Saturday, August 30, 2025
বাড়ি প্রচ্ছদ পৃষ্ঠা 2029



Crush যখন বর Season_3Part_10/11/12

0

Crush যখন বর Season_3Part_10
Writer-Afnan Lara

শিশির খাটে গিয়ে ফোন নিয়ে বসলো,তনু গিয়ে পাশে বসলো
শিশির বালিশ নিয়ে সোফায় চলে যেতে নিলো
তনু-কই যান
শিশির-তোমার সাথে এক বিছানায় আমি ঘুমাবো না
তনু-ঢং,আসুন খাটে আসুন আমি সোফায় যাব,,
শিশির-লাগবে না
তনু-বেশি কথা বললে আমি গিয়ে আপনার কোলে উঠে বসবো
শিশির বালিশ নিয়ে চলে এলো,,তনু সোফায় বসে তখন থেকে তাকিয়ে আছে,শিশিরের বিরক্ত লাগছে এমন করে কেউ তাকালে আসলেই অসহ্য লাগে,শিশির রুমের লাইট অফ করে দিলো
তনু-আম্মুউউউউউউউউউউউ
শিশির তাড়াতাড়ি করে লাইট জ্বালালো,কি হয়সে?
তনু-অন্ধকার তো,ঘুমাবো কি করে
শিশির ড্রিম লাইট জ্বালালো,তনু ৫মিনিটেই ঘুমিয়ে গেলো,,শিশিরের ঘুম নেই চোখে,,আগে যখন মন চাইতো তখনই গিয়ে নাতাশাকে দেখে আসতো,,এখন তা পারতেছে না,শিশির ওয়াসরুমে গিয়ে আসার সময় দেখলো তনুর বারবার ঘুমের মধ্যে শাড়ীর আঁচল দিয়ে গা ঢাকতেছে,মনে হয় শীত করছে ওর,,শিশির এসি অফ করে বিছানা থেকে চাদর টা এনে তনুর গায়ে দিয়ে দিলো,
শিশির-সকালে উঠে গায়ে চাদর দেখলে মাথায় উঠে বসবে,শিশির আবার চাদর টা নিয়ে নিলো
তনু জেগে গেলো
তনু-কি??ওহ চাদর,হুম পরিয়ে দেন,শীত করতেছে আমার
শিশির-দিব না,এটা আমি গায়ে দিব
তনু-?
তনু উঠে ব্যাগ থেকে খুঁজে ওড়না নিয়ে ওটা গায়ে দিয়ে শুয়ে পড়লো,
শেষ রাতে শিশির ও ঘুমিয়ে গেলো,,সকাল বেলা তনু আগে উঠলো,,উঁকি মেরে দেখলো তার crush বর ঘুমাচ্ছে বালিশ জড়িয়ে ধরে,,
তনু শাড়ী নিয়ে চলে গেলো গোসল করতে,,গোসল করে এসে দেখলো এখনও ঘুমাচ্ছে শিশির,,,তনু চুপিচুপি গিয়ে শিশিরের পাশে নিচে বসলে,,শিশিরের বালিশ থেকে হাত সরিয়ে নিজের হাত রাখলো শিশিরের হাতের নিচে,,
তনু-হায় মে মার জাবা,,আমার বর আমার হাত ধরেছে,,তনু শিশিরের ফোন নিয়ে কয়েকটা ছবি তুললো,,
তনুর চুড়ির সাথে খোঁচা লেগে শিশির জেগে গেলো,ঘুমের ঘোর যায়নি,নাতাশা কে দেখতেছে শিশির,শিশির মিষ্টি একটা হাসি দিলো,
তনু অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,সত্যি হাসলো উনি?
শিশির চোখ মুছে আবার তাকিয়ে দেখলো তনু তাকিয়ে আছে বোকার মত,শিশির হাত ছাড়িয়ে উঠে বসলো
শিশির-কি এখানে কি?
তনু-?কিছু না,মশা বসছে গালে,থাপড়াইতে আসছিলাম?
শিশির-what?
তনু-ইয়ে মানে মশাকে থাপড়াইতে আসছিলাম,,
শিশির-আমার ফোন কই,তোমার হাতে কেন
তনু-ফোন নিয়ে দেখতেছিলাম,সুন্দর ফোনটা
শিশির-দাও আমি খাবার order করবো
তনু-না আমি নাস্তা বানিয়েছি
শিশির-ওহ,ওকে
শিশির বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলো তার বউ নিমিষেই রুম গুছিয়ে ফেলেছে,
শিশির গিয়ে টেবিলে বসে রুটির সাথের ভাজি মুখে দিয়েই চোখ বন্ধ করে ফেললো
তনু-কি হলো মজা হয়নি?
শিশির-(পুরো দাদুর মত করে ভাজি বানিয়েছে,,আমি যে দাদুর হাতের ভাজি ই খাই,,সেই হয়সে),একটুও না
তনু-মিথ্যা বলেন কেন?আমি আপনার দাদুর থেকে ভাজির রেসিপি নিয়ে ৫দিন ধরে practice করসি,then সেম হয়সে,,
শিশির-কচু,একটুও মজা হয়নি,
তনু হাত থেকে ভাজি নিয়ে নিলো
তনু-খেতে হবে না
শিশির-না,আমি খাবো,আমার টাকায় কেনা সব,ফেলে দিতে দিবব না,পঁচা হলেও খাব,,শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে দেখলে তনু মুখকে এমন করে রাখসে(?☺️?)
শিশির-বেহায়া মাইয়া
তনু-????
শিশির খাওয়া শেষে ফোন নিয়ে দেখতেছে,গ্যালারী তে গিয়ে দেখলো তনু আর শিশিরের কয়েকটা ছবি,,একি!!!!!!!!এগুলা কখন তুললো,আর আমার ফোনের পাসওয়ার্ড জানে কিভাবে
শিশির রান্নাঘর থেকে তনুর হাত ধরে টেনে নিয়ে এলো
শিশির-তুমি আমার ফোনের পাস জানো কেমনে?
তনু-1ste নাতাশা লিখসি,পরে আপনার আঙুল লেগে নাতশার A বড় হাতের হয়ে গিয়ে পাস খুলেছে,ব্যস বুঝে গেলাম পাস হলো'”NatashA
শিশির-ওরে শেয়ানা,,
তনু-এবার নিশ্চয় আমার নাম দিবেন?
শিশির-নাহ,নাতাশার আরেক নাম দিব যেটা তুমি জানো না,,
১১টার দিকে মা বাবা সবাই আসলো,,, তনু গোলাপি রঙের শাড়ী পরেছে,,শিশির হালকা গোলাপি রঙের পাঞ্জাবি পরেছে,,
তনু ব্লাউজের ফিতা লাগাতেই পারতেছে না,,শিশির রুমে এসেছে ঘড়ি পরার জন্য
তনু-এই যে ব্লাউজের ফিতাটা লাগাতে পারতেছি না ফিতা টা লাগিয়ে দিন না
শিশির-পাগল হইসো তুমি,পারবো না আমি
তনু-রিপা কে ডেকে দিন
শিশির বাইরে বেরিয়ে রিপাকে কোথাও পেলো না
শিশির তনুর মাকে বললো যেতে কিন্তু উনিও কাজে ব্যস্ত, শিশির রুমে এসে দেখলো তনু গয়না পড়তেছে
শিশির-পেলাম না কাউকে
তনু-আপনি লাগিয়ে দিন,আমি তো পারতেছি না,,এভাবেও তো বের হতে পারবো না,,
শিশির আস্তে আস্তে গিয়ে ফিতা ধরলো,শিশিরের হাত কাঁপতেছে
তনু আয়নার দিকে তাকিয়ে দেখলো শিশির চোখ খুললো তো খুলে না,
তনু-হয়সে থাক
তনু শাড়ী টেনে পিঠ ঢেকে হাঁটা ধরলো শিশির হাত ধরলো,তনু অবাক হয়ে তাকাতেই শিশির হাত ছেড়ে দিলো
শিশির-আমি পারবো
শিশির ফিতা লাগিয়ে দিলো,,,শ্বাস বন্ধ করে,,
তনুর খুব হাসি পাচ্ছে,,মুখ চেপে ধরে রাখসে তনু,,
বেরিয়ে সবাইকে সালাম দেওয়া শেষে দুজনে গিয়ে সোফায় বসলো
মা-শিশির তনু আমরা কাল সকালে বাসায় যাব,,,
শিশির-আমি যাবো না আমার কাজ আছে
মা-কি বললি???আমি তোর উত্তর চাইনি
শিশির রেগে উঠে চলে গেলো,
মা-তনু রিপা,,টুসু ওদের ডাকো তো
তনু ওদের ডেকে আনলো,,
মা শিশিরের রুমে গেলো,,
মা-শিশির যা তোর frd দের নিয়ে ঘুরে আয়,,আমরা বাসায় আছি,তাড়াতাড়ি আসিস
শিশির তো খুশি হয়ে চলে গেলো,
মা তনুর কাজিন দের বললো শিশিরের রুমটা যাতে ফুল দিয়ে সাজিয়ে দেয়,,
ওরা তাই করলো,,চমৎকার করে রুমটি সাজালো,,
মা তনুকেও ঢুকতে দেয়নি,,রাতে শিশির বাসায় ফিরলো,
মা-শিশির আগে খেয়ে নে পরে যাস আমি তোর জন্য বসে ছিলাম,,সবাই মিলে একসাথে খেতে বসলো,,তনু খাবার সার্ভ করতেছে,,শিশিরকে মুরগীর মাংস বাড়িয়ে দিয়ে এক দৌড় দিলো,,
মা-???
শিশির-?
শিশির-বাহ খাবার অনেক মজা হয়সে,,কোন restaurant থেকে আনায়সো
মা-তোর বউ বানাইসে এসব,,
শিশির-?ও,ঝাল বেশি দিসো,দারুচিনিও বেশি দিসো,একটুও মজা হয়নি
তনু-?আমি compliment 1ster গুলা মাথায় রাখি,,2nd গুলা মাথায় ঢুকাই না,
তনুর কথায় সবাই হেসে দিলো,,
মা-শিশির তনু এবার যাও তোমরা ঘুমাতে যাও,,
তনু সব ঠিকঠাক করতে যাবে মা হাত ধরে ঠেলে নিয়ে গেলো,,
দুজনেই রুমে ঢুকে অবাক হয়ে গেলো,,
তনু-বাহ what a surprise
শিশির-?ওহ তাই তো বলি আমাকে রুমে আসতে দেয় না কেন,,ঘুরতে যেতে বলসে কেন
তনু গিয়ে খাট দেখতে থাকলো,,গোলাপ একটা হাতে নিয়ে শিশিরকে দিলো,,শিশির সাইড করে সরে গেলো
তনু-আমাকে একটা দিন
শিশির -চুপচাপ শুয়ে পড়ো
তনু গিয়ে খাটের মাঝখানে বসলো,,
শিশির-ঠিক আছে,আমি সোফায় যাচ্ছি,
শিশির পিছনে তাকিয়ে দেখলো সোফা উধাও এবার তনুর দিকে তাকিয়ে দেখলো তনু নায়িকাদের মত খাটে লম্বা হয়ে শুয়ে আছে মুখে গোলাপ
এই দৃশ্য দেখে শিশিরের কাশি উঠে গেলো, তনু পানি এগিয়ে দিলো,
শিশির পানি খেয়ে খাটের এক কোণে বসলো,,
তনু-প্লিস আপনাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাবো
শিশির-চড় খাবা?
তনু-খাবো,তাও ধরবো
শিশির-দেখো তনু বাড়াবাড়ি করবা না
শিশির শুয়ে পরলো
তনু-এই এই
শিশির-তনু disturb করবা না
তনু কিছু বলতে যাবে দরজার বাইরে হাসাহাসির আওয়াজ আসতেছে,আর রিপা বললো দরজা খুলতে
তনু উঠে গিয়ে দরজা খুললো,,
রিপা-ধর
তনু-কি এটা?
রিপা-ভাইয়াকে দে
সবাই হাসতে হাসতে চলে গেলো,তনু শিশিরের কাছে এসে প্যাকেট টা দিলো
শিশির প্যাকেট টা ছিড়ে ভিতরে দেখলো pregnancy pill
এটা দেখে শিশিরের চোখ কপালে
তনু-কি এটা
শিশির-কিছু না
শিশির এটা নিয়ে dustbin এ ফেলে দিলো
তনু-আরে আমি দেখব তো
শিশির-দেখতে হবে না,,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



ক্রাশ যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_11
পরেরদিন সকালে শিশির উঠে fresh হতে গিয়ে দেখলো বাথরুম লক
শিশির-তাড়াতাড়ি করো,আমার লেট হচ্ছে
তনু-গায়ে সাবান মাখসি,আপনি বললে ঐ অবস্থায় বেরিয়ে আসবো???
শিশির-না না থাক,আমি বসছি,জলদি করো
তনু গোসল করে টাওয়েলটা পরেই বেরিয়ে আসলো
শিশির চোখ তুলে তাকিয়েই ওর কাশ উঠে গেলো
তনু এক গ্লাস পানি এগিয়ে দিয়ে শিশিরের গা ঘেঁষে বসলো
শিশির কাশের জন্য কিছু বলতে পারতেছে না,,
ফ্লোরের দিকে তাকিয়ে পানি খেয়ে ঠিক হলো,,,
শিশির-এই কি সমস্যা তোমার,শাড়ী পরে বের হতে পারো নাই
তনু-আপনিই তো বললেন তাড়াতাড়ি করতে,
তনু উঠে শিশিরের হাত থেকে গ্লাস নিলো,যার লজ্জা পাওয়ার সে পাচ্ছে না,মাঝখান দিয়ে শিশির লজ্জায় শেষ,,নিচের দিকে তাকিয়ে ছিলো কিন্তু এখন ফ্লোরের জায়গায় তনুর হাঁটু দেখতেছে,,
তনু শিশিরের গেঞ্জি টেনে ধরলো,,আজ যেন শিশিরের শক্তি বাপের বাড়ি চলে গেসে,শিশির বরফের মত শক্ত হয়ে বসে আছে
তনু-কি জামাই???হ্যাং হয়ে গেলা?
শিশির-সরো,
শিশির চোখে হাত দিয়ে উঠে গেলো
তনু হাসতে হাসতে শেষ
তারপরই মনে হলো শাড়ী তো বাথরুমে,আর তার সাথে আমার ঐসব জিনিস ইস রে,এই দাঁড়ান দাঁড়ান
শিশির দরজা আটকে ফেললো,,
শিশির-আবার ধরবে আমাকে দরজা খুলবো না,,
তনুর জামার দিকে শিশিরের চোখ যায়নি,চুপচাপ গোসল করে বেরিয়ে এসেই দেখলো তনু কোমড়ে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,ভেজা চুল থেকে টপটপ করে পানি নিচে পড়তেছে,,
শিশির-কি??এখনও change করোনি কেন
তনু-আজব তো,আমার জামা কাপড় ভিতরে রয়ে গেসে,দরজা খুলতে বলসি তাও তে খুলেন নাই
মা-শশশশশশশশিশিশিশররর???
তনু শিশিরের মাকে থেকে ভয়ে লজ্জায় শিশিরের পিছনে গিয়ে লুকালো,শিশির রডের মত দাঁড়িয়ে আছে,
তনু-ইস রে মান ইজ্জত সব গেলো আমার
শিশির-লজ্জা পাইসো ভালো কথা আমাকে এমন খাঁমছে ধরসো কেন,ছাড়ো,
তনু-সরি
মা-তনু রেডি হয়ে আয় তোর ফুফু শাশুড়ী আসছে,আর দরজা টা লক কর
মা মুচকি হেসে চলে গেলো
শিশির এক টান দিয়ে তনুকে সামনে আনলো,
শিশির-দরজা খুলসে কে?
তনু-আমি?
শিশির-ভালো করসো,ফল ও তুমি পাইসো,যাও change করে আসো,,,আবালের মত কাজ করে
তনু-কি বললেন আপনি,
শিশির-কি বলসি আমি???
শিশির এগিয়ে যেতেই তনুর চুলের পানি যেখানে এতক্ষন পড়েছে সেখানে পা দিয়ে তনুকে নিয়ে ঠাস করে নিচে পড়লো
তনু-আউচ,মাগো
শিশির-উফ আমার হাতে লেগেছে,পানি আসলো কোথা থেকে
তনু-সত্যি বলি
শিশির-বলো
তনু-আমার চুলের পানি থেকে
শিশির-ইচ্ছে করতেছে চুল সব ছিড়ে হাতে ধরাই দিই,,
তনু একবার তাকাচ্ছে শিশিরের দিকে আবার তাকাচ্ছে নিজের দিকে,,তারপর এক হাত দিয়ে টাওয়েল টা উপরের দিকে টেনে ঠিক করতেছে,,তারপর চোখ বন্ধ করে বললো শিশিরকে উঠে যেতে
শিশির ও খেয়াল করে নিজেই লজ্জা পেয়ে উঠে গেলো,
দুজনের মুখ লাল টমেটো হয়ে আছে,,
তনু বাথরুমে চলে গেলো
শিশির বাইরে চলে গেলো,,
তনু বের হয়ে দেখলো।শিশির নেই,অফিসে চলে গেসে,মা বলসে দুপুরে চলে আসতে,সবাই মিলে চলে যাব আম্মুর বাসায়,,
তনু গিয়ে ফুফু শাশুড়ীকে সালাম দিলো,,
ফুফু-এটা কি নাতাশা?
মা-না এটা তনু
ফুফু-ভালো করসে ঐ মেয়েকে বিয়া করাও নাই
তনু-?
তনু গালে হাত দিয়ে বসে আছে,শিশির নিশ্চয় বাতাসাকে দেখতে গেসে,,
মা শিশিরকে ফোন দিয়ে তাড়াতাড়ি আসতে বললো,শিশির কাজ শেষ করে নাতাশাকে দেখতে গেলো,,
নাতাশার মা-Doctor বলেছে নাতাশা তোমাকে দেখলে response করে,থেকে যাও এখানে
শিশির-আমি কাল পরশু চলে আসবো একেবারে,,
শিশির নাতাশার মাথায় হাত বুলিয়ে চলে এলো,,
সবাই গাড়ীতে শিশিরের ওয়েট করতেছে,,,শিশির গাড়ীতে বসে পিছনে তাকালো,,তনুকে দেখতে পেলো না
মা-তোর বউ তোর পাশে
শিশির পাশে তাকিয়ে দেখলো তনু দাঁত কেলিয়ে আছে??
শিশির-????
শিশির গাড়ী চালাচ্ছে,তনু আস্তে করে শিশিরের এক হাত জড়িয়ে ধরলো
শিশির-তনু,হাত ছাড়ো
তনু-শুনতে পাই নাই কি বললেন
শিশির-বেয়াদব মেয়ে
তনু-এটাও শুনিনি
শিশির এক হাত দিয়ে গাড়ী চালাচ্ছে আর তনু পারতেছে না শিশিরের দুহাত চেপে ধরে,শিশিরের গা কাঁপতেছে কি করবে,,গলা শুকায় গেসে,,,
রাতে সবাই বাসায় ফিরলো,,শিশির আর তনু তনুদের বাসায় আসলো,,,
শিশির খাওয়া শেষে রুমে এসে দেখলো তনু ঘুমিয়ে গেসে,, মনে হয় বেশি ক্লান্ত, যাক বাবা ভালো হয়সে,নাহলে এখন জ্বালাতো
শিশির গিয়ে খাটের এক কোণে শুয়ে পরলো,,১২টার দিলে তনুর হাত ঠাস করে শিশিরের বুকে পড়তেই শিশিরের ঘুম ভেঙে গেলো,,
শিশির-উফ মাত্র কত কষ্ট করে ঘুমটা আনিয়েছি,দিলো তো ঘুম ভাঙিয়ে,,,
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে ঘুম থেকে উঠিয়ে দিলো
তনু ঘুম ঘুম চোখে তাকিয়ে আছে,,
তনু-কি হয়সে
শিশির খেয়াল করলো তনুর গায়ে জ্বর,,কপালে হাত দিয়ে দেখলো সত্যি জ্বর,,
শিশির -হয়সে ঘুমাও
তনু আবার ঘুমিয়ে গেলো
সকালে শিশির তাকিয়ে দেখলো তনু শিশিরের গায়ের সাথে লেগে আছে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে তনু,,নিজের গায়ের জ্বর যেন শিশিরকে দিতে চায় তনু,,
শিশির সরাতে গিয়েও ওর মন দিচ্ছে না,হঠাৎ জ্বর এলো কেন,,
৯টা বাজে,,তনু এখনও শিশিরকে ধরে ঘুমাচ্ছে,শিশির ও নড়তেছে না,
মা-তনু তনু
মায়ের ডাকে তনু চোখ খুলে শিশিরের বুকে নিজেকে দেখে ভয়ে উঠে গেলো তার পর দেখলো শিশির নরমাল ভাবে তাকিয়ে আছে
তনু-সরি
তনু উঠে গেলো,
শিশির-আজ গোসল করো না
তনু-হুম,শীত লাগতেছে
তনু fresh হয়ে নাস্তা করতে গেলো,
মা-শিশির ওদের বাসায় গেসে কি কাজ আছে,এই ঔষুধ গুলা কিনে দিয়ে গেসে,,তোর জ্বর আসছে তাই
তনু-এত কেয়ারিং, মা সূর্য কোনদিকে উঠসে?
মা-চুপ,ঔষুধ খা,,
শিশির frd দের নিয়ে ঘুরতে গেলো
অমি-বুঝলি শিশির মন ভালো না
শিশির-কেন
অমি-আমার বউটার খুব জ্বর,ওর কথা মনে পড়তেছে,আমি যাই তোরা থাক
শিশিরের তনুর কথা মনে পড়লো,,
শিশির বাসায় এসে দেখলো তনু কাঁথা মুড়ে সোফায় বসে টিভি দেখতেছে
শিশির রুমে চলে গেলো, তনু উঠে পিছন পিছন গেলো
শিশির-কাল সকালে ঢাকা চলে যাব আমি
তনু-আর আমি?
শিশির-তুমি গিয়ে কি করবে
তনু মন খারাপ করে চলে গেলো,শিশির হয়ত তনুর এই expression আশা করেনি
শিশির-ধূর ও চলে গেসে আমার তো খুশি হওয়ার কথা
তনু মুখ কালো করে টিভি দেখতেছে,,
মা ফোন দিতেই ফোন হাতে নিলো
মা-শোন তোরা কাল যাওয়ার সময় দেখা করে যাস
তনু-তোমার ছেলে আমাকে নিবে না
মা-ও না নিলে ওরেও আমি যেতে দিব না
তনু -ইয়ে??????
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_12
তনু এসে নিজের জিনিস গুছাতে থাকলো
শিশির-হুম মায়ের কাছে থেকো,যাওয়ার সময় নামিয়ে দিয়ে যাব
তনু-??
পরেরদিন ♥♥
শিশির তাদের বাসায় গিয়ে মায়ের সাথে কথা বলে বের হওয়ার সময় দেখলো তনু ও আসতেছে
শিশির-তুমি কই যাও
মা-ও তোর সাথে যাবে
শিশির-আমি ওরে নিবো না
মা-চুপ,যা তনুকে নিয়ে, ফি আমানিল্লাহ
শিশির গিয়ে গাড়ীতে বসলো তনু পাশে বসে মুচকি মুচকি হাসতেছে
শিশিরের মন চাচ্ছে কাঁচা গিলে ফেলতে তনুকে
গাড়ীতে একটা কথাও বলেনি শিশির,,
তনু তো বকবক করেই যাচ্ছে,,
বাসায় এসেই শিশির ব্যাগ রেখে বেরিয়ে গেলো,
তনু-আবার সেই বাতাসাকে দেখতে গেসে মনে হয়,,
তনু fresh হয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে আছে,ওর ফোন বেজে উঠলো,তনু দৌড়ে দেখতে গেলো শিশিরের কল মনে হয়,গিয়ে দেখলো unknown number,
তনু-হ্যালো
তন্ময় -হাই তনু
কন্ঠটা শুনেই তনুর গা কেঁপে উঠলো,লাইন কেটে দিলো,,
তনুর গলা শুকিয়ে গেসে ভয়ে,
১বছর আগের ঘটনা,,তন্ময় তনুকে খুব disturb করতো,,বখাটে ছিলো একদম তনু বাসা থেকে বের হতে পারতো না ভয়ে,,কিন্তু হঠাৎ করেই তন্ময়ের বাবা ভিসা করে ওকে বিদেশ পাঠিয়ে দেয়,কিন্তু তন্ময় প্রতিজ্ঞা করে সে ১বছর পর এসে তনুকে বিয়ে করবে,,
তনুর এতদিন মনেও ছিলো না,,ও যদি আমার শিশিরের ক্ষতি করে বিয়ের কথা শুনে,,কি করবো,,
তন্ময় আবার ফোন দিলো, তনু ফোন অফ করে দিলো,,মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,,হঠাৎ করে হাত পা কাঁপতেছে তনুর,,খাটে গিয়ে শুয়ে পরলো,,
শিশির ঘন্টা খানেক পর এসে দেখলো তনু ঘুমাচ্ছে,,এই সন্ধ্যাবেলা ঘুমাচ্ছে কেন, জ্বর এলো নাকি,শিশির গিয়ে কপাল চেক করতেই ভয় পেয়ে গেলো, এত জ্বর,,শিশির দেরি না করেই পাশের একটা হসপিটাল থেকে doctor নিয়ে এলো,,উনি বললো ডেঙ্গু হওয়ার সম্ভাবনা আছে,,
শিশির কি করবে বুঝতে পারতেছে না,,তনুকে নিয়ে হাসপাতালে চলে আসলো,,এডমিট করা হলো তনুকে,,
তনু চোখ খুলে তাকিয়ে দেখলো সে হসপিটালে,দূরে শিশিরকে দেখা যাচ্ছে,doctor এর সাথে কথা বলতেছে,,
তনু কথা বলতে পারতেছে না,,
শুধু তাকিয়ে আছে,,
শিশির পাশে এসে বসলো
শিশির-ঢাকায় আনায় এমন হয়সে,,আমাকে ফোন দিতে পারলা না
তনু-আপনি কি ফোন ধরেন কখনও আমার
শিশির চুপ হয়ে গেলো,,
তনু-আপনি কি এখন আমাকে রেখে চলে যাবেন
শিশির উঠে চলে গেলে
তনু-স্বার্থপর
শিশির বাইরে সিটে বসলো,,
একটা মহিলা এসে তনুর পাশের সিটে বসলো,
মহিলা-তোমার জামাই বাইরে বসে আছে
তনু-তাই????
তনুর বমি আসতেছে কষ্ট করে উঠে বসলো,
নার্স-আপনার husband কে ডেকে আনছি
তনু-না লাগবে না
এটা বলার পরই সাথে সাথেই শিশির এসে তনুর পিঠ ধরলো,তনুকে সামলে নিলো
তনুর সেদিকে খেয়াল নেই,বমি করে অচেতন হয়ে গেসে,
শিশিরের এবার টেনসন হচ্ছে,মেয়েটার যদি কিছু হয়ে যায়,
নাতাশার মা শিশিরকে কল দিয়ে বললো আসতে নাতাশার চোখ থেকে নাকি পানি যাচ্ছে,,
শিশির উঠতে যাবে তনুর হাত শিশির জামা আকড়ে ধরে আছে,তনু ঘুমাচ্ছে এখন ওরে একা রেখে যাই কি করে,,
শিশির নার্সকে ডেকে বললো খেয়াল রাখতে,বাড়তি টাকা দিলো,তারপর বেরিয়ে গেলো,
বিকালের দিকে তনুর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেলো,বমির সাথে রক্ত যাচ্ছে,,Treatment এর অনেক কিছুই কিনতে হবে,doctor বার বার বলতেছে patient এর অভিবাবক কই
শিশির নাতাশাকে দেখে আবার বেরিয়ে গেলো,,
হসপিটালে এসে দেখলো তনুর সিট খালি
নার্স শিশিরকে দেখে এগিয়ে গেলো
নার্স-এতক্ষন কই ছিলেন আপনি,জানেন আপনার স্ত্রীর অবস্থা খারাপ হয়ে গেসিলো,,দোকান থেকে অনেক কিছু কেনার লাগতো,ভাগ্যিস আমাদের স্যার ভালো তাই উনি উনার টাকা দিয়ে কিনে treatment শুরু করসে,,
শিশির-ও কই এখন,ঠিক আছে তো
নার্স শিশিরকে নিয়ে গেলো তনুর কাছে,হাতে নতুন করে canaler লাগানো হয়সো,তনু চোখ বন্ধ করে শুয়ে আছে,
শিশির মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো
doctor -আপনি কি সত্যি উনার husband?এমন অবস্থাতে কেউ ওয়াইফকে একা ছাড়ে?
শিশির কিছু বললো না,,
রাতে♥
শিশির সারাদিন কিছুই খায়নি,মা ফোন দিসে,শিশির কিছু বলেনি মাকে,
তনুর হাত ধরে বসে আছে,
তনু চোখ খুলে উঠার চেষ্টা করলো,
শিশির দিলো না
তনু-আপনি বাসায় গিয়ে fresh হন,আমি ঠিক আছি,
শিশির-না,লাগবে না
তনু-তখন নাতাশাকে দেখতে গেসিলেন তাই না
শিশির চুপ হয়ে রইলো,
তনু-সরি
শিশির-কেন
তনু-আপনি সত্যি নাতাশাকে ভালোবাসেন,আমি পারলে বিয়েটা আটকাতে পারতাম,কিন্তু আমি তা করিনি,আপনাকে এখন দোটানায় পড়তে হচ্ছে,,বুয়া কে বলেন এখানে এসে থাকতে আর আপনি বাসায় যান
শিশির-না,ঘুমাও
কয়েকদিন কেটে গেলো,,শিশির অফিসে যায় না,সারাদিন তনুর পাশেই থাকে,নাতাশার মাকে বলসে সে মায়ের বাসায়,,আজ তনু সুস্থ কিছুটা,Doctor বলসে বাসায় ফিরতে পারবে, বাসায় এসে তনু সোফায় বসলো,শিশির টিভি অন করে দিয়ে রুমে চলে গেলো,বসে ভাবতে থাকলো সে কি বদলে গেসে?তনুর জন্য নাতাশাকে sacrifice করছি আমি??আমি কি তনুকে,না যেই অসুস্থ হয় আমি কেয়ার করি সবার তাই বলে তো তাদের আমি ভালোবাসি না,নাতাশাকে ভালোবাসি,
শিশির ভাবতে ভাবতে fresh হয়ে নিলো, তনু সোফায় ঘুমিয়ে গেসে,
তনুকে কোলে তুলে নিতেই ফোন বেজে উঠলো,শিশির তাকিয়ে দেখলো নাতাশার মায়ের কল,শিশির তনুকে খাটে শুইয়ে দিয়ে ফোনটা হাতে নিতেই ওর মনে পড়লো একদিন হাজার কাজ নিয়ে শিশির ব্যস্ত ছিলো কিন্তু নাতাশার মায়ের কল দেখে কাজ ফেলে কল রিসিভ করসে সে,আর আজ কি হলো,
শিশির মাথাটা ধরেছে খুব,,কি করবো আমি, আমি নাতাশাকে ঠকাচ্ছি,
শিশির সোফার রুমেই ঘুমিয়ে গেলো,,
সকালে চোখ খুলতেই দেখলো,,একটা মেয়ে,,সারা ঘরে হাঁটছে আর এটা ওটা কাজ করতেছে,,চোখটা ঝাপসা ঝাপসা লাগায় শিশিরের মাথায় আসতেছে না ছোটাছোটি করা মেয়েটা তনু,চুল খোঁপা করা,,কাপড় কোমড়ে গোজানো,,পরনে নীল শাড়ী,,শিশির চোখ ডলে আবার তাকালো,তনু কাজের মাঝেই তাকালো শিশিরের দিকে
শিশির-তোমার শরীর খারাপ কি করতেছো তুমি
তনু-কিছুই না,নাস্তা বানালাম,আর এখন দুপুরের রান্না করতেছি
শিশির-মানে,কইটা বাজে,
তনু-১১টা
শিশির লাফ দিয়ে উঠে পড়লো,,
তনু-আরে আজ তো শুক্রবার
শিশির-ওহ,তাইলে ঠিক আছে
শিশির fresh হয়ে এসে খেতে বসলো
শিশির-আজ ঐ ভাজি নেই?
তনু মুচকি হেসে এগিয়ে দিলো,
শিশির-হাসার কিছু নেই,আমি মোটেও তোমাতে impressed নাহ
তনু-আমি তা ভাবতেছিও না,যাই হোক আজ আমি আপনার সাথে নাতাশাকে দেখতে যাব
শিশির-নাহ আমি তোমাকে ওখানে নিয়ে নাতাশার ক্ষতি করতে চাই না
তনু-দূর থেকেই দেখবো,তাও যাব প্লিসস প্লিস
শিশির-ওকে তৈরি হয়ে নাও
তনু এক দৌড়ে রেডি হয়ে নিলো,
শিশির কেবিনে ঢুকলো তনু উঁকি মেরে বাইরে থেকে দেখতেছে ভালো করে,হঠাৎ তনুর চোখ গেলো নাতাশার পায়ের দিকে,একি,এটা আমি কি দেখলাম,নেইলপলিশ???কোমায় থেকেও নেইলপলিশ লাগানো যায়,দেখসো কি শেয়ানা,হাতে লাগায় নাই শিশির দেখবে করে,তাই পায়ে লাগাইসে,শয়তান মাইয়া, অসভ্য,আমার স্বামীকে ছলে বলে এতদিন রাখসে,আগেই জানতাম এই মেয়ে মিথ্যা নাটক করতেছে,তনু পিছন ফিরে দেখতে যাবে শিশিরের গায়ের সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির ধরে ফেললো
শিশির-কি হয়সে
তনু-কিছু না,আসুন
দুজনেই গাড়ী থেকে নামার সাথে সাথে বৃষ্টি শুরু হলো,শিশির তো ভয়ে শেষ না জানি জ্বর বেড়ে যায়,শিশির তনুর হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো
তনু অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে,আমার জ্বরর হওয়ার এত ভয় আপনার,,
শিশির দৌড়ানোর সময় তনুর দিকে তাকিয়ে দেখলো তনু হেসে তাকিয়ে আছে
শিশির-কয়েকদিনের জ্বরে অনেক জ্বালাইসো,তাই আর তা হতে দিচ্ছি না
চলবে♥

