Friday, June 5, 2026







কে বাঁশি বাজায় রে পর্ব-০৯

#কে_বাঁশি_বাজায়_রে
#পর্ব_০৯
#নুর_নবী_হাসান_অধির

সময় কখনও কারো জন্য অপেক্ষা করে না। ভাটা শুরু হয়েছে। পানির পরিমাণ কমে গেছে৷ কৃষকরা জমিতে ধান রোপণে ব্যস্ত৷ গবাদিপশুর জাতীয় খাবার ঘাসের পরিমাণ কমে গেছে। মানুষের পাশাপাশি গবাদিপশুও পুষ্টিহীনতায় ভোগছে৷ আয়েশা বেগম ক্লাস শেষ করে আইয়ুব আলীর বাড়িতে পা রাখেন৷ এখানে পা রাখা মানে ঝড়ের পূর্বাভাস। আইয়ুব আলীর অর্থবিত্তের অভাব নেই৷ গ্রামে প্রচুর জমিজমা। গাজীপুরের বোর্ড বাজারে গার্মেন্টস আছে৷ তাছাড়া শহরে কিছু দোকান আছে৷ সে দোকানগুলো পঞ্চায়েত মশাই দেখাশোনা করেন৷

আয়েশা বেগম চেয়ার টেনে বসতে বসতে বললেন,
“আপনি কি ভিক্ষুক হয়ে গেছেন? এখনও অন্যের জমি, গরু দখল করতে মন বাঁধা দেয় না৷”

আইয়ুব আলী কথাগুলো ঠিক বুঝতে পারল না৷ বোকার মতো আয়েশা বেগমের দিকে তাকিয়ে রইল৷ আয়েশা বেগম পুনরায় বলতে শুরু করেন,

“কি হলো কথা বলেন না কেন? এতো টাকা পয়সা থাকতেও অন্যের গরু কেঁড়ে নেওয়ার মানে কি? আপনার তো লজ্জা থাকা দরকার৷ আপনি গ্রামের প্রধান৷ আপনার আদর্শে সবাই জেগে উঠবে৷ কিন্তু আপনি গ্রামের চোরে পরিণত হচ্ছেন।”

আয়েশা বেগমের কথা শুনে আইয়ুব আলীর পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যায়৷ রাগী চোখ মুখ লাল হয়ে যায়৷ আইয়ুব আলী আগে যা করেছে এখন তা করে না৷ কারোর গরু ছাগল লোড করে নিয়ে আসে না৷ গরিবের উপর জোর ঝুলুম করে৷ বিপদে ফেলে মোটা অঙ্কের সুধ নেওয়া উনার কাজ৷ কঠিন গলায় বললেন,

“আপনি না জেনে অনেক কথা বলেছেন৷ অনেক সহ্য করেছি আপনার কথা৷ আপনার কাছে কি প্রমাণ আছে? আমি অন্যের গরু নিয়ে আসছি।”

“কেন আপনি জানেন না? আপনার ছেলে আরিফ আশিকুরের গরু নিয়ে আসে নি৷ সেদিন তার স্ত্রী খোদেজা বানু আমাকে বলল৷ না বললে তো জানতাই না৷”

আইয়ুব আলী উচ্চ স্বরে আরিফকে ডাক দেন৷ আরিফ দ্রুত গতিতে বাবার সামনে হাজির হয়৷ আয়েশা বেগমকে দেখে মুখ চুপসে যায়৷ চোখে মুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্ট। আরিফ ভীত গলায় বলল,

“কিছু বলবেন বাবা?”

আরিফের গায়ে কষিয়ে থাপ্পড় বসিয়ে বলল,
আশিকুরের গরু কে নিয়ে আসছে? আমি গরু নিয়ে আসতে বলছিলাম৷ আমার নাম বলে গরু নিয়ে আসছোস কেন?”

