনু-কি হয়সে?
শিশির -এই নাও
তনু-এটা তো আপনি রুনার জন্য কিনেছেন,,
শিশির-Earrings গুলো রুনার পছন্দ হয়নি তুমি রেখে দাও,
তনু-নিব না
শিশির-ফেলে দাও,
শিশির গিয়ে খাটের আরেক পাশে বসে রুনাকে কল করলো,,(Acting) খালি ফোন নিয়ে তনুকে দেখিয়ে দেখিয়ে কথা বলতে লাগলো,
হুম সোনা,,ঠিক আছে দেখা করবো,
তনু-হুহ,,তনু ঘুমিয়ে পরলো,,শিশির উঁকি মেরে দেখলো তনু ঘুমিয়ে গেসে,ফোনটা রেখে সেও ঘুমিয়ে গেলো,,
পরেরদিন ♥♥
হালকা পানির ছিঁটায় শিশিরের ঘুম ভাঙলো,
শিশির-কে রে??শিশির চোখ খুলে দেখলো তনু ভয় নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে শিশিরের দিকে,,চুল ভিজা,,টপটপ করে পানি পড়তেছে,,লাল টুকটুকে শাড়ী পরেছে তনু,শিশির কিছুক্ষণ অবাক চোখে তাকিয়ে থাকলো,,খাট থেকে উঠে তনুর কাছে গেলো,,তনু ভয়ে পিছচ্ছে,,
তনু-আজকে না জানি আবার মারে,
শিশির এগোতে এগোতে তনুকে আলমারির সাথে মিশিয়ে ফেললো,,
তনু-সরি,
শিশির-হুম,,শিশির আলমারির আয়নার দিকে তাকিয়ে খেয়াল করলো তনুর পিঠ দেখা যাচ্ছে,, ব্লাউজের ফিতা লাগায়নি,শিশির তনুকে টান দিয়ে আলামারির দিকে ফিরালো,ব্লাউজের ফিতা ধরলো,
তনু চোখ বন্ধ করে আছে,,আর কাঁপতেছে
শিশির-এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই,,ফিতা লাগাও নি তাই লাগিয়ে দিতেছি,আর হ্যাঁ পিঠে এত পানি কেন??ঠিকমত মুছো নাই
তনু-না আমার হাত ওতদূর যায় না,,
শিশির-হাহাহা,তার মানে পিঠ এমন ভিজা থাকে??সবসময় গোসল করার পর?
তনু-না আম্মু মুছে দেয়,,
শিশির-আমাদের বাসায় তো মা থাকবে না,আর আমার মায়ের কাছে গিয়ে কি বলতে পারবা যে পিঠ মুছে দাও
তনু-হুম, হেভিট করতেছি,
শিশির-আচ্ছা আমি মুছে দিব,
তনু-না
শিশির-হুহ
শিশির Shirt নিয়ে বাথরুমে গেলো,
তনু মায়ের কাছে গেলো,
মা-বাহ শাড়ীটা বেশ,
তনু-ফুফু শাশুড়ি দিসে,,
মা-হুম,,ভালো চয়েস✌?
শিশির লাল shirt পরে বের হলো,শিশির আর তনু একসাথে টেবিলে বসলো,,
বাবা-কি মানিয়েছে দুজনকে
মা-হুম??
শিশির খেয়ে রুমে গেলো,,তনু আমাকে অফিসে যেতে হবে,,
তনু-ঠিক আছে,,
শিশির যাওয়ার আগে তনুর দিকে তাকালো,২মিনিট ধরে তাকিয়ে রইলো
তনু-কিছু বলবেন?
শিশির-আজ রুনার সাথে দেখা করবো???
তনু-হুহ
চলবে♥