Crush যখন বর Season_3Part_7/8/9

0

Crush যখন বর Season_3Part_7
Writer-Afnan Lara

তনু শিশিরের রুমে গিয়ে ঠাস করে দরজা খুলে ভিতরে ঢুকে গেলো,,
শিশির তখন শার্ট খুলতেছিলো
শিশির-কি??আসার সময় নক করা যায় না
তনু-ঢাকায় যাওয়ার আগে বলে যাওয়া যায় না
তনু ভিতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো,,
শিশির-আমার personal matter এ আমি তোমাকে involve করতে চাই না,,তোমার ও এত জানার দরকার নেই
তনু-ওওওও তাই না???হুমম??
তনু এগিয়ে গিয়ে শিশিরের শার্টের কলার ধরে টেনে এক ধাক্কা মেরে খাটে ফেলে দিলো,,তারপর শিশির কিছু করার আগেই ওর উপরে উঠে বসলো
শিশির-এই এই কি করতেছো কি তুমি,সরো
তনু-চুপ একদম চুপ,
তনু শিশিরের মুখ চেপে ধরলো,
তনু-তোর সাহস হয় কেমনে আমাকে ignore করার জানস আমি কে??হবু মিসেস চৌধুরী,,আর একদিন এমন করবি তো তোর হাড় ভেঙে তোর কোলে ধরায় দিব,বেয়াদব ছেলে কোথাকার,আমি আর ৫টা মেয়ের মতন না যে তো এসব ফালতু ignore accept করে নিব,যা আমি পাই না তা জোর করে নেওয়ার ক্ষমতা আমার আছে,,
শিশির তনুর কথা শুনে রাগে তনুকে নিচে ফেলে নিজে উপরে উঠে তনুর হাত চেপে ধরলো
তনু মোটেও প্রস্তুত ছিলো না এটার জন্য,
শিশির কথা বলতে যাবে তখন তনুর দিকে তাকিয়ে দেখলো ওর গা থেকে শাড়ী সরে গেসে,তনু ও এটা খেয়াল করে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেললো
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে উঠে গেলো
তনু উঠে শাড়ী ঠিক করে বেরিয়ে চলে গেলো,,
শিশির কিছুটা শক খেয়েছে,,এত dangerous, না আর যাই হোক একটা ছেলের সাথে কখনও পেরে উঠবে না,,
শিশির fresh হতে চলে গেলো,, fresh হয়ে বাইরে বেরিয়ে চারিদিক দেখতে থাকলো
মা-কি দেখস?তোর বউ চলে গেসে
শিশির হকচকিয়ে বললো
শিশির-আমি ওরে খুঁজতেছি না
মা-হুম তা তো দেখতেছিই
শিশির -হয়সে বাদ দাও,আমার ক্ষিধা পেয়েছে
মা মুচকি হেসে শিশিরকে খেতে দিলো,,
পরেরদিন ♥♥♥
মা শিশির তনু আর তনুর মা গেলো shopping করতে,,
তনু একটা শাড়ী নিয়ে শিশিরের দিকে তাকালো,শিশির না দেখার ভান করে আরেক দিকে তাকিয়ে রইলো, তনু আরেকটা শাড়ী নিয়ে শিশিরের সামনে এসে দাঁড়ালো,তাও শিশির তাকালো না দেখে তনু রেগে গিয়ে শিশিরের পা মাড়িয়ে দিলো নিজের পা দিয়ে,
শিশির-আউচচচচ!
তনু-জানু,এটাতে আমায় ভালো লাগে বলো?
শিশির-যাও এখান থেকে
তনু -আরও একটা দিব নাকি
শিশির-আগেরটা বেটার ছিলো,,
তনু-উম্মমাহহ thanku
শিশির -?
মা-কিরে পছন্দ হলো তোদের
তনু-হুম, কিন্তু তোমার ছেলে দেখো দাঁড়িয়ে ফোন টিপতেছে,
মা-শিশির?
শিশির-হ্যাঁ বলো
মা-তনু তুই পছন্দ করে দে
তনু পছন্দ করে একটা পাঞ্জাবি নিলো,,
শিশিরের মা আর তনুর মা রাস্তায় নেমে গেলো কিছু গয়না কেনার আছে ইচ্ছে করেই নামলো ওদেরকে একটু টাইম দেওয়ার জন্য
শিশির চুইং গাম নিলো হাতে তনু থাবা দিয়ে নিয়ে নিলো,,
শিশির কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো
শিশির-আমার জিনিসে হাত দেওয়া আমি লাইক করি না
তনু-আমাকে না দিয়ে খাওয়াও আমি লাইক করি না,,হয় একসাথে খামু নয় তো না খেয়ে থাকমু,তনু চুইংগাম ২ভাগ করে ১ভাগ শিশিরের মুখে ঢুকিয়ে দিলো,মেয়েটা এমন এমন এমন কাজ করে যার জন্য আমি প্রস্তুত থাকি না,সারাটা জীবন কি করবে আল্লাহ জানে
তনু-কি ভাবেন এতো,আপনার বাতাসার থুক্কু নাতাশার কি খবর,তাকেই তো দেখতে গেসিলেন ঢাকায়
শিশির-???
তনু-যাই হোক,বিয়ের পর এই বাতাসারে আমি গরম পানিতে ভিজায় রাখমু then গলে যাবে,,I mean কোমা থেকে চলে আসবে,আপনার ও আর দেখতে যেতে হবে না
শিশির-ও ভালো হয়ে গেলে আমি ওরে বিয়ে করে আনবো
তনু-তাই নাকি,তাহলে হাইকোর্টে মামলা করবো,আমার ও হবেন না ঐ নাতাশার ও হবেন না,,জেলে বসে তাকাই দেখবেন বুঝছেন
শিশির- ??????????
তনু-??????
তনু-আচ্ছা একটা কথা বলেন
শিশির-কি
তনু-বাতাসা সত্যি সত্যি কোমায় তো??
শিশির-কি বলতে চাও তুমি
তনু-আসলে আপনাকে বোকা বানানো খুব সোজা,আমার মনে হচ্ছে বাতাসা সত্যি কোমায় না
শিশির-আমি বোকা?
তনু-হুম,না হলে তাকিয়ে দেখেন আমার হাত কোথায়
শিশির নিজের দিকে তাকিয়ে দেখলো ওর হাঁটুতে তনুর হাত,এটা দেখে শিশিরের কাশ উঠে গেলো,তনু পানির বোতল এগিয়ে দিলো
তনু-যাই হোক,বিয়ের পর ঐ বাতাসার কেস আমি solve করবো,এখন শুধু বিয়েটা হোক,,
শিশির তনুকে বাসায় নামিয়ে দিলো,,
তারপর না তাকিয়েই চলে গেলো
তনু-সব কিছুর প্রতিশোধ নিব আমি,বিয়ে হোক
রাত ১১:৫৫মিনিট ♥♥
শিশির ফোন রেখে চোখ বুজে শুয়ে আছে,হঠাৎ ঠাস করে শব্দ হলো বারান্দায়,
শিশির উঠে গেলো দেখতে,,নিচ থেকে একটা হাত শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরে উপরে উঠে এলো,,
শিশির কিছুই বুঝে উঠতে না পেরে গলা থেকে হাত সরিয়ে নিতে নিলো তনু চিৎকার দিয়ে শিশিরকে ভালো করে ধরলো,
শিশির-তনু???
শিশির তনুকে টেনে তুলে আনলো
তনু-এই কোনো কান্ডজ্ঞান নেই আপনার???আমাকে ফেলে দিচ্ছিলেন কেন
শিশির-তুমি এত রাতে এখানে আসছো কেন??আর তুমি একা আসছো এত রাতে?
তনু-না,,রনি(তনুর ভাই) দিয়ে গেসে আমাকে.ও নিচে
শিশির-কেন আসলা এখানে??কোন ধরনের অভদ্রতা
তনু-চুপ
তনু প্যাকেট একটা নিয়ে শিশিরের খাটের মাঝখানে গিয়ে বসলো
শিশির-কি??আজব
তনু-চুপ,একদম চুপ
তনু-ইয়েইয়েইয়ে Happy birthday to me???????????????.Adult হইয়া গেসি,
এটা বলেই তনু শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরলো,সাথে সাথে শিশির ছাড়িয়ে দিলো
শিশির-don’t touch me?,
তনু-wish করো নইলে ছুরি পেটে ঢুকিয়ে দিব
শিশির-তোমার এত সাহস নেই
তনু-হুম,আপনার পেটে ঢুকানোর সাহস আমার নেই তবে আমার পেটে ঢুকাতে পারি তাই বললাম
শিশির-তুমি আসলেই পাগল,উশৃঙখল একটা মেয়ে
তনু-wish?
শিশির-Okh,Happy birthday
তনু-উম্মাহ,তনু কেক কাটলো
শিশির মনে মনে ভাবলো কেক খাওয়তে আসলো খাবো না
তনু কেক কেটে সবটা নিজের মুখে পুরে নিলো,,
তনু-আহা চকলেট কেক আমার খুব প্রিয়,
তনু এক পিস বাইরে রেখে বাকি গুলা নিয়ে ভিতরে চলে গেলো
শিশির-এই এই দাঁড়াও কই যাচ্ছ তুমি
তনু গিয়ে ফ্রিজে কেক রাখলো
তনু-কাল আপনার আম্মু আব্বুরে এগুলা দিবেন,
কাল তো আমাদের গায়ে হলুদ,,
তনু রুমে এসে কেক নিয়ে বসে রইলো
শিশির-এটাও maybe খেয়ে ফেলবে,
শিশির ফোন নিয়ে বসলো,আর তনু খপ করে ধরে শিশিরের মুখে কেক ঢুকিয়ে দিলো
তনু-ব্যস আমারর কাজ শেষ,,জন্মদিন টা আপনাকে দিয়ে শুরু করলাম,,বাই জামাই,কাল দেখা হবে
শিশির পানি দিয়ে কেক গিললো,,
তনু-জামাই আমাকে ধরো নিচে নামতে গেলে নইলে পড়ে যাব
শিশির -ধরবো না
তনু-চিল্লাবো?
শিশির -আচ্ছা ধরতেছি,
তনু নিচে নামলো বারান্দা দিয়ে
তনু-বাই বাই
শিশির হঠাৎ মুচকি হেসে দিলো,একটা পাগল মেয়ে,যার বাইরের জগৎ এর প্রতি কোনো interest নেই,যেন আমিই তার সবটা জুড়ে,যাই হোক আমার সবটা জুড়ে নাতাশা,
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_8
পরেরদিন হইহুল্লড় শুরু হয়ে গেলো,,শিশির পাঞ্জাবি পড়ে বসে আছে মুখ গোমড়া করে
মা-শিশির এসব কি,হাসি মুখে থাক,
শিশির তাও হাসলো না,,সবাই গাড়ীতে উঠলো,,Party center এ যাওয়ার জন্য,,
মীম-ভাইয়া দেখ দেখ তনু ভাবীকে কি সুন্দর লাগতেছে
শিশির তাকালো না
মা-শিশির তুই এমন করলে কিন্তু আমি ভাত খাবোই না
শিশির-তোমার ভালোর জন্যই আমি বিয়েটা করতেছি,আর চাপ দিও না আমাকে প্লিস
শিশির এসে stage এ বসলো,
সবাই মিলে জড়ো হয়ে শিশিরের ছবি তুলতেছে,বউকে কে দেখবে সবাই পারে না শিশিরকে নিয়েই চলে যায়,,
পাঞ্জাবি তে যা দেখতে লাগতেছে,,তনু না জানি বেহুশ হয় এটা বলেই কয়েকজন হাসতে হাসতে শেষ
তনুকে আনা হলো,,হলুদ শাড়ী পড়ে আছে,মুখ তুলে শিশিরকে দেখে তনুর মুখে হাসি ফুটলো,এত খুশি হলো আর এত crush খেয়ে গেলো মনে হলো এখনই পড়ে যাবে,,মীম ধরলো
মীম-ভাইয়া ভাবী তো তোরে দেখে জ্ঞান হারানো অবস্থা এবার তুই তাকিয়ে আমাদের উদ্ধার কর
শিশির তাকাচ্ছে না দেখে মা জোর করে ওর থুতনি ধরে মুখ উঁচু করলো তখনই তনু চোখ মেরে দিলো
চোখ মারা দেখে শিশিরের কাশ উঠে গেলো,রনি এসে শরবত দিলো শিশিরকে,
তনু গিয়ে গা ঘেঁষে বসলো শিশিরের,এই অবস্থায় শিশিরের খুব অসস্থি লাগতেছে,,নড়তে পারতেছে না,,মা বকবে,মা চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে
তনুর মা-এই শুনো তোমার মেয়েকে একটু থামাও দেখো না কেমন জামাইর গা ঘেঁষে বসে আছে,লজ্জা শরমের মাথা খেয়েছে নাকি
বাবা-আমি কি বলবো,,
গান বাজানো শুরু হলো
Te-Te-Tere vargi na pind vich duji
Punjabi koi chick mahiya
Kyun tu khidki te baithi sharmaye
Barande utte dikh mahiya

Tere vargi na pind vich duji
Punjabi koi chick mahiya
Kyun tu khidki te baithi sharmaye
Barande utte dikh mahiya

Banno tashan tera atti fantastic
Social media pe hukam chalaaye
Phone pe baatein kare apne left hand se
Right hand pe mehandi lagaye

Boyfriend ki tujhe koi fikar nahi
Pehli date pe kahe, okay bye!
Devdas ki tarah afsoos wo kare
Ke tu haske innocent si shakal banaye

Cutiepie, Cutiepie, cutiepie..
Aaye haaye
Cutie-Cutiepie
তনু উঠে গিয়ে নাচতে থাকলো,ওর এত খুশি দেখে ওর মা বাবাও খুশি হয়ে গেলো,
শিশির-১০০বার বলসি এই মাইয়ার লগে বিয়া দিও না আমায়,এখনই সামলাতে পারি না পরে কিভাবে সামলাবো,
তনু নাচতে নাচতে ওর পেটের উপর থেকে শাড়ী সরে গেলো অনেকক্ষানি
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে চোখ ফেরানোর সময় ওর চোখ তনুর পেটের দিকে গেলো
শিশির-উঠে গিয়ে বলবো? না পরে আমার পিছু ছাড়বে না,শিশির দেখলো তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে হাসতেছে আর নাচতেছে,শিশির ইশারায় তনুর পেটের দিকে বুঝালো
তনু থেমে গিয়ে পেটের দিকে তাকিয়েই জিহ্বায় কামড় দিয়ে শাড়ী টেনে দিলো,
শিশির-যাক সাপ ও মরলো,, লাঠিও ভাঙলো না
তনু flying kiss পাঠালো
শিশির-???????অসহ্য,
তনু এবার এসে শিশিরের পাশে বসলো
তনু-কি মশাই আমাকে পছন্দ করেন না তো আমার পেট অন্য কেউ দেখলে আপনার prob কি,ঢাকতে বললেন যে
শিশির-আমার কর্তব্য আমি পালন করসি বাকিটা তোমার ইচ্ছা
তনু-বিয়ের পরের দায়িত্ব পালন করবেন??
শিশির-করবো,,
তনু-দিবেন আমাকে ভালোবাসা?
শিশির-সেটা আশা করবা না,,হুদাই কষ্ট পাবা
তনু-এক লাথি দিয়ে বাতাসার ভূত তোর মাথা থেকে নামাবো
শিশির-কিছু বললা?
তনু-হুম,বলসি কেমন আছেন
তনুর মা-তনু তোর ফুফু আসছে
তনু-আসসালামু আলাইকুম,,
ফুফু-কিরে তনু,,,
বেশ handsome জামাই পেলো আমাদের তনু?
ফুফাতো বোন(রিপা)-আমাদের তনু ও কম কিসের
এই ফাঁকে শিশিরের মা এসে তনুর গলায় হার পরিয়ে দিলো
তনুর বাবা-নাও সবাই হলুদ দেওয়া শুরু করো,,
একে একে সবাই হলুদ লাগিয়ে দিলো,,,শিশির উঠে রনির কাছে গেলো
শিশির-ওয়াসরুম টা কোনদিকে
রনি-এদিকে আসো
তনু হাতে হলুদের বাটি নিয়ে ওয়াসরুমের বাইরে দাঁড়িয়ে রইলো,,শিশির বের হতেই ওর সামনে গিয়ে দাড়াঁলো
শিশির-কি??
তনু হলুদ নিয়ে শিশিরের গালে লাগালো,,শিশিরের দিকে এগিয়ে যেতে নিলো শিশির ও পিছিয়ে গেলো,,যেতে যেতে শিশির দেওয়ালের সাথে লেগে গেলো
শিশির-এসব কি,,মানুষে ভর্তি,এমন করতেছো কেন
তনু-চুপ,
তনু শিশিরের গলায় হাত দিয়ে হলুদ লাগিয়ে দিলো,শিশিরের বুক কাঁপতেছে,,এ প্রথম নারী জাতির স্পর্শে এতটা ভয় লজ্জা কাজ করতেছে,নাতাশাও এমন ভাবে ছোঁয় নি কখনও,
শিশিরের হুস আসতেই সাইডে দিয়ে চলে যেতে নিলো তনু হাত ধরে ফেললো
তনু-আমাকে হলুদ লাগাবা না?
শিশির-কাজ নাই আমার
তনু-নাই তো,একটু লাগিয়ে দাওও
শিশির-পারবো না
তনু-দাও
শিশির-বলসি না পারবো না
তনু-তুই লাগাবি না তোর ঘাড় লাগাবে,
তনু শিশিরের হাতের আঙুল বাটিতে ডুবিয়ে নিজের গালে লাগিয়ে দিলো
তনু-যা এবার
শিশির রেগে চলে গেলো,,গিয়ে মায়ের সামনে পড়লো
মা-কিরে তোর গলায় আবার কে হলুদ লাগালো
শিশির -তনু আর কে
মা-??????একদম কামের কাম করসে
শিশির-তুমিও বলতেছো এটা
মা-যাক আমি নিশ্চিত এই মেয়ে আমার শিশিরকে আয়ত্তে আনতে পারবে,,
শিশির-????
তনু বাসায় এসে change করে নিলো,হলুদ উঠাতে গিয়ে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো,ইস এই হলুদে শিশিরের ছোঁয়া আছে,উঠাতে মন চাইতেছে না
শিশির বাথরুমে গিয়ে আয়নায় দাঁড়ানোর সাথে সাথে ওর গলার হলুদের দাগের দিকে নজর গেলো
শিশিট-প্রচণ্ড বেয়াদব একটা মেয়ে,,কত বড় সাহস দেখসো,না ওরে বেশি পাত্তা দিয়ে ফেলসি তাই এমন করতেছে,,
শিশিরের চোখ ঘুম নেই কি করবে বাসর রাতে কাল তা ভেবে
শিশির-যদি জোর করতে চায় একটা চড় মেরে দিব,বাচ্চা মেয়েদের এমন করে শাসন করতে হয়,
শিশির-সোফায় ঘুমাবো আমি,ওর সাথে ঘুমাবো না,,এসব ভাবতে ভাবতে শিশির ঘুমিয়ে পড়লো
তনু সকাল থেকে ব্যস্ত,, পার্লারের লোক এসে গেছে,,তনুর জন্য শাড়ী, গয়না পাঠানো হয়েছে,,শাড়ীটা বেশ দেখতে,,খয়েরী রঙের,,নেটের শাড়ী,,,,,
শিশিরকে ওর frd রা মিলে সাজাচ্ছে,,
টিপু-কিরে ভাই তোর মন খারাপ কেন
রিপন-ভাবী পছন্দ হয়নি নাকি?
অমি-না রে ভাবীরে আমি দেখসি,, heavy দেখতে ,, হট??
হট কথাটা শুনে শিশিরের কেন যেন রাগ হলো
শিশির-এসব ভাষা use করবি না
টিপু-দেখছো ওর গায়ে লাগসে,আমরা হুদাই ভাবতেছি
রিপন-ভাবীর প্রতি অনেক টান শিশিরের তা বুঝা যাচ্ছে,,
শিশিরকে golden কালারের শেরওয়ানি পরানো হলো,,গাড়ী সাজানো রেডি,,শিশিরের frd রা ওকে নিয়ে গাড়ীতে বসালো,,
টিপু-নাতাশার মা জানে তুই যে বিয়ে করছিস??
শিশির-না,জানলে হয়ত নাতাশার সামনে বলে দিবে,তখন ওর যদি ক্ষতি হয়
সবার আগে আমার গল্প পড়তে চাইলে “নীল ক্যাফের ভালোবাসা” পেজে পাবেন।
কিছুক্ষণ পরই party center এ এসে পড়লো শিশিরের গাড়ী,,গেটে তনুর খালাতো ভাই বোন দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির গিয়ে দাঁড়ালো,,জামাই আপ্যায়ন শুরু হলো
রিপা-ভাইয়া আমরা কিন্তু ৫হাজার ছাড়া ঢুকতে দিব না
রিপন-মগের মুলুক নাকি,
ঐশি-তাহলে এখানেই দাঁড়িয়ে থাকেন
শিশির পকেট থেকে ৫হাজার টাকা নিয়ে দিয়ে দিলো
অমি-ঐ তুই পাগল হইছস
শিশির-কথা বলিস না চলে আয়
শিশির ভিতরে ঢুকে গেলো,,
রিপা-আমাদের দুলাভাই কত ভালো,
শিশির গিয়ে stage এ বসে রইলো, মা হাত থেকে আসার সময় ফোন নিয়ে নিয়েছে,,
তনুকে সাজানো শেষ এবার আনতেছে
তনু-আজ না জানি উনারে দেখে আমি জ্ঞান হারাই,কেমন লাগতেছে কে জানে
তনু center এ ঢুকে,নিচের দিকে তাকিয়ে থাকলো,ভয় করতেছে, লজ্জা লাগতেছে,,
শিশির চোখ তুলে তাকালো,তনুর দিকে তাকিয়ে শিশির অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলো,মেক আপ এ অপ্সরী বানিয়ে দিসে নাকি সত্যি সে অপ্সরী,, আগে কখনও এমন ভাবে তাকাইনি,শিশিরের চোখের পাতা নড়তেছে না কিছুটা হা হয়েই তাকিয়ে আছে,,
অমি-ঐ শালা চোখ নামা মাইনষে কি কইবে
শিশির চোখ নামিয়ে নিলো
তনু চোখ তুলে শিশিরের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি একটা হাসি দিলো,,,সেই হাসি শিশির দেখলো না,,তনুকে শিশিরের পাশে বসানো হলো,,
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_9
শিশির উঠে গিয়ে মায়ের কাছে গেলো
শিশির-মা আমার একটা জরুরি কল আসছে,,আমার আজই ঢাকা যেতে হবে
মা-পাগল হইছস তুই???আজ তোর বিয়ে,,কাল বৌভাত
শিশির-ডিল টা ফাইনাল না করলে কোটি টাকা লস হবে
মা-হোক
শিশির-কি বলছো কি মা,,আচ্ছা আমি বিয়ে করে then যাব
মা-তনুকে সাথে করে নিয়ে যা
শিশির-পারবো না,ওকে কে সামলাবে
মা-কেন? তুই সামলাবি
শিশির-পারবো না
মা-আজ রাত তোদের বাসর রাত,,মেয়েটা বুঝি আমাদের সাথে থাকবে??চুপচাপ ওকে সাথে নিয়ে যাবি,,আমাদের তো ওখানে বাসা আছেই
মা তনুর খালাতো বোন কে ডেকে তনুর জামা কাপড় গুছিয়ে দিতে বললো ব্যাগে
তনু stage থেকে উঠে আসলো
তনু-কি হয়সে মা?
মা-শিশির আজ ঢাকা চলে যাবে
তনু-???
মা-তোকেও নিয়ে যাবে
তনু-সত্যি?????????
মা-হয়সে লজ্জা পেতে হবে না,,যাও বসো গিয়ে এখনই তোমারে বউ বানাবো,
শিশির মুখ গোমড়া করে গিয়ে বসলো
হুজুর-বলো মা কবুল
তনু-কবুল কবুল কবুল ?
তনুর মা-চুপ,আস্তে আস্তে বলতে পারস না,শয়তান মেয়ে,বেহায়া
শিশির-(ঠিক হয়সে,আরও বকো)
তনু ভেঁংচি কেটে আরেক দিকে তাকালো,,,অবশেষে বিয়ে সম্পন্ন হলো,,
শিশির বিয়ে শেষ হওয়ার পর রাত ৮টা পর্যন্ত বের হতে পারেনি,,তনুর বোন ভাইরা আটকে রেখে ছিলো,,পরে দুজনে গিয়ে গাড়ীতে উঠলো,,
তনু সবাইকে টাটা দিচ্ছে
শিশির -এত ঢং করে লাভ নেই কালই তোমায় বাসায় ফিরে আসতে হবে
তনু-ওহ তাই নাকি,কিন্তু বউয়ের সাথে তো জামাইকেও আসতে হয় এটাই নিয়ম
শিশির-আমি আসবো না
তনু-দেখা যাবে
গাড়ীতে তনুর খালি ঘুম আসতেছে,,,ঝিমচ্ছে,,,শিশির কোনায় গিয়ে বসেছে,,একটু যে কাঁধে হেলান দিবে তার ও উপায় নেই,,
১টা বাজে
তনু-এই এই
শিশির-কি হয়সে
তনু-চা খাবো
শিশির-এত রাতে চা কই পাবা তুমি
তনু-আমি কেন পাবো,পাবেন তো আপনি,,নতুন বউ চা খাবে যান গিয়ে চা আনেন
শিশির-শখ কত,পারবো না আমি
তনু-তাহলে আপনার কোলে মাথা রেখে ঘুমাবো
শিশির-খবরদার
তনু-যেকোনো একটা করেন
শিশির Driver কে গাড়ী থামাতে বললো,,,একটা টং খোলা তবে দোকানদার দোকানটা অফ করতেছে,শিশির এক দৌড়ে ওখানে গিয়ে দাঁড়ালো,,এরকম দৌড় কখনও দৌড়ায়নি,বিয়ের পরেই এগুলা সম্ভব,,?????
শিশির চা নিয়ে পিছনে তাকাতেই দেখলো তনু দাঁড়িয়ে আছে
শিশির-আল্লাহ!কি এখানে আসছো কেন তুমি
তনু-গাড়ীতে ভয় লাগে
শিশির-Driver তে আছেই
তনু-Driver কি আমার জামাই?যে ভয় লাগবে না,আবোলতাবোল কথা বলে,
শিশির-গাড়ীর দরজা খুললা কিভাবে তুমি
তনু-সত্যি বলবো?
শিশির-বলো
তনু-লাত্তি মেরে????
শিশির-আমার গাড়ী,ভেঙে ফেলো নাই তো
তনু -হুহ আমি এত অলক্ষী না
শিশির বসে আছে আর তার বউ আরামে চা খাচ্ছে,,
তনু-আমাকে কয়েকটা চিপস কিনে দিন,খিধা লাগসে আমার
শিশির ১০টা প্যাকেট কিনলো,,তনু ওগুলা কোলে নিয়ে হাঁটা শুরু করলো,,গিয়ে গাড়ীতে বসলো দুজনে,,তখন থেকে তনু ঠুস ঠাস করে চিপস খাইতেছে,শিশিরের মন চাচ্ছে তুলে একটা আছাড় মারি,আমার কপালেই জুটছে
শিশিরের চোখ লেগে আসলো,,যখন খুললো দেখলো তনু শেরওয়ানি শক্ত করে ধরে শিশিরের বুকে ঘুমাচ্ছে,,
শিশির চোখ বড়বড় করে তনুকে এক ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো
তনু ভয় পেয়ে গিয়ে চোখ খুলে তাকালো
শিশির -লিমিটে থাকবা
তনু-নতুন বউয়ের সাথে কেউ এমন বিহেভ করে???শিশির আর কিছু বললো না
তনু ও আর কথা বললো না..২টার সময় বাসায় গিয়ে পৌঁছালো,,দরজা খুলেই শিশির ফোন নিয়ে অফিসে কল দিলো
শিশির-হ্যাঁ আমি এসে গেছি,এখনই আসতেছি,,
তনু-এই কই যান আপনি
শিশির-অফিসে,,
তনু-আআআমি কি করবো? শিশির আর কিছু না বলে শেরওয়ানি change করেই চলে গেলো,
তনু-দাঁড়ান আমি একা একা কি করবো,আমাকে একা রেখে যাইয়েন না,কে শুনে কার কথা,,শিশির চলে গেলো,
তনু-আসুক,তোর চামড়া তুলে আমি ব্যাগ বানাবো,বাসর রাত টা আমার নষ্ট করসে
তনু সব রুম খুঁজে একটা রুম বের করলো যেখানে সুন্দর একটা বারান্দা আছে,,রুমটা ভালো করে দেখে খাটে গিয়ে বসতেই চোখ লেগে গেলো,,
পরেরদিন সকাল ৬টায়
শিশির বাসায় আসলো, চাবি দিয়ে দরজা খুলে নিজের রুমে যেতেই দেখলো তনুর খাটে শুয়ে আছে,,দরজা টা ধাক্কা দিয়ে sound করতেই তনু জেগে গেলো
তনু-নতুন বউকে কেউ এভাবে জাগায় ঘুম থেকে,,চুমু দিয়েও তো জাগাতে পারেন নাকি??আর আমাকে রেখে কই গেসেন,একা একা আমার ভয় লাগে না, আপনি কি আমার কথা শুনছেন না??
শিশির-চুপচাপ fresh হয়ে নাও,আমি হোটেল থেকে খাবার আনছি ওগুলা টেবিলে রেডি করো
তনু-হুহ
তনু উঠে গিয়ে fresh হয়ে নিলো তারপর নিমিষেই সব টেবিলে রেডি করে রাখলো,শিশির বাইরে এসে দেখলো তনু টিভি দেখতেছে,কার্টুন
শিশির খেতে বসায় তনু এসে পাশে বসলো,,
তনু-মা ফোন দিসে,উনারা কাল আসবে
শিশির-আমি বুয়াকে ফোন দিসি,,আজ চলে আসবে,,
তনু-বুয়ার কি দরকার আমি করতে পারবো
শিশির-একা থাকতে পারলে ঠিক আছে
তনু-কেন?আপনি আজও অফিস যাবেন নাকি
শিশির-হুম
তনু-???????নাকি বাতাসা কে দেখতে যাবেন
শিশির খাওয়া বন্ধ করে তনুর দিকে তাকালো
শিশির-ওটা আমার personal ব্যাপার,তোমার এত interest দেখানের দরকার নেই
তনু-অবশ্যই আছে,আমি আপনার বউ
শিশির-বিয়ে হয়সে তারমানে এই নয় যে মাথায় উঠে বসবা তুমি
শিশির উঠে রুমে চলে গেলো,তারপর ৫মিনিট পরই রেডি হয়ে বেরিয়ে গেলো,তনুর দিকে তাকালে না পর্যন্ত,,
তনু-হ্যালো মা
মা-কিরে
তনু-তোমার ছেলে আসার পর থেকে শুধু অফিস নিয়েই আছে
মা-তুই বাসায় একা?
তনু-হুম,বুয়াকে কল দিছে আসার জন্য
মা-আচ্ছা,,
তনু মুখ গোমড়া করে বসে আছে,,দিন শেষে বিকাল হয়ে গেসে,,তনু বারান্দার দোলনায় হাত পা ছড়িয়ে ঘুমাচ্ছে
শিশির অফিস থেকে নাতাশা কে দেখতে গেলো,,,
নাতাশার মায়ের নজর গেলো শিশিরের হাতের মেহেদির দিকে,ছেলেরা বিয়ে ছাড়া হাতে মেহেদি দেয় না তেমন,,
নাতাশার মা -শিশির তুমি কি বিয়ে করেছো?
কথাটা শুনে শিশিরের বুক কেঁপে উঠলো
শিশির-হুম
নাতাশা শিশিরের দিকে তাকিয়ে আছে
শিশির-আজ আসি আমি
শিশির উঠে চলে গেলো,ওখানে আর থাকতে পারছে না শিশির,,হসপিটাল থেকে বের হওয়ার পর মা কল দিলো
শিশির-হুম মা বলো
মা-তুই তনুকে টাইম দেস না কেন,বিয়ের একদিন ও হয়নি,মেয়েটা একা একা বাসায়,এমন করস কেন,
শিশির ফোন কেটে দিয়ে রেগে বাসার দিকে গেলো,,বাসায় এসে তনু তনু চিল্লানো শুরু করতে করতে গিয়ে দেখলো তনু ঘুমাচ্ছে,
শিশির তনুর হাত ধরে টেনে উঠালো
তনু-আপনি এসে গেসেন
শিশির-সব কথা মাকে বলো কেন,কি সমস্যা তোমার, আমার আর মায়ের মধ্যে ভেজাল লাগাতে চাও
তনু-যা সত্যি তাই বলসি,
শিশির তনুর হাত ছেড়ে দিয়ে চলে গেলো
তনু-এই যে শুনুন
শিশির -কি
তনু-আমি বাতাসা কে দেখব
শিশির-তোমার কোনো দরকার নেই ওকে দেখা না দেখায়
তনু-না দেখালে একা একা চলে যাব
শিশির-যাও,ঢাকা শহরে ছেলেরা তোমাকে পেলে ১মিনিট ও ছাড়বে না
তনু-?
শিশির বাথরুমে চলে গেলো,,তনু খাটে বসে বাথরুমের দিকে তাকিয়ে আছে,,
শিশির টাওয়েল পড়ে বের হতেই দেখলো তনু তাকিয়ে আছে
শিশির-নির্লজ্জ বেহায়া মেয়ে,
তনু-আমার জামাইর দিকে আমি তাকিয়ে আছে তাতে আপনার কি,,
শিশির শার্ট নিয়ে আবার বাথরুমে চলে গেলো বাইরেই পরতে পারতো কিন্তু তনুর জন্য পারছে না,হ্যাবলার মতব তাকিয়ে আছে,
শিশির বাথরুম থেকে বেরিয়ে দেখলো তনু নেই
তনু-এহেম এহেম
শিশির পিছনে তাকালো
তনু-কি খুঁজো জামাই
শিশির-কিছু না,শিশির চলে গেলো সোফার রুমে দিকে,তনু গিয়ে শিশিরের গা ঘেঁষে বসলো
শিশির সরে গেলো তনু আরও কাছে গেলে,যেতে যেতে সোফার শেষ প্রান্তে এসে শিশির আটকে গেলো,,
শিশির-(মেয়েটা বেশি জ্বালাচ্ছে,,ওয়েট টাইট দিই,তাও শান্তি তে থাকা যাবে একটু)
শিশির তনুর দিকে তাকালো,,
তনুর দিকে এবার শিশির এগিয়ে গেলো,,নিজের গায়ের গেঞ্জি খুলে নিচে ফেলে দিয়ে তনুকে ঝাঁপটে ধরলো
শিশির-(হিহিহি এবার যে ভয় পাবে আর আমার কাছে আসতে চাইবে না,শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে দেখলো তনু ৩২পাটি দাঁত বের করে তাকিয়ে আছে
তনু-seriously এখন করবেন?
শিশির-wtf!!!তোমার লজ্জা করছে না?একটুও?
তনু-না,কেন?
শিশির-আজব একটা মেয়ে,
শিশির ফ্লোর থেকে জামা নিয়ে উঠে গেলো
তনু-যাক বাবা আমি কি করলাম
চলবে♥