আয়েশা বেগম বুঝতে পারে আইয়ুব এসবের কিছু জানে না৷ আরিফ উনার অগোচরে অনেক কাজ করে৷ সেদিন আয়েশা বেগমকে খুন করার কথা আইয়ুব আলী বলেনি৷ আরিফ নিজে থেকেই গেছিল৷ আরিফ গালে হাত দিয়ে বলল,

“আশিকুরের সাহস হয় কিভাবে আমার কাছ থেকে দুধের টাকা নেওয়া? বাজারে মানুষের সামনে কিছু বলতে পারিনি৷ হ্যাঁ আমি গরু নিয়ে বাজারে বিক্রি করে দিছি৷ দরকার পরলে আরও নিব৷ নিছি ভালো করছি৷”

আইয়ুব আলী কষিয়ে আরও একটা থাপ্পড় বসিয়ে বলল,

“এতো নিচ তুই৷ আমার নাম বলে বলে গ্রামের লোকদের সাথে খারাপ ব্যবহার৷ তোর মতো ছেলে থাকার চেয়ে না থাকা অনেক ভালো৷”

আরিফ ক্ষোভ নিয়ে আঙ্গুল তুলে বলল,

“আমি এই মহিলাকে খুন করে ফেলব৷ এই মহিলার জন্য আমি কিছু করতে পারি না৷ আমি এই মহিলাকে ছাড়ব না৷”

আইয়ুব আলী কিছু লাঠিয়াল বাহিনীকে চোখের ইশারায় আরিফকে নিয়ে যেতে বলেন৷ আইয়ুব আলী বুঝতে পারে তার ছেলে গ্রামে অনেক অন্যায় কাজ করছে৷ যার জন্য গ্রামে আইয়ুব আলীর আধিপত্য কমে যাচ্ছে৷ নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রেখে বলেন,

“আরিফ ছোট মানুষ৷ এই বয়সে রক্ত গরম থাকে৷ ন্যায় অন্যায় বোধ হারিয়ে ফেলে৷ আরিফ ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে৷ তাকে আমি বুঝিয়ে সৎ পথে নিয়ে আসব৷ আরিফের গ্রামের মানুষের আর অত্যাচার করবে না৷”

“শাসনটা অনেক আগে করার দরকার ছিল৷ বাবা হিসেবে সব দিকে নজর রাখা দরকার ছিল৷ শুধু এগুলো তার কাজ নয়৷ আরও খারাপ কাজ করে৷ সবদিকে নজর দিবেন৷ আসিফ খারাপ কাজ করত যার ফলে আসিফকে হারিয়েছেন৷ আরিফকে হারাতে না চাইলে সঠিক পথে নিয়ে আসেন।”

চেয়ার থেকে উঠতে উঠতে বলল,

“সময়ের কাজ সময়ে করতে হয়৷ আপনি নিজে সবকিছু জেনেও কাউকে কিছু বলেন নি৷ আমি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি না৷ সবার খরব রাখি৷ মোল্লা সাহেব সামনে এমপি দাঁড়াবেন৷ নিজের মর্যাদা টিকিয়ে রাখেন৷”

আয়েশা বেগম চলে যেতে নিলেই আইয়ুব আলী বলেন,

“আসিফকে কে হত্যা করেছে আপনি জানেন?”

আয়েশা বেগম মুচকি হেঁসে জবাব দিলেন,

“সবার আগে খরব আমার কাছে পৌঁছায়৷ আসিফ একজন মেয়েকে ধর্ষণ করার ফলে প্রাণ হারিয়েছে৷ শুধু সে নয়৷ তারা তিনজন মিলে সম্মান হানি করেছিল। পৃথিবীতে তিনজনের মাঝে কেউ নেই৷ কিন্তু ধর্ষিত মেয়েটা আজও বেঁচে আছে৷”

আয়েশা বেগমের চোখে জল চলে আসল৷ মনে মনে বলেন,
“হ্যাঁ পারুল আমার মনের মাঝে বেঁচে আছে৷ আমি যতদিন জীবিত থাকব আমার সোনার টুকরো মেয়েটাও জীবিত থাকবে৷
__________

পারী এসাইনমেন্ট করছিল৷ এমন সময় রুমে আশালতা আসেন৷ পরীকে পড়ার টেবিলে দেখে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেন৷ মনের মাঝে রাগ বাসা বেঁধে নিল৷ কিছুতেই পরীর পড়া মেনে নিতে পারল না৷ রাগী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলে উঠল,