Crush যখন বরSeason_3Part_4/5/6

0

Crush যখন বরSeason_3Part_4
Writer-Afnan Lara

শিশির চলে গেলো নিজের রুমে,,
তনু রুমে এসে কেঁদে দিলো,,
মা দরজায় নক করতেই চোখ মুছে গিয়ে দরজা খুললো
মা-নে ছেলের ছবি দেখ,যেন এক রাজকুমার,,আমার তো খুব পছন্দ হয়েছে,,
তনু ছবিটা নিয়ে রেখে দিয়ে শুয়ে পরলো,দেখলো না
পরেরদিন তনু খোঁজ নিলো শিশির কোথায়,জানতে পারলো হায়দার এর সামনে,,
তনু হনহনিয়ে গিয়ে শিশিরের সামনে দাঁড়ালো
শিশির-কি??
তনু-আমি আপনাকে ভালোবাসি
শিশির-প্রমান??
তনু-কি করতে হবে বলুন?
শিশির-নিজের জীবন দিতে পারবে.?
তনু ১টা মিনিট ও দেরি না করে শিশিরের পাশের ছেলেটার দিকে তাকালো সে আপেল খাচ্ছে ছুরি দিয়ে কেটে কেটে
তনু তার হাত থেকে ছুরি নিয়ে হাতে এক টান দিয়ে দিলো,,
তনু-আআআমমমিমি তোমাকে ভালোবাসি
তনু শিশিরের গায়ে ঢলে পড়ে গেলো,
শিশির ধরে ফেললো তনুকে,মূহুর্তেই এসব কি হয়ে গেলো,সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে
শিশির নিজেই জানতো না তনু এই কান্ড করে ফেলবে,
শিশির আর কিছু না ভেবে তনুকে কোলে তুলে হসপিটালে নিয়ে গেলো,পাশেই ছিলো হসপিটালটা
শিশির মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে
তনুর মা বাবা এসে শিশিরকে দেখে অবাক হলো,কারন তারা তো শিশিরকে চিনে,,
তনুর জ্ঞান ফেরার পর শিশির তনুর মা বাবার দিকে তাকালো তারা চলে গেলো রুম থেকে,,শিশির তনুর হাত ধরলো
শিশির-দেখো আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেসে, আমার আর কদিন পরই বিয়ে,তুমি শুধু শুধু নিজেকে কষ্ট দিও না,তুমি আমার চাইতেও ভালো ছেলে পাবে,,
শিশির উঠে চলে গেলো
তনু বাসায় এসে খুব কাঁদলো,হয়ত ওর কপালে শিশিরের নাম নেই,,শিশিরের জন্য তার জন্ম হয়নি
শিশিরের পরিবার আবার আসলো,এবার আসার সময় শিশিরকে সাথে করে নিয়ে এলো,
তনুকে হালকা নীল রঙের শাড়ী পরানো হলো,,
তনু কে নিয়ে শিশিরের সাথে বসানো হলো,দুজন দুজনের দিকে তাকাচ্ছে না
তনু সামনে থাকা আয়নায় তাকিয়ে দেখলো ওর পাশে শিশির বসে আছে,
তনু-কল্পনায় দেখতে দেখতে এখন অভ্যাস হয়ে গেসে,পাশের মানুষটাকেও এখন শিশির মনে হয়
শিশির তার পাশে বসা মেয়েটির হাতের দিকে আড়চোখে তাকালো হাতে ব্যান্ডেজ দেখে বুকটা কেঁপে উঠলো শিশিরের,ভয়ে ভয়ে শিশির মেয়েটির মুখের দিকে তাকাতেই উঠে দাঁড়িয়ে গেলো,
তনু এবার তাকালো,একি এটা তো সত্যি সত্যি শিশির, তনু ও উঠে দাঁড়িয়ে গেলো
শিশির-তনু
তনু-???????
শিশির মায়ের দিকে তাকালো,,
তনুর মা-ওরা মনে হয় আগ থেকেই একে অপর কে চিনে
মা শিশিরের হাত ধরে টেনে বসিয়ে দিলো,
তনুর হাত পা কাঁপতেছে এত বড় ঝটকা লাগলো,এত বড় খুশির খবর,মাথা ঘুরে উঠলো,,তারপর তনুর মা তনুকেও বসিয়ে দিলো,,
মা-আচ্ছা ওদের একান্তে কথা বলতে দেওয়া উচিত
শিশির আর তনু তনুর রুমে আসলো,
শিশির ঠাস করে দরজা দিলো,
তনু কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো
শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো
শিশির-তুমি জানতে সবটা তাই না
তনু-সত্যি আমিও আজ জানলাম
শিশির তনুর হাত চেপে ধরে রাগে ওকে নিয়ে দেওয়ালের সাথে ঠেকে ধরলো
তনু-আহ লাগতেছে আমার হাতে
শিশির তনুর কাটা হাতের জায়গায় ধরে আছে
তনুর চোখ থেকে পানি পড়তে দেখে ছেড়ে দিলো
শিশির গিয়ে খাটে বসলো মাথায় হাত দিয়ে
তনু চোখ মুছতে মুছতে বেরিয়ে গেলো
মা-শিশির কই তনু?
তনু-উনি আসতেছে
শিশির-মা আমার একটা কল আসছে office থেকে আমি আসতেছি,
শিশির বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,,
মা-আচ্ছা মেয়ে আমাদের পছন্দ এবার আপনাদের মত বলুন
তনুর বাবা-ছেলেও মাশাল্লাহ,,আমাদের বেশ লেগেছে
শিশিরের বাবা-আলহামদুলিল্লাহ
শিশিরের মা-আপনারা সবাই কাল আমাদের বাসায় যাবেন,দাওয়াত দিলাম
তনুর মা-আচ্ছা,,
শিশিরের মা তনুর হাত ধরে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে চলে গেলো,
তনু রুমে এসে শাড়ী খুলতে খুলতে নিজের হাতের দিকে তাকালো,,
তারপর বিয়ের কথা মাথায় আসতেই খুশিতে লাফাতে লাগলো,আল্লাহ তুমি আমার মনের আশা পূরন করেছো,,, ??????
তনুকে শিশিরের বোন শিশিরের number দিয়ে গেলো,তনু ফোন হাতে নিয়ে বসে আছে,ভয় করতেছে খুব,,কল দিব??না থাক পরে ঝাড়ি দিবে আমাকে
তনু ঘুমিয়ে পড়লো,
শিশিরের চোখে ঘুম নেই,,উঠে মার কাছে গেলো
শিশির-মা
মা-কিরে বল
শিশির-তুমি আমার জন্যে আর কোনো মেয়ে পেলে না
মা-কেন রে তোর পছন্দ হয়নি??
শিশির-না,মেয়েটা একটা পাগল,জানো কাল আমার জন্যে হাত কেটে গোটা একদিন হসপিটালে ছিলো
মা-সেকি,তাই তো বলি হাতে রক্ত কেন
শিশির-রক্ত???রক্ত তো শুকিয়ে যাওয়ার কথা
মা-না রে আমি তাজা রক্ত দেখেছি ওর হাতে বারবার লুকাচ্ছিলো,আমি জানতাম ও না আমার ছেলেটাকে এতটা ভালোবাসে
শিশিরের মনে পড়লো ও তো তনুর হাত চেপে ধরেছিলো তাই হয়ত ক্ষত জায়গা থেকে রক্ত বেরিয়েছে,রাগে মাথা ঠিক থাকে না একদম
শিশির-মেয়েটা বেশি পাগল,তুমি জানো আমি নাতাশাকে ছাড়া অন্য কাউকে ভালোবাসতে পারবো না,পরে ওকে যদি ভালো না বাসি আবার নিজের ক্ষতি করবে
তার চেয়ে ভালো ঠাণ্ডা দেখে মেয়ে খুঁজো
মা-এই মেয়েকেই আমার পছন্দ,,আমার ছেলেকে পাগলের মত ভালোবাসবে এটাই তো আমি চাই
শিশির-যা খুশি করো
শিশির উঠে চলে গেলো
পরেরদিন সকাল বেলা তনুর পরিবার আসলো শিশিরদের বাসায়,,তনু শিশিরকে দেখেই ওর বুক কাঁপতে থাকলো,ভালো লাগছে ভয় ও লাগছে,কারন কাল শিশিরের যে রুপ দেখলো সে বাপরে বাপ
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_5
মা-শিশির তনুকে তোর রুম দেখিয়ে নিয়ে আয়
শিশির মুখ গোমড়া করে তনুকে নিয়ে গেলো
তনু-বাহ সুন্দর তো,,
শিশির চুপ করে বসে আছে সোফায়
তনু হেঁটে হেঁটে দেখতেছে,এই প্রথম শিশির তনুর দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখলো,,চুল মাঝারি,,গায়ের রং দুধে আলতা,,তনুর সাথে চোখা চোাখি হতেই শিশিরের চোখ গেলো তনুর ঠোঁটের দিকে,,গোলাপ ফুলকেও হার মানাবে,,দেখে মনে হয় লিপ্সটিক লাগায়নি,,
তনু-সত্যি আমি জানতাম না বিয়ের কথা
শিশির উঠে চলে গেলো,,
তনু পিছন পিছন গেলো,,
সবাই গল্প করতেছে বসে বসে,,শিশির মায়ের সাথে বসতে গেলো মা ঠেলে তনুর পাশে বসিয়ে দিলো,,
তনুর মা-তাহলে দিন ঠিক করে ফেলি আমরা,শুভ কাজে দেরি করতে নেই,,
মা-আসলে কাবিনে তো ১৮বছর হতে হবে,,তনুর কয়েকদিন পর ১৮হবে,,তাই বলসি একটু ওয়েট করলে,আমরা আগে গায়ে হলুদ, মেহেন্দির অনুষ্ঠান সেরে ফেলতে পারি
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে ওর পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখলো
শিশির-(এই বাচ্চা মেয়ে এত পাগল কেউ দেখে বলবে না)
কথা বার্তা শেষে সবাই চলে গেলো,,
শিশির নিজের রুমে এসে দেখলো খাটের মাঝখানে একটা চিঠি,,
বড় করে লেখা ‘সরি’
শিশির ফেলে দিলো কাগজটা,,
তনু বাসায় এসে ভাবতে থাকলো কিভাবে কি করবে আনন্দে আত্নহারা হয়ে যাচ্ছে তনু,,?????
পরেরদিন ♥♥
মা-শিশির তনুকে নিয়ে ঘুরে আয় যা,
শিশির-পারবো না
মা-কি বললি??
মা শিশিরকে তনুর number দিয়ে চলে গেলো
শিশির-হ্যালো
তনু-কে?
শিশির-আমি
তনু-?
শিশির-রেডি হয়ে নাও,আমি আসতেছি,ব্যস লাইন কেটে দিলো
তনু একটা কালো রঙের লং থ্রি পিস পরে নিয়ে বের হলো,শিশির গাড়ী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,
তনু গাড়ীর দরজা টানতে টানতে নিচে বসে গেলো,আসলে আগে কখনও গাড়ীর দরজা খুলেনি তনু
শিশির নেমে এসে দরজা খুলে দিলো
তনু গিয়ে বসলো,
শিশির বসে তনুর দিকে তাকালো
তনু-কি?
শিশির -বেল্টাও কি আমি লাগিয়ে দিতে হবে
তনু নিজ থেকে চেষ্টা করলো পারলো না
শিশির ঠাস ঠুস করে লাগিয়ে দিলো বেল্ট
তনু -আমরা কোথায় যাচ্ছি?
শিশির চুপ হয়ে আছে কিছুই বলছে না
নদী দেখতে এসেছে শিশির আর তনু,,তনু গিয়ে নদীর পাড়ে বসে নদী দেখতে থাকলো,,
শিশির দূরে গিয়ে বসলো,তনু রাগে ফেটে যাচ্ছে,কে বলবে, কে বলবে যে আমরা হবু husband wife,,
তনু উঠে শিশিরের পাশে বসলো,শিশির উঠে একটু দূরে গিয়ে বসলো
তনু আবার উঠে গিয়ে পাশে বসলো,এভাবে বেশ কিছুক্ষণ চলতে চলতে ঠাস করে পড়ে গেলো,
তনু না,,
শিশির???
তনু হাসতে হাসতে শেষ,বেশ হয়েছে,আরও উঠে যাও
শিশির উঠে জামা ঝাড়তে ঝাড়তে গিয়ে গাড়ীতে বসলো
তনু ঝালমুড়ি আলার দিকে তাকিয়ে আছে,,
ইচ্ছামত ঝালমুড়ি খেয়ে শিশিরের কাছে গেলো
তনু-এই যে আমাকে ১০০টাকা দিন
শিশির-কেন?
তনু-ঝালমুড়ি খেয়েছি আমার কাছে টাকা নেই
শিশির-পারবো না দিতে
তনু-দেন না
শিশির দিলো না গাড়ীর গ্লাস উঠিয়ে দিলো
তনু-এখন কি করবো,
তনু সাথে করে কোনো টাকাও আনেনি,,ভাবতে ভাবতে মনে পড়ে গেলো তনুর একটা আইডিয়া
তনু-ইয়েস পেয়েছি
তনু আবার শিশিরের কাছে গেলো
তনু-এই যে আপনি যদি আমাকে টাকা না দেন আমি হাতের আংটিটা দিয়ে দিব লোকটাকে,আপনার মা যদি জিজ্ঞেস করে আংটি কই আমি পুরা ঘটনা বলে দিব
শিশির-?????
শিশির গিয়ে ঝালমুড়ি আলাকে টাকা দিয়ে দিলো
তনু-হুহ,আমার সাথে টেক্কা দিতে আসে,
তনু বাইরে দাঁড়িয়ে আছে, অনেক কষ্টে গাড়ীর দরজা খুলেছে,শিশির দূরে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলতেছে
তনু-একা গাড়ীতে বসমু না,ভয় লাগে আমার
তনু-ধুর,কি এমন কথা বলতেছে ফোনে
তনু ঠাস করে দরজা লাগিয়ে দিলো,তনুর ওড়নার অর্ধেকটা গাড়ীর ভিতরে রয়ে গেলো তনুর খবর নেই,,
শিশির ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ীতে উঠলো,,গ্লাস সব উঠানো,,শিশির ভাবসে তনু গাড়ীতে,,গাড়ী start দিতেই তনু পিছনে তাকালো,
তনু-এই আমি তো বাইরে
শিশির ফোনে কথা বলতে বলতে গাড়ী নিয়ে চলে গেলো, সাথে তনুর ওড়নাটাও নিয়ে গেলো,
তনু চিৎকার দিচ্ছে,শিশির দেখেওনি,,নাতাশার মায়ের সাথে কথা বলতেছে,নাতাশার কি কি ঔষুধ লাগবে সেটা নিয়ে,,সন্ধ্যা হয়ে গেসে,,
শিশির ১০মিনিট কথা বলার পর,,সাইডে তাকালো,তনুকে দেখতে না পেয়ে গাড়ী থামিয়ে দিলো,একি তনু কই,এখানেই তো ছিলো,সিটে তনুর ওড়না পড়ে আছে,
শিশির-Oh shit!!
শিশির গাড়ী ঘুরিয়ে আবার নদীর দিকে গেলো
তনু একটা গাছের নিচে বসে কাঁদতেছে,,ছেলে বাদে একটা মেয়েও নেই এলাকাটায়,,পুরা গম্ভীর একটা পরিবেশ, বখাটে কয়েকটা ছেলে সেই কখন থেকে তাকিয়ে আছে,,
গায়ে ওড়নাও নেই তনু চারিদিক দেখতেছে,উনি কি ইচ্ছে করেই চলে গেলেন,আমার উপর রাগ এভাবে দেখালেন,একটা মেয়েকে একা রেখে চলে গেলেন,তার দিকে একটু তাকিয়েও দেখলেন না,
২টা ছেলে এসে তনুর পাশে দাঁড়ালো,কথা বলতে যাবে শিশির এক টান দিয়ে তনুকে উঠিয়ে নিয়ে গেলো হাত ধরে,,
তনু কিছুটা অবাক হয়েই তাকিয়ে আছে,গাড়ীর সামনে এনে শিশির তনুকে ওড়না পরিয়ে দিলো,শিশিরের চোখেমুখে অপরাধবোধ কাজ করতেছে,,
তনু শিশিরের মুখ থেকে চোখ সরাচ্ছে না
শিশির চুপচাপ গাড়ী চালাচ্ছে,,অনেকক্ষন গাড়ী চালানোর পর
শিশির-সরি
তনু-কেন?
শিশির-তখন আমি ঠিক বুঝতে পারিনি তুমি যে গাড়ীতে নেই,
তনু-its ok,,
শিশির যে হাত ধরে নিয়ে এসেছে তনু সেই খুশিতে মরে যায় যায়,,সরি বলসে এখন তো মনে হয় জ্ঞান হারাবে
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_6
শিশির তনুকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে চলে গেলো,তাকালো না একবার ও
তনু বাসায় ঢুকতে যাবে ওর কিছু বান্ধুবী এসে ধরলো ওকে
রিনা-কিরে কি কি করলো
পিউ-কিস করসে?
তনু-আরে না পাগল,,যা তোরা এখান থেকে
তনু বাসায় চলে গেলো
শিশির বাসায় এসে নাতাশার মাকে কল দিলো,,নিজের কাছে নিজেকে ছোট মনে হয় শিশিরের,নাতাশার মাকে কি বলবো যে আমি বিয়ে করতেছি,আমার নাতাশার যদি কোনো ক্ষতি হয়,
শিশির বাথরুমে গিয়ে ঝর্না ছেড়ে বসে থাকলো,,ফোন বাজতেছে মেসেঞ্জারে কে যেন ভিডিও কল দিসে,,আইডির নাম শিশিরের স্পর্শ,এটা কে আবার,নিশ্চয় ফেক আইডি দাঁড়া দেখাচ্ছি,,
শিশির কল রিসিভ করলো,,তনু ভাবতেও পারেনি শিশির রিসিভ করবে ফোন হাতে নিয়ে দেখলো শিশির বসে তাকিয়ে আছে ওর গায়ে কিছু নেই,দুজন দুজনকে দেখে চিৎকার দিয়ে লাইন কেটে দিলো,
তনু-???
শিশির-আজ ওর খবর আছে,,
শিশির বাথরুম থেকে বের হয়ে শার্ট পড়ে রওনা দিলো,
তনু-ইস এখন আমি কি করবো,শিশির তো মেরেই দিবে আমাকে??
শিশির তনুদের বাসার সামনে এসে হর্ন বাজাতে থাকলো
তনু গেট খুলে বিড়ালের মত তাকিয়ে আছে
শিশির-গাড়ীতে উঠো
তনু-না
শিশির গাড়ী থেকে বেরিয়ে তনুর হাত ধরে টেনে গাড়ীতে উঠিয়ে দিলো,,তারপর একটু দূর নিবিড় এলাকায় গিয়ে রোডে গাড়ী থামালো
তনু-আসলে আমি জানতাম না আপনি বাথরুমে
শিশির-চুপ,কমন সেন্স নেই তোমার???
তনু-?
শিশির-আর আমার সাথে এড আছে তোমার আমি নিজেই জানি না
তনু-unfrd করে দিসেন তাই না
শিশির-না
তনু-সত্যি???
শিশির-ব্লক দিসি
তনু-????আমি বাসায় যাব
শিশির-এতদূর আনসি তোমাকে বাসায় দিয়ে আসার জন্য
তনু-তো কি করবেন তাহলে?romance? ??
শিশির-একটা চড় মেরে পিরিতের নেশা উঠিয়ে দিব,বাচ্চা মেয়ে তোমাকে কে শিখাইসে এসব,জানো তুমি আমি তোমার থেকে কত বড়
তনু-হুম,,আমি ৫.৫” আর আপনি ৬.১
শিশির-আরে ধুর আমি বয়সের কথা বলতেছি
তনু-আমি কি জানি,দেখতে তে বিয়াতি পোলা লাগে
শিশির-কিহ,,শুনো আমার বয়স হচ্ছে ২৫
তনু-বুইড়া বেডা???????
শিশির -ওহ তাই নাকি তাহলে বিয়ে cancel করে দিই??
তনু-না না,আমি বুইড়া বেডারেই বিয়া করমু??
শিশির বাইরে বেরিয়ে গেলো
তনু-এই আমিও যাব,দরজা খুলতে পারি না আমি এই এই
শিশির আইসক্রিম একটা নিয়ে এসে বসলো গাড়ীতে
তনু-?কত্ত ভালোবাসে আমাকে
তনু হাত বাড়ালো,
শিশির তনুর হাতে ৪০টাকা ধরিয়ে দিলো,নাও যাও কিনে খাও,এটা আমার জন্য এনেছি
শিশির বসে বসে আইসক্রিম খাচ্ছে আর তনু হা করে তাকিয়ে আছে,,
তনু-(তনু এটাই সুযোগ কিস করে দে)
তনু তাকানো দেখে শিশিরের কিছুটা guilty feel হচ্ছিলো,তাও ভাবলো এমন সাহস তনু করবে না,
তনু হুট করে শিশির মুখের সামনে গিয়ে যেই না কিস করতে যাবে শিশির মাঝখানে আইসক্রিম এনে দিলো
তনু-ধুর
শিশির টিসু নিয়ে দিলো তনুকে
শিশির-সাহস তো কম না তোমার, এসব ভুলে যাও এখন থেকে বলে দিচ্ছি আমি এসব করতে দিব না
তনু-ওকে তাইলে বিয়ের পর আপনি করিয়েন
শিশির মুখ মুছে নিলো,,শয়তান মেয়ে কোথাকার
শিশির-আজ আমি তোমাকে একটা কথা বলবো,
তনু-বলেন
শিশির-আমি একজন কে ভালোবাসি,তার নাম নাতাশা,,সে ১বছর আগে কোমায় চলে গেসিলো,শুধু মাত্র আমার কারনে,আমি ওকে অনেক ভালোবাসি,বিয়ের পর তুমি আমার থেকে অবহেলা ছাড়া কিছুই পাবে না
তনু-মিথ্যাকথা বলে বিয়ে ভাঙতে চান আপনি, আমি আপনার কথায় গলছি না
শিশির ফোন বের করে নাতাশার ছবি দেখালো,
তনু ভালো করে থেকে হাসতে থাকলো
শিশির-হাসির কিছু দেখালাম আমি??
তনু-আরে একে তো আমি চিনি
শিশির-কিভাবে?
তনু-এটা আমার খালাতো ভাইয়ের সাথে প্রেম করসে,ভাইয়াকে ছেড়ে দিসে পরে
শিশির-মিথ্যা কথা
তনু এবার নিজের ফোন বের করে ৫মিনিট ধরে খুঁজে একটা ছবি দেখালো,নাতাশা তনুর খালাতো ভাইয়ের গলা জড়িয়ে ধরে আছে,
শিশির কিছুক্ষন তাকিয়ে দেখে বাইরের দিকে চোখ ফিরিয়ে নিলো
তনু-মিথ্যা বলে ধরা খেলেন??????আমার শিশির খুব ভালো আমি জানি
শিশির-না,আমি সত্যি নাতাশাকে ভালোবাসি,
তনু-মুড়ি খাও,তাও আমি তোমারেই বিয়ে করবো,
শিশির তনুকে বাসায় দিয়ে চলে আসলো,
তনু বাসায় এসে ভাবতে থাকলো শিশিরের আইডিতে আবার কেমনে ঢুকা যায়,,একটা ফেক আইডি খুললো,,রিকু দিলো কিন্তু শিশির accept করলো না,
তনু মুখ গোমড়া করে বসে আছে,,মা এসে বললো কাল সবাই একসাথে shopping এ যাবে,
পরেরদিন shopping এ এসে তনু খেয়াল করলো শিশির আসেনি
মা-শিশিরের একটা কাজ পড়ে গেসে তাই কাল রাতেই ঢাকায় চলে গেসে,engagement এর দিন চলে আসবে,,
তনুর মন খুব খারাপ হয়ে গেলো,,
শিশির আসলে নাতাশাকে দেখতে এসেছে ঢাকায়
তনু শিশিরকে কল দিলো শিশির ধরলো না,
দিন যেন যাচ্ছেই না তনুর,শিশির এমন কেন করলে,আর যাই হোক আমি তো উনার হবু বউ,একবার বললে কি হত যে উনি ঢাকায় যাচ্ছেন?
engagement এর দিন সব রেডি করা হলো,,,আংটি তনু আর শিশিরের মা পছন্দ করে কিনেছে,,তনুকে বেগুনি রঙের শাড়ী পরানো হলো,,চুলে খোঁপা করে দেওয়া হলো,,হালকা সাজ তবে দেখতে বেশ লাগছে,,
সেই কখন থেকে তনু সোফায় বসে আছে শিশির এখনও আসতেছে না,,
তনুর খুব কান্না পাচ্ছে,কিন্তু সবার সামনে তো কান্না করা যায় না
২ঘন্টা দেরি করে শিশির বাসায় আসলো,এসেই দেখলো মেহমানে বাসা ভর্তি, সবার আগে শিশিরের চোখ পড়লো তনুর দিকে,,তনুর চোখ দেখে মনে হয় এখনই কেঁদে দিবে,
মা-অনেক হয়সে,,চুপচাপ আংটি পরাবি তুই
শিশির হাত থেকে ব্যাগ রেখে তনুর কাছে গেলো,ওর হাত ধরে আংটি পরিয়ে দিলো,তনুর মুখে একটু হাসিও নেই,,শিশির একটি বারও তনুর মুখের দিকে তাকালো না,,তনু আংটি পরিয়ে দেওয়ার পর শিশির ৫মিনিট দাঁড়িয়ে রুমে চলে গেলো
শিশিরের মা-আসলে সোজা ঢাকা থেকে আসছে তো tired হয়ে গেসে,
তনু হনহনিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে চলে গেলো,
শিশিরের মা বুঝলো তনু কেন চলে গেসে
বাসা থেকে বের হতেই তনুর মনে কি যেন আসলো আবার ফেরত চলে আসলো
তনুর মা-কিরে কি হয়সে
তনু কাউকে কিছু না বলেই শিশিরের রুমের দিকে চলে গেলো
চলবে♥

Crush যখন বরSeason_3Part_1/2/3

0

Crush যখন বরSeason_3Part_1
Writer-Afnan Lara

শিশির- আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না,তুমি শুধু আমার আর আমি তোমার,দেখবা একদিন তুমি সুস্থ হয়ে যাবা তখন আমরা বিয়ে করবো,সেদিন যদি তোমার হাতটা না ছাড়তাম হয়ত আজ এইদিন আসতো না,তুমি কোমায় থাকতে না,আমার বউ হয়ে ঘরে থাকতে,,
মা ফোন দিলো
শিশির-হ্যালো
মা-তুই এখনও রওনা হসনি??
শিশির-মা আমার যেতে মন চাচ্ছে না
মা-না আসলে আমার মুখ দেখবি না আর
শিশির হসপিটাল থেকে বেরিয়ে গাড়ী নিয়ে নিজেই drive করতে থাকলো,,
সকালে রওনা দিয়ে রাতে বাড়ি এসে পৌঁছে গেলো শিশির,,
মা তো শিশিরকে দেখে মহা খুশি,,
শিশির তার মাকে জড়িয়ে ধরলো ,,
পরেরদিন মা জোর করে শিশিরকে নিয়ে শপিং মলে গেলো,,মীম আর তার কিছু কিনার আছে
শিশির মলের সামনে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে,,
তনু আর তার ২টা frd মলে ঢুকতেছিলো,,তনু বকবক করতে করতে শিশিরের সাথে খেলো এক ধাক্কা
শিশির চোখ বড়বড় করে তাকালো তনুর দিকে
তনু তো হা করে তাকিয়ে থাকলো,এটা আমি কি দেখছি,এত্ত সুন্দর মানুষ হয় কেমনে,,আল্লাহ আমাকে ধরো কেউ,,তনু ঠাস করে নিচে পড়ে গেলো শিশির ধরলো না,ফোন কানে দিয়ে আরেকদিকে ফিরে চলে গেলো
মিনু-কিরে তুই ঠিক আছস তো
তনু-?আমার স্বামী আমাকে ধরলো না
মিনু-কে স্বামী তোর বিয়ে হলো কবে
তনু-এই ছেলেটা
তনু উঠে গিয়ে শিশিরের সামনে দাঁড়ালো
তনু-hi আমি তনু
শিশির ভ্রু কুঁচকে তাকালো তারপর হেঁটে চলে গেলো
তনু-এই ছেলে তোমার নাম বলে যাও এই এই
শিশির পালিয়ে গেলো ওখান থেকে,জোঁকের মত লেগে আছে,মেয়েরা এমন জোঁক হতে পারে আগে জানতাম না
মা আর মীম শিশিরকে খুঁজে বের করলো
মা-শিশির!,আমরা এই দিকে
তনু-শিশির?????নাইস নেম, Thanku শাশুড়ি আম্মা
মিনু-এই চুপচুপ
তনু শিশিরের দিকে হা করে তাকিয়ে আছে এখনও,
শিশির মাকে আর মীমকে নিয়ে গাড়ী করে চলে গেলো
শিশির-আমি আজই চলে যাব,নাতাশাকে না দেখে আমি থাকতে পারি না,,আর জানো তো ওর অবস্থা critical,আমাকে দেখলে response করে
মা-আর আমি??
শিশির কিছু বললো না
মা-তুই কালকেও থাকবি,,পরেরদিন যাস,আমি আর কোনো কথা শুনতে চাই না,,
শিশির বাসায় এসে শার্ট খুলতে গিয়ে দেখলো একটা হিজাব পিন আটকানো,এটা কার আবার
শিশির পিনটা নিয়ে dressing table -এ রেখে দিলো,fresh হয়ে নাতাশার মাকে কল দিলো নাতাশা কেমন আছে জিজ্ঞেস করার জন্যে,উনি বললো সেই আগের মতই
শিশির দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বাসা থেকে বেরিয়ে চলে গেলো,তার একটা frder বাসায় birthday party তে invitationএ যাচ্ছে,,
নীল শার্ট,হাতা ফোল্ড করা , সাথে জিন্স,,
ভাগ্যবশত তনুও সেই party তে এসে হাজির,
তনু নীল শাড়ী পরেছে চুল ছেড়ে দিসে,ব্যস আর কিছু লাগবে না এতেই ছেলেরা জ্ঞান হারাবে,,
শিশির রুমে ঢুকতে যেতেই আবার ধাক্কা খেলো তনুর সাথে,তনু শাড়ী ঠিক করতে করতে শিশিরের দিকে তাকিয়ে আবার ও হা হয়ে গেলো
শিশির-উফ আবার এসে জুটেছে,
তনু-????????
শিশির চলে যেতে নিতেই ওর শার্টের বোতামের সাথে তনুর আঁচল আটকে গেলো,,
এটা আচমকা হয়নি,মিস তনুর কাজ এটা সিরিয়াল দেখে দেখে নিজের মাথা নিজে খেয়েছে,শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে কথা বলার টাইমেই তনু তার আঁচল শিশিরের শার্টের উপর দিয়ে ঘুরিয়ে এনেছিলো যার কারনে আঁটকে গেসে
শিশির টানতেছে কিন্তু খুলতেছে না
তনু-খুলবেও না আসো আমরা বিয়ে করে ফেলি
শিশির-Are you mad??
তনু-না,I’m crazy?????
তনু নিজের চোখ থেকে কাজল নিয়ে শিশিরের কানে লাগিয়ে দিলো
শিশির-কি করলে এটা
তনু-নজর লেগে যাবে তাই লাগিয়ে দিলাম,
শিশির খুলতে পারতেছে না দেখে জোরেসোরে টান মারলো তনু গিয়ে শিশিরের বুকের সাথে ধাক্কা খেলো
দুজনের একসাথে শরীর লেগে দুজনেরই গা কেঁপে উঠলো,,
শিশির-আবির,আবির
আবির-কিরে কি হয়সে
শিশির-কেঁচি আছে?
তনু-এই খবরদার আমার শাড়ী কাটবা না,,এটা আমার প্রিয় শাড়ী
শিশির-তো এটাও আমার প্রিয় শার্ট
শিশির কেঁচি দিয়ে শাড়ীর সুতা কাটতেই খুলে গেলো
পুরো পার্টি তে তনু শিশিরের পিছন ছাড়েনি
শিশির একটা সময়ে গিফট আবিরকে দিয়ে চলে গেলো
তনু-যাহ বাবা চলে গেলো কেন
মিনু-তুই যা বিরক্ত করস না গিয়ে কি করবে
শিশির বাসায় চলে আসলো
মা-কিরে এত তাড়াতাড়ি আসলি
শিশির -নাহ কিছু না এমনি,,
শিশির নিজের রুমে চলে গেলো,,
তনু-হ্যালো রনি একটা help কর প্লিস
রনি-বল
তনু-একটা ছেলের আইডি খুঁজে দে
রনি-কিভাবে
তনু-আমি তোরে বলি সে দেখতে কেমন তুই তারপর খুঁজিস
তনু -চেহারা একদম ফর্সা,,চাপা দাঁড়ি,,ঠোঁট পিংক একদম,,আর ঠোঁটের নিচে তিল আছে,,লম্বা ৬.১ হবে
বুঝছস
রনি-???? পাগল হয়ে গেছস নাকি গাঞ্জা খেয়েছিস
তনু-দে না প্লিস
রনি-ওকে দেখি
পরেরদিন শিশির তার একটা বন্ধুর বাসায় এসেছে,,ছাদে গিয়ে কথা বলতেছে তার সাথে,,
টিপু-তুই থাক আমি কফি নিয়ে আসতেছি
শিশির দাঁড়িয়ে বাতাস অনুভব করতেছে
তনু সেই বাসায় থাকে,,ছাদে এক বালতি জামা নিয়ে এসেছে কাপড় মেলতে
তনু-মেরা নাম হ্যাঁ চিনচিনচিনচিন??????
শিশির গান শুনেই পিছনে তাকালো
তনুকে দেখে শিশিরের চোখ কপালে
তনু বুঝলো তার দিকে কেউ তাকিয়ে আছে পিছনে তাকিয়ে শিশিরকে দেখে ৪২০ভোল্টের ঝটকা খেলো
তনু-আরে আপনি,,
শিশির পালিয়ে যেতে নিলো তনু পথ আটকালো
তনু-আইডির নাম বললে যেতে দিব
শিশির-আজব,সরো এখান থেকে
তনু-আগে আইডির নাম বলো
শিশির- না
তনু ছাদের দরজা বন্ধ করে দিলো
চলবে?♥

সিজন ০১+০২ এর লিংক কমেন্টে দেওয়া হবে।

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_2

শিশির-ঐ দেখো
তনু আকাশের দিকে তাকাতেই শিশির এক দৌড়ে চলে গেলো
তনু-আকাশে কিছু নেই তো
তনু সামনে তাকিয়ে দেখলো শিশির নেই
তনু-ধুর?
রাতে তনু শিশিরের কথা ভাবতে ভাবতে ওর মাথায় আসলো শিশির লিখে সার্চ করলেই তো এসে যাবে,সমস্যা হচ্ছে শিশির হক না হোসেন না হাসান না আহম্মদ নাকি অন্য কিছু আমি তো জানি না
তনু সব কিছু দিয়ে সার্চ দিলো খুঁজলো আসলো না
সব শেষ শিশির চৌধুরী দিয়ে সার্চ দেওয়ায় সাথে সাথে সবার প্রথমে শিশিরের আইডি আসলো,প্রো পিক দেখেই তনু চিনে ফেললো,,সাথে সাথে রিকু দিলো
তারপর ভাবলো শিশির যদি তনুর পিক দেখে তাইলে তো accept করবে না,তনু নিজের সব পিক ডিলেট দিয়ে দিলো
শিশির frd request দেখতেছে
মীম এসে ডাক দিলো খেতে যাওয়ার জন্যে মীমের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সময় শিশিরের হাতে লেগে তনুর frd request টা accept হয়ে গেলো
শিশির ফোন রেখে খেতে চলে গেলো
তনুর কাছে notification আসলো শিশির frd request accept করসে
তনু এক লাফ দিয়ে বিছানায় উঠে নাচতে থাকলো
শিশির সকালে রেডি হয়ে এফবিতে post দিলো ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে
তনু এক মিনিট ও দেরি না করে ষ্টেশানে গেলো,,,
শিশির ওখানে দাঁড়িয়ে আছে,,রহিম চাচা গাড়ী নিয়ে আসতেছে, মা আর মীম দাঁড়িয়ে রইলো,
তনু-ঐ তো দেখসি শিশিরকে,,
তনু এগিয়ে গেলো,মা মীম বিদায় দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো
তনু গিয়ে একেবারে শিশিরের সামনে দাঁড়ালো
শিশির-তুমি
শিশির-(মা যদি ওকে আমার সাথে দেখে অন্য কিছু ভাববে)
শিশির তনুর হাত ধরে এক পাশে নিয়ে গেলো,তনুর গা কাঁপতেছে,শিশির এই প্রথম ওর হাত ধরলো
শিশির-কি এমন করো কেন,?দুনিয়াতে কি ছেলের অভাব পড়সে??
তনু-না,আপনার number টা দিন কথা কমু,ঢাকা চলে গেলে তো হবে না
শিশির-তুমি জানো কি করে যে আমি ঢাকায় যাচ্ছি
তনু-(যদি বলি আমার সাথে এড আছে আজই unfrd করে দিবে)
তনু-শুনসি
শিশির-যাও এখান থেকে
তনু-না আগে number দাও,নইলে তোমার মা আর বোনরে বলে দিব আমি তোমার গফ
শিশির-পাগল হয়সো তুমি
শিশির আড় চোখে দেখলো মা আর মীম চলে যাচ্ছে,ওরা চলে যেতেই শিশির তনুর হাত ছেড়ে দিলো
তনু-দাও number
শিশির- মাকে পারলে খুঁজো?
তনু পিছনে তাকিয়ে শিশিরের মাকে দেখতে পেলো না,এই সুযোগে শিশির গাড়ীতে উঠে গেলো
তনু-এই number দিয়ে যাও
শিশির-রহিম গাড়ী start করো
তনু নিচ থেকে ইট নিয়ে গাড়ীতে ছুঁড়ে মারলো
শিশির গাড়ী থেকে নেমে দেখলো তনু গাড়ীর লাইট ভেঙে ফেলসে
তনু-???number দাও,নইলে তোমার মাথা ফাটাবো
শিশির -তাই নাকি
শিশির নিচ থেকে একটা ইট হাতে নিলো
শিশির-সরো নইলে আমি তোমার মাথা ফাটাবো
তনু-সাহস নাই তোমার
শিশির জোরেসোরে ইট মারলো তনুর গায়ে না পড়লেও হাতে কিছুটা লাগলো
তনু-আউচচচ,বেয়াদব ছেলে,অসভ্য
শিশির চলে গেলো
তনু গালি দিতে দিতে বাড়ি চলে এলো,,
রাতে রহিম শিশিরের মাকে কল দিলো
মা-কিরে শিশির কই
রহিম-উনি এসেই হসপিটালে চলে গেলেন
মা-মেয়েটা এমন জাদু করেছে আমার ছেলেকে,
রহিম-আজ একটা মেয়েকে দেখলাম সাহেবের সাথে কথা বলতেছে স্ট্যাশনে
মা-কে?চিনস
রহিম-না,কিন্তু মনে হলো আগে থেকেই চিনে,মেয়ের হাত ধরে দূরে গিয়ে কথাও বলেছে
মা-দেখতে কেমন ছিলো
রহিম-সে কি বলবো মা এত সুন্দর মায়াবী চেহারা,ছোট সাহেবের সাথে বেশ মানিয়েছে,,যেন রাজযোটক
মা-ইস যদি আমি একটু দেখতাম
শিশির নাতাশার পাশে বসে আছে,,নাতাশার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,,,
১বছর আগের ঘটনা,,
শিশির নাতাশাকে নিয়ে ঘুরতে গেসিলো পার্কে,বড় টাওয়ারে দুজনে উঠে নামার সময় নাতাশা প্রায় ২তলার উপর থেকে নিচে পড়ে যায়,,মাথায়য় চোট পেয়ে কোমায় চলে যায় সে,,শিশির সেদিন নাতাশার হাত ধরতে না পারায় পড়ে যায় এটা ভেবে শিশির নিজেকে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে ১বছর ধরে
মা-বুঝলা শিশিরের বাবা ছেলেটা আমার দিনদিন শেষ হয়ে যাচ্ছে,প্রতি রাতে দেরি করে ঘুমায়,,ওর কান্নার আওয়াজ আমি শুনতে না পেলেও রাতে মাথায় হাত বুলাতে গেলে দেখি বালিশ ভিজে একাকার,,
আর কত কষ্ট পাবে আমার ছেলেটা
বাবা-আমি চাই ও নতুন করে জীবন শুরু করুক
মা-ওর জীবনটা এখনও শুরুই হয়নি,,
বাবা-ও তো আমাদের কোনো কথায় শুনে না,
মা-আমি আর এসব সহ্য করতে পারবো না,আমার ছেলেকে ভালো মেয়ে দেখে বিয়ে দিব
বাবা-ও কখনওই রাজি হবে না
মা-হবে,ও যতটা নাতাশাকে ভালোবাসে ততটা আমাকেও ভালোবাসে,,আমি ওকে কসম দিব,,আর নাতাশাকে তো চিনো তুমি,এক number এর বেয়াদব মেয়ে,ওর character সম্পর্কে শিশির জেনেও না জানার ভান করে,আর ঐ মেয়েকে শিশিরের বউ করে এনে আমি আমার ছেলেকে বিপদে ঠেলে দিতে পারবো না
বাবা-যে মেয়েকে ঘরের বউ করে আনবে তাকে যদি শিশির ভালোবাসতে না পারে
মা-একসাথে থাকতে থাকতে ভালোবেসে ফেলবে
বাবা-জানি না আমি তুমি জানো
কিছুদিন পর♥♥♥
বাবা-শিশির তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে গেসে,হসপিটালে এনেছি তুই তাড়াতাড়ি চলে আয়
শিশির এক মূহুর্ত ও দেরি না করে রওনা দিলো,
হসপিটালে মায়ের হাত ধরে বসে আছে শিশির,,
মা শিশিরের দিকে তাকিয়ে বললো
মা-বাবা একটা কথা রাখবি আমার শেষ ইচ্ছা
শিশির-এভাবে বলো না মা
মা-আমি তোর বিয়ে দেখে চলে যেতে চাই
শিশির-নাতাশা শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবে
মা-ঐ মেয়েকে বিয়ে করলে তুই আমার মরা মুখ দেখবি
শিশির-কি বলছো তুমি মা
মা-আমি যে মেয়ে ঠিক করে দিব তুই তাকে বিয়ে করবি
শিশির-নাতাশার আজ এই অবস্থার জন্য দায়ী আমি
মা-না,যা বলসি রাজি থাকলে বল না হলে আমার চোখের সামনে থেকে চলে যা আমি মরে গেলেও আমার কবর দিতে আসিস না
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর
#Season_3
Writer-Afnan Lara
#Part_3
শিশির রুম থেকে বাইরে এসে স্তম্বের মত দাঁড়িয়ে রইলো
Doctor বললো উনাকে যাতে কোনো stress এ না রাখা হয়,,
শিশির গাড়ী চালিয়ে পার্কে গিয়ে বসে রইলো একা একা,
কিছু মেয়ে শিশিরকে দেখে তাকিয়ে দেখছে,, এতটাই সুন্দর যে একবার তাকালে আবার তাকাবেই সকলে,,
তনু-নে আমি এখানে দাঁড়াই একটা ছবি তোল
তনু চোখ মারলো আর মিনু ছবি তুলে দিলো,,তনু এখনও শিশিরকে দেখেনি
নিচে সিড়ি তনু খেয়াল না করেই পা রাখতেই সামাল দিতে না পেরে চিৎকার দিয়ে পড়ে যেতে নিয়ে একেবারে শিশিরের কোলে গিয়ে পড়লো আর শিশির ও আচমকা কিছু বুঝে উঠতে না পেরে এক হাত দিয়ে ধরে ফেললো তনুকে
দুজন দুজনকে দেখে অবাক হয়ে গেলো
তনু শিশিরের কোলে নিজেকে দেখে ওর চোখ মুখ ঘুরে সে অজ্ঞান হয়ে গেলো
আশেপাশের মেয়ে গুলো হিংসায় মরে যাচ্ছে
শিশির-উফ জ্বালাতন,
শিশির কি করবে কিছুই বুঝতে পারছে না
তারপর উপায় না পেয়ে তনুকে কোলে তুলে নিলো,,
রহিম চাচা এই সুযোগে ছবি তুললো অনেকগুলো,,
শিশির-কি করবো এখন এরে
শিশির গাড়ীতে তনুকে বসিয়ে একটা পানির বোতল থেকে পানির ছিঁটা দিলো
তনু চোখ খুলে কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো
মিনু-কিরে ঠিক আছিস তুই
তনু-শিশিশিশিশরররর
শিশির ভ্রু কুঁচকে ওড়না তনুর গায়ে ছুঁড়ে মারলো
শিশির-আপনার বান্ধুবীকে এখান থেকে নিয়ে যান
তনু-(এটাই সুযোগ)
তনু-আমি হাঁটতে পারছি না বাসায় যাব কি করে
শিশির-তোমার পায়ে কি হয়সে আমি তো তোমাকে ধরে ফেলসিলাম পড়ে যাওয়ার সময়
তনু-সত্যি ব্যাথা করতেছে
শিশির মিনুর দিকে তাকালো
মিনু তনুকে টানতে টানতে নিয়ে গেলো
মিনু-এত acting তোরে কে শিখায়
তনু-ছাড় না,ওরে দেখতে দে,
শিশির তনুর দিকে একবার তাকিয়ে গাড়ীতে উঠে চলে গেলো,
তনু বাসায় এসে ভাবতেছে শিশিরের কথা
তনুর মা-শোন এত বান্দরামী করিস না,বিয়ের বয়স হয়সে তোর,
তনু-১৭বছর কে বিয়ের বয়স বলে??ছিঃ মা এখনই আমাকে পর করে দিচ্ছ?
মা-ঢং,কয়েকদিন পর ১৮হবে তোর
তনু-তো এখনও হয়নি তো
তনু নিজের রুমে চলে গেলো,শুরু থেকে কই হাজার মেসেজ সে শিশিরকে দিসে তার হিসেব নেই,শিশির মেসেজ সিনই করেনি,এত ভাব কেমনে হয় মানুষের,সুন্দর ছেলেরা কি এমন??
রহিম চাচা পিক গুলো শিশিরের মাকে দেখালো
মা-বাহ মাশাল্লাহ,,বেশ মানিয়েছে,,তুমি মেয়েটার বাড়ির খোঁজ খবর নাও বাকিটা আমরা দেখে নিব,
শিশিরের দিন খুব খারাপ যাচ্ছে আর যাই হোক মাকে সে সবটা দিয়ে ভালোবাসে,নাতাশার জন্য সে তার মাকে হারাতে পারবে না,কিন্তু যাকে সে বিয়ে করবে তাকে তো কখনও ভালোবাসতে পারবে না,তার জীবনটা সে এভাবে নষ্ট করবে? এসব ভাবতে ভাবতে শিশিরের ঘুম আগে যা অল্প হত এখন সেটাও হয়না,,তার উপর রাস্তায় বের হলে তনুর জ্বালায় থাকতে পারে না কোথা থেকে এসে হাজির হয়ে যায় আল্লাহ খোদা জানে
তনুর বিয়ের কথা চলতেছে তনু মন খারাপ করে বসে আছে,,শিশির ছাড়া অন্য কাউকে বিয়ের কথা মাথায় আসলেই মেজাজ টা খারাপ হয়ে যায় তনুর,আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে আছে তনু,আচ্ছা আমি কি শিশিরের বউ হওয়ার যোগ্য না??দেখতে তো কিউটই আছি,লম্বাও আছি তাইলে আমাকে পছন্দ করে না কেন শিশির,,
তখনই কলিং বেল বাজলো,
তনু গিয়ে দরজা খুলতেই ১০/১২জন লোক প্যাকেটে প্যাকেটে মিষ্টি,, দই,শাড়ী,,চুড়ি, সব রেখে রেখে যাচ্ছে
মা-আরে এসব কি আপনারা কে??
কিছুক্ষন পর শিশিরের মা বাবা মীম,শিশিরের চাচা চাচি,দাদা সবাই আসতে থাকলো,,
তনু সরে গেলো সোফার রুম থেকে,,
উঁকি মেরে দেখতেছে কি হচ্ছে,,
শিশিরের মাকে তনু দেখতে পায়নি এখনও,তাই সে জানে না কিছুই
শিশিরের মা কথা বার্তা বলে নিলো
বাবা-এবার আপনাদের মতামত আশা করতেছি
নানু-তা ছেলে কই??
মা-আপনারা রাজি থাকলে ছেলেকে নিয়ে আরেকদিন আসবো
বাবা শিশিরের ছবি তনুর বাবার হাতে দিলো
ছবি দেখে সবাই তো প্রশংসায় পঞ্চমুখ
তনুকে মা রেডি করে আনলো,তনু নিচের দিকে তাকিয়ে আছে তনু যে অনেক চঞ্চল তাই মা বলসে নিচের দিকে তাকিয়ে থাকতে একটা কথা বললে পিঠে কিল বসিয়ে দিবে তাই তনু ও আর চোখ তুলে তাকালো না
মা-মেয়ে আমাদের বেশ পছন্দ
তনুকে শিশিরের দাদি আংটি পরিয়ে চলে গেলো, তনু এখনও নিচের দিকে তাকিয়ে,ওরা চলে যাওয়ার পর নিজের রুমে এসে শাড়ী খুলে ফেলে দিলো,,
তনু-?বিয়া করমু না আমি??????
তনু দেখলো শিশির নদী দেখতে গিয়ে ছবি তুলে এফবিতে post দিসে
তনু-উনার সাথে আমার কথা বলতেই হবে
তনু ও বেরিয়ে গেলো,,
শিশির নদীর পাড়ে বসে আছে,,
পকেট থেকে এক প্যাকেট সিগারেট নিলো,জীবনে কখনও খায়নি,তবে আজ খাবে,এটা খেলে কষ্ট কমে যাবে
শিশির একটা ধরিয়ে মুখে দিতেই তনু সিগারেট টা নিয়ে পানিতে ফেলে দিল শিশির চোখ বড়বড় করে তাকালো তনুর দিকে,
শিশির-তুমি এখানেও
তনু শিশিরের পাশে বসতেই শিশির উঠতে গেলো তনু হাত ধরে আটকালো
তনু-কিছু কথা বলবো
তনু-আমার বিয়ের কথা চলছে,
শিশির- Congrats
তনু-নাহ,আমি আপনাকে বিয়ে করবো,আপনার আম্মুকে বলেন আমাদের বাসায় আসতে
শিশির-সম্ভব না
যাই হোক all the best,wish you a happy married life
তনু-এক লাত্তি দিয়ে নদীতে ফেলে দিব?
শিশির-তুমি কিছু বললা??
তনু- নাহ,
শিশির-বাই
শিশির চলে গেলো
তনু-শালা তোরে অভিশাপ দিচ্ছি তোর বউ তনু চৌধুরী ছাড়া আর কেউ হবে না দেখিস
শিশির গাড়ীর গ্লাস নামিয়ে তনুর দিকে তাকালো
শিশির-শকুনের দোয়ায় গরু মরে না
তনু-দেখা যাবে
বাসায়♥
শিশির-মা এটা কি খুব জরুরি,তুমি তো জানো আমি নাতাশাকে ভালোবাসি
মা-ঐ মেয়েটাকে যাকে তুই কয়েকবার হোটেলে অন্য ছেলের সাথে দেখছস
শিশির-ওকে আমি মাফ করে দিয়েছি,,ভালোবাসি ওকে আমি
মা-এমন মেয়ের হাতে আমি আমার ছেলেকে কখনও দিব না,আমি তোর জন্য মেয়ে ঠিক করেছি আর তুই তাকেই বিয়ে করবি
চলবে ♥

Crush যখন বর?Season_2শেষ_পর্ব

0

Crush যখন বর?Season_2শেষ_পর্ব
Writer-Afnan Lara

শিশির তনুর হাত ধরে হোটেল থেকে বের হলো,,,
দুজনেই সমুদ্রের কিনারায় হাঁটতেছে,,বাতাসে তনুর ওড়না উড়ে শিশিরের মুখে পড়তেছে,শিশিরের মনে আছে একদিন একসাথে হাঁটার সময় তনুর ওড়না গিয়ে শিশিরের মুখে পরায় শিশির ওড়না টান দিয়ে নিয়ে গেসিলো আর দেয়নি ওড়না টা,এখনও আছে ওড়না টা শিশিরের ড্রয়ারে,
শিশির আর তনু বালিতে গিয়ে বসলো,
তনু শিশিরের কাঁধে মাথা রাখলো
তনু-একটা কথা বলি
শিশির-হুম বলো
তনু-আমি এখানে থাকতে চাই বাবু হওয়া পর্যন্ত আমার বাড়ি যেতে ভয় লাগে
শিশির-এখানে একা সামলাতে পারবা?
তনু-আপনি আছেন তো
শিশির-ওকে দেখছি
শিশির ২দিনের ভিতরেই Cox’s bazar-এ ফ্ল্যাট একটা নিয়ে নিলো,তনুকে নিয়ে সেখানে উঠলো,,
তনুর খুশি দেখে কে,হেঁটে হেঁটে সব রুম দেখতেছে তনু,
শিশির কতটা দিন পর তনুর মুখে হাসি দেখলো
দেখতে দেখতে ১৫টা দিন কেটে গেলো,,
শিশির ভিডিও কলে বসে অফিসের কাজ করতেছে আর তনু বারান্দায় শিশিরের shirt মেলতেছে,
হঠাৎ মাথাটা ঘুরে উঠলো,
তনু গিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসে পানি খেলো,
শিশির তনুর দিকে তাকালো
শিশির-শরীর খারাপ লাগছে??
তনু-একটু
শিশির-rest নাও,
তনু-হুম
১ঘন্টা পর শিশির কাজ সেরে তনুর কাছে গেলো,তনুকে দেখতে,তনু ঘুমাচ্ছে,,
শিশির আর জাগালো না,
শিশিরের ফোনে কল আসলো,
শিশির-হ্যালো
পুলিশ-মিঃ শিশির আমরা আবিরকে খুঁজে পেয়েছিলাম,Cox’s bazar এ
শিশির-পেয়েছিলাম??????
পুলিশ-আসলে আবির একটা জঙির লোক,ওকে আমরা চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলসিলাম বলে ও আমাদের সিনিয়র অফিসারকে শুট করতে নিসিল বাধ্য হয়ে আমরা ওর উপর গুলি চালাই,ও মরেনি,আমরা ওকে treatment দিয়ে সুস্থ করেসি,ওর সাথে যুক্ত বাকিদের খবর জানার জন্য কিন্তু ওদের দলের নিয়ম ধরা পড়লে সুইসাইড করবে
আবির নিজের শরীরের চামড়ার ভিতরে লুকানো বিষ বের করে খেয়ে সুইসাইড করেছে,
শিশির-হোয়াট!!!!!
পুলিশ-হুম,
শিশির ফোন রাখলো তনু মাথায় হাত দিয়ে উঠলো,
তনু-কি হয়সে?চিৎকার দিলেন কেন
শিশির-এমনি কিছু না,এখন কেমন আছো?
তনু কিছু বলতে যাবে এক দৌড়ে বাথরুমে চলে গেলো,বমি করতেছে
শিশির-কি হলো,দাঁড়াও doctor কে কল দিচ্ছি
তনু শিশিরের হাত ধরে ফেললো
তনুর মুখে হাসি
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে থম হয়ে রইলো,তারপর টান দিয়ে তনুকে জড়িয়ে ধরলো
তনু কিছুক্ষন পর শিশিরের হাত ছেড়ে দিলো,মুখটা কালো হয়ে গেলো
শিশির-কি হয়সে
তনু-আবির যদি এখানেও চলে আসে
শিশির-লাভ নেই,সেটা আর জীবনেও হবে না
তনু-মানে
শিশির-আবির মারা গেসে
তনু-কিহ!
শিশির তনুকে সব বললো,
তনু-জঙি,বাবারে বাবা,মুনা জানে?
শিশির-অনেক কষ্ট পাবে
তনু-হুম,
শিশির-আমি জানিয়ে দিচ্ছি
শিশির কল দিয়ে জানালো,মুনাকে কাঁদলো তারপর বললো ভাইয়া আমার গর্ভে আবিরের সন্তান
শিশির কিছুক্ষন চুপ হয়ে রইলো
তনু পাশে থেকে শুনলো কথাটা
শিশির-বাচ্চাটা..
মুনা-ও তো কোনো দোষ করেনি ভাইয়া
তনু-মুনা শান্ত হও,নিজের এবং বাচ্চার খেয়াল রাখো কেমন??
তনু শিশিরকে এনে সোফায় বসালো
তনু-শুনুন,আমাদের বাসার ঐদিকে নিলয়ের কথা আপনার মনে আছে??
শিশির-হুম
তনু-ও মুনাকে অনেক লাইক করে আমাকে বলসে,ওর সাথে কথা বলে দেখবেন যদি ও মুনাকে বিয়ে করতে রাজি হয়
শিশির -দেখতেছি
শিশির আর তনু নিলয়ের সাথে কথা বললো,
অদ্ভুত ♥নিলয় রাজি হলো,
শিশির আর তনুর সেদিনই রওনা দিলো
পরেরদিন ছোটখাটো একটা আয়জনে মুনা আর নিলয়ের বিয়েটা হয়ে গেলো,মুনার খুশিটা বোঝা যাচ্ছে না আবির মারা যাওয়াতে
শিশির নিলয়কে জড়িয়ে ধরলো
শিশির-আমার বোনটাকে ভালে রাখিস
নিলয়-রাখবো,যতদিন বেঁচে আছি
৮মাস পর সবাই হসপিটালে,,মুনার মেয়ে হয়েছে,,সবাই কত খুশি,,
শিশির তনুর কাছে,তনুকে একা রেখে আসেনি,আবির না থাকুক অন্য বিপদ হলে?তনুকে আর সেই বিষাদ দিন শিশির দেখাতে চায় নাহ
তনু-আমার তো আর কয়েকদিন পরই ডেট তাই না
শিশির-হুম,,
তনু ঘুমিয়ে গেসে শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে,,আর ডোরবেলের দিকে তাকিয়ে আছে,
কত জ্বালাতো শিশির এই মেয়েটাকে,একদিন না জ্বালালে যেন শান্তিই হতো না
আর এখন তার ঘরের বউ,কিছুদিন পর তার বাচ্চার মা হবে,আর সে বাবা
জ্বালানোটা কিন্তু কমেনি,হবে তার সাথে ভালোবাসা টা mix হয়সে,
এই এত গুলা মাসে তনুর সব কষ্টে শিশির ছায়ার মত ছিলো,ভয় হতো যদি আবার ও?আমার তনুকে তো তাহলে বাঁচাতে পারবো না আমি,আর তাই ছায়ার মত থাকতাম ওর সাথে
মুনার বাবু কান্না করতেছে,তনু দাঁড়িয়ে দেখতেছে,
মুনা-কয়েকদিন পর তোমারটাও এমন কাঁদবে
তনু মুচকি হাসলো,
হঠাৎ ঘামাতে লাগলো তনু,রুম থেকে এসে নিজের রুমে আসলো,আজ শিশির অফিসে,
এত ঘামাচ্ছি কেন,,পেটটাও কেমন করতেছে,ব্যাথা করতেছে,আস্তে আস্তে ব্যাথাটাও বাড়তেছে
দুপুরে♥♥♥♥♥
মুনা-ভাইয়া,তাড়াতাড়ি হসপিটালে চলে আয়,ভাবীর পেইন শুরু হয়সে,আমরা হসপিটালে আসছি
শিশির এক মূহুর্ত দেরি না করে হসপিটালে চলে আসলো
doctor -যে ডেট দিসি তার আগেই বাচ্চা হবে,এটা একটু রিস্ক
শিশির শক্ত হয়ে গেসে,বুকে মোচড় দিয়ে উঠলো
মুনা-ভয় পেও না ভাইয়া
শিশির-আমি একবার তনুকে দেখবো
তনু কাঁদতেছ সিটে,শিশির তনুর কান্না সয্য করতে পারে না,তাও তনুর কাছে গেলো,একহাত তনুর গলার পাশে নিয়ে ওকে ধরলো,নাকে চুমু দিলো,আরেক হাত দিয়ে চোখের পানি মুছে দিলো
শিশির-don’t worry, আমি আছি তো??
নার্স-আপনি চাইলে থাকতে পারেন
শিশির থেকে গেলো
Doctor -সিজার করতে হবে
শিশির তনুর মুখের দিলে চেয়ে রইলো পুরোটা সময়,তনুর হুস নেই,কবেই ইনজেকশান দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলসে,
হঠাৎ বাচ্চার কান্নার আওয়াজে শিশির কেঁপে উঠলো,চোখ খুললো,নার্স doctor সবার মুখে হাসি,শিশির আস্তে আস্তে নার্সের হাতের দিকে তাকালো,যেন আরেকটা তনু নার্সের কোলে,কিন্তু চোখটা আমার মত
নার্স-ছেলে হয়সে, Congratulations
শিশির বাবু কোলে নিলো,,আবেগে কেঁদে দিলো শিশির,চোখ মুছে তনুর দিকে তাকালো
নার্স-উনার জ্ঞান ফিরবে কিছুক্ষন পর
সবাই তো বাবুকে কোলে নিতেছে আর খুশিতে হসপিটালে হইহুল্লড়,
তনুর জ্ঞান ফিরলো,চোখ খুলতেই দেখলো শিশির হাসি দিয়ে তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,কোলে বাবু,তনু উঠার চেষ্টা করলো
শিশির -উঠিও না
শিশির বাবুকে তনুর পাশে শুইয়ে দিলো
তনু বাবুকে জড়িয়ে ধরলো
শিশির ওদের দুজনেকে জড়িয়ে ধরলো
আজ তনু শিশির পরিপূর্ণ,,
মুনা আর নিলয় পরিপূর্ণ
তনুর ছেলের নাম আরিয়ান,মুনার মেয়ের নাম রুশা
সেইকি ঝগড়া দুজনের,,একদম শিশির আর তনুর মত
আর ঐদিকে শিমুল আর রুনা বিয়ে করে আরেকটা বাবু ও নিসে,ওদের এখন ২টা বাবু,
রুনা পরকিয়া করে,আরেকটা ছেলের সাথে
শিমুল ও কম না,সে তার কলিগের সাথে প্রায় রুমডেট করে?????
♥♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥♥♥