“নবাবজাদি তুই এখানে বসে থাকলে রান্না করে করবে কে? তোর মা এসে রান্না করে দিবে৷”

পারী দুষ্টু হাসি দিয়ে বলল,

“হ্যাঁ আমার মা রান্না করবে৷ আমার আদরের ছোট মা রান্না করবে৷ মা রান্নাটা করে নাও৷ সাথে আমার রুমটাও পরিষ্কার করে দিও। মেয়ের কষ্ট একমাত্র মায়েরাই বুঝে৷”

পরীর কথায় আশালতার মাথা গরম হয়ে যায়৷ এমনি সতিনের মেয়ে দু’বেলা চোখের সামনে থাকলে রাগে শরীর জ্বলে যায়৷ তার কথা আরও রাগ হচ্ছে৷ নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে পরীর এসাইনমেন্ট টেনে ছিঁড়ে ফেলে৷ পরীর গায়ে হাত তুলতে নিলে পরী হাত ধরে ফেলে। পরী নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারল না৷ অনেক সহ্য করেছে এই মহিলাকে৷ পরী কষিয়ে কয়েকটি থাপ্পড় বসিয়ে দিল৷ হুংকার দিয়ে বলল,

“পরীকে রাগিও দিও না৷ খুন করে ফেলব সোজা৷ আজকেরটা সামান্য নমুনা৷ আমার সাথে লাগতে আসলে আরও খারাপ কিছু করতে পারি। গ্রামের মেয়ে ভেবে ভুল করবে না৷ রাগ উঠলে বড় বলে ছেড়ে দিব না৷”

তাদের চেঁচামেচি শুনে পলক হোসাইন এবং বাড়ির কাজের লোক আসতে নিলেই পরী তড়িঘড়ি করে আশালতার হাত নিজের গলায় নিয়ে চিৎকার করে বলে উঠল,

“আম্মাগো আমাকে ছেড়ে দেন৷ আমি আপনার পায়ে পড়ি৷ আমি আর এই বাড়িতে থাকব না৷ মায়ের কাছে চলে যাব৷ আল্লাহর দোহাই লাগে আমাকে ছেড়ে দেন৷”

বাড়ির সকলে ইতিমধ্যে চলে এসেছে৷ এমন দৃশ্য দেখে পলক হোসাইন মেয়েকে ছাড়িয়ে নিয়ে আশালতার গালে কষিয়ে থাপ্পড় বসিয়ে বলল,

“ছি! তুমি এতো নিচ। পরী তোমার নিজের মেয়ে নয় বলে তাকে মেরে ফেলতেও একবার ভাবলে না৷ শিক্ষিত মানুষের এমন নিষ্ঠুর রুপ দেখিনি৷ পরী আমাকে আগেই বলেছিল তুমি তাকে দিয়ে বাসার সকল কাজ করাও৷ কাজে ভুল হলে গায়ে হাত তুল৷ বিশ্বাস করতাম না৷ আজ চোখের সামনে যা দেখলাম৷”

আশালতা কান্না করতে করতে বলল,

“বিশ্বাস কর, আমি এসব কিছু করিনি৷ পরী সব বানিয়ে বানিয়ে মিথ্যা কথা বলেছে৷ আমি পরীকে নিজের থেকেও বেশি ভালোবাসি৷”

পলক হোসাইন রাগী গলায় বলল,

“আমরা নিজের চোখে দেখলাম৷ একটু দেরি করলে হয়তো পরীর লাশ এখানে পাওয়া যেত৷”

দূরে দাঁড়িয়ে পরী কান্না করছে৷ পলক হোসাইন এক হাত দিয়ে আগলে রাখার চেষ্টা করছে৷ আশালতা রাগী গলায় বলল,

“আমি এই মেয়েকে দেখে নিব৷ এই মেয়ে কিভাবে বেঁচে থাকে আমিও দেখব৷ আমি নিজ হাতে খুন করব৷”

একে একে সবাই রুম থেকে চলে যায়৷ পলক হোসাইন চলে যাওয়ার আগে বলল,

“ভয় নেই৷ তোমার কোন ক্ষতি কেউ করতে পারবে না৷ তোমার ছোট মাকে আমি বুঝিয়ে সব ঠিক করে দিব৷”