Crush যখন বর?Season_2Part_55/56/57

0

Crush যখন বর?Season_2Part_55/56/57
Writer-Afnan Lara

শিশির মুনার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে চলে আসলো,,
তনু ঘুমায় শান্তিতে,,
শিশির টান দিয়ে উঠিয়ে বসালো
তনু-কিই???
শিশির-গল্প করবো, সারাদিন এত ঘুমাও কেন
তনু-ঘুম আসে তো কি করবো
তনু-আচ্ছা জানেন কাল নাকি রুনা আসছিলো আমাদের বাসায়,
পরে আবিরের লোকেরা রুনাকে নিয়ে চলে গেসে
শিশির-হাহাহা,কেন?
তনু-কি জানি
শিশির-তুমি আমাকে না বলে একা একা আবিরের বাসায় গেলা কেন
তনু-মুনার কথা মনে পড়তেছিলো খুব
শিশির-আচ্ছা যা হয়সে ভালো হয়সে,
শিশির-ছেলে চাও নাকি মেয়ে
তনু-ছেলে
শিশির-ছেলে কেন
তনু-তাহলে বাপের মত হবে,
শিশির-তুমি চাও তোমার পুত্র বধুকে আমার ছেলে আমার মতো জ্বালাক?
তনু-না, আমার ছেলে আমার মত ভালো হবে
শিশির-ওহ তাহলে আমি খারাপ?
তনু-একটুখানি,
শিশির-কি দেখলা খারাপের?
তনু-ঐ যে আমাকে শুধু জ্বালান
শিশির-ভালো কথা মনে করসো,তোমাকে ২দিন হয়সে জ্বালাই না?
তনু-আমার ঘুম পাচ্ছে,আমি ঘুমাব?
শিশির তনুকে ঝাঁপটে ধরে চুমু দিতে থাকলো,একটা সময় তনুর গলায় কামড় বসিয়ে দিলো,
দরজা নক করলো মুনা
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে উঠে গিয়ে দরজা খুললো
মুনা-ভাইয়া একটা কথা ছিলো
শিশির-বল,আয় ভিতরে আয়,
মুনা এসে তনুর পাশে বসলো
মুনা-আমি রাঙামাটি ফুফুর বাসায় গিয়ে কদিন থাকতে চাই
শিশির-ঠিক আছে,আমি তোকে কাল টিকিট এনে দিব,আমি সহ গিয়ে দিয়ে আসবো,
মুনা-আমি একা যেতে পারবো
তনু-না,মেয়ে মানুষ একা এতদূর যাওয়া ঠিক হবে না,আপনি বরং ওকে দিয়ে আসিয়েন
শিশির-হুম,যা প্যাকিং কর
পরেরদিন শিশির আর মুনা রেডি হয়ে নিলো
শিশির তনুর কপালে চুমু দিলো
শিশির-সাবধানে থাকবা কেমন??,
তনু-আচ্ছা,আপনিও
শিশির-আমি আজ গিয়ে কাল সকালেই রওনা দিব
তনু-ওকে
শিশির আর মুনা চলে গেলো,
তনু রান্নাঘরে গিয়ে বুয়াকে help করতেছে,মা নিজের রুমে,
১ঘন্টা পর দরজা নক হলো,
বুয়ার হাতে মরিচ বাটা,তনু গেলো দরজা খুলতে,
দরজা খুলেই তনুর চোখ কপালে,আবির দাঁড়িয়ে আছে,আবির ধাক্কা দিয়ে বাসায় ঢুকে পরলো,তনু ভয়ে কাঁপতেছে,
আবির-ভাবতেছো ছাড়া পেলাম কি করে??সেটা মেইন না তবে তুমি আজ ছাড়া পাবে না,শিশিরের বাচ্চার মা হতে চলেছো না??
তনু-বুবুবয়য়য়ায়া!
বুয়া দৌড়ে এসে দেখলো আবিরকে,
আবির তনুকে ধরে সেন্টার টেবিলে ছুঁড়ে মারলো
বুয়া চিৎকার দিয়ে দৌড়ে গিয়ে তনুকে ধরলো,
মা রুম থেকে চলে এলো দৌড়ে,আবির পালিয়ে গেলো
তনু ব্যাথায় কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে,
মা আর বুয়া পাশের বাসার family কে জানিয়ে সবাই মিলে তনুকে নিয়ে হাসপাতালে চলে এলো,তনুকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো,তনুর জ্ঞান নেই,
মা ভয়ে কি করবে বুঝতেছে না,
শিশির এখন গাড়ীতে হবে,এই সংবাদ ওকে জানিয়ে পরে ওর না জানি কি বিপদ হয়,ও আসুক
১ঘন্টা পর doctor বেরিয়ে এলো,মুখ কালো হয়ে আছে তার
মা-কি হয়সে??
Doctor -বাচ্চা ২মাসের, I’m sry আমরা এমন অবস্থায় বেবিকে বাঁচাতে পারবো না,আর যতদূর পারি মাকে বাঁচানোর try করতেছি,
মা মাথায় হাত দিয়ে নিচে বসে পরলো,
তনুর মা-আমার তনুকে বাঁচান
Doctor -জী আমরা চেষ্টা করতেছি
সব শেষে তনু এখন পুরোপুরি শংকা মুক্ত,,যদিও তনুর এখনও জ্ঞান আসেনি,
রাত ৯টায় শিশির তনুকে ফোন দিল,৫বার দিলো কিন্তু কেউ ধরতেছে না কেন
মায়ের number এ কল দিলো,শিশির দের পাশের বাসার একটা মেয়ে ধরলো,টিয়া
টিয়া-শিশির ভাইয়া
শিশির-কে?মা কই
টিয়া-ভাইয়া আমরা সবাই হসপিটালে আসছি
শিশির-কেন?কি হয়সে?মা ঠিক আছে তো?আর তনু?
টিয়া-আসলে
শিশির-কি হয়সে?
টিয়া শিশিরকে সব খুলে বললো,
শিশির কি করবে বুঝতেছে না,তনু ঠিক আছে?
টিয়া-হুম এখন ঠিক আছে তবে জ্ঞান ফেরেনি
শিশির চোখ মুছে আবার বাসে উঠে রওনা দিলো
বাসে বসে কাঁদতেছে শিশির,একজন বাবা হয়ে একজন স্বামী হয়ে আমি পারলাম না বাঁচাতে,শেষ রক্ষা করতে
তনুর রাত ১১টায় জ্ঞান ফিরলো
তনু উঠে পেটে হাত দিলো,ব্যাথা করতেছে,আমার বেবি??আমার বেবি ঠিক আছে তো.?
নার্স গম্ভীর হয়ে নিচের দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু হাত থেকে ক্যানেলার ছিঁড়ে ফেলে উঠতে গেলো নার্স আটকালো,
তনু-আমার বেবি ঠিক আছে?
নার্স-সরি,বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেসে,আমরা বাঁচাতে পারিনি
তনু একটা শক খেলো,সব কিছু ঝাপসা হয়ে আসছে কেন,তনু আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেললো,
ভোর ৫টায় শিশির হসপিটালে এসে পৌঁছালো,বাইরের করিডোরে মা আর তনুর মা বসে আছে,চোখ বন্ধ করে,রুমে তাকিয়ে দেখলো তনু ঘুমাচ্ছে,নার্স শিশিরকে দেখে এগিয়ে আসলো
নার্স-আপনি শিশির?
শিশির মাথা নেড়ে তনুর কাছে গেলো,তনুর হাত শক্ত করে ধরলো,তনুর হুস নেই,,তনুর পেটে হাত বুলালো,
শিশির কাঁদতে থাকলো,
নার্স-আপনাকে তো শক্ত হতে হবে তা নাহলে আপনার wife কে সামলাবেন কি করে??
শিশির চোখ মুছে ওর পাশে বসলো,নার্স তনুর রিপোর্ট এনে শিশিরকে দিয়ে গেলো,
শিশির রিপোর্ট দেখে পাশে রেখে তনুর হাত ধরলো,ভালো করে তাকিয়ে থাকলো কিছুক্ষণ, তনুর হাতে একটু একটু রক্ত লেগে আছে,শিশিরের চোখের সামনে ঘটনার রুপ বারবার ভেসে উঠছে,কত কষ্টই না তনু পেয়েছে,
কত স্বপ্ন ছিলো তনুর,কি করে সামলাবো আমি তনুকে,,
চলবে♥
(আজ এই পার্ট লিখতে গিয়ে অনেক কেঁদেছি,সত্যি এটা অনেক কষ্টের,)

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_56
শিশির চোখ মুখ মুছে উঠে মায়ের কাছে গেলো,,
মা-তনুকে বুঝাইস এটা ব্যাপার নাহ,পরেও বাচ্চা নিতে পারবে,
শিশির-আবিরকে আমি মেরে ফেলবো,
শিশির কল দিয়ে পুলিশকে সব ইনফর্ম করে দিসে,পুলিশ আবিরকে খুঁজতেছে,,
সবাই বাসায় চলে গেলো,
শুধু শিশির আছে হসপিটালে
পরেরদিন সকাল ১১টায় তনুর জ্ঞান ফিরলো,
চোখ মেলতেই ওর সব মনে পরে গেলো,
চিৎকার দিয়ে উঠে বসলো তনু,
শিশির দৌড়ে এসে তনুর পাশে বসে ওকে এক হাত দিয়ে জড়িয়ে রাখলো
তনু-আমার বাচ্চা, আমাররর
তনু কাঁদতে থাকলো শিশিরকে শক্ত করে ধরে,
শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো
শিশির-কিচ্ছু হবে না,আমরা আবার শিঘ্রই বেবি নিব,
তনু ফুঁফিয়ে কাঁদতেছে
শিশির-আচ্ছা কি খাবা,আমরা আজ বাইরে গিয়ে খাব কেমন??
তনু শিশিরকে ছেড়ে দিয়ে হাতের ক্যানেলার টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেললো,
শিশির-এটা কি করলা
তনু-বাচ্চাই যখন নেই এসব থেকে কি হবে
তনু সিট থেকে নেমে গেলো
শিশির-তোমার rest প্রয়োজন,নামতেছো কেন
তনু নেমে গিয়ে জানালায় দাঁড়ালো
শিশির-চলো ঘুরতে যাব
তনু কিছু বললো না
নার্স শিশিরের হাতে তনুর শাড়ী দিয়ে গেলো,
শিশির-আপনি যান,আমি করে দিব
নার্স চলে গেলো,
শিশির তনুর হাত ধরে খাটে বসালো,
আস্তে আস্তে তনুকে শাড়ী পরিয়ে তনুকে উঠিয়ে দাঁড় করালো তনু আধমরা হয়ে গেসে,কোনো কথা বলতেছে নাহ,
শিশির তনুকে নিয়ে পার্কে যাওয়া ধরলো,কিন্তু ওর মনে হলো পার্কে বেবিদের দেখলে তনুর মন আরও খারাপ হয়ে যাবে তাই শিশির তনুকে নিয়ে একটা restaurant -এ আসলো,
শিশির খাবার অর্ডার দিলো,তনুর চোখ আরেক দিকে,
একটা family তনুর সিট বরাবর সামনে বসে খাবার খাচ্ছে,তাদের সাথে ছোট একটা বাবু,
তনু বাবুটার দিকে তাকিয়ে আছে,শিশির বুঝতে পেরে পিছনে তাকিয়ে দেখলো বাবুটাকে,
তনুর চোখ দিয়ে পানি যেতে লাগলো অনবরত
শিশির তনুর এই অবস্থা দেখে নিজেকে সামলাতে ওর জন্য কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে
শিশির হাত দিয়ে তনুর মুখ মুছে দিলো,
শিশির খাবার মুখে দিসে কিন্তু গিলতে পারছে না কারন তনু এখনও বাবুটার দিকে তাকিয়ে,হাতে চামচ কিন্তু ওর খাওয়ার দিকে কোনো নজর নেই,
শিশির ২চামচ খেয়ে রেখে দিলো,
তনুকে নিয়ে বাসায় আসলো,তবে নিজের বাসায় না তনুদের বাসায়,নিজের বাসায় গেলে তনুর কালকের ঘটনা মনে পরবে,
তনু রুমে এসে খাটে শুয়ে পরলো,
শিশির ল্যাপটপ নিয়ে বসলো,
১০মিনিট পর তনু উঠলো,আলমারি থেকে শাড়ী নিয়ে বাথরুমে চলে গেলো,,
শিশির দেখলো,কিন্তু ২০মিনিটের মতন হয়ে গেসে তনুর কোনো সাড়া শব্দ নেই কেন??খালি শাওয়ারের sound আসতেছে
শিশির গিয়ে দরজা নক করলো,
শিশির-তনু তনু????
২মিনিট ধরে শিশির দরজা ধাক্কালো কিন্তু তনুর কোনো খবর নাই দেখে দরজা ধাক্কাতে লাগলো জোরেসোরে, ৪বার ধাক্কাতেই দরজা খুলে গেলো,শিশির ভিতরে ঢুকতেই দেখলো তনু নিচে পড়ে আছে অচেতন হয়ে,
শাওয়ারের পানি ওর গায়ে পড়তেছে,শিশির নিচে বসে তনুর মাথা ওর কোলে নিয়ে এলো,
শিশির-তনু তনু!!
তনুকে কোলে তুলে খাটে এনে তাড়াতাড়ি করে শাড়ী change করে ফেললো,
গা ঠান্ডা বরফ হয়ে গেসে,
শিশির কি করবে ভেবে না পেয়ে Doctorকে কল দিল,
Doctor আসতে লেট হচ্ছে শিশির আর থাকতে না পেরে তনুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলো,ওর নিজের গা ও এখন ঠান্ডা হয়ে গেসে কিন্তু তনুর গা এখনও ঠান্ডা,
Doctor আসলো,একটা ইনজেকশান দিয়ে গেলো,
শিশির তনুর গায়ে কম্বল টেনে দিলো,
মাথায় হাত দিয়ে চেয়ারে বসলো,
তনুর গায়ে জ্বর, ঘুমের মধ্যে বাবু বাবু করতেছে,
শিশির কাছে গিয়ে বসে ওর হাত ধরলো,কিছুক্ষণ পর তনু চোখ খুললো শিশিরকে ধরে উঠে বসলো,
তারপর কিছুক্ষণ শিশিরের দিকে তাকিয়ে শিশিরকে শক্ত করে ধরে কেঁদে দিলো,শিশির তনুর মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে লাগলো,
শিশির তনুর কানের নিচে চুমু খেলো,তনু নিজের মাথা শিশিরের কাঁধে রাখলো,গা কাঁপতেছে ওর জ্বরে,
শিশির ধরে শুইয়ে দিলো,
খাবার আনলো
শিশির-হুম দেখি আমার রিনতির আম্মু হা করো,,
তনু চোখ মুছে শিশিরের দিকে তাকালো
তনু -রিনতি কে?
শিশির-কেন আমার মেয়ের নাম,যার আসার খবর আগামী ২০দিনের ভিতর পেয়ে যাবা
তনু-মানে?
শিশির-হুম,আমরা আবার বেবি নিব,এখন খেয়ে নাও তো
তনু-খাব না,খিধে নেই
শিশির -তাহলে আমিও খাব না
তনু-আমার ইচ্ছে করসে নাহ,pls জোর করবেন না
শিশির-সকাল থেকে কিছুই খাওনি,এটা খেতেই হবে
শিশির জোর করে ধরে কয়েক লোকমা খাইয়ে ঔষধ খাইয়ে দিলো,
তনু শিশিরের বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে,
একটু পরেই শিশিরের মনে হলো ওর জামা ভিজে গেসে,তাকিয়ে দেখলো তনু চোখ মুছতেছে,
শিশির-এতটা ভেঙে পড়িও না,আমি যে তোমাকে সামলানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলবো তনু
তনু-আমি পারতেছি না ভুলতে
শিশির-আচ্ছা চলো দূরে কোথাও থেকে ঘুরে আসি,কয়েকদিনের জন্য,তোমার মনটাও ভালো হয়ে যাবে
তনু কিছু বললো না
শিশির বাসের টিকিট বুক করে নিলো,,কক্সবাজার যাবে ৭দিনের জন্য,,
পরেরদিন তনু কোনো রকম জামা একটা পরে নিলো,শিশিরের সাথে বাসে বসে আছে,বাইরে জানালার দিকে তাকিয়ে
শিশিরের পাশের সিটে বয়স্ক কাপল বসেছে,
মহিলা-তা মেয়ের মন খারাপ কেন??
মহিলার husband -পালিয়ে বিয়ে নাকি?
শিশির ওদের দিকে তাকালো,
শিশির -নাহ বিয়ে হয়সে অনেকদিন, বাচ্চা নিতে যাচ্ছি?
তনু শিশিরের দিকে চোখ বড়বড় করে তাকালো
মহিলার husband -ফেমিলিতে লোকজন কি বেশি নাকি যে সমস্যা হচ্ছে??
মহিলা-ছিঃ এসব কি বলো
শিশির-ফেমিলি ছোট বাট বউয়ের মন খারাপ,তাই ওটা ভালোর সাথে + আরেকটা কাজ ও করে নিব আর কি
মহিলাটা হুট করে বলে ফেললো তা আর বাচ্চা আগে নেওনি?
মূহুর্তেই তনুর মুখটা ফ্যাকাশে হয়ে গেলো,এতক্ষণ ওর হাত শিশিরের হাতের উপর ছিল,হাতটা সরিয়ে আবার জানালার দিকে তাকালো
মহিলা-কি হলো??
শিশির-আসলে,
তারপর ওরা আর কিছু বললো নাহ
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_57
শিশির তনুকে নিয়ে হোটেলে আসলো
তনু চুপচাপ জামা নিয়ে change করতে গেলো,
দরজা লক করতে যাবে শিশির হাত দিয়ে আটকালো
তনু-কি?
শিশির -তুমি আর কোনোদিন দরজা লক করে বাথরুমে যেতে পারবা না
তনু-তো কি আপনার সামনে change করবো?
শিশির-নাহ যাচ্ছি আমি
তনু change করে বের হলো,
শিশির দেওয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে মুচকি হেসে তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,
তনু একবার তাকালো,
এমন করে তাকিয়ে আছে কেন,
শিশির তনুর হাত ধরলো,
চলো খেয়ে আসি,তোমাকে ঔষধ খাওয়াতে হবে তোমার জ্বর এখনও যায়নি
শিশিরের এমন হাসি তনুর অন্যরকম লাগলো,
তনু খাচ্ছে,
শিশির এখনও মুখে হাসি নিয়ে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে
তনু-কি হয়সে,এমন করে তাকিয়ে আছেন কেন
শিশির-এমনি,ভালো লাগে দেখতে
তন মুখ বাঁকা করে হাসলো,
শিশির-???
তনু-বাচ্চা হারিয়ে একজন মায়ের চেহারা আর কেমন হতে পারে অন্তত সুন্দর নাহ
শিশির-আমার কাছে সুন্দর কারন আমি এখন আরেকটা বাচ্চার মাকে দেখতেছি,
তনু-মানে
শিশির-আমরা তাড়াতাড়ি বাবু নিব কেমন?
তনু-আর তারপর আবার আবির এসে!
শিশির চুপ হয়ে গেলো,
ঔষধ খাইয়ে তনুকে খাটে শুইয়ে গায়ে কাঁথা টেনে দিয়ে বারান্দাতে গম্ভীর হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো শিশির
তনুর ঘুম আসছে না,উঠে বসলো,কিন্তু শিশির কই?বারান্দাতে গিয়ে দেখলো নাহ নেই,
তনু পিছন ফিরতেই শিশিরের বুকের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যাওয়া ধরলো শিশির শক্তকরে ধরে ফেললো,
শিশির তনুর পিছনেই দাঁড়িয়ে ছিলো,
তনু সরতে গেলো শিশির এক হাত দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,জড়িয়ে ধরে রাখলো
বারান্দা টা খোলামেলা,বাতাসে তনুর শীত করতে লাগলো,
তনুও শক্তকরে ধরলো শিশিরকে,দুজনেই নীরব হয়ে আছে,
তারপর শিশির তনুকে কোলে তুলে খাটে নিয়ে গেলো,
তনুর মুখ শুকিয়ে আছে,চোখের নিচে কালো দাগ,
আমাকে দেখিয়ে ঘুমানোর ভান করলেও আমি টের পেয়েছি সারাটা রাত ধরে কেঁদেছে তনু,
শিশির হাত দিয়ে চোখের নিচে মুছে দিয়ে ওখানে চুমু খেলো,
গলায় আলতো করে কামড় দিলো,
তনু হঠাৎ শিশিরকে বাধা দিলো
শিশির তাকিয়ে আছে তনুর দিকে,জিজ্ঞাসুচক চোখে
তনু-আমি আর বাবু হারাতে চাই না,
শিশির-হঠাৎ এমন কেন বললা
তনু-আবার গর্ভবতী হলে আবার আবির!…
শিশির থামিয়ে দিলো
শিশির-আর আল্লাহ ছাড়া কারোর সাধ্য নেই আমার বাচ্চার ক্ষতি করার,
শিশির পাশে শুয়ে পরলো,চুপ হয়ে আছে দুজনেই
শিশির উঠে লাইট অফ করতে গেলো
তনু-পর্দা টা টেনে দিয়েন
শিশির-কেন?হালকা আলো আসতেছে ভালই তো
তনু -নাহ, পাশের flat এর লোক দেখা যায়,আমার লজ্জা করে
শিশির তনুর কথার মানে বুঝতে পারলো,
সামান্য হাসি দিয়ে পর্দা টেনে দিয়ে তনুর কাছে আসলো,
শিশির তনুকে কিস করতেছে,হঠাৎ তনুর চোখ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো,শিশির ছাড়লো না,
হাত দিয়ে চোখ মুছে দিয়ে তনুকে আরও চেপে ধরলো,ছোট বয়সে মা হলো,ছোট বয়সে হারালো,এই কষ্ট সয্য করার মতন নাহহ
তনু শুয়ে আছে আরেকদিকে ফিরে,ঘুমিয়ে গেসে
শিশিরকে ধরেনি,
অথচ শিশিরের বুকে শুয়ে পড়া তনুর অভ্যাস,
শিশির-আমার বাবুর এই ক্ষতির জন্য কি আমি দায়ী??তনু কি আমাকে দায়ী ভাবসে,হয়ত আমি দায়ী,আমি থাকলে এমনটা হত নাহ,
আমার উপর তনুর অভিমান জেগে আছে,তা পদে পদে বুঝতে পারতেছি,নিজেকে অপরাধী লাগতেছে খুব,
শিশির আর ঘুমালো না ভাবতে ভাবতে সকাল হয়ে গেলো
তনু নড়াচড়া করতেছে দেখে শিশির বসা থেকে শুয়ে পড়ে ঘুমের ভান ধরলো
তনু উঠে বসে শিশিরের দিকে তাকালো,খাট থেকে নেমে গিয়ে বাথরুমে গেলো,দরজা লাগালো না,আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে মনে পরলো সেই ঘটনার কথা,চোখ ভরে পানি পড়তে লাগলো,তনু আয়নায় বারবার সেই ঘটনা দেখতেছে,পিছিয়ে গিয়ে দেওয়ালে সাথে লেগে গেলো,ঝরনা লেগে অন হয়ে গেলো,পানি পড়তে লাগলো তনুর গায়ে
শিশির শাওয়ারের আওয়াজ পেয়ে উঠে বসলো
শিশির-এত সকাল সকাল গোসল করতেছে কেন,এমনিতেও বাসায় তনু দুপুর ছাড়া গোসল করে না
শিশির গেলো দেখতে, তনু গুটিশুটি মেরে নিচে বসে আছে,গা ভিজে গেসে,শিশির থমকে গেলো,অনেকটা বড় শক খেয়েছে তনু
শিশির গিয়ে পাশে বসলো,তনু আড়চোখে তাকালো
শিশির-আমাদের প্রথম বেবিটার জন্য তুমি পরের বেবিটাকে কষ্ট দিচ্ছো কেন?
তনু চুপ
শিশির এক হাত দিয়ে তনুর কোমড় ধরলো,
শিশির-কি??বলো
তনু উঠতে গেলো শিশির চেপে বসিয়ে দিলো
শিশির-পরিবেশটা Romantic না?
তনু -?
শিশির টান দিয়ে তনুর জামা খুলে ফেললো,তনু তো হা করে তাকিয়ে আছে
শিশির-কি এভাবে তাকাও কেন,আমার বউ আমি করতেছি
শিশির তনুকে নিয়ে খাটে নিয়ে এলো,
সকাল ১০টায় ♥তনু শিশিরের বুকে শুয়ে আছে,
শিশির-রাগ ভাঙছে?
তনু অবাক হয়ে তাকালো
শিশির-যাক
তনু শিশিরের বুকে নাক ঘষলো
শিশির-বিকালে তোমাকে নিয়ে হসপিটাল যাব,তোমার জ্বর কমতেছে না
তনু-নাহ ভালো লাগে না,এখানে থাকব
শিশির-গেলে ভালো লাগবে
তনু-ওকে
তনু একটা লং three পিস পরে নিলো,শিশির জিন্স আর শার্ট পরলো,তনু শিশিরকে দেখে হাসলো
শিশির-কি ম্যাম হাসার কিতা আছে?
তনু সামনে এসে কলার ঠিক করে দিলো,শিশির ঠিকঠাক তবে কলার টা ইচ্ছা করেই এমন রাখে যাতে তনু ওর কাছে এসে ঠিক করে দেয়
চলবে♥
(আমার পরীক্ষা ৯তারিখ থেকে,তাই লেট হয়,কেউ কেউ এমন ভাবে ধমক দেন যে লেট হয় কেন এই বাচ্চা মেয়েটা অনেক ভয় পায়?????)

Crush যখন বর?Season_2Part_52/53/54

0

Crush যখন বর?Season_2Part_52
Writer-Afnan Lara

তনু-কি হয়সে?
শিশির তনুকে মারার জন্য হাত উঠালো
তনু চোখ বন্ধ করে ফেললো,
শিশির হাত সরিয়ে ইচ্ছামত দেওয়ালে ঘুষি দিতে লাগলো,
তনু গিয়ে শিশিরের হাত ধরে আটকালো,
তনু-কি করতেছেন কি,আর কি হয়সে??
শিশির তনুর দিকে তাকালো,চোখে রাগ,,
বেরিয়ে গেলো বাসা থেকে,আবির সবে বাসা থেকে বেরিয়ে চলে যাচ্ছিল আর খুশিতে লাফানো ধরলো শিশির এসে আবিরের কলার ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেলো,
সোজা পুলিশ station e,,
শিশির-arrest him
আবির-আমি নির্দোষ আমি কিছু করিনি
পুলিশ -আপনার কাছে কোনো প্রমান আছে?
শিশির-আমি বলসি এটা যথেষ্ট নাহ??
আবির-হ্যালো কই তোরা তাড়াতাড়ি Police station এ আয়
শিশির রাগী চোখে আবিরের দিকে তাকিয়ে আছে,
১০মিনিটেই আবিরের কিছু frd চলে আসলো,
ওরা অনেক ঝগড়া করে আবিরকে ছুটিয়ে নিয়ে গেলো,
শিশির বাসায় ফিরে আসলো,
তনু বাথরুমে বমি করতেছে,
শিশির একবার তনুর দিকে তাকালো,
তনু এসে শিশিরের পাশে বসলো,
তনু-কি হয়সে??
শিশির কিছু বললো না,
খাটের এক পাশে গিয়ে শুয়ে পরলো
তনুর শরীরটা ভালো নেই তাই তনুও শুয়ে পরলো
পরেরদিন সকালেই তনুর ঘুম ভাংলো,
উঠে দেখলো শিশির রেডি হচ্ছে
তনু গিয়ে জড়িয়ে ধরলো
শিশির চুপচাপ shirt এর হাতা ঠিক করছে,
তনু-কথা বলবেন না??
শিশির তনুকে ছাড়িয়ে চলে গেলো
তনু-আজব?
মা-শিশির বাবা একটু বাসায় আসবে,তনুর শরীরটা খুব খারাপ হয়ে গেসে
শিশির তাড়াতাড়ি আসলো,
তনু বিছানায় শুয়ে আছে,
শিশির-কি হয়সে?
মা মুচকি হাসলো,শিশির তুমি বাবা হতে চলেছো,
মা মিষ্টি আনতে চলে গেলো
শিশিরের মন গম্ভীর ,
তনু-খুশি হননি?
শিশির -এই ঔষধ গুলা দুপুরে খাবা আর এগুলা রাতে
তনু-আমি কি জিগাইসি?
শিশির-আমার বাচ্চা নাকি আবিরের??
তনু-কিহ??
শিশির আর কিছু বললো না,সোজা তনুর ফোন নিয়ে তনুর গায়ে ছুঁড়ে মারলো,
শিশির-মেসেজ চেক করো
তনু messenger এ গেলো,কিন্তু ওর আইডি তো হ্যাক হয়েছিলো এখন ওরে messenger এ কেমনে ঢুকতে দিসে,তনু গিয়ে দেখলো আবিরের সাথে করা চ্যাট,কিন্তু এসব তো আমি করিনি
শিশির-এসব মিথ্যা?
তনু-আরে আমার আইডি হ্যাক হয়সে
শিশির-shut up!!
তনু ভয় পেয়ে গেলো,
শিশির টাই খুলতে খুলতে বারান্দায় চলে গেলো,তনু উঠে শিশিরের কাছে গেলো
তনু-এটা আপনার বেবি,আপনার সন্দেহ আছে.?
শিশির কিছু বললো না,বরং উঠে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,
সন্ধ্যা ৬টা
Doctor -হ্যালো শিশির
শিশির-হুম মীম বল
মীম-আরে তোর বউ তনু হসপিটালে abortion করতে আসছে,আমি যত বলসি যে এখন আর abortion করা যাবে না,সবাই abortion করতে পারে না,উনি বলে ক্ষতি হলে হোক,আমাকে মেবি চিনে নাই
শিশির-ওরে আটকায় রাখ আমি আসতেছি
শিশির হসপিটালে গেলো,
তনু শিশিরকে দেখে ভয়ে চোখ কপালে
শিশির-মীম আসতেছি কেমন,আমাদের বাসায় যাইস মাঝেমাঝে
শিশির তনুর হাত শক্ত করে ধরে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,
বাসায় এনে খাটে ছুড়ে মারলো
তনু-বাচ্চা তো আপনার না তাহলে আমাকে আটকাইছেন কেন
শিশির ঠাস করে চড় মেরে দিলো,
তনু গালে হাত দিয়ে কাঁদতে লাগলো
শিশির-বাচ্চা আমার হোক বা অন্য কারোর,মেইন fact হলো এটা তোর শরীরে বেড়ে উঠছে,আমার কাছে তুই বেশি আর কিছু না
তনু এখনও কাঁদতেছে
শিশির মাথা ঠান্ডা করে বসলো,
শিশির-দুপুরের ডোজ খাইসো?
তনু কিছু বললো নাহ
শিশির গিয়ে ঔষধের পাতা চেক করলো,খায়নি,শিশির ২টা পাউরুটি এনে তনুর মুখ টিপে ধরে খাইয়ে দিলো,তারপর ঔষধ খাইয়ে দিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে কাঁথা টেনে দিলো,
Shirt নিয়ে বাথরুমে চলে গেলে,
তনু উঠে বসলো,
রাখব না বাচ্চা,বাচ্চার বাবা অস্বীকার করতেছে,থেকে কি করবে
তনু ফ্রিজ থেকে পেঁপে একটা নিয়ে কেটে খেতে বসলো,
মা-একি এটা কি করতেছস,বাবুর ক্ষতি হবে
মা তনুকে থামাতেই পাচ্ছে না,
মা-শিশির শিশির!
শিশির টাওয়েল নিয়ে মাথা মুছতে মুছতে আসলো,
মা-দেখো না তনু পেঁপে খাচ্ছে,বাবুর ক্ষতি হবে এটা খেলে
শিশির তনুর হাত থেকে পেঁপে নিয়ে ফেলে দিলো,তনুর মুখ টিপে ধরে রাখলো
শিশির-মা তুমি না আজ পোনামাছ রান্না করবা,এখনও তো রাঁধোনি,আমাকে কাঁচা একটা মাছ দাও
মা-কি করবা
শিশির-দাও
মা এনে দিলো,
শিশির সেটা নিয়ে তনুর মুখ টিপে ধরে মুখের ভিতর কাঁচা মাছ পুরে দিলো
তনু চোখ বড়বড় করে বাথরুমে গিয়ে বমি করে দিলো
শিশির-হুম,পেট থেকে সব পেঁপে চলে গেসে,
Next time এমন করলে মাইর আর কাঁচা মাছ free পাবা
শিশির laptop নিয়ে বসলো
তনু সোফার রুমে গিয়ে Freeze থেকে ঠান্ডা পানি নিয়ে ঢকঢক করে খেয়ে ফেললো,আবার চুপিচুপি এসে খাটে শুয়ে পরলো
শিশির-কিছু একটা তো করেছো তুমি,
শিশির টেনে তুললো তনুকে,মুখ টিপে ধরলো,এত ঠান্ডা হয়ে আছে কেন,
শিশির -আরেকটা চড় বসিয়ে দিলো গালে
তনু কান্না শুরু করলো
শিশির-আর একবার কাঁদলে আরও কয়েকটা দিব
তনু চুপ
শিশির-কি সমস্যা তোমার,এমন করতেছো কেন
তনু-আরেকজনের বাচ্চা পেটে রাখবো না
শিশির-উফ
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_53
শিশির গিয়ে শুয়ে পরলো,
তনু গালে হাত দিয়ে বসে আছে,খুব খিধা লাগসে,কিন্তু কি খাবে বাসায় যা আছে ওগুলা খেতে মন চায় নাহ???
তনু ছটপট করে ঘুমিয়ে পরলো,
শিশির উঠে বসলো,তনুর দিকে তাকালো,বাচ্চাদের মতন ঘুমিয়ে আছে,শিশির কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলো,তারপর হঠাৎ মনে পরলো আবির আর তনুর ব্যাপারটা,,
টান দিয়ে তনুর গায়ের কাঁথাটা নিয়ে নিলো,
শিশির-ইচ্ছা করতেছে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিই
রাতে তনু শীতে শিশিরের বুকের সাথে লেগে শিশিরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির তখনও ঘুমায়নি,তনু ধরায় তনুকে এক হাত দিয়ে আগলে রাখলো,সকাল হলে ছুড়ে মারবো,এখন ঘুমাক
সকালে তনুর আগে শিশির উঠে জোরেসোরে তনুকে সরিয়ে দিলো,তনু ঘুম থেকে উঠে শিশিরের দিকে রাগী লুকে তাকালো
তনু-আস্তেও তো সরাতে পারেন নাকি?
শিশির-আমাকে টাচ করবা না,দূরে থাকো
শিশির রেডি হয়ে অফিসে চলে গেলো
তনু সারাদিন খাই খাই করতেছে
তনু-ধুর!!একটা কিছু নাই যে খাবো?
তনু ফ্রিজ থেকে খুঁজে আইসক্রিম একটা পেলো,ওটা খেতে লাগলো হেঁটে হেঁটে, ওটা থেকে রস নিচে পড়তে লাগলো,
পরে খাওয়া শেষে পা বারাতেই পিছলা খেয়ে নিচে পড়ে গেলো,
তনু-আহহহ,আমার পা,লাগলো????
তখনই শিশির বাসায় ঢুকলো,
তনু-এ্যা????
শিশির-চড় খাওয়ার শখ হয়সে???
তনু-উঠান না???
শিশির উঠালো না,চলে গেলো
তনু কষ্ট করে উঠে দাঁড়ালো,আবার ঠাস করে পরে যাওয়া ধরলো শিশির এসে ধরলো,তারপর কোলে তুলে নিলো
তনু-তুলছেন কেন,রেখে আসতেন নিচে
শিশির-ওকে ডান
শিশির গিয়ে আবার সেই জায়গায় তনুকে রেখে আসলো
তনু ভ্যাভ্যা করে কেঁদে দিলো
আস্তে আস্তে উঠে বিছানায় গিয়ে বসে শিশিরকে ইচ্ছামত গালি দিল,তারপর শুয়ে পরলো,
শিশির তনু জন্য খাবার এনেছিলো,সেগুলো ফ্রিজে রেখে আসলো,রুমে এসে দেখলো তনু ঘুমাচ্ছে,পা মনে হচ্ছে ফুলে গেসে,
শিশির হালকা সরিষার তেল গরম করে তনুর পাশে বসে ওর পায়ে মালিশ করে দিলো,তনু তো মরার মত ঘুমাচ্ছে,
রাত ১২টা
শিশির-আউচচচচচচ
তনু-কিছে কিছে
শিশির-ঘুমে থেকে কি চাবাও?
তনু-বিসকুট
শিশির-তাইবলে আমার হাত কামড়াবা?
তনু-আমি তো বিসকুট দেখসিলাম,আহারে এত সুন্দর স্বপ্নটা,ধুর
তনু উঠে ফ্রিজ দেখতে গেলো,ওমা নাগেট?????খামু???
তনু ভাজতে লাগলো,আহা কি মজা,নাগেট খামু,
শিশির খবর দেখতে লাগলো,খবরে দেখাচ্ছে নাগেটে অনেক ক্ষতিকর পদার্থ mix করা হয়
শিশির দৌড়ে কিচেন রুমে গেলো,
তনু মুখে ভরতে ছিলো শিশির হাত থেকে নিয়ে নিলো
তনু-pls দেন না আমি খাব
শিশির-না,এটা harmful
তনু-কে বলসে
শিশির-খবরে
তনু-এটা তো আপনার বেবি না তাহলে এত টেনসন কিসের
শিশির তনুকে টান দিয়ে কাছে নিয়ে এলো
শিশির-last বার বলতেছি,বেবি আমার কাছে fact না,মেইন হচ্ছো তুমি
তনু-আমি মরলেও কিছু যায় আসবে না
শিশির ঠাস করে একটা চড় মেরে দিলো,
তনু চোখ মুছতে মুছতে রুমে চলে এলো,
শিশির দেওয়ালে ইচ্ছামত ঘুষি দিতে থাকলো
তনু পেটে হাত দিয়ে বলতে থাকলো বেবি তোর বাবা তোর মাকে খুব মারে,তোর বাবা তোকে অস্বীকার করে,এটা বলেই কেঁদে দিলো
শিশির দরজার পাশে দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকলো
তনুর পাশে এসে বসলো
তনু আরেকদিকে ফিরে বসলো
শিশির এক প্লেট চটপটি এগিয়ে দিলো
তনু তাকিয়ে আবার আরেক দিকে ফিরে বসলো
শিশির-ওকে আমি খাই
তনু হাত থেকে নিয়ে নিলো,নিজে খেতে লাগলো,
খাওয়া শেষে পানি খেয়ে বসলো,আর চোখ মুছতেছে শুধু
শিশির-কি আবার কাঁদো কেন?
তনু-খুব ঝাল দিসে
শিশির তনুর পাশে বসলো,তনু শিশিরের দিকে তাকালো,বারবার শিশিরের ঠোঁটের দিকে তাকাচ্ছে তনু,আর নাক টানছে
শিশির এক হাত তনুর কোলে রাখলো
শিশির-কিস দিব না
তনু-তো হাত রাখলেন কেন
শিশির-আমার হাত ধরো
তনু ধরলো
শিশির-চুষো
তনু-কিহহহহ?
শিশির-যেটা বলসি করো
তনু সত্যি সত্যি চুষতে লাগলো,
৫মিনিট পর ছাড়লো,
তনু-বাহ ঝাল কমে গেসে
শিশির-হুম
তনু-আপনাকে এটা কে শিখিয়েছে?
শিশির-একদিন খুব ঝাল লেগেছিল,সেদিন এমন করসি,ঝাল কমে গেসিলো
তনু-ওয়াও,
তনু শিশিরের হাত ধরে ঘুমিয়ে গেলো,
শিশির তনুর কাছে গিয়ে তনুর গালে চুমু খেলো,
তারপর হাত ছাড়িয়ে উঠে বারান্দায় গিয়ে বসলো
আবির-হ্যালো, হুম ওকে তোরা রেডি থাকিস,আমরা কাল বাসা থেকে তনুকে কিডন্যাপ করবো,ওকে,শিশির যখন অফিস যাবে তখন
মুনা সবটা শুনতে পেলো
আবির কথা শেষ করে পিছনে তাকাতেই মুনাকে দেখতে পেলো
মুনা-cheater!!
আবির -সব বুঝে গেলো,ধুর
মুনা-আমি ভাইয়াকে সবটা বলে দিব
আবির গিয়ে মুনাকে ধরে ফেললো
আবির-আমি দিলে তো বলবা
আবির মুনাকে ধরে একটা দড়ি দিয়ে হাত পা বাঁধলো,বসিয়ে রাখলো floore,
আবির -তোমার শিশির ভাইয়া কিভাবে তোমাকে আর তনুকে বাঁচায় আমিও দেখবো,
সকালে তনু ঘুম থেকে উঠলো
তনু-মুনার কথার মনে পড়তেছে খুব,,মেয়েটা শুধু শুধু আমাকে ভুল বুঝলো,?ওকে দেখতে যাব?যদি আবির থাকে,