পরী মাথা নাড়িয়ে সম্মতি জানাল৷ পলক হোসাইন রুম থেকে চলে গেলে পরীর রুমের দরজা লাগিয়ে চোখের জল মুছল৷ বিশ্ব জয়ের হাসি দিয়ে মনে মনে বলল,

“পরীকে ভালোবাসা দিলে সব কাজ করে দিত৷ মায়ের মতো ভালোবাসত৷ আগলে রাখত৷ যারা ভালোবাসার যোগ্য নয় পরী তাদের সাথে এমনই করবে৷”
____

সমাপ্তির বাসা ধানমন্ডি। প্রতিদিন গাড়ি করে আসা যাওয়া। ড্রাইভারের দরকারে গাড়ি নিয়ে কোথাও গেছে৷ অবশ্য সমাপ্তিকে বলে গেছে৷ বিশ মিনিটের মাঝে চলে আসবে৷ সমাপ্তি যাইনি বলে হুকু তার সঙ্গ দিয়েছে৷ একপ্রকার ধরে বেঁধে আটকিয়ে রেখেছে পরীকে৷ খোলা মাঠের নিচে বসে আছে তিনজন। কুহু চশমা ঠিক করতে করতে বলল,

“ছোঁয়া থাকলে খুব ভালো হতো৷ আমরা চারজন কথা বলতে পারতাম৷ ভালো লাগত অনেক৷”

কুহুর বার বার চশমায় হাত দেওয়া সমাপ্তি কিছুতেই মেনে নিতে পারে না৷ বিরক্তির সাথে বলে উঠল,

“কুহু আর কেউ কি চশমা পড়ে না৷ তুই একাই চশমা পড়োস৷ বার বার চশমায় হাত দেওয়ার মানে কি? নাকি মানুষকে দেখাস তোর চশমা আছে৷”

কুহু অভিমানী কন্ঠে বলল,
আমার চশমা নিয়ে কোন কথা বলবি না৷ হ্যাঁ আমি দেখাই আমার চশমা আছে৷ দরকার পড়লে তুইও দেখা৷”

পরী বিরক্ত স্বরে বলল,
থামাবি তোদের ঝগড়া। মন চাচ্ছে ধাক্কা দিয়ে দুটোকেই বুড়িগঙ্গায় ফেলে আসি৷”

কুহু ন্যাকা স্বরে বলল,
“সমাপ্তিকে ফেলে আয়৷ সে আমার পিছনে সব সময় লেগে থাকে৷ আমি যা করি তার কাছে সবই ভুল৷”

সমাপ্তি পরীর কাঁধে হাত রেখে বলল,
“তোর সৎ মা তোর সাথে এতো খারাপ ব্যবহার করে তুই কিছু বলস না৷”

“আমি এখন আর বসে নেই৷ আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করলে আমিও খারাপ ব্যবহার করি৷ প্রথম দিকে গ্রামের মেয়ে ভেবে অনেক অত্যাচার করেছে৷ সময়ের সাথে অত্যাচার বাড়ছিল৷ প্রতিবাদ করায় এখন একটু কম৷”

“তোর বাবা কিছু বলে না৷ তোর সাথে এতো খারাপ ব্যবহার করে৷”

“আমি বাবার জন্য বসে থাকিনা৷ বাবাকে এক সময় অনেক ভালোবাসতাম৷ এখন ভালোবাসা মন থেকে উঠে গেছে৷ আর্দশ বাবা হয়ে উঠতে পারেনি৷”
পরী দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বলল,
“সমাপ্তির গাড়ি চলে এসেছে৷ এখন সবাই বাড়িতে যাহ৷ আল্লাহ বাঁচিয়ে রাখলে কাল আবার দেখা হবে৷”

চলবে….