রুনা-তনু আর শিশির তো নাকি তনুদের বাসায় থাকে,আজ ওখানে যাব,আরেকটা scene create করবো,আমাকে বিনা অপরাধে পাগলা গারতে পাঠানো,দেখাচ্ছি মজা?
আবির মুনার হাতের বাঁধন খুলে ওর হাতে খাবার দিলো,
আবিরের লোকেরা আবিরকে জানালো যে শিশির অফিসে গেসে,ওরা শিশিরের অফিসের বাইরে থেকে নজর রাখসিলো
আবির তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে এলো,দরজা লাগালো,কিন্তু মুনার হাত বাঁধার কথা ভুলে গেলো,
তনু সাহস করে আবিরদের বাসায় আসলো,,
ঐদিকে রুনা তনুদের বাসায় গেলো,তনুর মা বললো তনু নেই,রুনা উনার কথা না শুনে তনুর রুমে দেখতে গেলো
আবির আর তার লোকেরা তনুদের বাসায় ঢুকলো,
রুনা খাটের নিচে উঁকি দিয়ে দেখতেছে তনু কই,
আবিরের লোকেরা রুনাকে তনু ভেবে খপ করে ধরে বস্তা দিয়ে মুখ ঢেকে টানতে টানতে নিয়ে গেলো,
তনুর মাকে আবির ধরে রাখলো,
তারপর উনাকে ছেড়ে দিয়ে সবাই চলে গেলো,
আবির -হাহা,শিশির এবার কিভাবে বাঁচাবা তনুকে
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_54
তনু দরজার সামনে গিয়ে নক করলো,কোনো সারা পেলো না
তনু-মুন, মুন আছো??
কিছুক্ষন পর দরজায় তাকিয়ে দেখলো তালা দেওয়া,গেলো কই??
মুনা ততক্ষন পায়ের বাঁধন খুলে ফেললো,তনুর আওয়াজ গেলো ওর কান পর্যন্ত,,
তনু চলে যাওয়া ধরলো মুনা দরজার কাছে এসে চিৎকার দিতে লাগলো
তনু নিচের তালায় তখন,ওর মনে হলো মুনা ডাকলো
তনু আবার গেলো,
তনু-মুনা???
মুনা-তনু ভাবী আমাকে বাঁচাও,আবির আমাকে আটকে রেখেছে
তনু-এখন দরজা খুলবো কিভাবে,তালা দেওয়া,দাঁড়াও আমি শিশিরকে কল দিতেছি,
মুনা-তাড়াতাড়ি করো আবির এসে যাবে
তনু শিশিরকে কল দিয়ে আসতে বললো,
শিশির-আমি আসতেছি ওয়েট করো,
ঐদিকে আবির রুনাকে নিয়ে একটা গোডাউনে হাজির,,রুনাকে চেয়ারে বসিয়ে হাত বেঁধে মুখ থেকে বস্তা সরিয়ে রুনাকে দেখে আবিরের চোখ কপালে,
আবির-তনু কই??এটা কে?এই তুমিকে?
রুনা-You bastard, scoundrel
আবির ঠাস করে চড় মেরে দিলো রুনাকে
আবির-যেটা জিগাইসি just সেটার উত্তর দিবা এর বেশি একটাও না
রুনা-আমি রুনা,তনু নাহ
আবির পিছন ফিরে ওর hire করা একটা গুন্ডাকে চড় মারলো
আবির-এটা তনু??
লোকটা-ওস্তাদ তনুর রুমে ছিল,আমরা ভাবসি তনু
আবির-ইস,তনু কই তাহলে,ধুর!!
শিশির মুনাদের বাসায় এসে দেখলো তনু দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে আছে,
শিশির আসার সময় সাথে করে তালা ভাঙার লোক এনেছে,
দরজা খুলার পরই মুনা এসে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো
সব বলে দিল শিশিরকে,,
শিশির-ওকে চল
শিশির মুনাকে নিয়ে পুলিশ station এ আসলো ,,
মুনার কথা শুনে ওরা আবিরকে ধরার জন্য লোক পাঠালো,
আবির তো বাসায় পৌঁছে গেসে, কিন্তু একি মুনা কই,দরজাও খোলা,,ইস আমি মুনার হাত বাঁধতে একদম ভুলে গেসিলাম
আবির বাসা থেকো বের হওয়ার সাথে সাথে পুলিশের লোক ওকে ধরে ফেললো,
নিয়ে গেলো station এ,
শিশিরকে দেখে আবিরের গলা শুকিয়ে গেসে,
শিশির ঠাস করে চড় মেরে দিলো,আরও মারতে গেলো পুলিশের লোক ওকে আটকালো,
শিশির মুনা আর তনুকে নিয়ে বাসায় আসলো
মুনা তনুকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো
মুনা-I’m sry ভাবী,আমি না জেনে তোমার সাথে misbehave করসি,মাফ করে দাও
তনু-আরে ধুর,বাদ দে,
তনু রুমে আসলো,,
শিশির মায়ের সাথে কথা বলে রুমে এসে দেখলো তনু শুয়ে আছে,ঘুমাচ্ছে
শিশির পাশে বসলো,ঐদিন কথাটা! উফ আমিও মুনার মতন আবিরকে বিশ্বাস করে ফেলেছিলাম???
শিশির তনুর পেটে হাত রাখতেই তনু জেগে উঠে বসলো
শিশির তনুর দিকে অপরাধী হয়ে তাকিয়ে আছে
তনু-হুহ
তনু উঠে বারান্দা চলে যাওয়া ধরলো শিশির তনুর শাড়ীর আঁচল ধরে ফেললো
শিশির-সরি
তনু কিছু বললো না
শিশির পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরলো,
তারপর তনুর পেটে হাত দিলো
তনু-ঢং
শিশির -নাহ আদর
শিশির তনুকে কোলে তুলে ছাদে নিয়ে গেলো,
তনু-ছাদে কেন??
শিশির-একটা জিনিস দেখাবো,
শিশির তনুকে নামিয়ে দিয়ে এক হাত দিয়ে তনুর চোখ বুজিয়ে আরেক হাত দিয়ে টেনে ফুল গাছের সামনে নিয়ে গেলো,হাত সরালো,
তনু-কাঠ গোলাপ?????????
শিশির-1st এটা ফুটসে তাও এমন একটা দিনে
তনু-????
তনু নিচু হয়ে ঘ্রান নিলো ফুলের
শিশির কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে তনুকে টেনে নিজের কাছে এনে ধরলো
তনু-কি
শিশির-এবার আমি তনুর ঘ্রান নিব
শিশির তনুর গলায় নাক রাখলো,হুমমমমম
তনু-????????কাতুকুতু
শিশির শক্ত করে ধরলো তনুকে,
তনু-কি হয়সে
শিশির-কিছু না
শিশির আবার তনুকে কোলে তুলে নিলো
রুমে নিয়ে এলো,
শিশির-তুমি বসো আমি আসতেছি
১০মিনিট পর শিশির ১০টার মতন আইসক্রীম নিয়ে এলো
তনু লাফ দিয়ে উঠে নিতে যাবে শিশির দুটো দিয়ে বাকি গুলা নিয়ে ফ্রিজে রাখলো,
শিশির-বেশি না
শিশির এসে দেখলো তনু সব খেয়ে বসে আছে
শিশির-মাগো মা এত খাও কেন
তনু-আমি না আপনার বাবু ???
শিশির-আচ্ছা ম্যাম আসি,অফিস আছে
মুনা চুপচাপ হয়ে গেসে
তনু-মন খারাপ করিস নারে
মুনা-আমার জীবনটা শেষ করে দিলো
তনু-???
মুনা তনুকে ধরে কাঁদতে লাগলো
তনু হঠাৎ মুখে হাত দিয়ে বাথরুমে চলে গেলো
কিছুক্ষণ পর এসে খাটে হেলান দিয়ে বসলো
মুনা-ভাবী??
তনু-হুম শিশিরের বাবু আসতে চলেছে??
মুনা-গুড নিউজ???????
মুনা -খুশি লাগতেছে☺☺,মন খারাপ কমে গেসে,আমি ফুফু হতে চলেছি???
তনু হাসলো
রাতে শিশির আসলো, রুমে ঢুকে তনুকে খুঁজলো কিন্তু তনু তো নেই,কই গেলো
শিশির বের হতে যাবে তনু রুমের দরজা লাগিয়ে দিলো,
তনু-ভোউউউউউ
শিশির-মাগো!!!
তনু-হিহিহি
শিশির-শয়তান মাইয়া,শিশির খপ করে ধরে খাটে নিয়ে গেলো
শিশির-ঔষধ খাইসো???
তনু-হুম
শিশির-ওকে
শিশির-আমি Change করে আসতেছি,ওয়েট করো
শিশির Change করে এসে হা করে তাকিয়ে রইলো
তনু সেই আগের ছোট নাইটি টা পড়ে আছে,
তনু-কি লাগতেছে না হট??
শিশির-হুম,Pregnant hot
তনু-?
শিশির-হাহা
তনু এসে শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরলো
শিশিরের ঠোঁটের দিকে তাকিয়ে আছে
শিশির মুখ ধরে চুমু খেতে লাগলো,এক হাত তনুর কোমড়ে রাখলো,
তনু শিশিরের গলা ধরে উঁচু হয়ে গেলো,
কিছুক্ষণ পর শিশির তনুকে কোলে তুলে খাটে নিয়ে গেলো,
রাতে♥তনু ঘুমাচ্ছে
শিশির উঠে গেঞ্জি পরে মুনাকে দেখতে গেলো,মুনা বসে বাইরের দিকে তাকিয়ে আছে
শিশির-কিরে মুনা ঘুমাস নাই
মুনা-ঘুম আসতেছিলো না
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_49/50/51

0

Crush যখন বর?Season_2Part_49
Writer-Afnan Lara

শিশির ওড়না হাতে নিলো,
তনু শিশিরের দিকে তাকিয়ে ভয়ে কিছু বললো না,
শিশিরের রাগ উঠলে গাল লাল হয়ে যায়,তনু সেটা দেখে ভয়ে কাঁপতেছে,
শিশির ওড়না নিয়ে তনুর গায়ে পরিয়ে দিলো
তনুর হাত ধরে উঠালো,রুম থেকে বের করে নিজের রুমে নিয়ে গেলো,খাটে বসালো,
শিশির খাটের আরেক পাশে বসলো,
কিছুক্ষণ পর বের হলো,,মুনার কাছে গেলো,
শিশির-মুনা,তুই আবিরকে নিয়ে আবিরের কেনা বাসায় চলে যা,এটা বলেই শিশির চলে যেতে নিলো মুনা এসে সামনে দাঁড়ালো
মুনা-তুমি ভাবীকে বিশ্বাস করসো?
শিশির-ওকে অবিশ্বাস কেন করবো?
মুনা-আবিরকেও অবিশ্বাস করার কিছুই আমি দেখতেছি না,আর ভাবীকে যদি আবির জোরই করসে তো উনি চিৎকার দেয় নি কেন,তুমি আর আমি তো বাসায়ই ছিলাম,
শিশির-আমি তনুকে বিশ্বাস করি
মুনা-আমার চাইতে তোমার বউ বড় হয়ে গেলো,বের করে দিচ্ছো আমাকে??ওকে বের করতে পারো না যে এই নষ্টামি করসে??
শিশির মুনাকে চড় মারলো,
শিশির-তনুর নামে একটাও বাজে কথা বলবি না
মুনা-হ্যাঁ আমি বাজে কথা বলি,যা হয়সে নিজের চোখেই দেখসো,
আবির যে জোর করসে তার কোনো প্রমান আমি দেখতেছি না,
তুমি ও দেখছো সব তাও না দেখার ভান ধরলে সত্যিটা চাপা থাকবে না,
শিশির রাগে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,তনু বাইরে থেকে সব শুনেছে,
চোখ মুছে নিজের জিনিস সব গুছিয়ে নিয়ে রুম থেকে বের হলো
মুনা-আর জীবনে এ বাড়িতে পা রাখবা না, নষ্টা
তনু মুনার কথাটা শুনে ওর বুক কেঁপে উঠলো,কান্না থামিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,
রাতে শিশির বাসায় আসলো,
তনু রুমে নেই,
শিশির বুঝেছে তনু বাসায় চলে গেসে,আলমারিতে তনুর জামা কাপড় নেই,
শিশির ঘুমিয়ে গেলো,
পরেরদিন ♥
শিশির খুব সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে তনুদের বাসায় গেলো,
শিশির-মা তনু কই?
মা-ও কি আমাদের এদিকে আসছে নাকি??
শিশির-মানে?
শিশির-কিন্তু আমি তো গেট খোলা পেলাম,
ছাদে নাকি,
শিশির ছাদে গিয়ে দেখলো তনু ছাদের একটা কোণে ঘুমাচ্ছে গুটিসুটি মেরে বসে,গায়ে শিশিরের দেওয়া জামাটা,পাশে জামা কাপড়ের ব্যাগ,
শিশির গিয়ে পাশে বসলো,গায়ে হাত দিয়ে দেখলো খুব জ্বর এসেছে,,
তনুর হাতের দিকে তাকালো,দাগ হাত বাঁধার,তনু যদি সত্যি রাজি থাকতো তাহলে হাত বাঁধলো কেন,আমার তনুকে চিন্তে কোনো ভুল হয়নি,যা বলার তনু আমাকে বলবে আর সেটাই হবে সত্যি
শিশির তনুকে টেনে বুকে আনলো,
তনু জেগে শিশিরকে দেখে কিছুটা ভয় পেয়ে গেলো,
শিশির-ভয় পাওয়ার কিছু নেই,কাল কি হয়সে বলো আমাকে
তনু কেঁদে দিলো শিশিরকে জড়িয়ে ধরে,
তনু-কিছু করেনি,শুধু আমার মুখ আর হাত বেঁধে বসিয়ে রেখে আবির নিজের জামা খুলে খালি গায়ে বেরিয়ে গেসে,
শিশির-এমন করলো কেন?
তনু দুপুরের ঘটনাও বললো,
শিশির-তুমি বাসা থেকে চলে আসলা কেন?
তনু-মুনাকে বেরিয়ে যেতে বললেন যে,ও তো আপনার পরিবারের লোক,বরং আমি বাইরের,তাই আমিই চলে এলাম,
শিশির-থাপ্পড় খাবা এখন
শিশির-চলো বাসায় তোমার জ্বর আসছে,
তনু-না আমি যাবো না pls
শিশির-এমন করলে আমি বাড়ি ছেড়ে চলে যাবো
তনু চুপ হয়ে গেলো,
শিশির হাত ধরে টেনে বাসায় নিয়ে গেলো
মুনা কিছুক্ষণ তাকিয়ে চলে গেলো,
শিশির বাসায় এসে আবিরকে মারা শুরু করলো,
মুনা এসে আটকাতে লাগলো,পারতেছে না,তারপর তনুর কাছে গেলো
মুনা-কি ভুল বুঝিয়েছো আমার ভাইকে?
তনু-শিশির থামুন
শিশির মারতে মারতে রক্ত বের করে দিসে আবিরের,
মুনা এসে শিশিরকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,
মুনা-তোর বাসা হলে এটা আমার ও বাসা,আমি যাবো না
শিশির আবিরকে বললো মেরে ফেলবো তোরে আমার বাসায় আর দেখলে,কেটে টুকরা টুকরা করবো
মুনা-আমার স্বামী আর আমি আলাদা থাকবো,তবে এই বাসায়,
মুনা আবিরকে bandage লাগিয়ে দিতে লাগলো,শিশির রুমে এসে বসলো,
তনু পানি এক গ্লাস এনে দিলো,
তনু -সরি
শিশির-তুমি সরি বলো কেন,দুধ কলা দিয়ে ঘরে কাল সাপ পুষেছি,
সাবধানে থাকিও,এখন সমস্যা হচ্ছে ও তোমার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে,মুনাকে তো আমি বের করে দিতে পারি না ওর অমতে
শিশির ঔষধ এনে তনুকে খাইয়ে দিল
তনু-আমি একটা কথা বলি?
শিশির-কি?
তনু-আমি কদিন আমাদের বাসায় থাকি
শিশির-আমি মুনাকে বুঝাচ্ছি, তুমি মায়ের বাসায় থাকো,,তুমি এই বাসায় থাকলে তোমার risk,
আর ঐ scoundrel টার সাথে আমার বোন থাকলে তার ও ক্ষতি,
শিশির তনুকে নিয়ে তনুদের বাসায় রেখে আসলো,
শিশির -আমি অফিস যাচ্ছি,কিছু লাগলে কল দিও,আর আমাদের বাসায় যাবা না,ওখানে আবির আছে
তনু আচ্ছা বললো,
শিশির হাত ধরলো তনুর,তনু তাকালো শিশিরের দিকে,
চোখে তার অপরাধবোধ কাজ করতেছে,
শিশির তনুর চোখের ভাষা বুঝে,
শিশির-বিশ্বাস করি তোমাকে,এত ভয় কিসের
তনু-ভয় নাহ,আমার জন্য আপনার আর মুনার মধ্যে দুরত্ব বাড়তেছে
শিশির -মুনার প্রতি আমার দায়িত্ব ঠিক আছে,থাকবেও,ওর প্রতি ভালোবাসা কমবে না,ওকে ঝামেলা থেকে আমি বের করবো,
তনু নিচের দিকে তাকিয়ে রইলো,
শিশির টান দিয়ে বুকে এনে জড়িয়ে ধরলো,
তনু ও ধরলো,
শিশির তনুর কপালে চুমু দিয়ে চলো গেলো,,
তনু বসে আছে আর ভাবতেছে শিশির বিশ্বাস না করলে আজ তনু কি করতো?কি হতো তার, আবির এতটা নিচ
তখনই কলিং বেল বাজলো,
তনু-কে?
কোনো সাড়া নেই,
তনু দরজা খুললো না,মা বাসায় নেই,পাশের বাসায় গেসে,বাবা তো অফিসে,
তনু দরজা খুললো না,
বিকালে শিশির বাসায় আসলো,,
তনু বসে আছে শিশিরের জন্য
শিশির-ঘুমাও নি
তনু-আসে না
শিশির-আচ্ছা খেতে দাও খুধা লাগসে
তনু খেতে দিলো,আর তাকিয়ে থাকলো শিশিরের দিকে,
শিশির তনুর কপালের দিকে তাকিয়ে আর খেলো না উঠে চলে গেলো
তনু-কি হয়সে?খাবেন না?
শিশির-শয়তানটা তোমাকে কত কষ্ট দিসে আর আমি কিছু করতে পারলাম না
তনু-কি করসে
শিশির-মাথা ফাটিয়ে দিসে তোমার,
তনু-ঠিক হয়ে যাবে,
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো
তনু-(যাক তার হাসি দেখলাম)
শিশির-এখন আপনিও হাসেন,সারাদিনে আমিও আপনার হাসি দেখিনি
তনু-??
শিশির-এই হাসি না
তনু-তাহলে?
শিশির-ঐ মুচকি মিষ্টি হাসিটা
তনু -☺☺☺☺
শিশির কোলে তুলে নিলো তনুকে
শিশির তনুর মুখ ধরলো,আজ তনুর হাসিটাতে সেই আনন্দ নেই,
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে পাশে বসলো,
তনু-কি?
শিশির-ঘটনা টা না আমি ভুলতে পারছি না তুমি পারতেছো
তনু ভ্যাভ্যা করে কেঁদে দিলো
তনু-আমাকে ঐ ছেলেটা কিছু করেনি সত্যি???আমি কিন্তু বারান্দার দিকে তাকিয়ে ছিলাম,ও কিছু করতে আসলে যেহেতু আমার কিছু করার নাই আমি লাফ দিয়ে মরে যাইতাম
শিশির-বাব্বাহ কি planning রে বাবা
তনু-হুম,
শিশির-আরে বোকা তোর যে দেহের সব কিছুর খবর আমার আছে,আর আমাকে বুঝাতে হবে না,আমার তনু শুধু আমারই থাকবে,তা আমি জানি,
তনু-তাইলে?
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে হো হো করে হাসতে লাগলো,তারপর তনুকে ধরে শুইয়ে দিলো,
চলবে♥

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_50
সকালে♥
তনু ঘুম থেকে উঠে বসতেই দেখলো শিশির গালে হাত দিয়ে বসে মন খারাপ করে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে
তনু-কি হয়সে??
শিশির-একটা খারাপ খবর আছে
তনু-কি
শিশির-আমি ৩দিনের জন্য রাঙামাটি যাবো,
তোমাকে নিয়ে যেতে চাইসি কিন্তু ওখানে আমাদের যে থাকার জায়গাটা দিসে সব ছেলে,একটু জায়গা থাকলেও তুমি সহ থাকতে পারবা নাহ,তোমাকে এখানে রেখে যাওয়াও বিপদ,আবির কি না কি করে বসে
তনু-সমস্যা নেই আমি তো মায়ের কাছে থাকবো,
শিশির-মা তো সারাদিন তোমাকে চোখে চোখে রাখতে পারবে না
তনু-আরে আমি বাসা থেকে না বের হলেই তো হয়
শিশির-কি করবো ধুর
তনু-আরে টেনসন নিয়েন না
শিশির রেডি হতে লাগলো মন খারাপ করে,
তনু জামা কাপড় গুছিয়ে দিয়ে শিশিরকে পিছন দিয়ে ধরে জড়িয়ে ধরলো,চোখ বন্ধ করে শিশিরের গায়ের ঘ্রান নিতে লাগলো
শিশির তনুকে টেনে নিজের সামনে আনলো,
দুহাত দিয়ে তনুর মুখ ধরলো
শিশির-ভালো থেকো,সাবধানে থেকো কেমন??
তনু-আচ্ছা
শিশির মুখ ধরে চুমু দিতে লাগলো গভীরভাবে,তনু শিশিরকে আঁকড়ে ধরে রাখলো,
কিছুক্ষণ পর শিশির তনুকে ছেড়ে দিলো,
আরেক দিকে ফিরে চলে গেলো,আর তাকালো না
তনু-ফি আমানিল্লাহ♥
তনু সারাদিন বসে হেঁটে কাটিয়েছে,দিন যেন শেষই হচ্ছে নাহ
মা-শোন কাল তো তোর ফুফার মৃত্যু বার্ষিকী, আমরা সবাই যাব,তুই যাবি
তনু-বাসায় একা থাকা যাবে না,
তনু-হ্যাঁ যাবো
পরেরদিন সবাই রেডি হয়ে তনুর ফুফুর বাসায় আসলো,
তনু এক রুমে চুপটি করে বসে আছে,সকাল বেলা শিশিরের সাথে কথা বলেছে,,
প্রচুর মানুষ এসেছে,তনুর কেন জানি ভয় করতে লাগলো
মায়ের কাছে গিয়ে বসলো,
নাহ ধুর কিছু হবে না,
শিশির যে মাইর দিসে আবিরকে next আমার কোনো ক্ষতি করবে নাহ
তনুরা বাসায় আসলো
তনু শিশিরকে কল দিলো
শিশির-তুমি ঠিক আছো?
তনু-হুম,আপনার কি খবর?
শিশির-হুমম,ঘুম আসতেছে,সারাদিন অনেক কাজ ছিল,আমাকে পাহাড়েও উঠতে হয়সে
তনু-আাহারে, আচ্ছা ঘুমান, বাই,উম্মাহ
শিশির-???
পরেরদিন ♥
মা-তনু তনু,দেখ কে আসছে
তনু দেখতে গেলো,আবির!!!
মাকে শিশির আর তনু কিছুই বলনি,আর তাই মা দরজা খুলে দিসে,মা এখন রুমেও নেই,রান্না ঘরে চলে গেসে,
তনু দৌড়ে নিজের রুমে গিয়ে দরজা লাগাতে যাবে আবির লাথি মেরে দরজা ধাক্কা দিলো
তনু নিচে পড়ে গেলো,আবির রুমে ঢুকলো,দরজা লাগিয়ে দিলো
আবির-ঐদিন কিছু করতে পারিনি কিন্তু আজ পারবো
তনু চিৎকার দিতে যাবে আবির মুখ চেপে ধরলো,,
তনু আবিরকে নিজের সব শক্তি দিয়ে ধাক্কাচ্ছে,একসময় তনুর মনে পরলো একবার cls 9e থাকতে একটা ছেলে তনুকে খুব জ্বালাতো,শিশির ঐ ছেলেকে ইচ্ছামত মেরে তনুকে একটা training সেন্টারে নিয়ে কিভাবে আত্ন রক্ষা করা যায় তার কিছু কৌশল শিখিয়েছিলো,
তনুর সেটা মনে পরলো,
তনু আবিরের পা ধরে নিজের দিকে টান মারলো,আবির টাল সামতে না পেরে নিচে পড়ে গেলো,
তনু উঠে দাঁড়ালো,তনু দরজা খুলে বের হতে যাবে আবির আরেক টান দিয়ে নিয়ে এলো,তনুকে চড় মেরে দিলো,
আবির তনুর দিকে এগতেই মুনার আওয়াজ পেলো,সাথে সাথে নিচে শুয়ে তনুকে টেনে বলতে লাগলো,প্লিস এমন করবেন না আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে আসছি, আর আপনি এসব কি করতেছেন?
মুনা-ভাবী!!!
মুনা তনুকে ধরে উঠালো
তনু-মুনা তুমি ভুল….
মুনা তনুকে চড় মারলো,তনুকে ধাক্কা দিলো,তনু জানালার সাথে বারি খেয়ে নিচে পড়ে গেলো,
মুনা-Next time মেরে ফেলবো শুধু?
মুনা আবিরকে নিয়ে চলে গেলো,
তনুর হাতে খুব লেগেছে,একা বসে বসে কাঁদতে লাগলো,
মা-একি তোর এ অবস্থা কেন??মুনা এমন করলো কেন?
মা ফোন নিলো শিশিরকে কল দেওয়ার জন্য,তনু হাত থেকে ফোন নিয়ে নিলো,
তনু-না,উনাকে জানাইও না,মুনা ভুল বুঝে এমন করসে,উনি আসুক
মা তনুকে ধরে উঠালো,হাত পরিষ্কার করে Bandage করে দিলো,
তনু-যাও তুমি,আমি ঠিক আছি,আর শিশিরকে কিছু বলবা না,
মা চলে গেলো,
তনু কাঁদলো বসে বসে,আজ নিজেকে একা লাগতেছে,
তনু ঘুমিয়ে গেলো,
শিশিরের কাজ শেষ আসতেছে বাসায়,,কিছু গোলাপ কিনলো তনুর জন্য,
বাসায় গেলো,মা দরজা খুললো, মায়ের মুখ গম্ভীর,
শিশির-তনুর কিছু হলো নাতো?
শিশির এক দৌড়ে তনুর কাছে গেলো,নাহ তনু তো ঘুমাচ্ছে,
শিশির জামা নিয়ে fresh হতে গেলো,
তনু আওয়াজ পেয়ে উঠে বসলো,শিশির আসছে?!!!
তনু তাড়াতাড়ি করে জামা change করে শাড়ী পরে নিলো,শাড়ীর আঁচল দিয়ে হাত ঢাকতে পারবে ঠিক করে,
শিশির বের হলো,তনু মুচকি হেসে এসে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
শিশির-মিসড ইউ সো মাচ
তনু-মি টু
শিশির তনুর মুখ ধরলো,ব্রু কুঁচকে তাকালো,তারপর ছেড়ে দিলো,
শিশির-চলো খেতে দিবা
তনু পিছন পিছন গিয়ে টেবিলে খাবার দিলো,
তনু শিশিরকে খাবার দিচ্ছে,
শিশির-মা আবির কি আসছিলো??
মা তনুর দিকে তাকালো,
শিশির-কি করসে?
মা চুপ হয়ে আছে
তনু-না আসে নাই
শিশির-তোমাকে জিগায় নাই
শিশির খাওয়া শেষে তনুর হাত ধরে রুমে নিয়ে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলো,তনুর কাছে এসে থুঁতনি ধরে উঁচু করলো
শিশিরের চোখে পানি ছলছল করতেছে,তনুর গালে ৫টা আঙুলের দাগ বসে আছে,
শিশির তখনই দেখসিলো
শিশির তনুকে দাঁড় করিয়ে হাত থেকে আঁচল সরালো,কেটে গেসে অনেকটা, Bandage ভিজে উপর দিয়ে দেখা যাচ্ছে,,
শিশির-আমাকে বলোনি কেন?
শিশির ধমক দিলো তনুকে
তনু কিছুই বলতেছে না,শিশির যতই ধমক দিচ্ছে
শিশির তনুকে ছেড়ে মায়ের কাছে গেলো,
শিশির-মা তুমি আমাকে সত্যিটা বললো,তনু আমাকে কিছু বলতেছে না,তনুর হাতের এই অবস্থা কেন?
মা-মুনা তনুকে চড় মারসে তারপর ধাক্কা দিসে,ও জানালার সাথে লেগে ব্যাথা পাইসে
আবির আসছিলো প্রথমে,আমি জানতাম না,আমি দরজা খুলে দিয়ে রান্নার রুমে চলে গেসিলাম,
শিশিরের মাথায় যেন আগুন লেগেছে,
শিশির বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো
তনু-মা কেন বলসো?
মা-তো বলবো না?ছোট ননদ হয়ে ভাবীর গায়ে হাত তুলে,তাও বিনা অপরাধে
চলবে♥
(আমার সামনে xm,তাও ঠিকমত গল্প দেওয়ার চেষ্টা করবো,প্রেমনেশা আপাতত অফ থাকবে)

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_51
শিশির বাসায় গিয়ে দেখলো মুনা আর আবির বসে বসে টিভি দেখতেছে
শিশির গিয়ে মুনাকে ঠাস করে চড় মেরে দিলো,
শিশির-তোর সাহস হয় কি করে তনুর গায়ে হাত তুলার??
মুনাকে ছেড়ে দিয়ে আবিরের নাকে ঘুষি দিলো,
মুনা-আর একবার ওর গায়ে হাত দিলে আমি নিজেকে শেষ করে দিব
শিশির মুনার দিকে তাকিয়ে আবিরকে ছেড়ে দিলো
শিশির-মা মা,মা
মা-কি শিশির?
শিশির-মুনাকে এখন এই মূহুর্তে ওর সো কলড husband কে নিয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে বলো,নাহলে আমি বের হলে সারা জীবনেও এই বাসায় আমাকে আনতে পারবে না
মা চুপ হয়ে গেসে,
শিশির-ঠিক আছে,আমার যথেষ্ট ক্ষমতা আছে নতুন বাড়ি করার, আমি সেখানে গিয়ে থাকবো,
শিশির বের হতে লাগলো মা আটকালো,
শিশির-ওরে বের হয়ে যেতে বলো
মা-মুনা তুই তোর শশুর বাড়ি চলে যা,কদিন পর আসিস
মুনা রেগে আবিরকে নিয়ে চলে গেলো,
যাওয়ার সময় শিশিরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো
মুনা-আমার মৃত্যুর কারন না জানি আপনার তনু হয়,তখনও বউ বউ করিয়েন,
মুনা চলে গেলো
মা-এসব কি হচ্ছে,আমার পরিবারের সাথে
শিশির-সব ঠিক হয়ে যাবে
আবির মুনাকে নিয়ে ওর কেনা বাসায় আসলো
আবির-আমার আরও plan করে কিছু একটা করে তনুর প্রতি শিশিরের বিশ্বাস ভাংতে হবে,
আবির একটা নতুন সিম কিনলো,
তনুকে কল দিলো,
শিশির গোসল করতে গেসে,
তনু-হ্যালো
আবির চুপ হয়ে আছে
৫sec হয়ে গেসে তনু এখনও হ্যালো হ্যালো করতেছে আবির একটা শব্দ ও করতেছে নাহ,১০sec পর লাইন কেটে দিলো
তনু-পাগল নাকি
শিশির বের হলো টাওয়েল পরে,
তনু-বাব্বাহ
শিশির -কি
তনু-দিনদিন আরও handsome হচ্ছেন,
শিশির-কবে কম ছিলাম নাকি
তনু-নাহ
শিশির তনুকে ধরলো,
তনু-মুনাকে ফিরিয়ে আনেন,আবির ভালো না,ওর ক্ষতি করে ফেলবে
শিশির-হুম,কিন্তু মুনা তো আবিরের সব কিছু বিশ্বাস করে
তনু-???
শিশির তনুর মুখ ধরে কিস করতে যাবে তনু চোখ বড়বড় করে বাথরুমে চলে গেলো,
শিশির পিছন পিছন গেলো,
শিশির-কি হয়সে?
তনু বমি করতেছে
শিশিরের কল আসলো,শিশির চলে গেলো,
তনু বের হলো,
শিশির-তনু rest নাও,আমার একটা important কাজ এসে গেসে,আমি অফিস যাচ্ছি,বাই,শিশির তনুর কপালে চুমু দিয়ে চলে গেলো,
তনু-খালি পেটে বমি আইসা গেসে,যাই কিছু খেয়ে নিই
তনু -একি আমাকে আমার আইডিতে যেতে দিচ্ছেনা কেন?
জিনিয়া কল দিলো তনুকে
তনু-হুম বল
জিনিয়া -আরে তোর আইডি মেবি হ্যাক হয়সে,উল্টা পাল্টা post আপ দিচ্ছে হ্যাকার
তনু-কিহ?কেমনে,এখন কি করবো
জিনিয়া-আমি post দিচ্ছি, যাতে কেউ তোকে ভুল না বুঝে
তনু-ওকে
আহারে কি হলো আমার আইডির??????
রাতে শিশির আসলো
তনু এলোমেলো হয়ে ঘুমাচ্ছে,
শিশির কাঁথা টেনে দিয়ে শুয়ে পরলো,ঘুম আসতেছে না,না জানি আবির কি করবে মুনার সাথে,
পরেরদিন সকাল ♥
শিশির উঠে fresh হয়ে নিলো,কিন্তু তনু উঠতেছে না কেন,অসুখ নাকি
শিশির-থাক ঘুমাক
শিশির রেডি হয়ে অফিসে চলে গেলো,
তনু ৯টায় উঠলো,ইস কত্ত দেরি হয়ে গেলো,ধুর,শরীরটা কেমন জানি লাগতেছে,ঘুম ছেড়ে উঠতে লেট হয়ে গেলো,
তনু উঠে fresh হয়ে খাবার খেয়ে নিলো,শিশিরদের বাসায় যায়নি,
শিশির জানে মা তনুকে অনেক কিছু বলবে,বাসায় বাবা আসছে,তাই শিশির তনুকে ওর মায়ের বাসায় রাখসে
মা-কিরে চোখ মুখের এই অবস্থা কেন?
তনু-কি জানি
তনু একটু খেয়ে উঠে গেলো,ভালো লাগতেছে না,
দুপুরে শিশির কল দিলো,তনুর খবর জিজ্ঞাসা করলো
তনু বললো সব ঠিক আছে
কিন্তু শিশির জানে তনু ঠিক নেই,যে মেয়ে সকাল সকাল উঠে সে দেরি করে উঠা মানেই অসুস্থ,
শিশির অফিস থেকে তাড়াতাড়ি আসলো,তনু বারান্দায় ঘুমাচ্ছে চেয়ারে বসে
শিশির তনুর গালে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিলো,
তনু চোখ মেলে তাকালো,
শিশির-শরীর বেশি খারাপ লাগছে?Doctor এর কাছে যাবা?
তনু-আরে না ঠিক হয়ে যাবে
শিশির তনুর সামনে গিয়ে নিচে বসলো,পকেট থেকে একটা পায়েল নিয়ে তনুর পায়ে পরিয়ে দিলো,
শিশির-আগেরটা পুরান হয়ে গেসে,
তনু-অনেক সুন্দর হয়সে
শিশির পায়ে চুমু দিতে যাবে তনু সরিয়ে ফেললো
তনু-আরে কি করতেছেন কি!
শিশির-চুমু দিব
তনু-পায়ে না pls,
শিশির-তাহলে?
তনু-গালে
শিশির মুচকি হেসে এগিয়ে এলো
Continuesly গালে চুমু দিতেছে
তনু-পাগল হয়ে গেলেন নাকি মদ গাজা খেয়েছেন
শিশির-না, Full sense এ আছি,তুমি খুব গুলুমুলু হয়ে গেসো,কি করবো সামলাতে পারি নাহ
তনু-গাল ব্যাথা হয়ে গেসে আমার,
শিশির-আমারে দেও
তনু-ইহহহহ,গাল ভর্তি দাঁড়ি ছোট ছোট,খোঁচা লাগে খালি
শিশির-আমার যতদূর মনে আছে তুমি আমার গালে চুমু দাও নাই কখনও,তাহলে খোঁচা লাগে তুমি জানো কেমনে
তনু-?
শিশির -ও আচ্ছা,আমি ঘুমালে চুপিচুপি চুমু খাও তুমি
তনু-ইয়ে মানে,না মানে
শিশির-হাহাহাা
শিশির তনুকে কোলে তুলে রুমে নিয়ে গেলো,
রাতে তনু আর শিশির ঘুমিয়ে আছে,শিশিরের ফোনে কল আসলো
শিশির-হ্যালো
—–ভাইয়া আমারর খুব কষ্ট হচ্ছে,আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও
শিশির-মুনা,মুনা কি হয়সে,
লাইন কাটা গেলো
শিশির তাড়াতাড়ি উঠে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো,সবাই ঘুমাচ্ছে,শিশির মুনার চিন্তা করতে করতে দরজা লাগায় নি
তনু মরার মত ঘুমাচ্ছে,এত ঘুম কই থেকে আসে কে জানে
শিশির ২০মিনিটেই মুনাদের বাসায় আসলো,
শিশির-মুনা তুই ঠিক আছোস?
মুনা শিশিরকে দেখে খুশি হলো,শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো
মুনা-ঐ একটু পায়ে লেগেছে,
শিশির-আবির কই?
মুনা-ওমা তনু ভাবী তো বললো তুমি নাকি আবিরকে আসতে বলসো,আবির তাই গেলো,আর আমার পায়ে ব্যাথা তাই আমি যেতে পারিনি
শিশির -আমি??কখন?আর তুই আমাকে কল দেস নাই?
মুনা-কই নাতো
শিশির মাথায় হাত দিয়ে দৌড় দিলো
তনু ঘুমাচ্ছে,,জোরে একটা শব্দ হলো
তনু উঠলো,এতটাই ঘুম চোখে যে সব ঝাপসা দেখেছে,,কে যেন দাঁড়িয়ে আছে হুম শিশির হবে,তনু আবার ঘুমিয়ে পরেছে
আবির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,
তনুর পাশে শুয়ে তনুকে এক হাত দিয়ে ধরে রাখলো,
শিশির তাড়াতাড়ি বাড়ি এসেই আবির আর তনুকে দেখে চিৎকার দিলো,আবিরের কলার ধরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো,তনু জেগে গেলো,উঠে বসলো,
শিশির-cheater ঠগবাজ,
আবির ফোন বের করে শিশিরের দিকে এগিয়ে দিলো
শিশির ফোন হাতে নিলো,একি এসব কেমন cht তনুর আর আবিরের,বাবু জান??
তনু চোখ ডলতে ডলতে ঠিক হয়ে উঠে দাঁড়ালো
আবির-এটা কি মিথ্যা??
শিশির সব খুঁটে খুঁটে দেখলো না,এটা তো তনুর আইডি,আবির তনুর থেকে ফোন নিয়ে শিশিরের হাতে দিলো,
এই দেখেন সকালে আমরা কথাও বলসি,ও আমাকে এই টাইমে আসতে বলসে,
শিশির একটা থাপ্পড় দিলো আবিরকে,তারপর তনুর দিকে তাকালো,রাগ control করার উপায় খুঁজতেছে আর আবিরকে আলুর ভর্তা বানাচ্ছে,
তনু-কি হয়সে বলবেন তো
শিশির আবিরকে ধাক্কা মেরে বাসা থেকে বের করে দিয়ে তনুর কাছে আসলো
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_46/47/48

0

Crush যখন বর?Season_2Part_46
Writer-Afnan Lara

শিশির তনুর কাছে গিয়ে শয়তানি হাসি দিয়ে টান দিয়ে লুঙী খুলে ফেললো
তনু-ইস,ছিঃ আপনি কত খারাপ,এমন যদি আমি আপনার সাথে করি?
শিশির-আমি এত ঢিলা করে বাঁধি না যে টান দিলে খুলে যাবে
তনু-আমার লুঙী
শিশির-হাহাহা
তনু লুঙী পরে নিচে নামলো,,
শিশির ল্যাপটপ নিয়ে বসলো,
তনু চুল ছেড়ে দিয়ে শিশিরের দিকে এগিয়ে গেলো,
শিশির চেয়ারে বসা,
তনু গিয়ে শিশিরের কোলে বসলো,
শিশির-কি?হঠাৎ?
তনু গায়ের shirtএর কয়েকটা বোতাম খুলে ফেললো,
তনু-আজ দিখাদে মুজে সাব কারকে
শিশির-উরি মা রে,সূর্য কোনদিকে ডুবছে?
তনু-?
তনু শিশিরের গায়ের shirt ধরে টান দিলো,
চুমু দিতে যাবে
শিশির-বাবু দিব না
তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,
তনু-আমার এত কিস করার শখ নাই
শিশির তনুর কোমড় টেনে ধরলো
শিশির-কিন্তু আমার আছে,
শিশির কাছে এনে চুলের মুঠি ধরলো,
তনুর মাথা উঁচু করে থুতনিতে কামড় দিলো,
তনু শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো
তনু-আমার বাবু চাই
শিশির ও ধরলো,
শিশির-সময় হোক,
তনু রেগে গেলো,উঠে দাঁড়ালো,
তনু-ঠিক আছে,
ততদিন আপনার সাথে আমি থাকবো না,
তনু উঠে বালিশ নিয়ে মুনার রুমে চলে গেলো,
শিশির-যাক,সময় হলে কোলে করে নিয়ে আসবো
তনু মুনার রুমে গিয়ে গালে হাত দিয়ে বসলো
মুনা-একি ভাবী ভাইয়ার পোশাক পরছো কেন?
তনু-ইস ভুলে গেসিলাম
তনু বালিশ রেখে আবার শিশিরের রুমে গেলো,
শিশির আড় চোখে তাকালো,
তনু পা টিপে রুমে ঢুকে আলমারী খুঁজতে লাগলো যদি একটা জামা পায়
শিশির পিছন থেকে খপ করে ধরলো
তনু-এ্যাই কি সমস্যা? ছাড়ুন
শিশির-আমার রুম থেকে কেউ চলে গেলে next time ঢুকলে আর বের হওয়ার chance নাই
তনু-কই কোথাই লিখা আছে?
শিশির-আমার মনের ভিতর
তনু -ছাড়ুন, টাচ করলে বেবি দিতে হবে,আর এটাও আমার মনের ভিতর লিখা আছে
শিশির রাগী লুকে তাকালো,
তনু মুখ বাঁকা করে চলে গেলো,
রাতে ♥
শিশির চুপি চুপি এসে তনুকে নিতে কোলে তুলতে নিলো পারলো না,
ভালো করে তাকিয়ে দেখলো তনু তার এক হাত খাটের stand এর সাথে ওড়না দিয়ে গিট্টু দিয়ে রাখসে,আর তনু এমন গিট্টু দেয় যে জীবনে তনু ছাড়া আর কেউ সেটা খুলতে পারে না,
শিশির-শয়তানের হাড্ডি একটা
শিশির চেষ্টা করলো খুলার পারলো না
তনু জেগে গেলো,চোখ ডলে ডলে উঠে বসলো
তনু শিশিরকে দেখতে পেয়ে বললো
তনু-চোর চোর চোর
শিশির-এই চুপ
মুনা উঠে বসলো
,কই চোর,
শিশির মাথায় হাত দিয়ে বসলো
তনু হাসতেছে,
মুনা-ভাইয়া তুই এত রাতে এখানে কি করস?
শিশির-ঘুরতে আইছি
শিশির উঠে চলে গেলো,তনু হাসতে হাসতে শেষ????
পরেরদিন ♥
তনু খাবার দিতেছে আর শিশির ঘাপুস গুপুস করে খাচ্চে আর তনুর দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে
মা খাবার খেয়ে টিভি দেখতে বসলো,
শিশির যাওয়ার সময় তনুকে টান দিয়ে রুমে নিয়ে গেলো,
তনু-বলসি না টাচ করবেন না একদম
শিশির-ঠিক আছে,
শিশির দুহাত তনুর দুপাশের দেওয়ালে রেখে মুখ নিয়ে তনুর ঠোঁট কামড়ে ধরলো,
তনু চোখ বড়বড় করে তাকালো
তারপর শিশির ঠোঁট চুষে নিলো,
হাত সরিয়ে কলার ঠিক করে চলে যেতে যেতে বললো,ঠিক আছে করলাম না টাচ,হাত দিয়ে না ধরেও আদর করা যায়
তনু রাগ গজগজ করতেছে,
শিশির চলে গেলো,
বিকালে শিশির আসলো
খাবার খাচ্ছে আর তনুর দিকে তাকিয়ে রাক্ষসের মত হালুম করতেছে
তনু-হুহ আমাকে খাবে,আমিও তৈরি হয়ে আছি
তনু রান্নাঘরের কাজ করে পা বারাতেই শিশির হাত দিয়ে আটকালো,
শিশির-মিষ্টি পেলাম না
তনু-আহারে
শিশির টান দিয়ে কাছে নিয়ে এলো,
কিস করতে যাবে তনু দাঁত বের করে তাকিয়ে আছে
শিশির-(কোনো গন্ডগল তো করেছে)কিন্তু কি করসে,নাহ কিস নিয়ে তো কিছু করবে না,
শিশির কিস করতে লাগলো,After 1mnt
শিশির তনুকে ছেড়ে দিলো,
তনুর দিকে চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে বাথরুমে চলে গেলো,
তনু-হাহাহা,বেগুন খায়সি মাত্র,
Mr.শিশির বেগুন খেলে তার গলা চুলকায়,
এমন চুলকায় ঔষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে থাকতে হয়,নইতো পাগল হয়ে যায়,আর কিস করবি, একদম ঠিক হয়সে
তনু উঁকি মেরে দেখতেছে,
শিশির কুলি করতেছে,লবন নিয়ে খেলো তাও চুলকাচ্ছে,
জোরে জোরে শ্বাস নিতেছে,
তনু-হিহি
তনু চলে যাওয়া ধরলো শিশির হাত ধরে ফেললো,ঠোঁট লাল হয়ে আছে শিশিরের,ঘামে চুল ভিজে গেসে
শিশির-আজ ঘুমের ঔষুধ খেয়ে ঘুমাবো না,
আজ আমার জ্বালা তুমি মিটাবা
তনু-শখ কত
শিশির-অনেক
তনু হাত ছাড়িয়ে এক দৌড় মারলো শিশির আঁচলে পা রাখলো আর তনু ঠাস করে নিচে পরলো
শিশির-আজ ছাড়ছি নাহ
শিশির এগিয়ে গেলো,
তনুর দুহাত চেপে ধরলো,
চাপটা জোরে হয়ে গেসে,
তনু চিৎকার দিতে যাবে শিশির তনুর দুই ঠোঁট কামড়ে ধরলো,কিস করলো না কারন কিছুক্ষণ আগে কিস করে অবস্থা খারাপ হয়ে গেসিলো
তনু উু উু শব্দ করতেছে,
রাতে তনু শিশিরের হাতে কামড়িয়ে কামড়িয়ে লাল করে দিসে,তাও রাগ যাচ্ছে না,শিশির আরেক হাতে ফোন টিপতেছে
তনু-বাবু দিবে না আবার পিরিত দেখায়
তনু হাত কামড়িয়ে রক্ত বের করে ফেলসে তাও শিশির কিছু বলতেছে না,চুপচাপ ফোন দেখতেছে
তনু-এ্যা?????
তনু স্যাভলন এনো শিশিরের হাত পরিষ্কার করে দিলো,
শিশির-সময় হলে দিব
তনু-আমার এখন চাই
শিশির-চড় খাবা
তনু-হুহ
তনু বালিশ নিয়ে চলে গেলো
পরেরদিন মুনাকে দেখতে আসলো আবির আর তার পরিবার,সবাই কথা বলতেছে,আবির তনুকে বারবার দেখতেছে,
তনু শিশিরকে আর শিশির তনুকে,
তনু-ইচ্ছে করে ওর বুক ছিড়ে বাবু বের করি
শিশির-বুক ছিড়লে বাবু বের হয় না
তনু-????
তনু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মুনার সাথে কথা বলতেছে,
আবিরের চোখ গেলো তনুর কোমড়ের দিকে,ঘাড় লাল দাগ,লাভ বাইট,আবিরের মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো এটা দেখে,কিছু খেলো না
তনু-আরে ভাইয়া সব মুনা বানিয়েছে খান
তনু বলায় আবির একটা পিঠা নিলো,
তনুর কোমড়ের দিকে তাকিয়ে পিঠা গুরাগুরা করে ফেললো
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন



Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_47
আবির রা চলে গেলো,২দিন পর engagement
মুনা খুশিতে শেষ,,
তনু মুনার এই অবস্থা দেখে হাসতেছে,
শিশির দরজার কোণে দাঁড়িয়ে শিষ দিলো
তনু তাকালো
শিশির-কি?আমার বোনের বিয়ে ঠিক হয়সে ও এখন ওর husband এর সাথে কথা বলবে,তুমি মাঝখানে কি করো, চলো
তনু-আমি যামু না
শিশির এসে তনুর হাত ধরে টানতে লাগলো
তনু গিয়ে খাট ধরে বসলো,
শিশির-মুনা বারান্দার দিকে যা তো,
আবিরের সাথে কথা বল,ভাইয়া তোরে fexi করে দিসি
মুনা-সত্যি???
মুনা বারান্দায় চলে গেলো,
শিশির তনুকে কোলে করে নিয়ে এলো,
তনু-বাবু না দিলে টাচ ও করতে দিমু না
শিশির তনুকে খাটে নামিয়ে দিলো,
শিশির-ওকে করলাম না টাচ,তাও এই রুমে শোও
তনু ঘুমিয়ে গেলো,মাঝখানে কোলবালিশ দিয়ে,,
দেখতে দেখতে engagement এর দিন এসে গেলো,,
সবাই এসেছে,,
তনু মুনাকে সাজিয়ে দিলো,,
তনু নিজে বেগুনি কালারের শাড়ী পরেছে,চুল ছেড়ে দিসে,,
শিশির বাসায় ফুল লাগানোতে ব্যস্ত ছিলো,
তনু টেবিলে খাবার আনতেছে,
শিশির টুপ করে এসে ফুলের মালা দিয়ে তনুকে টান দিয়ে রুমের সাইডে নিয়ে গেলো,
শিশির তনুর মুখ টিপে ধরে কিস করতে লাগলো?
শিশিরের এক হাত তনুর পাশের দেওয়ালে যার কারনে ওকে দেখা যাচ্ছে না,
মুনা-ভাইয়া তনু ভাবীরে দেখছোত?
শিশির তনুকে ছেড়ে দিয়ে বেরিয়ে আসলো,
তারপর তনু বের হলো,
মুনা-ওখানেই ছিলো তো বলস নাই কেন?
শিশির-তোর ভাবীরে আমি দেখি নাই,
শিশির এক দৌড়ে চলে গেলো,
মুনা-ভাবী কুচি খুলে যাচ্ছে,,
তনু -দাঁড়া ঠিক করে দিতেছি,
আবির রা আসলো,,
আবির মুনার রুমে ঢুকতে যাবে তনু দরজার পিছনে ছিলো,
দরজা খুলার সাথে সাথে ঠাস করে নিচে পড়ে গেলো,
আবির-ঠিক আছেন?আমি আসলে দেখি নাই,সরি
আবির তনুর হাত ধরে উঠালো,
তনু-বউরে দেখেন আমি যাই গা
তনু বের হতেই শিশিরের সাথে বারি খেলো,
শিশির-ওদের তো সেট করলা আর আমারে সেট করে দিবে না?
তনু-হুহ,বাবু না দিলে নো সেটিং
শিশির খপ করে হাত ধরে রুমে নিয়ে গেলো,
তনু-এ্যাই,dnt touch me
শিশির-এখন টাচ করার সময় নাই,এক কাজে আনছি
শিশির একটা প্যাকেট তনুর হাতে দিলো,
তনু-ওয়াও, অনেক সুন্দর জামা
শিশির-একদিন পরিও,এখন রেখে দাও,অফিস থেকে আসার সময় চোখে পরসে তাই কিনে নিছি,
তনু উঁচু হয়ে শিশিরের কপালে চুমু খেলো,
তনু-থাংকু
শিশির ধরতে যাবে তনু এক দৌড় দিয়ে চলে গেলো,
আবির আর মুনা আসলো,,engagement শেষ হলো,
দেখতে দেখতে বিয়ের দিন এসে গেলো,সবাই ব্যস্ত,,
তনু মুনাকে সাজাচ্ছে
stage -এ নিয়ে বসানো হলো,,
শিশির-আজ তনুকে বউ বউ লাগতেছে,বিয়ে টা কার?
তনু-আমার??????
শিশির-তাই না?তাহলে তো রাতে বাসর হবে?
তনু-না?
শিশির-মাইয়া ৪দিন ধরে আমাকে ঘুরাইছো,আজ তোমায় ছাড়তেছি না
তনু-বাবু দেওয়া লাগবে
শিশির -দিব না
আবির মুনার সাথে বসে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু আত্নীয়দের সাথে কথা বলতেছে,আজ আবার আবিরের চোখ তনুর কোমড়ে গেলো নাহ দাগ নেই,
গলার দিকে তাকালো না সেখানেও দাগ নেই,আবির মুচকি হাসলো
শিশির-কি আবির এত খুশি?আমার বোন কিন্তু তোমাকে অনেক ভালোবাসে,ওরে যত্নে রেখো
আবির-অবশ্যই
শিশির চলে গেলো
আবির-মুনা তোমার ভাইয়া আর তোমার ভাবীর মধ্যে সম্পর্ক টা ভালো না?
মুনা-কে বলসে ভালো না,খুব ভালো
আবির-ওহ
রাতে তনু আর শিশির মিলে বাসর ঘর সাজাচ্ছে,
শিশির ফুলের মালা গলায় দিয়ে বসে আছে
তনু-ইহরে ঢং,যেন উনি নতুন জামাই
শিশির-তো কিয়া?আবিরের থেকেও young ?
তনু-কচু
শিশির-দেখতে চাও?
তনু-অন্তত এখানে না
শিশির -এখানেও সমস্যা নাই
শিশির তনুর দিকে এগিয়ে গেলো,
তনু গাঁদা ফুলের পাপড়ি নিয়ে শিশিরের মুখে পুরে দিল
শিশির-ইয়াক,শয়তান মাইয়া,তোমারে আজ আমি সব ফুল খাওয়াবো
শিশির গোলাপ নিয়ে তনুর হাত ধরলো,
শিশির-চলো
তনু-আমি যাব না
শিশির টেনে নিয়ে গেলো,আবির আর মুনাকে রুমে ঢুকিয়ে,
শিশির তনুকে এনে খাটে বসালো
শিশির-ভালো মেয়ের মত হা করো
তনু-ছিঃ আমি খাব না
শিশির-আমার মুখে ফুল দেওয়ার আগে ভাবা উচিত ছিলো

আবির-মুনা শুয়ে পড়ো
আবির বালিশ নিয়ে আরেকদিকে ফিরে শুয়ে পড়লো
মুনা-শুয়ে পড়বো?আজ আমাদের বাসর
আবির -তো??
আবির-শুয়ে পড়ো

(আবিরের মা বাবা নেই,আবিরকে যারা পালন করসে তারা গরীব,,আবির চাকরি পেয়ে একটা hostel এ থাকে,শিশির আবিরকে শিশিরদের বাসায় থাকতে বলসে)
শিশির তনুর শাড়ীতে হাত দিলো,
তনু-বাবু দিতে হবে,নইলে কিন্তু কেঁদে দিব
শিশির-কাঁদো গিয়ে,
শিশির তনুর মুখ টেনে চুমু দিতে লাগলো,
তনু হাত দিয়ে কিল ঘুষি দিতেছে,শিশির হাত চেপে ধরলো,
পরেরদিন ♥
তনু উঠে রান্নাঘরে গেলো,পা বারাতেই ধাক্কা খেয়ে নিচে পড়ে গেলো,আবির তনুর উপর
তনু চিৎকার দিতে যাবে আবির মুখ চেপে ধরলো
তারপর হাত ছেড়ে দিলো
আবির-সরি সরি,আমি দেখি নাই আপনাকে
তনু-আমিও দেখি নাই
আবির উঠে তনুর হাত ধরে উঠালো,
আবির -আমি জগিংয়ে যাচ্ছি,বাই
তনু মুনার কাছে গেলো,মুনা কই??
তনু বারান্দায় দেখতে গেলো,মুনা কাঁদতেছে
তনু-কিরে কি হয়সে?কাঁদস কেন?
মুনা তনুকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে দিলো
মুনা- আবির আমাকে ভালোবাসে না ভাবী
তনু-ও তোকে বলসে?
মুনা-কাল আমাকে এসে এক পাশে শুয়ে পড়তে বলসে,আর একটা কথাও বলেনি
তনু-আরে বোকা,আবির এমনিতেও চাপা স্বভাবের,তারউপর Arrange marriage, তোদের adjust করতে টাইম তো লাগবেই
মুনা-ওহ
তনু রান্না করে টেবিলে আনলো,,হাত দিয়ে ঘাম মুছতেছে আর plate রাখতেছে,
আবির রুমে আসলো,
আবির-মুনা বসে না থেকে ভাবীকে কাজে help করো যাও আমার বাবা মা থাকলে তোমাকে আজ সব রান্না করতে হতো
মুনা-ঠিক আছে
তনু সব ঠিক করে শিশিরের কাছে গেলো,
শিশির ঘুমাচ্ছে,তনু কিছুক্ষণ চেয়ে রইলো,
তনু-ইস এমন একটা শিশির গিফট চেয়ে ছিলাম তাও দিতেছে না,কি হয় দিলে
শিশির তনুকে টান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো
শিশির-তুমি সুস্থ হও
তনু-আর কত?আমার বাবু চাই
শিশির-সুস্থ হয়ে নাও একটা কেন পুরা cricket team দিব
তনু-হিহি,আমার কিন্তু ১২টা বেবি চাই,একটাও কম না
শিশির-বাবারে মরে যাবো
তনু-?না দিলে কথা কমু না
শিশির-আগে একটার ঝামেলা শেষ দেন
চলবে