পূর্ববর্তী নিবন্ধ
পরবর্তী নিবন্ধ
গল্প পোকা
গল্প পোকাhttps://golpopoka.com
গল্পপোকা ডট কম -এ আপনাকে স্বাগতম......
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments

Md masrur Hasan mahi على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
আমিনুল ইসলাম على প্রয়োজন পর্ব: ৩০ ( অন্তিম)
সাজিবুল ইসলাম على ধর্ষিতাবউ২ ৯ তথা শেষ পর্ব
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
শাহিদুল ইসলাম على জীবন সঙ্গী ১ম পার্ট
Nita Sarkar على স্বপ্নীল ৬৮
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على রহস্য শেষ_পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على অলক্ষ্যে তুমি পর্ব-০৬ এবং শেষ পর্ব
Nazmun Nahar Akhi على Psycho_is_back? part_7
Nazmun Nahar Akhi على Dangerous_Villian_Lover part 2
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على জানালার ওপারে পর্ব-১৭ এবং শেষ পর্ব
শিয়াসা ইসলাম হুরিজিহান على লীলা বোর্ডিং ১২১৫ পর্ব-১১ এবং শেষ পর্ব
মিজানুর রহমান রাহুল على সেই তুমি পর্ব-০১
@feelings على প্রহেলিকা
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Anamika Basu على সে পর্ব-১২
Nusrat jahan على coffee & vanilla Part-10
Pallabi Roy على স্বপ্নীল ৬৮
M.D Mahabub على The_Villain_Lover Part_2
Labani sarkar على Dangerous_Villain_Lover part 23
MD Akas Apc على বিবেক
Tanisha Ahmed على Devil love part-18 
Aius Barmon shorob على নারীর দেহকে নয়
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Chandan roy على স্বপ্নীল ৬৮
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Priya Banerjee على devil love married life last part
Riya Biswas على তুমি রবে ৬০
Riya Biswas على তুমি রবে ৫২
Mohammad Adib على তুমি রবে ৬০
Avni Ayesha على তুমি রবে ২৮
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
সুমিত على তুমি রবে ২৮
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
TANJIBA ZENIFAR على তুমি রবে ৫০
Samiah Begum على তুমি রবে ৫১
biddut das rocky على নর নারী
গল্প পোকা على নষ্ট গলি শেষ পর্ব
Md Jobayer Hossain Shohag على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على দুই অলসের সংসার
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤৪২.
A.J.S Rakib على মন ফড়িং ❤৪২.
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
গল্প পোকা على গল্পঃ ভয়
Samiya noor على গল্পঃ ভয়
Sadikul على গল্পঃ ভয়
Samia Islam على গল্পঃ ভয়
শূন্য মায়া على মন ফড়িং ❤ ৪০.
Sutapa biswas على মন ফড়িং ❤৩৯.
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৮.
sutapa biswas على মন ফড়িং ❤ ৩৭
Foysal Mahmud على My_Mafia_Boss_Husband Part: 16
Siyam على বিবেক
Sudipto Guchhait على My_Mafia_Boss পর্ব-৯
saptami karmakar على devil love married life last part
saptami karmakar على devil love married life last part
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ৩০.
মায়া على মন ফড়িং ২৬.
Shreyashi Dutta على  বিয়ে part 1
Sandipan Biswas على  বিয়ে part 1
Paramita Bhattacharyya على অনুরাগ শেষ পর্ব
জামিয়া পারভীন তানি على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
মায়া على মন ফড়িং  ২২
সুরিয়া মিম على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على মন ফড়িং ২১
গল্প পোকা على নষ্ট গলি পর্ব-৩০
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على Love At 1st Sight Season 3 Part – 69
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
Sahin ssb على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ২১
মায়া على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ২০.
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
গল্প পোকা على খেলাঘর /পর্ব-৪২
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৮. 
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৭.
Jannatul Ferdous على খেলাঘর পর্ব-৩৫
গল্প পোকা على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ফাল্গুনের_ফুল last_part_8
মায়া على মন ফড়িং ❤ ১৬. 
গল্প পোকা على ছাত্রী যখন বউ পাঠঃ ১
গল্প পোকা على বাজির প্রেম পাঠঃ ১
Foujia Khanom Parsha على মা… ?
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৮
HM Ashraful Islam على অবুঝ_বউ পার্ট: ৫
Ibna Al Wadud Shovon على স্বার্থ