“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_48
মুনা আবিরের কাছে আসলো,,ওর পাশে বসলো
আবির ফোন টিপতেছে,
মুনা তাকিয়ে আছে,
আবির-কিছু বলবা?
মুনা-না
আবির আর কিছু বললো না
শিশির খেয়ে অফিস চলে গেলো,
তনু গোসল করে এসে বারান্দায় দাঁড়িয়ে চুল ঝাড়তেছে,
মুনা রান্নাঘরে আবিরের জন্য একটা special item তৈরি করতেছে,
আবির বারান্দায় এসে পাশে তাকাতেই দেখলে তনুদের বারান্দায় তনুকে দেখা যায়,
আবির হা হয়ে তাকিয়ে আছে,
তনুর পেট ঢাকা নেই,পেটে পানি বেয়ে বেয়ে পড়তেছে,
তনুর খেয়াল ও নেই আবির যে তাকিয়ে আছে,
তনু বাইরে তাকিয়ে আছে
আবির এগিয়ে গেলো,
তনু চুল পিছনে দিয়ে দিলো,
হালকা কয়েক ফোঁটা পানি গিয়ে আবিরের গায়ে পড়লো,
আবির পাগল হয়ে যাচ্ছে,,মুনার ডাকে ওর হুস আসলো,
বারান্দা থেকে রুমে চলে এলো,
বিকালে শিশির আসলো,তনু ঘুমাচ্ছে,,
শিশির পাশে বসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো,
যখন ও এতই চাচ্ছে তো ঠিক আছে,,বাবা হতে আমার কোনো আপত্তি নেই,
তনু শিশিরের স্পর্শে জেগে গেলো,উঠে বসলো
শিশির তনুর মুখ দুহাত দিয়ে ধরলো
তনু-কি স্যার??
শিশির-স্যার?
তনু-হুম স্যার,স্যার রা অনেক কিপটা হয়,আর আপনিও কিপটা,আমাকে বেবি দেন না,???
শিশির -আমি যে জামাটা দিসি পরে নাও
তনু-কেন?
শিশির-পরতে বলসি পরো,
আমি fresh হয়ে আসতেছি
তনু জামাটা নিয়ে পরে নিলো,বাহ অনেক সুন্দর, একটু টাইট,ইস মোটা হয়ে গেসি
শিশির fresh হয়ে বেরিয়ে দেখলো তনু জামা গায়ে দিয়ে ওড়না কুচি করতেছে পরার জন্য
শিশির মুচকি হেসে জড়িয়ে ধরলো পিছন থেকে,
শিশির-ওড়না পরতে হবে না
তনু-বাব্বাহ,এত রোমান্স
শিশির তনুর চুলে মুখ ডুবিয়ে ঘ্রান নিলো,
তনুকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো শিশির
তনু শিশিরের দিকে তাকালো,তনু বুঝেছে আজ শিশির কি চায়
তনু-কেমনে কেমনে
শিশির-ওমনেই,
শিশির তনুকে নিজের দিকে ফিরালো,
তনুর গলায় চুমু দিয়ে তনুর ঠোঁটে চুমু দিলো,
তনুকে কোলে তুলে খাটে নিয়ে গেলো,
এক সময় শিশির তনুর হাত কামড়ে ধরলো,
তনু-মাগো,হাত কামড়ান কেন?
শিশির-অন্য জায়গায় কামড়ালে তা দেখা যাবে,তুমি লজ্জায় পড়বা
তনু-ইহ এমন ভাব যেন আগে কোনোদিন কামড়ায় নাই
শিশির-সেটা ঠিক তবে আজ তুমি জামা পরে আছো,
তনু-?
পরেরদিন ♥
তনু মুনার কাছে গেলো,মুনার মন খারাপ,কারন আবির ওকে কাছে আসতে দেয় না
তনু-দাঁড়া শিশির আসুক
মুনা-না ভাইয়াকে কিছু বলো না,ভাইয়ার মেজাজ গরম হলে মাথা ঠিক থাকে না,
মুনা-তুমি যাই ওর সাথে কথা বলে দেখো
তনু-আমি?আচ্ছা দেখি,
আবির ছাদে বসে ফুল দেখতেছে
তনু-ভাইয়া কি খবর
আবির-ভালো,আপনার ফুল গাছ দেখতেছি
তনু-না আমার না,এগুলা সব শিশিরের
আবির-ওহ
তনু-মুনাকে ভালোবাসেন?
আবির তনুর দিকে তাকালো,হঠাৎ এই প্রশ্ন নির্ঘাত মুনা কিছু বলসে
আবির -হ্যাঁ বাসি
তনু-তাহলে confess করেন না কেন??মুনা আপনাকে অনেক ভালোবাসে,
আবির উঠে দাঁড়ালো,,তনুর কাছে গেলো,
তনু অবাক হলো,কারন আবির অনেক কাছেই এসে দাঁড়িয়েছে,
তনু পিছতে লাগলো,আবির এগতে লাগলো,
তনু যেতে যেতে ছাদের কোনার সাথে লেগে গেল
আবির-পড়ে যাবেন ম্যাম,এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই,নাহয় ভাবীর কথায় আদর করলাম আমার বউরে,
আবির চোখ মেরে চলে গেলো
তনু-?এটা আবার কেমন আচরন,হুহ
আবির রুমে গেলো মুনার কাছে,
তনু রুমে আসলো,,
বারান্দায় এসে দাঁড়ালো,ফুল দেখতে লাগলো,হঠাৎ কেউ এসে ওরে জড়িয়ে ধরেছে,
তনু-বাহ এত তাড়াতাড়ি??
তনুর কাছে টাচ টা অন্যরকম লাগলো,
তনু পিছনে তাকিয়ে আবিরকে দেখে চিৎকার দিলো,আবিরকে ধাক্কা দিয়ে দূরে গিয়ে দাঁড়ালো
আবির-তুমি তো বললা ভালোবাসতে,যাকে ভালোবাসি,আমি তোমাকে ভালোবাসি
তনু-পাগল হয়ে গেসেন,আজব
তনু রুম থেকে বেরিয়ে যেতে নিলো,আবির এসে হাত ধরলো
তনু ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলো,
বিকালে শিশির আসলো,
তনু শিশিরকে বলতে যাবে তখনই মুনা এসে শিশিরকে জড়িয়ে ধরলো,
মুনা-ভাইয়া আমি অনেক হ্যাপি
শিশির-কি হয়সে
মুনা-আবির অনেক ভালো
শিশির-জানিতো রে তাইতো তোর সাথে বিয়ে দিসি
মুনা মুচকি হেসে চলে গেলো,
শিশির-তনু কিছু বলবা?
তনু-হুম
শিশির-ওয়েট আমি fresh হয়ে আসি
তনু দাঁড়িয়ে আছে,হঠাৎ কেউ তনুর হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,
তনুর মুখ চেপে ধরে,
guest রুমে নিয়ে গেলো,
তনু দেখলো এটা আবির, তনু আবিরকে সরিয়ে দৌড় দিতে গেলো,
আবির দরজা লাগিয়ে তনুর হাত চেপে ধরে খাটে বসিয়ে মুখ বেঁধে দিলো,হাত চেপে ধরে আছে,
শিশির বাথরুম থেকে বের হলো,মনে হলো তনু ডাকলো,শিশির রুম থেকে বেরিয়ে এলো নাহ,তনু মেবি রান্নাঘরে
আবির তনুর হাত ও বেঁধে দিলো,তনু কাঁদতেছে,শিশিরের এত কাছে থেকেও শিশিরকে ডাকতে পারছে না তনু
আবির নিজের গায়ের shirt খুললো,
আবির-জানি এখন তোমার সাথে কিছু করতে পারবো না তবে তোমাকে পেতে হলে যা করতে হবে তাই করবো,
আবির শিশিরের ডাক শুনলো,
শিশির সোফার রুমে এসে তনুকে ডাকতেছে
আবির তনুর মুখের বাঁধন আর হাতের বাঁধন খুলে দিয়ে তনুকে গায়ের জোর দিয়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলো,যাতে তনুর উঠতে দেরি হয়,তনুর গায়ের থেকে ওড়না নিয়ে ছিঁড়ে আরেক জায়গায় ফেলে দিলো
আবির খালি গায়ে রুম থেকে বের হলো,শিশির দাঁড়িয়ে তাকিয়ে আছে,মুনা ও
আবির শিশিরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালো,
আবির-ভাবী আমাকে রুমে যেতে বললো,আর তারপর
শিশির মারার জন্য হাত উঠালো,
মুনা-ভাইয়া!!
শিশির রুমে গেলো,তনু মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে নিচে,ব্যাথা পেয়েছে মাথায়,
শিশির দেখলো তনুর গায়ে ওড়না নেই,
চলবে♥

Crush যখন বর?Season_2Part_43

0

Crush যখন বর?Season_2Part_43
Writer-Afnan Lara

তনুর চোখে পানি দেখে শিশির ছেড়ে দিয়ে উঠে বসলো,
তনু উঠে চোখ মুছে বসে থাকলো,
শিশির-সরি
শিশির ফোন টিপতেছে আর এক হাত দিয়ে তনুর হাত ধরে রেখেছে,
তনু শিশিরের হাতে খাঁমচি দিতেছে বসে বসে,,
মুখে নিয়ে কামড় দিলো তাও শিশির ছাড়লো না,
তনু ঘুমিয়ে গেলো,,
তনু স্বপ্ন দেখলো একটা ছোট বাবু ওর রুমে হাঁটতেছে আর আদো আদো কথা বলতেছে,
তনু ঘুমের মধ্যে হাসতেছে
শিশির-কি হলো?কি দেখতেছে?
তখনই তনু চিৎকার দিয়ে উঠে বসলো,
শিশির সাথে সাথে হাত ধরে ফেললো,
শিশির-কি হয়সে??
তনু-আমার বাবু,
শিশির-কিসের বাবু,
তনুু-ও ওটা স্বপ্ন ছিলো,?
শিশির-বাবু লাগবে?
তনু-হুম
শিশির -১বছর পর
তনু-কিহ?এত লেট কেন
শিশির-তুমি এখনও ছোট তাই
তনু-না না আমার এখন লাগবে,
শিশির-আমি দিমু না,
শিশির উঠে ওয়াসরুমে চলে গেলো,
তনু-?তুই দিবি না তোর ঘাড়ে দিবে
শিশির বাইরে থেকে ঘুরে আসলো,
রুমে ঢুকতে গিয়ে দেখলো রুম অন্ধকার,,
একি তনু কই?
শিশির রুমে ঢুকে লাইট অন করলো,,
সারা রুমে লাল রঙের বেলুন,খাটে ফুলের পাপড়ি দিয়ে লাভ আঁকা,
শিশির একটু এগোতেই ওপর থেকে এক বালতি পানি শিশিরের মাথায়,
শিশির-what the!!!
তনু লুকিয়ে থেকে হাসতেছে,,
তনু জানে শিশিরকে রাগালে শিশিরের হুস থাকে না আর তাই সেই হুসের সুযোগটাই নিবে,,
শিশির মাথা থেকে বালতি সরিয়ে পা বারাতেই নিচে থাকা পাউডারে পিছল খেয়ে ঠাস করে পড়লো,
তনু হাসতে হাসতে বেরিয়ে এলো,
তনু-কেমন লাগতেছে??
তনু এক প্যাকেট আটার প্যাকেট খুলে শিশিরের মাথায় ঢেলে দিলো,
তনু-হ্যাপি ডে
শিশির-?????????
শিশির তনুকে টান দিয়ে নিচে ফেললো
শিশির-তোরে আজ আমি খুন করে ফেলবো,
তনুকে চেপে ধরে শিশির নিজের মাথার থেকে আটা নিয়ে তনুর গালে ডলে ডলে লাগিয়ে দিলো,
তনু শিশিরের shirt টান দিয়ে নিচে ফেলে নিজে উঠে গেলো,
তনু-আরও ডোজ লাগবে?
তনু এক মগ পানি এনে শিশিরের গায়ে ঢেলে দিলো,
শিশির-আজ তোমাকে কে বাঁচাবে?
তনু চাইলেই পালাতে পারবে কিন্তু পালালো না দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাসতেছে,
শিশির এগিয়ে গেলো,
শিশির shirt-এর হাতা উঠাচ্ছে আর এগিয়ে যাচ্ছে,,
শিশির-কি মনে করসো?আমাকে রাগালে আমার হুস থাকবে না আর আমি তোমাকে pregnant করে দিব তাই না??
তনু-খায়সে কেমনে বুঝছে????
শিশির-ওতটাও বাচ্চা না আমি,ঠিক ধরসো আজ তোমার অবস্থা ১২টা বাজাবো কিন্তু full safetyr সাথে
তনু-?
তনু এক দৌড়ে পালাতে গেলো শিশির কোমড় ধরে টেনে এনে বিছানায় ফেললো,
শিশির-আমার গায়ের সব আটা পানি তোমার গায়ে টেটুর মত?? লাগাই দিমু,শয়তান মাইয়া
তনু- না না না
শিশির খপ করে ধরে সব আটা লাগাই দিলো,নিজের চুল ঝেড়ে ঝেড়ে তনু গায়ে ফেললো সব আটা,
তনু-??
শিশির-বাবু লাগবে তাই না??ঠিক ১বছর পর দিব
তনু-না আমার এখন লাগবে
শিশির-দিব না কি করবা
তনু-??
শিশির-বাই দ্যা ওয়ে রুমটা সাজানো সুন্দর হয়সে,
তনু উঠে মুখ ফুলিয়ে বসে বসে সব বেলুন ফাটালো,,
শিশির বসে বসে দেখতেছে,
তনু-হুহ,,?
তনু-এ্যা এ্যা???
শিশির তনুকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে পরলো,
তনু-কথা কমু না এ্যা এ্যা???
শিশির তনুর মুখ ধরে নিয়ে চুমু দিতে লাগলো,
তনু চুপ?
পরেরদিন সকালবেলা♥
শিশির অফিস গেসে,
তনু-আজ থেকে কথা কমু না,বাবু না দিয়ে কই যায় আমিও দেখমু
শিশির অফিসে বসে আছে,
শিশির-ওরে কি করে বুঝাই ওর এই অবস্থায় বেবি নেওয়া মোটেও ঠিক হবে না,ওর ক্ষতি হবে আর আমি সেটা হতে দিতে পারি না,
তনু-মা ও মা,তোমার কি নাতি নাতনির শখ নেই?
মা-আছে তো
তনু-তাইলে তোমার ছেলেরে বুঝাও না,বলে যে ১বছর পর নাকি ভাববে
মা-শিশির বলসে তার মানে কারন আছে,আর তুই তো এখন অসুস্থ,
তনু-বাবু হলে ঠিক হয়ে যাবে,,
মা-বল শিশিরকে
তনু-তুমি বুঝাও না,তোমার কথা রাখবে
মা-আচ্ছা ঠিক আছে,
বিকালে শিশির আসলো,
তনু কোনো কথা বলতেছে না,
শিশির-এত রাগ দেখায় লাভ নেই,আমি এক কথার মানুষ
মা-এমন করস কেন,ও নিজে যখন রাজি
শিশির-মা তুমিও ওর মত বাচ্চামো শুরু করলা
তনু-হুহ খামু না আমি,বাই??
মা-দুপুরে কিছু খাই নি,যা ওরে খাইয়ে দিয়ে আয়,বুঝা
শিশির খাবার নিয়ে রুমে গেলো তনু শিশিরকে দেখে আরেক দিকে ফিরে বসলো,
শিশির-নাও হা করো
তনু-খামু না
শিশির-চড় চিনো??বাচ্চাদের কিভাবে টাইট করতে হয় আমি খুব ভালো জানি,হয় ২টা চড় খাবা নইতো ভাত খাবা
তনু-দেন মারেন,তাও খামু না
শিশির সত্যি সত্যি ঠাস করে চড় মেরে দিলো,
তনু গালে হাত দিয়ে বসে আছে
শিশির-আরেকটা দিব
তনু-এ্যা??????????
তনু উঠে চলে গেলো,
শিশির -উফ মেজাজ গরম করে ছাড়ে
শিশির উঠে সোফার রুমে গেলো,ওমা গেলো কই
দরজা খোলা, আবার বাপের বাড়ি গেসে,
শিশির হাত ধুয়ে বের হলো,তনুকে আনার জন্য,
তনু রুমে ঢুকে দরজা দিয়ে দিলো,
শিশির-দরজা খুলো,আচ্ছা দিব বেবি দরজা খুলো,
তনু-সত্যি?
শিশির-হ্যাঁ
তনু উঠে দরজা খুললো আর শিশির খপ করে হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো বাসায়
তনু-কি বাবু দিবেন না?
শিশির-হ দিমু চলো,
তনু-এমন করে ধরছেন কেন আমার ভয় লাগে?
শিশির-বাবু তো এভাবে দেয় জানো না??
তনু-ও
শিশির রুমে এনে একটা লাঠি আনলো মুনার রুম থেকে,
মুনাকে তার স্যার মারার জন্য এই ব্যাত রাখসে,
শিশির ব্যাত নিয়ে এনে তনুর সামনে বসলো,
শিশির-চুপচাপ খাবার খাও নইলে মেরে ভূত বানাই দিব আর কিছুক্ষন আগের চড় টা মনে আছে??আমি কিন্তু সিরিয়াসলি বলতেছি,
তনু চোখ মুছে খাবার খেয়ে নিলো,
শিশির-গুড girl,
শিশির তনুকে টেনে এনে বুকে আনলো,কপালে চুমু দিলো,
তনু-ছাড়েন,
তনু চিমটি কেটে শিশিরকে ছাড়িয়ে নিলো
তনু-বাবু না দিলে আমাকে টাচ করতে হবে না,
শিশির-ব্যাত টা কই রাখসি যেন,
তনু আবার এসে শিশিরে পাশে বসলো,
শিশির তনুর গলায় হাত দিয়ে কাছে নিয়ে এলো
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_44
শিশির তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,
তনু-?????
শিশির-এমন করো কেন, বেবি তো কোথাও চলে যাচ্ছে না,একদিন তো দিবই
তনু-আমার এখন লাগবে???
শিশির-দিমু না
মা-শিশির,শিশির
শিশির উঠে মায়ের কাছে গেলো
মা-বাবা শিহাবকে ফিরিয়ে আন না,তোর বাবাকে বুঝা যাতে অর্ধেক সম্পত্তি শিহাবকে দেয়
শিশির-মা আমি এসব পারবো না
মা কাঁদতে লাগলো
শিশির-উফ!
শিশির বাবাকে কল দিলো,বুঝালো
বাবা-না, দিব না
শিশির-মা বাবা আমার কথা বুঝার চেষ্টা করে নাই,অনেক বুঝাইছি,
মা কিছু বললো না,,
শিশির রুমে ঢুকতেই তনু লাফ দিয়ে পিছন দিয়ে শিশিরের গলা জড়িয়ে ধরলো,
তনু-আদর করে দাও,safety ছাড়া
শিশির-না,
তনু ছেড়ে দিয়ে মুখ ভেংঁচি দিয়ে চলে গেলো,
দরজা নক হলো,
তনু গিয়ে দরজা খুললো,একটা ছেলে চিনি না,ছেলের চোখে চশমা,তনুর দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো,
তনুর পা থেকে মাথা পর্যন্ত তাকিয়ে দেখলো,
তনু মাথায় ঘোমটা দিয়ে দরজার পিছনে লুকিয়ে মাথা বের করে বললো,কে?
লোকটা-আমি মুনার Private teacher
তনু-ওওও,সরি আমি চিনি নাই,মুনা মুনা
মুনা আসলো,
আরে স্যার আসেন ভিতরে আসেন,
ছেলেটি ভিতরে ঢুকলো,সোফায় বসলো,
শিশির রুম থেকে বেরিয়ে আসলো,
শিশির-আমি উনাকে রাখসি,মুনার সামনে xm তো তাই
তনু-ও,আচ্ছা
তনু নাস্তা বানাতে চলে গেলো,
ছেলেটি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো,
মুনার কথায় হুস আসলো,
মুনা-স্যার আমার রুমে আসেন ওখানে পড়াবেন,
ছেলেটি-হ্যাঁ চলো,
কিছুক্ষণ পর♥
তনুর নাস্তা বানানো শেষ,
শিশির পিছন দিয়ে এসে পেট জড়িয়ে ধরলো তনুর,
তনু-সরুন তো,ঢং
শিশির-কিসের ঢং?
তনু -সরেন,,
তনু ধমক দিয়ে নাস্তার ট্রে নিয়ে মুনার রুমে আসলো,টেবিলে রাখলো,ছেলেটি তনুর দিকে তাকালো,তনু চলে এলো,
ছেলেটি এখনও তাকিয়ে আছে,
মুনা-স্যার
ছেলেটি-হুম
মুনা-এটা বুঝাই দেন
তনু রুমে আসতেই শিশির একটান দিয়ে বুকে নিয়ে এলো,
শিশির-আমাকে নাস্তা দিবা না?
তনু-?বসেন আনতেছি
শিশির-ঐ নাস্তা না
তনু-তাহলে
শিশির তনুর গায়ের থেকে আঁচল টান দিয়ে সরিয়ে ফেললো,
শিশির-এই নাস্তা,
তনু-পাগল হয় গেসেন,পাশের রুমে মুনা private পড়তেছে,
শিশির-তো?
শিশির গিয়ে দরজা লক করে দিলো,
তনুর কাছে এসে কিস করতে লাগলো তনুকে,
২০মিনিট পর দরজা নক হলো,
শিশির উঠে shirt গায়ে দিতে দিতে দরজা খুললো,
ছেলেটির নাম আবির,
আবির-ভাই আমি মুনাকে যে chapter গুলা দাগায় দিসি ওগুলা একটু practice করাইয়েন,আজ আসি,
এটা বলে শিশিরের দিকে তাকালো,
শিশির মুখ মুছেতে মুছতে বললো
শিশির-ওকে,
আবির চলে গেলো,
মুনা-ইস কি কিউট ছেলেটা????Crush খেয়ে গেলাম?????
খালি আমার দিকে তাকায় ছিলো,
ব্যাপার টা হলো,,মুনা আবিরের বরাবর বসেছিলো,আর মুনার পিছনে ছিলো dressing table,সেই আয়নায় বরাবর রান্নাঘর ছিলো,সেখানে তনু কাজ করতেছিলো সব দেখা যাচ্ছিল,আবির সেটায় দেখতেছিলো,,তনু কোমড়ে শাড়ী গুঁজে দিয়ে কাজ করতেছিলো,,আর মুনা ভাবলো আবির তাকে দেখতেছিলো,
পরেরদিন শিশির অফিস চলে গেলো,,
আবির আসলো,মুনা দৌড়ে গিয়ে দরজা খুললো,
আবির তনুকে খুঁজতেছে,
উঁকি মারতেই দেখলো তনু নিজের রুমে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে চুল আঁচরাচ্ছে,
আবির মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলো,
তনু নীল রঙের শাড়ী পরেছে,হাতে চুড়ি,কোমড় দেখা যাচ্ছে,
মুনা আবিরের হাত ধরে নিয়ে গেলো,আবির কিছুটা চমকে উঠলো,
মুনা আবিরকে দেখানোর জন্য সেজেছে কিন্তু আবিরের সে দিকে খেয়াল নেই সে রান্নাঘরের দিকে তাকিয়ে আছে আর তনুকে দেখতেছে,,
তনু এসে নাস্তা দিয়ে গেলো,
বিকালে শিশির আসলো,
তনু বারান্দায় গাছে পানি দিচ্ছে,শিশির shirt খুলে বাথরুমে গেলো,তনু খাবার রেডি করে দিলো,
শিশির-ভাবছি মুনার এই xmer পর ওরে বিয়ে দিয়ে দিব,একটা ভালো ছেলে পাই,,
মা-হুম,,আবির কেমন হবে?
শিশির-কি বলো
মা-ভালো ছেলে,চাকরি করে,সবে জয়িন করসে,কথা বলে দেখ
শিশির-আরও দুদিন দেখি
তনু আলমারি খুঁজে শাড়ী বের করতেছে
শিশির-এসব কি?
তনু-মুনার বিয়েতে পরবো
শিশির-এখনও কিছুই রেডি হলো না
তনু-হতে কতক্ষন
শিশির-চলো তো
শিশির হাত ধরে টেনে নিয়ে গেলো,
শিশির-বসো এখানে
তনু বসলো,
শিশির তনুর সামনে বরাবর বসলো
শিশির-আমি যদি এখন তোমাকে কিস করি &আরও কিছু করি আর যদি বলি বাবু দিব, তুমি কি আমাকে করতে দিবা
তনু-অবশ্যই?
শিশির-আর যদি সব করতে চাই বাট বাবু দিব না বলি তাহলে?
তনু-মুড়ি খাও,দিমু না
শিশির-আর যদি হাত বেঁধে করি
তনু-তাহলে এত নাটক করার কি আছে??আমি তো আপনার লগে জোরাজুরিতে পারুম না,
শিশির-রাইট,
হুদাই রাগ দেখাই লাভ নাই,বুঝছো?
তনু-হুহ?
শিশির-নাও এই নাইটড্রেস টা পরে এসো,তোমার জন্য আনছি
তনু-ছিঃ এত ছোট কেন,এটা পরলে আমাকে দেখে বাথরুম ও লজ্জা পাবে
শিশির-পাক,যাও
তনু গিয়ে পরলো,আল্লাহ গো,
আস্তাগফেরুল্লাহ,নাউযুবিল্লাহ,এমন কেন,আমি এখন বের হমু কেমনে,কি লজ্জা লাগতেছে,ছিঃ
শিশির-আর কতক্ষণ?
শিশির গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো,
তনু-আসতেছি,
তনু দরজা খুললো,গায়ে নাইটির উপরে টাওয়েল জড়ানো,
শিশির টান দিয়ে টাওয়েল খুলে ফেলো দিলো,
তনু লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেললো হাত দিয়ে
চলবে♥
“এখনই জয়েন করুন আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে।
আর নিজের লেখা গল্প- কবিতা -পোস্ট করে অথবা অন্যের লেখা পড়ে গঠনমূলক সমালোচনা করে প্রতি সাপ্তাহে জিতে নিন বই সামগ্রী উপহার।
আমাদের গল্প পোকা ডট কম ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন


Crush যখন বর?
Writer-Afnan Lara
#Season_2
#Part_45
শিশির-ওয়াহ,সানি লিয়ন
তনু-ঐ মাইয়ার লগে আমারে মিলাইবেন না একদম
শিশির-ফিগারটা মিলাইলাম
তনু- হুহ
পা বারাতেই ঠাস করে নিচে পড়ে গেলো,
শিশির-হাহাহাহাহাহা
তনু নিচে পড়ে নাইটি টেনে টেনে নামাইতেছে,
আর লজ্জায় মুখ গোলাপি কালার হয়ে গেসে,
শিশির-আহারে, scenary টা দেখার মত ছিলো
তনু-কচুর নাইটি আনছে
শিশির হাত ধরে উঠালো,
তনু-??,
তনু আবার হাঁটা ধরলো আবার ধপাস করে পড়ে গেলো,
শিশির হাসতে হাসতে খাটে গড়াগড়ি খাচ্ছে
তনু-আম্মুউউউউউউ?
শিশির এসে তনুকে কোলে তুলে খাটে নিয়ে এলো,
শিশির-ম্যাম এটা পড়ে বাথরুম বের হয়ে আমাকে ডাক দিবেন আমি কোলে করে খাটে নিয়ে আসবো,
এটা পরে আপনাকে এত হাঁটতে হবে না
তনু বসে বসে নাইটি টেনে হাঁটু ঢাকতেছে বারবার
শিশির এটা দেখে টান মেরে নাইটি খুলে দিলো
তনু-?????লুচু,
এত কষ্ট করে পরলাম,
১০টা মিনিট ও থাকতে দিলো না
শিশির-৭মিনিটই যথেষ্ট
শিশির দাঁত বের করে তনুর দিকে তাকিয়ে আছে,চোখে মুখে দুষ্টুমির চাপ,
তনু-এভাবে তাকান কেন হু?
শিশির-মন চাইসে তাই
শিশির এগিয়ে গেলো,লাইট অফ করে দিলো,
পরেরদিন ♥
তনু ঘুমাচ্ছে,শিশির অফিস চলে গেলো,
তনু উঠে রেডি হয়ে কাজে গেলো,,
আজ ঘর পরিষ্কার করতেছে তনু,
মা অনেকবার মানা করসে তাও শুনে নাই,বলে যে কিছু হবে না,
একটা চেয়ারের উপরে মোড়া রাখসে তার উপর উঠে ঘর পরিষ্কার করতেছে তনু,
আবির তখন আসলো মুনাকে পড়ানোর জন্য,
তনুর মাথাটা ঘুরে উঠলো,
আবির নিচে দিয়ে যাওয়ার সময় তনুর দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলো,
তখনই তনু পড়ে যাওয়া ধরলো আবির শক্ত করে ধরে তনুকে কোলে নিয়ে নিলো,
তনু মাথায় হাত দিয়ে রাখসে,
আবির নিয়ে সোফায় নামিয়ে দিলো,
আবির -আপনি ঠিক আছেন?
মুনা দৌড়ে আসলো,
মুনা-ভাবী ঠিক আছো?
তনু-হুম,মাথাটা ঘুরে উঠলো,
মুনা-ভাবী একটু অসুস্থ
আবির-হুম,আপনি rest নেন,
আবির মুনার রুমে গেলো,
শিশির কল দিলো তনুকে,
শিশির-তোমার কথা খুব মনে পড়তেছিলো আমার
তনু-তাই বুঝি
শিশির-হুম,তুমি ঠিক আছো?
তনু-হুম,
মা তনুর থেকে ফোন নিয়ে নিলো
মা-নারে শিশির,তোর বউ আমার কোনো কথা শুনে না,জোর করে কাজ করতে গেসিলো,আজ কতবড় বিপদ হয়ে যেতো,ভাগ্যিস আবির এসে তনুকে ধরে ফেলছিলো নইলে নিচে পড়ে আবার মাথা ফাটাইতো
শিশির-কিহ?আমি বাসায় আসতেছি
তনু-মা কেন বললা?এখন আমাকে আসি বকা দিবে
শিশির ২০মিনিটের ভিতর এসে গেছে,
শিশির-কই তনু
মা-লুকায় গেসে,
শিশির-আজ তোমারে মাইরা দিমু,
শিশির রুমে গিয়ে খুঁজলো পেলো না,খাটের নিচ দেখলো,বাথরুম দোখলো,বারান্দা দেখলো,
সবার শেষে মুনার রুমে আসলো,
আবির আর মুনা চোরের মত তাকিয়ে আছে শিশিরের দিকে,
শিশির-এই তোমরা দুজনে উঠো,
মুনা-কেন?
শিশির-উঠ
আবির আর মুনা উঠে গেলো,
শিশির টেবিলের নিচে উঁকি মারলো,তনু ঘাপটি মেরে বসে আছে,
শিশির তনুর চুল ধরে টেনে বের করলো
তনু-এ্যা আম্মুউউ
শিশির-আবির মুনাকে পড়াও আমি এইদিকটা সামাল দিয়ে আসতেছি,
শিশির তনুকে টেনে রুমে নিয়ে গেলো,দরজা লাগিয়ে দিলো
তনু-আর কোনোদিন কাজ করবো না সত্যি
শিশির মুচকি হেসে গিয়ে খাটে বসলো,
শিশির -তোমার খুব কাজ করার শখ না?আমার হাত পা টিপো
তনু-?
শিশির-কি হলো করো
তনু বসে বসে হাত পা টিপতে লাগলো,
শিশির-হুম চুল টেনে দাও
তনু বসে চুল টানতে লাগলো,
শিশির-করতে হলে এগুলা করবা,বুঝছো,সওয়াব পাবা
তনু-?হুহ
তনু শিশিরের হাত টিপতে টিপতে শিশিরের বুকে ঘুমিয়ে গেলো,
শিশির চিমটি দিয়ে জাগিয়ে দিলো,
তনু-উফ এত সুন্দর ঘুমটা দিলেন তো নষ্ট করে??
শিশির-কাজ করার শখ তো তোমার তাই করো,
তনু মুখ ভেংচি দিলো
তনু-ইস?সরি ভুলে
শিশির-আজ তোমার খবর আছে,
শিশির টান দিয়ে নিচে ফেলে চুমু দিতে লাগলো,
আবির-তোমার ভাইয়া তোমার ভাবীকে মারবে নাতো?
মুনা-আরে না,
ভাইয়া এমন না,ভাবীকে খুব ভালোবাসে,
তনু-শয়তান
শিশির -শয়তানের কি দেখলা,তোমাকে তো বলসিলাম যে আমাকে আর ভেংচি দিবা না
তনু-আর দিমু না
শিশির-ঐবার ও বলসিলা
শিশির-next time পাকনামি করতে গেলে খালি মাইর খাবা,,,
তনু-??
তনু মাইরের কথা শুনে গালে হাত দিয়ে বসে রইলো,
শিশির মুচকি হেসে fresh হতে চলে গেলো,,
তনু রুম থেকে বের হলো,
আবির তখন বেরিয়ে যাচ্ছিল তনুকে দেখে একবার তাকিয়ে চলে গেলো,
মুনা-ভাবি এদিকে এসো
তনু-হুম বলো
মুনা-আবির স্যার কিউট না?
তনু-হুম কিউট আছে,কেন বলতো?
মুনা এক দৌড়ে রুমে চলে গেলো,
তনু-হাহাহা
শিশির-কি ম্যাডাম এত হাসার কি আছে?
তনু-মুনা আবিররে লাইক করে
শিশির-তাই নাকি
তনু-হুম
শিশির-মা আবিরকে আমার পছন্দ তুমি কি বলো??
মা-আবিরের সাথে কথা বলে দেখ
শিশির-ওকে
শিশির রাতে আবিরকে কল দিলো,আবিরকে মুনার কথা বললো
আবির-আমি রাজি
শিশির-তাইলে তো হলোই,
মা-তোর বাবা ৭দিন পর আসবে,তাহলে উনি আসলেই সব ঠিক হবে
শিশির-হ্যাঁ
শিশির রুমে এসে দেখলো তনু খাটের উপর উঠে লাফাচ্ছে,পরনে শিশিরের লুঙি, আর shirt
তনু-ওহ বিয়া ও বিয়া,বিয়া বিয়া বিয়ারে,বিয়ায়ায়ায়ায়া
শিশির-হয়সে হয়সে থামো
তনু-?
শিশির-দেরি আছে
তনু-কচু,৭দিন কখন কেটে যাবে বলতেও পারবেন না
শিশির-আমার এগুলা পরছো কেন?
তনু-আমার সব ধুয়ে দিসি তাই
শিশির হাতা উঠানো শুরু করলো shirtএর
তনু-আরে আমি ধুই নাই,বুয়া ধুইসে
শিশির -হুম
চলবে♥